Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প927 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জাল-ভেজাল – ৫

    ৫

    মেট্রোপলিটান বাইপাসের ধারে যার লাশ পাওয়া গেছে, সে যদি সত্যিই পদ্ম হয়, তা হলে বুঝতে হবে সমস্যা আরও জটিল হয়ে দাঁড়াল। ভাদুড়িমশাইয়ের ধারণা, এই খুনের সঙ্গে জাল-নোটের একটা সম্পর্ক থাকাই সম্ভব। গেস্ট হাউসের কিচেন থেকে ইতিমধ্যে আমাদের জন্য চা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। চা খেয়ে একটা সিগারেট ধরালেন ভাদুড়িমশাই। চুপচাপ কিছুক্ষণ সিগারেট টানলেন। তারপর সদানন্দবাবুর দিকে তাকিয়ে বললেন, “ওষুধের দোকান থেকে ফিরে এসে যখন পদ্ম বলল যে, নোটটা ওরা নেয়নি, জাল বলে ফিরিয়ে দিয়েছে, তখন আপনার রিঅ্যাকশনটা কী হল? খুব অবাক হয়ে গেলেন নিশ্চয়?”

    “তা তো হলুমই।” সদানন্দবাবু বললেন, “ব্যাঙ্ক থেকে পাওয়া নোট… মানে তখন পর্যন্ত তো আমি আসল ব্যাপার জানি না, তাই তাজ্জব হয়ে গেসলুম।”

    “মিসেস বসু তখন ছিলেন সেখানে?”

    “ছিলেন মানে?” সদানন্দবাবু একেবারে চুপসে গিয়ে বললেন, “অফ কোর্স ছিলেন। পদ্মর কথা শুনে খেপে গিয়ে আমাকে এই মারেন তো সেই মারেন। যত বলি যে, ওটা ব্যাঙ্কের থেকে পাওয়া নোট, জাল হবে কী করে, তিনি সে-কথায় কানই দেন না! খালি বলেন, ‘ছিছি, জাল নোট দিয়ে জিনিস কিনতে পাঠিয়েচ। পাড়ার মধ্যে মান-সম্মান বলে আর কিচু রইল না। বাড়ি থেকে বেরিয়ে আজ কোতায়-কোতায় গেসলে, সব খুলে বলো, নইলে তোমাকে ছাড়চি না!’ তো কী আর করি, সব তাঁকে খুলে বললুম। চাঁদনিতে ওই আছাড় খাওয়ার ব্যাপারটা অবশ্য চেপে যেতে চেয়েছিলুম, কিন্তু যখন জিজ্ঞেস করলেন যে, ধুতিটা ছিঁড়ল কী করে, তখন সেটাও চেপে রাখা গেল না।”

    “সব শুনে কী বললেন তিনি?”

    “যা বললেন, সেটা তো আপনার কথার সঙ্গে মিলে যাচ্চে, মশাই। বললেন যে, ইস্টিশানে আমার পয়সাকড়ি কুড়িয়ে দেবার সময়েই জাল-নোটটা আমার পাঞ্জাবির পকেটে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েচে।”

    ভাদুড়িমশাই হেসে বললেন, “তা যদি বলে থাকেন তো বুঝতে হবে যে, ভদ্রমহিলার বুদ্ধি আপনার চেয়ে অনেক বেশি। কিন্তু তাঁর কথা থাক, আপাতত আমি পদ্মর কথা ভাবছি।”

    অমু এতক্ষণ চুপ করে সব শুনছিল, একটাও কথা বলেনি। এবারে বলল, “কী ভাবছেন, মামাবাবু?”

    ভাদুড়িমশাই তক্ষুনি অমুর কথার উত্তর না-দিয়ে সদানন্দবাবুকে জিজ্ঞেস করলেন, “আপনার স্ত্রীর সঙ্গে যখন আপনার কথা হয়, ঘরে তখন আর কে ছিল?”

    “আর-কেউ ছিল না।”

    “পদ্মও ছিল না?”

    “না।”

    শুনে একটুক্ষণ চুপ করে রইলেন ভাদুড়িমশাই। তারপর বললেন, “জাল-নোট দিয়ে পদ্মকে ওষুধ কিনতে পাঠিয়েছিলেন বলে আপনার স্ত্রী তো আপনাকে খুব বকাঝকা করছিলেন তখন, তা-ই না?”

    “হ্যাঁ।”

    “তার মানে বেশ উঁচু গলাতেই কথা বলছিলেন তিনি, কেমন?”

    “সে তো আমার ওয়াইফ সব সময়েই বলেন।” সদানন্দবাবু বললেন, ‘বকাঝকা করলেও বলেন, না-করলেও বলেন। অবিশ্যি আমিও যে খুব নিচু গলায় কথা বলছিলুম তা নয়।”

    “তবে তো সোনায় সোহাগা। পদ্ম সেক্ষেত্রে ঘরে থাক আর না-ই থাক, আপনাদের ডায়ালগ সে বিলক্ষণ শুনতে পেয়ে থাকবে।” একটু চিন্তিত গলায় ভাদুড়িমশাই বললেন, “স্টেশনে আপনি আছাড় খাওয়ার পর ওই জাল-নোট আপনার পকেটে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল, আপনার স্ত্রীর এই অনুমানের কথাও পদ্মর সেক্ষেত্রে শুনে থাকাই সম্ভব। আর হ্যাঁ… পদ্ম যেখানে থাকে… কোথায় যেন থাকে বলছিলেন?”

    “ট্যাংরার একটা বস্তিবাড়িতে।”

    “হ্যাঁ, ট্যাংরার একটা বস্তিবাড়িতে। তো রাত্তিরে সেখানে ফিরে গিয়ে পদ্ম কি এই গল্পটা খুব রসিয়ে সবাইকে বলেনি?”

    “গপ্পো কেন হবে?” সদানন্দবাবু বললেন, “এ তো সত্যি ঘটনা!”

    “অফ কোর্স সত্যি ঘটনা।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “আর সেইজন্যেই তো গল্প হিসেবে এমন মজাদার…আই মিন বেশ রসিয়ে রসিয়ে বলার মতন গল্প।… আচ্ছা সদানন্দবাবু, আপনার স্ত্রীর কাছে এই সত্যি ঘটনার কথা যখন বলছিলেন, তখন আপনার সেই পরোপকারী বন্ধুটির… মানে ওই যিনি আপনার জিনিসপত্র আর টাকাপয়সা ফের গুছিয়ে তুলে দিলেন, সেই ভদ্রলোকের চেহারার একটা ডেসক্রিপশান দেননি?”

    “তা দিয়েছিলুম বই কি

    “ডিস্টিংগুইশিং মার্ক… মানে কপালের সেই কাটা দাগটার কথাও বলেছিলেন নিশ্চয়?”

    “বলেছিলুম।”

    ‘পদ্ম যদি সেটাও শুনে থাকে আর বস্তিতে ফিরে গিয়ে রসিয়ে রসিয়ে গল্প করার সময় সেটাও বলে থাকে, তো তার ফলটা কী দাঁড়ায়?”

    অমু বলল, “যাদের মারফতে জাল-নোট ছড়ানো হচ্ছে, তাদের অন্তত একজনকে আইডেন্টিফাই করার কাজটা খুব সহজ হয়ে যায়।”

    আমি বললুম, “হয়তো সেইজন্যেই পদ্মকে সরিয়ে দেওয়া হল, কপালে কাটা-দাগওয়ালা একটা লোক কীভাবে আর-একজনের পকেটে একটা জাল-নোট ঢুকিয়ে দিয়েছে, এই গল্পটা যাতে না আর ছড়িয়ে পড়তে পারে।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “সত্যিই যদি পদ্ম এই গল্পটা সেদিন তার বস্তিতে ফিরে সবাইকে বলে থাকে… অ্যান্ড আই থিংক সত্যিই সে বলেছিল… তা হলে তো বুঝতে হবে না-জেনে সে নিজেই নিজের ডেথ-ওয়ারেন্টে সই করে দিয়েছিল সেদিন।”

    “ওরে বাবা,” সদানন্দবাবু বললেন, “এ তো ভয়ংকর ব্যাপার। কাণ্ডটা যে অ্যাদ্দুর গড়াবে, তা তো আমি ভাবতেও পারিনি!”

    “এদিকে অমুর কথা তো এখনও আপনাদের বলিনি।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “সেও কিছু কম ভয়ংকর নয়। তা নইলে আর মুম্বই থেকে পড়িমরি এখানে ছুটে আসব কেন।”

    সদানন্দবাবু বললেন, “কী হয়েচে অমুর? ওকেও কেউ জাল-নোট গছিয়েচে?”

    উত্তরটা অমুই দিল। বলল, “জাল-নোট নয়। জাল সিরিঞ্জ।”

    আমি বললুম, “ডিসপোজেবল সিরিঞ্জের কথা বলছ তো?”

    “হ্যাঁ, কিরণমামা।’

    “একবার ইউজ করেই ওগুলো ভেঙে ফেলার কথা।” আমি বললুম, “কিন্তু অনেকেই ভাঙে না, আর তার ফল কী হয়, সে তো সবাই জানি। হাসপাতাল আর নার্সিং হোমের জঞ্জাল ঘেঁটে অনেকে ওগুলো কুড়িয়ে নিয়ে যায়। তারপর নতুন মোড়কে ওই ইউক্ড সিরিঞ্জগুলো আবার বাজারে ঢুকে পড়ে।”

    “ঠিক বলেছেন। তার ফল কী হচ্ছে, তা তো জানেনই।”

    “জানব না কেন, এর ফলে মারাত্মক সব রোগ যে কীভাবে ছড়াচ্ছে, সে তো আমরা সবাই জানি। কাগজে এ নিয়ে লেখালিখিও তো কিছু কম হয় না, আর শুধু কাগজ বলেই বা কথা কী, ইউজ-করা সিরিঞ্জগুলো হাসপাতালের বাইরে কীভাবে ডাঁই করে ফেলে রাখা হয়, টিভিতেও তো তা কতবার দেখানো হয়েছে। কিন্তু কই, লোকের চৈতন্য হচ্ছে কোথায়!”

    “হচ্ছে না, কিন্তু হওয়া দরকার।” অমু বলল, “যাতে হয়, তার জন্যে আমাদের কম্প্যানি থেকে…. আই মিন আমাদের কম্প্যানির যে পাবলিক রিলেশানস ডিপার্টমেন্ট রয়েছে, তার থেকে হালে একটা ড্রাইভ দেওয়া হয়েছিল। এতে যে আমাদের কোনও স্বার্থ ছিল না, তা বলব না।”

    “কীসের স্বার্থ?” আমি বললুম, “তোমরা কি ডিসপোজেবল সিরিঞ্জও বানাও নাকি?”

    ভাদুড়িমশাই হেসে বললেন, “আরে কিরণবাবু, এটা ওরা মাল বিক্রির জন্যে করে না, এটা করে কম্প্যানির ইমেজ বাড়াবার জন্যে। পাবলিক ইন্টারেস্টে কলকাতাতেও তো কত কম্প্যানি বাগান বানিয়ে দিচ্ছে, কি একটা বাগান অ্যাডপ্ট করে মালি রেখে সেটা মেনটেন করার দায়িত্ব নিচ্ছে। এও তেমনি। এর সঙ্গে বিক্রিবাটার কোনও সম্পর্ক নেই। এ-সব কাজের…মানে ওই যাকে আপনারা জনহিতকর কাজ বলেন আর কি, এর একটাই উদ্দেশ্য, ইমেজ বাড়ানো।”

    অমু বলল, “অ্যাবসলুটলি রাইট। তো আমাদের ডিরেক্টর্স বোর্ড যখন ঠিক করল যে, আমাদের ম্যাক্রো কনস্ট্রাকশান ইন্টারন্যাশনালকেও ওই রকমের কোনও কাজের ভার নিতে হবে, তখন কাজটা কী হবে, তা ঠিক করার দায়িত্ব আমাকে দেওয়া হয়। তো আমি বলি, ডিসপোজেবল সিরিঞ্জ নিয়ে এই যে একটা সর্বনেশে চোরাই ব্যাবসা গজিয়ে উঠেছে, এর বিপদ সম্পর্কে পাবলিককে আমরা সচেতন করে তুলতে পারি। বোর্ডও একেবারে সঙ্গে-সঙ্গেই তাতে রাজি হয়ে যায়। আমাকে বলে, গো অ্যাহেড।”

    সদানন্দবাবু ভুক্তভোগী মানুষ। একদিকে যখন জাল-নোটের ফাঁদে পড়ে ছটফট করছিলেন, তখন একইসঙ্গে তাঁকে জাল ডিসপোজেবল সিরিঞ্জের হ্যাপাও সমানে সামলাতে হয়েছে। তিনি তাই অমুর কথাগুলি এতক্ষণ খুবই মন দিয়ে শুনছিলেন। অমু একটু থামতেই তিনি সামনে ঝুঁকে পড়ে জিজ্ঞেস করলেন, “তারপর?”

    “তারপর আর কী।” অমু বলল, “বোর্ড আমার প্রোপোজালটা অ্যাপ্রুভ করার পরে আমি আর দেরি করিনি, একেবারে সঙ্গে-সঙ্গেই কাজে লেগে যাই। আমাদের পাবলিক রিলেশানস ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে একটা বৈঠক সেরে নিয়েই ডেকে পাঠাই একটা অ্যাড-এজেন্সির ম্যানেজারকে! তাঁকে বলি যে, ডিজপোজেবল সিরিঞ্জ নিয়ে যে ডিজনেস্ট কারবার চলছে, পাবলিককে সে সম্পর্কে সতর্ক করে দিতে কাগজের জন্যে কয়েকটা বিজ্ঞাপন তো তৈরি করে দিতে হবেই, সেইসঙ্গে শহরের বড় বড় ক্রসিংয়ে লাগাতে হবে প্রমাণ সাইজের হোর্ডিং।”

    একটুক্ষণ চুপ করে রইল অমু। তারপর বলল, “এ হল মাস দেড়েক আগের ঘটনা। অ্যাড-এজেন্সি আমাদের কাজটা চটপট করে দেয়। কাগজে গোটাকয় বিজ্ঞাপন এরই মধ্যে বেরিয়েও গেছে, সেইসঙ্গে হিন্দি আর ইংরেজিতে লাগানোও হয়েছে গোটাকয়েক বড়-বড় হোর্ডিং। আজ যখন এয়ারপোর্ট টার্মিন্যাল থেকে বেরিয়ে আসেন, তখন একটা হোর্ডিং হয়তো আপনাদের চোখেও পড়ে থাকবে।”

    আমি বললুম, “হ্যাঁ, হ্যাঁ, দেখেছি। একজন লোককে ইঞ্জেকশান দেওয়া হচ্ছে, এই ছবির উপরে বড়-বড় হরফে লেখা: বিওয়্যার অভ দ্য নিডল। চমৎকার হোর্ডিং।”

    কাজের প্রশংসা করলুম, অথচ অমু যে তাতে বিশেষ উৎফুল্ল হয়েছে, এমন মনে হল না। ফের একটুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, “আপনি তো বললেন চমৎকার, কিন্তু আমাদের এই অ্যাড-ক্যাম্পেন নিয়েই বিপদ ঘটেছে, কিরণমামা। কিছু লোক এটা একদম পছন্দ করছে না।”

    কিছুই বুঝতে পারলুম না। ভাদুড়িমশাইয়ের দিকে তাকিয়ে বললুম, “অমুরা যা করছে, সে তো বেশ ভাল কাজ। মানুষের এতে উপকার হবে। যেখানে জীবন-মরণের প্রশ্ন সেখানে ইউ কান্ট অ্যাফোর্ড টু বি কেয়ারলেস। এই সব হোর্ডিং দেখে সাধারণ মানুষ সাবধান হতে শিখবে।”

    ভাদুড়িমশাই হেসে বললেন, “তা তো বটেই।”

    “তা হলে এটা পছন্দ না হবার কী আছে? কারা পছন্দ করছে না? বিপদের কথাই বা উঠছে কেন?”

    “সেটা আমার মুখে শুনে কী হবে?” ভাদুড়িমশাই বললেন, “অমুই বলুক।”

    অমু তিক্ত হাসল, বলল, “আমাদের অন্তত আট-দশটা হোর্ডিং এরই মধ্যে ঢিল মেরে ছিঁড়ে দিয়েছে।”

    “কই,” সদানন্দবাবু বললেন, “এয়ারপোর্ট থেকে বেরিয়ে যেটা দেকলুম, সেটার তো কোনও খেতি হয়েচে বলে মনে হল না।”

    “ওটা প্রোটেক্টেড এরিয়া, সারাক্ষণ পুলিশি পাহারার ব্যবস্থা রয়েছে, আর্মড গার্ড চব্বিশ ঘন্টা টহল দিচ্ছে, ওখানে কে ঢিল-পাটকেল ছুড়তে যাবে, অ্যারেস্ট হবার ভয় নেই? বজ্জাতি হচ্ছে যে-সব জায়গা কম্পারেটিভলি সেফ, সেখানে। রাত্তিরবেলায় এসে হোর্ডিংয়ের দফা রফা করে দিচ্ছে। শুধু যে ছিঁড়ে দিচ্ছে, তা নয়, ছবি আর লেখার উপরে বুলিয়ে দিচ্ছে কালির পোঁচড়া।”

    “এ-কাজ কারা করছে?”

    “তা তো জানি না, তবে অনুমান ঠিকই করতে পারি।” অমু বলল, “আমাদের এই ক্যাম্পেনে যাদের ক্ষতি হবার আশঙ্কা, কাজটা যে তারাই করছে, চোখ-কান বুজেই তা বলে দেওয়া যায়।”

    “অর্থাৎ যা একবার ব্যবহার করা হয়ে গেছে, কিন্তু নষ্ট করে ফেলা হয়নি, হাসপাতাল আর নার্সিংহোমগুলোর বাইরে ফেলে দেওয়া সেই রাশি-রাশি ডিসপোজেবল সিরিঞ্জকে আবার সেলোফেনের মোড়কে মুড়ে যারা বাজারে ফের নতুন বলে চালায়, তারা। ঠিক বলেছি?”

    “ষোলো-আনার উপরে আঠারো আনা ঠিক বলেছেন, কিরণমামা।” অমু বলল, “আর এদের এই সর্বনেশে ব্যাবসাটা কীসের সুযোগে চলছে জানেন? চলছে স্রেফ আমাদের অসাবধানতার সুযোগে।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “রোজ এ-দেশে ওই রকমের কত সিরিঞ্জ ইউজ করা হয় ভাবুন তো।” বললুম, “কয়েক লাখ তো বটেই।”

    “তার মধ্যে একটা মস্ত অংশই আবার বাজারে ফিরে আসে। ফিরে আসা সম্ভব হয়, তার কারণ ওই অমু যা বলল, আমরা অত্যন্ত অসাবধান।”

    “আমরা অসাবধান, হেলথ সেন্টারগুলো অসাবধান, হাসপাতাল অসাবধান, নার্সিং হোম অসাবধান।” অমু বলল, “আমরা ডিসপোজেবল সিরিঞ্জ ব্যবহার করি, কিন্তু ব্যবহার করার পর বড় একটা সেগুলো ভেঙে ফেলি না। আমরা ভাঙি না, হেলথ সেন্টারগুলো ভাঙে না, হাসপাতাল ভাঙে না, নার্সিং হোম ভাঙে না। রোগীর বিছানার ধারে ওয়েস্টপেপার বাস্কেটে সেটাকে ফেলে দিয়েই আমাদের দায়িত্ব ফুরোয়। আমরা খবরও রাখি না যে, রোগীর ঘর থেকে সেগুলো রাস্তার ভ্যাটে চালান হয়। সেখান থেকে সেগুলো কুড়িয়ে নেয় ওই যাদের আমরা কাগজকুড়ুনি বলি, তারা। তাদের কাছ থেকে ওই ব্যবসায়ীরা সেগুলো জলের দরে কিনে নেয়। তারপর নতুন মোড়কে সেই ইউজড সিরিঞ্জগুলো আবার বাজারে এসে ঢোকে। ভিশাস সার্কল মানে বিষবৃত্ত বা পাপচক্র বলে একটা কথা আছে না? এই হচ্ছে সেই ভিশাস সার্কল।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “আমরা সাবধান হলেই কিন্তু এই সার্কলটা ভেঙে যাবে।”

    অমু বলল, “কিরণমামা, আমরা ঠিক সেই কাজটাই করছি। লোকজনকে সাবধান করে দিচ্ছি। বিজ্ঞাপন দিয়ে, হোর্ডিং লাগিয়ে সবাইকে বলছি, যে-ছুঁচ আপনার শরীরে ঢুকছে, নামে ডিসপোজেবল সিরিঞ্জের ছুঁচ হলেও আপনার আগে সেটা হয়তো কোনও হেপাটাইটিস-বি রোগীর শরীরে ঢোকানো হয়েছিল, কিংবা এমনকি কোনও এইডস-রোগীর শরীরে। বলছি, একবার ইউজ করার পরেই ওই ছুঁচটা ভেঙে ফেলুন। নইলে, ওটা যে ফের আপনারই কোনও প্রিয়জনের শরীরে ঢুকে মারাত্মক কোনও রোগ ছড়াবে না, তারও কোনও নিশ্চয়তা নেই। প্রতিটি হাসপাতাল আর নার্সিং হোমের বাইরে এই হোর্ডিং লাগিয়েছি আমরা। যেমন রোগী, তেমনি ডাক্তার আর নার্সদেরও সতর্ক করে দিচ্ছি। ফলে, যারা ইউ সিরিঞ্জের কারবারি, তারা তো খেপে যাবেই। তারা লোক লাগিয়ে আমাদের হোর্ডিংগুলো তো ছিঁড়বেই। আমাদের বিজ্ঞাপন ছাপছে বলে তারা ফোন করে কাগজগুলোকে তো ভয় দেখাবেই।… আর হ্যাঁ, তারা জেনে গেছে যে, এই ক্যাম্পেনের মূলে আছি আমি। আর তাই আমার উপরে তারা হামলা তো করবেই।”

    শিউরে উঠে বললুম, “তোমার উপরে হামলা হয়েছে?”

    “একবার নয়, দু’বার।” অমু বলল, প্রথম বার… সে অ্যাবাউট আ উইক অর টেন ডেজ এগো…আপিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে পাথর ছুড়ে আমার গাড়ির কাচ ভেঙে দেয়। আর দ্বিতীয় হামলাটা গত মঙ্গলবার হয়েছে। এয়ারপোর্টে এক বন্ধুকে সি অফ করে রিজ-এর পথ ধরে রাজিন্দর নগরের দিকে যাচ্ছিলুম। রাত তখন এই ধরুন আটটা। একেবারে হঠাৎই বাঁ দিকের একটা গলি থেকে একটা ট্রাক আমার গাড়ির উপরে এসে পড়ে। গাড়িটা তুবড়ে গেলেও ভাগ্যবলে আমি বেঁচে যাই। ট্রাকটার নম্বর টুকে রেখেছিলুম। পথ-চলতি একটা অটো রিকশা নিয়ে কাছাকাছি একটা থানায় গিয়ে রিপোর্ট লেখাই। থানা থেকে পরদিন আমাকে জানানো হয়, ওই নম্বরের কোনও ট্রাক নেই। বাস, তাতেই যা বুঝবার তা বুঝে যাই আমি। সেইদিনই ফোন করি মামাবাবুকে। বলি, ইমিডিয়েটলি তিনি যেন দিল্লিতে চলে আসেন।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্টোরিজ – নিল গেইম্যান
    Next Article ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    Related Articles

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার ক্লাস – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার দিকে ও অন্যান্য রচনা – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতা কী ও কেন – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ কবিতা

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }