Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এক পাতা গল্প927 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কামিনীর কণ্ঠহার – ১০

    ১০

    স্কুটারের শব্দ হল ঠিক সাতটাতেই। তারপর একতলার সদর-দরজায় বেল বাজাবার শব্দ। তারও খানিক পরে জুতোর খটখট আওয়াজ শুনে বুঝলুম একতলা থেকে সিঁড়ি দিয়ে কেউ দোতলায় উঠছে। মিনিট খানেক বাদে তার নেমে যাওয়ার শব্দও কানে এল।

    কামিনী আমাদের ঘরে ঢুকে বলল, “লিজা এসেছিল। প্যাকেটটা ওকে দিয়ে দিয়েছি।”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “বেশ করেছিস। এখন সাতটা পাঁচ। মিনিট দশেক বাদে আমরা একটু বেরোব। কখন ফিরব, বলতে পারছি না। রাত বেশি হতে পারে। ভাবিস না।”

    আমরা নীচে নামলুম সওয়া সাতটায়। গাড়ি তৈরিই ছিল, আমরা ভিতরে ঢোকার পর ভাদুড়িমশাই ইন্দরলালকে বললেন, “গাড়ি স্পিডে চালাও, উত্তরকাশীর রাস্তা ধরো। খানিক বাদে যদি একটা স্কুটার দ্যাখো, সেটাকে ওভারটেক কোরো না, তবে একটু ডিসট্যান্স রেখে সেটার পিছনে লেগে থাকবে।”

    ইন্দরলাল কোনও কথা বলল না। তবে, গাড়ির স্পিড যে হঠাৎ বেড়ে গেছে, সেটা বোঝা গেল।

    একটা ব্যাপার লক্ষ করেছিলুম। আমি তো একেবারে খালি হাতে নেমেছি, কিন্তু সদানন্দবাবু হুঁশিয়ার মানুষ, তিনি তাঁর খেটে-লাঠিটা সঙ্গে নিতে ভোলেননি। ভাদুড়িমশাইয়ের সঙ্গে সেই বিগ শপার। বললুম, “ঝোলাটা নিলেন কেন? ওতে আছে কী?”

    ভাদুড়িমশাই সেই আগের মতোই ড্রাইভারের পাশের সিটে বসেছেন। ঘাড় না-ঘুরিয়েই বললেন, “আর-এক প্যাকেট কালাকাঁদ। কাজে লাগতে পারে। খাবেন একটা?”

    বললুম, “না।”

    গাড়ি বেশ জোরে ছুটছে। বাঁ দিকে চোখ রেখে বসে আছি। কোথায় যাচ্ছি আমরা ভাদুড়িমশাইকে জিজ্ঞেস করেছিলুম এর মধ্যে। তিনি সেই একই উত্তর দিয়েছেন, গেলেই দেখতে পাবেন। তারপরে আর কোনও কথা হয়নি। পথে কোনও স্কুটারও চোখে পড়েনি আমার।

    হাতঘড়ির দিকে তাকালুম। রেডিয়াম লাগানো কাঁটা বলছে, এখন প্রায় সাড়ে সাতটা।

    আর-একটু এগোলেই বাঁয়ে পড়বে সেই সরকারি হাউসিং এস্টেটের ফ্ল্যাটবাড়িগুলো। লিজা ওরই একটা ফ্ল্যাটে থাকে। এস্টেট ছাড়িয়ে আরও খানিকটা এগোলে সেই শেষ-না-হওয়া ভুতুড়ে বাড়িটা পাব। ভাদুড়িমশাই যে ওখানেই যাবেন, তাতে আর আমার কোনও সন্দেহ নেই এখন। ওখানে আমাদের পৌঁছতে-পৌঁছতে প্রায় আটটাই বাজবে। কে যে ওখানে অপেক্ষা করছে, কে জানে। শুধু এইটুকু বুঝতে পারছি যে, যেই অপেক্ষা করুক, ভাদুড়িমশাইয়ের সঙ্গে তার একটা সংঘর্ষ হবেই।

    আশ্চর্য ব্যাপার, কোথায় সেই অন্ধকার ভুতুড়ে বাড়িতে যাব, তা নয়, হাউসিং এস্টেটের কম্পাউন্ড শুরু হওয়া মাত্র ভাদুড়িমশাই চাপা গলায় ইন্দরলালকে বললেন, “স্পিড কমিয়ে বাঁয়ে টার্ন নিয়ে এই হাউসিং এস্টেটের গেট দিয়ে গাড়ি ভিতরে ঢোকাও।”

    ভিতরে ঢুকে প্রথমেই একটা লোহার রেলিং দিয়ে ঘেরা পার্ক। সম্ভবত চিলড্রেন’স পার্ক। দোলনা, সি-স, জন্তু-জানোয়ারের আদলে ছাঁটা পাছপালা ইত্যাদি দেখে তা-ই অন্তত মনে হল। তবে রাত হয়েছে বলেই বোধহয় অল্পবয়সি বাচ্চা কোনও ছেলেমেয়ে দেখলুম না। পার্কের চারদিক ঘিরে রাস্তা। রাস্তার ধারে পরপর ফ্ল্যাটবাড়ি। ফ্ল্যাটের আলো রাস্তায় এসে পড়েছে। অনেক ফ্ল্যাটেই যে টিভি চলছে, আওয়াজ শুনে সেটা বোঝা যায়।

    পার্কের বাঁ দিকের রাস্তা ধরে প্রথম দুটো ফ্ল্যাটবাড়ি ছাড়িয়ে এল ইন্দরলাল। তারপর, ভাদুড়িমশাইয়ের নির্দেশমতো, তৃতীয় ফ্ল্যাটবাড়ির সামনে গাড়ি দাঁড় করাল। প্রায় সঙ্গে-সঙ্গে পার্কের ভিতরের গাছের আড়াল থেকে রেলিং টপকে একটি লোক এসে দাঁড়াল আমাদের গাড়ির পাশে। চাপা গলায় বলল, “ভাদুড়িসাবকো সাথ মিলনা হ্যায়।”

    ভাদুড়িমশাই গাড়ি থেকে নেমে পড়েছিলেন। লোকটির সামনে গিয়ে দাঁড়াতে সে বলল, “মেরা নাম ভীম সিং। আপকা যো কাম থা, হো চুকা। দুসরা কোই কাম হ্যায়?”

    “এস.পি. সাবকা আদমি?”

    “হাঁ, হুজুর।” লোকটি তার শার্টের পকেট থেকে একটা চিরকুট বার করে এগিয়ে ধরল। ভাদুড়িমশাই একবার চোখ বুলিয়েই সেটা তাকে ফেরত দিয়ে বললেন, “আমি এই বাড়ির দোতলায় যাব, তুমিও আমার সঙ্গে চলো।” তারপর আমাদের দিকে তাকিয়ে বললেন, “কিরণবাবু, আপনিও চলুন।”

    “আর আমি?” সদানন্দবাবু প্রায় ডুকরে উঠে বললেন, “আমি একা এই গাড়ির মধ্যে বসে থাকব?”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “একা কেন, ইন্দরলালই তো রয়েছে।” তারপর তাঁর বিগ শপারের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে একটা হুইসল বার করে সদানন্দবাবুর হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললেন, “এটা রাখুন। বাবরি চুলওয়ালা কোনও লোককে যদি এই বাড়িতে ঢুকতে দেখেন, তা হলে সঙ্গে-সঙ্গে এটা বাজাবেন। মাত্র একবার বাজালেই চলবে।”

    আমরা গিয়ে বাড়ির মধ্যে ঢুকে পড়লুম। সিঁড়িতে একটা কম পাওয়ারের বাল্ববের মিটমিটে আলো। তাতেও অবশ্য দেখা গেল যে, একতলার দু’দিকের দুটো ফ্ল্যাটেরই দরজার হুড়কোয় তালা ঝুলছে। অর্থাৎ হয় দু-টো ফ্ল্যাটে কেউ থাকে না, কিংবা থাকলেও এখন কেউ বাড়িতে নেই। দোতলাতেও দু’দিকের ফ্ল্যাটেরই দরজা বন্ধ, তবে তার একটাতেও তালা দেখলুম না। ডান দিকের দরজায় একটা পেতলের প্লেট আঁটা। প্লেটে পদবি খোদাই করা ওয়েভার্লি।

    বাঁ হাতে বিগ শপার, ডান হাতের তর্জনী তুলে ভাদুড়িমশাই ডোর-বেলের বোতাম টিপলেন।

    ভিতরে পায়ের শব্দ পাওয়া গেল। কেউ বলল, “মাস্ট বি বালু!” পরক্ষণেই যে দরজা খুলল, তাকে দেখেই বোঝা যায় যে, সে হকচকিয়ে গেছে। চিনতে অসুবিধে হল না। লিজা।

    আমরা লিজাকে চিনতে পারলেও লিজা আমাদের চিনতে পারেনি। বিভ্রান্তির ভাবটা একটু কেটে যেতেই অস্ফুট গলায় জিজ্ঞেস করল, “আপনারা কে? কী চাই?”

    খোলা দরজার পাল্লার পাশ দিয়ে এরই মধ্যে ভিতরে একটা পা ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন ভাদুড়িমশাই। যাতে দরজাটা ফের বন্ধ করে দেওয়া না যায়। সেই অবস্থাতেই ভীম সিংয়ের দিকে আঙুল তুলে বললেন, “এ লোকটি এসেছে থানা থেকে। আপনার বিশ্বাস না হলে আইডেন্টিটি কার্ড দেখাবে। আর আমরা দুজন সি.বি.আই.-এর লোক।” সি. বি. আই. মানে যে এক্ষেত্রে সেন্ট্রাল ব্যুরো অভ ইনভেস্টিগেশনস নয়, চারু ভাদুড়ি ইনভেস্টিগেশনস, সেটা অবশ্য বললেন, না।

    লিজা ভয় পেয়েছে, তাতে সন্দেহ নেই। কাঁপা-কাঁপা গলায় বলল, “কী চান আপনারা?”

    ভাদুড়িমশাই তাঁর পা সরালেন না। বললেন, “কী চাই, তা আপনি খুব ভালই জানেন মিসেস এলিজাবেথ ওয়েভার্লি। ঘন্টাখানেক আগে ডুন্ডা ভ্যালির মিসেস কামিনী রাসেলের কাছ থেকে যে প্যাকেটটা নিয়ে এসেছেন, আপাতত সেটা চাই। …ওহো, সেটা তো আপনার হাতেই রয়েছে!”

    দরজার খোলা পাল্লায় নিমেষে একটা ধাক্কা মেরে ভিতরে ঢুকে গেলেন ভাদুড়িমশাই। লিজার হাত থেকে প্যাকেটটা কেড়ে নিয়ে আমার দিকে এগিয়ে ধরে বললেন, “ঝোলার মধ্যে রেখে দিন!”

    পাল্লার ধাক্কা লেগে মেঝের উপরে পড়ে যেতে-যেতে টাল সামলে নিয়ে আবার সিধে হয়ে দাঁড়িয়েছিল লিজা। কাতর গলায় বলল, “ওটা নেবেন না। মিসেস রাসেলই ওটা এক জায়গায় রেখে আসার জন্যে আমাকে দিয়েছেন!’”

    “আপনি এটা কোথাওই রেখে আসতেন না!” ভাদুড়িমশাই হেসে বললেন, “বালু না কার জন্যে তো আপনি অপেক্ষা করছিলেন, তাকে দেখিয়ে আপনার আলমারির লকারে তুলে রাখতেন। … নিন, এবারে আগের প্যাকেটটা বার করুন। …কুইক!”

    “আগের প্যাকেট? তার মানে?”

    “অত অবাক হচ্ছেন কেন? আগের প্যাকেট মানে গতকাল তো শুক্রবার ছিল, তার আগের শুক্রবার, মানে ছাব্বিশে এপ্রিল তারিখে যে প্যাকেটটা মিসেস রাসেল দিয়েছিলেন। মনে পড়েছে?”

    লিজা সম্ভবত বুঝতে পেরেছিল, সে খুব কঠিন পাল্লায় পড়েছে, এখন আর না-বোঝার ভান করে কোনও লাভ নেই। বলল, “কিন্তু সেটা তো যেখানে রাখার কথা, সেখানেই আমি রেখে এসেছিলুম।”

    “আবার মিথ্যে বলছেন?” প্রায় গর্জন করে উঠলেন ভাদুড়িমশাই। বললেন, “নো মিসেস ওয়েভার্লি, প্যাকেটটা আপনি কোথাও রেখে আসেননি। সেটা যে বিক্রি করতে পারেননি, তাও জানি। কেননা, প্যাকেটের মধ্যে যেমন বই ছিল না, তেমন সোনার গয়নাও ছিল না, ছিল একটা হিরের নেকলেস। তা হিরে, তাও অত বড় সাইজের হিরে কি অত সহজে বিক্রি করা যায় নাকি? তাও এই উত্তরকাশীতে? কিনবে কে? ওসব জিনিস বিক্রি করতে হলে দিল্লি-বোম্বাই যেতে হয়। তা এর মধ্যে তো আপনি উত্তরকাশী ছেড়ে কোথাও যাননি। পরে হয়তো যেতেন, কিন্তু এখনও যে যাননি, তা তো আমি জানি। তাই বলছি, ওটা দিয়ে দিন।”

    “কী করে দেব, কোত্থেকে দেব?” লিজা বলল, “প্যাকেটটা কি আমার কাছে আছে যে আমি দেব? ওটা আমি খুলে দেখিনি, ওর মধ্যে কী ছিল তা আমি জানি না। প্যাকেটটা আমাকে যেখানে রাখতে বলা হয়েছিল, সেখানেই আমি রেখে এসেছি।”

    একটু আগেই ধমক দিয়ে কথা বলছিলেন ভাদুড়িমশাই। তাঁর গলা হঠাৎই অনেক নিচু পর্দায় নেমে এল। খুব ধীরস্থিরভাবে তিনি বললেন, “ইউ আর ট্রায়িং টু সেল মি আ প্যাকেট অব লাইজ, হুইচ আই’ম নট বায়িং। কিন্তু সে-কথা থাক, আপনার একটি ছেলে আছে না?”

    “আছে, আপনি কী করে জানলেন?”

    যেমন করেই হোক, জানি। তা ছেলেটি এখন কোথায়?

    লিজার মুখে একটা আশঙ্কার ছায়া পড়ল কি? এতক্ষণ মুখ নিচু করে কথা বলছিল সে। হঠাৎ মুখ তুলে ভাদুড়িমশাইয়ের দিকে তাকিয়ে বলল, “আমাদের এই হাউসিং এস্টেটে একটা চিলড্রেনস ওয়েলফেয়ার কমিটি আছে। এখানকার বাচ্চাদের নিয়ে তারা মাঝে-মাঝেই বেড়াতে বেরোয়। শুনলুম তাদেরই একজন লোক এসে নাকি জনিকে একটা ম্যাজিক শো দেখাতে নিয়ে গেছে। তা আপনি হঠাৎ জনির কথা জিজ্ঞেস করছেন কেন?”

    কথাটার উত্তর না দিয়ে ভাদুড়িমশাই বললেন, “জনি ফিরবে কখন?”

    “পাঁচটা-ছ’টা নাগাদ নিয়ে গেছে, আটটার মধ্যেই ফেরার কথা।”

    “নাও ফিরতে পারে।”

    লিজা আর্ত গলায় জিজ্ঞেস করল, “তার মানে?”

    “মানেটা খুবই সহজ।” ভাদুড়িমশাই ঠান্ডা গলায় বললেন, “কোনও ওয়েলফেয়ার কমিটির লোক নয়, আমারই লোক এসে ম্যাজিক শোতে নিয়ে যাবার লোভ দেখিয়ে আপনার মায়ের হেফাজত থেকে জনিকে তুলে নিয়ে গেছে। আপনি যতক্ষণ না সেই প্রথম প্যাকেটটি তার ভিতরের নেকলেসটা সুদ্ধু আমার হাতে তুলে দিচ্ছেন, জনিকেও ততক্ষণ ফেরত পাবেন না। ইট’স অ্যাজ সিম্পল অ্যাজ দ্যাট।”

    ফ্ল্যাটের ভিতরে আমরা এখন যেখানে দাঁড়িয়ে আছি, সেটা এদের লিভিং কাম ডাইনিং রুম। মাঝ-বরাবর একটা পর্দা। সেই পর্দার আড়াল থেকে এক ভদ্রমহিলা হঠাৎ বেরিয়ে এলেন। মুখের বলিরেখা দেখলে মাকড়সার জাল বলে ভ্রম হয়, মাথার চুল ধবধবে সাদা। পরনে পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত ঝুলের একটা লম্বা কোট।

    ভদ্রমহিলাকে দেখবামাত্র লিজা চেঁচিয়ে উঠল, “মা, তুমি জনিকে কার হাতে ছেড়ে দিয়েছ?”

    মেয়ের কথার কোনও উত্তর দিলেন না বৃদ্ধা। বোতাম খুলে কোটের ভিতরকার পকেট থেকে একটা কাগজে-মোড়া প্যাকেট বার করে ভাদুড়িমশাইয়ের দিকে ছুড়ে দিয়ে বললেন, “এই নিন আপনার সেই প্যাকেট। খুলে দেখে নিন, নেকলেসটা ওর মধ্যে আছে কি না।”

    প্যাকেটটা খুললেন না ভাদুড়িমশাই, সেটাকে আমার হাতে তুলে দিয়ে, বৃদ্ধার দিকে তাকিয়ে বললেন, “আপনি কি এতক্ষণ ওই পর্দার আড়ালেই দাঁড়িয়ে ছিলেন?”

    “হ্যাঁ।” বিষণ্ণ হেসে ভদ্রমহিলা বললেন, “ওখান থেকে আপনাদের সমস্ত কথাই আমি শুনেছি। আমার মেয়ে যা করেছে, তার ক্ষমা নেই। তবু বলি, ও এ-কাজ স্বেচ্ছায় করেনি, ওকে দিয়ে জোর করে, খুন করার হুমকি দিয়ে বালু এ-কাজ করিয়ে নিয়েছে।

    “কে বালু?”

    “বাইরের লোক, খারাপ লোক, মাঝে-মাঝে এখানে আসে, আমার মেয়েকে ভয় দেখায়।”

    “এর বেশি কিছু জানেন না?”

    “না।” ভদ্রমহিলা হাত জোড় করে আর্ত গলায় বললেন, “যাই হোক, জিনিসটা যখন ফেরত পেয়েছেন, জনিকে তখন ফিরিয়ে দিন। ও আমার একমাত্র নাতি!”

    ঠিক এই সময়েই হুইসলের শব্দ শোনা গেল। ভাদুড়িমশাইও তৎক্ষণাৎ “ভীম, তুমি এখানে থাকো” বলেই তাঁর ঝোলার মধ্যে হাত ঢুকিয়ে কিছু একটা ভারী জিনিস তুলে নিয়ে দরজার বাইরে সিঁড়ির দিকে ছুট লাগালেন। আমি তাঁর পিছু নিতে-নিতে খেয়াল করলুম, ঝোলা থেকে যা তাঁর হাতে উঠে এসেছে, সেটা একটা রিভলভার।

    যাকে এ-বাড়িতে ঢুকতে দেখে সদানন্দবাবু হুইসল বাজিয়েছেন, একতলায় নামার আগেই বাবরি চুলওয়ালা সেই লোকটির সঙ্গে সিঁড়ির মধ্যপথে আমাদের দেখা হয়ে গেল। ভাদুড়িমশাইকে দেখে যে সে হকচকিয়ে গেছে, তা বুঝতে কিছুমাত্র দেরি হল না আমার। সঙ্গে-সঙ্গেই সে পিছন ফিরে একতলায় নেমে যাবার উদ্যোগ করেছিল, কিন্তু সদানন্দবাবু ততক্ষণে তার পিছনে এসে দাঁড়িয়েছেন। ভাদুড়িমশাইয়ের হাতে রিভলভার দেখেই সদানন্দবাবু বুঝে গিয়েছিলেন যে, যাকে আমরা ধাওয়া করেছি, সে মোটেই সুবিধের লোক নয়, ফলে লোকটা যখন তাঁকে ধাক্কা মেরে তাঁর পাশ দিয়ে তড়বড় করে নীচে নেমে যাচ্ছে, তখন মাথায়-লোহার-বল-বসানো তাঁর সেই বিখ্যাত খেটে-লাঠি দিয়ে লোকটার কপালে এক ঘা বসিয়ে দিতে সদানন্দবাবুর একটুও ভুল হয়নি। তার ফল যা হবার তা-ই হল। সিঁড়ির উপরেই কপাল চেপে ধরে লোকটা বসে পড়ল।

    ডান হাতে রিভলভার, সিঁড়ি দিয়ে দু’ধাপ নেমে বাঁ হাতে লোকটার শার্টের কলারের পিছন দিকটা মুঠো করে ধরে একটা হ্যাঁচকা টান মেরে তাকে দাঁড় করালেন ভাদুড়িমশাই। তারপর মৃদু হেসে বললেন, “বালুচন্দ্রন, এটা তো ফিল্মি ফাইটিং নয়, তাই তোমার কপাল ফেটে যা গড়াচ্ছে, তাও টোমাটো সস নয়, রক্ত। আর আমার হাতের এটাও নকল নয়, আসল রিভলভার। তোমার ভাগ্য ভাল যে, লাঠির বাড়ি খেয়েছ, আমাকে রিভলভার চালাতে হয়নি। নাও, এখন উপরে চলো।”

    নার্সের বাড়ি, ফার্স্ট এডের জিনিসপত্র সবই মজুত, ভাদুড়িমশাইয়ের নির্দেশে লিজা চটপট বালুর কপালে একটা অ্যান্টিসেপটিক লোশন লাগিয়ে ব্যান্ডেজ বেঁধে দিল।

    বালুচন্দ্রনের শার্টে রক্তের ছোপ। ব্রাউন রঙের ময়লা প্যান্টটাও হাঁটু পর্যন্ত গোটানো। সদানন্দবাবু তাঁর নিজস্ব হিন্দিতে বললেন, “এই তুম প্যান্ট নামাকে বৈঠো। দেখতা নেই যে, এখানে দুজন লেডি রয়েচেন?”

    ভাদুড়িমশাই বললেন, “নামাবে কী করে? প্যান্টটা ছেঁড়া যে! কিন্তু আর তো দেরি করা চলে না। ভীম সিং, এই লোকটিকে নিয়ে আমরা এখন এস. পি. সাহেবের কাছে যাব। হাতকড়ি লাগিয়ে একে এখন নীচে নামিয়ে ট্যাক্সিতে তোলো।”

    লিজার মা বললেন, “আমরা এখন কী করব?”

    “আপনারা এখন এখানেই থাকুন।” ভাদুড়িমশাই বললেন, “পরে যদি দরকার হয় তো আপনাদের ডেকে পাঠানো হবে।…ও হ্যাঁ, জনির জন্যে চিন্তা করবেন না, একটু বাদেই তাকে পাঠিয়ে দিচ্ছি।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্টোরিজ – নিল গেইম্যান
    Next Article ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    Related Articles

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার ক্লাস – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতার দিকে ও অন্যান্য রচনা – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    কবিতা কী ও কেন – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ কবিতা

    September 5, 2025
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    ভাদুড়ি-সমগ্র ১ – নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী

    September 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }