Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প927 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কামিনীর কণ্ঠহার – ৫

    ৫

    গয়নাটা যদি চুরি না-ও হয়ে থাকে, তবু মূল ব্যাপারটা যে একটা দামি গয়না নিয়েই, সেটা আঁচ করতে আমাদের কোনও অসুবিধে হয়নি। একইসঙ্গে আশা করছিলুম সেটা নিয়ে যে সমস্যাই দেখা দিয়ে থাকুক, এবারে তা জানা যাবে। কামিনী কিন্তু তক্ষুনি তক্ষুনি গয়নার প্রসঙ্গে ঢুকল না। বলল, “তোমাকে কবে ফোন করেছিলুম?”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “ছাব্বিশে এপ্রিল। দ্যাট ওয়জ আ ফ্রাইডে।”

    “তোমরা কাল এসেছ। কাল ছিল দোসরা মে।” অনুচ্চ গলায় আঙুলের কর গুনতে গুনতে কামিনী বলল, “সাতাশ…আঠাশ…ঊনত্রিশ…

    তিরিশ…এক…দুই। তার মানে আমার ফোন পাবার ছ’দিন বাদে এলে। জানি না এর মধ্যে কিছু হয়ে গেল কি না।”

    “কী হবে?”

    এটার কোনও জবাব দিল না কামিনী। বলল, “আজও তো শুক্রবার। ঠিক আছে, আজ তার আসার দিন হলেও সে আসবে না।”

    “কার আসার দিন?”

    “লিজার।”

    “সে কে?”

    “লিজা ওয়েভার্লি। নার্স কাম ম্যাসিওর। উত্তরকাশীর ডিসট্রিকট হসপিটালে কাজ করে। সোম বুধ, আর শুক্রবার তার নাইট-ডিউটি থাকে। তাই ওই তিনদিন দুপুরে এসে আমাকে মাসাজ করিয়ে যায়। তবে আজ শুক্রবার হলেও সে আসবে না। কী একটা কাজে আটকে গেছে। বার্টিও বাড়িতে নেই। সো উই ক্যান টক ফ্রিলি।”

    ভাদুড়িমশাইয়ের ভুরু কুঁচকে গেল। বললেন, “যখন কাজের লোকেদের কথা জিজ্ঞেস করেছিলুম, তখন কই তার কথা তো আমাকে বলিসনি?”

    “লিজা কি এ-বাড়ির ডোমেস্টিক স্টাফের মধ্যে পড়ে যে, তার কথা বলব? আর তা ছাড়া, ওর কথা বলতে হলে তো আর-একজনের কথাও বলতে হয়।”

    “সেই আর-একজনই বা কে?”

    “দুখন।”

    “সে কী করে?”

    “বার্টির অ্যাসিস্ট্যান্ট। ডাক্তারবাবুর ব্যাগ বয়, সঙ্গে-সঙ্গে ঘোরে। পাস করা কম্পাউন্ডার নয়, তবে বার্টি ওকে ওষুধপত্তরের ব্যাপারটা খানিক-খানিক শিখিয়ে নিয়েছে।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “লিজা থাকে কোথায়?”

    “এখান থেকে উত্তরকাশীর পথে যদি যাও তো মাইল তিনেক গেলেই বাঁ দিকে পড়বে নতুন একটা সরকারি হাউসিং কমপ্লেক্স। বাইরের ফলকে সেটা লেখাই আছে। কমপ্লেক্সে ঢুকে বাঁ দিকের বাড়িটার দোতলায় থাকে।”

    “বিবাহিত?”

    “হ্যাঁ, তবে বছর দুয়েক আগে স্বামী মারা গেছেন।”

    “বয়েস কত?”

    “বছর তিরিশ-বত্রিশ।”

    “বাড়িতে আর কে থাকে?”

    “লিজার মা আর ছেলে। বাচ্চা ছেলে, বয়েস বছর তিনেক।”

    ভাদুড়িমশাই মিনিট খানেক চুপ করে রইলেন, তারপর বললেন, “দুখন?”

    “দুখন কী?”

    “লিজার কথা তো শুনলুম, দুখন থাকে কোথায়?”

    “সে থাকে এ-বাড়ির অন্য সব কাজের লোক যেখানে থাকে, সেইখানেই।”

    “তার মানে পাহাড়ি বস্তিতে?”

    “হ্যাঁ। তবে ওদের তুলনায় অনেক কাছে। আমাদের বাড়ির পিছনেই তো পাহাড়। খানিকটা উঠে গেলেই ওর বাড়ি।”

    “ঠিক আছে।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “এবারে কাজের কথায় আয়। গয়নাটার কী হল? যা বুঝতে পারছি, ওটা চুরি হয়নি।”

    “না, চুরি হয়নি।”

    “অথচ বার্টিকে ভুল বোঝাবার জন্যে তোকে চুরির কথা বলতে হয়েছিল, কেমন?”

    “হ্যাঁ।”

    “ভুল বোঝাবার দরকার হল কেন? ওটা কাউকে দান করেছিস?…মানে এমন কাউকে, বার্টি যাকে পছন্দ করে না?”

    সেলফোন বেজে উঠল। হাউসকোটের পকেট থেকে যন্ত্রটা বার করে কানে লাগিয়ে কামিনী বলল, “হ্যালো…সে কী, লাঞ্চে আসতে পারছ না? তা হলে কখন ফিরবে?…বিকেলের আগে নয়?… দেখো বাপু, বাইরে যা-তা খেয়ে একটা অসুখ বাধিয়ে বোসো না।…হ্যাঁ হ্যাঁ, ওঁরা ভাল আছেন, আঙ্কলের সঙ্গে কথা বলবে?…ঠিক আছে, একটু তাড়াতাড়ি ফেরার চেষ্টা কোরো। বাই!”

    যন্ত্রটা ফের পকেটে পুরে, ভাদুড়িমশাইয়ের দিকে তাকিয়ে কামিনী বলল, “বোঝো ব্যাপার। কাল বিকেলের আগে বেরিয়ে গেছে, আজ বিকেলের আগে ফিরবে না। কোনও মানে হয়?”

    ভাদুড়িমশাই হেসে বললেন, “এমন তো হতেই পারে। ডাক্তার মানুষ, রুগিকে ফেলে আসতে পারছে না। নাথিং আনইউজুয়াল।”

    “ডাক্তার বিয়ে করে ভুল করেছি!”

    “কী যে বলিস। বার্টিকে তো বাঙ্গালোরে দেখেছি…অ্যান এক্সেলেন্ট ইয়াংম্যান!”

    “এখন আর খুব ইয়াং নেই!” কামিনী হেসে বলল, “গত মাসে পঞ্চাশ পেরল। টাক পড়ে গেছে! দেখলে চিনতে পারবে না!”

    “বিকেলে তো আসছে, তখনই বোঝা যাবে, চিনতে পারি কি না। কিন্তু সে কথা থাক, গয়নাটার কথা শুনি। ওটা দান করেছিস কাউকে?…আচ্ছা, সে-কথাও পরে শুনব। আগে বল, ওটার দাম কত।”

    “দাম কত, তা জানি না।” কামিনী শুকনো গলায় বলল, “তবে গয়নাটা তুমি হয়তো দেখে থাকবে।”

    “কোন গয়নাটার কথা বলছিস?”

    “মা যেটা এমনিতে না পরলেও বাড়িতে কোনও অনুষ্ঠান-টনুষ্ঠান হলে পরতেন। একটা নেকলেস।”

    “তোর মায়ের নেকলেস তো কম ছিল না, তার মধ্যে কোনটা?”

    ‘যেটা আসলে ঠাকুমা’র নেকলেস, মা’কে দিয়েছিলেন।”

    শুনে ভাদুড়িমশাই যেভাবে মুখ দিয়ে বাতাস টানলেন, তার শব্দ স্পষ্ট শোনা গেল। তাঁর চোখও দেখলুম হঠাৎ ভীষণ সরু হয়ে এসেছে। খানিকক্ষণ তিনি কোনও কথাই বলতে পারলেন না। মনে হল তাঁর বাকশক্তি লোপ পেয়েছে। খানিক বাদে নিজেকে একটু সামলে নিয়ে বললেন, “তোর ঠাকুমা যেটা তোর মা’কে দিয়েছিলেন? ঠিক বলছিস?”

    “হ্যাঁ।”

    “তার মানে সেই হিরের লেকলেসটা?”

    “হ্যাঁ, লকেটে তিনটে হিরে সেট করা। মাঝখানেরটা বেশ বড়।”

    ভাদুড়িমশাই আবার কিছুক্ষণ নির্বাক হয়ে তাকিয়ে রইলেন কামিনীর দিকে। তারপর বললেন, “ওটার দাম জানিস মিনি?”

    “কী করে জানব?” নির্বিকার গলায় কামিনী বলল, “আমি শেয়ার কেনাবেচার ব্যাবসা করি, কোন শেয়ারের এখন কী দাম জিজ্ঞেস করো, আমি বলে দেব। গয়নাগাটির দাম আমি জানি না।”

    “আমি জানি।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “তোর বাবা বলেছিলেন, শুধু ওই হিরে তিনটের দামই আড়াই লাখ। তা সে তো আজকের কথা নয়। এখনকার বাজারে কোন না লাখ পাঁচেক হবে। তা সেই পাঁচ লাখ টাকার নেকলেস তুই কী করেছিস? যদি না সেটা চুরি হয়ে থাকে তো দান করেছিস কাউকে?”

    “না।”

    “হারিয়ে ফেলেছিস?”

    “না।”

    “কারও কাছে বন্ধক রেখে টাকা ধার নিয়েছিস?”

    “ধার নিতে যাব কেন?” কামিনী হেসে বলল, “আমার কি টাকার অভাব?”

    “তা হলে?”

    সেই একই রকমের নির্বিকার গলায় কামিনী বলল, “শোনো আঙ্কল, নেকলেসটা যদি চুরিই হত, তা হলে আর তোমাকে এইভাবে তলব করে এখানে টেনে আনতুম না।

    “পুলিশে খবর দিতি?”

    “অফ কোর্স।”

    “কিন্তু বার্টি তো চুরির কথাই জানে, সে কেন পুলিশে খবর দেয়নি?”

    “আমিই দিতে দিইনি। বলেছি যে, পুলিশ তো অপদার্থ, ওয়ার্থলেস। কিছুই করতে পারবে না,

    মাঝখান থেকে লোক-জানাজানি হবে। তার চেয়ে বরং আঙ্কলকে ডেকে পাঠাই, তিনি ঠিকই গয়নাটা উদ্ধার করে দিতে পারবেন।”

    “বার্টি সে-কথা বিশ্বাস করল?”

    “প্রথমে করতে চাইছিল না। পরে যখন বললুম যে, এর আগেও…আই মিন আমার বাবার আমলে…আমাদের গয়নার দোকানের একটা চুরির কিনারা করতে তোমাকেই ডাকা হয়েছিল, আর তুমিই গয়না উদ্ধার করে দিয়েছিলে, তখন আর কী করবে, মাথা চুলকে বলল, বেশ, তা হলে আঙ্কলকেই ডাকো। তো এই হচ্ছে ব্যাপার!”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “এই হচ্ছে ব্যাপারের মানে? কী যে ব্যাপার, কিছুই তো বুঝলুম না। শুধু এইটুকু বোঝা গেল যে, এটা চুরির ব্যাপার নয়।”

    “চুরির ব্যাপার নয়, হারিয়ে যাওয়ার ব্যাপার নয়, কাউকে দান করার কি কোথাও বন্ধক রাখার ব্যাপারও নয়।”

    “এসব যদি না-ই হবে, তা হলে ব্যাপারটা আসলে কী?” ঝাঁঝালো গলায় ভাদুড়িমশাই বললেন, “তুই কি আমাকে পাগল করে ছাড়বি? গয়নাটা কি উবে গেল? যা হয়েছে, খুলে বল, নয়তো আমি কিছুই করতে পারব না। আর হ্যাঁ, কিছু যদি না-ই করতে পারি, তো বেকার এখানে বসে থাকব কেন? কোনও মানে হয়? ট্যাক্সিটা তো ছাড়িনি, আজই বিকেলে আমরা দেরাদুনে ফিরে যাব।”

    কামিনী যে ঘোর অস্বস্তিতে পড়েছে, সেটা ওর মুখ দেখেই বোঝা যায়। একবার ভাদুড়িমশাইয়ের দিকে তাকাল, একবার আমাদের দিকে। কিন্তু কিছুই বলল না।

    মনে হল, ভাদুড়িমশাই যদিও ওকে অভয় দিয়ে বলেছেন যে, আমাদের সামনে সমস্ত কথাই স্বচ্ছন্দে বলা যায়, তবু ওর অস্বস্তি কাটছে না। এটা মনে হওয়া মাত্র আমি চেয়ার ছেড়ে উঠে পড়ে বললুম, “আমি আর সদানন্দবাবু বরং একটু বাইরে থেকে ঘুরে আসি।”

    ভাদুড়িমশাই ফের সেই ঝাঁঝালো গলায় নির্দেশ দিলেন, “না, আপনারা বসুন। ও যদি কিছু বলতে চায়, তো আপনাদের সামনেই বলবে।” তারপরেই কামিনীর দিকে তাকিয়ে বললেন, “জীবনে তো কাউকে ভক্তিশ্রদ্ধা করতে শিখিসনি। না তোর বাপকে, না তোর মাকে, না আমাকে। কী করেই বা করবি, ওটা তোর কুষ্ঠিতেই লেখা নেই যে! তা না-ই থাক, তোর আঙ্কলকে তুই বিশ্বাসটা অন্তত করতি। সম্ভবত এখনও করিস। তো সেই আমিই তোকে যখন আশ্বাস দিয়েছি যে, এদের সামনে যা-কিছু বলবি, তার একটা কথাও আর-কেউ জানবে না, তখন তোর অস্বস্তি কীসের?”

    মুখ নিচু করে বসে ছিল কামিনী। এবারে মুখ তুলে বলল, “কীসের অস্বস্তি, কাকে নিয়ে অস্বস্তি, বুঝতে পারছ না? অস্বস্তি আমার দাম্পত্য জীবন নিয়ে। অস্বস্তি বার্টিকে নিয়ে। বার্টি যদি আসল ব্যাপারটা জানতে পারে…”

    কামিনীকে তার কথা শেষ করতে দিলেন না ভাদুড়িমশাই, মাঝপথে তাকে থামিয়ে দিয়ে বললেন, “তা হলে তোর জীবনে ফের অশান্তি দেখা দেবে, এই তো? ঠিক আছে, বাৰ্টি কিছু জানবে না।… নাউ লেট আস হ্যাভ দ্য হোল স্টোরি। হোয়াট হ্যাপেনড টু দ্যাট নেকলেস?”

    “ওটা একজনকে দিয়েছি।” চোখ নামিয়ে কামিনী বলল, “মানে…ঠিক যে দিয়েছি, তা নয়, দিতে বাধ্য হয়েছি।”

    “কাকে?”

    “তা জানি না।”

    “তার মানে? একজনকে দিতে বাধ্য হয়েছিস, অথচ কাকে দিলি, সে কে, তুই জানিস না! কোনও মানে হয়?”

    “সত্যিই জানি না!”

    “তুই কিছু লুকোচ্ছিস মিনি।” ভাদুড়িমশাই প্রায় ধমক দেবার গলায় বললেন, “অ্যান্ড ইউ এক্সপেক্ট মি টু হেল্প ইউ আউট। আমার ধারণা, তুই মিথ্যে বলছিস। নেকলেসটা যাকে দিয়েছিস, তাকে চিনিস তুই, কিন্তু তা তুই স্বীকার করছিস না। ইউ আর আ ড্যাম লায়ার!”

    “না আঙ্কল, আমি মিথ্যুক নই।” কাতর গলায় কামিনী বলল, “সত্যিই আমি চিনি না তাকে।”

    “তা হলে ওই অত দামি নেকলেসটা তাকে দিলি কেন?”

    “আমি যে ভীষণ ভয় পেয়েছিলুম।”

    “কীসের ভয়?”

    “বার্টি আমাকে ছেড়ে চলে যাবে, এই ভয়।”

    “আই সি!” ভাদুড়িমশাই বললেন, “ভয় পেয়েছিলি, তা তো বুঝলুম। কিন্তু তার কারণটা ঠিক বুঝতে পারছি না। বার্টি তোকে ছেড়ে চলে যাবে, এমন ভয় পাবার কী কারণ ঘটল?”

    চেয়ারে এতক্ষণে টান হয়ে বসল কামিনী। বুঝতে পারছিলুম, সে ভীষণ রকমের একটা অস্বস্তিতে ভুগছে। হয় সেইজন্যে সব কথা খোলাখুলি বলতে পারছে না, নয় তো বলতে চাইছে না। মনে হল, সেই অস্বস্তির ভাবটা বোধহয় কেটে গেছে। সরাসরি সে ভাদুড়িমশাইয়ের দিকে তাকাল। বলল, “সব কথা না-শুনে তুমি ছাড়বে না। কেমন?”

    “সব কথা না-শুনলে তোকে সাহায্য করব কী করে?”

    “ঠিক আছে।” কামিনী বলল, “যা-যা ঘটেছে, পরপর সবই তোমাকে বলছি। শুধু একটা অনুরোধ, দয়া করে শিউরে উঠো না কিংবা শক্ড হোয়ো না।”

    “আমরা শিউরে উঠব না।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “শকড হব না। কী জানিস, যে কাজ করি, তাতে শিউরে উঠতে কি শক্ড হতে আমি তো ভুলেই গেছি, আমার এই দুই বন্ধুরও বোধ হয় সেই একই অবস্থা। তবে হ্যাঁ, যে নোংরামি আর নীচতা মাঝে-মাঝে চোখে পড়ে, তাতে একটু কষ্ট এখনও পাই ঠিকই। যা-ই হোক, তুই বলে যা, আমরা শুনছি।”

    কামিনী বলল, “তোমাকে তো ছাব্বিশে এপ্রিল ফোন করেছিলুম, তা-ই না?”

    “হ্যাঁ। রাত আটটায়। আমার ডায়েরিতে লেখা আছে।”

    “তুমি তখুনি চলে এলে না কেন?”

    “ওরে বোকা, তক্ষুনি-তক্ষুনি কি আসা যায়? কলকাতার একটা কাজে এসেছিলুম। সেটা গুছিয়ে তুলতেই তো দু’তিন দিন লেগে গেল। তিরিশ তারিখে সকালের ফ্লাইটে দিল্লি আসি। সে রাতটা দিল্লিতে ছিলুম, পরের রাতে হৃষীকেশে। ব্যাস, কাল দোসরা মে তারিখেই তোর কাছে এসে হাজির দিয়েছি।…নে, এখন তোর কথা বল।”

    “ছাব্বিশ এপ্রিলের দু’দিন আগে ডাকে আমার নামে একটা প্যাকেট আসে।” কামিনী বলল, লেটার বক্স খুলে প্যাকেটটা পাই। তাতে বিচ্ছিরি কয়েকটা ফোটোগ্রাফ ছিল।”

    “কার ফোটোগ্রাফ?”

    গলায় একটুও জড়তা নেই, কামিনী বলল, “আমার। হরর অব হরর্স, সবই উলঙ্গ অবস্থার ছবি!” শুনে, ভাদুড়িমশাইয়ের কোনও ভাবান্তর হল না। নির্বিকার গলায় বললেন, “অমন ছবি কখনও কাউকে দিয়ে তুলিয়েছিলি?”

    কামিনী ফুঁসে উঠে বলল, “এমন কথা তুমি ভাবলে কী করে?”

    কথাটার জবাব না দিয়ে ভাদুড়িমশাই বললেন, “তুলিয়েছিলি?”

    “কক্ষনো না।”

    “ঠিক আছে, ছবিগুলো নিয়ে আয়, আমি দেখব।” কথাটা বলেই ভাদুড়িমশাই যোগ করলেন, “না না, ছবিগুলো নয়, যে-কোনও একটা আনলেই চলবে।”

    বারান্দা থেকে বেরিয়ে গিয়ে মিনিট দুয়েকের মধ্যেই কামিনী আবার ফিরে এল। হাতে একটা প্যাকেট। তার থেকে একটা ফোটোগ্রাফ বার করে ভাদুড়িমশাইয়ের দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল, “এখন বলো, এমন ছবি আমি তোলাতে পারি, আনলেস আই গো কমপ্লিটলি ম্যাড?”

    ছবিটা ভাদুড়িমশাই দেখলেন মাত্র এক মুহূর্তের জন্য। তারপরেই সেটা কামিনীর হাতে ফিরিয়ে দিয়ে বললেন, “ছবির সঙ্গে আর-কিছু ছিল না?”

    “একটা চিঠি ছিল।” হাউসকোটের পকেট থেকে একটা কাগজ বার করে সেটাও ভাদুড়িমশাইয়ের হাতে ধরিয়ে দিয়ে কামিনী বলল, “পড়ে দ্যাখো।”

    ভাদুড়িমশাই পড়লেন। তারপর চিঠিখানাকে আমাদের দিকে এগিয়ে দিয়ে বললেন, “আপনারাও পড়ুন।”

    ইংরেজিতে টাইপ করা অজস্র ভুলে ভরা চিঠি। বাংলা করলে এইরকম দাঁড়ায়

    “এমন ছবি আমাদের কাছে আরও এক সেট আছে। তাতে যে শুধু তুমিই আছ তা নয়, তোমার সঙ্গে দেখা যাচ্ছে একটি ছেলেকেও। সেও তোমারই মতো উলঙ্গ। উপযুক্ত দাম পেলে নেগেটিভসহ সমস্ত ছবি তোমাকে ফেরত দেব। দাম না পেলে ছবিগুলি পাঠাব তোমার স্বামীকে।

    চিঠি পড়ে ভাদুড়িমশাইয়ের হাতে তুলে দিলুম। ভাদুড়িমশাই সেটা কামিনীকে ফিরিয়ে দিয়ে বললেন, “দাম কীভাবে ঠিক হল?”

    “পরের দিনই মানে পঁচিশ এপ্রিল দুপুরে একটা টেলিফোন পাই। হেঁড়ে গলায় একটা লোক বলে, ‘তোমার কাছে তিনটে হিরে বসানো একটা নেকলেস আছে, সেটা দিলে ছবি ফেরত পাবে।’ সেইদিনই রাত্রে ফের ফোন আসে। সেই একই গলা। নেকলেসটা কীভাবে কোথায় পৌঁছে দিতে হবে, সে তা জানিয়ে দেয়।”

    “কীভাবে পৌঁছে দিলি?”

    “দাঁড়াও, বড্ড তেষ্টা পেয়ে গেছে। জল খেয়ে এসে সব বলছি।”

    বারান্দা থেকে কামিনী আবার ঘরে ঢুকে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্টোরিজ – নিল গেইম্যান
    Next Article ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    Related Articles

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার ক্লাস – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার দিকে ও অন্যান্য রচনা – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতা কী ও কেন – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ কবিতা

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }