Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প927 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শান্তিলতার অশান্তি – ৪

    ৪

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “আপনার সম্পর্কে ধনঞ্জয় মিত্রের সন্দেহ কিছু নতুন ব্যাপার নয়। ওটা ছিল আপনাদের পরিচয় আর ঘনিষ্ঠতার একেবারে প্রথম পর্যায় থেকেই। সেটাই যে স্বাভাবিক তা আমি আগেও বলেছি, এখনও বলছি। সন্দেহটা আরও জোর পায়, যুগলকে এই ট্র্যাভল স্টারেই চাকরি করে দেবার জন্যে যখন ধনঞ্জয় মিত্রের কাছে আপনি আবদার জানান। চাকরিটা ধনঞ্জয় মিত্র করে দিয়েছিলেন ঠিকই, আর তার দু’বছর বাদে নাইন্টিসিক্সে আপনাকে বিয়েও তিনি করেছিলেন। কিন্তু বিয়ের পরে আপনার একা-একা বাড়ি থেকে বেরুনো বন্ধ করে দিয়েও তাঁর সন্দেহ গেল না কেন?”

    শান্তিলতা বললেন, “কেন গেল না, সেটাই তো আশ্চর্যের ব্যাপার।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “তা-ই কি? আমার কিন্তু খুব আশ্চর্য ঠেকছে না।”

    “কেন?”

    এইজন্যে যে, কারও সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হলে যে বাইরে বেরুতেই হবে, এমন কোনও কথা নেই। ওটা বাইরে না-বেরিয়েও দিব্যি রাখা যায়। চিঠিপত্তর দেওয়া-নেওয়া করে রাখা যায়, তা ছাড়া হাতের কাছে একটা টেলিফোন তো ছিলই, যোগাযোগ রাখার ব্যাপারে ওটার কথা ভুলে যাচ্ছেন কেন? …মিসেস মিত্র, বিয়ের পরে ওই যে আপনার বাইরে বেরুনো বন্ধ হয়ে গেল, তারপরে আর যুগলকে আপনি কোনও চিঠিপত্তর লেখেননি? কিংবা যুগল আপনাকে?

    প্রশ্নটা করামাত্র শান্তিলতার ভুরু ধনুকের মতো বেঁকে গেল। তীব্র চোখে ভাদুড়িমশাইয়ের দিকে তাকিয়ে তিনি বললেন, “ইউ মিন লাভ-লেটার্স?”

    ভেবেছিলুম এই পাল্টা-প্রশ্নে ভাদুড়িমশাই অস্বস্তিতে পড়ে যাবেন। পড়লেন না। নির্বিকার মুখে বললেন, “যদি তা-ই মিন করে থাকি?”

    “তা হলে আমি আগেই যা বলেছি, তা-ই আর-একবার বলব। মিঃ ভাদুড়ি, যুগলের বয়েসের কথাটা ভুলে যাবেন না। ও আমার চেয়ে আট বছরের ছোট। ওর সঙ্গে আমার সম্পর্কটা প্রেমের নয়, লাভ-লেটার লেখার কোনও প্রশ্নই তাই উঠছে না।”

    “দুঃখিত। অন্য-কোনও চিঠি? …চুপ করে রইলেন কেন? তাও লেখেননি?”

    “লিখেছিলুম। নেহাত মামুলি চিঠি। …এই মানে ট্র্যাভল-স্টারে যাদের সঙ্গে কাজ করতুম….তা নেহাত কম দিন তো ওখানে কাজ করিনি… তারা কে কেমন আছে, যুগলের নিজেরই বা খবর কী, টিভিতে কিংবা রেডিয়োয় সে এর মধ্যে কোনও প্রোগ্রাম করেছে কি না, এইসব। …একখানা নয়, দুখানা চিঠি।”

    “উত্তর পেয়েছিলেন?”

    “একখানারও না।” শান্তিলতা বললেন, “অবশ্য পাবই বা কী করে? চিঠি পেলে তবে তো সে তার উত্তর লিখবে। কোনও চিঠিই সে পায়নি।”

    “চিঠি কি আপনি নিজে পোস্ট করেছিলেন?”

    “কী করে করব? আমি কি বাড়ি থেকে বেরুতে পারতুম? দু’বারই কাজের লোকদের কারও-না-কারও হাতে দিয়ে বলেছিলুম, সে যেন রাস্তার ধারের কোনও ডাকবাক্সে ফেলে দেয়।”

    ‘সে যে ফেলেনি তা তো বোঝাই যাচ্ছে।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “নিজের ইচ্ছেয় ফেলেনি, তা নয়, সে তার মনিবের হুকুম তালিম করেছে মাত্র। নিশ্চয় তাকে বলে রাখা হয়েছিল যে, মালকিন তাকে কোনও চিঠি দিলে সেটা যেন সে ডাকবাক্সে না-ফেলে মালিকের হাতে তুলে দেয়। …যা-ই হোক, যুগলের কাছে আপনার দুখানা চিঠির কোনওটাই যে পৌঁছয়নি, এটা আপনি কবে জানলেন?”

    “থিয়েটার রোডের বাড়ি ছেড়ে তো আমি বেরিয়ে এসেছি। বেরিয়ে আসার পরে জানলুম। যুগলের কাছেই জানলুম।”

    “ও-বাড়িতে থাকতে যুগলের সঙ্গে আপনার ফোনেও কথা হয়নি কখনও?”

    “থিয়েটার রোডের বাড়ি থেকে সরাসরি ফোন করাও যায় না, ধরাও যায় না।” শান্তিলতা বিষণ্ণ হেসে বললেন, “সবই হয় পিবিএক্সের মাধ্যমে। সেখানে চব্বিশ ঘণ্টাই কেউ-না-কেউ ডিউটিতে থাকে। বাইরে থেকে আপনার কোনও কল এলে সে-ই আপনার দোতলার লাইনে সেটা দিয়ে দেবে। তার আগে অবশ্য আপনার লাইনে রিং করে জেনে নেবে যে, অমুক লোক আপনার সঙ্গে কথা বলতে চান, তাঁর কলটা আপনি রিসিভ করবেন কি না।”

    “বাইরে থেকে অমন কোনও কল আপনার কখনও আসেনি?”

    “না, আসেনি। কিংবা হয়তো এসেছিল, কিন্তু পিবিএক্স থেকে তা আমাকে দেওয়া হয়নি। সেও হয়তো দেওয়া হয়নি আমার স্বামীরই হুকুমে।”

    “ওরেব্বাবা,” কৌশিক বলল, “এ কি বাড়ি, না হিটলারের কনসেনট্রেশন ক্যাম্প?”

    সদানন্দবাবু বললেন, “আপনাকে একেবারে হাজতে পুরে ফেলেছিল দেকচি! এ তো ভাবাই যায় না!”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “কল তো রিসিভ করতে পারতেন না, নিজে কল করতে পারতেন?”

    “সেও করতে হত গ্লু পিবিএক্স।” শান্তিলতা বললেন, “কিন্তু মজা কী জানেন, যতবার বাইরে কাউকে কল করার চেষ্টা করেছি, পিবিএক্স থেতে ততবারই আমাকে বলা হয়েছে যে, যে-লাইন আমি চাইছি সেটা টেম্পোরারিলি ডিসকানেক্টেড, নয়তো এনগেজড, নয়তো আউট অব অর্ডার, নয়তো রিং করে যাচ্ছে কিন্তু কেউ ধরছে না। প্রতিবার এই একই কাণ্ড হত।”

    “এটাও আপনার স্বামীর নির্দেশেই হত। ভদ্রলোক চাইতেন না যে, বাইরের কারও সঙ্গে আপনি কথা বলুন, কিংবা বাইরের পৃথিবীর সঙ্গে আপনার নিজস্ব কোনও সম্পর্ক থাক। যেখানে তিনি কিংবা তাঁর বাড়ির লোকেরা আপনাকে নিয়ে যাবেন, একমাত্র সেখানেই আপনার যাওয়া চলবে, আর হ্যাঁ, কথাবার্তা বলা আর সম্পর্ক রাখাও চলবে একেবারে ধরাবাঁধা গুটিকয় লোকের সঙ্গে। …বাই দ্য ওয়ে একটা কথা জিজ্ঞেস করি, ধনঞ্জয় মিত্রের বাড়িতে কি ফোনের কোনও ডিরেক্ট লাইন নেই? মানে একেবারে সরাসরি…উইদাউট হ্যাভিং টু গো থ্রু দ্য পিবিএক্স…কারও সঙ্গে বাইরের কেউ কথা বলতে পারে না?”

    “তা কেন পারবে না?” শান্তিলতা বললেন, “আমার স্বামীর সেলফোন আছে, পুরন্দরের আছে, ইন্দিরারও আছে। তাঁরা সরাসরি বাইরের লাইনের সঙ্গে কথা বলেন।”

    “আপনার নেই?”

    “ছিল। ট্র্যাভল স্টারে কাজ করতুম না? সেখান থেকে পাওয়া। চাকরি ছাড়ার সময় সেটা কোম্পানিকে ফেরত দিয়ে এসেছি।”

    “তারপর থেকে আর নেই?”

    “ছিল না। এখন আবার আছে। থিয়েটার রোডের বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসার পর প্রথমেই যে ক’টা জিনিস কিনি, তার একটা এই সেলফোন।”

    শান্তিলতা তাঁর হ্যান্ডব্যাগ খুলে সেলফোনটা বার করে ভাদুড়িমশাইয়ের দিকে এগিয়ে দিলেন। ভাদুড়িমশাই সেটা কৌশিকের হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললেন, “নম্বরটা টুকে রাখ।” কৌশিক তার নোটবুকে নম্বর টুকে রেখে যন্ত্রটা আবার শান্তিলতাকে ফিরিয়ে দিল।

    “প্রায় পাঁচ বছর আমি স্বামীর ঘর করেছি।” শান্তিলতা বললেন, “তার মধ্যে না হোক তো পাঁচশো বার বলেছি আমাকে একটা সেলফোন দিতে। দেননি। সারাক্ষণ সন্দেহ যে, এই বুঝি আমি বাইরের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করব। ভাবা যায়? মিঃ ভাদুড়ি, আমার পাগল-পাগল লাগত! ভয় হত যে, সত্যি আমি পাগল হয়ে যায়। এত সন্দেহ! এর মধ্যে থাকা যায়? শেষপর্যন্ত আমি আর পারলুম না, আমাকে ওবাড়ি থেকে বেরিয়ে আসতে হল। অথচ তাতেই বা রেহাই পেলুম কই। ওঁর সন্দেহ এখনও আমাকে তাড়া করে বেড়াচ্ছে।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “এমন যে হবে, তা কিন্তু আপনার বোঝা উচিত ছিল। এটা নতুন-কিছু নয়, সন্দেহ উনি বিয়ের আগে থেকেই করছেন। পরে সেটা আরও বেড়েছে মাত্র।”

    “কেন বাড়ল, সেটাই তো বুঝতে পারছি না। এ পর্যন্ত যা বললুম, তাতে কোনও কারণ খুঁজে পাচ্ছেন?”

    “কারণ তো নানা রকমই হতে পারে। কিন্তু সেটা আপনারই জানার কথা। আমরা বাইরের লোক, স্বামী-স্ত্রী’র সম্পর্ক কখন কী কারণে কোন পথে মোড় নেয়, তা আমরা কীভাবে জানব? অনুমান হয়তো করতে পারি, কিন্তু সেটাই যে সঠিক, তা-ই বা বলতে পারছি কই?”

    একটুক্ষণ চুপ করে রইলেন ভাদুড়িমশাই। তারপর বললেন, “একটা প্রশ্ন করছি। খুব ভেবেচিন্তে উত্তর দেবেন। প্রশ্নটা আপনার অতীত জীবন সম্পর্কে। মানে ধনঞ্জয় মিত্রের সঙ্গে যখন আপনার বিয়ে তো হয়ইনি, এমন কী পরিচয় পর্যন্ত হয়নি, সেই তখনকার জীবন সম্পর্কে।”

    শান্তিলতা বললেন, “বেশ, করুন।”

    মিঃ মিত্রের সঙ্গে যখন বিয়ে হয়, আপনার বয়েস তখন পঁয়তিরিশ। আমি ধরে নিচ্ছি, তার বছরখানেক আগে আপনাদের পরিচয় হয়। ভুল বলছি?”

    “না, ঠিকই বলছেন, আমাদের পরিচয় হয় নাইন্টিফাইভের মার্চে।”

    “তখন আপনার চৌত্রিশ চলছে, কেমন?”

    “রাইট।”

    “কিন্তু চৌত্রিশও তো খুব কম বয়েস নয়। বিয়ে নাহয় না-ই করলেন, অনেক মেয়েই আজকাল ওই বয়েস পর্যন্ত অবিবাহিত থাকেন। এস্পেশালি যাঁদের ভাবনাচিন্তা একটু কেরিয়ার-ওরিয়েন্টেড, মানে বিয়েটাকে যাঁরা চাকরিতে উন্নতির পথে একটা বাধা বলে ভাবেন, তাঁরা তো থাকেনই। তো তা আমি জানি, আর তা নিয়ে কোনও প্রশ্নও তাই করছি না। আমি ভাবছি, বিয়ে না-করলেই যে কারও সঙ্গে কোনও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠবে না, তার তো কোনও মানে নেই। তাই…ইফ ইউ ডু নট মাইন্ড…আমি জানতে চাইব, চৌত্রিশ বছর বয়েস পর্যন্ত কি সত্যিই কারও সঙ্গে তেমন কোনও সম্পর্ক আপনার গড়ে ওঠেনি?”

    মুখ নিচু করে সব শুনছিলেন শান্তিলতা। একেবারে হঠাৎই তিনি মুখ তুললেন এই প্রশ্ন শুনে। তীব্র চোখে ভাদুড়িমশাইয়ের দিকে তাকিয়ে বললেন, “ওহ গড়, আপনি কি এখনও সেই যুগলের কথাই ভেবে যাচ্ছেন?”

    “না, আমি যুগলের কথা ভাবছি না!” একটুও বিচলিত না-হয়ে সেই একই রকমের নির্বিকার শান্ত গলায় ভাদুড়িমশাই বললেন, “আপনি-বলেছেন যুগল আপনার ম্যান ফ্রাইডে, অ্যান্ড আই বিলিভ ইউ, আমি ধরে নিচ্ছি যে, সেটাই সত্যি কথা। কিন্তু মিসেস মিত্র, যুগলই তো একমাত্র পুরুষ নয়, সে ছাড়াও তো বিস্তর পুরুষের ক্লোজ টাচে আপনাকে আসতে হয়েছে, তো আপনার চৌত্রিশ বছর বয়েসের মধ্যে তাদের কেউ কি একটা চিঠি পর্যন্ত আপনাকে লেখেনি?”

    “তা তো লিখতেই পারে, তাতে কী হল?”

    “প্রশ্ন না করে জবাব দিন। আপনিও লিখেছেন?”

    “না-লেখার কী আছে। আর তা ছাড়া সে তো অনেক আগের কথা। মিঃ মিত্রের সঙ্গে তখন আমার পরিচয় পর্যন্ত হয়নি। পরিচয় হবার পরে যে কারও সঙ্গে আমি কোনও সম্পর্ক রাখিনি, সেটাই তো আসল কথা। তার আগে যদি কেউ আমাকে চিঠি লিখে থাকে কি আমি চিঠি লিখে থাকি কাউকে, তো সেটাই আপনি একটা অস্বাভাবিক ব্যাপার বলবেন নাকি?”

    “মোটেই না।” ভাদুড়িমশাই হোহো করে হেসে উঠলেন। তারপর হাসি থামিয়ে বললেন, “বরং তাকেই আমি সবচেয়ে স্বাভাবিক ব্যাপার বলে মনে করব। ইন ফ্যাক্‌ট্ তা-ই আমি মনে করছি। তবে একইসঙ্গে যে একটু চিন্তায় পড়ে যাচ্ছি, তাও ঠিক।”

    “চিন্তা কেন?”

    “ব্যাপারটা স্বাভাবিক বলেই চিন্তা।”

    “তার মানে?”

    “বুঝতে পারছেন না, কেমন?”

    সদানন্দবাবু বললেন, “আমিও কিন্তু বুঝতে পারচি না। যাকে আপনি সবচেয়ে স্বাভাবিক…. ওটা মশাই আপনারই কথা…সবচেয়ে স্বাভাবিক ব্যাপার বলে মনে করেন, তা নিয়ে চিন্তার কী আচে?”

    কৌশিক মৃদু-মৃদু হাসছিল। তার দিকে তাকিয়ে ভাদুড়িমশাই বললেন, “তোর হাসি দেখে মনে হচ্ছে, এঁরা না বুঝলেও তুই অন্তত বুঝতে পেরেছিস।”

    “বোধহয় পেরেছি।” কৌশিক বলল, “কী বুঝেছি, বলব?”

    “থাক, তোকে কিছু বলতে হবে না।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “একটা স্বাভাবিক ব্যাপার নিয়ে আমার অত চিন্তা কেন, আমিই সেটা বুঝিয়ে বলছি। বিয়ের আগে…এমনকী হবু-স্বামীর সঙ্গে পরিচয় হওয়ারও আগে কোন মেয়ের সঙ্গে কার চিঠিপত্তর লেখালিখি হয়েছিল, সেটা কোনও বুদ্ধিমান লোকেরই ভাবনার বিষয় হতে পারে না। ধনঞ্জয় মিত্রকেও বোকা ভাবার কোনও কারণ নেই। অত বড় একটা ব্যাবসা যিনি চালাচ্ছেন, ইন ফ্যাক্‌ট খুবই সাকসেসফুলি চালাচ্ছেন, এত-এত লোক চরিয়ে খাচ্ছেন, ধরেই নেওয়া যায়, তাঁর বুদ্ধি খুবই টনটনে। সুতরাং…”

    ভাদুড়িমশাইকে থেমে যেতে দেখে আমি বললুম, “সুতরাং কী?”

    “সুতরাং, ওই চিঠি-লেখালিখির ব্যাপারটা যদি তিনি জানতে পারেন, তা হলে তিনি আদৌ বিচলিত হবেন না, বরং আমাদেরই মতো তিনিও এটাকে একটা স্বাভাবিক ব্যাপার বলে ভাববেন। তিনি বিচলিত হতে পারতেন, যদি দেখতেন যে, চিঠি লেখালিখির ব্যাপারটা শেষ হয়ে যায়নি, সেটা বিয়ের পরেও চলেছে।”

    “সে-প্রশ্ন তো উঠছেই না।” শান্তিলতা বললেন, “সেই নাইন্টিফাইভের মার্চ থেকেই…আই মিন মিঃ মিত্রের সঙ্গে আমার পরিচয় একটু ঘনিষ্ঠ হবার পর থেকেই আমি কল্যাণকে চিঠি লেখা বন্ধ করে দিই, তাকেও ফোন করে জানিয়ে দিই যে, সে যেন আমাকে আর চিঠি না লেখে। কল্যাণও তার পরে আর আমাকে কোনও চিঠি লেখেনি। সে কথা দিয়েছিল আমাকে আর চিঠি লিখে জ্বালাবে না, অ্যান্ড হি কে হিজ প্রমিস।”

    “কল্যাণ কে?”

    “কল্যাণ রায়। এক্সপোর্ট-ইমপোর্টের ছোটখাটো একটা ব্যাবসা করত। ব্যাবসার কাজে মাঝেমধ্যে ব্যাংককে, কুয়ালালামপুরে কি সিঙ্গাপুরে যেত।”

    “টিকিট, ভিসা ইত্যাদির ব্যবস্থা করে দিতেন আপনারাই?”

    “হ্যাঁ, সেই সূত্রেই ট্র্যাঙ্ক-স্টারে আসত। কল্যাণের সঙ্গে সেখানেই আমার পরিচয়।”

    “ম্যারেড?”

    প্রশ্নটা একেবারে আচমকা আসায় শান্তিলতা একটু হকচকিয়ে গেসলেন। পরক্ষণেই নিজেকে সামলে নিয়ে বললেন, “কার কথা জিজ্ঞেস করছেন?”

    “কল্যাণ রায়ের কথা। উনি কি বিবাহিত?”

    “হ্যাঁ।” মাথা নিচু করে শান্তিলতা বললেন, “কিন্তু যখন পরিচয় হয়, তখন তা আমি জানতুম না। জানতে পারি বছর দুয়েক বাদে। ওই নাইন্টিফাইভেরই গোড়ার দিকে।”

    “কী করে জানলেন?”

    “ওর স্ত্রী আমাদের অফিসে এসে আমার সঙ্গে দেখা করেন। সঙ্গে একখানা চিঠি নিয়ে এসেছিলেন। আমারই চিঠি। কল্যাণকে লেখা। …ওহ্, দ্যাট ওয়জ হরিল!”

    সদানন্দবাবু বললেন, “এসে খুব কান্নাকাটি জুড়ে দিয়েছিলেন বুঝি?”

    “কান্নাকাটি নয়, হট্টগোল!” শান্তিলতা বললেন, “সঙ্গে মাস্তান-টাইপের দুটো লোককে নিয়ে এসেছিলেন। বললেন, তাঁর ভাই। তারা তো আস্তিন গুটিয়ে আমাকে এই মারে তো সেই মারে! চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে লোকজন ছুটে এল। তাদের সামনেই তিনি আমাকে চার্জ করে বললেন যে, তাঁর সংসারটা আমি ভেঙে দিতে চাইছি।”

    “তার পরেই আপনি কল্যাণের সঙ্গে আপনার সম্পর্ক শেষ করে দেন।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “চিঠি-লেখালিখিরও সেইখানেই ইতি। কেমন?”

    “হ্যাঁ।”

    “তা হলে তো সব মিটেই গেল। যা বললেন, সবই তো আপনার বিয়ের আগেকার ব্যাপার। আর ধনঞ্জয় মিত্র যেহেতু বুদ্ধিমান মানুষ, তাই আমি ধরেই নিচ্ছি চৌত্রিশ বছরের একটি মেয়ের জীবনে যে এমন দু’-চারটে অ্যাফেয়ার থাকা খুবই স্বাভাবিক, এটা তাঁর হিসেবের মধ্যেই ছিল। প্রশ্ন হচ্ছে, বিয়ের পরে তার জের টানা হয়েছিল কি না। আপনি বলছেন, টানা হয়নি। আপনিও টানেননি, কল্যাণ রায়ও টানেননি। অ্যান্ড আই রিপিট, আই ট্রাস্ট মাই ক্লায়েন্টস। ব্যাপারটা তা হলে শেষমেশ এই দাঁড়াচ্ছে যে, আপনাকে অন্তত এই ব্যাপারে সন্দেহ করার কোনও কারণই আপনার স্বামীর নেই।”

    শান্তিলতা আবার ঈষৎ অসহিষ্ণু ভঙ্গিতে তাঁর কাঁধ ঝাঁকালেন। বললেন, “আপনার কথা বিশ্বাস করতে পারলে আমি খুশি হতুম। কিন্তু বিশ্বাস করতে পারছি কোথায়। মিঃ ভাদুড়ি, সন্দেহ যদি তিনি না-ই করবেন তো আজও আমার পিছনে তিনি লোক লাগিয়ে রেখেছেন কেন? কেনই বা তাদের নজর এড়িয়ে আমি কোথাও যেতে পারছি না? আমার পিছু নিয়ে তারা এখানে এসেছে। আবার যে-মুহূর্তে আপনার এখান থেকে বেরিয়ে আমার মাতিজ আমি স্টার্ট করব, তখুনি সাইড-গ্ল্যাসে চোখ রেখে দেখতে পাব যে, সাদা ওই অ্যাম্বাসাডরটাও আমার পিছু-পিছু আসছে। না, মিঃ ভাদুড়ি, তাঁর সন্দেহ যায়নি।”

    ভাদুড়িমশাই সঙ্গে-সঙ্গে কিছু বললেন না। একটুক্ষণ চুপ করে থেকে সামান্য হেসে বললেন, “আপনি বোধহয় আমার কথাটা ঠিকমতো শুনতে পাননি। আমি তো এমন কথা বলিনি যে, আপনার স্বামী তাঁর তাবৎ সন্দেহ থেকে মুক্ত হয়ে গেছেন।”

    “তা হলে আপনি কী বললেন?”

    “বললুম যে, আপনাকে অন্তত এই ব্যাপারে সন্দেহ করার কোনও কারণই তাঁর নেই। আপনি বোধহয় ‘এই ব্যাপারে’ কথাটা শুনতে পাননি।”

    “তার মানে এই ব্যাপারে…আই মিন যুগল কিংবা কল্যাণ কিংবা অন্য কোনও পুরুষকে নিয়ে সন্দেহ না-করলেও অন্য-কোনও ব্যাপারে তাঁর সন্দেহ এখনও রয়েছে?”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “আমার তো সেইরকমই মনে হয়। কিন্তু সেটা কী হতে পারে? টাকাপয়সা? গয়নাগাটি? জমিজমা? প্রপার্টি? …বাই দ্য ওয়ে, ব্যাংকে যে টাকাটা আপনার স্বামী আপনার নামে ডিপজিট করে দিয়েছিলেন, তার থেকে কি বড় কোনও অ্যামাউন্ট আপনি ইতিমধ্যে তুলে নিয়েছেন? কিংবা চেক কেটে ট্রান্সফার করেছেন অন্য কারও অ্যাকাউন্টে?”

    “না তো। অন্যের অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করার তো কোনও প্রশ্নই উঠছে না, নিজের দরকারেও সেই পঁচিশ লাখ টাকার একটা পয়সাও আমি তুলিনি। তোলার দরকারও হয়নি। পরে যদি দরকার হয় তো তুলব ঠিকই, তবে ওটা ছাড়াও তো আমার নিজের কিছু পয়সাকড়ি আছে, আপাতত তা-ই দিয়েই মোটামুটি চালিয়ে নিচ্ছি।”

    “গয়নাগাটি?”

    “আমার নিজের কিছু ছিল। এই যা পরে আছি, এ ছাড়া অল্প-কিছু। উনি অবশ্য বিয়ের পরে প্রচুর দিয়েছেন। কিন্তু সে-সব তো আমি ব্যবহার করি না।”

    “সেগুলি কোথায় থাকে?”

    “বেশিরভাগই থাকে বাড়ির ভল্টে। তবে মাঝেমধ্যে ব্যবহার করার দরকার হতে পারে তো, তাই আমাদের শোবার ঘরের আলমারিতেও অল্প-কিছু থাকে।”

    “বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসার সময় তার কিছুই আপনি সঙ্গে করে নিয়ে আসেননি?”

    “না, আনার কোনও ইচ্ছেই হয়নি।” শান্তিলতা ম্লান হেসে বললেন, “অবশ্য ইচ্ছে হলেই যে আনতে পারতুম, তাও নয়। ভল্টের চাবি তো আমার স্বামীর কাছে থাকে। বাকি রইল ঘরের আলমারিতে রাখা গয়না। তাও আনিনি। আলমারির চাবিটাও না। অল্প-কিছু জামাকাপড় বার করে সুটকেস গুছিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসার আগে চাবির তোড়া আমার স্বামীর হাতে তুলে দিয়ে এসেছি।”

    “বিয়ের শর্ত হিসেবে কলকাতা কি অন্য কোনও জায়গায় কোনও ল্যান্ডেড প্রপার্টি কি ম্যাক্রো বিল্ডার্সের কোনও অংশ কি আপনি ওঁকে দিয়ে লিখিয়ে নিয়েছিলেন?”

    “না। কেনই বা লিখিয়ে নেব? ওঁর কাছ থেকে কী পেয়েছি আপনি জানেন। পঁচিশ লাখ টাকা, বালিগঞ্জ সার্কুলার রোডে একটা ফ্ল্যাট আর ওই মাতিজ গাড়িটা। তা সে কিছু কম হল? এর বেশি আমার দরকার নেই, চাইও না।”

    “তা হলে উনি আপনাকে সন্দেহ করছেন কেন?” প্রায় আত্মমগ্নভাবে, যেন নিজেকে শুনিয়ে ভাদুড়িমশাই বললেন, “প্রেম-ট্রেম নিয়ে যে এখন আর সন্দেহ করছেন না, করার কোনও কারণ নেই বলেই সন্দেহ করছেন না, সে-ব্যাপারে আমি নিশ্চিত। অথচ সন্দেহ যে করছেন, তাও তো ঠিক। নইলে উনি নিজেরই স্ত্রীর পিছনে চব্বিশ ঘণ্টা এইভাবে লোক লাগিয়ে রাখতেন না। তা হলে কী নিয়ে সন্দেহ করছেন? টাকা নিয়ে? কিন্তু উনি প্রভাবশালী লোক, যে-ব্যাংকে উনি আপনার নামে আকাউন্ট খুলে পঁচিশ লাখ টাকা জমা রেখেছেন, সেটা আপনি তোলেননি কিংবা ট্রান্সফারও করেননি, সে তো উনি ইচ্ছে করলেই জেনে যেতে পারেন, এতক্ষণে নিশ্চয় জেনেও গিয়েছেন। তা হলে? বাকি রইল গয়নাগাটি। কিন্তু তাও তো রয়েছে ওঁরই হেফাজতে। কোনও প্রপার্টি কি ব্যাবসার অংশও তো আপনাকে উনি লিখে দেননি। তবে? সন্দেহটা তবে কী নিয়ে?

    বুঝতে পারছিলুম, ভাদুড়িমশাই একটা ধাঁধার মধ্যে পড়ে গেছেন। ধাঁধা মানে গোলকধাঁধা। যা থেকে বেরুবার রাস্তাটা তিনি খুঁজে পাচ্ছেন না। তাঁর চোখেমুখে এমন একটা ক্লান্তি ও অসহায়তার ছাপ ক্রমশ ফুটে উঠছিল, যা আমি আগে কখনও দেখিনি। সমস্যা যা-ই হোক না কেন, সব সময়েই তিনি চটপটে ও সপ্রতিভ। অঙ্ক যতই জটিল হোক, তার মর্মমূলে পৌঁছতে তো এত সময় তিনি নেন না। অথচ, আজ তিনি শুধু একটার পর একটা প্রশ্নই করে যাচ্ছেন।

    এখন অবশ্য প্রশ্নও আর করছেন না। আত্মমগ্নভাবে কথা বলতে-বলতেই এক সময়ে চুপ করে গেছেন। আমরাও কেউ কিছু বলছি না। ঘর একেবারে স্তব্ধ।

    হঠাৎই সেই স্তব্ধতাকে ভেঙে ভাদুড়িমশাই বললেন, “অনেক রাত হয়ে গেল। প্রায় দশটা বাজে। মিসেস মিত্র, আজ আপনি বাড়ি যান। আমি একটু ভাবি। ইতিমধ্যে একটা কথা বলি আপনাকে। কাল আপনার মুখে একটা আতঙ্কের ছাপ দেখেছিলুম। সেটা আজও দেখছি। কিন্তু না, ভয়ের কিছু নেই। যদি কিছু হয়ও, তো এখুনি সেটা হবে না। আর তা ছাড়া আমি তো আছিই। আমি আপনার সঙ্গে যোগাযোগ রাখব।”

    শান্তিলতা উঠে পড়লেন। কৌশিক ওঁকে গাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দিতে গেল। ফিরেও এল একটু বাদেই। ফিরে এসে বলল, “সাদা অ্যাম্বাসাডরটা ওঁর পিছু ছাড়েনি। আমাদের গাড়িটাও অবশ্য সঙ্গে-সঙ্গে লেগে আছে।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “দুটো লোক এখন কোথায় আছে, কী করছে, জানা দরকার। যুগল চৌধুরি আর কল্যাণ রায়। কাল সকালেই কাজে লেগে যা।”

    “ওদের ঠিকানা কোথায় পাব?”

    “যুগল পারফর্মিং আর্টিস্ট। ভায়োলিন বাজায়। তার এখনকার ঠিকানা রেডিয়ো কিংবা টিভিতে পাবি। আর কল্যাণের ঠিকানা পাবি ট্র্যাঙ্ক স্টারে। কল্যাণ তাদের পুরনো ক্লায়েন্ট।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্টোরিজ – নিল গেইম্যান
    Next Article ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    Related Articles

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার ক্লাস – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার দিকে ও অন্যান্য রচনা – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতা কী ও কেন – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ কবিতা

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }