Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প927 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কামিনীর কণ্ঠহার – ৯

    ৯

    আজ চৌঠা মে, শনিবার। কাল রাতে মন চঞ্চল ছিল, তাই ঘুম আসতে দেরি হয়। আজ অবশ্য সকাল-সকালই বিছানা ছেড়ে উঠে পড়েছি। চোখমুখ ধুয়ে চা খেয়ে, ডুণ্ডা ভ্যালির এই কম্পাউন্ডের মধ্যেই এক চক্কর ঘুরেও এলুম। বার্টি আজ সাড়ে সাতটার মধ্যেই ব্রেকফাস্ট করে নিয়েছে, দুখনকে সঙ্গে করে আটটা নাগাদ সে তার গাড়ি নিয়ে বেরিয়েও গেল। কাছেই একটা পাহাড়ি বস্তিতে গিয়ে রোগী দেখবে, বারোটা সাড়ে বারোটার আগে ফিরবে না।

    উপরে উঠে ভাদুড়িমশাইয়ের ঘরে গিয়ে তাঁকে পেলুম না। বাইরের বারান্দায় গিয়ে দেখলুম, সেখানে বসে তিনি কামিনীর সঙ্গে কথা বলছেন। পাশে বসে আছেন সদানন্দবাবু। আমাকে দেখে ভাদুড়িমশাই বললেন, “আসুন কিরণবাবু। আপনার খোঁজ করেছিলুম, শুনলুম আপনি বাইরে বেরিয়েছেন। মিনিট পাঁচেক আগে আবার ফোন করেছিল সে।”

    বললুম, “সে মানে কে? সেই লোকটা, যে কাল রাতে ফোন করেছিল?”

    কামিনী বলল, “হ্যাঁ। ফোন করে হুমকি দিয়ে মনে করিয়ে দিল যে, মুক্তোর মালাটা তার আজই চাই। কাউকে দিয়ে যেন সেটা পাঠাবার ব্যবস্থা করি। যাকেই পাঠাই, সে যেন ঠিক সেখানেই মালাটা রেখে আসে।”

    “কখন রেখে আসবে, তাও বলল নাকি?”

    “হ্যাঁ, আগের বারের মতো রাত ঠিক আটটায়।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “মুক্তোর মালার কেসটা সেই আগের মতোই প্যাক করে রেখেছিস তো?”

    “কাল রাত্তিরেই উপরে উঠে প্যাক করে রেখেছি। বার্টি অঘোরে ঘুমুচ্ছিল, কিচ্ছু টের পায়নি।”

    “পাঠাবি কাকে দিয়ে?”

    “আগের বারে তো লিজাকে দিয়ে পাঠিয়েছিলুম।”

    “এবারেও তা হলে তাকে দিয়েই পাঠা।…নাকি তাতে কোনও অসুবিধে আছে?”

    “নেই বলি কী করে?” কামিনী একটু ইতস্তত করে বলল, “সে-বারে তো এককথায় রাজি হয়নি, প্রথমটায় সরাসরি ‘না’-ই বলে দিয়েছিল।”

    “সে তো ওর নাইট-ডিউটির জন্যে।”

    “হ্যাঁ, বলেছিল যে, প্যাকেটটা যেখানে পৌঁছে দিতে হবে, সেই জায়গাটা ওর বাড়ির থেকে তেমন কিছু দূরে নয় ঠিকই, তবে কিনা রাত আটটায় যদি সেখানে যেতে হয় তো হাসপাতালে পৌঁছতে ওর দেরি হয়ে যাবে।”

    “কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাজি হয়েছিল ঠিকই।”

    “তা হয়েছিল,” কামিনী বলল, “কিন্তু এবারেও যে রাজি হবে, তা কী করে বলি?”

    “আহা, একবার অনুরোধ করেই দ্যাখ না,” ভাদুড়িমশাই বললেন, “তোরই কাছে শুনেছি যে, নম্র স্বভাবের সফ্ট-স্পোকন মেয়ে, তাই অসুবিধে একটু আছে ঠিকই, তবু জাস্ট টু প্লিজ ইউ, রাজি হয়তো হয়েও যেতে পারে। অ্যাট লিস্ট দেয়ার’স নো হার্ম ইন আস্কিং। তা-ই না?”

    “আর যদি রাজি না হয়?” কামিনী বলল, “তখন কী করব? বাড়ির কাজের লোকেদের তো আর অনুরোধ করা যায় না, পাঁচকান হবে। তা-ছাড়া, ওরা কেউ রাজি হবে বলে মনেও হয় না। যা ওদের ভূতের ভয়!”

    “ঠিক আছে,” ভাদুড়িমশাই হেসে বললেন, “লিজা যদি রাজি না হয় তো সদানন্দবাবুই কাজটা করে দেবেন। কী সদানন্দবাবু, আপনি রাজি তো?”

    সদানন্দবাবুর যে ভিতরে-ভিতরে এত সাহস, সেটা জানতুম না। চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়ে স্পষ্ট উচ্চারণে বললেন, “অফ কোর্স। কুছ পরোয়া নেই ম্যাডাম, আমি যাব।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “তবে তো গোল মিটেই গেল। তবে হ্যাঁ, লিজাকে একবার অনুরোধ করেই দ্যাখ না। তার তো কালই আসার কথা ছিল। কিন্তু আসেনি। তবে আজ আসবে। তা-ই তো?”

    “হ্যাঁ।”

    “কখন আসবে?”

    “ঠিক দশটায়।” কামিনী বলল, “নিজের স্কুটারে আসে, একদিনও দেরি করে না।”

    ভাদুড়িমশাই তাঁর হাতঘড়ির দিকে তাকিয়ে বললেন, “ওরেব্বাস, এখন তো সাড়ে ন’টা। তা হলে ব্রেকফাস্ট করবি কখন? চল চল, নীচে যাই, লিজা আসার আগে ব্রেকফাস্টটা করে নে!”

    “যেদিন মাসাজ থাকে, সেদিন আর আমি ব্রেকফাস্ট করি না।” কামিনী বলল, “সকালে এক গ্লাস দুধ খেয়ে নিয়েছি, ওতেই হবে।”

    “ঠিক আছে,” ভাদুড়িমশাই বললেন, “তুই যখন ব্রেকফাস্ট করবি না, তখন আমাদেরও কিছু তাড়া নেই। লিজা এলে তখন আমরা নীচে নামব। ইতিমধ্যে একটা কথা মনে করিয়ে দিই। লিজা তো এক ঘন্টা এখানে থাকে, দশটায় এসে এগারোটায় চলে যায়। তা-ই না?”

    “হ্যাঁ।”

    “তা আজ যখন ফিরে যাবে, তখন ওকে রিকোয়েস্টটা করতে ভুলিস না কিন্তু।”

    “তা করব। তবে রাজি হবে কি না, সন্দেহ আছে।”

    ভাদুড়িমশাই হেসে বললেন, “রাজি না-হলেও তো সমস্যা হচ্ছে না। ইন দ্যাট কেস আমাদের সদানন্দবাবু তো আছেনই। তোর ওই প্যাকেটটা তিনিই যথাসময়ে যথাস্থানে পৌঁছে দেবেন।”

    শব্দ শুনে বুঝেছিলুম, একটা মোটর-বাইক এই হাউসিং কমপ্লেক্সের ভিতরে এসে ঢুকেছে। সেকেন্ড কয়েক বাদেই একতলায় সদর-দরজার বেল বেজে উঠল। তারও একটু পরে দোতলার কাজের লোকটি এসে জানাল, মেমসাব এসে গেছেন। কামিনী বলল, “মেমসাবকে উপরে নিয়ে আয়।”

    ভাদুড়িমশাই উঠে পড়লেন। আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, “চলুন, আপনাদের ঘরে গিয়ে বসা যাক। ওটা একটু দূরে। ওখানে কথা বললে এখান থেকে শোনা যাবে না।”

    লিজা ওয়েভার্লি দোতলায় ওঠার আগেই আমরা আমাদের ঘরে চলে এলুম। অর্জুন আমাদের ঘরের সামনের ছাতে দাঁড়িয়ে ছিল। আমাদের দেখে বলল, “খোকি তো আজ নাস্তা খাবে না, আপনারা কি নীচে গিয়ে নাস্তা খাবেন, নাকি উপরে পাঠিয়ে দেব?”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “নীচেই যাব, তবে এখন নয়। আধঘন্টা বাদে যাব।”

    অর্জুন নীচে চলে গেল।

    ঘরে ঢুকে ভাদুড়িমশাই জানলা-দরজা বন্ধ করে দিলেন। তারপর পাঞ্জাবির পকেট থেকে তাঁর সেলফোন বার করে বললেন, “আপনারা গল্প করুন, এখন আমি পরপর কয়েকটা ফোন করব।”

    দুতরফা কথা শোনার তো উপায় নেই, একমাত্র ভাদুড়িমশাইয়ের কথাই আমরা শুনতে পাচ্ছি। সেই একতরফা কথা এই রকম:

    “আমি চারু ভাদুড়ি কথা বলছি। সব ঠিক আছে তো?…ভেরি গুড। রিপোর্টটা কখন পাওয়া যাবে?…ঠিক আছে, তা হলেই হবে। পরের কাজটাই সবচেয়ে জরুরি। ছ’টা নাগাদ বাচ্চাটাকে তুলে ভুলিয়ে ভালিয়ে নিয়ে যেতে হবে। নিজের কাছে নয়, এস. পি.-র সঙ্গে আলাপ-পরিচয় আছে?…নেই? তা হলে তোমাদের মধ্যে যে তাঁকে চেনে, মিনিট দশেকের মধ্যে তাকে আমার মোবাইল নাম্বারে ফোন করতে বলো। দিস ইজ ভেরি ভেরি আর্জেন্ট। ওভার।”

    ফোনটা অফ করেই ফের চালু করলেন ভাদুড়িমশাই। ডায়াল করে যার সঙ্গে কথা বললেন, তার দিকের কথা শুনতে পাবার প্রশ্নই নেই। একতরফা কথা যা শুনলুম, তা এই:

    “হ্যালো, আমি ফাইভ জিরো ডাবল এইট কথা বলছি…অত ‘স্যার স্যার’ কোরো না, যা জিজ্ঞেস করছি, তার জবাব দাও। উত্তরকাশীর এস.পি.-র সঙ্গে আলাপ পরিচয় আছে?…নেই? তা হলে তোমাদের মধ্যে যে তাঁকে চেনে, মিনিট দশেকের মধ্যে তাকে আমার মোবাইল নাম্বারে ফোন করতে বলো। দিস ইজ ভেরি ভেরি আর্জেন্ট। ওভার।”

    ফোনটা আবার অফ করে দিলেন ভাদুড়িমশাই। আমি আমার হাতঘড়ির দিকে চোখ রেখেছিলুম। দেখলুম সেটা বেজে উঠল ঠিক সাত মিনিট বাদে। যন্ত্রটা তুলে ভাদুড়িমশাই বললেন :

    “ইয়েস, দিস ইজ ফাইভ জিরো ডাবল এইট…তুমি ওঁকে চেনো তা হলে?…ভেরি গুড। ওঁকে ফোন করে আমার পরিচয় দাও, তারপর বলো যে, বিকেল সাড়ে চারটে থেকে পাঁচটার মধ্যে আমার চিঠি নিয়ে একজন লোক আজ ওঁর কাছে যাবে, উনি যেন দু’জন কনস্টেবলকে তার সঙ্গে দিয়ে দেন।…না, উর্দি-পরা কনস্টেবল নয়, প্লেন-ড্রেস পোলিসম্যান। তবে হ্যাঁ, সঙ্গে যেন আইডেন্টিটি কার্ড থাকে।…যদি রাজি না হন? ঠিক আছে, তা হলে ভয় দেখাবে, বলবে যে, আমি সেক্ষেত্রে ওঁর ওপরওয়ালার সঙ্গে যোগাযোগ করব, তবে হ্যাঁ, একই সঙ্গে এটাও বোলো যে, সেরকম না হওয়াটাই বাঞ্জনীয়।…কী বলছ, তার দরকার হবে না? ভাল। তা হলে আর দেরি কোরো না, সাড়ে দশটা বাজে, এখুনি ওঁর সঙ্গে ফোনে কথা বলে নাও, তারপর আমাকে জানাও যে, কী হল। ওভার।”

    সেলফোন অফ করে পকেটে পুরলেন ভাদুড়িমশাই। দরজায় টোকা মারার শব্দ হল। খুলে দেখি এ-বাড়ির একতলার কাজের লোক যোগীশ্বর দাঁড়িয়ে আছে। বলল, “নাস্তা তৈরি হয়ে গেছে। আপনারা কি নীচে যাবেন? যদি বলেন তো উপরেও দিয়ে যেতে পারি।”

    ভাদুড়িমশাইকে বললুম। “উপরে দিয়ে যেতে বলব?”

    “দরকার কী।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “আধঘন্টার মধ্যে কেউ ফোন করবে বলে মনে হয় না। চলুন, নীচেই যাওয়া যাক।”

    নীচে নেমে ডাইনিং রুমে ঢুকলুম। অর্জুন একটা লম্বা সেলাম ঠুকে বলল, “একটা মুশকিল হয়ে গেছে। দুকানে ডবল রুটি পাইনি।”

    সদানন্দবাবু বললেন, “সেটা আবার কী?”

    ভাদুড়িমশাই হেসে বললেন, “ব্রেড। পাউরুটি।” তারপর অর্জুনের দিকে তাকিয়ে বললেন, “তাতে মুশকিলটা কী হল?”

    “টোস্ট হল না।” অর্জুন বলল, “তাই আজ পুরি করেছি।”

    বললুম, “বেশ করেছ। রোজ-রোজ পাউরুটি চিবোতে কি ভাল লাগে? যে ক’টা দিন আছি, সকালে আমাদের জন্যে পুরিই কোরো।”

    পুরির সঙ্গে আলুভাজা আর কুমড়োর ছোকা ছিল। আর ছিল রাজেশের পাঠানো কালাকাঁদ। চটপট ব্রেকফাস্ট করে আমরা উপরে উঠে এলুম। তার মিনিট খানেক বাদেই ভাদুড়িমশাইয়ের মোবাইল জানান দিল যে, মেসেজ আছে।

    আবার সেই একতরফা কথা। ভাদুড়িমশাই যা বললেন, সেটা এই :

    “ফাইভ জিরো ডাবল এইট।…হ্যাঁ, শুনতে পাচ্ছি, বলে যাও।…আমাকে উনি চিনতে পেরেছেন? ভাল।…আমার লোক গিয়ে দেখা করলেই তার সঙ্গে যাবার জন্য সাদা পোশাকের দু’জন কনস্টেবল দিয়ে দেবেন?…ভেরি গুড। তুমি আপাতত অফিসেই থাকো, মানে আবার হয়তো তোমার সঙ্গে কথা বলার দরকার হতে পারে। ওভার।”

    ফোনটা আবার পকেটে ঢোকালেন ভাদুড়িমশাই। হাতঘড়ি দেখে মৃদু হেসে বললেন, “সো ফার সো গুড। কিন্তু সওয়া এগারোটা বাজে, মিনি তার ঘর থেকে বেরোচ্ছে না কেন? দরজাটা খুলে রাখুন তো।”

    সদানন্দবাবু বললেন, “লিজা চলে না গেলে বেরোবেন কী করে?”

    আমি বললুম, “কিন্তু তার তো এতক্ষণে চলে যাবার কথা।”

    প্রায় সঙ্গে-সঙ্গেই কানে এল স্কুটার স্টার্ট করার শব্দ। সদানন্দবাবু বললেন, “ওই গেল বোধহয়। মিসেস রাসেলের রিকোয়েস্টে রাজি হল কি না, কে জানে!”

    আমি বললুম, “রাজি না-হলে তো আপনিই আছেন। প্যাকেটটা ক্যারি করে আপনিই যথাস্থানে পৌঁছে দেবেন।

    “তা তো দেবই। রাত আটটাতেই দেব। কতা যখন একবার দিইচি, তখন সেটা রাকতেই হবে। তাতে মরি তো মরব। শুধু একটা কতা। যদি মরি তো আমার উইডোকে দয়া করে দেকবেন।”

    সদানন্দবাবুর গলাটা কি শেষের দিকে একটু কেঁপে গেল? সম্ভবত এতক্ষণে ভদ্রলোক বুঝেছেন যে, দায়িত্বটা কঠিন, ঘাড় পেতে সেটা নেওয়াটা খুব সুবুদ্ধির কাজ হয়নি।

    ভাদুড়িমশাই কিছু বলতে যাচ্ছিলেন, কিন্তু তিনি মুখ খোলার আগেই কামিনী এসে ঘরে ঢুকল। বলল, “তোমরা ব্রেকফাস্ট করে নিয়েছ তো?”

    “তা করেছি।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “কিন্তু ও-সব কথা ছেড়ে এখন কাজের কথায় আয়। লিজাকে রিকোয়েস্ট করেছিলি?”

    “করেছি।” কামিনী বলল, “ও রাজিও হয়েছে। কিন্তু প্যাকেটটা নিয়ে গেল না।”

    “তার মানে? নিল না কেন?”

    “প্রথমে তো প্যাকেটটা পৌঁছে দিতে রাজিই হচ্ছিল না। নাকি আজ দু’বেলাতেই ওকে দু’দুটো জায়গায় নেমন্তন্নে যেতে হবে, তাই আটটার সময় অন্য কোথাও যাওয়া ওর পক্ষে সম্ভব নয়। শেষে অনেক সাধ্যসাধনা করতে বলল, ঠিক আছে, রাত্তিরের নেমন্তন্নটায় নাহয় যাবে না, কিন্তু এ-বেলার নেমন্তন্নটা না রেখে উপায় নেই। ওর এক বন্ধুর মেয়ের জন্মদিন, লাঞ্চের নেমন্তন্ন, অথচ উপহার হিসেবে ও শুধু একটা পুতুল নিয়ে যাচ্ছে, এখন এই বইয়ের প্যাকেটটাও যদি সঙ্গে নিয়ে যায়, তা হলে এটাকেও ওরা হয়তো একটা উপহার বলে ভাববে, অথচ এটা তো ও দিতে পারবে না, সে ভারী বিচ্ছিরি ব্যাপার হবে। প্যাকেটটা তাই এখনই নিতে রাজি হল না।”

    “তা হলে কখন নেবে?”

    “সাতটার আগে নয়।” কামিনী বলল, “সাড়ে-সাতটাও হতে পারে। এখান থেকে যদি পশ্চিম দিকে যাও তা হলে ধরাসু বলে একটা জায়গা পড়বে, জানো তো?”

    “তা জানি।”

    “অত দূর না-হলেও ওরই কাছাকাছি ঠিক এই রকমেরই একটা বসতি গড়ে উঠেছে। জায়গাটার নাম ডুলুং ভ্যালি। সেখানেই নাকি ওর বন্ধুর বাড়ি। দুপুরে খাওয়ার নেমন্তন্ন, তাই এখান থেকে সরাসরি ও এখন সেখানেই যাবে। রাত্তিরের নেমন্তন্নটা তো স্কিপ করছে, তাই বিকেল অব্দি থাকবে ডুলুং ভ্যালিতেই। তারপর বাড়িতে ফেরার পথে সাতটা নাগাদ আমাদের বাড়ি থেকে প্যাকেটটা তুলে নিয়ে আটটার সময় যেখানে এটা পৌঁছে দেবার কথা সেখানে পৌঁছে দিয়ে হসপিটালে চলে যাবে নাইট ডিউটি দিতে।”

    “বাব্বা, এরা পারেও বটে!” ভাদুড়িমশাই হেসে বললেন, “তা তুই এখন কী করবি?”

    কামিনী বলল, “বারোটা বাজতে চলল, বার্টি একটু বাদেই ফিরবে, আমি স্নান করে নিচ্ছি, তোমরাও স্নান সেরে নাও, তারপর বার্টি এলে সবাই মিলে এক সঙ্গে খেতে বসব।”

    ঘর থেকে বেরিয়ে যাচ্ছিল কামিনী। দরজা পর্যন্ত গিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়ে বলল, “একটা কথা বলা হয়নি। বার্টি এর মধ্যে ফোন করেছিল। বলল যে, খেয়ে একটু বিশ্রাম করে ফের বেরোতে হবে ওকে।…কী জানো আঙ্কল, কাল তো সারাদিন বেরোবে না, তাই কাল যেসব রুগিকে দেখার কথা ছিল আজই তাদের যতজনকে পারে দেখে আসবে।”

    শুনে লিজার ব্যাপারে একটু আগেই যা বলেছিলেন, বার্টির ব্যাপারেও সেই একই মন্তব্য করলেন ভাদুড়িমশাই। “বাব্বা, এরা পারেও বটে!”

    সদানন্দবাবু বললেন, “যা শুনলুম, তাতে তো মনে হচ্চে লিজাই সাতটা নাগাদ এখেনে এসে প্যাকেটটা নিয়ে যাবে। তা হলে আর আমাকে ওটা নিয়ে যেতে হচ্চে না, কেমন?”

    আমি বললুম, “তাতে তো আপনি হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন মশাই। যা ভয় পেয়েছিলেন।”

    “মোটেই ভয় পাইনি।” সদানন্দবাবু ফুঁসে উঠে বললেন, “আমি তো যাবার জন্যে তৈরিই ছিলুম।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “থাক থাক, আর বীরত্ব ফলাতে হবে না। আপনি খুব ভালই জানেন যে, আমিই আপনাকে যেতে দিতুম না। দরকার হলে আমি নিজেই যেতুম। আর তা ছাড়া, কেউই ওই প্যাকেট নিয়ে ওখানে যাবে কি না, তাতেও আমার সন্দেহ আছে।”

    এই শেষের কথাটা কেন বললেন, তা আর ব্যাখ্যা করলেন না ভাদুড়িমশাই। পকেট থেকে সেলফোন বার করে ডায়াল করতে বসলেন। যাঁকে ডাকলেন, তার উত্তর পাওয়ার পর একতরফা তাকে যা বললেন, তা এই :

    “আমি চারু ভাদুড়ি কথা বলছি। বাচ্চার মা এখন বাইরে। সম্ভবত সাড়ে-সাতটা আটটা পর্যন্ত বাইরেই থাকবে। বাচ্চাকে তুলে আনার কাজটা তার ফলে সহজ হয়ে গেল। এস.পি.-র সঙ্গে দেখা করলে তিনি দুজন প্লেন-ড্রেসের পুলিশ সঙ্গে দেবেন। বাচ্চাকে তুলে এনে নিজের কাছে রাখা উচিত হবে না, এস. পি.-র আপিসে জমা দিতে হবে। ক্লিয়ার?…গুড। তা যে রিপোর্টের কথা বলেছিলুম, সেটা কখন পাওয়া যাবে?…অ্যা, পাওয়া গেছে?…তা-ই? আমি ঠিক এই সন্দেহই করেছিলুম। ওভার।”

    সেলফোন পকেটে পুরে ভাদুড়িমশাই বললেন, “এ কী, আপনারা বসে আছেন কেন? স্নান করে নিন। আমি আমার ঘরে চললুম।”

    আর কোনও কথা না বলে তিনি ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন।

    বার্টি বলেছিল বারোটা সাড়ে বারোটায় ফিরবে, ফিরল একটারও খানিক পরে। কাঁচুমাচু মুখে বলল, “সরি আঙ্কল, এত রোগী দেখতে হবে ভাবিনি, একটু দেরি হয়ে গেল।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “সে আর কী করা যাবে, এখন পোশাক পালটে নীচে নেমে খাওয়ার পাট চুকিয়ে একটু বিশ্রাম করে নাও। বিকেলে তো ফের রুগি দেখতে যাবে শুনলুম।”

    লাঞ্চের ঘন্টা দেড়টায়। খাওয়ার পাট চুকতে-চুকতে আড়াইটে। তারপরে আর গল্পগুজব বিশেষ হল না। আমরা উপরে চলে এলুম। ভাদুড়িমশাই আর আমাদের ঘরে এলেন না, নিজের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করলেন। তাঁকে একটু অন্যমনস্ক দেখাচ্ছিল। খাওয়ার টেবিলে খুব একটা কথা বলেননি, উপরে এসেও আমাদের কিছু বললেন না। মনে হল, নিজের ঘরে গিয়ে এখন বোধহয় আরও গোটাকয়েক ফোন করবেন।

    আমাদের ঘরে ঢুকে সদানন্দবাবু আর দেরি করলেন না, বিছানায় টান হয়ে শুয়ে পড়লেন। ঘুমিয়েও পড়লেন প্রায় সঙ্গে-সঙ্গেই। তার দুটো কারণ। এক, গুরুভোজন। দুই, প্যাকেটটা রাত আটটার সময়ে যথাস্থানে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি। আমার ঘুম এল না। কলকাতা থেকে একটা থ্রিলার সঙ্গে করে এনেছিলুম, সেটা পড়তে শুরু করেছি, এমন সময় দরজায় টোকা পড়ল।

    দরজা খুলে দেখি, ভাদুড়িমশাই। বললেন, “আমি একটা জরুরি কলের জন্যে অপেক্ষা করছি, নীচে নামা সম্ভব নয়। আপনি একতলায় গিয়ে ইন্দরলালকে বলে আসুন, সে যেন বিকেলে কোথাও না যায়, আর ট্যাক্সিটাও যেন তৈরি থাকে। সন্ধে নাগাদ আমরা বেরোব।”

    কথা শেষ করে তিনি আর দাঁড়ালেন না, নিজের ঘরে চলে গেলেন। আমি নীচে নেমে ইন্দরলালকে যা বলার বলে আবার দোতলায় উঠে এলুম। থ্রিলারটা আবার পড়তে শুরু করেছিলুম, কিন্তু মন বসল না। বিছানায় শুয়ে আকাশ-পাতাল ভাবতে লাগলুম। যে বাচ্চাটিকে তার বাড়ি থেকে তোলার কথা শুনেছি, সে কে? তাকে আদৌ তোলা হবে কেন? রিপোর্টই বা কীসের? কিছুই ঠাহর হচ্ছে না। শুধু এইটুকু আন্দাজ করতে পারছি যে, কামিনীর ব্যাপারটা এখন ক্রমেই আরও ঘোরালো হয়ে উঠছে।

    বার্টির বাড়িটা চমৎকার, কিন্তু গাড়িটা লজঝড়। স্টার্ট দিয়ে চলতে শুরু করার সময় বিকট শব্দ করে। শব্দটা আমি চিনে রেখেছি। কানে আসতে ঘড়ির দিকে তাকালুম। সাড়ে চারটে। বার্টি তার গাড়ি নিয়ে পাহাড়ি বস্তিতে চলে গেল। রোগী দেখার কাজ শেষ করে, তাদের ওষুধপত্তর দিয়ে কখন বাড়ি ফিরবে কে জানে।

    একটু বাদেই ঘরে ঢুকলেন ভাদুড়িমশাই। বললেন, “একজনকে ফোন করা দরকার। ও ঘর থেকে করতে পারছি না। ঘর সাফাই হচ্ছে, বিছানা-বালিশের চাদর-ওয়াড় পালটানো হচ্ছে। তার মধ্যে ফোন করা যায়?”

    হেসে বললুম, “বেশ তো, তা হলে এখান থেকেই করুন।”

    পকেট থেকে সেলফোন বার করলেন ভাদুড়িমশাই। ডায়াল করলেন। তারপর প্রায় মিনিট খানেক চুপ করে থেকে বললেন :

    “আমি ভাদুড়ি বলছি। ফোন ধরতে এত দেরি হয় কেন?…এস.পি.-র সঙ্গে দেখা হল?… দুজন লোক দিয়েছে?…ভাল। দুজনই সঙ্গে যাক, তবে ফেরার সময় দুজনের একজনকে ওখানে রেখে আসতে হবে।…হ্যাঁ, আমার দরকার হতে পারে। আর কিছু জানার আছে?…নেই? তা হলে আর দেরি না করে কাজে বেরিয়ে পড়া ভাল। ওভার।”

    ফোন পকেটে পুরে বললেন, “পাঁচটা বাজে। সদানন্দবাবু ঘুমোচ্ছেন দেখছি। ঘুমোতে দিন। তবে হ্যাঁ, ছ’টার সময় তুলে দেবেন। সাড়ে ছ’টার মধ্যে আপনাদের রেডি হয়ে নেওয়া চাই। যদি অবশ্য আমার সঙ্গে যেতে চান।”

    বললুম, “রেডি হয়ে থাকব অবশ্যই। আপনার সঙ্গে যাবও। কিন্তু আপনি যাবেনটা কোথায়?”

    “সঙ্গে যখন যাচ্ছেন, তখন যথাসময়ে সেটা জানতে পারবেন।”

    “রওনা হবেন ওই সাড়ে ছ’টাতেই?”

    “সেটাই নিশ্চিত বলা যাচ্ছে না।” ভাদুড়িমশাই রহস্যময় হেসে বললেন, “আপাতত শুধু এইটুকুই বলতে পারি যে, সম্ভবত সাড়ে ছ’টার আগে নয়, ওদিকে সাড়ে সাতটার পরে নয়।…ও হ্যাঁ, ইন্দরলালকে গাড়ি তৈরি রাখতে বলেছেন তো?”

    “তখনই বলে এসেছি। গাড়ি তৈরি থাকবে।”

    “তা হলে এখন যাই। ঘরে বসে চুপচাপ একটা প্ল্যান ছকে নিতে হবে। আশা করি, আমার ঘর গোছাবার কাজ এতক্ষণে শেষ হয়েছে।”

    ভাদুড়িমশাই আমাদের ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন। আমি আবার আমার অর্ধসমাপ্ত থ্রিলারের পাতা ওলটাতে শুরু করলুম। কিন্তু এবারেও তাতে মন বসল না। বুঝতে পারছিলুম, কিছু একটা ঘটতে চলেছে। কিন্তু সেটা যে কী, তা বুঝে উঠতে পারছিলুম না। তার ফলে একটু অস্থির-অস্থির বোধ করছিলুম। ভাবছিলুম যে, ভাদুড়িমশাই যাবেন কোথায়? সেই শেষ না-হওয়া বাড়িটাতে, যার একতলার সিঁড়ির প্রথম ধাপে প্যাকেটটা রেখে আসার কথা? যে-লোকটা ফোন করে ভয় দেখাচ্ছে, হুকুম দিচ্ছে, প্যাকেটটা নেবার জন্যে সে কি সেখানে অন্ধকারে গা ঢাকা দিয়ে অপেক্ষা করে থাকবে? ভাদুড়িমশাই যদি সেখানেই যান, একটা সংঘর্ষ তা হলে হবেই। বই পড়ব কী, এইসব ভাবনাই আমাকে অস্থির করে দিচ্ছিল।

    ছ’টা বাজতেই সদানন্দবাবুকে তুলে দিলুম। সাড়ে ছ’টার মধ্যে আমরা রেডি। তার মিনিট কয়েক আগে ভাদুড়িমশাই তাঁর ঘর থেকে আমাদের ঘরে চলে এসেছিলেন। বললেন, “ভয় পাবেন না, ভয়ের কিছু নেই। কাজ শেষ হতে ঘন্টা খানেকের বেশি লাগবে না।

    সদানন্দবাবু বললেন, “ভয় করলেই ভয়।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্টোরিজ – নিল গেইম্যান
    Next Article ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    Related Articles

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার ক্লাস – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার দিকে ও অন্যান্য রচনা – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতা কী ও কেন – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ কবিতা

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }