Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প927 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কামিনীর কণ্ঠহার – ৬

    ৬

    ঘর থেকে ফের বারান্দায় ফিরে আসতে এক মিনিটও লাগল না। বাঁ হাতে একটা সফট ড্রিঙ্কের বোতল, ডান হাতে লম্বাটে একটা কাচের গেলাশ। দাঁড়ানো অবস্থাতেই বোতল থেকে গেলাশ ভর্তি করে পানীয় ঢেলে নিল কামিনী, এক নিশ্বাসে আধ গেলাশ শেষ করল, তারপর বোতল আর গেলাশ টেবিলে নামিয়ে রেখে, ধপ করে তার চেয়ারে বসে পড়ে, ডান হাতের উলটো পিঠটা একবার ঠোঁটের উপর বুলিয়ে নিয়ে বলল, “যে লোকটা ফোন করেছিল, তার গলা আমি চিনি না। সে বলেছিল, নেকলেসটা যে-কাউকে দিয়ে পৌঁছে দিলেই হবে। তবে পৌঁছে দিতে হবে পরের দিনই। কাঁটায় কাঁটায় রাত আটটায়।”

    “ক্যারিয়ার হিসেবে বিশেষ কারও নাম করেনি?” ভাদুড়িমশাই জিজ্ঞেস করলেন।

    “না।” কামিনী বলল, “তবে এটা বলেছিল যে, যাকেই পাঠাই, সে যেন কোনও চালাকি করার চেষ্টা না করে। চালাকি করলে তার ফল ভাল হবে না।”

    আমি বললুম, “পুলিশে খবর দেওয়া সম্পর্কে কিছু বলেনি?”

    “বলেছিল বই কি। হুমকি দিয়েছিল, ওসব করলে পরিণাম খারাপ হবে।”

    “ক্যারিয়ার হিসেবে কে ওটা নিয়ে গেল?” ভাদুড়িমশাই বললেন, “মানে কে ওটা নিয়ে যাবে, সেটা তো আর তোকে বলে দেওয়া হয়নি। লোক ঠিক করার ব্যাপারটা তো তোর হাতেই ছিল।”

    “তা ছিল। হুকুম ছিল শুধু এই যে, একটা নির্দিষ্ট জায়গায় সে ওটা পৌঁছে দেবে।”

    “কোথায় পৌঁছে দিতে হবে?”

    “এখান থেকে মাইল পাঁচেক দূরে, অন ইয়োর ওয়ে টু উত্তরকাশী, একটা হাফ-বিল্ট বাড়িতে। বাড়ি মানে জাস্ট একটা স্ট্রাকচার। শুরু করা হয়েছিল, শেষ হয়নি, আর শেষ যে কখনও হবে, তাও মনে হয় না।”

    “কেন?”

    “বিকজ অব দ্য লোকেশন।” কামিনী বলল, “বাড়িটা নিয়ম ভেঙে তৈরি হচ্ছিল।”

    “নিয়মটা কী?”

    “নিয়ম আর কিছুই নয়, পাছে এখানকার সিনিক বিউটি নষ্ট হয়, তাই পাহাড়ের গায়ে কোনও পার্মানেন্ট স্ট্রাকচার তোলা চলবে না। মালিক সেই নিয়ম ভেঙে পাহাড়ের গায়ে পাকা বাড়ি তুলছিল, একতলা-দোতলার ইটের কাজ শেষও করে ফেলেছিল, তারপরেই তার উপরে নোটিস জারি করে কাজ আটকে দেওয়া হয়। ফলে ইলেকট্রিক লাইন, জলের কানেকশন, স্যানিটেশন, প্লাম্বার ওয়ার্ক ইত্যাদি সব ফিনিশিংয়ের কাজ তো দূরের কথা, ইটের গায়ে প্লাস্টার পর্যন্ত পড়েনি। যদি উত্তরকাশীর দিকে যাও, তো রাস্তা থেকেই বাঁ দিকে তাকালে বাড়িটা দেখতে পাবে।”

    “গয়নাটা সেখানে রেখে আসতে বলেছিল?” ভাদুড়িমশাই বললেন, “ইন দ্যাট আনফিনিশড অ্যাবানডন্ড স্ট্রাকচার?”

    “হ্যাঁ, একদম নির্জন জায়গা তো। একে ফাঁকা একটা স্ট্রাকচার, তায় ধারেকাছে লোকজন নেই, কারও চোখে পড়বে না, এইসব ভেবেই বোধহয় ওখানে রেখে আসতে বলেছিল।”

    শুনে ভাদুড়িমশাই একটুক্ষণ চুপ করে রইলেন। তারপর বললেন, “পরের দিন মানে ছাব্বিশে এপ্রিল। সেদিন রাত আটটায় ওখানে কাকে পাঠালি?”

    “প্রথমে ভেবেছিলুম, ডোমেস্টিক স্টাফেরই কাউকে পাঠাব।” কামিনী বলল, “গয়নার ভেলভেটের কেসটাকে কাপড় নয়তো কাগজ দিয়ে ভাল করে মুড়ে দিয়ে একটা প্যাকেটের মতন করে তাকে বলব, এর মধ্যে একটা বই আছে, একজনকে দিতে হবে, রাত আটটার সময় এটা ওখানে রেখে আসতে হবে।…কিন্তু…”

    “কিন্তু কী? পরে অন্যরকম মনে হল?”

    “হ্যাঁ। পরে ভেবে দেখলুম, এ-বাড়ির যাকেই কাজটা করতে বলি না কেন, নিজেদের মধ্যে এই নিয়ে সে বলাবলি করবেই। ফলে ব্যাপারটা জানাজানি হয়ে যাবে, চাই কী বার্টির কানেও উঠে যেতে পারে। তার উপরে আবার এদের প্রত্যেকেরই যা ভূতের ভয়, সূর্য ডোবার পর ওখানে যেতে কেউ রাজি হবে কি না, সেও সন্দেহের ব্যাপার। তা ছাড়া, জায়গাটা একটু দূরেও বটে!”

    “তা ভেবেচিন্তে কী ঠিক করলি?”

    “ঠিক করলুম, লিজাকে বলব।”

    সদানন্দবাবু বললেন, “মানে…ওই যে মেয়েটি হপ্তায় তিনদিন আপনাকে মাসাজ করতে আসে?”

    “হ্যাঁ, শুধুই যে মাসাজ করে, তা নয়,” কামিনী বলল, “যোগ-ব্যায়ামের কয়েকটা আসনও করায়। তাতে বেশ উপকারও পাচ্ছি।”

    আমি বললুম, “তা আপনি ঠিক করলেন যে, ক্যারিয়ারের কাজটা ওকে দিয়েই করাবেন?”

    “হ্যাঁ, আমি ভেবে দেখলুম যে, ওকে বলাই ভাল। তার দুটো কারণ। প্রথম কারণ, ও একটু রেটিসেন্ট প্রকৃতির, দরকার ছাড়া এ-বাড়ির কারও সঙ্গে কথাবার্তা বিশেষ বলে না, ফলে ব্যাপারটা পাঁচকান হবার সম্ভাবনা কম।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “খুব গম্ভীর প্রকৃতির মেয়ে?”

    কামিনী একটু হেসে বলল, “ঠিক তাও নয়। এমনিতে মিষ্টভাষী, সফ্ট স্পোকন, তবে তোমাদের তো বলেইছি যে, কিছুদিন আগে ওর স্বামী মারা গেছে…নাকি বলিনি?”

    “হ্যাঁ, বলেছিস।”

    “তো সেটাও ওর এই নিজের মধ্যে গুটিয়ে থাকার একটা কারণ হতে পারে। পারে না?”

    “তা পারে বই কী।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “কিন্তু তুই তো দুটো কারণের কথা বলছিলি। লিজাকে

    বললে কথাটা পাঁচকান হবে না, এটা প্রথম কারণ। তা দ্বিতীয় কারণটা কী?”

    “দ্বিতীয় কারণটা হল, নেকলেসটা যেখানে রেখে আসার কথা, সেই জায়গাটা ওর বাড়ি থেকে বিশেষ দূরেও নয়।”

    আমি বললুম, “তা লিজাকে কথাটা বললেন কখন?”

    “তার পরদিন সকালে।” কামিনী বলল, “অর্থাৎ যে দিন রাত্তির আটটায় নেকলেসটা সেই আনফিনিশড বাড়িতে রেখে আসার কথা। টুয়েন্টি সিক্সথ এপ্রিল টু বি প্রিসাইজ

    “হ্যাঁ, ভাদুড়িমশাই বললেন, “আজ থেকে ঠিক সাতদিন আগে।”

    “অ্যান্ড দ্যাট ওয়জ আ ফ্রাইডে। তাতে আমার সুবিধেই হল। কেন না, শুক্রবার লিজার আসার দিন। কাঁটায়-কাঁটায় দশটায় আসে, এক ঘন্টা মাসাজ করে, আসন করায়, তারপর চলেও যায় ঠিক এগারোটায়।”

    একটুক্ষণ চুপ করে রইল কামিনী। তারপর বলল, “সে-দিনও ঠিক দশটাতেই এল, বেসিনে নিজের হাত-মুখ সাবান দিয়ে ধুয়ে বডি অয়েল দিয়ে আমাকে মাসাজ করল মিনিট পঁয়তাল্লিশ, আমাকে দুটো আসন করতে বলল, কোথায় ভুল হচ্ছে সেটা দেখিয়ে দিল, তারপর যখন কাজ শেষ করে এগারোটা নাগাদ বেরিয়ে যাচ্ছে তখন ওকে অনুরোধটা করলুম আমি।”

    “ভেলভেটের বাক্সটা আগেই রেডি করে রেখেছিলি?”

    “আগের রাত্তিরেই রেডি করে রেখেছিলুম। সেটা ওর হাতে দিয়ে বললুম, লিজা, উইল ইউ কাইন্ডলি ডু মি আ ফেভার?… ও তাতে একটু অবাক হয়ে বলল, কী করতে হবে? আমি বললুম, এই প্যাকেটে একটা বই আছে, এটা এক জায়গায় রাত আটটার সময় পৌঁছে দিতে হবে। কোথায় পৌঁছে দিতে হবে, তাও বললুম ওকে।”

    “তুই রিকোয়েস্ট করতেই ও রাজি হয়ে গেল?”

    “একেবারে সঙ্গে-সঙ্গেই যে রাজি হয়ে গেল, তা নয়। বলল, দিনের বেলায় হলে ওর কোনও অসুবিধে হত না। কিন্তু সোম বুধ আর শুক্রবারে তো হসপিটালে ওর নাইট ডিউটি থাকে, ওই তিনটে দিন তাই রাত্তিরের দিকে ও কোনো কাজ রাখে না, পাছে ডিউটিতে ওর লেট হয়ে যায়। বলে চলেই যাচ্ছিল, হঠাৎ দরজা পর্যন্ত গিয়ে একটু থেমে দাঁড়াল। তারপর পিছন ফিরে বলল, ঠিক আছে, দিয়ে দিন, আমি পৌঁছে দেব। আমি বললুম, কিন্তু তোমার তো হসপিটালে পৌঁছতে দেরি হয়ে যাবে। তাতে ও হেসে বলল, নাইট ডিউটি থাকলে বাড়ি থেকে তো আটটাতেই বেরিয়ে পড়তে হয়, আজ না হয় সাড়ে সাতটায় বার হব।”

    “রাত আটটায় কেন একটা গড-ফরসে জায়গায় একটা বই পৌঁছে দিতে হবে, তা নিয়ে কোনও প্রশ্ন করেনি?”

    “না।” কামিনী বলল, “ওকে তো তা ধরো বছর দেড়েক ধরে দেখছি। এর মধ্যে যে কখনও ওকে কোনও অনুরোধ করিনি, তাও নয়। কিন্তু এই একটা ব্যাপার দেখেছি যে, অনুরোধ করলে ও হয় সেটা রাখে কিংবা সরাসরি বলে দেয়, সরি, অর্থাৎ অনুরোধটা রাখা ওর পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু কোনও ব্যাপারেই কখনও কোনও প্রশ্ন করে না।”

    “প্যাকেটটা ও ঠিক সময়ে ঠিক জায়গায় রেখে এসেছিল?”

    “হ্যাঁ। ফোনে আমাকে বলা হয়েছিল, বাড়িতে ঢুকে সামনেই দোতলায় ওঠার সিঁড়ি পাওয়া যাবে। নেকলেসের কেসটা রাখতে হবে তার প্রথম ধাপে। ও তা-ই রেখে আসে।”

    “সেখানে কেউ ছিল না?”

    “থাকলে লিজা তাকে দেখতে পায়নি। বাড়িটা তো অন্ধকার, তার মধ্যে দেখবেই বা কী করে?”

    “কাউকে দেখতে পায়নি, এ-কথা লিজা তোকে কখন জানাল?”

    “সোমবার আমাকে মাসাজ করতে এসে।” কামিনী বলল, “কিন্তু শুক্রবারই আমি একটা খুব মুশকিলে পড়ে গিয়েছিলুম।”

    শুনে, ভাদুড়িমশাইয়ের ভুরু একটু উপরে উঠে গিয়ে পরক্ষণেই আবার তার স্বাভাবিক জায়গায় ফিরে এল। বললেন, “বার্টি কিছু আঁচ করেছে?”

    “ন্‌না, তা নয়।”

    “মুশকিলটা তা হলে কীসের?”

    কোল্ড ড্রিঙ্কের বোতল থেকে এবারে আর গেলাশে পানীয় ঢেলে নিল না কামিনী। বোতলটাকেই উঁচু করে তুলে ধরে বাদবাকি তরল পদার্থটুকু সরাসরি গলায় ঢেলে ঢকঢক করে খেয়ে নিল। তারপর বলল, “ওই শুক্রবার রাত্তিরেই আমাদের এই হাউসিং কমপ্লেক্সে একটা পার্টি ছিল।”

    “কীসের পার্টি?”

    “এখানে এক ভদ্রলোকের ছেলে বিলেতে একটা ভাল চাকরি পেয়েছে, সে বউ নিয়ে বিলেত চলে যাবে, সেই উপলক্ষে পার্টি। তা পার্টিতে আমি কী পোশাক পরে যাব, এমনিতে কখনও তা নিয়ে বার্টি কিছু বলে না। কিন্তু সেদিন রাত্তিরে হঠাৎ কী খেয়াল হল, আমি যখন পার্টিতে যাবার জন্যে তৈরি হচ্ছি, তখন বলে বসল যে, আমার হিরের নেকলেসটা যদি পরি, তো দিব্যি হয়।”

    “তাতে তুই কী বললি?”

    “বললুম, যেটা পরে আছি, এটা তো কিছু খারাপ নয়! এখন যদি সেই নেকলেসটা পরি তো তার সঙ্গে ম্যাচ করিয়ে আমার হাত আর কানের গয়নাও পালটাতে হবে। সে অনেক ঝামেলা, তাতে নাহক অনেক সময় নষ্ট হবে, পার্টিতে যেতে অনেক দেরি হয়ে যাবে।”

    ভাদুড়িমশাই মৃদু হেসে বললেন, “তার পরে কী হল, সে তো বুঝতেই পারছি। বার্টি জিদ ধরে বসে রইল যে, না, সেই নেকলেসটাই তোকে পরতে হবে, কেমন?”

    কামিনী বলল, “ঠিক তা-ই। অন্য কখনও কিন্তু বার্টি এমন করে না। কিন্তু সেদিন যে কী হল…”

    সদানন্দবাবু সম্ভবত একটু অন্যমনস্ক হয়ে গেসলেন, কিংবা হয়তো এমনও হতে পারে যে, তারিখটা তিনি ঠিক খেয়াল করেননি। তাই বললেন, “তা আপনার হাজব্যান্ড যখন অত করে বলচেন, তখন না হয় একটু সময়ই নষ্ট হত, ওটা পরে নেওয়াই তো আপনার উচিত ছিল।”

    আমি বললুম, “কোনটা পরে নেওয়া?”

    “কেন, ওই হিরের নেকলেসটা।” সদানন্দবাবু বললেন, “ওটা পরে নিলেই তো হত।”

    ভাদুড়িমশাই ধমক দেওয়ার গলায় বললেন, “কী করে পরবে? গত শুক্রবার রাতের কথা হচ্ছে, সেটা ভুলে যাবেন না। হিরের নেকলেসটা কি তখন মিনির কাছে ছিল?”

    কামিনী বলল, “সেদিন সকালেই তো আমি সেটা লিজার হাতে তুলে দিয়েছি!”

    “এঃ হে!” সদানন্দবাবু দাঁত দিয়ে জিভ কেটে বললেন, “ভুলে গেসলুম।”

    “তখন কী হল?” ভাদুড়িমশাই বললেন, “বার্টিকে তুই বললি, যে ওটা চুরি হয়ে গেছে?”

    “প্রথমেই বলিনি।” কামিনী বলল, “আসল কথাটা তো বার্টিকে জানাতে পারছিলুম না। জানাতে ভয়ও করছিল খুব।”

    “কীসের ভয়?”

    “প্রথম ভয়, বার্টি হয়তো বিশ্বাস করে বসবে যে, সত্যি-সত্যি আমি আমার ওইরকমের কদর্য ছবি তুলিয়েছি। তার উপরে আবার বিশ্বাস না-করলেও কি ভয় নেই?”

    বললুম, “বিশ্বাস না-করলে তো মিটেই গেল। তখন আবার ভয় কীসের?”

    “বিশ্বাস না-করলে উল্টে আমাকে চার্জ করে বলবে যে, আমি কেন একটা ব্ল্যাকমেলারকে ভয় পেয়ে ঘুষ দিয়ে তার মুখ বন্ধ করার জন্যে নেকলেসটা তাকে পাঠিয়েছি। বার্টিকে আপনারা চেনেন না, ও এমনিতে ভাল মানুষ, কিন্তু রেগে গেলে ওর মাথায় খুন চেপে যায়। ওকে যদি বলতুম যে, ছবি পাঠিয়ে আর টেলিফোন করে যে-লোকটা আমাকে ভয় দেখাচ্ছে, নেকলেসটা তাকে কোথায় পৌঁছে দিতে হবে, তা হলে তক্ষুনি ও রিভলভার নিয়ে সেখান ছুটত। গিয়ে হয়তো সেখানে তাকে পেত না, কিংবা পেলেও একটা রক্তারক্তি কাণ্ড হত। হয় সেই লোকটা ওর হাতে খুন হত, কিংবা তার হাতে বার্টি। সে-সব ভেবেই ওকে সত্যি কথাটা বলতে পারিনি!”

    “অগত্যা চুরির কথা বললি।ভাদুড়িমশাই বললেন, “কিন্তু সেটাও তো প্রথমে বলিসনি বলছিস। কখন বললি তা হলে?”

    “বলছি। প্রথমে কিছুক্ষণ আলমারির লকার খুলে খোঁজাখুঁজির ভান করলুম। তারপর বাটিকে বললুম, আমি তো পাচ্ছি না, তুমি একবার দ্যাখো না। তা বার্টিও খানিকক্ষণ খুঁজল। শুধু আমার আলমারির লকার নয়, সব ক’টা আলমারির সব ক’টা লকার। তারপর শাড়ির ভাঁজে, গদির তলায়। কিন্তু বার্টিও কিছু পেল না। কী বলব, ওটা পাওয়া যাবে না জেনেও যে ওকে দিয়ে এত পরিশ্রম করাচ্ছি, তার জন্যে আমার খারাপও লাগছিল খুব। শেষকালে এক সময় বললুম, দ্যাখো, গত মাসে ওই নেকলেসটা পরে একটা পার্টিতে গিয়েছিলুম, বাড়ি ফিরতে অনেক রাত হয়ে গেসল। তখন ওটা বিছানাতেই রেখে দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি, লকারে আর তুলে রাখা যায়নি। নিশ্চয় চুরি হয়ে গেছে।”

    “তাতে বার্টি কী বলল?”

    “প্রথম আমাকে একটু বকাবকি করল। তারপর বলল ইমিডিয়েটলি পুলিশে খবর দেওয়া দরকার কিন্তু, আঙ্কল, পুলিশে খবর দিতে বিবেকে বাধল আমার। আমি তো জানি, নেকলেসটা চুরি হয়নি। তা হলে পুলিশ ডেকে কী হবে। পুলিশ তো সন্দেহ করবে আমাদের বাড়ির কাজের লোকদেরই। অর্জুনকে, লছমিকে, যোগীশ্বরকে, হরিন্দরকে, দুখনকে। ওদের থানায় ধরে নিয়ে যাবে, পেটাবে। তা ছাড়া, লিজাকেও তো পুলিশ সন্দেহ করতে পারে। জেরা করতে পারে। বইয়ের প্যাকেট বলে তাকে যা দিয়েছি, সেটা সে খুলে দেখেছে কি না, তারই বা ঠিক কী। জেরায় জেরবার হয়ে সে যদি বলে দেয়, নেকলেসটা সেই প্যাকেটের মধ্যে ছিল, তা হলেই তো চিত্তির। বার্টিকে তাই বললুম, পুলিশকে জানিয়ে লাভ নেই, ওরা গুড ফর নাথিং, কোনও ক্রাইমেরই কিনারা করতে পারে না, বরং চারু আঙ্কলকে জানাই, তিনি নিশ্চয় ওটা উদ্ধার করে দিতে পারবেন।”

    কামিনী থামতে ভাদুড়িমশাই বললেন, “বাস, তারপরেই ফোন করলি আমাকে!”

    “করতে বাধ্য হলুম।” কামিনী বলল, “সব কথা তো শুনলে, এখন বলো, সেদিন তোমাকে ফোন না-করে কোনও উপায় ছিল আমার? যদি না তোমাকে ফোন করতুম, তো বার্টি নিশ্চয়ই থানায় ফোন করে পুলিশকে সব জানাত। তা হলে আর কেলেঙ্কারির কিছু বাকি থাকত না।”

    ভাদুড়িমশাইকে একটু চিন্তিত দেখাচ্ছিল। বললেন, “সবই তো বুঝলুম, মিনি। কিন্তু আমিই বা এখন কী করব?”

    কামিনী হেসে বলল, “কী আর করবে। যেন নেকলেসটাকে উদ্ধার না-করে ছাড়বে না, বার্টির সামনে এইরকম একটা ভাব দেখাবে, কয়েকটা দিন এখানে-ওখানে একটু ছুটোছুটি করবে, তারপর কলকাতায় ফিরে যাবে। বাই দ্যাট টাইম বার্টিও ধরে নেবে যে, তুমিও যখন কিছু করতে পারলে না, তখন পুলিশে খবর দিয়েও কোনও লাভ নেই।

    “আর নেকলেসটা?”

    “ওটা যাবার ছিল, গেছে! ওটা দিয়ে যে আমি আমার ইজ্জত বাঁচাতে পেরেছি, তা-ই যথেষ্ট। এ নিয়ে তুমি আর ভেবো না।”

    কথা বলতে বলতেই হাতঘড়ির দিকে তাকাল কামিনী। বলল, “ওরে বাবা, একটা বাজতে চলল। একটু পরেই লাঞ্চের ডাক পড়বে। তোমরা স্নান করে নাও।”

    “আর তুই?”

    “আজ তো লিজা আসেনি, তাই মাসাজও হবে না। যোগব্যায়ামের গোটা কয়েক আসন তো করতে হবে, সে-সব নিজেই করে নেব। তারপর স্নানঘরে ঢুকব। খেতে বসব এই ধরো সওয়া একটা নাগাদ।…যাও, যাও, তোমরা আর দেরি কোরো না।”

    বারান্দা থেকে কামিনী তার ঘরে চলে গেল। ভাদুড়িমশাইকে তাঁর ঘরে পৌঁছে দিয়ে আমি আর সদানন্দবাবু আমাদের এলাকায় চলে এলুম। ঘরে ঢুকে সদানন্দবাবু বললেন, “আমি আর এখন চান করচি না, বরং মাতায় একটু জল ছিটিয়ে নেবখন, আপনি চান করে নিন।

    চান করে বাইরে এসে দেখি, সদানন্দবাবু গালে হাত দিয়ে বসে আছেন। বললুম, “কী ব্যাপার? কিছু ভাবছেন?”

    সদানন্দবাবু বললেন, “ভাবচি যে, মেয়েটা বদ্ধ পাগল। নইলে হাসতে-হাসতে অমন কতা বলতে পারে?”

    “কী বলল?”

    “ওই যে বলল, ওটা যাবার ছিল গ্যাচে। অথচ যেটা গেল, তার দাম নাকি পাঁচ লাখ টাকা। ভাবা যায়?”

    গম্ভীর গলায় বললুম, “যায়। বাজার চড়ুক, ও-মেয়ে শেয়ার বেচে ওর দ্বিগুণ টাকা তুলে নেবে।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্টোরিজ – নিল গেইম্যান
    Next Article ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    Related Articles

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার ক্লাস – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার দিকে ও অন্যান্য রচনা – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতা কী ও কেন – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ কবিতা

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }