Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প927 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জাল-ভেজাল – ১

    ১

    “রাত বারোটা। খিল-আঁটা ঘরের মধ্যে অন্য কোনও আলো নেই। শুধু একটা জিরো-পাওয়ারের নীল বালল্ব জ্বলছে, আর সেই বালবের দিকে চোখ রেখে একেবারে চুপ করে আমি বসে আছি। এমন সময়ে সে আমার সামনে এসে দাঁড়াল। চেহারাটা তো আমার মনের মধ্যে একেবারে গেঁথে আছে, তাই কোনও ভুলভাল হল না, হওয়ার কথাও নয়, দেখবামাত্র চিনতে পারলুম যে, এ সেই লোক। আবলুশ কাঠের মতো মিশমিশে কালো শরীর, যেমন রোগা তেমনি ঢ্যাঙা, গায়ে একটা সাদা আলখাল্লা আর মাথায় সেই চকরা-বকরা টুপি। আর চোখ! দেখলে মনে হয় যেন চোখ নয়, চোখের কোটরের মধ্যে কেউ জ্বলন্ত দু’টুকরো কয়লা বসিয়ে রেখেছে। মামাবাবু, অমন চেহারা একবার দেখলে আর ভোলা যায় না, সারা জীবন মনে থাকে। আমিও দেখবামাত্র বুঝতে পারলুম যে, এ আর কেউ নয়, মোম্বাসার সেই…”

    কথাটা শেষ হল না। গল্পের সূচনাতেই সদানন্দবাবু সেই যে তাঁর দোদুল্যমান পা দুটিকে সোফার উপরে টেনে নিয়ে জোড়াসন হয়ে বসেছিলেন, তারপরে আর নীচে পা নামাননি। সেই অবস্থাতেই মাথাটাকে যতটা সম্ভব সামনে ঝুঁকিয়ে ফ্যাসফেসে গলায় বললেন, “কালীচরণ?”

    অমু বলল, “তা ছাড়া আর কে! সেই যে আফ্রিকায় আমার পিছু নিয়েছিল, এখনও আমাকে ছাড়েনি।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “কিন্তু অমু, তুমিই তো বললে যে, ঘরে খিল আঁটা ছিল। তা হলে সে ঘরের মধ্যে ঢুকল কী করে?”

    “সে তো আমিও বুঝতে পারছি না,” অমু বলল, “অথচ ঢুকে যে ছিল, তাও তো মিথ্যে নয়। আবার ঘর থেকে যখন বেরিয়ে গেল, তখনও যে সে দরজার খিল খোলেনি, তাও আমার স্পষ্ট মনে আছে।”

    সদানন্দবাবু বললেন, “বাবা রে! তারা ব্রহ্মময়ী মা গো। যা বলচ, তাতে তো গায়েরা লোম খাড়া হয়ে যায় হে।”

    অরুণ সান্যাল বললেন, “চোখের ভুল। ওই যাকে দৃষ্টিবিভ্রম বলে আর কী। জাস্ট গো টু অ্যান আই-স্পেশ্যালিস্ট অ্যান্ড গেট ইয়োর আইজ থরোলি এগজামিনড। ভাল কোনও স্পেশ্যালিস্টের সঙ্গে জানাশোনা আছে? না থাকে তো বলো, আমি একটা চিঠি লিখে দিচ্ছি।”

    কৌশিক এতক্ষণ চুপ করে ছিল। বাবার কথা শুনে বলল, “কী যে বলো, বাবা! অমু যে একজন চার্টার্ড ইঞ্জিনিয়ার, তার ওপরে একটা মাল্টিন্যাশনাল কনস্ট্রাকশন কোম্পানির পুরো একটা ডিভিশনের কর্তা, সেটা ভুলে যাচ্ছ কেন? ওর কাজ তো পুরো চোখেরই কাজ। গাদা-গাদা প্ল্যানের মাইনিউটেস্ট ডিটেল পর্যন্ত যাকে দেখে দিতে হচ্ছে, যে-সব প্ল্যানের যে-কোনও একটা ছোট্ট ভুলও নজর এড়িয়ে গেলে একটা ডিজাসটার হয়ে যাওয়াও কিছু বিচিত্র নয়, তার চোখের দোষ থাকলে চলে?”

    অমু বলল, “কৌশিক ঠিক বলেছে মেসোমশাই। ডক্টর পট্টনায়কের নাম শুনেছেন নিশ্চয়?”

    “তা কেন শুনব না?” অরুণ সান্যাল বললেন, “দিল্লির নামজাদা আই স্পেশ্যালিস্ট। কিন্তু তাঁর অ্যাপয়ন্টমেন্ট পাওয়া তো শুনেছি ভীষণ শক্ত, সারাক্ষণ নাকি ভিড় লেগে আছে।”

    “তা লেগে আছে ঠিকই, কিন্তু আমার খুব-একটা অসুবিধে হয়নি। আমাদের কোম্পানি থেকে অ্যাপয়ন্টমেন্ট করে দেওয়া হয়েছিল। তো তিনি খুব যত্ন করে পরীক্ষা করে বললেন, নাথিং রং, কোথাও কিছু গণ্ডগোল নেই।”

    মালতী ইতিমধ্যে আর-এক রাউন্ড চা পাঠিয়ে দিয়েছিল। পিরিচ থেকে পেয়ালা তুলে তাতে ছোট্ট একটা চুমুক দিলেন ভাদুড়িমশাই। তারপর পেয়ালাটাকে নামিয়ে রেখে সেন্টার টেবিল থেকে সিগারেটের প্যাকেটটা তুলে নিয়ে একটা সিগারেট ধরিয়ে অরুণ সান্যালের দিকে তাকিয়ে বললেন,

    “এটা চোখের ব্যাপার নয়, অরুণ।”

    অরুণ সান্যাল বললেন, “ তা হলে?”

    “মনের ব্যাপার। হ্যালুসিনেশন।”

    সদানন্দবাবু বললেন, “সেটা আবার কী?”

    “ধরুন,” ভাদুড়িমশাই বললেন, “কাউকে নিয়ে খুব গভীরভাবে চিন্তা করছেন। এমন অনেক সময়ই করেন তো?”

    “তা করি বই কী।”

    “তখন মনের মধ্যে তার একটা ছবিও ফোটে নিশ্চয়?”

    “তা তো ফোটেই।”

    “হ্যালুসিনেশন হচ্ছে তারই একটা প্রোেজকশানের ব্যাপার।” ভাদুড়িমশাই মৃদু হেসে বললেন, “মনের ছবিটা বাইরে প্রোজেক্টেড হল, এই আর কী। কিন্তু আপনি সেটা বুঝলেন না; আপনি ভাবলেন, যার কথা চিন্তা করছিলেন, সত্যি বুঝি তাকে চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছেন। আসলে এটা কিন্তু চর্মচক্ষে দেখা নয়, পুরোপুরি মনশ্চক্ষে তাকে দেখছেন আপনি। ইটস আ ট্রিক ইয়োর মাইন্ড হ্যাজ প্লেড অন ইউ।”

    অরুণ সান্যাল বললেন, “দ্যাট’স ইট। বুঝলে হে অমু, দাদা ঠিকই বলেছেন। তা মোম্বাসার সেই কালীচরণকে নিয়ে ইদানীং খুব ভাবছিলে বুঝি?”

    অমু মাথা ঝাঁকিয়ে বলল, “মোটেই না। ভাবছিলুম ঠিকই, তবে কালীচরণকে নিয়ে নয়।” কৌশিক বলল, “তা হলে কী নিয়ে ভাবছিলি?”

    “সে তো গোড়াতেই বলেছি।” অমু বলল, “আমাদের কোম্পানির কাজের যে এরিয়া, হালে তার একটা বড় রকমের এক্সটেনশান হচ্ছিল, আর তাই নিয়ে দেখা দিচ্ছিল এমন কয়েকটা সমস্যা, যা তক্ষুনি-তক্ষুনি সর্ট আউট না করলেই নয়। দায়িত্বটা আমার ঘাড়ে এসে পড়ে। কিন্তু সর্ট আউট করব কী, নিজেরই কয়েকটা পারিবারিক ঝঞ্ঝাটে আমি তখন এমন ব্যতিব্যস্ত যে, আপিসের কাজে মনই বসাতে পারছিলুম না। তা কৌশিক, আমাদের আপিসে যে একটা মেডিটেশান সেন্টার আছে, সেটা জানিস তো?”

    প্রশ্নটা কৌশিককে করা হয়েছিল, কিন্তু উত্তরটা এল কৌশিকের বাবার কাছ থেকে। অরুণ সান্যাল হেসে বললেন, “তোমাদের আপিসে আছে কি না জানি না, তবে আজকালকার অনেক আপিসে ই আছে। কাজের টেবিলে বসার আগে কি কারখানার ফ্লোরে ঢোকার আগে যোগের কয়েকটা আসন করা, আর অন্তত মিনিট পাঁচ-সাত মেডিটেশান করা সেখানে একেবারে কম্পালসারি। ওতে নাকি কাজে মন বসাবার ব্যাপারে খুব সুবিধে হয়।”

    সদানন্দবাবু বললেন, “যাব্বাবা, কাজে বসার আগে মেডিটেশান! মানে ধ্যান? ধ্যান তো সন্নিসিরা করে! ও মশাই, আপনি এ-সবে বিশ্বেস করেন নাকি?”

    অরুণ স্যানাল বললেন, “ধুস, যত্ত সব ফ্যাড!”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “না হে অরুণ, সত্যিই নাকি ওতে কাজ হয়।”

    অমু বলল, “সত্যিই হয়, মামাবাবু। তো যা বলছিলুম। ঘাড়ে একটা দায়িত্ব এসে পড়েছে, অথচ অনেক চেষ্টা করেও কাজে মন বসাতে পারছি না, ফলে আর উপায় না দেখে শেষপর্যন্ত আমি আমাদের মেডিটেশান-সেন্টারে চলে যাই। গিয়ে, সেখানে যিনি চার্জে আছেন, তাঁর সঙ্গে দেখা করে আমার সমস্যার কথা খুলে বলি।”

    “তিনি তাতে কী বললেন?”

    “বললেন যে, আপিস থেকে বাড়ি ফিরে আমাকে আরও গোটা দুই আসন করতে হবে। আর হ্যাঁ, আমার আসল সমস্যা তো কনসেনট্রেশনের, তো সেটা যাতে হয়, তার জন্যে আমাকে কোনও কিছু নিয়ে ডিপলি কিছু চিন্তা করার আগে অন্য তাবৎ চিন্তা থেকে মনকে একেবারে পুরোপুরি মুক্ত করে ফেলতে হবে।”

    কৌশিক বলল, “তার মানে?”

    “তার মানে মনটাকে একেবারে ফাঁকা, ব্ল্যাঙ্ক করে ফেলা চাই।” অমু বলল, “আমাদের মেডিটেশান সেন্টারের ট্রেনার প্রোফেসর যোগলেকর বললেন, ঘুমুতে যাবার আগে রোজ এই ধরুন হাফ অ্যান আওয়ার চেষ্টা করে দেখুন। হয়ে যাবে।”

    সদানন্দবাবু বললেন, “হল?”

    “প্রথম দু’দিন হয়নি, হল থার্ড নাইটে। সুলেখা আর বাচ্চাটা ঘুমিয়ে পড়ার পর আমার লাইব্রেরি ঘরে ঢুকে, দরজায় খিল এঁটে রাত সাড়ে এগারোটায় মেডিটেশানে বসি, আর বারোটার মধ্যেই মন একদম ব্ল্যাঙ্ক হয়ে যায়।”

    এক মুহূর্ত চুপ করে থেকে ভাদুড়িমশাইয়ের দিকে তাকিয়ে অমু বলল, “তার পরেই ঘটে এক তজ্জব কাণ্ড। আমাদের কাজকর্মের এরিয়ার এক্সটেনশান নিয়ে ওই যে কতগুলো অলমোস্ট ইনসারমাউন্টেবল সমস্যার কথা বলছিলুম, বললে বিশ্বাস করবেন না,মামাবাবু, তার সলিউশনগুলো একেবারে টকাটক আমার মাথায় এসে যেতে থাকে। ওয়ান আফটার অ্যানাদার। ওরই মধ্যে এমন জটিল একটা ক্যালকুলেশানের অঙ্ক ছিল, যার উত্তর কিছুতেই মেলানো যাচ্ছিল না। কিন্তু সেটাও মিলিয়ে ফেলি, ইন আ ফ্ল্যাশ!”

    অমু চুপ করার পর মিনিট খানেক কেউ কোনও কথা বলল না। সবাই চুপচাপ বসে আছি। সেই নীরবতাকে ভাদুড়িমশাই-ই প্রথম ভাঙলেন। প্রশ্ন করলেন, “তার পরে আর মেডিটেশানে বসোনি?” হঠাৎই কেমন যেন নিষ্প্রভ ঠেকল অমুকে। নিচু গলায়, প্রায় আত্মগতভাবে বলল, “তার পরেও দিন তিন-চার বসেছিলুম, কিন্তু কী জানি কেন, তারপরে আর দরকারই হত না। বিনা মেডিটেশানে, বিনা চেষ্টায় মনটা মাঝে-মাঝে ব্ল্যাঙ্ক হয়ে যেতে লাগল। দিনের মধ্যে যে-কোনও সময়ে, যে-কোনও জায়গায়। আর তখনই ঘটত একটা অদ্ভুত ব্যাপার।”

    কী ব্যাপার, সেটা বলার আগে বোধহয় জানানো দরকার যে, অমু কে। অবশ্য ভাদুড়িমশাইয়ের হরেক কাহিনী যাঁরা পড়েছেন, অমু অর্থাৎ অমিতাভকে তাঁদের না-চেনার কথা নয়। অমিতাভ ঘোষ আমাদের কৌশিকের বাল্যবন্ধু। অরুণ সান্যালরা যখন যতীন বাগচি রোডে থাকতেন, কৌশিক আর অমিতাভ তখন একই ইশকুলে একই ক্লাসে পড়ত। অমিতাভ পরে শিবপুর থেকে ইঞ্জিনিয়ার হয়ে বেরোয়। চাকরির সূত্রে প্রথম দিকে তাকে আফ্রিকার কিনিয়ায় যেতে হয়েছিল। সেই সময়ে মোম্বাসা বন্দরে কালীচরণ নামে একটি রহস্যময় লোকের সঙ্গে তার দেখা হয়। লোকটিকে রহস্যময় বলছি এই কারণে যে, বিস্তর চেষ্টা করেও তার সম্পর্কে বলতে গেলে প্রায় কিছুই জানা যায়নি। এদিকে অমিতাভর ধারণা, কালীচরণ তার পিছু নিয়েছে আর আড়াল থেকে নিয়ন্ত্রণ করে যাচ্ছে তার গোটা জীবন। ‘আড়ালে আছে কালীচরণ’ বইটি যাঁরা পড়েছেন, তাঁরা নিশ্চয় এ-সব কথা জানেন। এখানে যা বলতে চাইছি, তা এই যে, সেই ঘটনার পরে তো বেশ কিছুকাল কেটে গেছে, তা অমিতাভর ইতিমধ্যে বিশ্বাস জন্মাতে শুরু হয়েছিল, কালীচরণ আর তাকে অনুসরণ করছে না। কিন্তু এখন তার মনে হচ্ছে, সেটা ঠিক নয়, কালীচরণ তাকে ছাড়েনি। অমিতাভর জীবনে কীভাবে সে ফের দেখা দিয়েছে, তা তো গোড়াতেই বলেছি। এবারে আবার এই কাহিনীর খেই ধরা যাক।

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “এতক্ষণ যা বলেছ, সেটাই তো যথেষ্ট অদ্ভুত ব্যাপার। তারপরেও আবার কী অদ্ভুত ব্যাপার ঘটল?”

    অমুর সোফার পাশের সাইড-টেবিলে একটা কাচের জারে জল রাখা রয়েছে। জার থেকে গেলাশে জল ঢেলে নিয়ে পুরো এক গেলাশ জল ঢকঢক করে খেয়ে নিল অমু। তারপর পকেট থেকে রুমাল বার করে মুখের ঘাম মুছে বলল, “যখন-তখন যেখানে-সেখানে আমার মন একদম ফাঁকা হয়ে যায়। সকালে, দুপুরে, বিকেলে, রাত্তিরে। বাড়িতে, আপিসে, বাজারে, রাস্তায়। আপিসে কনফারেন্স রুমে আমার কলিগদের সঙ্গে কথা বলছি, তখন। রাস্তায় গাড়ি চালাতে-চালাতে সিগন্যাল দেখে ব্রেক কষেছি, তখন। বাড়িতে ডাইনিং টেবিলে বসে আপনাদের বউমা’র সঙ্গে সাংসারিক কথাবার্তা সেরে নিচ্ছি, তখন। বাচ্চাটাকে তার কিন্ডারগার্টেন স্কুলে নামিয়ে দিয়ে গাড়িতে ফিরে ফের স্টার্ট দিচ্ছি, তখন। একেবারে হঠাৎ-হঠাৎ মন একদম ব্ল্যাঙ্ক। কোথায় আছি, কী করছি, কিচ্ছু তখন আমার মনে নেই। উঃ, সে যে কী বিদঘুটে কাণ্ড, তা আপনাদের বলে বোঝাতে পারব না।

    সদানন্দবাবুর চোয়াল ঝুলে পড়েছিল। হাঁ বুজিয়ে ঢোক গিলে বললেন, “বলো কী হে, এ তো অতি বিচ্ছিরি ব্যাপার!”

    “বিচ্ছিরি বলে বিচ্ছিরি।” অমু বলল, “কনফারেন্স রুমে কোনও কলিগকে কিছু বলতে-বলতে মাঝপথে চুপ করে যাই। সে তাজ্জব হয়ে বলে, তারপর? অথচ আমার মুখে কোনও কথা জোগায় না। বাড়িতে আপনাদের বউমা বলে, কী হল, অমন হাঁ করে কী দেখছ? অথচ আমি চুপ করে থাকি। রাস্তায় গ্রিন সিগন্যাল পাবার পরেও গাড়িতে স্টার্ট দেবার কথা ভুলে যাই, পিছনের গাড়িগুলো অধৈর্য হয়ে ক্রমাগত হর্ন বাজাতে থাকে, ট্রাফিক পুলিশ ছুটে এসে বলে, কেয়া হুয়া সাব, গাড়ি কেয়া স্টার্ট নেহি লেতি? তখন আমার চমক ভাঙে। অবস্থাটা একবার ভাবুন।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “এ তো একটা ঘোরের অবস্থা। এটা কতক্ষণ থাকত?”

    “খুব বেশিক্ষণ নয়। সে ফর আ মিনিট আর টু।” অমু বলল, “তবে যখনই এটা হত, তখনই আমার কানের কাছে অদ্ভুত একটা শব্দ শুনতে পেতুম। ঘরের মধ্যে একটা গুবরে পোকা উড়ে বেড়ালে যে-রকম শব্দ হয়, সেই রকমের একটা বাজিং সাউন্ড। যেন কেউ আমাকে কিছু বলবার চেষ্টা করছে, কিন্তু শব্দগুলো ঠিকমতো ফর্মড হচ্ছে না।”

    অরুণ সান্যাল বললেন, “কোনও ই.এন.টি.-কে কনসাল্ট করেছ?”

    “করেছি। কিন্তু তিনি বললেন, নাথিং রং ইন মাই হিয়ারিং ফ্যাকাল্টি।”

    কৌশিক বলল, “এখনও এটা হয়?”

    “আগের মতো ঘন-ঘন হয় না। আগে তো প্রায়ই হত, আর এখন এই ধর মাসে এক-আধ বার।”

    “তা হলে হয়তো আস্তে-আস্তে এটা একেবারেই কেটে যাবে।”

    “সুলেখার ধারণাও সেইরকমই। “ অমুর গলা হঠাৎই ভীষণ ক্লান্ত শোনাল। “কিন্তু আমি ভাবছি কালীচরণকে নিয়ে। সে আবার হঠাৎ আমার জীবন এসে ঢুকে পড়ল কেন?”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “ওই একবারই তো তাকে দেখেছ। ও নিয়ে দুর্ভাবনার কিছু নেই। ওটা হ্যালুসিনেশন। হয়তো মনে-মনে তার কথা খুব ভাবছিলে, সেই ভাবনাটাই সেদিন তোমার চোখের সামনে প্রোজেক্টেড হয়েছে।”

    অমু দু’দিকে মাথা নেড়ে বলল, “না মামাবাবু, আমি আগেও বলেছি, এখনও বলছি, সেদিন আমি মোটেই কালীচরণের কথা ভাবছিলুম না। ভাবছিলুম আমারই লেখা একটা ওয়ার্ক-রিপোর্ট নিয়ে। ডিরেক্টর্স’ বোর্ডের মিটিংয়ে পরদিনই যেটা আমার সাবমিট করার কথা। একা ঘরে বসে রিপোর্টটা সদ্য লিখে শেষ করেছি, তারপর শুধু একটা জিরো-পাওয়ারের বাল্ব জ্বালিয়ে রেখে অন্য সব আলোর সুইচ অফ করে দিয়ে চুপচাপ ভাবছি যে, রিপোর্টের দু-একটা জায়গায় দু-একটা কথা পরদিন সকালে একটু পালটে দেব কি না, ঠিক এমন সময় কালীচরণ আমার সামনে এসে দাঁড়ায়। কী বলব, তাকে দেখে…”

    কথাটা শেষ হবার আগেই মালতী এসে ঘরে ঢুকে বলল, “আর নয়, ঢের গপ্পো হয়েছে, এবারে উঠে পড়ো দিকি। তোমাদের খেতে দিয়েছি।”

    ঠিক এই সময়েই অমুর সেল-ফোন হঠাৎ বেজে উঠল। পকেট থেকে সেল-ফোন বার করে মিনিট খানেক কানে লাগিয়ে রেখে অমু যখন সেটা আবার পকেটে ঢুকিয়ে রাখল, তখন দেখলুম, তার মুখচোখ হঠাৎই যেন কেমন ফ্যাকাশে লাগছে।

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “কে ফোন করেছিল?”

    অস্ফুট গলায় অমু বলল, “কালীচরণ। স্রেফ একটা খবর দিল। বলল যে, সদানন্দবাবুর পকেটে যে একটা পাঁচশো টাকার নোট রয়েছে, সেটা জাল।”

    সদানন্দবাবুর দিকে তাকিয়ে দেখলুম, ভদ্রলোকের চোয়াল আবার ঝুলে পড়েছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্টোরিজ – নিল গেইম্যান
    Next Article ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    Related Articles

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার ক্লাস – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার দিকে ও অন্যান্য রচনা – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতা কী ও কেন – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ কবিতা

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }