Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প927 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আংটি রহস্য – ৪

    ৪

    পরশু রোববার বারোই এপ্রিল কেদারেশ্বর ফুকন কলকাতায় ডাক্তার অরুণ সান্যালের কাঁকুড়গাছির ফ্ল্যাটে এসেছিলেন। সেখান থেকে তিনি দমদম এয়ারপোর্টে রওনা হবার পরে-পরেই সদানন্দবাবু বলেছিলেন, “কী, কতাটা শেষ অব্দি ফলল তো?” তাতে অরুণ স্যান্যাল জিজ্ঞেস করেন, কী কথা? উত্তরে সদানন্দবাবু বলেন, “বাঃ ওই যে খেতে বসে যা বললুম, মনে নেই? …আরে বাবা, আমি জানতুম যে, এবারে গৌহাটি যেতে হবে।” ভাদুড়িমশাই কোনও কথা না-বলে একেবারে চুপচাপ বসে ছিলেন। দৃষ্টি সামনের দেওয়ালে। বললুম, “কিছু ভাবছেন?” তাতে, হঠাৎ যেন চটকা ভেঙে গেছে, এইভাবে আমার দিকে চোখ ফিরিয়ে তিনি বললেন, “ও হ্যাঁ, কেদারের কথা ভাবছিলুম। দুজনকেই সেই কলেজ-জীবন থেকে চিনি… তার উপরে কেদার যে-ভাবে বলে গেল… তাই মানে….” কথাটা ভাদুড়িমশাই শেষ করলেন না। অরুণ সান্যাল বললেন, “তাই ভাবছিলেন যে, যেতে পারবেন কি না, কেমন?” তাতে ভাদুড়িমশাই বললেন, “না না, যেতে তো হবেই। কিন্তু কথা হচ্ছে, হাতে যা কাজ জমে আছে তাতে যাই কী করে? অবশ্য কৌশিক যদি কলকাতা-আপিসের কাজটা আমার হাত থেকে বুঝে নেয়, তা হলে একটা উপায় হয়। এখন দেখি, কেদারকে এয়ারপোর্টে ছেড়ে কৌশিক তো ফিরে আসুক, তখন তার সঙ্গে কথা বলে একটা ডিসিশান নেওয়া যাবে।”

    বাড়িতে কাজ ছিল বলে কৌশিক ফেরার আগেই সদানন্দবাবুকে নিয়ে আমি উঠে পড়ি। তারপর ভাদুড়িমশাইয়ের ফোন পাই রাত সাড়ে দশটায়। ফোনে তিনি জানান, গৌহাটি পৌঁছে রাত ন’টায় কেদারেশ্বর তাঁকে এসটিডি করে বলেছেন যে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভাদুড়িমশাইয়ের একবার যাওয়াই চাই। শুনে জিজ্ঞেস করি, “তার মানে যাচ্ছেন, কেমন?” উত্তরে তিনি বলেন, “যাচ্ছি ঠিকই, তবে কাল নয়, পরশু। …আপনি যেতে পারবেন? …না না, এখুনি কিছু বলতে হবে না। বাসন্তীর সঙ্গে কথা বলুন, তারপর কাল সকালে আমাকে জানান। তাই বুঝে টিকিট কাটব।”

    কাল সকালে ফোন করে জানাই যে, মোট তিনটি টিকিট কাটতে হবে, তার কারণ, সদানন্দবাবুও না-গিয়ে ছাড়বেন না। শুনে, ফোনের ওদিক থেকে ভাদুড়িমশাই স্পষ্ট করে হাসেন। তারপর বলেন, “ঠিক আছে, গৌহাটি যাওয়ার সম্ভাবনার কথাটা তো উনিই প্রথম বলেছিলেন। …তা হলে এটাই ঠিক রইল, কাল সকালে ইন্ডিয়ান এয়ারলাইনসের পরপর দুটো ফ্লাইট আছে, তার মধ্যে কোনটার টিকিট পাওয়া গেল, দুপুরেই জানিয়ে দেবখন।”

    সদানন্দবাবু আমাদের বাইরের ঘরে বসে ফোনের ফলাফল জানার জন্যে অধীরভাবে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁকে সব জানাতে তিনি হাতের কাগজ ফেলে দিয়ে সঙ্গে-সঙ্গে চেয়ার ছেড়ে উঠে পড়ে বললেন, “তা হলে চলি মশাই, আর তো সময় নেই, চটপট সব গুছিয়ে নিতে হবে।

    দুপুরে আপিসে বসে কাজ করছি, দুটো নাগাদ ফোন এল। আই সি ৭০৩-এ আসন পাওয়া গেছে। ডিপার্চার সকাল সাতটায়। তার মানে সকাল ছ’টায় এয়ারপোর্টে হাজিরা দিতে হবে।

    তো তা-ই দিয়েছিলুম। ভোরবেলায় ঘুম থেকে উঠে ট্যাক্সি ধরতে একটু দৌড়ঝাঁপ করতে হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু রাস্তায় ভিড়ভাট্টা ছিল না, তাই মিনিট চল্লিশের মধ্যেই এয়ারপোর্টে পৌঁছে যাই। ভাদুড়িমশাই টার্মিনাল বিল্ডিংয়ের ঠিক সামনে অপেক্ষা করছিলেন, ট্যাক্সির ভাড়া মিটিয়ে তাঁর পিছন-পিছন ডোমেস্টিক টার্মিনালে ঢুকে আমরা গুয়াহাটি কাউন্টারের সামনে গিয়ে দাঁড়াই। কাউন্টারের সামনে তখনই বেশ লম্বা লাইন পড়ে গিয়েছে। বোর্ডিং কার্ড পেতে তাই একটু সময় লেগে যায়। কার্ড পেয়ে, যার-যার হ্যান্ডব্যাগে ট্যাগ লাগিয়ে, সুরক্ষা যাচ অর্থাৎ সিকিউরিটি চেক করিয়ে দোতলায় চলে যাই আমরা। সেখানে খুব বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয় না, আমাদের উড়ান যে তৈরি, পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেমে এই ঘোষণা হতেই আসন ছেড়ে আমরা অ্যারোব্রিজ দিয়ে আমাদের প্লেনের পেটের মধ্যে ঢুকে পড়ি। পাশাপাশি তিনটি আসন পাওয়া গিয়েছিল। নিসর্গশোভা দেখবেন বলে সদানন্দবাবু জানলার ধারের আসনটি নিয়ে নেন, আমি মাঝখানে বসি, ভাদুড়িমশাই আইলের ধারে। সারাটা পথ ভাদুড়িমশাই একেবারে চুপ করে বসে ছিলেন, একবারও মুখ খোলেননি। মনে হচ্ছিল, তিনি কিছু ভাবছেন। সম্ভবত তাঁর কলেজ-জীবনের কথা, সেই সঙ্গে কেদারেশ্বর ও সুশান্তর কথা, মানুষের ভাগ্য-বিপর্যয়ের কথা, কিংবা…কিংবা সে-সব কিছুই নয়, কলকাতায় যে কাজের বোঝা তিনি কৌশিকের কাঁধে চাপিয়ে দিয়ে এসেছেন, স্রেফ তারই কথা।

    প্লেন যথাসময়ে, গুয়াহাটিতে পৌঁছল। ভেবেছিলুম, এত যখন তাড়া, তখন ভাদুড়িমশাইকে রিসিভ করার জন্য কেদারেশ্বর নিজেই নিশ্চয় এয়ারপোর্টে হাজির থাকবেন। কিন্তু তিনি ছিলেন না। তাঁর বদলে যাঁকে পাঠিয়েছিলেন, দূর থেকে দেখেই যে তিনি কীভাবে আমাদের শনাক্ত করলেন, তা একমাত্র তিনিই জানেন। পরনে ঢোলা-হাতা পাঞ্জাবি ও পায়জামা, গাত্রবর্ণ তামাটে, পায়ে কাবলি চপ্পল, দৈর্ঘ্য মাঝারি, চোখে পুরু ফ্রেমের চশমা, অন্য কোনও যাত্রীর দিকে দৃপাত না করে ভদ্রলোক সরাসরি আমাদের দিকে এগিয়ে এসে বললেন, “নমস্কার। আমার নাম মহিম বরুয়া। লাগেজ কালেক্ট করতে হলে আমার সঙ্গে আসুন।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “আমাদের সঙ্গে কোনও লাগেজ নেই, জাস্ট তিনজনের তিনটে হ্যান্ডব্যাগ।”

    “তা হলে তো ভালই হল, আমি গাড়ি নিয়ে এসেছি, চলুন, আপনারা যেখানে থাকবেন সেখানে পৌঁছে দিচ্ছি।”

    “আমরা কোথায় থাকব।”

    “কেন,” মহিম বরুয়া একটু দাঁড়িয়ে গিয়ে ভাদুড়িমশাইয়ের দিকে তাকিয়ে বললেন, “কেদারবাবু আপনাদের কিছু বলেননি?”

    “কই, না তো।”

    “সে কী, পরশু বিকেলের স্পেশ্যাল ফ্লাইটে কলকাতা থেকে এখানে ফিরে উনি আমাকে বললেন যে, আজ আপনি গুয়াহাটি আসছেন, আমি যেন ওর কাকার কোম্পানির গেস্ট-হাউসে আপনার থাকার ব্যবস্থা করে রাখি। কাল সকালে এখান থেকে ধুবুড়ি রওনা হবার আগে এও বললেন, ধুবুড়ি পৌঁছেই কলকাতায় ফোন করে আপনাকে জানিয়ে দেবেন যে, আজকের দিনটা এখানে আপনি কোথায় থাকছেন।”

    “কিন্তু কই, আমি তো কাল কোনও ফোন পাইনি।”

    “তা হলে বোধহয় কলকাতার লাইন পাওয়া যায়নি।” ভদ্রলোক বললেন, “যা-ই হোক, আমি সব ব্যবস্থা করে রেখেছি, আপনার কোনও অসুবিধে হবে না।”

    “ব্যবস্থাটা তিনজনের জন্যেই করেছেন তো?”

    মহিম বরুয়ার মুখচোখ দেখেই বোঝা গেল, ভদ্রলোক একটু অস্বস্তির মধ্যে পড়ে গেছেন। মাথা চুলকে বললেন, “উনি আসলে একজনের কথাই বলেছিলেন, …মানে আপনারা যে তিনজন আসবেন, তা বোধহয় বুঝতে পারেননি। তো তা নিয়ে চিন্তার কিছু নেই, গেস্ট হাউসের দোতলার দুটো ঘরই খালি পড়ে আছে, দুটোই ডাবল বেড-রুম, আর তা ছাড়া একটাই তো রাত, আশা কবি আপনাদের কোনও অসুবিধে হবে না। ওই মানে একটা ঘরে দু’জনকে থাকতে হবে আর কি।”

    “না না, এতে অসুবিদে হবে কেন,” সদানন্দবাবু প্রায় ঝাঁপিয়ে পড়ে বললেন, “ও আমরা ম্যানেজ করে নেবখন।”

    কথা বলতে-বলতে আমরা টার্মিনাল বিল্ডিংয়ের বাইরে চলে এসেছিলুম। প্রায় সঙ্গে-সঙ্গেই একটা অ্যাম্বাসাডার পার্কিং এনক্লোজার থেকে বেরিয়ে আমাদের সামনে এসে দাঁড়াল। উর্দি-পরা ড্রাইভারটি গাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে ডিকি খুলে আমাদের হাত থেকে হ্যান্ডব্যাগ তিনটি নিয়ে নিল, তারপর সেগুলিকে ডিকিতে রেখে ডালা বন্ধ করে মহিম বরুয়াকে জিজ্ঞেস করল, “এখন কোথায় যাব?”

    মহিমবাবু ইতিমধ্যে অ্যাম্বাসাডরের পিছনের দরজা খুলে আমাদের তিনজনকে পাশাপাশি বসিয়ে দিয়েছিলেন। বললেন, “গেস্ট হাউস।”

    ড্রাইভার গিয়ে স্টিয়ারিং হুইলের সামনে বসে, ইগনিশন কি ঘুরিয়ে, গাড়িতে স্টার্ট দিল। মহিম বরুয়া তার পাশ থেকে মুখ ঘুরিয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে বললেন, “বেশি সময় লাগবে না।”

    তা লাগলও না।

    গৌহাটির বরঝার এয়ারপোর্ট থেকে শহর তেমন-কিছু দূরে নয়। ইউনিভার্সিটি এলাকা ছাড়িয়ে খানিক এগিয়ে, কামাখ্যা পাহাড়কে বাঁয়ে রেখে, ব্রহ্মপুত্রের গা-ঘেঁষা রাস্তা দিয়ে আমরা কটন কলেজের কাছাকাছি যেখানে এসে পৌঁছলুম, সেটা আমার চেনা জায়গা।

    গৌহাটিতে এই যে আমি প্রথম আসছি, তা নয়। প্রথম এসেছিলুম পঞ্চাশের দশকে। শিলং যাবার পথে একটা রাত সেবারে গৌহাটিতে কাটাই। পরে আরও বার কয়েক এসে নেহাত একটা রাত নয়, বেশ ক’দিন এখানে কাটিয়ে গেছি। একবার তো কামাখ্যা পাহাড়ের উপরেই তা প্রায় হপ্তাখানেক থেকেছিলুম। অথচ, ব্রহ্মপুত্রের ধারের এই গেস্ট হাউসটি একবারও আমার চোখে পড়েনি। হতে পারে যে, আমিই খেয়াল করিনি, অথবা এমনও সম্ভব যে, হালে এটি তৈরি হয়েছে।

    গাড়ি থেকে নেমে একবার দেখেই ভাল লেগে গেল। বাড়িটি ছোট। সামনে এক ফালি বাগান। বাগানে মরসুমি ফুলের পরিপাটি কয়েকটা বেড। মাঝখান দিয়ে রাস্তা থেকে গ্যারাজ অবধি মোরাম-ঢালা ড্রাইভ। কম্পাউন্ড ওয়াল ঘেঁষে ডালপালা ছড়িয়ে দাঁড়িয়ে আছে নাতিবৃহৎ একটি কৃষ্ণচূড়া গাছ, আর নীচে থেকে একটি ফুলন্ত লতা দোতলার বারান্দা পর্যন্ত উঠে গেছে। লতার সর্বত্র যে ফুল ফুটে আছে, ঠিক সেই ধরনের ফুল এর আগে কখনও দেখিনি।

    দোতলায় নিয়ে গিয়ে ঘর দুটি আমাদের দেখিয়ে দিয়ে মহিম বরুয়া বললেন, “আপনারা নিশ্চয় ক্লান্ত বোধ করছেন, হাতমুখ ধুয়ে একটু বিশ্রাম করুন, আমি ততক্ষণে নীচে গিয়ে আপনাদের চায়ের কথা বলে আসি।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “ঠিক আছে, কিন্তু শুধু চায়ের কথাই বলবেন, প্লেনে ব্রেকফাস্ট দিয়েছিল, এখন আর কিছু খেতে পারব না।”

    “বেশ, তা হলে শুধু চা-ই দিতে বলি। …ও হ্যাঁ, দুপুরে আর রাত্তিরে কী খাবেন, সেটাও যদি দয়া করে বলে দেন, তো খুব ভাল হয়। মানে, যে লোকটি এখন বাজারে যাচ্ছে, তাকে তা হলে সেই মতো যা-যা দরকার সব নিয়ে আসতে বলব।”

    “ও নিয়ে ভাববার কিছু নেই,” ভাদুড়িমশাই হেসে বললেন, “আমরা ডাল-ভাতের ভক্ত, তার সঙ্গে একটা মাছ, ব্যস, আর কিছু চাই না।”

    “ঠিক আছে, আমি এদের বলে দিয়ে আসছি।”

    “আসুন, আমরা ততক্ষণে মুখ-হাত ধুয়ে নিচ্ছি। চা খেতে-খেতে আপনার সঙ্গে কথা হবে।” মহিম বরুয়া ঘর থেকে বেরিয়ে নীচে নেমে গেলেন।

    গেস্ট-হাউসটি মোটামুটি পরিচ্ছন্ন। দোতলায় মোট তিনটি ঘর। দু’দিকে দুটি বেড-রুম, মাঝখানেরটিতে কমন বসার ব্যবস্থা। সেখানে সেন্টার-টেবিলটিকে কেন্দ্র করে গুটিকয় সোফা। একদিকে কাচের একটি বুক-কেস। তাতে কিছু ইংরেজি পেপারব্যাক। সবই থ্রিলার। বেশির ভাগই হ্যাডলি চেজ আর নিক কার্টারের। দু’চারখানা ফ্রেডারিক ফোরসাইথ, কেন ফোলেট আর আর্ভিং ওয়ালেসও চোখে পড়ল। বইয়ের আলমারির পাশে একটি নিচু টেবিলে টেলিফোন। ঘরের অন্যদিকে টিভি-সেট।

    মুখ-হাত ধুয়ে ড্রয়িং রুমে এসে আলমারি থেকে একটা বই টেনে নিয়ে পাতা ওলটাচ্ছি, এমন সময় মহিম বরুয়া ফিরে এলেন। তাঁর পিছনে চায়ের ট্রে হাতে একটি লোক। লোকটিকে এর আগেও দেখেছি, এয়ারপোর্ট থেকে এখানে পৌঁছবার পর গাড়ির ডিকি থেকে আমাদের হ্যান্ডব্যাগ তিনটিকে এ-ই দোতলায় তুলে দিয়েছিল। সেন্টার টেবিলে চায়ের ট্রে নামিয়ে রেখে লোকটি দাঁড়িয়ে ছিল, মহিম বরুয়া বললেন, “বাথরুমে তেল সাবান তোয়ালে, সব-কিছু দিয়েছ তো?”

    লোকটি বলল, “হ্যাঁ, সাব।”

    “ঠিক আছে, শ্যাম, তা হলে তুমি এবারে বাজারে চলে যাও।”

    ঘর থেকে লোকটি বেরিয়ে যাবার পরে মহিম বরুয়া বললেন, “তা হলে আমিও এবারে যাই। আপনারা বিশ্রাম করুন, গাড়িটা রইল, দুপুরের খাওয়া-দাওয়া সেরে নিয়ে যদি ইচ্ছে হয় তো একটু ঘুরে আসতে পারেন। আমি আবার বিকেলে এসে দেখা করব।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “এখুনি আমাদের বিশ্রামের কোনও দরকার নেই, পরে অনেক সময় পাওয়া যাবে, বিশ্রাম বরং তখনই নেব। আপাতত আপনি একটু বসে যান, আমার দু’-একটা কথা জেনে নেবার আছে।”

    মহিম বরুয়া দরজার দিকে পা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন, ফিরে এসে একটা সোফায় বসে পড়ে বললেন, “বেশ তো, কী জানতে চান, বলুন।”

    “ আপনি বলছিলেন যে, এটা কেদারেশ্বরের কাকার কোম্পানির গেস্ট হাউস। ওঁর আপন কাকা?”

    “আজ্ঞে হ্যাঁ। দুই ভাইয়ের মধ্যে কেদারবাবুর বাবা সুরেশ্বরবাবুই বড়। আর ইনি মহেশ্বরবাবু ছোট।”

    “সুরেশ্বরবাবুও তো ব্যাবসা করতেন বলেই শুনেছি।”

    “ঠিকই শুনেছেন। তবে তিনি কলকাতায় থাকতেন, ব্যাবসাও করতেন সেখানেই। এক্সপোর্ট-ইমপোর্টের ব্যাবসা। মারা যাবার আগে অবশ্য ব্যাবসার কাজকর্ম তিনি গুটিয়ে ফেলেছিলেন। জীবনের শেষ কয়েকটা বছর তিনি ধুবুড়ির বাড়িতে এসে কাটান।”

    “বড় ভাইয়ের তুলনায় মহেশ্বরবাবুর ব্যাবসা আরও বড়?”

    “অনেক বড়।”

    “কীসের ব্যাবসা?”

    “কীসের নয়?” মহিম বরুয়া হেসে বললেন, “চা থেকে পাট আর ট্রাক থেকে টিম্বার, সব কিছুতেই তিনি আছেন। তবে তিনিও এখন ভাবতে শুরু করেছেন যে, এর সবটা না হলেও খানিক-খানিক তিনি গুটিয়ে ফেলবেন। তা ছাড়া উপায়ই বা কী। বয়স তো তাঁরও কিছু কম হয়নি, অ্যাটলিস্ট এইট্রিফাইভ। এই বয়সে আর সব দিকে নজর রাখতে পারছেন না।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “একা তাঁকেই বা সব দিকে নজর রাখতে হবে কেন?”

    মহিম বরুয়া হাসলেন। “উপায় কী, মাইনে-করা লোকজনের তো কিছু অভাব নেই, ম্যানেজার, অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার, সুপারভাইজার থেকে শুরু করে ডেসপ্যাঁচ ক্লার্ক অব্দি একশো গন্ডা লোক রয়েছে। ফুকন ট্রেডার্সের যে আপিসেই যান, তাদের দেখতে পাবেন। কিন্তু চায়ের পেটি কিংবা পাটের বেল বোঝাই ট্রাক মাঝপথেই হাল্কা হয়ে গেল কি না, তাও যেমন তারা দ্যাখে না, তেমনি আবার একটা ট্রাকের যে জার্নিতে যতটা ডিজেল লাগার কথা, তার দেড়গুণ ডিজেল লেগে গেলেও তারা চোখ বুজে পেট্রল পাম্পের বিল মিটিয়ে দেয়। তার ফল যা হবার তা-ই হচ্ছে। মহেশ্বরবাবুর ছেলে যদি বাপের ব্যাবসাটা বুঝে নিতেন, তা হলে এমনটা হত না। কিন্তু বাপের ব্যাবসায় তিনি ঢুকলেন কোথায়।”

    “মহেশ্বরবাবুর কি এই একটিই মাত্র ছেলে?”

    “এই একটিই মাত্র।”

    “তা হলে তিনি তাঁর বাপের ব্যাবসায় ঢুকলেন না কেন?”

    তক্ষুনি এই প্রশ্নের উত্তর দিলেন না মহিম বরুয়া। ঈষৎ অপ্রতিভভাবে হাসলেন। তারপর বললেন, ‘দেখুন, এখন আর আমি এঁদের কাজ করি না ঠিকই, কিন্তু বছর পাঁচেক আগেও তো করতুম, আর তা ছাড়া এখানকার চাকরি ছেড়ে দিয়ে নিজেরই একটা ছোটখাটো ব্যাবসা যদিও করে নিয়েছি, ফুকনদের সঙ্গে আমার সম্পর্কটা তাই বলে নষ্ট হয়ে যায়নি। যেমন মহেশ্বরবাবু তেমন তাঁর ভাইপো কেদারেশ্বরবাবু এখনও আমাকে যথেষ্ট স্নেহ করেন। তাই …বুঝতেই পারছেন …এ-সব কথার মধ্যে আমার না-যাওয়াই ভাল।”

    “ঠিক আছে,” ভাদুড়িমশাইও ঈষৎ হেসে বললেন, “আপনার অসুবিধে থাকলে এ নিয়ে কিছু জিজ্ঞেস করব না। বরং অন্য দু-একটা প্রশ্ন করি, কেমন?”

    “বেশ তো, করুন।”

    “সুশান্ত চৌধুরি নামে কাউকে আপনি চেনেন?”

    “সুশান্ত চৌধুরি… সুশান্ত চৌধুরি…” মাথা নিচু করে, নামটা বার-দুয়েক অস্পষ্ট গলায় উচ্চারণ করলেন মহিম বরুয়া, তারপর মুখ তুলে ভাদুড়িমশাইয়ের দিকে তাকিয়ে বললেন, “নামটা বোধহয় শুনেছি। …দাঁড়ান, দাঁড়ান, ইনি কি কেদারেশ্বরবাবুর বন্ধু?”

    “হ্যাঁ।”

    “ওই মানে যিনি কোকরাঝাড়ে থাকতেন? কিছুদিন আগে নিরুদ্দেশ হয়ে গেছেন?”

    “হ্যাঁ।”

    “তা-ই বলুন।” মহিম বরুয়া বললেন, “এখানকার কাগজে তাঁর নামে বিজ্ঞাপন বেরিয়েছিল। বিজ্ঞাপনের সঙ্গে ছবিও ছিল একটা। চোখে চশমা, একমুখ দাড়ি। নামটা এই জন্যেই চেনা-চেনা লাগছিল।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “কিন্তু ইনি যে কেদারেশ্বরবাবুর বন্ধু, তা আপনি জানলেন কী করে? বিজ্ঞাপনে উল্লেখ ছিল?”

    “তা ছিল না। তবে বিজ্ঞাপনের নীচে উল্লেখ ছিল যে, এর সন্ধান পেলে হয় যে-কোনও থানায় কিংবা ধুবুড়ি শহরে কেদারেশ্বর ফুকনকে জানাতে হবে। বিজ্ঞাপনে কেদারেশ্বরবাবুর ধুবুড়ির ঠিকানা আর ফোন নম্বরও দেওয়া ছিল। আপনারা তো এখান থেকে কাল ধুবুড়িতেই যবেন।”

    “তা যাব, কিন্তু কাল পর্যন্ত এখানে বসে থাকতে হবে কেন? আমরা যদি ঘন্টা খানেক বাদে গাড়ি নিয়ে রওয়া হই তো ক্ষতি কী?”

    মহিম বরুয়া হাসলেন। বললেন, “পথে কোনও ভাল একটা খাবার জায়গা পাবেন না। ফলে দুপুরের খাওয়া এখানে সেরে নিয়ে তারপর আপনাদের রওনা হতে হবে। তা দুপুর একটা নাগাদ যদি রওনা হন তো ধুবুড়ি পৌঁছতে-পৌঁছতে রাত আটটা। তাতেও আপত্তি ছিল না, যদি রাস্তাটা নিরাপদ হত।”

    আমি আর সদানন্দবাবু এতক্ষণ চুপচাপ সব শুনে যাচ্ছিলুম। কিন্তু রাস্তা যে নিরাপদ নয়, এ-কথা শুনে সদানন্দবাবু আর স্থির থাকতে পারলেন না। জিজ্ঞেস করলেন, “আপদটা কীসের?”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “আপদ বলতে মহিমবাবু বোধহয় উগ্রপন্থীদের কথা বোঝাতে চাইছেন। রেডিয়ো আর টিভির নিউজ-বুলেটিনে যাদের ‘আতঙ্কবাদীয়োঁ’ বলা হয় আর কী।”

    “না না, আমি শুধু তাদের কথা বোঝাতে চাইছি না,” মহিম বরুয়া বললেন, “যেমন তারা আছে, তেমনি লুঠপাট করাই যাদের পেশা, তারাও আছে বই কী। তা ছাড়া, সিকিওরিটি চেকিংয়ের নামে যে হ্যারাসমেন্ট চলে, তার কথাও ভুলে যাবেন না। হাইওয়ের সর্বত্র সিকিওরিটির লোকেরা আপনাদের গাড়ি থামাবে। আপনাদের সঙ্গে অবশ্য মালপত্র বিশেষ নেই, থাকার মধ্যে আছে তিনটে হ্যান্ডব্যাগ, কিন্তু ওই হ্যান্ডব্যাগের জিনিসপত্রও তারা সমানে হাঁটকে দেখবে। কোথায় যাচ্ছেন, কেন যাচ্ছেন, রাত্তিরেই বা যাচ্ছেন কেন, জেরায় জেরায় জেরবার করে ছাড়বে। তাই বলছিলুম যে, পথটা যখন ভাল নয়, মাঝে-মাঝেই নানা রকমের ঘটনা ঘটছে, তখন ভোর পাঁচটায় রওনা হওয়াই তো সেফ, দিব্যি বারোটা নাগাদ ওখানে পৌঁছে লাঞ্চ করতে পারবেন।”

    সদানন্দবাবু বললেন, “আর ব্রেকফাস্ট?”

    “প্যাকেটে করে আপনাদের সঙ্গে দিয়ে দেওয়া হবে। বড় একটা ফ্লাস্ক-ভর্তি কফিও থাকবে সেই সঙ্গে। আর থাকবে ছ’ বোতল মিনারেল ওয়াটার। পথে কোথাও জল খাবেন না।”

    “কেন?”

    “রিস্কি।” মহিম বরুয়া বললেন, “আর-একটা কথা বলে দিচ্ছি। হাইওয়ের উপরে সিকিওরিটির লোকেরা এখানে-ওখানে রাইফেল উঁচিয়ে আপনাদের গাড়ি থামাবে, মালপত্তর হাঁটকাবে, জেরা করবে। কিন্তু তাতে যতই বিরক্ত হোন, দয়া করে তাদের সঙ্গে তর্ক করতে যাবেন না বা তাদের কাজে কোনও বাধা দেবেন না।”

    সদানন্দবাবু বললেন, “বাঃ, এ তো দেকচি মজার ব্যাপার। আমরা তো আর আতঙ্কবাদীয়োঁ নই, ছাপোষা মানুষ, এক ফ্রেন্ডের বাড়িতে দু’দিনের জন্যে বেড়াতে যাচ্চি। তা হলে আমাদের জিনিসপত্তর সার্চ করতে চাইলে আপত্তি করব না কেন?”

    “এইজন্যে করবেন না যে, মোস্ট অব দেম আর রাফ অ্যান্ড টাফ পিপ্‌ল, অ্যান্ড কোয়াইট আ ফিউ অব দেম আর ট্রিগার-হ্যাপি। আসলে ওরা নিজেরাই একটু ভয়ে ভয়ে থাকে তো, সেটা কিছু অস্বাভাবিকও নয়, কখন কোথায় অ্যাম্বুশড হবে তার ঠিক নেই, ফলে সন্দেহ হলেই হল, প্যানিকি হয়ে গিয়ে দুমদাম গুলি চালিয়ে দেয়। …না মশাই, ওদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি করতে যাবেন না।”

    এ যে অতিশয় যুক্তিসংগত কথা, নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই তা আমি জানি। বছর খানেক আগে এই পথ দিয়েই আমাকে বঙ্গাইগাঁও যেতে হয়েছিল। নলবাড়িতে আর্মির লোকেরা গাড়ি থামিয়ে তল্লাশি চালায়। আমার সঙ্গে ছিলেন একজন আই. এ. এস. অফিসার। তিনি তাঁর আইডেন্টিটি কার্ড দেখিয়েও রেহাই পাননি। সঙ্গের জিনিসপত্র আর ফ্লোর-বোর্ড তো বটেই, গাড়ির ডিকি আর বনেট পর্যন্ত খুলিয়ে সবকিছু তন্ন-তন্ন করে দেখে, বিস্তর জেরা করে তারপর তারা আমাদের রেহাই দেয়। সদানন্দবাবুকে তাই বললুম, “শুনলেন তো? যারা বন্দুকের ঘোড়ায় আঙুল রেখে কথা বলে, তারা যা করতে বলে করবেন, যা জিজ্ঞেস করে লক্ষ্মী ছেলের মতো তার জবাব দেবেন, তক্কো-টক্কো করতে যাবেন না, মশাই।”

    মহিম বরুয়া উঠে পড়লেন। বললেন, “তা হলে আমি এখন চলি। ধুবুড়ি যাবার গাড়ির ব্যবস্থা পাকা করে রাত্তিরের দিকে একবার আসব। আপনারা স্নান করে খাওয়া-দাওয়া করুন। দুপুর একটা নাগাদ লাঞ্চ দেবে। তারপর, গেস্ট হাউসের গাড়িটা তো রইল, ইচ্ছে হলে এদিক-ওদিক একটু ঘুরে আসতে পারবেন।”

    নমস্কার করে ভদ্রলোক বেরিয়ে গেলেন।

    স্নান করে, দুপুরের খাওয়া শেষ হতে-হতে দেড়টা। একতলার ডাইনিং হল থেকে দোতলায় ফিরে এসে ভাদুড়িমশাই একটা সিগারেট ধরিয়েছিলেন। তারপর হঠাৎ কোনও একটা কাজের কথা মনে পড়ে যাওয়ায় সিগারেটটা অ্যাসট্রেতে পিষে দিয়ে, পকেট থেকে নোটবুকটা বার করে তাতে একবার চোখ বুলিয়ে নোটবুকটা ফের পকেটে ঢুকিয়ে রেখে টেলিফোনের সামনে মোড়ায় বসে ডায়াল ঘোরাতে লাগলেন। ওদিক থেকে কে ফোন ধরলেন, জানি না। এদিক থেকে ভাদুড়িমশাই বললেন, “নমস্কার… আমি ভাদুড়ি কথা বলছি… হ্যাঁ, চারু ভাদুড়ি… কী, বিশ্বাস হচ্ছে না? …আরে ভাই, আজ যে বিহু, আপনাদের ভাষায় চতর সংক্রান্তিত ডাঙর উৎসব, ছুটির দিন, সেটা জানি বলেই তো আপিসে না-করে বাড়িতে ফোন করছি। …যেতে হবে? …ঠিক আছে, বাড়িতেই যাচ্ছি। …কী বললেন, …না না, গাড়ি পাঠাতে হবে না, দুটোর মধ্যেই পৌঁছে যাব।”

    রিসিভারটা ক্রেডলে নামিয়ে রেখে, মোড়া থেকে উঠে পড়ে ভাদুড়িমশাই বললেন, “আমি একটু বেরুচ্ছি।”

    সদানন্দবাবু বললেন, “কখন ফিরবেন?”

    ‘দেরি হবে না। চেনা একজনের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছি। আশা করি, তিনটের মধ্যেই ফিরে আসতে পারব।”

    “বেশ, আপনি ফিরে আসুন, তখন আমি একবার গাড়িটা নিয়ে বেরুব ভাবছি।”

    “কোথাও যাবার আছে? মানে চেনাশোনা কারও সঙ্গে দেখা করতে যাবেন?”

    “বাঃ, মায়ের থানে এইচি, একবার কামিখ্যে-মন্দিরে যেতে হবে না?” সদানন্দবাবু বললেন, “আমার ওয়াইফকে বলে এইচি যে, মায়ের মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রসাদ নিয়ে কলকাতায় ফিরব।” সদানন্দবাবুর দিক থেকে আমার দিকে চোখ ফিরিয়ে ভাদুড়িমশাই বললেন, “আর আপনি?” বললুম, “আমি কোথাও যাব না। দিল্লিতে পেপসি কাপের ফাইনাল হচ্ছে, ইন্ডিয়া ভার্সাস অস্ট্রেলিয়া। ধুন্ধুমার লড়াই। ফার্স্ট পার্টটা দেখা হযনি। এখন টিভি চালিয়ে পাঁচটা পর্যন্ত চুপচাপ বাকি অংশটা দেখব।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্টোরিজ – নিল গেইম্যান
    Next Article ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    Related Articles

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার ক্লাস – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার দিকে ও অন্যান্য রচনা – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতা কী ও কেন – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ কবিতা

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }