Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প927 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কামিনীর কণ্ঠহার – ৪

    ৪

    নদীর ধার থেকে বাংলোয় ফিরতে-ফিরতে প্রায় দশটাই বেজে যায়। ভাদুড়িমশাইয়ের পিছনে পিছনে একতলার ডাইনিং রুমে ঢুকে দেখি, কামিনী আমাদের জন্যে অপেক্ষা করছে। জিজ্ঞেস করল, “কোথায় গিয়েছিলে?”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “ভোরবেলায় উঠে সদানন্দবাবুকে নিয়ে হাঁটতে গিয়েছিলুম। কিরণবাবু তো তোরই মতো ঘুমকাতুরে। আটটায় ফিরে এসে ওঁর ঘুম ভাঙাই। তারপর ওঁকে নিয়ে নদীর ধারে গেসলুম। চমৎকার জায়গা, বাতাসটাও ইনভিগরেটিং, উঠতে ইচ্ছে করছিল না। …তা বাৰ্টিকে দেখছি না যে? সে কোথায়?”

    “ফেরেনি।” কামিনী বলল, “একটু আগে ফোন করেছিল। বলল, একটা কেস একটু গোলমেলে, তাকে ফেলে রেখে ফিরতে পারছে না। তবে লাঞ্চের আগে ফিরবে।”

    “ব্রেকফাস্ট কোথায় করবে? আর তা ছাড়া বেরিয়ে গেছে তো কাল বিকেল হওয়ার আগেই। তা হলে রাত্তিরের খাওয়াটাই বা কোথায় খেল?”

    “সঙ্গে কিছু স্যান্ডুইচ দিয়ে দিয়েছিলুম। সেই সঙ্গে এক ফ্লাস্ক কফি। ডিনার যদি করে থাকে, তো তা-ই দিয়েই করেছে।”

    “আর ব্রেকফাস্ট?”

    কামিনী হেসে বলল, “আজ আর সেটা ওর কপালে নেই। তবে ও নিয়ে তোমরা ভেবো না তো। ডাক্তারদের অমন হয়েই থাকে।”

    কাজের লোকটি প্লেটভর্তি টোস্ট নিয়ে ঘরে ঢুকল। তারপর দুটো-দুটো করে টোস্ট আমাদের প্লেটে নামিয়ে দিয়ে বলল, “ডিম কীরকম হবে?”

    ভাদুড়িমশাই কামিনীর দিকে তাকিয়ে বললেন, “তুই কীরকম খাস?”

    “বাবা তো ভেজিটেরিয়ান ছিলেন,” কামিনী বলল, “বাড়িতে তাই মাছ-মাংস আর ডিম কখনও ঢুকতই না। ওসব জিনিস মা’ও ছেড়ে দিয়েছিলেন, আমিও বাঙ্গালোরে থাকতে খাইনি। তবে এখন খাই।”

    “তুই যে-রকম পছন্দ করিস, আমাদের জন্যেও তা-ই বলে দে। আমাদের সব রকমই পছন্দ।”

    “ঠিক আছে।” কাজের লোকটির দিকে তাকিয়ে কামিনী বলল, “প্লেন অমলেট। তবে হ্যাঁ, পেঁয়াজ দিয়ো না, আর কুচোনো কাঁচালঙ্কা একটু বেশি করে দিয়ো।”

    ডাইনিং রুমের পাশেই কিচেন। মালকিনের কাছ থেকে অর্ডার নিয়ে কাজের লোকটি কিচেনে চলে গেল। ভাদুড়িমশাই বললেন, “তোর গয়নাটার কথা কাল শোনাই হল না। আজ শুনব।…মানে গয়নাটা যে চুরি হয়েছে…”

    “ওটা তো চুরি হয়নি।….চুরির কথা আবার কখন বললুম?”

    “তা হলে?” ভাদুড়িমশাইকে একটু বিভ্রান্ত দেখাল। “তা হলে তুই কী বলেছিলি?”

    “এখুনি বলব? ইন ডিটেলস?”

    “না থাক।” এক মুহূর্ত ভেবে নিয়ে ভাদুড়িমশাই বললেন, “চা খেয়ে উপরে যাই। তখন শুনব।” অমলেট এসে গিয়েছিল। টোস্ট অমলেট আর চা খেয়ে আমরা উপরে উঠে এলুম। উপরে সামনের দিকে বিশাল বারান্দা। মুল বাড়ির কাঠামো থেকে সেটা বেশ খানিকটা এগিয়ে গেছে। একটি কাজের লোক এসে সেখানে একটা গোল টেবিল ঘিরে ছোট ছোট চারটে ক্যানভাসের চেয়ার রেখে গেল। আমরা তাতে আরাম করে বসার পরে ভাদুড়িমশাই একটা সিগারেট ধরালেন। তারপর একগাল ধোঁয়া ছেড়ে বললেন, “তোর বাড়িতে কাজের লোক মোট ক’জন রে?”

    কামিনী বলল, “পাঁচজন। একজন কুক, তাকে তোমরা একতলায় দেখেছ। বাকি চারজন অন্য সব কাজ করে।”

    “অন্য সব কাজ মানে কী কাজ?”

    “একটি মেয়ে আছে, যে বাসন-কোসন ধোয় আর জামাকাপড় কাচে। বাদবাকি তিনজন পুরুষ। তাদের মধ্যে একজন যেমন দোতলা ঝাঁটপাট দেয়, মেঝে মোছে, ডাস্টিং করে সব সাফসুতরো রাখে, আর একজনও তেমনি সেই একই কাজ করে একতলায়”

    “এখনও একজনের কথা বলিসনি। সে কী করে?”

    “বাগানের কাজ করে। তা ছাড়া গাড়ি ধোয়।”

    “এরা কি রাত্তিরেও এখানে…মানে এই বাড়িতে থাকে?”

    “না।” কামিনী বলল, “রাত্তিরে ওরা কেউই এখানে থাকে না। সকালে আসে, যে যার নিজের কাজ করে, তারপর বিকেল হবার আগেই বাড়ি চলে যায়।”

    “বাড়ি কোথায়?”

    “পাহাড়ের বস্তিতে।…যাচ্চলে, তুমি তো গয়নার কথা কিছু শুনছ না।”

    “শুনব, অত ব্যস্ত হচ্ছিস কেন?” ভাদুড়িমশাই হেসে বললেন, “এক্ষুনি গয়নার কথায় আসছি। তার আগে আর দু-একটা কথা জিজ্ঞেস করে নিই।”

    “বেশ, করো।”

    “ওরা যে পাহাড়ের বস্তিতে থাকে, তা তো শুনলুম। তা সবাই কি একই বস্তিতে থাকে?”

    “না, আলাদা-আলাদা বস্তিতে।”

    “সেগুলির ডিসট্যান্স এখান থেকে কতটা?”

    “সবই দু’তিন মাইলের মধ্যে।” কামিনী বলল, “তবে বোঝোই তো, পাহাড়ি জায়গা, সূর্য ডুবলেই গোটা এলাকা অন্ধকার। তা ছাড়া পাহাড়ে এখন বুনো জন্তু-জানোয়ার অনেক কমে গেছে ঠিকই, তবে একেবারেই যে নেই, তা নয়। সাপ আর বিছের ভয়ও আছে। ওরা তাই তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরতে চায়।”

    “চাইতেই পারে,” সদানন্দবাবু বললেন, “জন্তু-জানোয়ার আচে, সাপখোপ আচে, তা হলে আর চাইবে না কেন?…আচ্ছা, একটা কতা বলুন তো, ভূতপেত্নির ভয় নেই তো?”

    কামিনী হেসে বলল, “তাও আছে বই কী।…মানে ওদের কথা বলছি, ভীষণ ভূতের ভয়। বিশেষ করে ওই যে মেয়েটার কথা বললুম, লছমি…বাসন মাজা আর কাপড়চোপড় ধোয়ার কাজ করে…তার যে কী ভীষণ ভূতের ভয়, সে আর কী বলব।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “ওরা তো বিকেল না হতেই বাড়ি চলে যায়। বার্টিও কি আর নিত্যি তিরিশ দিন বাড়িতে থাকে? ডাক্তার মানুষ, রাত্তিরের দিকে কল এলে তাকেও নিশ্চয় বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়তে হয়, রাত্তিরে আর বাড়ি ফিরতে পারে না, এই যেমন কাল রাত্তিরে ফেরেনি। তখন তোর ভয় করে না?”

    “কীসের ভয়?” কামিনী এবারে হো-হো করে হেসে উঠল। “ভূতের? ধুত, আমি কি ভূতে বিশ্বাস করি নাকি?”

    “ভূত না-ই থাক, চোর-ডাকাত তো আছে। নাকি তাও নেই?”

    “তা থাকবে না কেন। তবে ডুণ্ডা ভ্যালির এই হাউসিং কমপ্লেক্সে চোর-ডাকাতের ভয়ও নেই, আঙ্কল। এখানকার পাহারা ভীষণ কড়া।”

    “সেটা আমরা এরই মধ্যে বুঝেছি।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “তবু এত বড় একটা বাড়িতে একা থাকতে একটু অস্বস্তি হওয়াই তো স্বাভাবিক। কাজের মেয়েটাকে তো মাঝেমধ্যে থাকতে বলতে পারিস।”

    “ওর নিজের সংসার আছে না? আর তা ছাড়া লছমি থাকলেই বা লাভ কী? বরং অর্জুন….আই মিন আমাদের কুক…ওই যে লোকটি তোমাদের ব্রেকফাস্ট সার্ভ করল…সে থাকলে লাভ হত। তা হলে আর রাত্তিরের খাবারটা নিত্যি-নিত্যি আমাকে গরম করে নিতে হত না।”

    “অর্জুনকে তো তোদের বাঙ্গালোরের বাড়িতেও দেখেছি।”

    “দেখতেই পারো, ও বাবার আমলের লোক। বাঙ্গালোরে তো তুমি মাঝে-মাঝেই আমাদের বাড়িতে আসতে। মুখটা মনে রেখেছ দেখছি।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “আমি সব কিছুই মনে রাখি। কিন্তু সে-কথা হচ্ছে না। অর্জুন তা হলে বাঙ্গালোরের লোক নয়?”

    “না, বাঙ্গালোরে গিয়েছিল কাজের ধান্দায়। আসলে ও গাড়োয়ালি, বার্টির সঙ্গে আমার বিয়ে হবার পর খুশি হয়েই আমার সঙ্গে এখানে চলে এসেছে।”

    “কিন্তু তোরা তো প্রথম একটা বছর উত্তরকাশীতে ছিলি। অথচ অর্জুনের বাড়ি এখানকার পাহাড়ি বস্তিতে। তখন তা হলে রোজ-রোজ বাড়িতে ফিরতে পারত না।”

    “না।” কামিনী বলল, “তখন সপ্তাহে একদিন…রবিবার বাড়ি আসত, আবার সোমবার সকালে বাস ধরে চলে যেত উত্তরকাশী। পরে ওই আমাদের খবর দেয় যে, ডুণ্ডা ভ্যালির কলোনিতে জমি পাওয়া যাচ্ছে। শুনে আমরা এখানকার কলোনির কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জমি কিনে বাড়ি বানাই। বার্টি আর্মির ডাক্তার ছিল, তাই জমি পেতে অসুবিধে হয়নি।”

    “তাতে যেমন তোদের, তেমন অর্জুনেরও লাভ হল, কী বলিস?”

    “তা তো হলই। ও এখন রোজই বাড়ি ফিরতে পারে।”

    “এরা সবাই…মানে তোদের এই বাড়িতে যারা কাজ করে…সবাই বিশ্বাসযোগ্য লোক?”

    “অবিশ্বাস করার মতন তো কখনও কিছু দেখিনি।”

    একটুক্ষণ চুপ করে রইলেন ভাদুড়িমশাই। একটা সিগারেট ধরালেন। দেশলাইয়ের জ্বলন্ত কাঠিটাকে শূন্যে বার দুই সজোরে নেড়ে নেভালেন। তারপর একটু ইতস্তত করে বললেন, “যদি কিছু মনে না করিস, তো একটা প্রশ্ন করব।”

    কামিনী হেসে বলল, “বেশ তো, করো।”

    “বার্টির রোজগারপত্তর কেমন?”

    “ভালই।” কামিনী বলল, “আর্মি থেকে আর্লি রিটায়ারমেন্ট নিয়েছিল ঠিকই, কিন্তু পেনশনটা

    নেহাত খারাপ পায় না। তা ছাড়া ডাক্তারি তো আর ছেড়ে দেয়নি।”

    “তাতেও কিছু আসে, কেমন?”

    “যতটা আসতে পারত, তার সিকির সিকিও আসে না।”

    “কেন?”

    “ওর রুগি দেখার ফি কত জানো?”

    “কত?”

    ‘পার ভিজিট দু’টাকা। বলে, এখানকার লোকজন বড় গরিব, এর বেশি দেবে কোত্থেকে?”

    “তা হলে ওই দু’টাকাই বা নেয় কেন?”

    “ওর তরফে তারও একটা জবাব আছে।” কামিনী হাসল। “ও বলে যে, একেবারে ফ্রিতে রুগি দেখলে ডাক্তার সম্পর্কে রুগির আস্থা জন্মায় না।”

    “ঠিকই বলে।”

    “তা ছাড়া, রোজগারের কথা উঠছেই বা কেন?” কামিনী বলল, “বার্টির টাকা আর আমার টাকা কি আলাদা? ও যা-ই পেনশন পাক, শেয়ার কেনা-বেচার ব্যাবসায় আমি কি কম রোজগার করি নাকি?”

    ভাদুড়িমশাইয়ের চোখে কৌতুক ঝিলিক দিল। বললেন, “কত রোজগার করিস?”

    “তার কি কিছু ঠিক আছে নাকি? সবই তো বাজার ওঠা-পড়ার ব্যাপার। পড়তির বাজারে যা কিনি, সেটা ধরে রেখে দেখতে থাকি, বাজার উঠছে কি না। খানিকটা ওঠার পরে বেচে দিই। গত মাসে পাঁচ লাখ লাভ হয়েছিল। এ মাসে কিনেছি, কিন্তু বাজার ভাল নয়, তাই এখুনি বিক্রি করছি না, আরও কিছু দিন দেখব।”

    “ব্যাবসা শুরু করার সময় তো বেশ-কিছু টাকা প্রথমে ইনভেস্ট করতে হয়েছিল। কত টাকার শেয়ার কিনেছিলি?”

    “পঁচিশ লাখ টাকার।

    “সে-টাকা পেলি কোথায়?

    “বা রে!” কামিনী হেসে বলল, “বাবা আমার নামে ব্যাঙ্কে টাকা রেখে দিয়েছিল না? সে-টাকা পুরো তুলে নিয়ে শেয়ারে খাটিয়ে দিই।”

    “যাক, তা হলে বাঙ্গালোরের বাড়িটা বেচিসনি?”

    “আরে না না, বাড়ি বিক্রি করিনি, ভাড়াটেও বসাইনি।”

    “আর তোর মায়ের যে গয়নাগাটি তুই পেয়েছিস, সেগুলির কী হল?”

    “তারও একটাও বেচিনি।” কথাটা বলেই তীব্র চোখে ভাদুড়িমশাইয়ের দিকে তাকাল কামিনী। বলল, “কী ব্যাপার বলো তো? টাকা বাড়ি গয়না—খুঁটিয়ে-খুঁটিয়ে এত সব কথা আমাকে জিজ্ঞেস করছ কেন? রাত্তিরে ঘুম ঠিকমতো হয়েছিল?”

    “তা হয়েছিল। সকাল-সকাল ঘুমিয়েছি, উঠেও পড়েছি ভোর না হতেই। তারপরে তো দু’দফা ঘুরেও এলুম।…তা যে-কথা হচ্ছিল…”

    ভাদুড়িমশাইকে কথাটা শেষ করতে দিল না কামিনী। মাঝপথে বাধা দিয়ে বলল, “দাঁড়াও দাঁড়াও, তুমি যে ঘনঘন চা খাও, তা ভুলেই গেসলুম। আর-এক রাউন্ড চা দিতে বলি?”

    “তা বল।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “শীতের জায়গা, চা ছাড়া চলে?”

    কামিনী আমাদের দিকে তাকিয়ে বলল, “আপনাদের জন্যে কী বলব। চা না কফি?”

    সদানন্দবাবু বললেন, “চা। তবে শুধু লিকার। আমি আর কিরণবাবু দুধ-চিনি মিশিয়ে চা খাই না। আর হ্যাঁ, লিকারটা খুব হাল্কা হলে ভাল হয়।”

    “তা-ই হবে।” কামিনী বলল, “আপনারা বসুন, আমি চায়ের কথা বলে আসছি।”

    ফিরে এল মিনিট পাঁচেক বাদে। এসে তার চেয়ারে বসে পড়ে, আমাদের দিকে তাকিয়ে বলল, “খালি চারু-আঙ্কলের সঙ্গে কথা বলছি, আপনাদের সঙ্গে তো কথাই হচ্ছে না। এর আগে আপনারা এদিকে কখনও এসেছেন?”

    বললুম, “আমি এসেছি, তবে সদানন্দবাবু আসেননি।”

    সদানন্দবাবু বললেন, “আমি একবার এয়াদের সঙ্গে মুসুরি এসেছিলুম, তখন ডেরাডুন হরিদ্বার আর হৃষীকেশটাও দেখা হয়ে গেসল। তবে কিনা আমার দৌড় ওই পর্যন্ত, হৃষীকেশ ছাড়িয়ে ইদিকে কখনও আসা হয়নি।”

    আমরা দেরাদুন বলি, সদানন্দবাবু বলেন ডেরাডুন। আমরা দেড় টাকা বললেও সদানন্দবাবু বলেন ডেড় টাকা। এটা বোধহয় নর্থ ক্যালকাটার উচ্চারণ।

    কামিনী আমার দিকে তাকিয়ে বলল, “আপনি এদিকে এসেছিলেন কেন? জাস্ট বেড়াতে?”

    বললুম, “ঠিক তা-ই। আসলে যমুনোত্রী গেসলুম। ফিরতি পথে মনে হল, এসেই যখন পড়েছি, তখন গঙ্গোত্রীও দেখে যাই। নয়তো আবার কবে আসা হবে কে জানে। তো গঙ্গোত্রী গেসলুম এই পথেই। অনেকদিন আগের কথা, তখন এই ডুণ্ডা ভ্যালিতে এত ঘরবাড়ি দেখিনি।”

    “তখন এত ঘরবাড়ি ছিলই না, তা হলে আর দেখবেন কোত্থেকে!”

    চা এসে গেল। যে লোকটি আমাদের সামনের গোল টেবিলে চায়ের ট্রে নামিয়ে রাখল, একটু আগে একতলায় ডাইনিং রুমে তাকে আমরা দেখেছি। এ-বাড়ির কুক, অর্জুন। লোকটির বয়েস মনে হল বছর ষাটেক। তবে একমাথা পাকা চুল ছাড়া শরীরে কোথাও বয়েসের ছাপ তত স্পষ্ট হয়ে ফোটেনি। চামড়া কুঁচকোয়নি, হাঁটাচলার ভঙ্গিটিও সতেজ।

    কামিনী বলল, “এদের চিনতে পেরেছ অর্জুন?”

    “ভাদুড়িসাবকে চিনেছি।” অর্জুন মৃদু হেসে বলল, “বাঙ্গালোরে বড়বাবুর কাছে আসতেন। তবে এঁদের চিনলাম না।”

    “এঁরা আঙ্কলের বন্ধু, বেড়াতে এসেছেন, দিন কয়েক থাকবেন।…তা তুমি কেন চা নিয়ে এলে, যোগীশ্বরকে দিয়ে পাঠিয়ে দিলেই তো হত।”

    “ওর ঘর ঝাঁট দেওয়া আর মোছার কাজ তো শেষ হয়ে গেছে। বসে ছিল, তাই বাটনা বাটতে লাগিয়ে দিয়ে চা’টা নিজেই নিয়ে এলাম। এঁরা লাঞ্চে কী খাবেন?”

    “তোমরা যা খাও, তা-ই খাব।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “বেশি কিছু করতে যেয়ো না।”

    “আপনারা বাংগালি, আপনাদের মাছ চাই।” অর্জুন বলল, “আজ কিন্তু মাছ পাইনি। মিট আছে। কী আইটেম করব?”

    কামিনী বলল, “ডাল, ভাত, সবজি আর মিট কারি।…ও হ্যাঁ, খানকয় চাপাটিও কোরো। ডাক্তারবাবু তো ভাত খান না, তাঁর চাপাটি চাই।”

    অর্জুন ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। কামিনী টি পট থেকে পেয়ালায়-পেয়ালায় চা ঢালতে ঢালতে বলল, “লাঞ্চ একটা থেকে দুটোর মধ্যে। তারপর একটু বিশ্রাম করে নিয়ো, আঙ্কল। বিকেলে কোথাও বেড়াতে যাবে?”

    ভাদুড়িমশাই চায়ের পেয়ালায় চুমুক দিয়ে কামিনীর দিকে তাকিয়ে বললেন, “কথা ঘোরাসনে মিনি। যতবার আমি গয়নাগাটির কথা তুলছি, ততবারই তুই অন্য কথায় চলে যাচ্ছিল। কী ভাবিস তুই বল তো? আমার মেমারি একদম লোপ পেয়ে গেছে?”

    “এ-কথা কেন বলছ?”

    “এইজন্যে বলছি যে, আমার স্পষ্ট মনে আছে, কলকাতায় ফোন করে তুই আমাকে জানিয়েছিলি যে, তোর একটা দামি গয়না চুরি হয়েছে। অথচ আজ বললি, ‘ওটা তো চুরি হয়নি!’ কী ব্যাপার বল তো? চুরি যদি না-ই হবে তো ফোনে আমাকে চুরির কথা বলেছিলি কেন?”

    তক্ষুনি-তক্ষুনি প্রশ্নটার কোনও জবাব দিল না কামিনী। মুখ নিচু করে চায়ের পেয়ালায় চামচ নাড়তে লাগল।

    কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে ভাদুড়িমশাই ফের সেই একই প্রশ্ন করলেন। “কেন বলেছিলি?” মুখ না তুলেই স্খলিত গলায় কামিনী বলল, “বলতে হয়েছিল।”

    “তার মানে?”

    এতক্ষণে মুখ তুলল কামিনী। বলল, “না-বলে উপায় ছিল না।”

    “তারই বা কী মানে?” ভাদুড়িমশাই বললেন, “একটা জিনিস চুরি হয়নি। অথচ সেটা চুরি হয়েছে না বলে তোর উপায় ছিল না, এর কোনও মানে হয়?”

    “হয়।” অস্ফুট গলায় কামিনী বলল, “তোমাকে যখন ফোন করি, বার্টি তখন আমার পাশেই দাঁড়িয়ে ছিল যে। তাই গয়নার ব্যাপারে তাকে যা বলেছিলুম, তোমাকেও তা-ই বলতে হল।”

    “ওকেই বা তোর মিথ্যে কথা বলতে হয়েছিল কেন?” ভাদুড়িমশাই বললেন, “না না, অস্বস্তির কিছু নেই। আমাকে যা বলা যায়, তা এঁদের দু’জনের সামনেও স্বচ্ছন্দে বলতে পারিস। সব কথা খুলে বল, কিচ্ছু লুকোস না।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্টোরিজ – নিল গেইম্যান
    Next Article ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    Related Articles

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার ক্লাস – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার দিকে ও অন্যান্য রচনা – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতা কী ও কেন – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ কবিতা

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }