Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প927 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পাহাড়ি বিছে – ৮

    ৮

    কলকাতা থেকে তাড়াহুড়ো করে চলে আসতে হয়েছিল বলে দরকারি কয়েকটা জিনিস কিনে আনার সময় পাওয়া যায়নি। নার্সিং হোম থেকে বাড়ি ফেরার পথে এক জায়গায় গাড়ি থামিয়ে সে-সব কেনা হল। বাড়ি ফিরতে-ফিরতে এগারোটা। গাড়ি থেকে আমরা নেমে পড়লুম। রঘুনন্দন নামল না। বলল, মিশ্রজি অসুস্থ হয়ে পড়ায় গতকাল মিউজিয়ামে যেতে পারেননি, এখন বেশ কিছুদিন পারবেনও না, তাই তার একবার সেখানে যাওয়া উচিত। তবে বেশিক্ষণ সে মিউজিয়ামে থাকবে না। সেখানকার যারা কর্মী, তাদের সঙ্গে দরকারি কিছু কথাবার্তা সেরেই ফের বাড়িতে চলে আসবে। “আপনারা বিশ্রাম করুন, ব্রেকফাস্টে তো চা পাননি, এবারে এক রাউন্ড চা খেয়ে নিন, লাঞ্চ তো একটায়, আমি তার মধ্যেই ফিরে আসব।”

    গাড়ি নিয়ে রঘুনন্দন বেরিয়ে গেল, আমরা দোতলায় উঠে এলুম।

    নার্সিং হোম থেকে বাড়ির পথে রওনা হবার পর সদানন্দবাবু যে এ পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে একটাও কথা বলেননি, নতুন কোনও জায়গায় গেলেই যিনি হাজার রকমের প্রশ্ন করে আমাদের ব্যতিব্যস্ত করে তোলেন, আজ যে তিনি ভুলেও কোনও প্রশ্ন করছিলেন না, তার কারণ আর কিছুই নয়, সারাটা পথ খুবই নিচু গলায়, প্রায় ইষ্টমন্ত্র জপ করার মতন করে, স্রেফ তিনটি শব্দই তিনি ক্রমাগত জপ করে যাচ্ছিলেন : লন্ডন…মারমার কাটকাট। এবারে দোতলায় উঠে শোবার ঘরে ঢুকে খুবই গম্ভীর গলায় তিনি বললেন, “মানে হবে না কেন, হয়।”

    বললুম, “কীসের?”

    “ওই লন্ডন মারমার কাটকাটের।”

    “আপনি কি ওই নিয়েই এতক্ষণ ভাবছিলেন নাকি?”

    “শুধুই যে ভাবছিলুম, তা নয়, ভেবে-ভেবে ওর মানেটাও বার করে ফেলিচি।”

    “মানেটা কী?”

    “আরে মশাই, তাও বুঝতে পারচেন না?” সদানন্দবাবু ভারিকে চালে বললেন, “এটা একটা কন্সপিরেসি…মানে চক্রান্তের ব্যাপার। লন্ডন থেকে এমন গোটাকয় দাঙ্গাবাজকে এখানে পাঠানো হয়েচে, যারা কিনা এঁয়াদের ওই মিউজিয়ামে ঢুকে মারামারি কাটাকাটি করে একটা খুব ভ্যালুয়েবল জিনিস লুট করবে।”

    “সেটা কী?”

    “বাঃ, সে তো একটা বাচ্চা ছেলেও বুঝবে। স্টোন-এজের ওই কুড়ুলটা। আগের দুটো কুড়ুল তো ওরা লন্ডনে নিয়ে গেসল, এবারে জোরজার করে এটাও নিয়ে যাবে।”

    হাসি চেপে বললুম, “কথাটা নেহাত মন্দ বলেননি। যদ্দিন পরাধীন ছিলুম, সায়েব ব্যাটারা তো কোহিনুর থেকে শুরু করে আমাদের তাবৎ ভ্যালুয়েবল জিনিসই দু’ হাতে লুঠ করেছে। এখন মনে হচ্ছে স্টোন-এজের এই কুড়ুলটাও ওরা না-হাতিয়ে ছাড়বে না। তা ‘লন্ডন মারমার কাটকাট’-এর এই যে মানেটা আপনি ধরতে পেরে গেছেন, ভাদুড়িমশাইকে এটা জানাবার দরকার নেই?”

    “তা তো আচেই, ব্যাপারটা আটকাতে হলে তো তিনিই আটকাবেন, তাঁকে না বললে হয়? এখুনি গিয়ে ভাদুড়িমশাইকে সব জানাচ্চি।”

    ঘর থেকে সদানন্দবাবু বেরিয়ে গেলেন।

    ভেবেছিলুম, স্টেশন থেকে কেনা স্পাই-থ্রিলারটার গোটা কয়েক পাতা এই ফাঁকে পড়ে ফেলা যাবে, কিন্তু তা আর হল না, কেননা ভাদুড়িমশাইয়ের ঘর থেকে তিনি ফিরে এলেন মাত্র মিনিট পাঁচেক বাদেই। এসে একগাল হেসে বললেন, “উনি তো খুবই ইমপ্রেসড। কী বললেন জানেন?”

    “আপনি না-বললে কী করে জানব?”

    “বললেন যে, আমি ঠিকই ধরিচি। তবে কিনা ‘মারমার’ কথাটা উনিই হয়তো ঠিক ধরতে পারেননি, ওটা ‘মারমার’ না-হয়ে ‘মায়ানমার’ও হতে পারে।”

    “মায়ানমার তো বর্মা-মুলুকের এখনকার নাম। যেমন কঙ্গো হয়ে গেছে জাইরে, শ্যাম হয়ে গেছে তাইল্যান্ড, তেমনি বার্মা হয়ে গেছে মায়ানমার।”

    “জানি।” সদানন্দবাবু বললেন, “মানে আগে জানতুম না, এই একটু আগে ওঁরই কাছে জানলুম। কিন্তু ব্যাপারটা কি এর ফলে আরও গোলমেলে হয়ে যাচ্চে না?”

    বললুম, “তা তো হচ্ছেই। এতক্ষণ শুধু লন্ডনের সায়েবরা ছিল, এবারে বার্মিজরাও এর মধ্যে ঢুকে পড়ল।”

    “কথাটার অর্থ তার ফলে কী দাঁড়াচ্চে?”

    “এই দাঁড়াচ্ছে যে, এটা একটা বিরাট মাপের ইন্টারন্যাশনাল কন্সপিরেসি। যার জাল ছড়ানো হয়েছে ইংল্যান্ড থেকে মায়ানমার পর্যন্ত। সায়েব গুণ্ডাদের সঙ্গে বার্মিজ গুণ্ডারা হাত মিলিয়েছে; তারা এককাট্টা হয়েছে। এবারে কাটাকাটি করে ওই কুড়ুলটা তারা হাতিয়ে নেবে!…উরে বাবা, এ তো খুবই ভয়ংকর ব্যাপার!”

    শুনে একটু থমকে গেলেন সদানন্দবাবু। কলকাতা থেকে মনের আনন্দে আমাদের সঙ্গে চলে এসেছেন, সম্ভবত ধরে নিয়েছিলেন যে, এ আর এমন কী কাজ, চটপট শেষ হয়ে যাবে, তারপর বিন্ধ্যেশ্বরীর মন্দিরে পুজো দিয়ে, প্রয়াগে একটা ডুব মেরে, দামদস্তুর করে শস্তায় একটা মির্জাপুরী গালচে কিনে ঘরের ছেলে ঘরে ফিরবেন, তার মধ্যে যে সায়েবরা ছাড়া গোটাকয় বর্মি গুণ্ডাও ঢুকে পড়তে পারে, এতটা তিনি তাঁর অতি বড় দুঃস্বপ্নেও ভাবতে পারেননি। ঢোক গিলে বললেন, “কুড়ুলটা কি খুবই দামি? মানে সোনার তো নয়, পাথরের কুড়ুল! তার দাম আর কত হতে পারে?”

    “কত হতে পারে, সে আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। ভুলে যাবেন না যে, এটা যে-সে কুড়ুল নয়, আর্লি স্টোন এজের একটা রেয়ার ইমপ্লিমেন্ট। ইউরোপ আর আমেরিকার বড়-বড় সব মিউজিয়ামগুলো তো বটেই, প্রাইভেট কালেক্টররাও এর জন্যে কত খর্চা করতে রাজি আছে জানেন?”

    সদানন্দবাবু আবারও ঢোক গিলে বললেন, “কত?”

    “তা অন্তত কয়েক কোটি টাকা তো বটেই।” শুধু এইটুকু বলেই থামলুম না, ভদ্রলোককে যতটা সম্ভব ভয় পাইয়ে দেবার জন্যে বললুম, “আমার তো ধারণা ওই প্রাইভেট কালেক্টরদের কেউ এই গুণ্ডাগুলোকে লেলিয়ে দিয়েছে!”

    সদানন্দবাবু টকটকে ফর্সা মানুষ। কিন্তু তাঁর মুখের রং ক্রমেই পাঁশুটে হয়ে যাচ্ছিল। বললেন, “কুড়ুলটা কি ওই মিউজিয়ামের মধ্যেই রয়েচে?”

    “তা-ই তো ছিল বলে শুনেছিলুম। তবে কিনা, চোর তো প্রথমে মিউজিয়ামেই ঢোকার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু পরে হয়তো তাদের ধারণা হয়েছে, প্রোফেসর-অ্যাজ আ প্রিকশনারি মেজার—ওখান থেকে ওটা সরিয়ে এনে এই বাড়িরই কোথাও লুকিয়ে রেখেছেন। তা নইলে আর এই বাড়ির মধ্যেই দু’ দু’ বার চোর ঢুকবে কেন?”

    “ওটা এখন তা হলে এই বাড়ির মধ্যেই আছে?”

    “থাকাই সম্ভব। আর তা যদি থাকে, তো এই বাড়িতে ফের চোর ঢুকবে। হয়তো আজ রাতেই তারা আবার আসতে পারে।”

    “বলেন কী!”

    “ঠিকই বলছি। বিশ্বাস না হয় তো ভাদুড়িমশাইকে গিয়ে জিজ্ঞেস করে আসুন।”

    শুনে, সদানন্দবাবুর মুখ দিয়ে খানিকক্ষণ কোনও কথাই বার হল না। তারপর শুকনো গলায় বললেন, “একটা কথা ভাবচি।”

    “কী ভাবছেন?”

    “ভাবচি যে, ভাদুড়িমশাই এ-কেসটা না-নিলেই…”

    কথাটা শেষ হল না। তার আগেই ভাদুড়িমশাই দরজার পর্দা ঠেলে আমাদের ঘরে ঢুকে বললেন, “কী কথা হচ্ছিল?”

    বললুম, “সদানন্দবাবু বলছিলেন যে, একে মারমার কাটকাট, তায় আবার লন্ডনের সায়েবদের পিছু-পিছু কিছু বর্মিও এর মধ্যে ঢুকে পড়েছে, তাই…..মানে…”

    কথাটা শেষ করলেন সদানন্দবাবুই। “তাই বলছিলুম যে, সব কেসই যে নিতে হবে, তার তো কোনও মানে নেই। এটা বোধহয় না-নিলেই ভাল হত।”

    “কেন?”

    “না মানে বলছিলুম যে, আপনার কাছে যত কেস আসে, তার সবগুলোই কি আপনি নেন?”

    “তা কী করে নেব, অত সময় কোথায়?” ভাদুড়িমশাই বললেন, “যে-সব কেস খুব ইন্টারেস্টিং বলে মনে হয়, সেগুলো নিজে নিই, আর বাদবাকিগুলো আমাদেরই এজেন্সির অন্য লোকেরা হ্যান্ডল করে। তবে তাদেরও তো ক্যাপাসিটির একটা সীমা আছে, তাই কিছু-কিছু কেস ফিরিয়ে দিতে হয়।”

    “এটা বোধহয় ফিরিয়ে দিলেই পারতেন।”

    “সে কী! প্রোফেসর মিশ্রের মতেন মানুষ নিজে অনুরোধ করে পাঠিয়েছেন, তবু ফিরিয়ে দেব? তাও কি হয় নাকি?…আর তা ছাড়া ফিরিয়ে দেবই বা কেন?”

    কথা শেষ করে সদানন্দবাবুর দিকে তাকালেন ভাদুড়িমশাই। তারপর তাঁর মুখে হঠাৎ এক টুকরো হাসি ঝিকিয়ে উঠল। কৌতুকের হাসি। বললেন, “বুঝেছি। আপনি ভয় পেয়েছেন। তো কীসের ভয় বলুন দেখি। বর্মি গুণ্ডার? আরে মশাই, ও তো আমি ঠাট্টা করে বলেছি।”

    এতক্ষণে হাসি ফুটল সদানন্দবাবুর মুখেও। বললেন, “ঠাট্টা? সত্যি বলচেন তো?”

    “তা ছাড়া আবার কী। আপনাকে একটু ভয় পাইয়ে দেবার জন্যে বলেছিলুম।”

    “তা-ই বলুন,” সদানন্দবাবুর হাসিটা এবারে আরও বিস্তৃত হল, “এর মধ্যে তা হলে বর্মি গুণ্ডা ঢোকেনি? কিন্তু ‘মায়ানমার’ কথাটা তা হলে কোত্থেকে এল? ওটা তো আর উড়ে আসেনি।”

    “ওটা আসেনি, আসার কোনও কারণও নেই। ‘মায়ানমার’ নয়, প্রোফেসর মিশ্রের ঠোঁট নাড়া থেকে আমি যা বুঝেছি, তাতে বলতে পারি, উনি ‘মারমার ই বলেছিলেন।”

    “কিন্তু ‘লন্ডন’ শব্দটা? ওটা তো ঠিকই আন্দাজ করেচেন আপনি?”

    “মনে হয় ঠিকই করেছি। কিন্তু ‘লন্ডন’ মানেই যে লন্ডনের গুণ্ডা, তা কেন হবে? হয়তো ‘লন্ডন’ বলে অন্য কোনও কথা তিনি বোঝাতে চেয়েছেন।”

    “কী বোঝাতে চেয়েছেন?”

    সেটাই তো আন্দাজ করতে পারছি না। ভেবেছিলুম, রঘুনন্দন হয়তো এ-ব্যাপারে কিছু বলতে পারবে। কিন্তু সেও তো কিছু বুঝতে পারেনি।”

    রঘুনন্দনকে যখন কলকাতায় প্রথম দেখেন, তখন ভাদুড়িমশাই যে চমকে উঠেছিলেন, সেই কথাটা হঠাৎ আবার মনে পড়ে গেল। বললুম, “একটা কথা বলুন তো? রঘুনন্দনের চেহারা কি ঠিক তার বাবা হরিনন্দনের মতন?…মানে দেউলগিরি থেকে যাঁর সঙ্গে আপনি বাই সি বোম্বাই এসেছিলেন?”

    “রাইট।”

    “কিন্তু সে তো অনেক বছর আগেকার কথা। অ্যাদ্দিন বাদেও হরিনন্দনের চেহারা আপনার মনে আছে?”

    “স্পষ্ট মনে আছে।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “চোখ, মুখ, নাক, ভুরু, কমপ্লেকশন, হাইট—এভরিথিং। এমন কী, চাউনি পর্যন্ত। আর এতসব মনে আছে বলেই তো প্রোফেসর শ্যামনন্দন মিশ্রকে দেখেই আমি চমকে গিয়েছিলুম। তারপর এই সেদিন যখন রঘুনন্দন আমাদের কলকাতার ফ্ল্যাটে এল, তখন আমার দ্বিতীয়বার চমকে যাবার পালা। সত্যি বলতে কী, চমকে যাবার ধাক্কাটা এক্ষেত্রে আরও বেশি জোরদার হয়েছিল।”

    “কেন?”

    “তাও বুঝতে পারছেন না? আরে মশাই, শ্যামনন্দন আর হরিনন্দনের মধ্যে যে মিলটা আমার চোখে পড়েছিল, যতই চমকে যাই না কেন, সে তো বুড়োর সঙ্গে যুবকের মিল, চেহারার মিল না বলে তাকে আদলের মিল বলাই ভাল। সেক্ষেত্রে রঘুনন্দন আর হরিনন্দনের বেলায় তো বয়েসটাও মিলে যাচ্ছে। ফলে দু’ জনের মিলটা আরও স্পষ্ট করে দেখতে পাচ্ছি।”

    এক মুহূর্ত চুপ করে রইলেন ভাদুড়িমশাই। তারপর বললেন, “আজ থেকে পঁচিশ বছর আগে হরিনন্দনকে যখন দেখি, তখন তার বয়েস এই ধরুন বছর তিরিশেক। আর রঘুনন্দনকে তো আপনারা দু’ জনেই দেখেছেন। কলকাতাতেও দেখেছেন, আবার এখানেও দেখছেন। কী মনে হয়? কত বয়েস হবে ওর?”

    সদানন্দবাবু বললেন, “ওই একই বয়েস…মানে বছর তিরিশেকই হবে আর কি।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “ফলে, হরিনন্দনের যে-চেহারাটা আমার চোখে আজও লেগে আছে, এর সঙ্গে তার মিলটা তো আরও বেশি করে আমাকে চমকে দেবেই।…কী বলব, কলকাতায় যখন ওকে প্রথম দেখি, তখন আমার বুকের মধ্যে ধক করে উঠেছিল। মনে হয়েছিল, পঁচিশ বছর আগে যাকে দেখেছিলুম, সেই হরিনন্দনই ফের আমার সামনে এসে দাঁড়িয়েছে।”

    আর একটুক্ষণ চুপ করে রইলেন ভাদুড়িমশাই। তারপর বললেন, “অথচ, প্রোফেসর শ্যামনন্দন মিশ্রের কাছে আজ থেকে পাঁচ বছর আগেই আমার জানা হয়ে গিয়েছিল যে, হরিনন্দন বেঁচে নেই, আমার সঙ্গে তো তার পরিচয় হয়েছিল একাত্তরের এপ্রিলে, তার মাত্র এক মাস বাদেই সে একটা কার-অ্যাকসিডেন্টে মারা যায়। ভূতদর্শনের কথাটা যে কেন বলেছিলুম, এবারে সেটা বুঝতে পারছেন তো?”

    সদানন্দবাবু কিছু একটা বলতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু তার আগেই হাতে চায়ের ট্রে নিয়ে সকালবেলার সেই লোকটি এসে ঘরে ঢুকল। ঘরের একদিকে একটা টানা সোফা, তার সামনে গ্ল্যাস-টপ টেবিল, তার উপরে ট্রে নামিয়ে রেখে বলল, “চায় কি আমি বানিয়ে দেব?”

    “না না,” ভাদুড়িমশাই বললেন, “আমরাই বানিয়ে দেব অখন।…রঘুনন্দনবাবু ফিরেছেন?”

    “এখনও ফেরেননি, তবে থোড়া বাদেই ফিরে আসবেন।…একটায় খানা লাগিয়ে দেব।” বললুম, “তখন ঘণ্টা বাজবে না?”

    “জরুর বাজবে। লেকিন বুড়াবাবু তো এখন কোঠিতে নাই, ইসি লিয়ে…”

    ইসি লিয়ে যে কী, সেটা আর বলল না। সেই সকালবেলার মতোই চতুর হেসে লোকটি ঘর থেকে বেরিয়ে গেল।

    চায়ের পট থেকে সদানন্দবাবু নিজের ও আমার জন্যে দুটো পেয়ালায় লিকার ঢেলে নিলেন। তারপর পটটা ভাদুড়িমশায়ের দিকে এগিয়ে দিয়ে বললেন, “আপনার তো আবার শুদু লিকারে চলবে না, দুধ-চিনি মেশানো চাই।”

    “তা চাই।” নিজের পেয়ালায় লিকার ঢেলে নিয়ে তাতে দুধ-চিনি মিশিয়ে একটা চামচ দিয়ে নাড়তে-নাড়তে ভাদুড়িমশাই বললেন, “চা খাওয়া শিখেছি তো সায়েবদের কাছ থেকে। তারা যে-ভাবে শিখিয়েছিল, সেইভাবেই খেয়ে যাচ্ছি।”

    সেই সক্কালবেলায় বেড-টি পেয়েছিলুম, তারপরে এই এতক্ষণ পর্যন্ত আর চা খাওয়া হয়নি, মাথাটা হয়তো সেই কারণেই একটু ধরে ছিল। এবারে পেয়ালায় চুমুক দিয়ে বললুম, “আঃ, এতক্ষণে যেন প্রাণ এল। এদের চা দেবার ফ্রিকোয়েন্সিটা আর-একটু বাড়াতে বলুন তো ভাদুড়িমশাই, নইলে তো এখানে থাকা যাবে না।”

    ভাদুড়িমশাই হেসে বললেন, “সবে তো কাল রাত্তিরে এখানে এসে পৌঁছেছি, এরই মধ্যে কলকাতায় ফেরবার জন্যে ছটফট করছেন? তাও কিনা ব্রেকফাস্টে চা পাননি বলে?”

    “না না, শুধু চায়ের কথা বলছেন কেন, কলকাতায় অনেক কাজও তো ফেলে রেখে এসেছি। তা এ-কেসটার ফয়সলা করতে আর কদ্দিন লাগবে, কিছু আন্দাজ করতে পারছেন?”

    “কী করে পারব।” ভাদুড়িমশাই আবারও হাসলেন। “কেসটা কী, তা-ই তো এখনও বুঝে উঠতে পারলুম না। দেখি, লাঞ্চের সময় তো রঘুনন্দনকে পাওয়া যাচ্ছে, তখন কথা বলে দেখব।” তারপর একটু থেমে থেকে বললেন, “অবিশ্যি একেবারেই যে কিছু আন্দাজ করতে পারিনি, তাও নয়। আন্দাজ একটা করেছি ঠিকই, কিন্তু সেটা ভুল না নির্ভুল, তা-ই নিয়ে আমার ধন্ধটা এখনও কাটছে না।”

    “আন্দাজটা কী?”

    “সেটা এই যে, মিউজিয়াম নিয়ে প্রোফেসর মিশ্রের একটা সমস্যা আছে ঠিকই, তবে সেটাই যে মূল সমস্যা, তা হয়তো নয়।”

    বললুম, “মূল সমস্যা তা হলে কী নিয়ে?”

    “বোধহয় রঘুনন্দনকে নিয়ে।”

    “তার মানে?”

    ভাদুড়িমশাই তৎক্ষণাৎ কোনও উত্তর দিলেন না। তাঁর চা খাওয়া শেষ হয়ে গিয়েছিল। পেয়ালা নামিয়ে রেখে একটা সিগারেট ধরালেন। সামনের দেওয়ালের দিকে তাকিয়ে অন্যমনস্কভাবে ধোঁয়া ছাড়লেন কিছুক্ষণ। ধোঁয়া দিয়ে শূন্যে গোটাকয় রিং বানালেন। তারপর বললেন, “যে-ঘরে আমাকে শুতে দেওয়া হয়েছে, কাল রাত্তিরে যে সেখানে একটা জিনিস পেয়ে গেছি, তা আপনি জানেন। ওটা আমার পাবার কথা ছিল না, একেবারে হঠাৎই পেয়ে গেলুম।’

    বললুম, “তা তো আপনি বলেছেন, কিন্তু জিনিসটা কী?”

    “একটা চিঠি।”

    “কার চিঠি?”

    “প্রোফেসর মিশ্রের। অ্যান ইনকমপ্লিট লেটার। চিঠিখানা তিনি পুরোটা লিখে উঠতে পারেননি, খানিকটা পর্যন্ত লিখে তারপর একটা বইয়ের মধ্যে রেখে দিয়েছিলেন। বইখানা তাঁর বিছানার পাশে একটা সাইড টেবিলে ছিল। বড় মাপের বই নয়, প্রস্তর-যুগ সম্পর্কে প্রোফেসর মিশ্রেরই লেখা একটা মনোগ্রাফ। নেহাতই কৌতূহলের বশে বইখানা খুলতেই তার ভিতর থেকে এই চিঠিখানা বেরিয়ে পড়ে।”

    “চিঠিখানা কাকে লেখা?”

    “আমাকেই।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “চিঠির উপরে তারিখ লেখা রয়েছে ৪ এপ্রিল। অর্থাৎ যেদিন আমরা কলকাতা থেকে রওনা হই, সেই দিনের চিঠি।”

    “চিঠিখানা শেষ করেননি কেন?”

    “হয়তো করে উঠতে পারেননি। হয়তো চিঠি লিখতে-লিখতেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তাঁর শরীর যে ভাল যাচ্ছিল না, চিঠির মধ্যেই তার উল্লেখ রয়েছে।”

    একটুক্ষণ চুপ করে রইলেন ভাদুড়িমশাই। তারপর বললেন, “এনিওয়ে, চিঠিখানা আমি আপনাদের দিচ্ছি। রাত্তিরে এটা আপনারা পড়ে দেখুন। পড়ে একটা আন্দাজ করে নিন। তারপর কাল সকালে এই নিয়ে আপনাদের সঙ্গে আমি কথা বলব। দেখব, আপনাদের আন্দাজের সঙ্গে আমার আন্দাজ মেলে কি না।”

    পকেট থেকে একখানা ভাঁজ-করা কাগজ বার করে ভাদুড়িমশাই আমার দিকে এগিয়ে দিলেন।

    কাগজখানা খুলে দেখতে যাচ্ছিলুম, ভাদুড়িমশাই আমাকে বাধা দিয়ে বললেন, “রাত্তিরের আগে ওটা খুলবেন না। আপাতত পকেটে পুরে ফেলুন।”

    তা-ই করলুম। করে যে ভালই করলুম, সেটা বুঝতে দেরি হল না। কেন না, তার দু-এক সেকেন্ডের মধ্যেই দরজায় টোকা পড়ল।

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “কাম ইন।”

    পর্দা সরিয়ে রঘুনন্দন এসে ঘরে ঢুকল। ঢুকে একটা চেয়ার টেনে তাতে বসে পড়ে বলল, “মিউজিয়াম থেকে ঘুরে এলুম। একটা মুশকিল হয়েছে।”

    “কী হয়েছে?”

    “কাল রবিবার। রবিবারে মিউজিয়াম বন্ধ থাকে। কিন্তু কাল খোলা রাখতে হবে।”

    “কেন?”

    “ডি. এম. সায়েব ফোন করেছিলেন। বাইরে থেকে একটা ডেলিগেশন এসেছে। মিউজিয়ামটা দেখতে চায়। কিন্তু কালকের দিনটা ছাড়া তাদের সময় হবে না। ডি. এম. নিজেই তাদের সঙ্গে করে নিয়ে আসছেন।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “তার মানে তো কাল আপনাকে একটু ব্যস্ত থাকতে হবে। বাইরে থেকে যখন ডেলিগেশন এসেছে…

    “ব্যস্ততা আমার আজ থেকেই শুরু হয়ে গেছে, মিঃ ভাদুড়ি।” রঘুনন্দন বলল, “ডি. এম. মিঃ শর্মার সঙ্গে এখনও আমার আলাপ-পরিচয় হয়নি, তিনি যে কেমন মানুষ, কিছুই জানি না, আসলে ভদ্রলোক এর আগে বেনারসে ছিলেন, মাত্র মাসখানেক হল এখানে বদলি হয়ে এসেছেন, তা তিনি ও আমাদের মিউজিয়ামে এই প্রথম আসছেন, তাই…”

    “তাই কী?”

    “তাই বুঝতেই পারছেন, সব কিছু একটু সাফসুতরো করে রাখতে হবে। যে-ছেলেটি আমাদের ওখানে গাইডের কাজ করে, তাকেও একটু তালিম দিয়ে রাখা দরকার।”

    এক মুহূর্ত চুপ করে রইল রঘুনন্দন, তারপর বলল, “আসলে ব্যাপারটা কী জানেন, সরকার থেকে আমাদের মিউজিয়ামের জন্যে একটা মোটা টাকা বরাদ্দ করার কথা আছে…বাট অফ কোর্স উইদাউট এনি কন্ডিশন…তাই ডি. এম. সাহেবের ফার্স্ট ইমপ্রেশনটা যাতে ভাল হয়, সেদিকে তো নজর না-রেখে উপায় নেই। টাকাটা যখন তাঁরই রিপোর্টের উপর নির্ভর করছে, তখন হি হ্যাজ টু বি কেপট ইন গুড হিউমার।”

    “তার মানে লাঞ্চ করেই আপনি আবার বেরিয়ে যাবেন, কেমন?”

    “না-গিয়ে উপায় কী। এদিকে আবার আর-এক ঝঞ্ঝাট হয়েছে। সিকিওরিটির ইলেকট্রনিক সিস্টেমটা ঠিকমতো কাজ করছে না। এলাহাবাদের যে কোম্পানিকে দিয়ে ওটা বসানো হয়েছে, তাদের খবর দিয়েছি, তিনটে নাগাদ তারা এক জন মেকানিক পাঠিয়ে দিচ্ছে। ফলে…বুঝতেই তো পারছেন…লাঞ্চ সেরেই আমাকে ফের বেরিয়ে পড়তে হবে।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “কিন্তু আমাকে যে-কাজের জন্যে আপনারা ডেকে এনেছেন, তাই নিয়েও তো আপনার সঙ্গে দু-একটা কথা বলার দরকার ছিল।”

    ঢং ঢং করে ঘণ্টা বেজে উঠল। রঘুনন্দন তার হাতঘড়ির দিকে তাকিয়ে বলল, “একটা বাজে। চলুন, খেতে-খেতেই কথা বলা যাবে।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্টোরিজ – নিল গেইম্যান
    Next Article ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    Related Articles

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার ক্লাস – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার দিকে ও অন্যান্য রচনা – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতা কী ও কেন – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ কবিতা

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }