Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প927 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পাহাড়ি বিছে – ১৪

    ১৪

    বারোটা নয়, রঘুনন্দন আর রাধিকা একটায় ফিরে এল। আমরা তিনজন ড্রয়িংরুমে বসে গল্প করছিলুম, একইসঙ্গে লাঞ্চের ঘণ্টা আর বাড়ির চত্বরে গাড়ি ঢোকার শব্দ শুনে বাইরে বেরিয়ে এসে দেখলুম ওরা গাড়ি থেকে নামছে। ভাদুড়িমশাই বললেন, “মিশ্রজিকে কেমন দেখলেন? অবস্থা আরও স্টেবিলাইজ করেছে তো?”

    রঘুনন্দন সিঁড়ি দিয়ে দোতলায় উঠতে-উঠতে বলল, “বলছি, সব বলছি।…জনার্দন, এক্ষুনি খেতে দিতে বলো, খেয়েই আবার বেরুতে হবে।”

    মিশ্রজির সম্পর্কে যা-কিছু খবর, তা খেতে বসেই পাওয়া গেল। তাঁর কথা এখনও জড়িয়ে যাচ্ছে, হাতে আর পায়ে সাড়ও বিশেষ ফেরেনি, তবে জেনারেল কন্ডিশন নাকি আগের চেয়ে অনেক ভাল, সম্ভবত আজ বিকেলেই তাঁকে ক্যাবিনে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “মিউজিয়ামের খবর কী? ডি. এম. আসছেন তো?”

    রঘুনন্দন বলল, “ডি. এম. তো আসছেনই, একটু আগে খবর পেলুম যে, দিল্লি থেকেও আমাদের মিনিস্ট্রি অভ কালচারের সেক্রেটারি-সাহেব আসছেন। ডেলিগেশনের সঙ্গে তিনিও থাকবেন।”

    “সে তো মস্ত খবর।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “মিনিস্ট্রি অভ কালচারের সেক্রেটারি এসে নিজের চোখেই মিউজিয়ামটা দেখে যান, তাতে সেন্টার থেকেও ভাল-রকমের একটা গ্র্যান্ট হয়তো পাওয়া যেতে পারে। ওঁদের রিসিভ করার ব্যবস্থা-ট্যাবস্থা সব ঠিক আছে তো?”

    “তা আছে। তা ছাড়া নিজে দাঁড়িয়ে থেকে মিউজিয়ামের ঘরগুলো একেবারে ঝকঝকে-তকতকে করিয়ে রেখেছি। খাতাপত্তরও সব একেবারে আপ-টু-ডেট করে রাখা হল। বাবুরা আশা করছি খুশিই হবেন। নাউ লেট আস ওয়েট অ্যান্ড সি।… আমি আর রাধিকা তো এখুনি ফের ওখানে চলে যাব। দেখি যদি কোথাও কিছু ফিনিশিং টাচ দেবার থাকে।”

    রাধিকা বলল, “আমরা বেরিয়ে যাচ্ছি বলে আপনাদের তাড়াহুড়ো করার দরকার নেই, আপনারা ধীরেসুস্থে খান।”

    কিন্তু যাঁদের বাড়িতে আছি, তাঁরা বেরিয়ে যাবেন আর অতিথিরা বসে-বসে খেতে থাকবে, এটা ভাল দেখায় না বলে আমরাও চটপট খাওয়া চুকিয়ে উঠে পড়লুম। তারপর রঘুনন্দন আর রাধিকা যখন ফের গাড়িতে উঠতে যাচ্ছেন, তখন ভাদুড়িমশাই বললেন, “ছুটির দিনে সেই আপনাদের মিউজিয়াম তো খোলা রাখতেই হল, তা একটু বেশি সময় পর্যন্ত কি খোলা রাখা যায়?”

    “কেন, আপনারা ওখানে যাবেন?” রঘুনন্দন বলল, “যদি যান তো খোলা রাখতে পারি। কখন যাবেন?”

    “এই ধরুন আটটা নাগাদ।”

    “ঠিক আছে, চলে আসুন। …আমাদের ভিজিটররা বিদায় নেবার পরে আমাকে অবশ্য আর-একবার নার্সিং হোমে যেতে হবে। তবে বাই দ্যাট টাইম নার্সিং হোম থেকে আমিও ওখানে পৌঁছে যেতে পারব।”

    গাড়িতে উঠে রঘুনন্দনরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেল।

    আমরা দোতলায় উঠে এলুম। নিজের ঘরে ঢোকার আগে ভাদুড়িমশাই বললেন, “আপনারা একটু বিশ্রাম করে নিন। এখন তো পৌনে দুটো বাজে, তিনটে নাগাদ আমরা বেরিয়ে পড়ব।”

    সদানন্দবাবু বললেন, “মন্দির তো শুনিচি খুব কাছে নয়, এদিকে ওরা দুজনে তো গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে গেল, আমরা তা হলে কীসে করে যাব?”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “ও নিয়ে ভাববেন না, অটো আছে, ট্যাকসি আছে, বাড়ির গাড়িতেই যে যেতে হবে, তার কোনও মানে নেই।”

    কথাটা বলে ঘরে ঢুকে ভাদুড়িমশাই দরজা বন্ধ করে দিলেন। বারান্দা থেকে আমরাও আমাদের ঘরে ঢুকে পড়লুম।

    খানিক বাদেই দরজায় টোকা পড়ল। ভাদুড়িমশাই তাঁর ঘরের দরজা বন্ধ করে দিয়েছেন, কিন্তু আমরা আমাদের দরজা খোলাই রেখেছি। বিছানা থেকেই তাই বললুম, “কাম ইন।”

    পর্দা সরিয়ে ঘরে ঢুকল জনার্দন। হাতে জলভর্তি কাচের জাগ। ঘরের এককোণে ছোট্ট একটা টেবিল রয়েছে। জাগটা তার উপরে নামিয়ে রাখল। কিন্তু তারপরেও ঘর থেকে বেরিয়ে গেল না। চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল। মুখ দেখে মনে হল, কিছু বলতে চায়, কি লাটা উচিত হবে কি না, সেটা বুঝে উঠতে পারছে না।

    বললুম, “কিছু বলবে?”

    “হাঁ, মালিক।” খুবই সংকুচিত গলায় জনার্দন বলল, “পরশু-রোজ আপনারা ইখানে এলেন, লেকিন আখুনো তো মন্দিলে গেলেন না।”

    “কোন মন্দির?”

    “বিন্ধ্যশ্বরী মাইজির মন্দিল। বিশোয়াস নাই?”

    ভেবেছিলুম, সদানন্দবাবু বোধহয় ঘুমিয়ে পড়েছেন। কিন্তু না, তিনি ঘুমোননি। জনার্দনের প্রশ্ন শুনে বিছানার উপরে উঠে বসে বললেন, “তা কেন থাকবে না? আলবাত বিশোয়াস আচে। মন্দিরমে তো অবশ্যই জায়েগা, প্রয়াগমে আস্নান ভি করেগা।”

    “দুটা তো একদিনে হোবে না,” জনার্দন বলল, “আগে একদিন মন্দিলে যান, মাইজিকে পূজা দিন, বাদে এক রোজ ইলাহাবাদে গিয়ে আস্নান করবেন। সেটাই ভাল হোবে।”

    “আরে, মন্দিরে তো আজই যাব।” সদানন্দবাবু বললেন, “এখন দুটো বাজে, তিনটে নাগাদ বেরিয়ে পড়ব ভাবছি।”

    “ঠিক আছে, ঘুরে আসুন। রাস্তাটা ভি বহোত বড়িয়া।… তা হলে কি তিনটার সময়ে চা দেব?”

    “না না,” আমি বললুম, “তখন আর চা দিতে হবে না। চা আমরা পথেই কোথাও খেয়ে নেব অখন।”

    “রাতকো ইখানেই ডিনার করবেন তো?”

    “তা তো করবই।” সদানন্দবাবু বললেন, “নটার মধ্যেই যকন ফিরে আসচি, রাতের খাওয়া তখন আর এখানে খাব না কেন? তবে হ্যাঁ, আজ রাত্তিরেও মাচের ঝোল থাকচে তো?”

    জনার্দনের মুখে এতক্ষণে সেই চতুর হাসিটা ফুটল আবার। বলল, “জরুর থাকবে।”

    “তা হলে এক কাজ কোরো। রাত্তিরে আমার জন্যেও ভাতের ব্যবস্থা রেখো। মাচের ঝোল থাকচে, তখন আর রুটি খাব না।”

    হাসিমুখেই ঘর থেকে বেরিয়ে গেল জনার্দন। সদানন্দবাবু বললেন, “এ ভেরি লয়্যাল অ্যান্ড হার্ডওয়ার্কিং ম্যান।

    আরও খানিকক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে আমরা বিছানা থেকে উঠে পড়লুম। চোখেমুখে জল ছিটোলুম, পোশাক পাল্টালুম, তারপর যখন ভাদুড়িমশাইয়ের ঘরের দরজায় গিয়ে টোকা দিলুম, তখন ঠিক তিনটেই বাজে। ভাদুড়িমশাই তৈরি হয়েই ছিলেন। একতলায় নেমে ডাইনিং হলে জনার্দনকে পাওয়া গেল। তাকে বললুম যে, আমরা বেরোচ্ছি, তবে ন’টার মধ্যেই ফিরে আসব।

    বড়রাস্তায় পৌঁছে একটা ট্যাক্সি নিয়ে নিলুম আমরা। এখানে ট্যাক্সি বলে আলাদা কিছু নেই; প্রাইভেট গাড়িই ট্যাক্সি খাটে। গাড়িতে ওঠার আগে ড্রাইভারকে বলে নিলুম যে, মন্দিরে আমরা বেশিক্ষণ থাকব না, আধঘণ্টার মতো সেখানে থেকে আবার তারই গাড়িতে মির্জাপুরে ফিরে আসব।

    মির্জাপুর থেকে যাঁরা বিন্ধ্যেশ্বরী মন্দিরে গেছেন, তাঁরা জানেন যে, শহরের চৌহদ্দি ছাড়াবার একটু পরেই শুরু হয়ে যায় পাহাড়িয়া পথ। এই পাহাড়িয়া পথটুকু ভারী সুন্দর। সদানন্দবাবু বললেন, “ভাগ্যিস আপনাদের সঙ্গে এসেচিলুম, নইলে তো এ-সব দেকাই হত না।”

    আমি বললুম, “রাস্তাটা যে সুন্দর, সে-কথা জানার্দনও বলছিল বটে

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “জনার্দন? আমরা যে আজ মন্দির দেখতে আসব, তা সে জানত নাকি?”

    “তা জানত না। তবে আজই সে বলছিল যে, মন্দিরটা আমাদের দেখে আসা উচিত।”

    “আমরা যে মন্দির দেখতেই বেরিয়েছি, তা সে জানে?”

    “জানে বই কী।”

    “কখন ফিরব, তাও জানে?”

    বললুম, “তা জানে। আমিই ডাইনিং হলে গিয়ে তাকে জানিয়ে এসেছি যে, ন’টা নাগাদ ফিরব।” সদানন্দবাবু বললেন, “নীচে নামবার আগেই তো এই নিয়ে কথা হচ্চিল। তখন আমিও তাকে বলিচি যে, ন’টা নাগাদ ফিরে এসে মাচের ঝোল দিয়ে ভাত খাব। মাচ যখন রয়েচে, তখন আর রুটি খাচ্চি না।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “অর্থাৎ সে জানে যে, তিনটে থেকে ন’টা, এই ছ’ঘণ্টা আমরা বাড়িতে থাকব না, কেমন?” তারপর আমাদের জবাবের জন্য অপেক্ষা না-করে বললেন, “ওদিকে রঘুনন্দন আর রাধিকাও বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেছে, ফিরতে তাদেরও দেরি হবে। বাড়ি একদম ফাঁকা।”

    সদানন্দবাবু বললেন, “ফাঁকা বলচেন কেন? জনার্দনই তো রয়েচে। তা ছাড়া রাঁধুনি বামুন আর বাবুর্চিটিও তো রয়েচে দেখলুম।”

    ভাদুড়িমশাই এর পরে আর বেশি কিছু বললেন না, চুপ করে গেলেন। একটু বাদে এক জায়গায় গাড়ি থামিয়ে ড্রাইভার বলল, “মন্দিরের একেবারে সামনে তো গাড়ি নিয়ে যেতে দেবে না, আমি এখানেই গাড়ি রাখছি, আপনারা গিয়ে ঘুরে আসুন।”

    কেন যে মন্দিরের একেবারে সামনে গাড়ি রাখার নিয়ম নেই, খানিক এগিয়েই তা বোঝা গেল। দূর থেকেই চিৎকার-চেঁচামেচির আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছিল, এবারে কাছে গিয়ে দেখলুম, বেজায় ভিড় ভিড় নাকি কোনও দিনই কিছু কম হয় না, তার উপরে আবার আজ রবিবার বলে পুণ্যার্থীদের লম্বা লাইন পড়ে গেছে। ইতিমধ্যে জনাকয়েক পাণ্ডা এসে আমাদের ঘিরে ধরেছিল। তাদের মধ্যে থেকে একজনকে বেছে নিয়ে, সদানন্দবাবুকে তার হাতে সঁপে দিয়ে ভাদুড়িমশাই বললেন, “যান বোসমশাই, পুজো দিয়ে আসুন, তবে দেরি করবেন না, আমার একটু তাড়া আছে, যত তাড়াতাড়ি পারেন বেরিয়ে আসবেন।”

    সদানন্দবাবু বললেন, “সে কী, আপনারা ভেতরে যাবেন না?”

    “আর-একদিন যাব। আজ শরীরটা বিশেষ ভাল নেই। আপনি ঘুরে আসুন, কিরণবাবু আর আমি এখানেই আপনার জন্যে অপেক্ষা করব।”

    পাণ্ডার সঙ্গে সদানন্দবাবু ভিতরে ঢুকে গেলেন।

    ভাদুড়িমশাইকে একটু চিন্তিত মনে হচ্ছিল। বললুম, “কী ভাবছেন বলুন তো?”

    “ভাবছি যে, বাড়িতে আমরা কখন ফিরব, জনার্দনকে সেটা জানিয়ে দিয়ে বোধহয় ভাল করেননি।”

    “এ-কথা কেন বলছেন?”

    “সেটা আপনার আন্দাজ করা উচিত।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “জনার্দন যখন জেনে গেছে যে, রাত ন’টার আগে ফিরছি না, আর রঘুনন্দনদেরও আজ যখন ফিরতে দেরি হবে, তখন এই সময়ের মধ্যে সে হয়তো বাইরের কাউকে বাড়িতে আসতে বলতে পারে।”

    একটুক্ষণ চুপ করে রইলেন ভাদুড়িমশাই। তারপর বললেন, “অবশ্য আমারও এটা একটা আন্দাজ ছাড়া আর কিছুই নয়। তবে কিনা আন্দাজটা ঠিক কি না, তাও তো জানা দরকার। ভাবছি, সদানন্দবাবু মন্দির থেকে বেরোলেই আমরা বাড়ি ফিরব।”

    বাড়ি ফিরলুম ছ’টার মধ্যেই। বাগান পেরিয়ে বারান্দায় উঠতেই চোখে পড়ল যে, ড্রয়িংরুম থেকে ট্রাউজার আর শার্ট পরা একজন লোককে নিয়ে জনার্দন বেরিয়ে আসছে। লোকটির বয়েস বেশি নয়। এ-বাড়িতে একে আগে কখনও দেখিনি। লোকটি একবার চোখ তুলে আমাদের দিকে তাকাল, কিন্তু কিছু বলল না। জনার্দন তাকে গেট পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে ফিরে আসার পর ভাদুড়িমশাই বললেন, “ইনি কে জনার্দন?”

    জনার্দন বলল, “আমার দেশের লোক, গাঁয়ের খবর দিতে এসেছিল। …তো আপনাদের মন্দিল দেখা হয়ে গেল?”

    সদানন্দবাবু বললেন, “মন্দির দেখিচি, পুজোও দিলুম। এবারে একদিন প্রয়াগে গিয়ে একটা ডুব দিয়ে আসতে হবে।”

    “চা দিব?”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “চা? হ্যাঁ, দিলে তো ভালই হয়। সাতটা নাগাদ আবার তো বেরোতে হবে।”

    কথা বলতে-বলতে আমরা দোতলায় উঠে এসেছিলুম। সদানন্দবাবু ঘরে ঢুকে গেলেন। ভাদুড়িমশাই বললেন, “দেখলেন তো? আন্দাজটা ঠিকই করেছিলুম।”

    চা খেতে-খেতে ভাদুড়িমশাইয়ের ঘরে বসে কিছুক্ষণ গল্পগুজব হল। তারপর সাতটা নাগাদ ফের বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়লুম আমরা। আজ রবিবার। তাই বলে সব দোকানই যে বন্ধ নয়, সে তো সকালবেলায় এসটিডি করতে গিয়েই বোঝা গিয়েছিল। ভাদুড়িমশাই বললেন, “গোটা কয়েক বই কিনতে হবে, কিন্তু যে হ্যান্ডব্যাগটা নিয়ে এসেছি, তাতে আর কিছু ধরছে না, একটা ব্যাগ কিনতে পারলে ভাল হত। দামি ব্যাগ নয়, চটের হলেও চলবে।”

    সেটা কেনা হল। সেইসঙ্গে কিছু হিন্দি আর ইংরিজি ম্যাগাজিন। ভাদুড়িমশাই সেগুলিকে তাঁর চটের থলের মধ্যে ঢুকিয়ে নিলেন। তারপর আরও কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করে বললেন, “পৌনে আটটা বাজে। চলুন, এবারে একটা অটো-রিকশা ধরা যাক। আটটার মধ্যে মিউজিয়ামে পৌঁছতে হবে। রঘুনন্দন তো নার্সিং হোম থেকে আটটার মধ্যেই ওখানে চলে আসবে বলেছিল।”

    রঘুনন্দন আর রাধিকা সত্যিই অপেক্ষা করছিল আমাদের জন্যে। নন্দন মিউজিয়ামের গেটের কাছেই দাঁড়িয়ে ছিল তারা। রাধিকা বলল, “আমরা এখানে মিনিট দশেক আগেই পৌঁছে গেছি। চলুন, ভিতরে ঢুকে কথা হবে।”

    মিউজিয়ামের যে-ঘরে গিয়ে সবাই বসলুম, বোঝাই যায় যে, সেটি এখানকার কনফারেন্স-রুম। মস্ত একটা লম্বাটে টেবিলের দু’দিকে খান পনেরো-কুড়ি চেয়ার। টেবিলটিকে ধবধবে একটা সাদা চাদর দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। গোটা কয়েক ফুলদানিতে ফুলও রয়েছে কয়েক গুচ্ছ। বিকেলে যাঁরা এসেছিলেন, সেই মান্য অতিথিদের জন্যেই যে এই ফুল-সজ্জা, সেটা আন্দাজ করতে কোনও অসুবিধে নেই। রঘুনন্দন বলল, “ভালয় ভালয় সব মিটে গেছে।”

    ভাদুড়িমশাই জিজ্ঞেস করলেন, “মিশ্রজি কেমন আছেন?”

    রঘুনন্দন বলল, “সেটাই সবচেয়ে ভাল খবর। আজই বিকেলে ওঁকে আইসিইউ থেকে ক্যাবিনে নিয়ে আসা হয়েছে। ডঃ আমেদ বললেন, ইচ্ছে করলে আমরা ওঁকে বাড়িতেও নিয়ে যেতে পারি, তবে সেটা কাল সকালে নিলেই ভাল হয়। রাতটা বরং ক্যাবিনেই থাকুন।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “ডঃ চতুর্বেদী কী বললেন? তাঁরও সেই মত?”

    “তিনি বলছেন, দাদু ইজ কমপ্লিটলি আউট অভ ডেঞ্জার নাউ। হাত আর পা, দুটোই চমৎকার নাড়তে পারছেন। কথা অবশ্য এখনও ঠিকমতো বলতে পারছেন না। তবে যেমন ডঃ আমেদ তেমনি ডঃ চতুর্বেদীও বলছেন, সেটাও এর মধ্যে পেরে যাওয়া উচিত ছিল। দেখি, কাল সকালেই তো ওঁকে বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছি, এর মধ্যে হয়তো কথারও আর-একটু উন্নতি হবে।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “লেট আস হোপ সো। এ ছাড়া আর কীই বা বলতে পারি?”

    রাধিকা বলল, “বাই দ্য ওয়ে, যে ফরেন ডেলিগেশন এসেছিল, তার মেম্বাররা তো মিউজিয়াম দেখে দারুণ খুশি। ডেলিগেশনের লিডার তো আমাদের ভিজিটর্স বুকে লিখেই দিয়েছেন যে, প্রাইভেট উদ্যোগে যে এমন একটা মিউজিয়াম এ-দেশে গড়ে তোলা হয়েছে, এ তাঁরা ভাবতেও পারেননি।”

    “আর মিনিস্ট্রি অভ কালচারের সেক্রেটারি? তিনি কী বললেন?”

    রঘুনন্দন বলল, “তিনিও উচ্ছ্বসিত। বললেন, আপাতত লাখ পাঁচেক টাকা তিনি স্যাংশন করে দেবেন।”

    সদানন্দবাবু বললেন, “যাচ্চলে, মিউজিয়ামটা তো আমরা দেখিইনি, একটু ঘুরে দেখলে হয়।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “একটু বাদেই তো আমরা বাড়ি ফিরব, তার মধ্যে আপনারা কিছুই দেখে উঠতে পারবেন না, কাল বরং হাতে সময় নিয়ে আসুন, তখন খুঁটিয়ে-খুঁটিয়ে সব দেখবেন।”

    রাধিকা বলল, “আর তা ছাড়া গাইডকে তো আজকের মতো ছুটি দিয়ে দিয়েছি। সে থাকলে আপনাদের সব বুঝিয়ে বলতে পারত।”

    ভাদুড়িমশাই চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, “আমার অবশ্য গাইডের দরকার হচ্ছে না, পাঁচ বছর আগে যখন এসেছিলুম, তখন মিশ্রজি নিজেই আমাকে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে সব দেখিয়েছিলেন। তাই আমিই বরং ওয়েস্ট বেঙ্গল থেকে পাওয়া স্টোন এজের সেই কুড়ুলটা আর-একবার দেখে আসি। সেটা আছে তো?”

    “অবশ্যই আছে।” রঘুনন্দন বলল, “সেটা দেখতেই তো জিওলজির অধ্যাপক আর ছাত্ররা হিল্লি-দিল্লি থেকে এখানে ছুটে আসে।”

    “তা হলে আপনারা বসে গল্প করুন, স্রেফ সেইটে দেখেই আমি চলে আসব, মিনিট পাঁচ-সাতের বেশি লাগবে না।”

    তা পাঁচ-সাত মিনিট না হোক, মিনিট দশেকের মধ্যেই ঘুরে এলেন ভাদুড়িমশাই। বললেন, “ওপর-ওপর একবার চোখ বুলিয়ে নিলুম। এগজিবিটের সংখ্যা মনে হল বিস্তর বেড়ে গেছে।”

    রঘুনন্দন বলল, “তা বেড়েছে। তবে সবই যে হাজার-হাজার বছরের পুরনো, তা কিন্তু ভাববেন না। দু’ পাঁচ শো বছর আগেকার পাথুরে ইউটেনসিলও প্রচুর এসেছে, ফ্রম অল ওভার ইন্ডিয়া।”

    সদানন্দবাবু বললেন, “কাল এসে সব দেকব।”

    ভাদুড়িমশাই তাঁর হাতঘড়ির দিকে তাকিয়ে বললেন, “ওরে বাবা, সাড়ে আটটা বাজে। এবারে তা হলে বাড়ি ফেরা যাক। ন’টা নাগাদ একটা ফোন আসার কথা আছে।”

    নাইট-গার্ডদের ডেকে মিউজিয়াম বন্ধ করতে বলল রঘুনন্দন। তারপর আমাদের দিকে তাকিয়ে বলল, “সব বন্ধ না-করে তো বেরোতে পারছি না। আপনাদের যখন তাড়া রয়েছে, তখন গাড়িটা নিয়ে আপনারা বরং বাড়ি চলে যান, খানিক বাদে আমরা একটা অটো নিয়ে নিচ্ছি।”

    বাড়ির মধ্যে যে ফোন বাজছে, গেটের সামনে পৌঁছেই সেটা শুনতে পেয়েছিলুম। সঙ্গে-সঙ্গেই আমার হাতে তাঁর চটের থলিটা ধরিয়ে দিয়ে ভাদুড়িমশাই বললেন, “ভাড়া মিটিয়ে এটা নিয়ে উপরে চলে যান, আমি ফোনটা ধরেই উপরে উঠছি।” বলে, লম্বা-লম্বা পা ফেলে, সামনের জমিটুকু পেরিয়ে বারান্দায় উঠে তিনি ড্রয়িং রুমের দিকে চলে গেলেন।

    উপরে এলেন মিনিট পাঁচেক বাদে। এসে বললেন, “যোগীশ্বরের কাণ্ড দেখুন, বলেছিল ন’টা নাগাদ ফোন করবে, অথচ ন’টা বাজতে এখনও পাঁচ মিনিট বাকি। জনার্দনের কাছে শুনলুম, সাড়ে আটটাতেও একবার ফোন করেছিল।”

    বললুম, “কী বললেন?”

    ভাদুড়িমশাই হেসে বললেন, “কী আর বলবে, যা ভেবেছিলুম তা-ই বলল। এ তো আমি জানতুমই।”

    “কী জানতেন?”

    “জানতুম যে, আঙুলের কোনও ছাপই ওরা পাবে না। পায়ওনি।”

    “তার মানে কি এই যে, হাতে রবারের দস্তানা পরে চোর ও-ঘরে ঢুকেছিল?

    “তা তো পরতেই পারে। কিন্তু চোর এসেছিল এই খবর পেয়ে মিশ্রজি যখন লাইব্রেরি-ঘরে ঢোকেন, তখন তিনি তো আর রবারের দস্তানা পরে ঢোকেননি। তাঁর আঙুলের ছাপই বা তা হলে পাওয়া গেল না কেন?”

    বললুম, “তাও তো বটে! কেন পাওয়া গেল না?”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “সেটা বোঝা তো খুব শক্ত নয়, কিরণবাবু। কলকাতা থেকে আমরা এখানে এসে পৌঁছবার আগেই কেউ নিশ্চয় লাইব্রেরি-ঘরে ঢুকে একটা শুকনো কাপড় দিয়ে তাবৎ ফিংগার-প্রিন্ট মুছে সাফ করে দিয়েছে।”

    গাড়ি ঢোকার শব্দ পেয়ে বুঝলুম, রঘুনন্দনরা ফিরেছে। ডিনারের ঘণ্টাও একেবারে সঙ্গে-সঙ্গেই বেজে উঠল। ভাদুড়িমশাই বললেন, “থাক, এখন আর ও-সব কথা নয়।”

    রঘুনন্দন আর রাধিকা উপরে উঠে এল। রঘুনন্দন বলল, “হাতমুখ ধুয়ে পোশাক পালটেই আমরা নীচে নামছি। খেতে বসে কথা হবে।”

    কথা শেষ করে রঘুনন্দন তার ঘরের দিকে পা বাড়িয়েছিল। কিন্তু দু’পা গিয়েই পিছন ফিরে বলল, “ও হ্যাঁ, একটা কথা আপনাদের জানানো হয়নি। মিউজিয়াম থেকে আপনারা চলে আসার পরে ডঃ চতুর্বেদীকে ফোন করেছিলুম।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “কেন? মিশ্রজির সম্পর্কে লেটেস্ট খবর জানার জন্যে?”

    “হ্যাঁ। তো তিনি বললেন যে, কাল সকালেই দাদুকে আমরা বাড়িতে নিয়ে আসতে পারি। তা-ই নিয়ে আসব।”

    মুখে-চোখে জল ছিটিয়ে পোশাক পালটে মিনিট পাঁচ-সাতের মধ্যেই নীচে নেমে আমরা ডাইনিং হলে গিয়ে ঢুকলুম। সকলেরই আজ বেশ ধকল গেছে। সম্ভবত সেইজন্যেই খেতে-খেতে আজ আর বিশেষ কথা হল না। তবে এই কথাটা জানা গেল যে, কথা বলতে না-পারলেও মিশ্রজির হাত-পায়ের সাড় প্রায় পুরোপুরিই ফিরে এসেছে। ক্যাবিনে ট্রান্সফার করার পরে নার্স তাঁর হাতে একটা পেনসিল ধরিয়ে দিয়েছিল। সেই পেনসিল দিয়ে মিশ্রজি একটুকরো কাগজে নাকি কাঁপা-কাঁপা হাতে এটাও লিখতে পেরেছেন যে, তিনি এখন বাড়ি ফিরতে চান। শুনে, ভাদুড়িমশাই বললেন, “এ তো দারুণ খবর।”

    ডিনার চুকে যাবার পরে উপরে এসে সদানন্দবাবু বললেন যে, তাঁর বড্ড ঘুম পেয়েছে। “আমি তো আর দাঁড়াতে পারচি না, মশাই।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “বেশ তো, ঘরে গিয়ে শুয়ে পড়ুন।”

    সদানন্দবাবু ঘরে ঢুকে যাবার পরে ভাদুড়িমশাই বললেন, “আপনারও ঘুম পেয়েছে নাকি?”

    বললুম, “না। এত তাড়াতাড়ি কি ঘুমোনো যায়?”

    “বেশ, তা হলে আমার ঘরে আসুন।

    দুজনে গিয়ে ভাদুড়িমশাইয়ের ঘরে ঢুকলুম। দুটো-চারটে মামুলি কথার পরে ভাদুড়িমশাই বললেন, “শুনুন, আপাতত আপনি ও-ঘরেই ফিরে যাবেন বটে, কিন্তু খানিক বাদে…এই ধরুন রাত একটা নাগাদ আপনাকে ফের আমার ঘরে ফিরে আসতে হবে।”

    “কেন?”

    “অত কথা এখন বলতে পারব না,” ভাদুড়িমশাই বললেন, “শুধু একটা ব্যাপার খেয়াল রাখবেন, সদানন্দবাবু যেন কিছু টের না পান। দরজাটা একেবারে নিঃশব্দে ভেজিয়ে দিয়ে আসবেন।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্টোরিজ – নিল গেইম্যান
    Next Article ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    Related Articles

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার ক্লাস – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার দিকে ও অন্যান্য রচনা – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতা কী ও কেন – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ কবিতা

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }