Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প927 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জাল-ভেজাল – ২

    ২

    আজ ৬ মার্চ, সোমবার ২০০৩ সাল। রাত দশটা বাজে। আপিস থেকে পাঁচটায় বেরিয়ে পাবলিশারের কাছে গিয়েছিলুম। সেখান থেকে সাতটায় বাড়ি ফিরে, একটা লেখার খানিকটা অংশ বাকি ছিল, সেটা শেষ করি। তারপর কয়েকটা চিঠির জবাব লিখতে বসে যাই। সে-সব মিটিয়ে খাওয়া চুকিয়ে ফের ড্রয়িং রুমে এসে বসেছি। ভাবছি গতকালের কথা।

    ভাদুড়িমশাই এ-যাত্রায় মাত্র তিন দিনের জন্যে ব্যাঙ্গালোর থেকে কলকাতায় এসেছিলেন। শুক্র, শনি আর রবি, এই তিনটে দিন এখানে কাটিয়ে আজ রাত্তির সাতটা পঁয়তাল্লিশের ফ্লাইটে আবার ব্যাঙ্গালোরে ফিরে গেলেন। এয়ারপোর্ট থেকে ফোন করে বললেন, দিন কয়েক পরে হয়তো আবার তাঁকে কলকাতায় আসতে হবে। কেন আসতে হবে, তা অবশ্য জানালেন না। মনে হচ্ছে, সি.বি. আই. অর্থাৎ চারু ভাদুড়ি ইনভেস্টিগেশানসের কলকাতা আপিসের কোনও কাজে।

    অমুও আজ সকালের ফ্লাইটে দিল্লি চলে গেল। অমু কাজ করে তাদের কোম্পানির হেড-আপিসে। দিল্লির কনট সার্কাস থেকে বারাখাম্বা রোড ধরে বেঙ্গলি মার্কেটের দিকে বেশ খানিকটা এগোলে দেখা যাবে যে, সাপ্রু হাউসের কাছে মোটামুটি চওড়া একটা রাস্তা বাঁ দিকে বেরিয়ে গেছে। এই রাস্তার উপরেই অমুদের ম্যাক্রো কনস্ট্রাকশান ইন্টারন্যাশনালের হেড-আপিস। মস্ত লন আর বিশাল কম্পাউন্ড-ওয়ালা হাল-ফ্যাশানের তিনতলা বাড়ি। হঠাৎ দেখলে ধনী ব্যবসায়ীর বসতবাড়ি বলে ভ্রম হয়, আপিস-বাড়ি বলে বোঝা যায় না।

    মাঝেমধ্যে আমাকে দিল্লি যেতে হয়। গেলে সাধারণত হেলি রোডের বঙ্গভবনে উঠি। সেখান থেকে অমুদের আপিস খুব কাছেই। হাতে সময় থাকায় গত জানুয়ারি মাসে একবার সেখানে গিয়ে অমুর সঙ্গে দেখাও করে এসেছিলুম। কোম্পানি থেকে ওর থাকার জন্যে যে ফ্ল্যাট দেওয়া হয়েছে, গ্রেটার কৈলাসের সেই ফ্ল্যাটে অবশ্য এখনও আমার যাওয়া হয়নি।

    কালকের আড্ডার কথা যতই ভাবছি, ততই মনে পড়ছে অমুর কথা, আর ততই আমার ধাঁধা লেগে যাচ্ছে। এমন যে হয়, এমন যে হতে পারে, এ তো ভাবাই যায় না। কালীচরণকে একটা খিল-আঁটা ঘরের মধ্যে রাত বারোটায় দেখতে পাওয়ার ব্যাপারটাকে না হয় হ্যালুসিনেশন বলে মেনে নেওয়া গেল, আর ওই মেডিটেশানের সাহায্যে মননশক্তি বাড়িয়ে নেওয়ারও একটা ব্যাখ্যা হয়তো থাকাই সম্ভব, কিন্তু আমরা খেতে বসার ঠিক আগের মুহূর্তে অমুর সেল-ফোনে ওই যে একটা খবর এল, ওর কী ব্যাখ্যা? যে-ই খবর দিক, সে জানল কী করে যে, সদানন্দবাবুর পাঞ্জাবির পকেটে সত্যিই একটা পাঁচশো টাকার নোট রয়েছে, আর সেই নোটটা জাল?

    কালীচরণ আবার এইভাবে অমুর জীবনে ফিরেই বা এল কেন? অমুর কথা যতটুকু যা জানি, তাতে অবশ্য এটা মানতে হবে যে, ছেলেটার কোনও অনিষ্ট সে আজ পর্যন্ত করেনি। বরং অমুই তার ক্ষতি করেছিল। মোম্বাসার একটা রেস্তোরাঁয় জনাকয় বন্ধুর সঙ্গে বসে অমু যখন কফি খাচ্ছিল, তখনই সে কালীচরণকে প্রথম দেখতে পায়। মিশকালো রোগা ঢ্যাঙা লোকটা তখন সেই রেস্তোরাঁর আর-এক দিকে বসে জানকয় শ্বেতাঙ্গ টেলি-ফিল্মওয়ালার হাত দেখে তাদের ভবিষ্যৎ বলে দিচ্ছিল। অমুর মনে হয়েছিল, লোকটা ঠগ, ফরচুন টেলিংয়ের ভাঁওতা মেরে বিদেশিদের ঠকাচ্ছে। নিচু গলায় কথাটা সে বলেওছিল। কিন্তু অনেক দূরে বসেও লোকটা সে-কথা শুনতে পেয়ে যায়। অমুদের টেবিলের সামনে এসে সে বলে, অমু তার ক্ষতি করছে বটে, কিন্তু তাই বলে অমুর কোনও ক্ষতি করার ইচ্ছে তার নেই। তবে হ্যাঁ,অমুকে সে আর মোম্বাসায় থাকতে দেবে না। আশ্চর্য ব্যাপার, তার মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই অমুর আপিস তাকে মোম্বাসা থেকে ভারতে ফিরিয়ে নেয়।

    না, সে অমুর কোনও ক্ষতি করেনি। অমু তো সত্যিই দেশে ফিরতে চাইছিল। কিন্তু একইসঙ্গে একটা অস্বস্তির কাঁটা বিঁধে থাকে তার মনে। তার ধারণা হয়, এই লোকটা, কালীচরণ, যেন আড়ালে বসে রিমোট কন্ট্রোলে নিয়ন্ত্রণ করছে তার জীবন। পরে এমন আরও কয়েকটা ঘটনা ঘটে, যাতে তার এই ধারণা আরও বদ্ধমূল হয়।

    কিন্তু সে তো আজকের কথা নয়, বেশ কিছুদিন আগের ঘটনা। মাঝখানে চার-চারটে বছর কেটে গেছে। এর মধ্যে অমু বিয়ে করেছে, একটি ছেলেও হয়েছে তার। সেই ছেলের বয়স এখন তিন বছর। ছেলের নাম শুনলুম অরুণাভ, ডাকনাম রুনু। গত জানুয়ারি মাসে যখন দিল্লিতে যাই, তখন গ্রেটার কৈলাসে যাওয়া হয়নি বলে রুনুকে আমার দেখাও হয়নি। তাকে নাকি এরই মধ্যে কিন্ডারগার্টেনে ভর্তি করে দেওয়া হয়েছে। তিন বছরের একটা বাচ্চা কিনা ইস্কুলে যায়। এ তো আমরা ভাবতেও পারতুম না। পাঁচ বছর পূর্ণ হবার আগে তো হাতেখড়িই হত না আমাদের। তার আগেই ইস্কুল? বাবা রে, ভাগ্যিস, এ-কালে জন্মাইনি।

    তো যা বলছিলুম। বউ-বাচ্চা নিয়ে অমিতাভ বেশ ভালই আছে। ভাল কোম্পানি, ভাল চাকরি, ভাল ফ্ল্যাট, তার উপর দিল্লি জায়গাটাও যা বুঝলুম তার ভালই লেগে গেছে। অমুর কথায় “দিল্লি আমাদের বেশ সুট করে গেছে, কিরণমামা।”

    তার মানে এ-ছেলে আর কলকাতায় ফিরবে না, আস্তে-আস্তে বাংলার বাইরেই শিকড় গেড়ে বসে যাবে। তা বসুক, ওর দাদা সিদ্ধার্থ তো কানাডার মন্ট্রিয়লে চাকরি করতে গিয়ে সেইখানেই সংসার পেতেছে, অমুও সেইরকম মরিশাস কি মেক্সিকোতে পাড়ি জমাতেই পারত, তার বদলে দেশেই যে থেকে গেছে, এই রক্ষে। হঠাৎ মনে পড়ে গেল যে, বাংলায় কথা বলার লোক ছিল না বলে মোম্বাসায় অমুর মন টেকেনি। কিন্তু দিল্লিতে সেই সমস্যা থাকার কথা নয়। ওর আপিসে কি আর দু’চার জন বাঙালি সহকর্মী নেই। তা ছাড়া, যে-এলাকায় ফ্ল্যাট পেয়েছে, সেই গ্রেটার কৈলাসে বাঙালি নেহাত কম থাকে না। তার উপরে আবার পাশেই চিত্তরঞ্জন পার্ক, সে তো বলতে গেলে বাঙালি -পাড়া। অমু অতএব সুখেই আছে।

    এর মধ্যে একমাত্র অস্বস্তির কাঁটা ওই কালীচরণ। কী চায় সে? পঁচানব্বইয়ের অক্টোবরের পর থেকে তো আর তার দেখা মেলেনি। হঠাৎ সে আবার অমুর জীবনে এসে দেখা দিল কেন? সদানন্দবাবুর পকেটে যে একটা পাঁচশো টাকার জাল নোট রয়েছে, তা তো আমরা কেউই জানতুম না। সে কী করে জানল? আর যদি জানল, অমুকেই বা জানাতে গেল কেন? সে যে আশ্চর্য রকমের শক্তি ধরে, স্রেফ অমুকে এই কথাটা আবার নতুন করে টের পাইয়ে দেবার জন্যে? নাকি, অমুকে দিয়ে সে এমন কোনও কাজ করিয়ে নিতে চায়, এত শক্তিমান হওয়া সত্ত্বেও যা সে নিজে করে উঠতে পারছে না?

    জাল-নোটের ব্যাপারটা বড্ড ভাবিয়ে তুলেছে। কাগজে তো এ নিয়ে ইতিমধ্যে খবর কিছু কম বেরোয়নি। তা থেকে বুঝতে পারি, জাল-নোটের জালটা মোটেই ছোট নয়, দেশের নানান জায়গায় এটা ছড়িয়ে পড়েছে। আজ যদি এখান থেকে জাল পাঁচশো টাকার নোটের খবর আসছে তো কাল আসছে ওখান থেকে। ফলে পাঁচশো টাকার নোট সম্পর্কেই জন্মে গেছে একটা ভয়। পারতপক্ষে কেউ পাঁচশো টাকার নোট নিতে চাইছে না। আমি নিজেই তো আজ ঝামেলায় পড়ে গিয়েছিলুম। পেট্রোল কিনে দাম মেটাতে গিয়ে একটা পাঁচশো টাকার নোট এগিয়ে দিয়েছি পাম্পের লোকটি বলল, “পাঁচশো টাকা ছাড়া নেই স্যার?” বললুম, “কেন, তুমি ভাঙিয়ে দিতে পারবে না?” তাতে সে একটু ইতস্তত করে বলল, “আজকের মতো পারব, কিন্তু কাল থেকে হয়তো নাও পারতে পারি, মালিকের নিষেধ আছে।”

    জাল শুধু পাঁচশো টাকার নোটের কেন, পাঁচ দশ কুড়ি পঞ্চাশ আর একশো টাকার নোটেরও হয়, কিন্তু তা নিয়ে কখনও এত আতঙ্ক ছড়াতে দেখিনি। অঙ্ক বড় বলেই আতঙ্কও বেশি। আতঙ্ক কাটাবার জন্যে টিভিতে বারবার বিজ্ঞাপন দিয়ে বলা হচ্ছে, কোনটা খাঁটি আর কোনটা জাল, সেটা কীভাবে বুঝতে হবে। সদানন্দবাবু কি সেই বিজ্ঞাপন দেখেননি? যদি দেখে থাকেন তো কে তাঁকে এইভাবে একটা জাল নোট গছিয়ে দিয়ে যেতে পারল?

    সদানন্দবাবুকে কালই এই প্রশ্নটা করেছিলুম। উত্তরে তিনি যা বললেন, সেও কিছু কম রহস্যজনক নয়। ঘটনাটা এই রকম :

    পরশু অর্থাৎ গত শনিবার চৌঠা মার্চ তাঁকে একবার ধর্মতলার চাঁদনি মার্কেটে যেতে হয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল বাথরুমের দরজার জন্য তিনটে পেতলের কব্জা, দেড় ডজন স্ক্রু, একটা স্ক্রু-ড্রাইভার, একটা মর্টিস লক, দুটো ছিটকিনি ও কিছু ছিট-কাপড় কিনবেন। মধ্য-কলকাতার যে গলিতে আমরা থাকি, সেই পীতাম্বর চৌধুরি লেনের পশ্চিম দিকে মহাত্মা গান্ধী রোড, আর পুব দিকের মুখটা মিশেছে আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় রোডে। এই দুটো বড় রাস্তার যে-কোনও একটা থেকে বাসে উঠে খুব সহজেই সদানন্দবাবু ধর্মতলায় চলে যেতে পারতেন। কিন্তু তা তিনি করেননি। বাড়ি থেকে বেরিয়ে মহাত্মা গান্ধী রোড ধরে হাঁটতে হাঁটতে তিনি চিত্তরঞ্জন অ্যাভেন্যুর মোড় পর্যন্ত চলে যান। তারপর ডাইনে বেঁকে দু’পা এগিয়ে মেট্রো স্টেশনে ঢুকে পাতাল রেলে ওঠেন। চাঁদনি স্টেশনে পৌঁছন দশটা নাগাদ। স্টেশন থেকে বেরিয়ে ম্যাডান স্ট্রিট ধরে খানিকটা গিয়ে বাঁয়ে মোড় ফিরে ঢোকেন মার্কেটে। দরদাম করে কেনাকাটা সারতে সারতে বারোটা বেজে যায়। মার্কেট থেকে ফের চাঁদনি স্টেশনে ফিরতে-ফিরতে সওয়া বারোটা। টিকিট-কাউন্টারের সামনে কিউয়ে দাঁড়িয়ে পিছনের লোকটিকে বলতে শোনেন যে, উত্তর দিকে যাবার ট্রেন আসতে আর দেরি নেই, মিনিট খানেকের মধ্যেই এসে পড়বে। টিকিট কেটে সদানন্দবাবু তাই আর কোনও দিকে দৃকপাত করেননি, তাড়াহুড়ো করে সিঁড়ি বেয়ে প্ল্যাটফর্মে নামতে যান। আর তাতেই ঘটে বিপদ।

    “সিঁড়ির শেষ ধাপ পর্যন্ত ঠিকই নেমেছিলুম। কিন্তু শেষরক্ষে হল না মশাই। কোঁচার খুটে পা জড়িয়ে গিয়ে প্ল্যাটফর্মের উপরে একেবারে হাত-পা ছড়িয়ে আছাড় খেয়ে পড়লুম।”

    অরুণ সান্যালদের বাড়িতে খাবার টেবিলে বসে কথা হচ্ছিল। ভাদুড়িমশাই বললেন, “তারপর?”

    “তারপর যা হয় আর কি। সবাই ছুটে এল। হাতের ব্যাগের জিনিসপত্তর আর পকেটের টাকাপয়সা তো ছত্রখান হয়ে ছড়িয়ে পড়েছিল। তারাই সেগুলো ফের গোছগাছ করে তুলে দেয়।”

    “ট্রেনও তক্ষুনি এসে পড়ে?”

    সদানন্দবাবু বললেন, “কোতায়। গাড়ি এল আরও মিনিট দশেক বাদে।”

    “অথচ কাউন্টারের কিউয়ে আপনার পিছনের লোকটি বলেছিল মিনিট খানেকের মধ্যেই এসে পড়বে, তা-ই না?

    “বিলক্ষণ। তা নইলে আর অত তাড়াহুড়ো করতে যাব কেন। ঘোর ইরেসপনসিবল লোক, মশাই!…তবে হ্যাঁ, ইরেসপনসিবল হলেও নট এ ব্যাড ম্যান।”

    “কী করে জানলেন?”

    “বাঃ, জানব না? সিঁড়ি দিয়ে নামবার সময়েও আমার ঠিক পিছনেই ছিল তো, পড়ে যেতে ও-ই ছুটে এসে আমার হাত ধরে ফের দাঁড় করিয়ে দেয়। জিনিসপত্তর আর পয়সাকড়িও তো ও-ই কুড়িয়ে এনে তুলে দেয় আমার ব্যাগে আর পকেটে।”

    “ফের যদি লোকটাকে কোথাও দেখেন তো চিনতে পারবেন?”

    “তা কেন পারব না?” সদানন্দবাবু বললেন, “মাঝারি হাইট, শ্যামলা রং, চোখে চশমা, রোগাও নয়, মোটাও নয়, দোহারা চেহারা, আজকালকার ছেলেরা যেমন রাকে, সেই রকমের গোঁফ-দাড়ি, পরনে পায়জামা আর পাঞ্জাবি, কাঁধে ঝোলা, পায়ে চপ্পল… ও মশাই ঠিক চিনতে পারব।”

    ভাদুড়িমশাইয়ের খাওয়া প্রায় শেষ হয়ে এসেছিল। দইয়ের বার্টিটা টেনে নিয়ে বললেন, “আপনি বলছেন বটে চিনতে পারবেন, কিন্তু আমার ধারণা, মোটেই চিনতে পারবেন না।”

    “কেন, কেন?”

    “বলছি। হাইট আর গায়ের রং অবশ্য পালটাতে পারবে না। তবে এর পরে যেদিন ওকে দেখবেন, সেদিন ওর চোখে সম্ভবত চশমা থাকবে না, পায়জামা পাঞ্জাবি আর চপ্পলের বদলে পরনে থাকবে প্যান্ট শার্ট আর শ্য, আর হ্যাঁ, গোঁফদড়ি যদি নকল হয় তো কথাই নেই, আর যদি জেনুইন হয় তো কামিয়ে ফেলবে। তা হলে আর চিনবেন কী করে?”

    সদানন্দবাবু ধাঁধায় পড়ে গেলেন। পাশ থেকে জলের গেলাশটা তুলে নিয়ে এক ঢোক জল খেয়ে বললেন, “তাই তো, কী করে চিনব?”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “কোনও ডিস্টিংগুইশিং মার্ক নেই?”

    “সেটা আবার কী?”

    “এমন কোনও চিহ্ন, যা মুছে ফেলা যায় না।”

    একটুক্ষণ চিন্তা করে নিলেন সদানন্দবাবু। তারপর বললেন, “মনে পড়েছে। কপালে একটা কাটা দাগ।”

    কাল দুপুরে খাওয়ার পর্ব শেষ হবার পরে আরও প্রায় ঘন্টাখানেক আমরা ও-বাড়িতে কাটাই। তারপর সদানন্দবাবুকে নিয়ে আমি চলে আসি। চলে আসার সময়ে চাঁদনি স্টেশনের লোকটা সম্পর্কে আরও দু-একটা কথা হয়েছিল। কিন্তু সেই প্রসঙ্গে আসার আগে বরং সদানন্দবাবু সম্পর্কে কিছু জরুরি কথা জানিয়ে রাখি।

    সদানন্দবাবু হাসিখুশি মানুষ। উপকারী প্রতিবেশী। তাঁর মুখে প্রায় সব সময়েই একটু হাসির ছোঁয়া লেগে থাকে। তিনি নিয়ম করে রোজ ভোরবেলায় হাঁটতে-হাঁটতে গোলদিঘিতে যান ও দিঘিটিকে ঘিরে গুনে-গুনে ন’টি পাক মেরে বাড়ি ফেরেন। ছেলেবেলায় কেউ তাঁকে বলেছিল যে, গোলদিঘিতে তিনটে পাক মারলে এক মাইল হাঁটা হয়। সদানন্দবাবুর বিশ্বাস, ভোরবেলায় রোজ তিন মাইল হাঁটাই হচ্ছে স্বাস্থ্যরক্ষার সেরা উপায়। ফলে তিনি ন’টি পাক মারেন। সদানন্দবাবুর সন্তানাদি হয়নি। বাড়ির লোক বলতে তিনি, তাঁর স্ত্রী কুসুমবালা ও পালিত কন্যা কমলি। জেঙ্কিস অ্যান্ড জেঙ্কিন্‌স কোম্পানির শিপিং ডিপার্টমেন্টের চাকরি থেকে যথাসময়ে রিটায়ার করেছেন। পেনশনের টাকা মাসে-মাসে তাঁর ব্যাঙ্ক-আকাউন্টে জমা পড়ে ও তাতেই তাঁর সংসার-খর্চা দিব্যি চলে যায়। উপরন্তু বাড়িটি নিজের, পৈতৃক সম্পত্তিও কম পাননি, ফলে তাঁকে বেশ সচ্ছল ও সুখী মানুষই বলা যায়।

    ইদানীং অবশ্য সচ্ছল বললেও সুখী বলা যাচ্ছে না। গত কয়েক দিন ধরেই দেখছি যে, ভদ্রলোকের ভুরু প্রায় সব সময়েই একটু কুঁচকে থাকে। মুখের হাসি উধাও। মনে হচ্ছিল কোনও একটা ব্যাপার নিয়ে ভদ্রলোক একটু চিন্তায় পড়ে গেছেন। আমার স্ত্রী বাসন্তী মাঝে-মাঝেই ও-বাড়ি যায়। তাকে জিজ্ঞেস করে জানা গেল যে, ব্যাপার নেহাত একটা নয়, তিনটে। প্রথম ব্যাপার, কুসুমবালার বাতব্যাধির প্রকোপ হালে হঠাৎ বেড়ে গেছে। দ্বিতীয় ব্যাপার, দিন তিনেক আগে জানালা দিয়ে হঠাৎ কুসুমবালার ঘরে একটা ঢিল এসে পড়ে। ঢিলের সঙ্গে সুতো দিয়ে বাঁধা একটা চিঠিও ছিল। চিঠিতে লেখা : ‘প্রানেস্বরি, তোমাকে না পেলে বিস খাইব। ইতি জগো।’ চিঠিখানি যার উদ্দেশে লেখা, সেই প্রাণেশ্বরী যে কে, কুসুমবালা তা বুঝতে পারেননি। ব্যাপারটা তিনি সদানন্দবাবুকে জানান। চিঠি পড়ে সদানন্দবাবু বলেন, ‘ইয়ে, তুমিই প্রাণেশ্বরী নও তো?’ কুসুমবালা তাতে খেপে গিয়ে তাঁর স্বামীকে প্রথম দফায় ‘ইতর’ ও ‘ছোটলোক’ বলেছেন, অতঃপর দ্বিতীয় দফায় স্বামীর সঙ্গে বাক্যালাপ একদম বন্ধ করে দিয়েছেন।

    শুনে, বাসন্তীকে আমি বলি যে, “ঠিক আছে, ঠিক আছে, ও চিঠি যে কুসুম-বউঠানকে লেখা হয়নি, তা না হয় বুঝলুম, কিন্তু যাকে লেখা হয়েছে সে কে?”

    “তাও বুঝতে পারছ না?” বাসন্তী বলে, “কমলির ঘরের জানলা টিপ করে ঢিল ছুড়েছিল। কিন্তু হাতের টিপ খুব সুবিধের নয়, তাই ঢিলটা গিয়ে কুসুমদির ঘরে পড়েছে।”

    “অ্যাঁ? কমলি? তার বয়েস তো মাত্র বারো কি তেরো।”

    “বুঝতে পারছ না? এ-কালের ছেলে-মেয়ে, এঁচোড়ে পেকে গেছে।”

    “আর ওই জগো? সেটা আবার কে?”

    “পাড়ার ইলেকট্রিক মিস্ত্রি বৈকুণ্ঠের অ্যাসিন্ট্যান্ট জগদীশ। তার বয়েসও ওই বারো-চোদ্দোর বেশি হবে না।” বাসন্তী হাসতে-হাসতে বলে, “বোঝো।”

    তারপর, হাসি থামিয়ে, হঠাৎ গম্ভীর হয়ে গিয়ে বলে, “দ্যাখো, এগুলো কোনও ব্যাপার নয়, ওই বয়েসে এমন এক-আধটা ঘটনা ঘটেই থাকে। কমলি বলছে, সে কিছু জানেই না, আর জগদীশকেও বৈকুণ্ঠ খুব ধমকে দিয়েছে। ব্যস, মামলা খতম। কুসুমদি অবশ্য বোসমশাইকে এখনও ক্ষমা করে দেননি, তবে আজ দুপুরেও তো ও-বাড়িতে একবার গেসলুম, মনে হল মেজাজ অনেকটাই পড়ে গেছে, রাত্তির নাগাদই হয়তো কথাবার্তা শুরু হয়ে যাবে। কিন্তু ও-সব তো কিছু না, আসল ব্যাপারটার খোঁজ রাখো?”

    “সেটা আবার কী?”

    “কুসুমদির ব্লাড শুগার তো খুব হাই। দু’বেলা ওষুধ খেতে হয়, তা ছাড়া ফি মাসে অন্তত একবার পিপি টেস্ট করান। তা পিপির জন্যে যে লোকটা ব্লাড টানতে আসে, তার ডিসপোজেবল সিরিঞ্জ নাকি মোটেই নতুন নয়। গত হপ্তায় যখন ব্লাড টানতে এসেছিল, তখনই ধরা পড়ে যায়। মোড়ক খুলতে দেখা যায় যে, ছুঁচের ডগায় রক্ত লেগে আছে।”

    “ওরে বাবা,” আঁতকে উঠে আমি বলি, “এ তো সাংঘাতিক ব্যাপার। তার মানে, ওই সিরিঞ্জ দিয়ে একটু আগেই আর-কারও রক্ত টেনেছে কিংবা আর কাউকে ইঞ্জেকশন দিয়েছে। লোকটাকে চেপে ধরা হয়নি?”

    “হয়েছিল। তাতে সে বলে যে, তার কোনও দোষ নেই। সে তো দোকান থেকে পয়সা দিয়ে সিরিঞ্জ কিনেছে। সিরিঞ্জ যদি মর্চে-পড়া হয়, কি তাতে যদি রক্ত লেগে থাকে তো তার কিছু করার নেই।”

    “দোকানের ক্যাশমেমো দেখিয়েছিল?”

    “বলেছিল, ক্যাশমেমো সঙ্গে করে আনেনি, পরদিন এসে দেখিয়ে যাবে। কিন্তু তারপরে তো পুরো এক হপ্তা কেটে গেল, লোকটা আর আসেনি।”

    সদানন্দবাবুর ভুরু যে ইদানীং কেন কুঁচকে থাকছে, সেটা অতএব বোঝা গেল। তারপরে আবার জুটে গেছে একটা জাল-নোটের ঝামেলা। কাল যখন অরুণ সান্যালদের ফ্ল্যাট থেকে বিদায় নিই তখন আবার ওই নোটের প্রসঙ্গটা উঠেছিল। মেট্রো-স্টেশনের সেই লোকটির কপালে যে একটা কাটা দাগ আছে, এটা শুনে ভাদুড়িমশাই বলেছিলেন, “হ্যাঁ, ওটা একটা ডিস্টিংগুইশিং মার্ক। তা ওটা দেখলে তো লোকটাকে চিনতে পারবেন?”

    “তা পারব বই কী।”

    “চেনার পরে কী বলবেন তাকে?”

    “কেন, লোকটা আমাকে প্ল্যাটফর্ম থেকে টেনে তুলল, প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে যাওয়া আমার জিনিসপত্তর আর টাকাকড়ি গুছিয়ে দিল, তা উপকারী লোককে যা বলতে হয়, তা-ই বলব। হাত দু’খানা আঁকড়ে ধরে বলব, থ্যাঙ্ক ইউ।”

    “না, তা বলবেন না।”

    “অ্যাঁ?”

    “হ্যাঁ।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “লোকটা আপনার বন্ধু নয়, শত্রু। প্রথমত, ট্রেন আসার টাইম নিয়ে লোকটা আপনাকে একটা ভুল খবর খাইয়েছিল, যাতে আপনি সিঁড়ি দিয়ে তাড়াহুড়ো করে নামতে যান আর পিছন থেকে ছোট্ট একটা ধাক্কা মেরে আপনাকে ফেলে দেওয়া যায়। তারপর জিনিসপত্রগুলো আর টাকাকড়ি গুছিয়ে তুলে দেবার অছিলায় যাতে ওই জাল নোটখানা ঢুকিয়ে দেওয়া যায় আপনার পকেটে।”

    সদানন্দবাবু মুখে কথা সরছিল না। খানিকক্ষণ একেবারে ফ্যালফ্যাল করে ভাদুড়িমশাইয়ের দিকে তাকিয়ে রইলেন তিনি। তারপর বিভ্রান্ত গলায় বললেন, “কিন্তু তাতে তার লাভ কী?”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “সেটাই তো বুঝতে পারছি না। তবে হ্যাঁ, অনুমান করতে পারি যে, আপনাদের সম্পর্কটা শেষ হয়ে যায়নি, খুব শিগগিরই লোকটি আবার আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করবে।”

    শুনে সেই যে তিনি গুম মেরে গেলেন, বাড়ি পৌঁছনো পর্যন্ত গোটা রাস্তায় তিনি একবারও আর মুখ খুললেন না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্টোরিজ – নিল গেইম্যান
    Next Article ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    Related Articles

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার ক্লাস – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার দিকে ও অন্যান্য রচনা – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতা কী ও কেন – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ কবিতা

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }