Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প927 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আংটি রহস্য – ৭

    ৭

    ডজন তিনেক স্যান্ডুইচ ছাড়াও ঝুড়ির মধ্যে রয়েছে ডজন খানেক পেস্ট্রি আর কিছু সন্দেশ। সেই সঙ্গে বড় সাইজের দু’ দুটো ফ্লাস্ক ভর্তি কফি আর কয়েক বোতল মিনারেল ওয়াটার। অর্থাৎ কলকাতার অতিথিদের যাতে অন্তত ক্ষুন্নিবৃত্তির ব্যাপারে কোনও অসুবিধে না হয়, তার ব্যবস্থা করতে মহিম বরুয়া মশাই কোনও ত্রুটি রাখেন নি। ঝুড়ির মধ্যে কাগজের কিছু প্লেট আর প্লাস্টিকের গোটাকয় গেলাশও দিয়ে দিয়েছেন। ফলে পানভোজন নির্বিঘ্নে সমাধা হল। কফি খেতে-খেতে সদানন্দবাবু বললেন, “রাগে আমার গা জ্বলে যাচ্চিল, মশাই।”

    বলেই সম্ভবত তাঁর সন্দেহ হল যে, কার উপরে রাগ, সেটা আমরা ধরতে পারিনি। তাই ব্যাখ্যা করে বললেন, “ওই মিলিটারিগুলোর ব্যাভার দেকলে তো যে-কোনও ঠান্ডা মেজাজের মানুষও ফায়ার হয়ে যাবে।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “কেন, ওরা আবার কী করল?”

    “বাঃ, সার্চ করার নামে কীভাবে আমাদের হ্যারাস করল, সেটা ভুলে গেলেন?”

    “কিন্তু, সদানন্দবাবু, সার্চ করাটাই তো ওদের কাজ, সেটা ওরা করবে না?”

    “তাই বলে অতক্ষণ ধরে করবে?” সদানন্দবাবু বললেন, “আর তা ছাড়া নিজেরা তো দিব্যি মগে করে গর্মাগরম চা খাচ্ছিল, আমাদেরও যে চায়ের তেষ্টা পেয়ে থাকতে পারে, সেটা ওদের বোজা উচিত ছিল, মশাই। আমাদেরও তো এক-এক মগ অফার করতে পারত।”

    বললুম, “সেটা করেনি বলেই রাগে গা জ্বলে যাচ্ছিল আপনার?”

    “জ্বলবে না? আমি তো তেড়ে দু’কতা শুনিয়ে দিতুম। পরে দেকলুম, আপনারা যখন চুপ করে রয়েচেন, তখন একা আমিই বা কেন বকাঝকা করতে যাই।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “সেটা না-করে ভালই করেছেন।”

    “এ-কতা বলচেন কেন?”

    “তাও বুঝতে পারছেন না?” আমি বললুম, “রাইফেলগুলো কাদের কাঁধে ঝুলছিল? আমাদের, না ওদের?”

    “কেন, ওদের।”

    “তো সেটাই হচ্ছে আসল কথা।” ভদুড়িমশাই হেসে বললেন, “যাদের কাঁধে রাইফেল ঝোলে, ভুলেও তাদের বকাঝকা করতে নেই। তাদের মধ্যে এক-আধটা ট্রিগার-হ্যাপি লোক তো থাকতেই পারে। দুমদাম তারা গুলি চালিয়ে দেয়। আর চলালেই তো হয়ে গেল, যে-কাজটা আমরা করতে এসেছি, সেটায় হাত দেবার আগেই তখন এই রাস্তার উপরে চিতপটাং হয়ে পড়ে থাকতে হবে।”

    “ওরে বাবা!” সদানন্দবাবু শিউরে উঠে বললেন, “ঠিক, ঠিক! এ একেবারে লাক কতার এক কতা কয়েচেন! বাপ রে, কী ভুলই না করতে যাচ্ছিলুম! একেবারে বেঘোরে মারা পড়তে হত! ওদিকে আবার কমলির মা’কে প্রমিস করে এইচি যে, এখেন থেকে তাঁর আর কমলির জন্যে আমি দুখানা মুগা শাড়ি নিয়ে ফিরব উইথ ব্লাউজ পিস। সে-সব তো কিছুই হত না, মশাই!”

    পরেশ গিয়ে বনেটের ডালা নামিয়ে বলল, “গাড়ির রেস্ট হয়ে গেছে, এবারে আপনারা উঠে পড়ুন।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “আপনারা উঠে পড়ুন। কাগজের এই এঁটো প্লেট আর প্লাস্টিকের গেলাশগুলো এখানে রাস্তার উপরে ছড়িয়ে রেখে যাওয়া ঠিক হবে না, আমি এগুলোকে একটা কাগজে মুড়ে ডিকিতে তুলে দিচ্ছি, এরপরেই তো বরপেটা শহর আসবে, সেখানে একটা ভ্যাটের মধ্যে ফেলে দেব।”

    বরপেটা জেলায় তো এরই মধ্যে ঢুকে পড়েছি, তবে শহরে পৌঁছতে আরও বেশ কিছুটা সময় লেগে গেল। ঘিঞ্জি শহর, রাস্তা জুড়ে ট্রাকের ভিড়, প্রচুর দোকানপাট, প্রতিটি দোকানেই ট্রানজিস্টরে আর টেপ-রেকর্ডারে তারস্বরে হিন্দি ফিল্মের গান বাজছে, গোটাকয় প্রাইভেট গাড়ি পার্কিং করার জায়গা খুঁজছে, তিন-চারটে যাত্রিবাহী বাস থেকে কানে তালা ধরিয়ে মুহুর্মুহু বাজানো হচ্ছে এয়ার-হর্ন, বড়-বড় গোটা দুই-তিন রেস্তোরাঁ-কাম-হোটেলও আমাদের চোখে পড়ল।

    পরেশ বলল, “এই যে ট্রাকগুলোকে দেখছেন, এদের ড্রাইভার কুলি আর ক্লিনাররাই এই হোটেলগুলোকে বাঁচিয়ে রেখেছে।”

    একে তো আমরা কফিতে অভ্যস্ত নই, তার উপরে যে-রাজ্যে এসেছি, সেটা চায়েরই রাজ্য, কিন্তু সেখানে এসেও চায়ের বদলে কফি গিলতে হল, ফলে যেমন আমাদের তেমন সদানন্দবাবুরও যে মন একটু খুঁতখুঁত করছিল, সেটা তাঁর প্রশ্ন শুনেই বুঝতে পারলুম। “ওহে ভাই পরেশ, এখানে চা পাওয়া যায় না?”

    একটা জ্যামের জালে আমাদের গাড়িটা আটকে গিয়েছিল। খুব সন্তর্পণে জাল কেটে বেরুতে-বেরুতে পরেশ বলল, “যায়, কিন্তু কোথায় বসে খাবেন?”

    “কেন, হোটেলের সঙ্গে রেস্টুরেন্টও তো রয়েচে দেকচি, ওখানে বসে খাব।”

    ‘পারবেন না, স্যার।” সামনের দিকে চোখ রেখে, অ্যাক্সিলেটরে পায়ের চাপ সামান্য বাড়িয়ে পরেশ বলল, “বড্ড নোংরা। বাইরে থেকে দেখে বুঝতে পারছেন না, কিন্তু ভিতরে ঢুকলে দেখবেন টেবিলের ওপরে মাছি থিকথিক করছে। ট্রাকের লোকেরা ও-সব নিয়ে মাথা ঘামায় না, তারা পারে।”

    আস্তে-আস্তে ভিড়ভাট্টা কমে এল। গাড়ির স্পিডও বাড়িয়ে দিল পরেশ। তারপরে শহরের চৌহদ্দি ছাড়িয়ে ফাঁকা রাস্তায় পড়ে বলল, “মাইল দশেক পরে একটা ধাবা আছে। আমার চেনা। সেখানেও অবশ্য বেশির ভাগ খদ্দের এইসব ট্রাকেরই লোক… এদের ছাড়া তো আর ধাবা চালানো যায় না… তবে কিনা জায়গাটা এখানকার চেয়ে অনেক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। বললে পরে ভাল করে ধুয়ে-মেজে স্টিলের গেলাসে ঘন দুধে এলাচ-দারুচিনি দিয়ে ফুটিয়ে চা করে দেবে। চা খেতে হলে সেখানে খাবেন। পাশে একটা পেট্রোল পাম্প আছে, আমার অবশ্য তেল নেবার দরকার নেই, গুয়াহাটি থেকেই কাল রাত্তিরে আমার ট্যাঙ্ক ভর্তি করে নিয়েছি, তবে আপনারা চা খাবেন তো, সেই ফাঁকে আমি টায়ারের হাওয়াটা একবার চেক করিয়ে নেব।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “কী সদানন্দবাবু, এলাচ-দারচিনির চা চলবে নাকি?”

    “যদি বলি যে, এলাচ-দারচিনি বাদ দিয়ে চা করে দাও, তা হলে কি ওরা রেগে যাবে?” সদানন্দবাবু ঢোঁক গিলে বললেন, “মানে চায়ের নামে গরম শরবত খেতে হবে কেন? এমনি চা-ই তো ভাল। সেটা পাওয়া যাবে না।”

    “পাওয়া যাবে, তবে খাওয়া যাবে কি না, তাতে সন্দেহ আছে। তার চেয়ে বরং এই মশলাদার চা-ই একদিন খেয়ে দেখুন, খারাপ লাগবে না।”

    তা-ই হল। পরেশ যে ধাবার কথা বলেছিল, সেখানে পৌঁছে দড়ির খাটিয়ায় বসে চা খেলুম আমরা। পরেশ সেই ফাঁকে পাশের পেট্রোল পাম্পে ঢুকে হাওয়া চেক করিয়ে নিল তার গাড়ির টায়ারের। মিনিট কুড়ি-পঁচিশ বাদে আবার আমরা গাড়িতে উঠে পড়লুম। রাস্তার দু’ধারে আবার সেই ধুধু মাঠ আর চাষের জমি। অনেকক্ষণ বাদে-বাদে টুকরো-টুকরো লোকালয়ের, দু’ চারটে দোকানপাটের চকিত আভাস ফুটেই আবার মিলিয়ে যায়, তা ছাড়া দৃশ্যপটের আর -কোনও অদল-বদল ঘটে না। দেখতে-দেখতে চোখ জুড়ে আসে, ঘুম এসে যায়।

    পঞ্চাশের দশকের গোড়ার দিকে উত্তরপূর্ব ভারতে বেড়াতে এসেছিলুম। সে-ই আমার প্রথম আসা। এদিকে তখন এত-সব রাজ্য গড়ে ওঠেনি, অসম বলতে তখন মস্ত একটা অঞ্চলকে বোঝাত, আজকের তুলনায় অসমের চৌহদ্দি তখন ছিল অনেক বড়। আজই ভোরবেলায় যে বিরাট ব্রিজের উপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে ব্রহ্মপুত্র পেরিয়ে এলুম, সেই ব্রিজ তখন ভবিষ্যতের গর্ভে। সন্ধেবেলায় রেলগাড়ি থেকে নেমে কুলির মাথায় সুটকেস আর হোল্ডল চাপিয়ে ফেরিঘাটে পৌঁছে আজকাল যাকে ভটভটি বলে সেই মোটর-লাগানো নৌকোয় উঠে সেবারে নদী পেরিয়ে গুয়াহাটিতে পৌঁছতে হয়েছিল। ততক্ষণে রাত নেমেছে, আকাশে আলো নেই, দূরে-দূরে সম্ভবত অন্য সব নৌকোর পাটাতনে মিটমিট করে জ্বলছে লন্ঠনের আলো, ব্রহ্মপুত্র তো বিশাল চওড়া জলধারা, তার কুচকুচে কালো বুকের উপর দিয়ে ঢেউ ভাঙতে ভাঙতে আমরা এক পার থেকে অন্য পারে চলেছি। বেশ যে ভয় পেয়েছিলুম, সেটা এখনও মনে পড়ে।

    আর মনে পড়ে, আলিপুরদুয়ার থেকে আরও খানিক দূরত্ব পার হবার পর রেলগাড়ির জানলা থেকেই রোমাঞ্চিত হয়েছিলুম এদিককার প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য দেখে। শুধু কি গাছপালার বৈচিত্র্য? ধানের খেতে বসে আছে হলুদ-ঠোঁটওয়ালা বিশাল সাইজের ধনঞ্জয় পাখি; রেল-লাইনের পাশের ডোবায় বক আর সারসের মেলা বসেছে; সে-সব রাস্তা কখনও কাছে আসছে, আবার কখনও দূরে চলে যাচ্ছে, তার উপরে মস্ত-মস্ত কাঠের গুঁড়ি শুঁড়ে জড়িয়ে হেঁটে চলেছে হাতির মিছিল। এমন দৃশ্য তো এর আগে কখনও দেখিনি। এমন বনাঞ্চলই বা দেখলুম কোথায়? দেখেই বোঝা যায়, এ সেই ভার্জিন ফরেস্ট, যার গায়ে এখনও ব্যাবসাদার মানুষের লোভী হাতের ছোঁয়া লাগেনি। মেঘালয় বলে তখন কোনও রাজ্য ছিল না। দিশপুর নয়, শিলংই ছিল অসমের রাজধানী। কিন্তু গুয়াহাটি থেকে শিলং যাবার রাস্তাটা ছিল এতই সরু যে, নংপোতে একদিকের গাড়িগুলোকে আটকে রেখে তবে অন্যদিকের গাড়িগুলোকে সামনে এগোতে দিত! তখন আটকে-থাকা গাড়ির মিছিলের সামনে রাস্তার পাশের পাহাড় থেকে নেমে আসত খাসিয়া বস্তির অল্পবয়সি ছেলেমেয়েরা। হাতে ফলের টুকরি। তাতে পেঁপে ছাড়াও নানা রকমের পাহাড়ি ফল। গাড়ির ভিতরকার টুরিস্টদের কাছে ফল বেচে, দাম নিয়ে, হাসতে-হাসতে তারা আবার পাহাড়ে উঠে যেত।

    পুরনো দিনের ভাবনার মধ্যে এতই ডুবে গিয়েছিলুম যে, আশপাশের পরিবেশ কিংবা মানুষজন সম্পর্কে সম্ভবত কোনও হুঁশই আমার ছিল না। সদানন্দবাবুর চিৎকারে তাই যেন একটা ধাক্কা খেয়ে সেই অতীত থেকে আবার বর্তমানে ফিরে এলুম।

    “আরে ওই তো… ওই তো সেই লোকটা!”

    শুধু আমি নই, চমকে গিয়েছিলেন ভাদুড়িমশাইও। সামনের সিট থেকে পিছন ফিরে তাকিয়ে তিনি বললেন, “কী হল সদানন্দবাবু, কার কথা বলছেন?”

    পরেশও স্পিড কমিয়ে, ইঞ্জিন কেটে দিয়ে, রাস্তার একধারে গাড়িটাকে দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞেস করল, “চেনা কাউকে দেখলেন?”

    “তা তা দেকলুমই!” সদানন্দবাবু বললেন, “ওই বাসটার পিছনের সিটে বসে ছিল। আমার সঙ্গে চোখাচোখি হতে হাসলও একবার। কিন্তু বাসটা তো ডান দিকের রাস্তা ধরে চলে গেল মশাই!”

    পরেশ বলল, “ওটা বঙ্গাইগাঁও স্টেশনে যাবার রাস্তা।”

    আমি বললুম, “তার মানে আমরা বরপেটা জেলা ছাড়িয়ে বঙ্গাইগাঁওয়ে ঢুকেছি?”

    “বেশ কিছুক্ষণ আগেই ঢুকেছি।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “আপনি বোধহয় একটু অন্যমনস্ক ছিলেন, তাই রাস্তার ধারে বসানো রুট-ইন্ডিকেটরটা খেয়াল করেননি। …কিন্তু সদানন্দবাবু, বাসটার মধ্যে আপনি কাকে দেখলেন?”

    “সেই সন্নিসিকে।”

    “সন্নিসি?” ভাদুড়িমশাই ভুরু কুঁচকে সদানন্দবাবুর দিকে তাকালেন। “কোন সন্নিসি?” আমি বললুম, “সে তো কাল রাত্তিরে খাওয়ার টেবিলে বসেই আপনাকে বলেছিলুম।”

    ভাদুড়িমশাই এবারে আমার দিকে চোখ ফেরালেন। তাঁর ভুরু তখনও স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে যায়নি, কুঁচকেই আছে। বললেন, “কই, আমার মনে পড়চে না তো?”

    বললুম, “বোধহয় আপনি তখন অন্য কিছু ভাবছিলেন। তাই ঠিক শুনতে পাননি। কিংবা হয়তো গা করেননি।”

    “এখন করছি। সন্নিসিটি কে? সদানন্দবাবু কি তাকে আগে থাকতে চিনতেন? নাকি এখানে এসে চেনা-পরিচয় হয়ছে।”

    “এখেনে মানে কামিখ্যে পাহাড়ে।” সদানন্দবাবু বললেন, “মায়ের মন্দিরের সামনের চত্বরে একটা গোদা বাঁদর আমার পকেট থেকে মনিব্যাগটা তুলে নিয়ে পালিয়ে যায়। সেই সন্নিসির সঙ্গে ছিল একটা ফেরোশাস কুকুর। সন্নিসি-ঠাকুর কুকুরটাকে বাঁদরের পেছনে লেলিয়ে দেন। কিন্তু কুকুর তো আর গাচে চড়তে পারে না। ইদিকে বাঁদরটা আমার পকেট মেরেই তরতর করে একটা গাচের মগডালে উটে গেসল। সেখেন থেকে সে ভ্যানিশ হয়ে যায়। তাই কুকুরটা তাকে ধরতে পারেনি। তা না-ই পারুক, সন্নিসি-ঠাকুর যে খুবই হেল্পফুল অ্যান্ড কাইন্ড-হার্টেড, সেটা তো মানবেন। তাই ভাবছিলুম যে…

    “কী ভাবছিলেন?”

    “না মানে ভাবছিলুম যে, দ্যাকাটা হয়ে গেল, উনি হাসলেনও, অথচ কথাবার্তা হল না… সেটা হলে অন্তত আর-একবার ওঁকে থ্যাঙ্কু বলতে পারতুম।”

    পরেশ বলল, “চান তো জোরে গাড়ি চালিয়ে বাসটাকে এখনও ওভারটেক করতে পারি… মানে খুব বেশি দূরে তো যায়নি। কী স্যার, ওভারটেক করব?”

    “না না, ওভারটেক করতে হবে না,” ভাদুড়িমশাই বললেন, “ধুবড়িতে পৌঁছতে তা হলে আরও দেরি হয়ে যাবে। এখনও তো অনেকটা পথ বাকি… পথটা বিশেষ ভালও নয়… দেরি হলে কেদারেশ্বরের দুর্ভাবনা আরও বাড়বে।”

    আমি বললুম, “সেই ভাল, সিধে এখন ধুবড়িতেই যাওয়া যাক। আর তা ছাড়া, একটা ব্যাপারে আমার একটু খটকা লাগছে।”

    “সন্নিসি-ঠাকুর এত তাড়াতাড়ি এখানে এসে পৌঁছলেন কী করে, এই তো?”

    গাড়ি আবার ইতিমধ্যে চলতে শুরু করেছিল। বললুম, “হ্যাঁ। কাল বিকেলেও তো ইনি কামাখ্যা-পাহাড়ে ছিলেন। তা ছাড়া যাচ্ছেন দেখলুম প্যাসেঞ্জার বাসে, যা কিনা নন-স্টপ চলে না, প্যাসেঞ্জার নামাতে-নামাতে আর ওঠাতে-ওঠাতে চলে। বাসটা তা হলে এতটা পথ পাড়ি দিয়ে আমাদেরই সঙ্গে একেবারে একই সময়ে এখানে এল কী করে? হাউ ডাজ ওয়ান এক্সপ্লেন ইট?”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “এটা আপনি ধরে নিচ্ছেন কেন যে, উনিও আমাদেরই মতো আজই সকালে গৌহাটি থেকে রওনা হয়েছেন? হয়তো উনি কাল বিকেলেই গৌহাটি থেকে বাস ধরে খানিকটা পথ… এই ধরুন নলবাড়ি কি বরপেটা পর্যন্ত চলে এসেছিলেন। তারপর রাত্তিরটা সেখানে কাটিয়ে আবার সকালবেলার বাসে উঠে বঙ্গাইগাঁওয়ে এসে পৌঁছেছেন।… কী, সেটা কি সম্ভব নয়?”

    বললুম, “হ্যাঁ, তাও সম্ভব।”

    “ব্যাপারটার সে-ক্ষেত্রে একটা সহজ ব্যাখ্যা পাওয়া যায় আর আপনারও কোনও খটকা থাকে না।”

    সদানন্দবাবু বললেন, “কিরণবাবুকে নিয়ে এই হচ্চে সমিস্যে। সব ব্যাপারেই ওঁর খটকা, সব কিছুতেই সন্দেহ। কাক ডাকলেও ওঁর সন্দেহ যে ডাকল কেন, আবার না-ডাকলেও সন্দেহ যে, ডাকল না কেন। বাতিকগ্রস্ত লোক হলে যা হয় আর কী।”

    আমার পিছনে লাগাটা দেখছি সদানন্দবাবুর স্বভাবে দাঁড়িয়ে গিয়েছে। তবে তাঁর জন্য ওঁকে দোষ দেব না, কেননা সুযোগ পেয়ে গেলে আমিও এই একই কাজ করে থাকি। ফলে, কথাটা বিনা-প্রতিবাদে হজম করে নিয়ে আমি বাইরের দিকে তাকিয়ে রইলুম।

    ভূপ্রকৃতির কিছু-কিছু পরিবর্তন ইতিমধ্যে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। রাস্তার দু’দিকে অবশ্য এখনও সেই চষা মাঠের একঘেয়ে দৃশ্য। যা দেখতে-দেখতে ক্লান্ত লাগে, ঘুম এসে যায়। হয়তো দু’চোখ ইতিমধ্যে বুজেও অসত। কিন্তু সেটা এই জন্যে হল না যে, দূর দিগন্তে ইতিমধ্যেই দেখা দিয়েছে পাহাড়ের সারি। ন্যাড়া পাহাড় যে নয়, তাও বোঝা যাচ্ছে। সাদাসাপ্টাভাবে যাকে ভুটানের পাহাড় বলা হয়, ওগুলো তারই নীচের দিকের অংশ, ভুটানের সীমানা ছাড়িয়ে দক্ষিণে অসম রাজ্যের মধ্যে নেমে এসেছে।

    এই যে রাস্তা দিয়ে চলেছি, এ হল একত্রিশ নম্বর ন্যাশনাল হাইওয়ে। আগেও এই রাস্তা দিয়ে গিয়েছি বলে জানি যে, পাহাড় যখন দেখা দিয়েছে, বঙ্গাইগাঁও জেলার সীমানাও তখন প্রায় শেষ হয়ে এল, একটু বাদেই আমরা কোকরাঝাড় জেলায় ঢুকে পড়ব।

    তা-ই ঢুকলুম। তারপর যতই আরও সামনে এগোতে লাগলুম, পাহাড়ের সারিও ততই এগিয়ে আসতে লাগল আমাদের কাছে। আমাদের বাঁ দিকে এখন সমতল ভূমি। চাষের মাঠ, গোলাঘর, ছোট-ছোট গ্রাম, চালাঘর, কাঠের কিংবা দরমার অর্থাৎ ছ্যাঁচা-বাঁশের দেওয়াল, টিনের কিংবা খড়ের চাল, টানা বারান্দার একতলা ইস্কুলবাড়ি, পাশের জমিতে বাচ্চা ছেলেরা ফুটবল খেলছে, রাস্তার ধারে পান-বিড়ি-সিগারেটের দোকান। ডাইনে পাহাড়। তাতে ছোট-বড় অসংখ্য রকমের গাছ। সেই সঙ্গে এস্তার বাঁশঝাড়। বিহারের শালজঙ্গলে যাঁরা গেছেন, তাঁরা জানেন যে, সেখানে আন্ডারগ্রোথ বা আগাছার ভিড় খুব-একটা চোখে পড়ে না, ফলে একটু নিচু হয়ে তাকালে জঙ্গলের এলাকার অনেকখানি পর্যন্ত স্পষ্ট দেখা যায়। এখানে কিন্তু তেমন নয়। আগাছায় আর হরেক রকমের বুনো লতায় এদিককার জঙ্গলের তলার দিকটাও এমন ভরাট যে, সামনের দিকে বলতে গেলে প্রায় এগোনোই যায় না। যারা উপরে উঠতে চায়, তারা তাই ধারালো দা সঙ্গে নিয়ে জঙ্গলে ঢোকে, যাতে আগাছার বাধা আর লতাপাতার শেকল কাটতে-কাটতে পাহাড়ের উপরে ওঠা সম্ভব হয়। গাছপালাও এখানে এত ঘন যে, তাদের ডালপালা আকাশকে একেবারে আড়াল করে রাখে। ডুয়ার্সেও এই একই ব্যাপার।

    ডুয়ার্সের প্রসঙ্গে দমনপুরের জঙ্গলের কথা মনে পড়ল। বাসে করে আলিপুর দুয়ার থেকে ভুটানের ফুন্সলিংয়ে যাচ্ছিলুম। পথে পড়েছিল এই জঙ্গল। জঙ্গলের ভিতর দিয়ে বাসের রাস্তা। সেই রাস্তা দিয়ে যেতে-যেতে মনে হচ্ছিল যেন ঘোর অন্ধকার একটা সুড়ঙ্গের ভিতর দিয়ে চলেছি। ভরদুপুরে যাচ্ছিলুম, অথচ বাস যাচ্ছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। সেই হেডলাইটের আলোয় যেটুকু দেখা যায়, তা ছাড়া আর কিছুই আমাদের চোখে পড়ছিল না। তারপর যখন জঙ্গল ছাড়িয়ে বাইরে বেরিয়ে আসি, সূর্যদেবের হঠাৎ আলোর ঝলকানিতে চোখ একেবারে ধাঁধিয়ে যাবার জোগাড়।

    কোকরাঝাড়ের এই পাহাড়ি জঙ্গল অবশ্য ততটা ঘন নয়। মাঝেমধ্যে খানিক-খানিক ফাঁকও চোখে পড়ে। তবে সবটা মিলিয়ে এখানকার ভূপ্রকৃতির বাহার খুলেছে খুব। পাহাড় থেকে এখানেও হাতির পাল নেমে আসে কি না, আর নামলে এখানকার মানুষজন তাদের খেতের ফসল বাঁচাবার জন্য কী করে, পরেশকে জিজ্ঞেস করব ভাবছি, এমন সময় পথের একটা বাঁক ঘুরেই থেমে গেল আমাদের গাড়ি। কেন থামল, তা আর জিজ্ঞেস করার দরকার হল না। সামনে তাকিয়ে দেখলুম, সেই নলবাড়ির মতন এখানেও রাস্তা আটকে চেকিং চলছে। বিরক্তি চেপে অস্ফুট গলায় পরেশ বলল, “এখানে আবার কতক্ষণ আটকে রাখবে, কে জানে!”

    এবারেও সেই একই প্রশ্নমালা। কোত্থেকে আসছি, কোথায় যাচ্ছি, কেন যাচ্ছি, কত দিন থাকব। গাড়ি আর মালপত্রের তল্লাশিতে অবশ্য সময় এবারে আগের তুলনায় অনেক কম লাগল। মনে হল, ক্রমাগত এই একই কাজ করতে-করতে এদেরও কিছুটা বিরক্তি ধরে গিয়েছে। তা ছাড়া, এরা নিজেরাও সে সারাক্ষণ একটা টেনশনের মধ্যে থাকে, তাও ঠিক। ফলে হাতের কাজটা চটপট সেরে ফেলতে পারলে এরাও বেঁচে যায়।

    কোকরাঝাড়ের সীমানা যখন পেরিয়ে আসি, তখন আরও একবার চেকিং হল। তবে এবারেও কাজটা সারা হল নমো নমো করে। সীমানা পেরিয়ে আমরা ধুবড়ি জেলায় এসে ঢুকলুম।

    খানিক আগে যখন কোকরাঝাড়ের পাহাড়ি এলাকা দিয়ে গাড়ি চলছিল, তখন পাহাড়ের শোভা দেখতে-দেখতে আমি যে একটু অন্যমনস্ক হয়ে পড়েছিলুম, ভাদুড়িমশাইয়ের সেটা নজর এড়ায়নি। বললেন, “কী অত ভাবছিলেন তখন?”

    সদানন্দবাবু টিপ্পনী কেটে বললেন, “উনি হচ্চেন কবি-মানুষ, পাহাড় দেকে তাই বোধহয় মাতার মদ্যে কোনও একটা কাব্য-ভাবের উদয় হয়েছিল। ধুবড়িতে পৌঁছেই হয়তো খাতা-পেন্সিল নিয়ে একটা পদ্য লিকতে বসে যাবেন।’”

    এই হচ্ছেন সদানন্দবাবু। যেহেতু আমি খবরের কাগজে কাজ করি, আর তার বাইরেও কিছু-না-কিছু লেখালিখির কাজও যেহেতু আমাকে উনি করতে দেখেছেন, আর সেইসব লেখা নিয়ে মাঝেমধ্যে যেহেতু এক-আধটা বইও আমার ছেপে বার হয়, তাই উনি ধরেই নিয়েছেন যে, নির্ঘাত আমি একজন কবি, এবং পাহাড় কিংবা নদী কিংবা জঙ্গল একবার দেখলেই হল, অমনি আমার মাথার মধ্যে পদ্যের পোকা কিলবিল করে ওঠে।

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “আহা, সেটা কোনও কথা নয়। পাহাড় দেখে আমারই মাথায় ভাবের উদয় হচ্ছে, আর ওঁর তা হলে হবে না-ই বা কেন? কিন্তু সে-কথা হচ্ছে না। আমি বলছি, অন্য কোনও কথা উনি ভাবছিলেন কি না।”

    বললুম, “কী আবার ভাবব। বুরুলি বলে কোনও কথা কখনও শুনেছেন?”

    সদানন্দবাবু বললেন, “সেটা আবার কী? খায়, না গায়ে মাকে?

    “কথাটার দুটো অর্থ হয়। আসতে-আসতে তো বিস্তর খোড়ো চালের বাড়ি দেখলেন। তো যা দিয়ে চাল ছাওয়া হয়, সেই খড় বস্তুটাকে অসমে বলে বুরুলি।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “আর দ্বিতীয় অর্থটা?”

    হেসে বললুম, “দ্বিতীয় অর্থে ওটা খাবার জিনিসই বটে। বুরুলি এক জাতের মাছের নাম। স্বাদু মাছ, যেমন এদিকে তেমন আমাদের ডুয়ার্সের ওদিকেও প্রচুর পাওয়া যায়। তা ধরে নিন যে, সেই মাছের কথাই ভবছিলুম। মানে বুঁদ হয়ে চিন্তা করছিলুম যে, দিব্যি খিদে পেয়েছে, ধুবড়ি শহরে কেদারেশ্বরবাবুর বাড়িতে পৌঁছে যদি গরম ভাতের সঙ্গে বুরুলি মাছের ঝোল মেলে তো নেহাত মন্দ হয় না।”

    “ধুর মশাই, আপনার শুধু খাওয়ার ভাবনা! আর কোনও কথা কি একবারের জন্যেও আপনার মনে পড়েনি? …মানে এমন কোনও কথা, কোকরাঝাড়ের প্রসঙ্গে যা মনে পড়াই ছিল সবচেয়ে স্বাভাবিক?”

    যেন বিদ্যুৎ খেলে গেল আমার মাথায়। একেবারে হঠাৎই মনে পড়ে গেল যে, সুশান্ত চৌধুরি তো কোকরাঝাড়েই থাকতেন। সেখানেই তো পাহাড়ের কোল ঘেঁষে হাইওয়ের ধারে কেদারেশ্বর তাঁর জন্যে বাগানসুদ্ধ একটা বাড়ি কিনিয়ে দিয়েছিলেন। সেই বাড়ি থেকেই তো মাসখানেক আগে তিনি নিরুদ্দেশ হয়ে যান। কলকাতার ফ্ল্যাট থেকে দমদম এয়ারপোর্টে রওনা হবার আগে অন্তত এই কথাই কেদারেশ্বর আমাদের জানিয়েছিলেন।

    মুখ তুলে ভাদুড়িমশাইয়ের দিকে তাকিয়ে আমি মৃদু হাসলুম। হাসির অর্থ বুঝে নিতে তাঁর অসুবিধা হল না। তিনিও ঈষৎ হাসলেন। বললেন, “যাক্, তা হলে মনে পড়েছে।”

    আমরা ইতিমধ্যে ধুবড়ি শহরে ঢুকে পড়েছিলুম। ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলুম, সাড়ে বারোটা। তার মানে গুয়াহাটি থেকে এখানে আসতে সাড়ে সাত ঘন্টা লাগল। শহর বলেই গাড়ির গতি কমিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ভাদুড়িমশাই বললেন, “ওহে পরেশ, সামনে একটা পেট্রোল পাম্প দেখছি। কেদারেশ্বর ফুকনের বাড়িটা কোন পাড়ায়, এখানে একবার জিজ্ঞেস করে নেবে নাকি?”

    পরেশ হেসে বলল, “দরকার হবে না। ওঁর বাড়িতে এর আগেও আমি একবার এসেছি। ঠিক চিনে যেতে পারব।”

    মিনিট তিন-চারের মধ্যেই পরেশ যে বাগানওয়ালা একতলা বাড়ির সামনে এসে গাড়ি থামাল, কেদারেশ্বর দেখলুম তার বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছেন। সম্ভবত আমাদেরই প্রতীক্ষায় ছিলেন। গাড়িটা থামতেই তিনি বারান্দা থেকে নীচে নেমে এসে বাগানের গেট খুলে বললেন, “এসো চারুদা, ভিতরে এসো। …আপনারাও আসুন মশাই, গাড়িতে বসে থেকে আর গরমে সেদ্ধ হবেন না। পথে খুব কষ্ট হয়েছে নিশ্চয়?”

    কেদারেশ্বরের বাঁ-হাতের পাতাটা দেখলুম ব্যান্ডেজ-করা। গলার থেকে একটা স্লিং দিয়ে সেটা ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ড্রয়িং রুমে গিয়ে বসার পরে ভাদুড়িমশাই বললেন, “কী ব্যাপার কেদার, হাতে আবার কী হল? মচকে-টচকে গেছে নাকি?”

    “না না, সে-সব কিছু নয়,” কেদারেশ্বর একটু লজ্জিত হেসে বললেন, “কুকুরে কামড়ে দিয়েছে। কিন্তু ও-সব কথা এখন থাক। আগে একটু বিশ্রাম করো, সকাল থেকে তো বলতে গেলে কিছুই খাওনি, এদিকে প্রায় একটা বাজতে চলল, নিশ্চয় বেশ খিদে পেয়ে গেছে, বিশ্রাম করে খেয়ে নাও, তারপরে সব বলছি।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্টোরিজ – নিল গেইম্যান
    Next Article ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    Related Articles

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার ক্লাস – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার দিকে ও অন্যান্য রচনা – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতা কী ও কেন – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ কবিতা

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }