Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প927 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শান্তিলতার অশান্তি – ৫

    ৫

    আমার ঘুম সাধারণত সকাল সাতটায় ভাঙে। কিন্তু কাল রাতে ঘুমোতে বেশ দেরি হয়ে গিয়েছিল বলে আজ বিছানা ছেড়ে উঠতে কিছুটা দেরি হয়ে যায়। তাও হয়তো উঠতুম না, যদি না বাসন্তী এসে চেঁচামেচি জুড়ে দিত। বিছানা থেকেই বললুম, “কী হয়েছে, এত হল্লা কীসের?”

    বাসন্তী বলল, “হল্লা হবে না? সাড়ে সাতটা বাজে, তাও তোমার ওঠার নাম নেই! ওদিকে বোসমশাই সেই সাতটা থেকে তোমার জন্যে হা-পিত্যেশ করে বসে আছেন। ওঠো, ওঠো!”

    বোসমশাই মানে সদানন্দ বসু। তিনি আবার সাত-সকালে কী কাজে এলেন? তাড়াতাড়ি মুখেচোখে জল দিয়ে বসার ঘরে ঢুকে দেখলুম, সদানন্দবাবু নিবিষ্টমনে কাগজ পড়ছেন। বললুম, “কী খবর? এত মন দিয়ে কী পড়ছেন? শেয়ার বাজারে কি আবার ধস নামল নাকি?”

    “ধুর মশাই” সদানন্দবাবু বললেন, “আজ তো সোমবার। কাল শেয়ার-বাজার বন্ধ ছিল, আজ তার খবর থাকবে কোত্থেকে?”

    “তা হলে?”

    “তার মানে আপনি এখনও কাগজ পড়েননি।” বলে হাতের কাগজখানা আমার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বললেন, “নিন। তিনের পাতায় যে খবরটা আমি দাগ দিয়ে রেকিচি, সেটা একবার পড়ুন দিকি। পিলে চমকে যাবে, মশাই।”

    দীর্ঘকাল খবরের কাগজে কাজ করছি। স্নায়ুগুলি সম্ভবত সেই কারণেই একটু-একটু করে ভোঁতা হয়ে গেছে, ভূমিকম্প থেকে গণহত্যা, কোনও খবরেই আজকাল আর পিলে চমকে যায় না। তিনের পাতায় নীচের দিকে ছোট-হরফের হেডলাইনের তলায় লাইন আট-দশের যে খবরটা ছাপা হয়েছে, সেটাও একটু তাচ্ছিল্যভরেই পড়তে শুরু করেছিলুম। কিন্তু খানিক পড়েই আমার বুকের মধ্যে হঠাৎ ধ্বক করে উঠল। খবরটা এখানে তুলে দিচ্ছি।

    নিজস্ব সংবাদদাতা : কাল রবিবার রাত সাড়ে দশটায় উত্তর কলকাতার মহেশ ঘোষাল লেনে এক ব্যক্তির মৃতদেহ আবিষ্কৃত হয়েছে। ফোনে উড়ো খবর পেয়ে স্থানীয় থানা থেকে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়। নিহত ব্যক্তির মাথার পিছন দিকে গভীর ক্ষতচিহ্ন দেখে পুলিশের সন্দেহ, পিছন থেকে ভারী কোনও বস্তু দিয়ে তাকে আঘাত করা হয়েছিল। পকেটে যে ভিজিটিং কার্ড ছিল, তাতে জানা যায়, নিহতের নাম কল্যাণ রায়। বয়স আনুমানিক পঁয়তাল্লিশ থেকে পঞ্চাশের মধ্যে। পুলিশ বলছে, এটা রাজনৈতিক খুন নয়, ব্যক্তিগত আক্রোশ চরিতার্থ করার ঘটনা। তদন্ত চলছে।

    কাগজ থেকে মুখ তুলে সদানন্দবাবুর দিকে তাকাতে তিনি বললেন, “এ সেই কল্যাণ রায়, মশাই …মানে ওই গতকাল মিসেস মিত্র যার কথা বলছিলেন। …কী, আপনার মনে পড়ছে না? আরে ওই যার বউ গিয়ে মিসেস মিত্রের আপিসে খুব চোটপাট করেছিল।”

    মনে আমার খুবই পড়ছিল। তা নইলে আর খবরের মধ্যে কল্যাণ রায় নামটা দেখে আমার বুকের মধ্যে হঠাৎ ধ্বক করে উঠবে কেন? তবু, মুখে যথাসম্ভব হাসি টেনে বললুম, “ছাড়ুন তো। এটা কোনও আনকমন নাম নয়, সারনেমটাও খুব কমন। কলকাতায় অন্তত হাজার খানেক কল্যাণ রায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। তার মধ্যে ইনিই যে তিনি, তা আপনি জানলেন কী করে?”

    সদানন্দবাবু দমে গেলেন না। ভারিক্কে চালে বললেন, “আমার মন বলছে, মশাই। আর হ্যাঁ, আমার মন যা বলে, তা কক্ষনো মিচে হয় না।”

    কথাটা যে সত্যি-সত্যি ফলে যাবে, তা কি তখন জানি। জানা গেল মিনিট পাঁচেক বাদে, ফোনটা বেজে উঠবার পরে। ভাদুড়িমশাইয়ের গলা। “আজ তো আপনার আপিস আছে, তাই না?”

    “তা তো আছেই।”

    “আপিস থেকে বেরিয়ে কোথাও যাবার নেই তো? মানে কোনও বাংলা বর্ষবরণের উৎসবে, কি ওই রকম কোনও ব্যাপারে আর-কোথাও?”

    হাসি চাপতে পারলুম না। বললুম, “কোথাও যাবার নেই। আপিস থেকে সরাসরি বাড়ি ফিরব।”

    “তা হলে সদানন্দবাবুকে নিয়ে এখানে চলে আসুন।”

    “কী ব্যাপার বলুন তো? মিসেস মিত্র ফের ফোন করে কিছু জানিয়েছেন?”

    “না, বোধহয় ঘুম থেকে এখনও ওঠেননি। উঠুন, আজকের কাগজটা পড়ুন, তারপরেই নিশ্চয় ফোন করবেন।”

    যা মনে হচ্ছিল, সেটা চেপে গিয়ে বললুম, “কেন, কাগজে কিছু বেরিয়েছে? সামথিং দ্যাট কনসার্নস হার? …কী, চুপ করে রইলেন কেন?”

    “বিস্ময়ে কথা সরচে না। আরে মশাই, আপনি খবরের কাগজের লোক, অথচ আজকের খবরের কাগজটাই এখনও দেখেননি। ‘দৈনিক বার্তাবহ’র তিনের পাতার নীচের দিকে একটা খবর বেরিয়েছে। দয়া করে সেটা একবার দেখুন।”

    বললুম, “ওই ‘রাজপথে হত্যাকাণ্ড’ খবরটা তো? পড়েছি। কিন্তু এ কি সেই কল্যাণ রায়?”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “সে-ই। লালবাজারের শোভনকে তার বাড়িতে ফোন করেছিলুম। সে হেডকোয়ার্টার্সে গিয়ে ডিটেল্স জোগাড় করে বিকেলে এখানে আসবে। তবে ইতিমধ্যেই সে একটা খবর দিয়েছে। লোকটা নাকি এক্সপোর্ট-ইম্পোর্টের ব্যাবসা করত। …যা-ই হোক, আপনারা চলে আসুন।”

    রিসিভার নামিয়ে রেখে সদানন্দবাবুর দিকে তাকালুম। ভাদুড়িমশাইয়ের কথা তিনি শোনেননি, শুনেছেন শুধু আমার কথাই। কিন্তু শুধু আমার কথা শুনেই যা বুঝবার বুঝে নিয়েছেন। নইলে অমন মিটিমিটি হাসবেন কেন?

    হাসি দেখে গা জ্বলে গেল। যথাসম্ভব গম্ভীরভাবে বললুম, “আপনার কথাই ঠিক। এ সেই কল্যাণ রায়ই বটে।”

    “হতেই হবে।” সদানন্দবাবু বললেন, “আমার মন কখনও মিচে কথা কয় না।”

    সেটা যে পুরোপুরি একটা অন্তঃসারশূন্য আত্মম্ভরিতার ব্যাপার, তা-ই বা বলি কী করে। ডিটেকশান-ওয়ার্ক তো ছেলেখেলা নয়, সেটা একটা জটিল অঙ্ক, ধাপে-ধাপে নির্ভুল কষে তার উত্তরে পৌঁছুতে হয়। সে-অঙ্ক যেমন আমার মাথায় ঢোকে না, তেমনি সদানন্দবাবুর মাথায়ও ঢোকে না। অথচ মাঝে-মাঝেই তিনি ভারিক্কে চালে ‘আমার মন বলচে, মশাই’ বলে যে-সব বচন ঝাড়েন, তার অনেকগুলি দেখেছি মিলেও যায়।

    ভারিক্কে চালটা বজায় রেখেই সদানন্দবাবু বললেন, “তা এ-ব্যাপারে ভাদুড়িমশাই এখন কী করবেন বলে মনে হয়? ফোনটা তো যদ্দুর বুঝছি তিনিই করেছিলেন। কিছু বললেন?”

    “হ্যাঁ। বিকেলে ওঁর ওখানে লালবাজারের শোভন চৌধুরি আসছেন। আমাকে যেতে বললেন।”

    “আমাকে যেতে বলেননি?”

    “বলেছেন। তা আপনি যাবেন কীভাবে? একাই এখান থেকে যাবেন, না আপিসে থেকে ফিরতি পথে আমি আপনাকে তুলে নেব?”

    “একা যে যেতে পারি না, তা নয়,” সদানন্দবাবু বললেন, “তবে আপনি যদি তুলে নিয়ে যান তো আমার ট্যাক্সি-ভাড়াটা বেঁচে যায়।”

    “ঠিক আছে, আমিই তুলে নেব।”

    “তা হলে ওই কথাই রইল। পাঁচটা নাগাদ আমি তৈরি হয়ে থাকব।”

    ঘরের কোণ থেকে তাঁর মাথায়-লোহার-বল-বসানো লাঠিখানাকে তুলে নিয়ে সদানন্দবাবু সিঁড়ির দিকে পা বাড়ালেন।

    আপিসে আজ খুব একটা কাজের চাপ ছিল না। গোটা দুই লেখা দেখে দেবার ছিল, সেইসঙ্গে জবাব লেখার ছিল খান-তিনেক জরুরি চিঠির। সে-সব কাজ সেরে, সহকর্মীদের সঙ্গে খানিকক্ষণ গল্পগুজব করে, আপিস থেকে ফিরতি পথে সদানন্দবাবুকে তুলে নিয়ে যখন কাঁকুড়গাছিতে পৌঁছলুম, ঘড়িতে তখন ঠিক সাড়ে পাঁচটা।

    দরজা খুলে দিল মালতী। আমাদের দেখে বলল, “আসুন, আসুন। ওঁরা এসে গেছেন।” বললুম, “ওঁরা মানে?”

    “মানে শোভন চৌধুরি আর মিসেস মিত্র। কৌশিকও একটু আগে ফিরেছে।” এই পর্যন্ত বলে মালতী একটু হেসে, গলার স্বর অনেকখানি নামিয়ে বলল, “আপনাদের এবারকার ক্লায়েন্টটি একটু গোলমেলে কিরণদা। সাবধানে পা ফেলবেন।”

    হাসিটা সুবিধের ঠেকল না। আমরা ড্রয়িংরুমে ঢুকে দুটো চেয়ার টেনে বসে পড়লুম।

    সকলের মুখ দেখলুম গম্ভীর। শান্তিলতার পরনে আজ আর শালোয়ার-কামিজ না, তিনি ফের সেই আগের দিনের মতো শাড়ি-ব্লাউজে ফিরে গেছেন। আমাদের দেখে সামান্য হাসলেন, তবে হাসিটা মনে হল চেষ্টাকৃত। ভঙ্গি আড়ষ্ট। চোখ লাল। কাঁদছিলেন কি না, বুঝলুম না।

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “আপনারা এসে গেছেন, ভালই হল। কৌশিক কিছু বলেনি, তবে শোভনের কাছে কিছু-কিছু খবর পেয়েছি, আপনারাও সব শুনবেন। শোভনের কাজের তাড়া রয়েছে, ও বেশিক্ষণ বসতে পারবে না, তাই ওর কথাটাই আগে শুনুন। …ওহে শোভন, তুমি এই কল্যাণ রায় সম্পর্কে এখনও পর্যন্ত যেটুকু যা জানতে পেরেছ, তা তো আমরা শুনলুম। এখন সেটাই একটু সংক্ষেপে এঁদের বলো তো।”

    শোভন চৌধুরি বললেন, “আমি বলতে গেলে অনেক সময় লেগে যাবে। তার চেয়ে বরং আপনি প্রশ্ন করুন, আমি উত্তর দিয়ে যাচ্ছি।”

    “ঠিক আছে,” ভাদুড়িমশাই বললেন, “তবে আমি প্রশ্ন করলে সেটা জেরার মতো শোনাবে কিন্তু যা-ই হোক, লোকটির নাম যে কল্যাণ রায়, তা তোমরা কী করে জানলে?”

    “পকেটে ওর ভিজিটিং কার্ড ছিল, তার থেকে।”

    সে তো কাগজের খবরেও দেখেছি। কিন্তু ওর পকেটে পাওয়া গেছে বলেই যে সেটা ওরই কার্ড, তা তো নাও হতে পারে। অন্য কারও ভিজিটিং কার্ডও কি আমাদের পকেটে অনেক সময় থেকে যায় না? এক্ষুনি যদি আমার পকেট সার্চ করো তো খুব সম্ভবত মিসেস মিত্রের একটা ভিজিটিং কার্ড সেখানে পেয়ে যাবে। কিন্তু তার মানে কি আমিই মিসেস মিত্ৰ?”

    কথাটা শুনে একমাত্র সদানন্দবাবুই হেসে উঠলেন। কিন্তু আমরা কেউই হাসছি না .দেখে পরমুহূর্তেই দেখলুম সামলেও নিলেন নিজেকে

    শোভন বললেন, “ওটা কালকের ব্যাপার। তখন পর্যন্ত এই কার্ডটা ছাড়া পুলিশের হাতে আর-কিছু ছিল না। কিন্তু আজ সকালে কল্যাণ রায়ের বউ এসে লাশ শনাক্ত করে বলেছে যে, হ্যাঁ, ওটা তার স্বামীর ডেডবডিই বটে।”

    “নিহত ব্যক্তির পকেটে এই ভিজিটিং কার্ডখানা ছাড়া আর কী পাওয়া গেছে বলো।”

    “পাওয়া গেছে আড়াই হাজার টাকা। সবটাই একশো টাকার নোটে। যে-ই ওকে খুন করে থাক, সে টাকার জন্যে করেনি।”

    “এটা কী করে বুঝলে?”

    “সিম্পল। টাকার জন্যেই যদি খুন করবে, তবে ভিকটিমের পকেটে সেটা থেকে গেল কেন? খুনি সেটা নিয়ে যেত।”

    “জোর করে তা কি বলা যায় শোভন? এমনও তো হতে পারে যে, টাকার জন্যেই ওকে খুন করা হয়েছে, কিন্তু ভিকটিমের চিৎকারে পাড়ার লোক জেগে যাওয়ায় খুনি সরে পড়ে। তাড়াহুড়োর মধ্যে পালাতে গিয়ে সে আর টাকাটা নিয়ে যেতে পারেনি। আবার এমন হওয়াও বিচিত্র নয় যে, ভিকটিমের পকেটে টাকা আরও বেশি ছিল। তার কিছুটা খুনি কেড়ে নিয়েছে, কিছুটা সে ফেলে রেখেই পালায়।”

    “আপনি তা-ই মনে করেন?”

    “আমি অনেক কিছুই মনে করি।” ভাদুড়িমশাই হাসলেন। “কেন মনে করি, জানো? আমার তো তোমাদের মতো ওয়ান-ট্র্যাক মাইন্ড নয়, তাই যা-ই ঘটুক না কেন, সেটাকে দেখবার চেষ্টা করি নানান দিক থেকে। এমনকি খুনির দিক থেকেও।”

    শোভন চৌধুরির মুখেও এবারে হাসি ফুটল। বললেন, “এইজন্যেই বলে যে, খুনি আর গোয়েন্দা আসলে একই পয়সার এপিঠ ওপিঠ। দে হ্যাভ দ্য সেম মাইন্ডসেট।

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “কথাটা একেবারে মিথ্যেও নয়। …যা-ই হোক, সকালে যখন তোমাকে ফোন করি, তখন তুমি বললে যে, লোকটা এক্সপোর্ট-ইমপোর্টের ব্যাবসা করত। এটা তুমি কোত্থেকে জানলে?”

    “লোক্যাল থানা থেকেই জানাল। বলল যে, ভিজিটিং কার্ডে নামের তলায় পরিচয় লেখা ছিল : রিপ্রেজেন্টেটিভ, গ্লোব্যাল মার্কেটিং এজেন্সি, এক্সপোর্টার্স অ্যান্ড ইম্পোর্টার্স।”

    “খুনটা ঠিক কখন হয়েছে জানা গেল?”

    “পুলিশের ডাক্তারকে তক্ষুনি-তক্ষুনি পাওয়া যায়নি। ডাক্তার আসেন রাত সাড়ে বারোটায়। তিনি বলছেন, মৃত্যু হয়েছে রাত আটটা থেকে দশটার মধ্যে।”

    শুনে ভাদুড়িমশাই চকিতে একবার শান্তিলতার দিকে তাকালেন। সামান্য হাসলেন। তারপর শোভনকে বললেন, “তোমার তাড়া আছে বলছিলে। আজ আর তাই তোমাকে আটকে রাখছি না। তবে তোমার সঙ্গে আমি যোগাযোগ রাখব।”

    শোভন চৌধুরি তাঁর সোফা থেকে উঠে বললেন, “একটা কথা বুঝতে পারছি না। এই মার্ডারটার ব্যাপারে আপনার কৌতূহলের কারণ আমি আন্দাজ করতে পারি, সম্ভবত আপনার কোনও ক্লায়েন্টের স্বার্থ আপনি দেখছেন, যদিও তা নিয়ে আপনি অন্তত এখনও পর্যন্ত আমাকে কিছু জানাননি, আর আমিও কিছু জানতে চাইনি। কিন্তু একটা কথা শুনে আমার একটু অবাক লাগছে। এর মধ্যে আবার একটা উটকো লোক এসে নাক গলাল কেন

    “গলিয়েছে বুঝি?”

    “হ্যাঁ। কথাটা থানার ওসি’র কাছেই শুনলাম। সে বলল, আজ দুপুরে একটা লোক মহেশ ঘোষাল লেনে এসে পুলিশের লোক বলে নিজের পরিচয় দিয়ে পাড়ার লোকদের নানান কথা জিজ্ঞেস করছিল। কল্যাণ রায়ের বাড়িতে গিয়ে তার বউয়ের সঙ্গেও দেখা করেছে সে। অথচ ওসি বলছে, থানা থেকে আজ দুপুরে সে কাউকে ওখানে পাঠায়নি। এক্সট্রিমলি ফিশি ব্যাপার। আপনার কী মনে হয়? কে হতে পারে লোকটা?”

    “হয়তো কল্যাণ রায়ের আপিসেরই কোনও লোক।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “কাগজে খবর দেখে খোঁজ করতে এসেছিল।”

    “তা-ই হয়তো হবে।”

    শোভন আর দাঁড়ালেন না। চিন্তিত মুখে বিদায় নিলেন। কৌশিক ওঁকে লিফটে তুলে দিয়ে ফিরে এস বলল, “উটকো লোকটা কে, সেটা বুঝতে পেরেছ মামাবাবু?”

    “তা কেন বুঝব না?” ভাদুড়িমশাই বললেন, “তুই মহেশ ঘোষাল লেনে গিয়েছিলি। কিন্তু সেটা তো পরের কথা। যা যা হয়েছে, প্রথম থেকে বলে যা।”

    কৌশিক বলল, “প্রথমে যাই ট্র্যাভল-স্টারে। সেখান থেকে কল্যাণ রায়ের ঠিকানা জোগাড় করি। ভদ্রলোক মহেশ ঘোষাল লেনে খুন হয়েছেন বটে, কিন্তু ওখানে ওঁর বাড়ি নয়, বাড়ি থার্টিন বাই থ্রি-এ মহেশ ঘোষাল সেকেন্ড বাইলেনে। সেটা ওই মহেশ ঘোষাল লেন থেকে বেরিয়েছে।”

    শান্তিলতা এতক্ষণ একটাও কথা বলেননি। এবারে বললেন, “কিন্তু কল্যাণ তো থাকত দক্ষিণ কলকাতায়। যদ্দুর মনে পড়ছে, রাস্তাটার নাম আস্রফ আলি রোড। আর নম্বর…হ্যাঁ, মনে পড়েছে, তেতাল্লিশ।”

    “মাস দুয়েক আগেই উনি আস্রফ আলি রোডের বাড়ি ছেড়ে উঠে আসেন। এটা ওই ট্র্যাভল-স্টারেই শুনলুম। ওঁরা ওঁদের খাতা খুলে আমাকে দেখালেন যে, পুরনো ঠিকানা কেটে সেখানে ওই মহেশ ঘোষাল সেকেন্ড বাইলেনের ঠিকানা লেখা রয়েছে।”

    শান্তিলতার দিকে তাকিয়ে ভাদুড়িমশাই বললেন, “থিয়েটার রোডের বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসার পরে যুগলের সঙ্গে আপনার যোগাযোগ হয়েছিল, আপনি নিজেই বলেছেন। তখনই তার কাছে আপনি জানতে পারেন যে, বিয়ের পরে তাকে যে দুখানা চিঠি আপনি লিখেছিলেন, তার একখানাও সে পায়নি। তা যোগাযোগটা কীভাবে হয়েছিল? আপনি কি দেখা করেছিলেন তার সঙ্গে?”

    “না। তার শিবপুরের বাড়িতে ফোন করি। নিজের বাড়ি নয়, ওখানে এক চেনা ভদ্রলোকের বাড়িতে ও পেয়িং গেস্ট হিসেবে থাকত। ওরাই জানাল যে, যুগল আর এখন ওখানে থাকে না। ওরা ওর নতুন ঠিকানা দিতে পারেনি, শুধু একটা ফোন নাম্বার দেয়। সেই নাম্বারে যুগলকে ফোন করি। তখনই জানতে পারি যে, আমার চিঠি ও পায়নি। ঠিকানা জানতে চেয়েছিলুম। তাতে বলল, ঠিকানা দিয়ে কী হবে, এখন আর দেখা-সাক্ষাৎ না-হওয়াই ভাল, বিশেষ করে আমার স্বামী যখন সেটা চান না।”

    “তার মানে ফোনে যোগাযোগ হলেও যুগলের সঙ্গে আপনার ইদানীং…আই মিন থিয়েটার রোডের বাড়ি থেকে আপনি বেরিয়ে আসার পরে আর দেখা-সাক্ষাৎ হয়নি।”

    “না।”

    একেবারে হঠাৎই চোখ দুটো ভীষণ সরু হয়ে গেল ভাদুড়িমশাইয়ের। তীব্র চাউনি। যে চাউনি দেখে মনে হয় যে, সামনের মানুষটির একেবারে অন্তস্তল পর্যন্ত তিনি দেখে নিতে চাইছেন। শান্তিলতার দিকে স্থির চোখে তিনি তাকিয়ে রইলেন। তারপর, প্রায় ধমক দেবার ভঙ্গিতে বললেন, “ফের মিথ্যে কথা বলছেন?”

    ধমক খেয়ে কুঁকড়ে গেলেন শান্তিলতা। মাথা নিচু করে বললেন, “আপনার কাছে কি একটাও মিথ্যে কথা বলা যাবে না?”

    “একটাও না।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “সারাক্ষণ যারা আপনাকে ফলো করছে, শনিবার রাত্তিরে রয়্যাল চায়না রেস্তোরাঁ থেকে রাস্তায় বেরিয়ে শুধু যে তাদেরই আমি দেখতে পেয়েছিলুম, তা নয়। দেখেছিলুম অল্পবয়েসি একটি ছেলেকেও। পরনে হালকা রঙের ট্রাউজার্স আর সবুজ শার্ট। একটু ছটফটে প্রকৃতির, তবে সেটা নার্ভাসনেসের জন্যেও হতে পারে। আমার ধারণা সে-ই যুগল। সে-ই আপনাকে রয়্যাল চায়নায় নিয়ে গিয়েছিল, কিন্তু নিজে ভিতরে ঢোকেনি। …কী, চুপ করে রইলেন কেন? ভুল বললুম?”

    শান্তিলতা মাথা তুললেন না। বললেন, “না, আপনি ঠিকই বলেছেন।”

    “শনিবারের আগে কিংবা পরে আর যুগলের সঙ্গে আপনার দেখা হয়নি?”

    “না। তার আগেও না, তার পরেও না।” মাথা তুলে শান্তিলতা বলনেল, “তা হলে সবটাই আপনি শুনুন। শনিবার সকালে ফোন করে যুগলকে ডেকে পাঠিয়ে তাকে আমি সব কথা বলি। সে-ই আমাকে আপনার সাহায্য চাইতে পরামর্শ দেয়। আপনাদের ক্যামাক স্ট্রিটের আপিস থেকে সে-ই আপনার কাঁকুড়গাছির ফোন নাম্বার জোগাড় করে। তারই কথায় কাঁকুড়গাছির ফ্ল্যাটে ফোন করে আমি জানতে পারি যে, আপনি রয়্যাল চায়না রেস্তোরাঁয় রয়েছেন। তখন যুগলই আমাকে সেখানে নিয়ে যায়। আপনারই কথামতো; রেস্তোরাঁ থেকে আপনারা চলে যাবার খানিক বাদে আমি রাস্তায় বেরোই। যুগল তখনও রাস্তায় আমার জন্যে অপেক্ষা করছিল। আপনি যে আমার প্রোটেকশনের ব্যবস্থা করেছেন, এটা জেনে সে নিশ্চিন্ত হয়ে বাড়ি চলে যায়। তারপরে সে আর আমার সঙ্গে দেখা করেনি। তার ঠিকানাও আমাকে দেয়নি। যাবার আগে বলে যায় যে, আমাদের আর দেখাসাক্ষাৎ করা উচিত হবে না।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “আশা করি এর একটা কথাও মিথ্যে নয়।”

    শান্তিলতা ম্লান হাসলেন। বললেন, “মিথ্যে বলে যে পার পাব না, সে তো আমি বুঝেই গেছি।” কৌশিকের দিকে তাকিয়ে ভাদুড়িমশাই বললেন, “এবারে তোর কথা বল, ট্র্যাভল-স্টার থেকে কল্যাণ রায়ের ঠিকানা জোগাড় করে তুই কি প্রথমেই মহেশ ঘোষাল সেকেন্ড বাইলেনে চলে গেলি?”

    “না। আমার মনে হল, কাগজে সদ্য খুনের খবরটা বেরিয়েছে, স্পটে হয়তো এখনও পুলিশ রয়েছে, তাই এখুনি না গিয়ে দেরি করে যাওয়া ভাল। পাড়ার লোকেরা যখন দুপুরের চান খাওয়া-দাওয়া সারতে যে যার বাড়িতে ঢুকে পড়বে, রাস্তাতেও আর তেমন ভিড়ভাট্টা থাকবে না, তখন যাব।”

    “ততক্ষণ তা হলে কী করলি?”

    “ওই ট্র্যাভল-স্টার থেকেই জোগাড় করলুম যুগল চৌধুরির শিবপুরের সেই পুরনো ঠিকানা আর ফোন-নম্বর। তারপর সেখানে ফোন করে মিসেস মিত্রের যে অভিজ্ঞতা হয়েছিল, আমারও তা-ই হল। যুগলের নতুন ঠিকানা ওঁরা দিতে পারলেন না, দিলেন শুধু নতুন ফোন নম্বর। সেখানে ফোন করলুম, কিন্তু ফোনটা অনেকক্ষণ ধরে বেজে গেল, কেউ ধরলেন না।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “বাড়িতে গেলি না কেন? ফোন নম্বর পেলি আর বাড়ির ঠিকানা জোগাড় করতে পারলি না, তাও কি হয়?”

    কৌশিক একগাল হেসে বলল, “দাঁড়াও, দাঁড়াও! সবটা বলতে দাও আমাকে। টেলিফোনে নো-রিপ্লাই হয়ে যাওয়ায় ক্যালকাটা টেলিফোনের হেড আপিসে গিয়ে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার সুবিমল দত্তরায়ের সঙ্গে দেখা করি। সুবিমল আমার ইস্কুলের বন্ধু। সে তক্ষুনি তাদের বিল ডিপার্টমেন্টে গিয়ে নম্বরটা দেখিয়ে ঠিকানা এনে দেয়। ঠিকানা হল নর্থ ক্যালকাটারই ফিফটিন-এ রামগোপাল স্ট্রিট। সেখানে গিয়ে জানতে পারি যে, বাড়িটাতে যুগলবাবু একটা ওয়ান-রুম ফ্ল্যাট নিয়ে থাকেন। সঙ্গে থাকেন তাঁর এক বন্ধু। বন্ধুটি বললেন, রোব্বার সকাল থেকেই যুগলবাবু কলকাতায় নেই, তিনি তাঁর অর্কেস্ট্রা পার্টির একটা প্রোগ্রাম নিয়ে কথা বলতে দুর্গাপুরে গেছেন; আজ রাত্তিরে কলকাতায় ফিরবেন।”

    “যুগলকে দিয়ে তোর কী দরকার, বন্ধুটি তা জানতে চাইল না?”

    “চাইল বই কি। তাতে আমি বললুম যে, আমি ব্যান্ডেল থেকে আসছি। সেখানকার ন্যাশনাল কালচারাল ক্লাব খুব নামডাকওয়ালা অর্গানাইজেশন, আমি তার অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি, এবারে আমাদের রবীন্দ্রজয়ন্তীটা খুব বড় মাপের হবে, তা আমরা ভাবছিলুম যে, উনি যদি রবীন্দ্রনাথের গোটাকয় গানের টিউন আমাদের ওখানে বেহালা বাজিয়ে শোনান, তো সেটা একটা নতুন ব্যাপার হয়। সঙ্গে অবশ্য তবলা থাকবে।”

    “তাতে বন্ধুটি কী বলল?”

    “বলল যে, তিনি তো কলকাতায় নেই, আমি যদি আমাদের ব্যান্ডেলের ঠিকানাটা রেখে যাই, তো দুর্গাপুর থেকে ফিরে তিনি আমাদের সঙ্গে চিঠি লিখে যোগাযোগ করে নেবেন।”

    “ঠিকানা দিলি?”

    “ঠিকানা আছে নাকি যে দেব? একটা ফিকটিশাস অ্যাড্রেস অবিশ্যি দিতে পারতুম, কিন্তু মনে হল সেটা ঠিক হবে না। তাই বললুম যে, না না, উনি আর্টিস্ট মানুষ, ওঁর ব্যস্ত হবার দরকার নেই, আমি তো এখন কলকাতায় আছি, কাল-পরশুর মধ্যে আমিই ফের যোগযোগ করে নেব।”

    “ফ্ল্যাটটার ডেসক্রিপশন দে।”

    “ফ্ল্যাট মানে তো একটাই ঘর। দুটো জানলা। দুটো তক্তপোষ। একধারে একটা নড়বড়ে আলনা। তাতে একটা ময়লা গেঞ্জি, একটা লুঙ্গি আর বাসী কিছু জামাকাপড় ঝুলছে। ঘরের মধ্যে গোটা দুই-তিন মিউজিক্যাল ইন্সট্রুমেন্ট ছড়ানো। এক কোণে একটা কুঁজো। বাথরুমে উঁকি মেরেছিলুম। নোংরা। নো কিচেন।”

    “যুগল যে কাল সকাল থেকেই কলকাতায় নেই, রাত্তিরেও ছিল না, এটা সত্যি বলে মনে হল?”

    “এ-কথা জিজ্ঞেস করছ কেন?”

    ভাদুড়িমশাই হেসে বললেন, “পরে বলব। এখন মহেশ ঘোষাল সেকেন্ড বাইলেনে কী দেখলি বল।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্টোরিজ – নিল গেইম্যান
    Next Article ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    Related Articles

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার ক্লাস – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার দিকে ও অন্যান্য রচনা – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতা কী ও কেন – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ কবিতা

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }