Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প927 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পাহাড়ি বিছে – ১১

    ১১

    রঘুনন্দন আর রাধিকা একইসঙ্গে ফিরল। ফেরবার কথা ছিল ছ’টা নাগাদ। ফিরল কিন্তু সওয়া সাতটায়।

    গাড়ির শব্দ পেয়েই দোতলা থেকে আমরা একতলায় নেমে এসেছিলুম। সবাই মিলে লাইব্রেরি রুমের পাশে এদের বৈঠকখানা ঘরে গিয়ে বসা গেল। রাধিকা অবশ্য বসল না। বলল, “যাই, রাত্তিরের জন্যে রান্নাবান্নার কী ব্যবস্থা হচ্ছে একবার দেখে আসি।”

    রঘুনন্দন বলল, “ফিরতে একটু দেরি হয়ে গেল। কিন্তু আপনাদের খবর কী? একে তো রাধা এখানে ছিল না, তার উপরে আমাকেও বারবার বেরোতে হচ্ছে, আপনাদের চা-টা পেতে কোনও অসুবিধে হচ্ছে না তো?”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “নট ইন দ্য লিস্ট। আপনারা না থাকলে কী হয়, জনার্দন তো রয়েছে বারবার চা পেয়েছি, একটু আগে জলখাবারও দিয়ে গেল, অসুবিধে হবে কেন?…কিন্তু আপনার কী খবর? ডি. এম. কাল আসছেন?”

    “সেই ডেলিগেশন নিয়েই আসবেন। ঘুরে-ঘুরে সব দেখবেনও। টেলিফোনে কথা বলেছিলুম। ঠাণ্ডা মেজাজের ভদ্রলোক বলেই তো মনে হল।”

    “টাকাটা পাওয়া যাবে?”

    “তা কী করে বলব,” রঘুনন্দন হাত উলটে হাসল। “সরকারের টাকা, ও-বস্তু হাতে না আসা পর্যন্ত কি কিছু বলা যায়? ডি. এম. অবশ্য টেলিফোনেই আশ্বাস দিলেন যে, তাঁর পক্ষে যতটা করা সম্ভব তিনি করবেন। কিন্তু একইসঙ্গে এটাও গেয়ে রাখলেন যে, সরকারের খুব টানাটানি চলছে।”

    “নার্সিং হোমে গিয়েছিলেন?”

    “গিয়েছিলুম। ড. চতুর্বেদী আর ড. আমেদ, দুজনের সঙ্গেই কথা হল। ড. আমেদ তো বললেন, হিজ কন্ডিশন হ্যাজ বিন ইমপ্রুভিং স্টেডিলি। প্রেশার অলমোস্ট নর্মাল। কিন্তু দাদুকে উনি আরও দিন দুয়েক আইসিইউতে রাখবেন, তার আগে ক্যাবিনে পাঠাবেন না।”

    “আইসিইউতে গিয়েছিলেন?”

    “আমি যাইনি, রাধা গিয়েছিল। বলল যে, ওকে দেখেও হেসেছেন। কিছু বলারও চেষ্টা করেছিলেন। তবে জিভের আড়ষ্ট-ভাবটা তো রয়েছে, তাই কথা ঠিকমতো বোঝা যায়নি।”

    “এখন কি সেখান থেকেই ফিরছেন?”

    “না।” রঘুনন্দন বলল, “রাধার দু’-চারটে জিনিস কেনার ছিল। তাই একবার মার্কেটেও যেতে হয়েছিল। কেনাকাটা সেরে সেখান থেকেই ফিরছি।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “সারাদিন ঘোরাঘুরি করেছেন, লোকজনের সঙ্গে কথা বলেছেন, একটু ক্লান্ত লাগছে নিশ্চয়ই?”

    “তেমন কিছু না।” ভাদুড়িমশাইয়ের দিকে তাকিয়ে রঘুনন্দন বলল, “কেন, আপনার কোনও কথা ছিল?”

    “তা ছিল। তবে সত্যি যদি ক্লান্ত বোধ করেন, তো উপরে গিয়ে একটু রেস্ট নিয়ে নিন। কথাটা পরে হলেও চলবে।”

    “না না, আমি ঠিকই আছি। আপনি কী বলবেন বলুন।”

    “বুধবার রাত্তিরে যে চুরির অ্যাটেম্‌৳ হয়েছিল, সেইটে নিয়ে ভাবছি। চোর তো এবারেও লাইব্রেরি-ঘরে ঢুকেছিল, তাই না?”

    “হ্যাঁ। কিন্তু কিছু চুরি যায়নি।”

    “তা না-ই যাক, কে এসে বারবার লাইব্রেরি-ঘরে ঢুকছে, সেটা তো জানা দরকার। তাই ভাবছিলুম যে, পুলিশকে এটা জানালে ভাল হত।”

    “কিন্তু দাদু তো পুলিশে খবর দিতে চাননি।”

    “চাননি, তার নানান রকম কারণ থাকতে পারে। একটা কারণ এই যে, পুলিশের কাজেকর্মে তাঁর বিশ্বাস নেই। সেটা যে আমারই খুব আছে, তাও নয়। তবে কিনা, একটা সাহায্য তো পুলিশের কাছে পাওয়া যেতেই পারে।”

    “কী ধরনের সাহায্য?”

    “বলছি। কিন্তু তার আগে আপনাকে দু-একটা কথা জিজ্ঞেস করি। বুধবার রাত্তিরে যে এ-বাড়িতে চোর ঢুকেছিল, এটা প্রথম কে জানতে পারে?”

    “জনার্দন। রাত্তিরে ও তো একতলায় থাকে। বেস্পতিবার ভোরবেলায় ঘুম থেকে উঠে ও-ই প্ৰথম দেখতে পায় যে, লাইব্রেরি-ঘরের দরজা খোলা, তালাটা মেঝের উপর পড়ে রয়েছে। সঙ্গে-সঙ্গে ও দোতলায় উঠে এসে দাদুকে ব্যাপারটা জানায়। দাদুও তৎক্ষণাৎ নীচে নেমে যান।”

    “আপনারা তখন কী করছিলেন?”

    “আমরা মানে তো আমি আর রাধা। তা রাধা তো এখানে ছিলই না, দিন কয়েক আগেই সে লখনউয়ে চলে গিয়েছিল, আর আমার তখনও ঘুমই ভাঙেনি।” এক মুহূর্ত থেমে থেকে রঘুনন্দন বলল, “আসলে বেড-টি তো দেয় ছ’টার সময়, তার আগে কোনও দিনই আমার ঘুম ভাঙে না।”

    “চোর এসেছিল, এই খবর তা হলে আপনি কখন পেলেন?”

    “ওই ছ’টার সময়েই। ঘণ্টা বাজিয়ে বেড-টি নিয়ে এসে জনার্দন আমার ঘুম ভাঙায়। তারই কাছে শুনি যে, আগের রাত্তিরে চোর এসে ফের লাইব্রেরি-রুমে ঢুকেছিল।”

    “জনার্দনের মুখে চোর আসার খবর পেয়ে আপনি কী করলেন? কিছু চুরি হয়েছে কি না, দেখবার জন্যে একতলায় নেমে লাইব্রেরি-রুমে গেলেন নিশ্চয়? নাকি তক্ষুনি যাননি?”

    “না। নীচে নামতে যাচ্ছিলুম ঠিকই, কিন্তু তার আগেই…মানে আমার ঘর থেকে দোতলার বারান্দায় বেরোতেই দাদুর সঙ্গে দেখা হয়ে যায়। তিনি বললেন, ভাল করে সব দেখে এসেছেন, কিন্তু না, লাইব্রেরি-ঘর থেকে এবারেও কিছু খোয়া যায়নি। লাইব্রেরি-ঘরে যে নতুন একটা তালা লাগিয়ে এসেছেন, তাও বললেন।”

    “তাঁর সঙ্গে আপনার আর কোনও কথা হল?”

    “হ্যাঁ,” রঘুনন্দন বলল, “আমি বলেছিলুম যে, এবারে অন্তত থানায় গিয়ে একটা ডায়েরি লিখিয়ে আসা দরকার। কিন্তু পুলিশকে কিছু জানাবার ব্যাপারে আগেও যেমন তিনি রাজি হননি, তেমন এবারেও হলেন না। বললেন, ‘পুলিশের দ্বারা কিছু হবার নয়, চা খেয়ে নিয়ে মি. ভাদুড়িকে ফোন করো, আমার নাম করে তাঁকে আসতে বলে দাও, আর দেরি করা ঠিক হবে না।’ কিন্তু এ-সব কথা তো বেস্পতিবার সকালে যখন আপনাকে ফোন করি, তখনই আপনাকে জানিয়েছিলুম।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “আমি কেন পুলিশে খবর দেওয়ার পক্ষপাতী, একটু বাদেই তা বলছি। কিন্তু তার আগে আপনার কাছে আরও দু-একটা কথা জেনে নেওয়া দরকার।”

    “বেশ তো, কী জানতে চান বলুন।”

    “রোজ রাত্তিরেই কি লাইব্রেরি-ঘরে তালা দেওয়া থাকে?”

    “হ্যাঁ, দাদু নিজেই লাইব্রেরিতে তালা লাগিয়ে তারপর দোতলায় ওঠেন।”

    “সেদিনও নিজেই তালা লাগিয়েছিলেন?”

    “হ্যাঁ।”

    “চোর তা হলে তালা ভেঙে লাইব্রেরিতে ঢুকেছিল, কেমন?”

    “তা তো বটেই। তালা না-ভেঙে ঢুকবে কেমন করে? ভাঙা তালাটা মেঝের উপরে পড়ে ছিল। সেটা দেখেই তো জনার্দন দোতলায় এসে দাদুকে জানায়।”

    “তা তো শুনেছি।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “কিন্তু আমার যেটা জানা দরকার, সেটা এই যে, তালাটা ভাঙা আর দরজা খোলা, এটা দেখে দোতলায় আসার আগে সে নিজে একবার লাইব্রেরি-ঘরে ঢুকেছিল কি না।”

    “তা তো বলতে পারব না।…দাঁড়ান, জনার্দনকে ডেকে পাঠাচ্ছি।”

    জনার্দন একতলার ডাইনিং হলে কাজ করছিল। খবর পাঠাতেই সে বৈঠকখানায় চলে এসে রঘুনন্দনকে বলল, “আমাকে ডাকছিলে?”

    “আমি ডাকিনি,” রঘুনন্দন বলল, “মি. ভাদুড়ি তোমাকে কী জিজ্ঞেস করবেন।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “আচ্ছা জনার্দন, লাইব্রেরি-ঘরে চোর ঢুকেছিল, গত বেস্পতিবার ঘুম থেকে উঠে এটা বুঝতে পেরেই কি তুমি দোতলায় গিয়ে মিশ্রজিকে খবর দিয়েছিল?”

    “হ্যাঁ, মালিক।”

    “তার আগে তুমি নিজে লাইব্রেরি-ঘরে ঢোকোনি?”

    “নেহি, মালিক। বুড়াবাবুর অর্ডার আছে, তিনি না-ডাকলে কোই আদমি ওখানে ঢুকবে না।”

    “ঝাঁটপাট দিতেও কখনও ঢোকো না?”

    “সে তো রোজই ঢুকি। কিন্তু তিনি নিজে তখন ঘরে থাকেন।”

    “কিন্তু তিনি নিজে তো রোজই দু’বার বাড়ি থেকে বেরিয়ে মিউজিয়ামে যেতেন। একবার নাস্তা খেয়ে, আর একবার দুপুরের খাওয়ার পরে। লাইব্রেরি তো তখন খোলা থাকত। সেই সময়ে কি কেউ ও-ঘরে ঢুকত না?”

    “খোলা থাকত না, মালিক। বুড়াবাবু যখনই মকান থেকে বেরোতেন, লাইব্রেরিতে তালা লাগিয়ে যেতেন।”

    “ঠিক আছে, তুমি যেতে পারো, আর-কিছু জিজ্ঞেস করার নেই।”

    জনার্দন ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। রঘুনন্দন বলল, “আর-কাউকে কিছু জিজ্ঞেস করবেন?”

    “আপনাকেই আর একটা কথা জিজ্ঞেস করব।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “বেস্পতিবারও যে উনি ওঁর নিয়ম-মতো দু’-দু’বার মিউজিয়ামে গিয়েছিলেন, এটা আপনার কাছে কাল রাত্তিরেই শুনেছি। কথা হচ্ছে জনার্দনের মুখে সেদিন চোর ঢোকার খবর পেয়ে ভোরবেলায় ওই যে উনি একবার লাইব্রেরি-ঘরে গিয়েছিলেন, তার পরে আর ও-ঘরে তিনি কিংবা আর-কেউ গিয়েছিলেন কি না।”

    “না। ঘরের অবস্থা দেখে নিয়ে ওই যে তিনি ঘরটায় ফের নতুন একটা তালা লাগিয়ে দোতলায় উঠে আসেন, তারপর আর সেদিন তিনি ও-ঘরে ঢোকেননি। আর তিনি নিজে ডেকে না-পাঠালে আর-কারও তো ও-ঘরে যাবার কথাই ওঠে না। পরশু…মানে বেস্পতিবার ভোরবেলা থেকেই ঘরটা তাই তালাবন্ধ হয়ে রয়েছে।”

    “সেটা ভালই হয়েছে।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “পুলিশকে দিয়ে যে-কাজটা আমি করিয়ে নিতে চাইছি, এতে তার সুবিধেই হবে।”

    রঘুনন্দন বলল, “পুলিশকে কিছু জানানোর ব্যাপারে দাদুর কিন্তু আপত্তি ছিল। ইন ফ্যাক্‌ট, সেইজন্যেই তিনি আপনাকে ডেকে পাঠিয়েছেন। দাদুর ইচ্ছে, এ-ব্যাপারে যা-কিছু করার তা আপনি করবেন।”

    “তা জানি,” ভাদুড়িমশাই হেসে বললেন, “কিন্তু কাজটা যখন আমি করব, তখন ডিসিশানটাও তো আমাকেই নিতে হবে। তাতে যদি আপনার আপত্তি থাকে তো বলুন, কালই আমি কলকাতায় ফিরে যাচ্ছি।”

    “না না,” রঘুনন্দন একেবারে মিইয়ে গিয়ে বলল, “সে-কথা হচ্ছে না। কিন্তু পুলিশকে দিয়ে আপনি কী করাতে চাইছেন, সেটা বলবেন তো?”

    “নাও বলতে পারি।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “তবে এতই যখন আপনার আগ্রহ, তখন শুনে রাখুন, ইটস আ ভেরি সিম্পল থিং। ঘরটায় কোনও আঙুলের ছাপ পাওয়া যায় কি না, সেটা পরীক্ষা করিয়ে নিতে চাই। তা পুলিশ ছাড়া এ-কাজ কাকে দিয়ে করাব? আমিই করতে পারতুম, কিন্তু এত তাড়াতাড়ি আমাকে চলে আসতে হল যে, ছাপ তোলার সরঞ্জাম আমি সঙ্গে করে নিয়ে আসতে পারিনি। পুলিশের সাহায্য তাই পাওয়াই চাই।”

    “বুঝেছি। কিন্তু এখানকার পুলিশ ডিপার্টমেন্টেই কি আর ও-সব সরঞ্জাম থাকবে?”

    “না-থাকাই সম্ভব। কিন্তু এলাহাবাদে থাকবে।” পকেট থেকে একটা নোটবই বার করে তার গোটাকয়েক পাতা উলটে ভাদুড়িমশাই বললেন, “এই নম্বরটায় একবার যোগীশ্বর সহায়কে ডাকুন।”

    “উনি তো এখন যদ্দুর জানি এলাহাবাদের পুলিশ সুপার।”

    “হ্যাঁ, এটা ওর অফিসের টেলিফোন-নম্বর। অফিসে যদি না-পাওয়া যায়, তো ওর বাড়ির নম্বর নিয়ে সেখানে ডাকতে হবে। আমার নাম করে বলবেন যে, আমি ওর সঙ্গে কথা বলতে চাইছি।”

    পাশেই টেলিফোন। নম্বরটা আর-একবার জেনে নিয়ে রিসিভার তুলে রঘুনন্দন ডায়াল ঘোরাতে লাগল।

    যোগীশ্বর সহায় তাঁর অফিসেই ছিলেন। যোগাযোগ করতে তাই এক মিনিটও লাগল না। রিসিভারটাকে ভাদুড়িমশাইয়ের দিকে এগিয়ে দিয়ে রঘুনন্দন বলল, “কথা বলুন।”

    অতঃপর যে একতরফা কথা আমাদের কানে এল, সেটা এইরকম :

    “যোগী, আমি বাঙ্গালোরের চারু ভাদুড়ি, মির্জাপুর থেকে কথা বলছি, একটু সাহায্য চাই।… হ্যাঁ হ্যাঁ, ভালই আছি। এখন কাজের কথাটা শোনো। শুধু মনে রেখো যে, যা বলছি, স্ট্রিক্‌টলি কনফিডেনশিয়াল, কাউকে বলা চলবে না।… আরে না, বেআইনি কিছু নয়। তুমি কি প্রোফেসর শ্যামনন্দন মিশ্রকে চেনো?…বাঃ, তাঁর বাড়িতেও এর আগে এসেছ? তবে তো কথাই নেই। মিশ্রজি অবশ্য এখন অসুস্থ, নার্সিং হোমে আছেন, কিন্তু যে-কাজে আমি এখানে এসেছি, সেটা তাঁরই কাজ।… আরে হ্যাঁ, সেই কথাই তো বলছি। গত বুধবার রাতে তাঁর লাইব্রেরি-ঘরে চোর ঢুকেছিল। আমার ধারণা, সেখানে হয়তো চোরের ফিংগারপ্রিন্ট পাওয়া যেতে পারে। তা তুমি কি একজন ফিংগারপ্রিন্ট-এক্সপার্টকে নিয়ে কাল সকালে এখানে একবার আসতে পারবে?…কথাটা কেন বলছি, সে তো বুঝতেই পারছ। যদি দাগি ক্রিমিন্যাল হয়, তো তোমাদের ফাইলে তার আঙুলের ছাপ থাকবে হয়তো, আর তা যদি থাকে তো আমার খাটুনি বেঁচে যায়… কী বললে? এটা অন্য এলাকা, মির্জাপুরের ব্যাপার, তাই নাক গলাতে তোমাদের অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অসুবিধে আছে? আরে, মির্জাপুর-পুলিশকে তো কিছু জানানোই হয়নি, আর তোমাকেও আমি ফর্ম্যালি কোনও অনুরোধ করছি না, স্রেফ বন্ধু হিসেবে এসে আমার কাজটা করে দেবে, বাস।…চালাকি কোরো না যোগী, গত বছর তোমার জন্যে আমি কী করেছিলুম মনে নেই? তুমিই কি তখন আনঅফিসিয়ালি তোমার ভাদুড়ি-আঙ্কলের সাহায্য চাওনি?… আ, দ্যাট্স লাইক আ গুড বয়! কাল সকালেই… এই ধরো নটা নাগাদ তোমাদের এক্সপার্টকে নিয়ে তা হলে চলে এসো। থ্যাঙ্কস আ লট!”

    ভাদুড়িমশাই ফোন নামিয়ে রাখলেন।

    রঘুনন্দন বলল, “মনে পড়েছে।”

    “কী?”

    “গত বছর উনি…আই মিন যোগীশ্বর সহায় সত্যিই আমাদের বাড়িতে একবার এসেছিলেন। তবে আমি তখন বাড়িতে ছিলুম না, পরে রাধার কাছে শুনেছি।”

    ‘কেন এসেছিল জানেন?”

    “কে-একজন লোকের সম্পর্কে দাদুর সঙ্গে কথা বলতে। লোকটা ক্রিমিন্যাল, তার কাছে নাকি এমন কিছু কাগজপত্তর পাওয়া যায়, যাতে দাদুর নামের উল্লেখ ছিল। ফলে ওঁদের ধারণা হয়েছিল, দাদু হয়তো তাকে চিনতে পারেন। কিন্তু না, দাদু ওঁকে জানিয়ে দেন যে, ওই নামের কাউকে তিনি চেনেন না।”

    “লোকটার নাম কী?”

    “তা তো মনে নেই।” রঘুনন্দন বলল, “তবে রাধার হয়তো মনে থাকতে পারে। দাঁড়ান, ওকে ডাকছি।”

    ভিতরে গিয়ে রাধিকাকে ডেকে আনল রঘুনন্দন। ভাদুড়িমশাই কী জানতে চান, রঘুনন্দনের কাছেই রাধিকা তা শুনে থাকবে। তাই ঘরে ঢুকেই বলল, “ত্রিলোক সিং। তবে শুধু কাগজপত্তর দেখেই যে পুলিশ-সুপার আমাদের বাড়িতে এসেছিলেন, তা নয়।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “পুলিশ-সুপারের সঙ্গে যখন আপনার দাদাশ্বশুরের কথা হয়, তখন কি আপনি সেখানে ছিলেন?”

    “প্রায় সারাক্ষণই ছিলুম,” রাধিকা বলল, “তাই জানি যে, ত্রিলোক সিংয়ের কাছে ও-সব কাগজপত্তর ছাড়াও এমন একটা জিনিস ছিল, যা দেখে পুলিশের সন্দেহ হয়।”

    “সেটা কী?”

    “একটা সোনার আংটি। ওটা নাকি ত্রিলোক সিংয়ের হাতে ছিল।”

    “তা তো থাকতেই পারে, তাতে সন্দেহের কী আছে?”

    “চুনি-বসানো আংটি, সোনার পরিমাণও কম নয়।” রাধিকা বলল, “এই বাজারে ও-আংটির দাম নেহাত কম হবে না। দাগি ক্রিমিন্যালের হাতে অমন একটা আংটি দেখে পুলিশের সন্দেহ হয় যে, ওটা চোরাই মাল। আংটির গায়ে মেকারের ছাপ ছিল। সেই ছাপ দেখে ইলাহাবাদের এক জুয়েলারের কাছে গিয়ে পুলিশ খোঁজ করে যে, তাঁর দোকান থেকে কে কবে ওটা কিনেছিলেন।”

    ভাদুড়িমশাইয়ের চোখ ক্রমেই সরু হয়ে উঠছিল। তিনি বললেন, “কে কিনেছিল, সেটা জানা যায়?”

    রাধিকা বলল, “জুয়েলার নাকি কিছুই বলতে পারে না। শেষপর্যন্ত তার দোকানের এক বুড়ো কর্মচারী জানায় যে, ওটা রেডিমেড জিনিস নয়, অর্ডারি মাল, বছর কুড়ি আগে অর্ডার দিয়ে ওটা তৈরি করানো হয়েছিল। তবে কে অর্ডার দিয়েছিলেন, তা তার মনে নেই।”

    “যোগীশ্বর সহায়… আই মিন এলাহাবাদের পুলিশ সুপার কি ওই আংটির ব্যাপারে আপনার দাদাশ্বশুরকে কিছু জিজ্ঞেস করেছিলেন?”

    “তা করেছিলেন বই কী। তা নইলে তিনি আসবেন কেন?”

    “কী জিজ্ঞেস করেছিলেন?”

    “জিজ্ঞেস করেছিলেন যে, ত্রিলোক সিং বলে একজন দাগি চোরের কাছে পুলিশ এমন কিছু কাগজপত্তর পেয়েছে, যাতে দাদুর নামের উল্লেখ রয়েছে। এ-বিষয়ে দাদু কিছু জানেন কি না। দাদু বলেন যে, না, তিনি কিছুই জানেন কি না। ত্রিলোক সিং বলে কোনও লোককে তিনি চেনেনও না। যোগীশ্বর সহায় তখন দাদুকে আংটিটা দেখিয়ে জিজ্ঞেস করেন যে, ইলাহাবাদের জুয়েলার্স অ্যান্ড ডায়মন্ড মার্চেন্টস দয়ালরাম অ্যান্ড সনস-এ ১৯৭৫ সালে তিনি এই রকম একটা আংটির ফরমাশ দিয়েছিলেন কি না। তাতেও দাদু বলেন যে, না, অমন কোনও আংটির অর্ডার তিনি দেননি।”

    “তারপরেই যোগীশ্বর সহায় চলে যান?”

    “তারপরেই যে চলে যান, তা নয়।” রাধিকা বলল, “দাদুর সঙ্গে তাঁর আরও দু-একটা কথা হয়েছিল। তবে তখন আমি ছিলুম না। যোগীশ্বর সহায়ের জন্যে দাদু আমাকে চা নিয়ে আসতে বলেছিলেন। আমি কিচেনে গিয়ে চা আর বিস্কিট নিয়ে আসি। যোগীশ্বর সহায় চা খেতে-খেতে দাদুর সঙ্গে আরও দু’চার মিনিট কথা বলেন। তারপর চলে যান। গাড়িতে ওঠার আগে দাদুকে তিনি যা বলেছিলেন, তাতে মনে হয়েছিল যে, তিনি একজন সত্যিকারের ভদ্রলোক।…মানে পুলিশের লোকেরা তো সাধারণত একটু রুড অ্যান্ড রাফ টাইপের হয়, ইনি মোটেই সেই রকমের নন।”

    “কী বলেছিলেন যোগীশ্বর সহায়?”

    “বলেছিলেন, ‘মিশ্রজি, আপনি একজন পণ্ডিত মানুষ, সবাই আপনাকে শ্রদ্ধা করে। আপনার যাতে কোনও ব্যাপারে কোনও অস্বস্তির কারণ না ঘটে, সেটা আমি দেখব।’ সত্যিকারের সজ্জন না-হলে কেউ এমন কথা বলে?”

    ভাদুড়িমশাই হেসে বলেলেন, “রাইট। যোগীশ্বর ইজ আ পার্ফেক্ট জেন্টলম্যান। এটা আপনি ঠিকই বলেছেন।”

    সদানন্দবাবু অনেকক্ষণ কোনও কথা বলেননি। এবারে বললেন, “থাকে, পুলিশের মদ্যেও ভদ্দরলোক থাকে।”

    রঘুনন্দন বলল, “হোয়াট আ পিটি! যোগীশ্বর সহায় কাল সকাল ন’টা নাগাদ এখানে আসবেন, অথচ আমরা তখন বাড়িতে থাকছি না। রাধাকে নিয়ে তখন তো আমাকে নার্সিং হোমে যেতে হবে।”

    ঢংঢং করে ঘণ্টা বাজল। রাত ন’টা। জনার্দন ঘরে ঢুকে বলল, “খেতে দেওয়া হয়েছে।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্টোরিজ – নিল গেইম্যান
    Next Article ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    Related Articles

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার ক্লাস – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার দিকে ও অন্যান্য রচনা – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতা কী ও কেন – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ কবিতা

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }