Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প927 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শান্তিলতার অশান্তি – ১

    ১

    রাস্তা থেকে রেস্তোরাঁয় ঢুকে গোটা ঘরটার উপরে একবার চোখ বুলিয়ে নিলেন ভদ্রমহিলা। তারপর সরাসরি আমাদের টেবিলের সামনে এসে ভাদুড়িমশাইয়ের দিকে তাকিয়ে বললেন, “আপনিই তো মিঃ ভাদুড়ি, তা-ই না?”

    আমাদের ডিনার শেষ হয়ে গিয়েছিল। বেয়ারা কফি দিয়ে গিয়েছে, সেই সঙ্গে একটা ফোল্ডারের মধ্যে বিল। ভাদুড়িমশাই তাঁর কফির পেয়ালায় একটা শুগারকিউব ফেলে চামচ দিয়ে সেটা নাড়ছিলেন। এতক্ষণ তিনি মুখ তুলে তাকাননি। এইবারে মুখ তুলে, ভদ্রমহিলাকে দেখে নিয়ে, বললেন, “হ্যাঁ। কিন্তু আপনাকে তো চিনতে পারলুম না।”

    “আমার নাম শান্তিলতা মিত্র।” ভদ্রমহিলা বললেন, “আপনার সঙ্গে আমার কিছু কথা আছে। মানে…একটা ব্যাপারে আমি আপনার অ্যাডভাইস চাই।”

    “এখন কী করে কথা হবে?” ভাদুড়িমশাই তাঁর কফির পেয়ালায় আলতো একটা চুমুক দিয়ে সামান্য হেসে বললেন, “আমাদের খাওয়া হয়ে গেছে। এবারে কফিটা শেষ করে, বিল মিটিয়ে উঠে পড়ব। এখন তো কথা বলার সময় হবে না।”

    “যদি খুব সংক্ষেপে বলি?”

    ভদ্রমহিলার কথা বলার ভঙ্গিতে তো বটেই, চোখেমুখেও যে একটা উদ্‌বেগের আভাস ছিল, সেটা আমার নজর এড়ায়নি। ভাদুড়িমশাইও সেটা বিলক্ষণ বুঝে থাকবেন। এক মুহূর্ত চুপ করে থেকে তিনি বললেন, “ঠিক আছে, আপনি বসুন। কিন্তু কিছু না-নিয়ে একটা টেবিল আটকে রাখা তো ঠিক হবে না, আপনার জন্যেও কিছু বলি। কী খাবেন আপনি?”

    “কিছু না। জাস্ট এক কাপ কফি।”

    “হট অর কোল্ড?”

    “কোল্ড।”

    “ঠিক আছে।” ভাদুড়িমশাই আঙুল তুলে বেয়ারাকে কাছে ডাকলেন। তারপর কোল্ড কফির অর্ডার দিয়ে শান্তিলতাকে বললেন, “এবারে বলুন আপনার প্রবলেমটা কী। বাট ইট হ্যাজ টু বি শর্ট। আমার হাতে বিশেষ সময় নেই।”

    টেবিল ঘিরে চারটি চেয়ার। তার তিনটিতে আমরা বসে আছি। আমি ভাদুড়িমশাই আর সদানন্দবাবু। চতুর্থটিতে শান্তিলতা বসলেন। তারপর, ভাদুড়িমশাইয়ের দিকে তাকিয়ে, একটু ইতস্তত করে, নিচু গলায় বললেন, “আমার প্রবলেমটা প্রকাশ্যে…আই মিন পাঁচজনের সামনে আলোচনা করার মতো নয়। আমি শুধু আপনাকেই বলতে চেয়েছিলুম।”

    ভাদুড়িমশাই হেসে বললেন, “ওহো, আপনার সঙ্গে তো পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়নি। ইনি হচ্ছেন কিরণ চাটুজ্যে…আর উনি সদানন্দ বসু। দু’জনেই আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু…তা ছাড়া আমার কাজেকর্মে এঁদের দু’জনের কাছ থেকে আমি প্রচুর সাহায্য পাই। তো আমাকে যা বলবার, তা এঁদের সামনে স্বচ্ছন্দে বলতে পারেন।”

    নমস্কার-বিনিময়ের পালা শেষ হবার পরেও যে ভদ্রমহিলার অস্বস্তি বিশেষ কেটেছে এমন মনে হল না। বেয়ারা ইতিমধ্যে কফি দিয়ে গিয়েছিল। স্ট্রটাকে কিছুক্ষণ কফির গেলাশের মধ্যে নাড়লেন শান্তিলতা। তারপর হঠাৎ মুখ তুলে, যেন কথাটা একেবারেই বলবার ইচ্ছে নেই, তবু বলতে হচ্ছে, এইভাবে বললেন, “মিঃ ভাদুড়ি, যে-কোনও মুহূর্তে আমাকে মার্ডার করা হতে পারে!”

    সদানন্দবাবুর কফি-খাওয়া ভাগ্যিস শেষ হয়ে গিয়েছিল। নয়তো শান্তিলতার কথা শুনে ‘ম্মাম্মামার্ডার’ বলে যে-ভাবে তিনি চমকে উঠেছিলেন, তাতে তাঁর হাত থেকে কফির পেয়ালা ছিটকে পড়ে একটা বিচ্ছিরি ব্যাপার ঘটে যেতে পারত।

    চমকে অবশ্য আমিও গিয়েছিলুম। তবে ভাদুড়িমশাই দেখলুম নির্বিকার। হাতের পেয়ালাটিতে শেষ চুমুক দিয়ে সেটিকে পিরিচে নামিয়ে রেখে, পকেট থেকে রুমাল বার করে আলতোভাবে ঠোঁটে একবার চেপে ধরে রুমালটিকে ফের পকেটে ঢুকিয়ে শান্ত গলায় তিনি বললেন, “কে খুন করবে আপনাকে?”

    “আমার স্বামী।”

    সদানন্দবাবু বোধহয় আঁচ করে নিয়েছিলেন যে, আজ তাঁকে এই ধরনের বেশ কিছু কথা শুনতে হবে। ফলে, সময়ে সতর্ক হয়ে যাওয়ায়, এবারে আর তিনি চমকে উঠলেন না। শুধু শুকনো গলায় নিজেকে শুনিয়ে বিড়বিড় করে বললেন, “তারা ব্রহ্মময়ী মাগো!”

    ভাদুড়িমশাইয়ের মুখে কোনও ভাবান্তর দেখলুম না। একটুক্ষণ চুপ করে রইলেন তিনি। তারপর বললেন, “শান্তিলতা দেবী, আপনি বলছেন, যে, আপনার স্বামী আপনাকে খুন করবেন। এমন কথা হেলাফেলা করে বলার নয়। যা বলছেন, তার গুরুত্ব আপনি বোঝেন?”

    “তা কেন বুঝব না?” শান্তিলতা বললেন, “আমি যা বলেছি, তা ভেবেচিন্তেই বলেছি। মিঃ ভাদুড়ি, ইদানীং আমাদের সম্পর্ক যেখানে এসে দাঁড়িয়েছে, তাতে আর সেটাকে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক বলা চলে না, স্রেফ শত্রুতার সম্পর্ক। আমরা কেউ কাউকে ভালবাসি না, আমরা দুজনেই দুজনকে ঘৃণা করি। ইন ফ্যাক্ট, পারলে হয়তো আমিই ওঁকে খুন করতুম। হয়তো কেন, নিশ্চয় করতুম।”

    ভাদুড়িমশাইয়ের চোখ দুটি দেখলুম হঠাৎই ভীষণ সরু হয়ে এসেছে। বাঁ হাতের তর্জনীটিকে ঠোটের সামনে উঁচিয়ে ধরে, শান্তিলতার দিকে তাকিয়ে তিনি বললেন, “শ্শ্, আর নয়। এক্ষুনি যে-কথাটা আপনি বললেন, তা কি আর-কাউকে বলেছেন?”

    “কোন কথাটা?”

    “পারলে আপনার স্বামীকে আপনি খুন করতেন, এই কথাটা। এইমাত্র এটা আমাদের কাছে বললেন। আর-কাউকে কখনও বলেছেন?”

    কেন তাঁকে এই প্রশ্নটা করা হচ্ছে, শান্তিলতা সম্ভবত তা বুঝে উঠতে পারেননি। হয়তো সেই জন্যেই তাঁকে একটু বিভ্রান্ত দেখাল। বললেন, “এ-কথা জিজ্ঞেস করছেন কেন?”

    “কারণ আছে বলেই জিজ্ঞেস করছি। আর-কাউকে বলেছেন?

    “আমার স্বামীকেই তো বলেছি।”

    “আর-কাউকে?”

    একটুক্ষণ ভেবে নিলেন শান্তিলতা। তারপর বললেন, “এক্ষুনি মনে পড়ছে না। …ও হ্যাঁ, যুগলকে বলেছি।”

    “যুগল কে?”

    “যুগলকিশোর চৌধুরি।”

    “যুগলকিশোর…যুগলকিশোর…” অন্যমনস্কভাবে নামটা বার দুয়েক উচ্চারণ করলেন ভাদুড়িমশাই। তারপর বললেন, “নামটা চেনা-চেনা ঠেকছে। …আচ্ছা, উনি কি গান-বাজনার লাইনের লোক?”

    “গানের নয়, বাজনার।” শান্তিলতা বললেন, “উনি বেহালা বাজান। একটা অর্কেস্ট্রার দল করেছেন। সেটা নিয়ে মাঝে-মধ্যে এখানে-ওখানে যানও। কিছুদিন আগেও যেন কোথায় গিয়েছিলেন।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “বাঙ্গালোরে। নামটা সেই জন্যেই চেনা-চেনা ঠেকছিল।… সম্ভবত ওখানকার কাগজের বিজ্ঞাপনে দেখেছি। তা আপনি যে পারলে আপনার স্বামীকে খুন করতেন, এ তো পাঁচজনকে বলে বেড়াবার মতো কথা নয়, ওঁকে কেন বলতে গেলেন?”

    “বললুম, তার কারণ, যুগল আমার খুবই ঘনিষ্ঠ বন্ধু।” এই পর্যন্ত বলেই শান্তিলতা হঠাৎ সামলে নিলেন নিজেকে। বললেন, “প্লিজ মিঃ ভাদুড়ি, ঘনিষ্ঠ বলতে যেন আবার অন্য-কিছু ভাববেন না, আসলে আমি ওকে অনেক দিন ধরে চিনি।”

    “অনেক দিন মানে কত দিন?”

    শান্তিলতা একটু ভেবে নিয়ে বললেন, “সাত বছর। আমি একটা ট্র্যাল কোম্পানিতে কাজ করতুম, নাইন্টিফোরে ও সেখানকার অ্যাকাউন্ট্স ডিপার্টমেন্টে অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার হয়ে ঢোকে।”

    “কোন ট্র্যাল কোম্পানি?”

    “ট্র্যাল স্টার।”

    “সে তো বেশ বড় কোম্পানি।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “ওদের ইস্টার্ন ইন্ডিয়ার হেড আপিস বোধহয় এখানকার রবিনসন স্ট্রিটে, তা-ই না?”

    “হ্যাঁ, আমি হেড আপিসেই কাজ করতুম। যুগলের সঙ্গে সেখানেই আমার পরিচয়। তো সেই নাইন্টিফোর থেকেই ওকে আমি চিনি। আমরা কেউই অবশ্য ওখানে এখন কাজ করি না।”

    “কাজ ছেড়ে দিয়েছেন?”

    “হ্যাঁ।” শান্তিলতা বললেন, “আমি ছেড়েছি নাইন্টিসিক্সে, আর যুগল ছেড়েছে নাইন্টি এইটে।”

    “কাজ ছাড়লেন কেন?”

    “যুগলের তো একটা আলাদা শিল্পী-জীবন রয়েছে। নিজে চমৎকার ভায়োলিন বাজায়, মোটামুটি নামও করেছে, এখানে-ওখানে টুকটাক প্রোগ্রাম করে, তা ছাড়া একটা অর্কেস্ট্রা পার্টি গড়ে তুলবে বলেও সেই তখন থেকেই ভাবতে শুরু করেছিল। তা দশটা-পাঁচটা আপিস করে তো আর এত সব করা যায় না, তাই শেষ পর্যন্ত একরকম বাধ্য হয়েই ও চাকরি ছেড়ে দেয়।”

    “আর আপনি?”

    শান্তিলতা হেসে বললেন, “মেয়েরা সাধারণত যে-কারণে চাকরি ছাড়ে, আমারও সেই একই কারণ। নাইন্টিসিক্সে আমার বিয়ে হয়ে যায়। স্বামী বড়লোক, গাড়ি বাড়ি টাকাপয়সা কোনও কিছুরই অভাব নেই। তার উপরে মেজাজি মানুষ, বউ চাকরি করবে, এটা তাঁর পছন্দ নয়। ফলে যা হয় আর কি….।”

    “ফলে আপনাকে চাকরি ছাড়তে হয়, কেমন?”

    “হ্যাঁ।”

    “কিন্তু যুগলের সঙ্গে আপনার সম্পর্কটা থেকে যায়।”

    “হ্যাঁ, থেকে যায়।” বলেই সরাসরি ভাদুড়িমশাইয়ের চোখে চোখ রেখে শান্তিলতা যোগ করলেন, “মিঃ ভাদুড়ি, আমি আবার বলছি ওটা একেবারেই বন্ধুত্বের সম্পর্ক, ওর অন্য-কোনও অর্থ করবেন না, প্লিজ। …আর তা ছাড়া…”

    শান্তিলতা কথাটা শেষ করলেন না। ভাদুড়িমশাই এক মুহূর্ত চুপ করে থেকে বললেন, “থেমে গেলেন কেন, আর তা ছাড়া কী?”

    বলতে সম্ভবত অস্বস্তি হচ্ছিল, তাই চোখ নামিয়ে শান্তিলতা বললেন, “যুগল আমার চেয়ে বয়সে অনেক ছোট। হি ওন্ট বি মোর দ্যান থার্টিটু, অ্যান্ড আই’ম ফর্টি, আট বছরের তফাত। প্রেম-ট্রেমের কোনও প্রশ্নই এখানে উঠছে না। অথচ…অথচ…”

    কথা শেষ না-করে আবার মধ্যপথে থেমে গেলেন শান্তিলতা। ভাদুড়িমশাই বললেন, “অথচ কী?”

    “অথচ এই যে একটা সুস্থ-স্বাভাবিক সম্পর্ক, এই নিয়েও আমার স্বামী আমাকে সন্দেহ করেন! জঘন্য সব কথা বলেন! এমন সব কথা, যা শুনলে কানে আঙুল দিতে হয়! মাথায় খুন চেপে যায়। ইন ফ্যাক্‌ট, সেই জন্যেই আর এখন আমরা একসঙ্গে থাকি না!”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “যুগলের কথা তো মোটামুটি শুনলুম, এবারে আপনার স্বামীর কথা আর-একটু বলুন। যেটুকু বলেছেন, তাতে মাত্র এইটুকুই জানা গেল যে, তিনি খুব বড়লোক, তাঁর গাড়ি আছে, বাড়ি আছে, টাকাপয়সাও অঢেল। এটাও জানলুম যে, যুগলের সঙ্গে আপনার কোনও সম্পর্ক থাক, এটা তাঁর পছন্দ নয়। কিন্তু শুধু এইটুকুই যথেষ্ট নয়, আরও দু’-একটা কথা জানা দরকার। বাই দ্য ওয়ে, ভদ্রলোক করেন কী? নাকি তাঁকে কিছুই করতে হয় না?”

    “আমার স্বামী ব্যবসায়ী মানুষ। বেশ বড় মাপের ব্যবসায়ী। নাম শুনলে আপনি হয়তো তাঁকে চিনতেও পারবেন। ধনঞ্জয় মিত্র।”

    ভাদুড়িমশাইয়ের মুখে কোনও ভাবান্তর দেখা গেল না। মনে হল, তিনি চিনতে পারেননি। শান্তিলতা সেটা বুঝতে পেরে বললেন, “তা হলে তাঁর কোম্পানির নামটা বলি। দেখুন চিনতে পারেন কি না। ম্যাক্রো বিল্ডার্স।”

    “ম্যাক্রো!” চেয়ে দেখলুম, ভাদুড়িমশাইয়ের ভুরু কিঞ্চিৎ ঊর্ধ্বে উঠে গেছে। বললেন, “সে তো বিরাট ব্যাপার! দেশ জুড়ে ওদের কনস্ট্রাকশনের কাজ চলছে। বাঙ্গালোরে হালে একটা ফ্লাই-ওভার বানিয়েছে, তা ছাড়া ওখানে একটা ইনডোর স্টেডিয়ামের বরাতও নাকি ওরাই পাবে।”

    সদানন্দবাবু এতক্ষণ মুখ খোলেননি। এবারে বললেন, “আমাদের জেঙ্কিস অ্যান্ড জেঙ্কিন্‌স কোম্পানির কাজও ওরা কম করেনি। বছর পনরো আগে আমাদের ঢাউস দু’-দুটো ওয়্যারহাউস তো ওরাই বানিয়ে দিল।”

    শান্তিলতা বললেন, “ম্যাক্রো বিল্ডার্সের গোড়াপত্তন করেছিলেন আমার শ্বশুরমশাই জনার্দন মিত্ৰ। গত বছর নব্বই বছর বয়েসে তিনি মারা গেছেন। আমার স্বামী তাঁর একমাত্র সন্তান। তিনিই এখন ম্যাক্রো বিল্ডার্সের মালিক। না, সেদিক থেকে…’”

    ভাদুড়িমশাই তাঁকে কথাটা শেষ করতে দিলেন না। মাঝপথে বাধা দিয়ে বললেন, “দাঁড়ান, দাঁড়ান, হিসেবটা একটু বুঝে নিতে দিন। জনার্দন মিত্র লাস্ট ইয়ারে মারা গেছেন অ্যাট দ্য এজ অব নাইন্টি, আর আপনার স্বামী ধনঞ্জয় মিত্র তাঁর একমাত্র সন্তান, এই তো?”

    “হ্যাঁ।”

    “ভেরি গুড। তো আপনার স্বামী কি তাঁর শেষ বয়েসের সন্তান?”

    “ওহ্ নো।” শান্তিলতা তাঁর ঘাড়-ঘেঁষে-ছাঁটা চুল ঝাঁকিয়ে বললেন, “শেষ বয়েসের নয়, প্রথম বয়েসের সন্তান। ট্র্যাভ্ল-কোম্পানিতে কাজ করতুম তো, তাঁর ফিলাডেলফিয়া-ট্যুরের টিকিট কাটার সময় পাসপোর্ট দেখেছি; তাতে লেখা আছে, হি ওয়জ বর্ন ইন নাইন্টিন থার্টি সিক্স।”

    “তার মানে তো তাঁর বয়েস এখন পঁয়ষট্টি বছর।” একটু থেমে, শান্তিলতার দিক থেকে চোখ সামান্য সরিয়ে নিয়ে ভাদুড়িমশাই বললেন, “আর আপনি নিজেই একটু আগে বলেছেন যে, আপনার বয়েস এখন চল্লিশ। বিয়েটা তো আপনি নাইন্টিসিক্সে করেছিলেন, তাই না?”

    “হ্যাঁ।”

    ‘পাঁচ বছর আগের ব্যাপার। তখন আপনার বয়েস ছিল পঁয়তিরিশ আর ধনঞ্জয় মিত্রের ষাট। পঁচিশ বছরের ছোট-বড়। তফাতটা একটু বেশি হয়ে যাচ্ছে না?…একটা প্রশ্ন করি মিসেস মিত্ৰ, আই হোপ ইউ ডু নট মাইন্ড, আপনি কি স্রেফ বড়লোকের বউ হবার জন্যেই এই বিয়েটা করেছিলেন?”

    “তা কি কেউ করে না?”

    “করবে না কেন?” ভাদুড়িমশাই মৃদু হেসে বললেন, “করে। ফলে কিছু জটিলতারও সৃষ্টি হয়। যেমন আপনাদের ক্ষেত্রে হয়েছে। তরুণী ভার্যার একজন তরুণ বন্ধু থাকবে, বৃদ্ধ স্বামী সেটা বরদাস্ত করতে পারছেন না। না-পারাই তো স্বাভাবিক।”

    “কিন্তু আমিও তো কিছু তরুণী নই। আমারও তো চল্লিশ চলছে।” শান্তিলতা বললেন, “কথায় বলে কুড়িতে বুড়ি। সেই হিসেবে আমি ডবল-বুড়ি।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “ও-সব পুরনো হিসেব, এককালে চলত, এখন চলে না। আর তা ছাড়া, সবটাই তো আপেক্ষিক ব্যাপার। আপনার স্বামীর বয়েস যদি বছর-পঁয়তাল্লিশ হত, তা হলে তিনি হয়তো আপনাকে তরুণী ভাবতেন না, কিন্তু আপনার স্বামীর বয়েস তো পঁয়তাল্লিশ নয়, পঁয়ষট্টি। তিনি তো আপনাকে তরুণীই ভাববেন। যুগলকে নিয়ে তাঁর সন্দেহকেও তাই খুব অস্বাভাবিক বলা যাচ্ছে না।”

    শুনে শান্তিলতা এক মুহূর্ত চুপ করে রইলেন। তারপর বললেন, “ঠিক আছে, যদিও কোনও কারণ ছিল না, এবং এখনও কোনও কারণ নেই, তবু আমি মেনে নিচ্ছি যে, যুগলকে নিয়ে তাঁর সন্দেহ হতেই পারে। কিন্তু তাই বলে তিনি আমাকে খুন করতে চাইবেন কেন?”

    “খুন করতে চাইছেন, তার প্রমাণ কী?”

    “মাসখানেক আগে ব্রেকফাস্ট টেবিলে এসে কথা বলতে-বলতেই হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে উঠে, টেবিল থেকে মেটালের ফুলদানিটা তুলে নিয়ে তিনি আমার দিকে ছুড়ে মারেন। সেটা লাগেনি। কিন্তু লাগলে আমার কপাল ফেটে যেত। আর-এক দিন ছুড়ে মারেন একটা কাট-গ্ল্যাসের অ্যাশট্রে। এটা দিন-পনরো আগের ব্যাপার। তারিখটা মনে আছে। ফিফটিথ এপ্রিল। বাংলা নববর্ষের পরের দিন। অ্যান্ড ইট ওয়জ আ সানডে।”

    “তারপরে কী হল?”

    “তারপরে উনি রাগমাগ করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান।”

    “আর আপনি?”

    “আমি বুঝতে পারি যে, এ-বাড়িতে আমি নিরাপদ নই। এখন প্রায়ই এইরকম হতে থাকবে, আর রোজ-রোজই যে আমি বরাতজোরে বেঁচে যাব, তাও নয়। ফলে, বাড়ি থেকে উনি বেরিয়ে যাবার পর, একটা স্যুটকেসে আমার জামাকাপড় আর কিছু পার্সোন্যাল জিনিসপত্র গুছিয়ে নিয়ে আমিও সেইদিনই ওঁদের পৈতৃক বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসি।”

    “ওঁর পৈতৃক বাড়িটা কোথায়?”

    “থিয়েটার রোডে। মিত্র-ম্যানশন। ব্রিটিশ কাউন্সিল থেকে ওই একই ফুটপাত ধরে পুবদিকে আর খানিকটা এগিয়ে গেলে বাঁ-দিকে পড়বে। শুনেছি জনার্দন মিত্র নিজে ও-বাড়ির প্ল্যান করেছিলেন। দোতলাটা দু’ভাগে ভাগ করা। একটা ভাগে আমার স্বামী থাকেন। কিছুদিন আগে অবশ্য আমিও সেখানে থাকতুম।”

    “আর অন্য ভাগ? সেখানে কে থাকেন?”

    “সেখানে থাকে পুরন্দর। সে তার বউ আর ছেলেকে নিয়ে থাকে।”

    “পুরন্দর কে?”

    “আমার স্বামীর প্রথম পক্ষের ছেলে।”

    “আপনি নিজে তো ও-বাড়ি থেকে চলে এসেছেন, এখন তা হলে আছেন কোথায়?”

    “বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডের একটা হাইরাইজ বিল্ডিংয়ে আটতলার একটা ফ্ল্যাটে।” শান্তিলতা তাঁর ভ্যানিটি ব্যাগ থেকে একটা কার্ড বার করে ভাদুড়িমশাইয়ের হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললেন, “এতে আমার ঠিকানা আর ফোন-নম্বর রইল।”

    কার্ডটা পকেটে ঢুকিয়ে ভাদুড়িমশাই বললেন, “ফ্ল্যাটটা কার?”

    “কেন, আমার।” শান্তিলতা হেসে বললেন, “অবিশ্যি আমার স্বামীর টাকায় কেনা। বিয়ের পরেই বৃদ্ধ স্বামী তাঁর তরুণী স্ত্রীকে ওটা যৌতুক হিসেবে দিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে ব্যাঙ্কে পঁচিশ লাখ টাকার ফিক্সড ডিপোজিট।”

    “তা হলে তো আপনার কোনও চিন্তা থাকার কথা নয়।”

    “কিন্তু সেটাই কি সব?” হঠাৎই গম্ভীর হয়ে গেলেন শান্তিলতা। বললেন, “আমার স্বামী আমার পিছনে লোক লাগিয়েছেন। সারাক্ষণ তারা আমার পিছনে-পিছনে ঘোরে। আমার উপরে নজর রাখে! আমার বিশ্বাস, সুযোগ পেলে তারা আমার বড় রকমের কোনও ক্ষতি করবে। মেরেও ফেলতে পারে। তখন ওই ফ্ল্যাট আর টাকা আমার কোন কাজে লাগবে?”

    ভাদুড়িমশাই একটুক্ষণ চুপ করে থেকে বললেন, “এ-ব্যাপারে আমি ঠিক কী করতে পারি?” শান্তিলতা বললেন, “আমি প্রোটেকশন চাই।”

    “কখন থেকে?”

    “আজ থেকে। এখন থেকে। ফ্ল্যাট থেকে বেরিয়ে আমি এই যে এখানে এসেছি, ছায়ার মতো দুটো লোক সারাক্ষণ আমার পিছনে লেগে ছিল। আমি যে এই রেস্তোরাঁয় ঢুকে আপনাদের টেবিলে এসে বসেছি, সেটাও তাদের নজর এড়ায়নি। আমার ধারণা…না, ধারণা নয়, আমি হলফ করে বলতে পারি যে, এই মুহূর্তে তারা রেস্তোরাঁর বাইরে দাঁড়িয়ে আছে, ফুটপাথে দাঁড়িয়ে চুপচাপ অপেক্ষা করছে। এখান থেকে আমি বেরুবা মাত্র আবার তারা আমার পিছু নেবে।”

    ঘরের মধ্যে যেখানে আমি বসে আছি, রেস্তোরাঁর দরজাটা সেখান থেকে স্পষ্ট দেখা যায়। তাই, শান্তিলতা মিত্র পুশ-ডোর ঠেলে ঢুকবার এক মুহূর্ত বাদেই যে দুজন না-হলেও একজন লোক বাইরে থেকে ভিতরে এসে ঢুকেছিল, আর বেরিয়েও গিয়েছিল ঘরটার উপর একবার চোখ বুলিয়ে নিয়েই, আমিও সেটা দেখেছি। সেটা জানাতে ভাদুড়িমশাই বললেন, “পরে কোথাও দেখলে চিনতে পারবেন?”

    “তা কেন পারব না?” আমি বললুম, “শ্যামলা রং, হাইট মোটামুটি সাড়ে পাঁচ ফুট, স্টকিলি বিল্ট, মাথার সামনের দিকে টাক, কানের পাশের চুল সাদা। দেখলেই চিনতে পারব।”

    শান্তিলতা বললেন, “ওরা একা আসে না, সব সময়ে জোড়ায় জোড়ায় থাকে। তবে রোজ যে একই জুটি আমার পিছু নেয়, তা নয়। জুটি মাঝে-মাঝেই পালটে যায়।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “শিফ্‌ট পালটায়, লোকও পালটায়। এরা আজ দিনের শিফটে কাজ করছে। রাত্তিরে আর-এক জুটি এসে এদের কাছ থেকে চার্জ বুঝে নেবে।”

    শান্তিলতাকে উদ্‌বিগ্ন দেখাচ্ছিল। তিনি বললেন, “এরা সুযোগ পেলেই আমার ক্ষতি করবে। হয় বোমা ছুড়বে, নয়তো অ্যাসিড বাল্ব। গুলিও চালাতে পারে। মিঃ ভাদুড়ি, আমি আপনার ক্লায়েন্ট। আপনি আমাকে প্রোটেকশন দেবেন না?”

    “বুঝতে পারছি, আপনি ভয় পেয়েছেন।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “তবে এখুনি এতটা ভয় পাবার কারণ আছে বলে আমার মনে হয় না। আমার ধারণা, ওরা জাস্ট আপনার উপরে নজর রাখছে, দেখছে আপনি কখন কোথায় যান, কী করেন, কাদের সঙ্গে মেশেন। হামলা-টামলা অনেক পরের ব্যাপার। আপাতত বোধহয় এর বেশি কিছু ওদের করতে বলা হয়নি। যা-ই হোক, আপনি যখন ভয় পাচ্ছেন, তখন প্রোটেকশানের ব্যবস্থা আমি এখুনি করে দিচ্ছি। ওটা নিয়ে ভাববেন না।”

    কথা শেষ করে ভাদুড়িমশাই পকেট থেকে সেল-ফোন বার করলেন। মনে হল, ক্যামাক স্ট্রিটে তাঁর ব্রাঞ্চ-আপিসে প্রদীপ সেনের সঙ্গে কথা বলবেন। ঠিক তা-ই। ওদিক থেকে সাড়া পাবার পরে বললেন, “প্রদীপ, দিস ইজ ফাইভ জিরো ডাবল এইট। একটা নাম আর ঠিকানা দিচ্ছি, টুকে নাও।” ফের পকেটে হাত ঢুকিয়ে শান্তিলতার কার্ডটা বার করে বললেন, “মিসেস শান্তিলতা মিত্র…স্কাইলাইট, ফ্ল্যাট এইট জিরো টু, থ্রি নাইন নাইন বালিগঞ্জ সার্কুলার রোড। আমি পার্ক স্ট্রিটের রয়্যাল চায়না রেস্তোরাঁ থেকে বলছি। উনি এখান থেকে ঠিক আধ ঘণ্টা বাদে বেরোবেন। পরনে মভ্ কালারের শিফন শাড়ি, বব্-ছাঁট চুল। তুমি যাকেই পাঠাও, সে এখান থেকেই একটা গাড়িতে ওঁকে ফলো করে যাবে। শি নিড্স প্রোটেকশন। দ্যাস অল।”

    সেল-ফোন পকেটে পুরে শান্তিলতার দিকে তাকিয়ে ভাদুড়িমশাই বললেন, “এখন সাড়ে ন’টা বাজে। বিল মিটিয়ে এবারে আমরা বিদায় নেব। আপনি ঠিক দশটায় বেরোবেন। আপনার প্রোটেকশানের ব্যবস্থা হয়ে গেছে। …আর হ্যাঁ, আপনি সম্ভবত আমার কাঁকুড়গাছির ঠিকানায় ফোন করে, আমি কোথায় আছি সেটা জেনে নিয়ে এখানে এসেছেন। কিন্তু আমার ধারণা, আপনি সব কথা আমাকে খুলে বলেননি! যদি সমস্ত কথা খুলে বলতে হয়, তা হলে আজ রাত্তিরে কিংবা কাল সকালে আমাকে ফোন করুন।”

    বিল মিটিয়ে রেস্তোরাঁ থেকে আমরা বেরিয়ে এলুম। দেখলুম, কানের পাশে-সাদা-চুল সেই লোকটি ঠায় ফুটপাথে দাঁড়িয়ে আছে। একা নয়, পাশে আর-একজন। তার সঙ্গী।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্টোরিজ – নিল গেইম্যান
    Next Article ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    Related Articles

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার ক্লাস – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার দিকে ও অন্যান্য রচনা – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতা কী ও কেন – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ কবিতা

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }