Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভয় সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প498 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কোর্তা

    সরকারি কাজের জন্য বিহারে একটি ছোটো শহরে কিছুদিন আমাকে থাকতে হয়েছিল। শহরের নাম না বললেও চলবে।

    বৈকালে একদিন বেড়াতে বেরিয়ে শহর ছাড়িয়ে বেশ খানিকটা দূরে গিয়ে পড়লুম। আমার এপাশে-ওপাশে সবুজ মাঠ আর শস্য খেত। দূরে-দূরে দেখা যাচ্ছে ছোটো ছোটো পাহাড়। মাঝে মাঝে পড়ন্ত রোদে চকচক করছে নদীর জল। বেড়াতে ভালো লাগছিল।

    ফেরবার মুখে আকাশে দেখা দিলে মস্ত একখানা কালো মেঘ। সূর্য তখনও অস্ত যায়নি, কিন্তু আলো হয়ে এল নিবু-নিবু। দেখতে দেখতে আকাশ ডুব দিলে অন্ধকারে। দূরে জেগে উঠল একটা অস্পষ্ট শব্দ, বুঝলুম ঝড় এসেছে।

    এই খোলা মাঠে দাঁড়িয়ে ঝড়ের সঙ্গে আলাপ করা সুবিধাজনক হবে বলে মনে হল না। খানিক তফাতে পথের ধারের জঙ্গলের ভিতর থেকে দেখা যাচ্ছিল একখানা জীর্ণ সেকেলে বাড়ির খানিকটা। সেইদিকেই ছুটলুম।

    মাঝারি আকারের দোতলা বাড়ি। তার গা থেকে মাঝে মাঝে চুন-বালির প্রলেপ খসে পড়েছে। এখানে-ওখানে গজিয়ে উঠেছে অশত্থ-বটের দল। কোনো কোনো জানলার পাল্লা ভাঙা। দেখলেই বলা যায়— এ হচ্ছে পরিত্যক্ত বাড়ি।

    হোক পরিত্যক্ত, আমার এখন চাই খালি মাথার ওপরে একটা আচ্ছাদন। কারণ গাছে দোলা দিয়ে এবং চারিদিকে ধুলো-কাঁকর উড়িয়ে দুর্দান্ত ঝড় একেবারে কাছে এসে পড়েছে। কাছে এসে দেখলুম সদরের দু-খানা কবাটই ভেঙে পড়েছে। ভেতরে ঢুকেই বাঁ-দিকে পেলুম একখানা ঘর। মেঝের ওপরে পুরু ধুলো, কোথাও কোনো আসবাব নেই। তিনটে ভাঙা জানলা দিয়ে ঘরের ভিতরে হু-হু করে ঢুকছে ঝড়ের সঙ্গে কাঁকর, ধুলো, বালি।

    এ ঘরে মন আশ্রয় নিতে চাইলে না। পায়ে পায়ে বাড়ির ভিতর দিয়ে এগিয়ে পেলুম একটি উঠোন। তারই এককোণে সিঁড়ির সার। আমি ওপরে উঠতে লাগলুম। যেখানে পা দিই, সেখানেই পুরু ধুলোর উপরে ছড়ানো হরেকরকম নোংরা জিনিস।

    সিঁড়ির পাশেই ছিল একটি ঘর, তারও দরজা খোলা। কিন্তু ঘরের ভিতরে পা বাড়াতে গিয়েই থমকে দাঁড়িয়ে পড়লুম।

    আমি ভীতু লোক নই, কোনোরকম কুসংস্কারও আমার নেই। কিন্তু কেন জানি না, আমার পা-দুটো যেন হঠাৎ বিদ্রোহী হয়ে আর আমাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইল না। কেন যে নীরবে আমার কানে কানে বললে, ‘ও ঘরে ঢুকো না, ও ঘর নিরাপদ নয়!’

    এ-রকম অহেতুকী ভয় আমার প্রকৃতিবিরুদ্ধ। আকাশে মেঘের সমারোহ দেখছি চারিদিকে ঝড়ের গর্জনও শুনছি কিন্তু এখনও দিনের আলো মরে যায়নি। একবার উঁকি মেরেও ঘরের ভিতরে কারুকে দেখতে পেলুম না। নিজের মনে-মনেই হেসে হাতের মোটা ভারী লাঠিগাছা ভালো করে চেপে ধরে আমি ঘরের ভিতরে গিয়ে দাঁড়ালুম।

    দুই

    শূন্য ঘর। কেবল মেঝের একদিকে পড়ে আছে একখানা ধূলি ধূসরিত ছেঁড়া মাদুর এবং দেওয়ালের একটা হুকে ঝুলছে লম্বা একটা কোর্তা।

    কোর্তাটার সমানে গিয়ে দাঁড়ালুম। পুরোনো বেরঙা জামা গায়ে দিলে তার তলদেশটা গিয়ে পড়বে হাঁটুর নীচে। পুরু বনাতে তৈরি শীতবস্ত্র। কিন্তু এ জামাটাকে এখানে এমনি নিশ্চয়ই বেশিদিন আগে ঝুলিয়ে রেখে যায়নি। কারণ জামাটার কোথাও এতটুকু ধুলোর চিহ্ন নেই— যেন এখনও তাকে নিয়মিতরূপে ব্যবহার করা হয়।

    হঠাৎ নীচের দিকে চোখ পড়ল। কোর্তার ঠিক তলায় ধুলোর ওপরে এবং ঘরের অন্যান্য দিকেও অদ্ভুত সব টানা-হ্যাঁচড়ার দাগ! এ-সব দাগ কীসের? অবাক হয়ে ভাবতে লাগলুম। মনে হল, কেউ যেন কোর্তাটাকে ধুলোর উপরে লুটিয়ে ঘরময় টানাটানি করে বেড়িয়েছে। হেঁট হয়ে দেখলুম, কোর্তার তলদেশে ধুলোর চিহ্ন রয়েছে বটে! এমন আশ্চর্য আচরণের অর্থ কী?

    কোর্তাটার উপরে হাত রেখে আরও ভালো করে পরীক্ষা করতে করতে দেখলুম, বুক পকেটের উপরে রয়েছে একটা প্রায় এক ইঞ্চি চওড়া ছ্যাঁদা? আর এই ছ্যাঁদার চারিপাশে ওই শুকনো দাগটাই বা কীসের? এ কি রক্তের দাগ? কোর্তার উপরে কেউ কি ছোরার আঘাত করেছিল? তাহলে কি এই জামাটাকে কোনো মৃতদেহের গা থেকে খুলে নিয়ে এইখানে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে?

    মনের ভিতর জেগে উঠল কেমন একটা ঘৃণার শিহরণ। তারপরেই মনে হল, কোর্তার গা থেকে বেরুচ্ছে যেন পচা মাংসের দুর্গন্ধ। যদিও বুঝলুম, এ হচ্ছে আমার মিথ্যা সন্দেহ বা মনের ভ্রম; তবু কোর্তাটার কাছে আর দাঁড়িয়ে থাকতে ইচ্ছা হল না। তাড়াতাড়ি সরে এসে ঘরের একটা জানালা খুলে দিলুম।

    ঝড়ের গোলমাল কমে এসেছে বটে, কিন্তু তখনও মেঘের ঘোর কাটেনি এবং বৃষ্টি পড়ছে ঝম ঝম করে। দোতলার জানালায় দাঁড়িয়ে দেখা গেল প্রায় সিকিমাইল দূরে রয়েছে একখানি বৃষ্টিধৌত গ্রামের ছবি। মনে মনে বললুম, আগে জানা থাকলে এই ছমছমে ভাব-ভরা পোড়ো বাড়িতে না-এসে ওই গ্রামে গিয়েই আশ্রয় গ্রহণ করতুম। এ যেন অলক্ষুণে বাড়ি! ঘরের ভিতরটা ক্রমেই যেন কেমনতরো হয়ে উঠছে। এখানে আমি যেন আর একলা নই!

    হঠাৎ বাইরের বারান্দায় ধপাস করে একটা শব্দ হল। কে যেন মাটির উপর এক বস্তা কাপড় ফেলে দিল।

    দৌড়ে বাইরে গেলুম। বারান্দায় কোনো কাপড়ের বস্তা বা জনপ্রাণী নেই। এক মুহূর্ত আগে এখানে যে কেউ এসেছিল তারও প্রমাণ পেলুম না। যেইই আসুক, ধুলোর উপর পদচিহ্ন থাকতই। কিন্তু তবু একটা শব্দ যে আমি শুনেছি, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। কে শব্দ করলে? আর কীসেরই বা শব্দ? এ বাড়িতে কি আমি ছাড়া আর কেউ লুকিয়ে আছে? কে সে? চোর? ডাকাত? ফেরারি আসামি?

    তারপরেই আমার সারা গায়ে কাঁটা দিলে। কারণ স্পষ্ট শুনলুম যে-ঘর ছেড়ে বেরিয়ে এলুম তারই ভিতর থেকে যেন কে চাপা-গলায় হেসে উঠছে!

    আর ঘরের ভিতরে গিয়ে দেখবার সাহস হল না। হতে পারে, যা শুনেছি সবই আমার কানের বা মনের ভুল, তবু এ-রকম সন্দেহজনক বাড়ির ভিতরে আর থাকা উচিত নয়। এর চেয়ে বৃষ্টিতে ভেজাও ভালো!

    মালকোঁচা মেরে কাপড় পরে সিঁড়ির দিকে এগুতে এগুতে ভয়ে ভয়ে আবার পিছন ফিরে তাকালুম। ঘরের দরজার ওপাশ থেকে একটা চলন্ত ছায়া যেন বারান্দার উপরে এসে পড়ল এবং পরমুহূর্তে দেখলুম দরজা জুড়ে বিরাজ করছে সেই সুদীর্ঘ কোর্তাটা!

    আড়ষ্ট হয়ে দাঁড়িয়ে রইলুম পাথরের মূর্তির মতন— কতক্ষণ ধরে জানি না! কে যেন বিষম এক সম্মোহন মন্ত্রে আমার নড়বার শক্তি একেবারে হরণ করে নিলে। আমার অসাড় হাত থেকে খসে লাঠিগাছা সশব্দে মেঝের উপর পড়ে গেল।

    তিন

    কিন্তু আমি ভাববার শক্তি হারালুম না। বেশ বুঝলুম, আমি দাঁড়িয়ে আছি নরকের দূতের সামনে। ও যদি একবার আমাকে স্পর্শও করে তাহলে কেবল আমার দেহই ধ্বংস হবে না— আমার আত্মাও হবে নরকস্থ!

    কোর্তা সিধে হয়ে দাঁড়িয়ে আছে— তার ভিতরে এসে আবির্ভূত হয়েছে যেন কোনো ভয়াবহ অদৃশ্য দেহ! জামার হাতার বাইরে হাত নেই, তলদেশে পায়ের চিহ্নও নেই, কিন্তু এইবারে সেটা ধীরে ধীরে আমার দিকে অগ্রসর হতে লাগল!

    তবু আমি নিশ্চল হয়ে বিস্ফারিত চক্ষে তাকিয়েই রইলুম।

    কোর্তা আসছে, আসছে— এগিয়ে আসছে! পদশব্দ নেই, সে এগিয়ে আসছে যেন শূন্যপথে।… সে এগিয়ে এসে দাঁড়াল আমার সামনেই। তারপর হাত দুটো বাড়িয়ে দিলে আমার দিকে। এইবারে সে আমাকে স্পর্শ করবে।

    হঠাৎ প্রাণপণে চিৎকার করে উঠলুম, ‘ভগবান, ভগবান!’— সঙ্গে-সঙ্গেই ফিরে পেলুম আমার সমস্ত শক্তি!

    পাগলের মতো হেঁট হয়ে পড়ে মাটির উপর থেকে তুলে নিলুম আমার মোটা লাঠিগাছা এবং সজোরে আঘাত করলুম কোর্তার উপরে! আশ্চর্য! পরমুহূর্তেই সেটা সাধারণ জামার মতোই ঠিকরে পড়লে আমার পায়ের তলায়।

    একলাফে জামাটা পার হয়ে সিঁড়ির দিকে বেগে ছুটে গেলুম। নামবার আগে বিদ্যুতের মতন এবার ফিরে দেখলুম, কোর্তাটা আবার শূন্যে উঠে দাঁড়াচ্ছে— যেন সে আবার আমাকে অনুসরণ করবে।

    তিন-চার লাফে এসে পড়লুম একতলায়।

    মানুষ যে কত জোরে ছুটতে পারে, সেদিন সেটা প্রথম অনুভব করলুম। জানালা থেকে দেখা সেই গ্রামের এক মুদির দোকানে না-এসে থামলুম না।

    মাটির উপরে এলিয়ে বসে পড়ে হাঁপাতে-হাঁপাতে বললুম, ‘জল! এক গেলাস জল!’

    চার

    বেশ কিছুক্ষণ বিশ্রামের পরে মুদির মুখে যা শুনলুম তা হচ্ছে এই—

    পঁচিশ বছর আগে ওই বাড়িতে বাস করত এক দারোগা। তার প্রকৃতি ছিল এমন ভীষণ যে, এ অঞ্চলের সাধু-অসাধু সমস্ত লোকেই অতিষ্ঠ হয়ে পরিত্রাহি ডাক ছাড়তে আরম্ভ করেছিল।

    হঠাৎ কে একদিন ছোরা মেরে দারোগাকে হত্যা করে যায়। সেই দিন থেকে ও-বাড়ি খালি পড়ে আছে। হাজার টাকা পুরস্কারের লোভ দেখালেও এ অঞ্চলের কোনো গরিব ভিখারিও ওই বাড়ির ভিতরে ঢুকতে চাইবে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিশোর সাহিত্য সম্ভার – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article ভূত ৭৩ – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }