Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প927 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শান্তিলতার অশান্তি – ২

    ২

    কথা ছিল এবারের বাংলা নববর্ষটা কলকাতায় কাটাবেন ভাদুড়িমশাই। পারেননি। বাঙ্গালোরের আপিসে বিস্তর কাজ জমে ছিল। তার ফয়সলা করতে-করতেই নববর্ষ পেরিয়ে যায়। বাঙ্গালোর থেকে দিল্লিতে ডাক পড়ে। সেখানেও হরেক ঝামেলায় জড়িয়ে গিয়েছিলেন। ফলে আমরা ধরেই নিয়েছিলুম, এ-যাত্রায় আর তাঁর কলকাতায় আসা হচ্ছে না। এলেও হয়তো বৈশাখ পেরিয়ে জ্যৈষ্ঠে আসবেন! কথাটা সদানন্দবাবুকে জানাতে তিনি বললেন, “জষ্ঠিতেও যদি না-আসেন তো বাই দ্যাট টাইম হিমসাগর যে ফিনিশ হয়ে যাবে, মশাই। মাথা খুঁড়েও বাজারে তখন আর ও-বস্তুর খোসাটা পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যাবে না।”

    এলেন কিন্তু বোশেখ মাসেই। দিল্লি থেকে বিশে এপ্রিল রাত্তিরে হঠাৎ ফোন করে জানালেন যে, পরদিন অর্থাৎ একুশে এপ্রিল সকালের ফ্লাইটে তিনি কলকাতা আসছেন। কোনও কাজ পড়ে গিয়েছে কি না, জিজ্ঞেস করতে বললেন, “ধুর মশাই, আর কাজের কথা বলবেন না! কাজ করতে-করতে হাঁফিয়ে গেছি, এখন বিশ্রাম চাই। অন্তত এক হপ্তা। যেমন হাত-পা ছড়িয়ে বিশ্রাম করব, তেমনি পেট ভরে ভালমন্দ খাব। কলকাতায় কি নতুন কোনও ভাল রেস্তোরাঁ খুলেছে?”

    খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে আপিসে আমার তরুণ সহকর্মী রঞ্জন উপাধ্যায় একজন জানবুঝ ব্যক্তি। তাঁকে ফোন করতে তিনি বললেন, “চাইনিজে যদি আপত্তি না থাকে তো চোখ বুজে পার্ক স্ট্রিটের রয়্যাল চায়নায় চলে যান। নতুন খুলেছে, কিন্তু খাবার যা সার্ভ করছে, তার জবাব নেই। জায়গা পেতে হলে আগে-ভাগে টেবিল বুক করে যাওয়াই ভাল, কিরণদা। সন্ধের দিকে বড্ড ভিড় হয়!”

    ভাদুড়িমশাই ঠিক সময়েই কলকাতায় পৌঁছে যান। প্লেন লেট করেনি, কৌশিক দিন কয়েক আগেই বাঙ্গালোর থেকে এসে গিয়েছিল, বাড়ির গাড়ি নিয়ে দমদমে গিয়ে সে-ই তার মামাবাবুকে কাঁকুড়গাছির ফ্ল্যাটে নিয়ে আসে।

    এটা কাল সকালের কথা। আমি আর সদানন্দবাবু ঠিক করে রেখেছিলুম, দেরি না-করে কাল সন্ধেতেই আমরা সবাই মিলে রয়্যাল চায়নায় আমাদের নৈশ আহার সমাধা করব। সেটা বেশ একটা ফ্যামিলি রি-ইউনিয়নের মতন ব্যাপার হবে। শেষ পর্যন্ত অবশ্য অনেককেই দলে পাওয়া গেল না। কৌশিক আসতে পারল না তার এক বন্ধুর জন্মদিনের নেমন্তন্ন ছিল বলে। অরুণ সান্যালের ব্লাড প্রেশার চড়ে গেছে। তাঁকে বাড়িতে একা রেখে মালতীর পক্ষে কোথাও যাওয়া সম্ভব নয়। মালতী না আসায় বাসন্তীও এল না। এদিকে সদানন্দবাবুর স্ত্রী আমাদের কুসুম-বউঠান তো বাতে-পঙ্গু, কোথাও যাওয়ার কথা হলেই তিনি জোড়হস্ত কপালে ঠেকিয়ে বলেন, ‘রক্ষে করো বাবা!’ ফলে ভাদুড়িমশাই, সদানন্দবাবু ও আমি, স্রেফ তিনজনের জন্যে একটা টেবিল বুক করা হয়। তা কাল একুশে এপ্রিল শনিবার রাতে সেখানে আমাদের খাওয়া-দাওয়ার শেষ পর্বে কীভাবে এক ভদ্রমহিলার আবির্ভাব হয়, সে-কথা এর আগের পরিচ্ছেদেই বলেছি।

    শান্তিলতার জন্যে একজন রক্ষীর ব্যবস্থা করে দিয়ে, রেস্তোরাঁ থেকে বেরিয়ে আসার আগে ভাদুড়িমশাই তাঁকে বলেছিলেন যে, সমস্ত কথা যদি খুলে বলতে হয়, তা হলে শান্তিলতা যেন কাল রাত্তিরেই কিংবা আজ সকালে তাঁকে একটা ফোন করেন।

    আজ বাইশে এপ্রিল, রবিবার। সকাল আটটা নাগাদ ভাদুড়িমশাই ফোন করেছিলেন। ফোনটা বাসন্তী ধরেছিল। নিজে খানিকক্ষণ কথা বলার পরে রিসিভারটা আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলল, “চারুদা। জিজ্ঞেস করছিলেন, তোমার ঘুম ভেঙেছে কি না।”

    বললুম, “আমার ঘুম রোজ যেমন ভাঙে, আজও তেমন কাঁটায় কাঁটায় সাতটাতেই ভেঙেছে। তা আপনার খবর কী? ভদ্রমহিলা ফোন করেছিলেন?”

    “মিসেস মিত্র?” ভাদুড়িমশাই হেসে বললেন, “কাল রাত্তিরেই করেছিলেন। বললেন, সব কথা কাল বলতে পারেননি, আরও কিছু বলা দরকার। সকালেই চলে আসতে চাইছিলেন। নাকি খুবই জরুরি কথা।”

    “তাতে আপনি কী বললেন?”

    “বললুম, সকালে আমার সময় হবে না। সন্ধের দিকে ওঁর সঙ্গে বসতে পারি।”

    “কোথায় বসবেন?”

    “কোথায় আবার, এই কাঁকুড়গাছির ফ্ল্যাটে। সন্ধে সাতটায় সময় দিয়েছি। আপনিও চলে আসুন না।”

    “আমি গিয়ে কী করব?”

    “বাঃ, আপনি তো একেবারে গোড়া থেকেই সব দেখছেন। আপনি না-এলে চলে? …আর হ্যাঁ, সদানন্দবাবু যদি আসতে চান, তো ওঁকেও নিয়ে আসুন।”

    হাসি চেপে বললুম, “সদানন্দবাবুকে কি আপনি চেনেন না? যেতে উনি চাইবেনই। হাতে হাজারটা কাজ থাকলেও সে-সব ফেলে রেখে উনি যাবেন। কিন্তু আমরা যাব কখন? ওই সাতটায়?”

    “না, না, পাঁচটা নাগাদ চলে আসুন।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “কৌশিককে একটা কাজে পাঠাচ্ছি। সে-ও মনে হয় পাঁচটার মধ্যে ফিরে আসতে পারবে।”

    “যেতে যখন বলছেন, তখন যাব নিশ্চয়ই। তবে সত্যিই কি আমাদের যাওয়ার দরকার ছিল? স্ত্রীর চালচলন নিয়ে স্বামীর সন্দেহ, পিছনে লোক লাগানো, ঝগড়া—এ তো আকছার হচ্ছে। নেহাতই মামুলি ব্যাপার।”

    “আপনি তা-ই মনে করেন?”

    “কেন, আপনি করেন না?”

    “করলে কি আর ফের ওঁকে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলতুম? উনি প্রোটেকশানের ব্যবস্থা করতে বলেছিলেন, আমি সেটা করে দিয়েছি। বাস, ব্যাপারটা ওখানেই মিটে যেত।”

    ভাদুড়িমশাই আর কথা বাড়ালেন না, ফোন কেটে দিলেন।

    আজ রবিবার। কিন্তু কাজের চাপ থাকায় আজও আপিসে যেতে হয়েছিল। যাওয়ার আগে সদানন্দবাবুর সঙ্গে কথা হল। বললুম, বিকেল পাঁচটা নাগাদ আমার সঙ্গে তাঁকে কাঁকুড়গাছিতে যেতে হবে! ভাদুড়িমশাই যেতে বলেছেন। কোনও অসুবিধে হবে না তো? তাতে তিনি একগাল হেসে বললেন, “ভাদুড়িমশাই যেতে বলেচেন আর আমি যাব না? তাও কি হয় নাকি? একশোবার যাব। অসুবিদে হলেও যাব।”

    “ঠিক আছে।” আমি বললুম, “তা হলে তৈরি হয়ে থাকবেন, সাড়ে চারটে থেকে পৌনে পাঁচটার মধ্যে আমি আপনাকে বাড়ি থেকে তুলে নেব।”

    তা-ই নিয়েছিলুম। কাঁকুড়গাছিতে পৌঁছেও যাই পাঁচটার মধ্যেই। কৌশিক তখনও ফেরেনি। কোথায় কী কাজে তাকে পাঠানো হয়েছে, জিজ্ঞেস করতে ভাদুড়িমশাই বললেন, “অত ব্যস্ত হবার কিছু নেই। ওকে ফিরতে দিন, ফিরে এলে ওর কাছেই শুনবেন। বিকেলে বাড়ি ফিরে চা খেয়েছেন?”

    “সময় পেলুম কোথায়?”

    “তা হলে চায়ের কথা বলি। আমিও খাইনি। আপনাদের সঙ্গে খাব বলে অপেক্ষা করছিলুম। অরুণ, তুমিও খাবে তো?”

    মালতী ঘরে ঢুকে বলল, “ও খাবে না। বিকেলে এক কাপ খায়। সেটা একটু আগেই খেয়েছে। তোমাদের তিনজনের চা পাঠিয়ে দিচ্ছি।”

    পাঁচ মিনিটের মধ্যেই চা চলে এল। প্রায় সঙ্গে-সঙ্গেই এল কৌশিক। ঘরে ঢুকেই চেঁচিয়ে বলল, “মা, বড্ড হাঁফিয়ে গেছি, আমিও চা খাব।”

    কাজের মেয়েটি এসে বলল, “এই একটা বাড়তি কাপ রেকে যাচ্চি। মা বললেন, এখন আর চা হবেনি। পটে চা দিয়েছি, চারজনে ভাগ করে খান।”

    চা বানাবার ভার ভাদুড়িমশাই নিজেই নিয়েছেন। আমার আর সদানন্দবাবুর কাপে হাল্কা লিকার ঢেলে, নিজের আর কৌশিকের কাপে লিকারের সঙ্গে দুধ-চিনি মেশালেন। তারপর কৌশিকের কাপটা তার দিকে এগিয়ে দিয়ে বললেন, “মা’কে আর জ্বালাস না। রেগে আছে।”

    গলা নামিয়ে কৌশিক বলল, “কেন? বাবা ঠিকমতো ওষুধ খাচ্ছে না, তাই?”

    “আরে না। সাতদিন আগে গ্যাস বুক করেছিল, এখনও তার ডেলিভারি দেয়নি। এদিকে সেকেন্ড সিলিন্ডারটাও ফুরিয়ে আসছে। রাগ তো হতেই পারে। কিন্তু সে কথা থাক। তোর কী খবর?”

    “খবর সুবিধের নয়।”

    “তার মানে আমি যা ভেবেছিলুম, তা-ই?”

    “তার চেয়েও খারাপ।” চায়ের পেয়ালায় চুমুক দিয়ে কৌশিক বলল, “যুগল চৌধুরি ইজ আ রটন অ্যাপ্‌ল!”

    সদানন্দবাবু বললেন, “কোন যুগল চৌধুরি? মিসেস মিত্র কাল যার কথা বলছিলেন? …ওই মানে যে-ছোকরাটিকে নিয়ে মিসেস মিত্রের হাজব্যান্ডের সন্দেহ?”

    ভাদুড়িমশাইয়ের দিকে তাকিয়ে আমি বললুম, “আপনি কি তারই খোঁজ করতে কৌশিককে পাঠিয়েছিলেন নাকি?”

    “তা নইলে আর কার খোঁজে পাঠাব?” ভাদুড়িমশাই মৃদু হেসে বললেন, “তার ঠিকানাটা তো জেনে রাখা হয়নি, শুধু জানি যে, এককালে সে-ও ট্র্যাভ্ল-স্টারে কাজ করত। তা সেইখানেই কৌশিককে পাঠিয়েছিলুম। ভাবলুম, যদি কিছু খোঁজখবর পাওয়া যায়। …এই মানে অ্যাজ অ্যান এমপ্লয়ি লোকটি কেমন ছিল। কাজে কর্মে মনোযোগী ছিল, না ফাঁকিবাজ। নিয়মিত কাজে আসত, না ডুব মারত মাঝেমধ্যে। ওবিডিয়েন্ট, না অ্যারোগ্যান্ট। লেজি, না চটপটে। ডিপার্টমেন্টের অন্য লোকজনদের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন ছিল। ঝগডুটে ছিল কি না। কথায়-কথায় তর্ক জুড়ে দিত কি না। …এইসব টুকিটাকি খবর আর কী। …আরে, আপনি হাসছেন কেন?”

    “হাসব না?” আমি বললুম, “এ তো ইউজলেস ইনফর্মেশন। এসব জেনে কী হবে?”

    “কিছুই হবে না? আরে মশাই, আর কিছু না হোক, লোকটার মানসিকতা কোন ধাঁচের, আর হ্যাঁ, তার মেজাজ-মর্জিই বা কেমন, তার তো একটা আন্দাজ পাওয়া যাবে। সেটাই বা কম কী?”

    “ঠিক আছে, কিন্তু আজ তো রবিবার, ট্র্যাভল-স্টার আজ খোলা ছিল?”

    “সেটা আমিও ভেবেছিলুম, কিরণমামা।” কৌশিক বলল, “কিন্তু মামাবাবু তো ট্র্যাভল-স্টারের বাঙ্গালোর আপিসের পুরনো ক্লায়েন্ট। গত তিন-চার বছর ধরে ওরাই মামাবাবুর ট্র্যাভল এজেন্ট হয়ে সব কাজকর্ম করে দিচ্ছে। তাই উনি জানেন যে…”

    “হপ্তায় সাতদিনই ওদের সব আপিস খোলা থাকে। অল ওভার ইন্ডিয়া। রোববারে অবশ্য কর্তাব্যক্তিরা যান না, তবে কিছু-না-কিছু লোক থাকেই।”

    কৌশিকের কথাটা ভাদুড়িমশাই শেষ করলেন। “এটা একটা মস্ত সুবিধে। বিশেষ করে যারা ফরেনে যায়, তাদের পক্ষে। মানে পাসপোর্ট, ভিসা, হেলথ-সার্টিফিকেট, ট্র্যাভলার্স চেক, এয়ার টিকেট, বখেড়ার তো শেষ নেই, অনেককে একেবারে শেষ মুহূর্তে এগুলো ধরিয়ে দিতে হয়। দ্যাটস হোয়াই।”

    “তা তো হল,” আমি বললুম, “কিন্তু লোকটার সম্পর্কে জানাটা গেল কী?”

    কৌশিক বলল, “সেটাই তো বলতে যাচ্ছিলুম, কিন্তু তোমরা বলতে দিচ্ছ কই। খালি আগড়ম-বাগড়ম। এখন যা বলছি, মন দিয়ে শোনো। মামাবাবু ভেবেছিল, লোকটা ফাঁকিবাজ, কাজেকর্মে মন নেই, মেয়েদের পিছনে ঘুরঘুর করা টাইপ, মেজাজি, অর্কেস্ট্রা পার্টি নিয়ে বাইরে কোথাও যাবার জন্যে ছুটি চেয়েছিল, সেটা মঞ্জুর না-হওয়ায় মেজাজ দেখিয়ে কাজ ছেড়ে দিয়েছে কিন্তু এটা যে কাজ ছেড়ে দেওয়ার ব্যাপার নয়, টাকা চুরির দায়, কাজ থেকে ছাড়িয়ে দেওয়ার ব্যাপার, মামাবাবু তা ভাবতে পারেনি। কী মামাবাবু, পেরেছিলে?”

    “না, পারিনি।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “কত টাকা?”

    “অ্যামাউন্টটা বড় নয়, হাজার পাঁচেক। সেটার জন্যে ওরা আর থানা-পুলিশ করেনি। জাস্ট ওর মাইনে থেকে টাকাটা কেটে রেখে ওকে ঘাড়ধাক্কা দিয়ে বিদেয় করে দেওয়া হয়।”

    “এটা কার কাছে জানলি?”

    “ওর একজন কলিগের কাছে।”

    “তাঁর কাছে জানতে চেয়েছিলি যে, যুগল চৌধুরি ওখানকার চাকরিতে কীভাবে ঢুকেছিল? “তার মানে?”

    “তার মানে কাগজে কর্মখালির বিজ্ঞাপন দেখে দরখাস্ত করে ইন্টারভিউয়ে সিলেক্টেড হয়ে…মানে নর্মালি লোকে যেভাবে চাকরিতে ঢোকে আর কি…সেইভাবে ঢুকেছিল, নাকি কারও সুপারিশে?”

    কোনও ব্যাপারে সন্দেহ দেখা দিলে কিংবা কারও কথায় অত্যধিক কৌতুহলী হলে ভাদুড়িমশাইয়ের চোখ যেমন হঠাৎই সরু হয়ে যায়, কৌশিকও সেটা রপ্ত করেছে দেখছি। হঠাৎই সরু চোখে সে তার মামাবাবুর দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল, “তুমি জানলে কী করে?”

    ভাদুড়িমশাই হেসে বললেন, “কী জানব?”

    “যুগল কোনও মুরুব্বির সুপারিশের জোরে ওখানে চাকরি পেয়েছিল।”

    “জানি না তো।” হাসিটা ধরে রেখে ভাদুড়িমশাই বললেন, “জাস্ট অনুমান করেছিলুম।”

    “ঠিকই অনুমান করেছ।” কৌশিক বলল, “তবে আমাকে কিছু জিজ্ঞেস করতে হয়নি। ভদ্রলোক নিজের থেকেই বললেন, বি. কম. পরীক্ষায় গাড্ডু মেরেও মুরুব্বির জোরে চাকরি পাওয়া যায় ঠিকই, কিন্তু সেটা রাখা যায় না। চাকরি রাখার জন্যে কাজ জানা চাই, অনেস্টি থাকা চাই, কোম্পানির প্রতি লয়্যাল থাকা চাই। এগুলি একেবারে মিনিমাম রিকোয়ারমেন্ট। কিন্তু যুগলের নাকি এর কিছুই ছিল না।”

    আর-সবাই চা পেলেও গিন্নি বাগড়া দেওয়ায় তিনি চা পাননি, অরুণ সান্যাল সম্ভবত এই কারণেই এতক্ষণ বিরস মুখে একটা মেডিক্যাল জার্নালের পাতা ওলটাচ্ছিলেন কিন্তু জুতসই একটা বিষয় পেয়ে যাওয়ায় তিনি আর মুখ না খুলে থাকতে পারলেন না। বললেন, “এইজন্যেই তো আমাদের আপিসগুলোতে কোনও কাজ হয় না। লোকগুলো সব মুরুব্বির জোরে চাকরি পায় আর ফ্যানের হাওয়া খেতে-খেতে হাই তোলে! আ হোল লট অব ওয়ার্থলেস পিল!”

    সদানন্দবাবু বললেন, “হাই তোলে আর জাবর কাটে। তা হলে আর কাজকম্মো হবে কোত্থেকে। আমাদের জেঙ্কিনস অ্যান্ড জেঙ্কিনসে কিন্তু এমনটা হবার জো ছিল না। আরে বাবা, মুরুব্বির জোর তো আমারও ছিল, কিন্তু তাই বলে কি কখনও কাজে ফাঁকি দিতে পেরিচি? মাঝখানে আধ ঘণ্টা টিপিনের কতা যদি ছেড়ে দেন তো নাইন থার্টি টু ফাইভ শুধু কাজ আর কাজ। তা সে তো হবেই, মাথার ওপরে একজন সায়েব ছিল যে!”

    “ওহো, একটা কথা বলা হয়নি।” কৌশিক বলল, “আপিস থেকে তাড়িয়ে দেবার আগে, যুগলকে দিয়ে একটা লেটার অব রেজিগনেশন লিখিয়ে নেওয়া হয়েছিল। যাতে ইউনিয়ন না ঝামেলা পাকাতে পারে।”

    ভাদুড়িমশাই হেসে বললেন, “আর নোটিস-পিরিয়ডের মাইনেটাও না দিতে হয়। তা তো হল, যুগলের মুরুব্বিটি কে, তা জানতে পারলি?”

    “ঠারেঠোরে জানবার চেষ্টা করেছিলুম। কিন্তু কলিগটি দেখলুম মহা সেয়ানা, যুগলের চাকরি যাবার খবরটা দেবার পরেই কচ্ছপের মতন হঠাৎ শুঁড় গুটিয়ে নিল। তবে হ্যাঁ, একটা কথা বলেছিল বটে।”

    সেটা কী?”

    “বলেছিল যে, যুগলের চাকরি যাওয়ায় তার গডফাদারও নাকি অখুশি হননি। চিফ অ্যাকাউন্টস অফিসার তাঁকে ফোন করে খবরটা দেওয়ায় বলেছিলেন, আপদ গেছে!”

    কথা আর এগোল না। ডোর বেল বাজল। হাতঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলুম, কাঁটায় কাঁটায় সাতটা। কাজের মেয়েটি এসে বলল, এক ভদ্রমহিলা দেখা করতে এসেছেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্টোরিজ – নিল গেইম্যান
    Next Article ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    Related Articles

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার ক্লাস – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার দিকে ও অন্যান্য রচনা – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতা কী ও কেন – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ কবিতা

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }