Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প937 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিষাণগড়ের সোনা – ২৫

    ২৫

    বেঞ্চিতে নয়, নদীর একেবারে ধার ঘেঁষে ঘাসের উপরে আমরা গোল হয়ে বসেছি। ভাদুড়িমশাই একটা সিগারেট ধরালেন, চুপচাপ টানলেন কিছুক্ষণ, তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, “কাল রাত্তির থেকেই তো কথা বলবার জন্যে ছটফট করছেন, অনেক কষ্টে আপনাকে চুপ করিয়ে রেখেছি। তা এইবার বলুন কী জানতে চান?”

    বললুম, “জানতে তো কত কিছুই চাই। কিন্তু সব কি আর আপনি বলবেন?”

    “এখন আর কোনও বাধা নেই, এক-এক করে প্রশ্ন করুন। সরস্বতী আর সুমঙ্গল সবই জানে। ইন্ ফ্যাক্ট, ওরা সাহায্য না করলে আর যেমন-যেমন বলেছি, সেই মতো প্লে-অ্যাক্টিং করে না গেলে প্ল্যান অনুযায়ী কাজ হত না। সুতরাং কোনও সংকোচ করবেন।”

    বললুম, “জঙ্গল থেকে পুরন্দর মিশ্র যে শিবলিঙ্গ নিয়ে এসেছিলেন, মন্দিরে কি সেটিই আজ প্রতিষ্ঠিত হল?”

    “না, তা হয়নি।”

    “সেটা আমিও বুঝতে পেরেছি। চোখের সামনে দেখলুম যে, কলকাতা থেকে আমি যা নিয়ে এসেছি, স্যুটকেস খুলে সেটিকেই আজ বার করে এনে আপনি জঙ্গলের সেই বিগ্রহ বলে চালিয়ে দিলেন। আর তা ছাড়া, বিগ্রহ তো সবসুদ্ধ তিনটি। একটি. পুরন্দর মিশ্র এনেছিলেন, একটি আপনি এনেছেন, আর একটি এনেছি আমি। তার মধ্যে দুটির হিসেব পাওয়া যাচ্ছে। একটি দোতলায় আপনার স্যুটকেসের মধ্যে রয়েছে, আর একটি আজ প্রতিষ্ঠিত হল। তৃতীয় বিগ্রহটি তা হলে গেল কোথায়?”

    “সেটি সত্যিই চুরি গিয়েছে!”

    “তার মানে? কখন চুরি হল? কে চুরি করল?”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “চুরি হয়েছে সেই সময়ের মধ্যে, নাতিকে নিয়ে যশোমতী দেবী যখন বৈঠকখানা-ঘরে বসে ছিলেন। এই হল আপনার প্রথম প্রশ্নের উত্তর। আর দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তরে জানাই, সেটি চুরি করেছে ভুপিন্দর সিং। তবে, আবার বলি, আমার বিশ্বাস, যশোমতী দেবী এই চুরির ব্যাপারে কিচ্ছু জানেন না। … কী রে সরস্বতী, আমি কি ভুল বলছি?”

    “না, বড়দা, আপনি ঠিকই আঁচ করেছিলেন।” সরস্বতী বলল, “আপনার কথামতো উপর থেকে আমি গেটের দিকে নজর রেখেছিলুম তো। রানি-মা’র সঙ্গে তাঁর যে নাতিটি এসেছিল, সে ভুপিন্দারই বটে।”

    “আঁচ করেছিলুম নামের মিল দেখে। রূপেন্দ্রনারায়ণের ছেলে ভূপেন্দ্রনারায়ণ। দিল্লিতে ওই নাম শুনেই আমার সন্দেহ হয়েছিল, বিষাণগড়ের জঙ্গলে আসতে যার এত আগ্রহ আর নাম যার ভুপিন্দর, সে বিষাণগড়ে. সেই ছোটকুমার রূপেন্দ্রনারাণের ছেলে নয় তো? তার উপরে যখন শুনলুম, সোনার খোঁজে তাকে সাহায্য না-করলে সে তোর ছেলের উপরে হামলা করবে বলে ভয় দেখিয়েছে, তখন সন্দেহটা আরও পাকা হল। সরস্বতী, একটা কথা তোকে বলা হয়নি। কিরণবাবু কেন বিষাণগড়ে ফিরে এসেও আবার চলে গিয়েছিলেন জানিস। রূপ তো ওঁকে দু-চক্ষে দেখতে পারত না, প্রথম থেকেই ওঁর উপরে খাপ্পা হয়ে ছিল।”

    সরস্বতী বলল, “সে তো পাগল ছিল শুনেছি। ভাইয়া, আপনি কি সেই পাগলের ভয়ে বিষাণগড় ছেড়েছিলেন?”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “না রে, ব্যাপারটা অত সহজ নয়। রূপ পাগল ছিল ঠিকই, বাট অ্যাট দ্য সেম টাইম, দেয়ার ওয়াজ আ মেথড ইন হিজ ম্যাডনেস। এটা সে খুব ভালই জানত যে, কিরণবাবুর দুর্বলতা আসলে কোথায়। তাই একদিন তাঁর দফতরে ঢুকে তাঁকে একলা পেয়ে শাসিয়ে গেল যে, তিনদিনের মধ্যে যদি তিনি বিষাণগড় ছেড়ে চলে না যান, তো লছমিকে সে খুন করবে। বাস্, তারপরে আর কিরণবাবু কোন ঝুঁবি নেননি। কথাটা একমাত্র আমাকে জানিয়েছিলেন। বলেছিলেন, তিনি নিজের জীবনের ঝুঁকি নিতে পারেন, কিন্তু ওই দুধের বাচ্চার জীবনের ঝুঁকি তিনি নিতে পারবেন না। পরদিন সকালেই তিনি বিষাণগড় ছেড়ে চলে যান।”

    সরস্বতী বলল, “মা-একথা জানে?”

    বললুম, “এতদিন একমাত্র ভাদুড়িমশাই জানতেন, এবারে তোমরা জানলে। কিন্তু না, আর কাউকে জানাবার দরকার নেই।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “এই রে, আবহাওয়াটা বড্ড ভারী হয়ে যাচ্ছে। তো যা বলছিলুম, ভুপিন্দর তোর ছেলের কথা বলে তোকে শাসিয়েছে শুনেই আমার মনে পড়ে গেল যে, রূপও তো একটা বাচ্চা মেয়েকে মারবে বলে ভয় দেখিয়েছিল। এটা কি নেহাতই একটা কো-ইনসিডেন্স? সেইজন্যেই তোদের দিল্লির বাড়িতে কিরণবাবুকে আমি বলেছিলুম যে, বিষাণগড় আর দিল্লির মধ্যে কোথাও কোনও লিংক আছে কি না, সেটা একটু ভেবে দেখুন।”

    আমার ধাঁধা তবু কাটছিল না। বললুম, “কিন্তু ভুপিন্দারের লোভ তো সোনার। সে বিগ্রহ চুরি করল কেন?”

    সরস্বতী বলল, “বিগ্রহের ব্যাপারটা ভাইয়াকে ভাল করে বুঝিয়ে বলুন বড়দা।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “জঙ্গল থেকে পুরন্দর যে শিবলিঙ্গ নিয়ে এসেছিলেন, সেটি কাল রাত্তিরেই আমি বৈঠকখানা থেকে সরিয়ে তার জায়গায় ব্যাঙ্গালোর থেকে আনা বিগ্রহটি বসিয়ে রাখি। ভুপিন্দার সেটিই চুরি করেছে। কিন্তু লছমি তা জানে না। লছমি জানে, আদৌ কোনও বিগ্রহ কেউ চুরি করেনি। তাকে আমি বলি, রানি-মা তাঁর নাতিকে নিয়ে বৈঠকখানা থেকে বেরিয়ে যাবার খানিক বাদে বিগ্রহটি আমিই সরিয়ে রেখেছি; তারপর কলকাতা থেকে আপনার আনা বিগ্রহটি নিয়ে এসে বলি, এটিই সেই বিগ্রহ। আসল ব্যাপারটা দয়া করে আর লছমিকে আপনি জানাবেন না। আপনার দিদিকেও না।”

    বললুম, “তা নিশ্চয় জানাব না। কিন্তু একটা প্রশ্নের উত্তর এখনও পাইনি। আপনার আনা বিগ্ৰহ ভুপিন্দর চুরি করল, আর আমার আনা বিগ্রহ মন্দিরে প্রতিষ্ঠা করা হল। পুরন্দর মিশ্রের আনা সেই ওরিজিন্যাল বিগ্রহটি তা হলে কোথায়?”

    “সেটি রয়েছে দোতলায়, আমার স্যুটকেসে।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “কাল রাত্তিরে সেই ওরিজিন্যাল বিগ্রহটিকেই আপনি ব্যাঙ্গালোর থেকে আনা বিগ্রহ বলে ভেবেছিলেন।”

    “ঠিক আছে। কিন্তু ভূপিন্দার চলে যাবার পরে ওটিকেই আজ কেন প্রতিষ্ঠা করা হল না?”

    “এইজন্যে হল না যে, ওটি পাথরের বিগ্রহ নয়।” ভাদুড়িমশাই হেসে বললেন, “দিল্লিতে সরস্বতীর বাড়িতে ওটি যখন আমি হাতে নিয়ে পরীক্ষা করি, তখনই তা আমি টের পেয়েছিলুম। আরে মশাই, পাথর অত ভারী হয়না। ওটি ধাতুর বিগ্রহ, যার উপরে মিশকালো কোনও রঙের প্রলেপ লাগানো হয়েছে। সেই ধাতুও, যা আমি সন্দেহ করে।ছলুম, তা-ই, অর্থাৎ সোনা। কাল রাত্তিরে আপনি ঘুমিয়ে পড়বার পর বিগ্রহটিকে একটু ঘষতেই ওর কালোরঙের ঘোমটার আড়াল থেকে তিনি বেরিয়ে এলেন, পুরন্দর মিশ্রের ভাষায় যাঁর রং একেবারে কাঁচা হলুদের মতো।”

    বিস্ময়ে আমার বাস্ফূর্তি হচ্ছিল না। অস্ফুট গলায় বললুম, “এই ব্যপার?”

    “হ্যাঁ মশাই, এই হচ্ছে ব্যাপার। রানি-মা’র কাছে যখন বিগ্রহ-প্রতিষ্ঠার চিঠি পাঠিয়ে তাঁকে এই উপলক্ষে এখানে আসতে অনুরোধ করা হয়, তখন আমারই নির্দেশমতো সেই চিঠিতে জানিয়ে দেওয়া হয় যে, পুরন্দর মিশ্র বিষাণগড়ের জঙ্গলে এটি পেয়েছিলেন। ভুপিন্দরের তখনই সন্দেহ হয় যে, এটি নিশ্চয় সোনার। পুরন্দর যে জঙ্গলে-জঙ্গলে ঘুরে বেড়াতেন, সেটাও সে কারও কাছে শুনে থাকবে তার এমনও মনে হয়ে থাকবে যে, আসলে তিনি যেতেন সোনার খোঁজে। বাস্, দুয়ে দুয়ে চার করে সে তার ঠাকুমার সঙ্গে এখানে চলে এল।”

    বললুম, “কিন্তু সে তো বুঝতে পারবে যে, যা সে চুরি করেছে, তা সোনা নয়, ত’ন সে আবার সরস্বতীর ছেলের উপরে হামলা করবে না তো?”

    “যাতে না করতে পারে, তার ব্যবস্থাও হচ্ছে।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “সরস্বতীকে কালই জিজ্ঞেস করেছিলুম, হ্যাঁ রে, এই সোনা দিয়ে তুই কী করবি? তা ও বলল, যা ও রোজগার করেনি, তা ও চায় না। আর তা ছাড়া, ক্রানিতেও ওটা ওর প্রাপ্য নয়, ওটা সরকারের, তাই সরকারকেই দিয়ে দেওয়া হোক। তো আমি ঠিক করেছি, এই সোনা নিয়ে সরস্বতীকে সঙ্গে করে আমি দিল্লিতে গিয়ে খনিমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করব। তাঁকে বুঝিয়ে বলব, সরস্বতী মিথ্যে দাবি করেনি, মধ্যপ্রদেশের জমিতে সত্যিই প্রচুর সোনা রয়েছে, এবারে নতুন করে আবার তার খোঁজ শুরু হোক। সরকার যদি চায় তো সরস্বতী এ-ব্যাপারে তাদের যথাসাধ্য সাহায্য করবে।”

    মনটা খুব হালকা হয়ে গিয়েছিল। বললুম, “ওইসঙ্গে ভুপিন্দরের ব্যাপারটাও সরকারকে জানিয়ে রাখবেন, যাতে কিনা সরস্বতীকে ও আবার ভয় দেখাবার সাহস না পায়।”

    সুমঙ্গল বলল, “ওটা নিয়ে ভাববেন না। দিল্লি-পুলিশে আমার বন্ধু-বান্ধব কিছু কম নেই। অলরেডি এই থ্রেটের ব্যাপারটা আমি তাঁদের জানিয়েছি। ভূপিন্দারের উপরে তারা নজরও রেখেছে।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “আর কোনও প্রশ্ন করবেন?”

    বললুম, “একটা কথা তখনও আপনাকে জিজ্ঞেস করিনি, পরেও জিজ্ঞেস করতে সংকোচ হয়েছে। কিন্তু আজ আর জিজ্ঞেস না করে পারছি না। কী ছিল সেই ফোটোগ্রাফে, যা দেখে কপুরসাহেবের মুখ সে-রাতে ছাইয়ের মতো সাদা হয়ে গিয়েছিল?”

    “আর বলবেন না! নোংরা সব ফোটোগ্রাফ, তার প্রত্যেকটার উপরে লেখা ‘প্রেজেন্টেড টু মাই বিলাভেড পামেলা’। তার নীচে আবার সই করেছে! মশাই, লোকটা শুধু পাজি নয়, পারভার্ট! অথচ যশোমতী কিনা ওকে দেখেই একদিন ভুলেছিলেন! কী হয়েছিল,তা আর আমাকে জিজ্ঞেস করবেন না, যাবার আগে শিউশরণ ত্রিপাঠীই আপনাকে তার আভাস দিয়েছেন। তবে হ্যাঁ, যশোমতী ওর ফাঁদে পড়ে সারাক্ষণ ছটফট করেছেন, কিন্তু পুরনো স্ক্যান্ডালটা পাছে ফাঁস হয়ে যায়, তাই ভয়ে কখনও কিছু বলতে পারেননি। চাকরি যাবার ভয়ে পামেলা-ই কি কিছু বলতে পারত? কিন্তু লোকটাকে সে ঘেন্না করত ঠিকই। তা নইলে আর ওই ফোটোগ্রাফগুলি সে আমার কাছে পাঠিয়ে দেবে কেন?”

    সরস্বতী বলল, “একটা কথা জিজ্ঞেস করি, বড়দা। কলকাতায় তো গত নভেম্বর মাসে আপনার সঙ্গে দেখা করেছিলুম। তখন আপনি একজনের নাম করে বলেছিলেন যে, তাঁর কথা জানলে হয়তো আমার দাদামশাইয়ের ব্যাপারটা আমি আর-একটু ভাল বুঝতে পারতুম। নামটা আমার মনেও আছে। রাধাগোবিন্দ চন্দ্র। কে তিনি? আমার দাদামশাইয়ের কোনও বন্ধু?”

    “না রে,” ভাদুড়িমশাই বললেন, “বন্ধু নন, তবে একই গোত্রের মানুষ। তোর দাদামশাই এই শতকেই জন্মেছেন, আর রাধাগোবিন্দ জন্মেছিলেন গত শতকে। তোর দাদামশাই ইউ. পি.-র মানুষ, আর রাধাগোবিন্দ বাঙালি। কিন্তু ও-সব ভুলে গিয়ে এবারে মিলটা দ্যাখ। রাধাগোবিন্দ যেমন কলেজে আর বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাস্ট্রনমি-বিদ্যেটাকে রপ্ত করবার সুযোগ না-পেয়েও হাতেকলমে সব শিখে নিয়েছিলেন, আর জ্যোতির্বিজ্ঞানী হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও নেহাত কম পাননি, পুরন্দর মিশ্রও তেমনি জিওলজির ছাত্র ছিলেন না, কিন্তু ভূ-বিজ্ঞানের খবর হয়তো অনেক তকমা-ধারী জিওলজিস্টের চেয়ে তিনি কিছু বেশিই রাখতেন। আসলে তাঁরও শিক্ষা ছিল হাতে-কলমের শিক্ষা। বেশিদিন বাঁচলেন না তো, বাঁচলে হয়তো তাঁকে নিয়েও আজ হইচই পড়ে যেত। না না সরস্বতী, তোর কৃতিত্বকে আমি একটুও খাটো করে দেখছি না, কিন্তু এটাও ভেবে দ্যাখ যে, সোনার সন্ধানটা তিনিই প্রথম পেয়েছিলেন।”

    সরস্বতীর চোখ যেন আনন্দে জ্বলজ্বল করছিল। বলল, “বড়দা, আপনি বাঁচালেন! বিগ্রহের কথাটা অবশ্য বলব না, কিন্তু বাদবাকি যা-কিছু আপনি বললেন, সবই আমি দিদাকে বলব। আজই বলব। উঃ, দিদা যে কী খুশি হবে!”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “নিশ্চয়ই জানাবি। তবে কিনা তোর দিদাকে তো আমরা ভালই চিনি। আমার ধারণা, তিনি সবই জানেন, কিন্তু কিছু বলেন না। … কিন্তু আর নয়, সন্ধে হয়ে এল, এল এবারে ফেরা যাক।”

    ফেরার পথে ভাদুড়িমশাই হঠাৎ আমার দিকে ঘুরে দাঁড়ালেন। বললেন, “আচ্ছা মশাই, এবারে আপনাকে একটা প্রশ্ন করি। কুলদীপ সিংকে আপনি এত অপছন্দ করেন কেন? পামেলাকে বিয়ে করেনি বলো? কিন্তু কী করে সেটা করবে? ওর বুড়ি-মা’র আপত্তি ছিল যে। আসলে লোকটা বড়ই মাতৃভক্ত, মা’কে দুঃখ দিতে চায়নি বলেই বিয়েটা করে উঠতে পারল না। কিন্তু নিজেও যে আর-কাউকে বিয়ে করেনি, সেটা ভুলে যাচ্ছেন কেন? আর হ্যাঁ, যদি বলেন যে, ওর ওই গোঁফটার জন্যে ওকে আপনার খারাপ লাগত, তা হলে জেনে রাখুন, ওটা নকল-গোঁফ। আসলে ওর গোঁফ-দাড়ি কিচ্ছু নেই। ওই যাকে মাকুন্দে বলা হয়, তাই আর কি।”

    বললুম, “কিন্তু ওই নকল-গোঁফে চাড়া দিয়ে লোকটা আমার উপরে হম্বিতম্বিও কিছু কম করত না।”

    “তা তো করবেই। কেন করত জানেন? যাতে কেউ না বুঝতে পারে যে, আসলে ও আপনার বন্ধু। ও যে রূপের হয়ে কথা বলত, তারও ওই একই কারণ। ও খুব ভালই জানত যে, কপুর সাহেবের বিশ্বাসভাজন হবার ওটাই একমাত্র পথ। তখন স্বীকার করিনি, পরেও আপনাকে জানানো হয়নি যে, কপুরসাহেবের হুকুমে যখন আপনার খাবারে বিষ মেশাবার ব্যবস্থা করা হয়, ফোন করে ও-ই তখন আপনাকে সতর্ক করে দিয়েছিল। গলাটা একটু পালটে নিয়েছিল, যাতে আপনি বুঝতে না পারেন যে, কে ফোন করেছে। ব্যাপারটা আমি জানতুম। কিন্তু ইচ্ছে করেই আপনার কাছে সেদিন না-জানার ভান করি।”

    অবাক হয়ে বললুম, “সে কী, এতে তো ওঁরও বিপদ ছিল। এ-কাজ উনি করতে গেলেন কেন?”

    “বা রে, আপনাকে তো আমি বলেইছিলুম যে, প্যালেসে আমাদের লোক আছে। কী, বলিনি?”

    “হ্যাঁ, তা বলেছিলেন বটে।”

    একগাল হেসে ভাদুড়িমশাই বললেন, “তা হলে এবার জেনে রাখুন, হি ওয়াজ আওয়ার ম্যান ইন দ্য প্যালেস।”

    রচনাকাল : ১৩৯৭

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভাদুড়ি সমগ্র ৩ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    Next Article নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ কবিতা

    Related Articles

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার ক্লাস – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার দিকে ও অন্যান্য রচনা – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতা কী ও কেন – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ কবিতা

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }