Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভারতে ইসলাম ভারতীয় মুসলিম – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প1287 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.৫.০৯ মোহম্মদ বিন তুঘলক (শাসনকাল : ১৩২৫ সাল থেকে ১৩৫১ সাল)

    মোহম্মদ বিন তুঘলক (শাসনকাল : ১৩২৫ সাল থেকে ১৩৫১ সাল)

    তুঘলক বংশের এক বিতর্কিত শাসক মোহম্মদ বিন তুঘলক। ধারণকৃত নাম জুনা খাঁ মোহম্মদ আদিল বিন তুঘলক শাহ। আসল নাম মালিক ফখরুদ্দিন। গিয়াসুদ্দিন তুঘলক ছিলেন এই বংশের প্রতিষ্ঠাতা। গিয়াসুদ্দিন তুঘলকের জ্যেষ্ঠপুত্র ছিলেন মোহম্মদ বিন তুঘলক। যাঁর কীর্তির কথা স্মরণে রেখে প্রবাদ-প্রবচন হয়ে গেল ‘তুঘলকি কাণ্ড। অর্থাৎ অস্থির বা খামখেয়ালি শাসকের কাজ। মোহম্মদ বিন তুঘলকের শাসনকাল ১৩২৫ থেকে ১৩৫১ সাল পর্যন্ত। ভারতে তুঘলক সাম্রাজ্যের আয়তনের বিস্তৃতি ছিল ৩২,০০,০০০ বর্গকিলোমিটার। রাজধানী ছিল দিল্লি। বর্তমানে সেই বিস্তৃত সাম্রাজ্য ভারত, নেপাল, পাকিস্তান, বাংলাদেশে বিভাজিত হয়ে আছে। আশ্চর্যরকমভাবে বিন তুঘলকের বিরুদ্ধে হিন্দুদের কচুকাটা করা, মন্দির ধ্বংস করা, জোরপূর্বক ইসলামে ধর্মান্তরিত করা ইত্যাদি অপবাদ আরোপ করা হয়নি। তবে তাঁকে ‘পাগল রাজা’ বলে অভিহিত করা হয়েছে। কেন তাঁকে পাগল রাজা বলা হয়? তিনি কি সত্যিই পাগল ছিলেন? কী ছিল তাঁর পাগলামি? শুধু পাগল নয়, বিকৃত ও রক্তলোলুপ বলেও তাঁকে আখ্যায়িত করা হয়। তাঁর দীর্ঘ ২৬ বছরের শাসনকালে যে চারটি কাজেই পরিমাণদর্শিতার পরিচয় দিয়েছেন। মূলত চারটি কারণেই বিন তুঘলককে এইসব বিশেষণে ভূষিত করা হয়েছে– (১) রাজ্যজয়ের পরিকল্পনা, (২) দেবগিরিতে রাজধানী স্থানান্তরকরণ, (৩) দোয়াব এলাকায় করভার স্থাপন এবং (৪) তাম্রমুদ্রার প্রচলন। এগুলির মধ্যে কতটা পাগলামি ছিল মোহম্মদ বিন তুঘলকের?

    ‘পাগলা রাজা’— এমন বললে তো বহু শাসকেই এসব বিশেষণে ভূষিত করা যায়। যেমন পশ্চিমবঙ্গে মুখমন্ত্রী জ্যোতি বসুর প্রাথমিকে ইংরেজি ভাষা তুলে দিয়ে তেরো বছর পর পুনরায় তা ফিরিয়ে আনা, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মন্ত্রীসভায় আলোচনা না-করে কালো টাকা ও জাল টাকা ধরার নামে অত্যন্ত গোপনে বিমুদ্রাকরণ চালু করে দেশের কোটি কোটি সাধারণ মানুষকে প্রতিদিন লাইনে দাঁড় করিয়ে দেওয়া ইত্যাদি। এগুলি কি ‘তুঘলকি’ নয়? বিন তুঘলকের কাজের বিশ্লেষণ আল্লামা গোলাম আহমাদ মোর্তাজার পর্যবেক্ষণে দেখতে পারি। কতটা যৌক্তিকতা আছে, তা অনুধাবন করার দায়িত্ব আপনাদের উপর ছেড়ে দিলাম।

    (১) রাজ্যজয়ের পরিকল্পনা : বিন তুঘলক খোরাসান দখল তথা জয়ের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। প্রস্তুতি হিসাবে তিনি প্রায় ৩,৭০,০০০ সৈন্য সংগ্রহ করেছিলেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে মোহম্মদ বিন তুঘলক সেই সিদ্ধান্ত বাতিল করেন। ঐতিহাসিক জিয়াউদ্দিন বারনির মতে, এই সিদ্ধান্ত বাতিল আসলে বিন তুঘলকের অদূরদর্শিতার অভাব। সত্যিই কি অদূরদর্শিতার অভাব ছিল? সিদ্ধান্ত বাতিলের প্রকৃত কারণ ছিল –যে সময় বিন তুঘলক খোরাসান অভিযানের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন, তখন পারস্য ও মিশরের মধ্যে সম্পর্ক খুবই খারাপ, ছিল উভয়পক্ষের মধ্যে চরম মনোমালিন্য। কিন্তু পরিকল্পনার মাঝেই পারস্য ও মিশরের মধ্যে হৃদ্যতা গড়ে ওঠে। সৈন্য সংগ্রহ করতে গিয়ে প্রচুর রাজস্ব অপচয় হলেও এমতাবস্থায় যুদ্ধ থেকে বিরত থাকাই মোহম্মদ বিন তুঘলক সমীচীন মনে করেছিলেন। রাজস্ব নষ্ট হলেও প্রচুর রক্তপাত হওয়া থেকে বিরত থাকা বিন তুঘলকের শান্তিকামী মানসিকতারই পরিচয় পাওয়া যায়। শুধুই কি রাজস্বের অপচয়? মোটেই না। যুদ্ধের প্রস্তুতি হিসাবে যে অনভিজ্ঞ প্রজাদের দক্ষ সৈনিক তৈরি করতে করেছিলেন। এই লাভটাকে তো ফেলে দেওয়া যায় না।

    বলা হয় মোহম্মদ বিন তুঘলক চিন অভিযান করেছিলেন। বাস্তবিক বিন তুঘলকের চিন অভিযানের কোনো নথি পাওয়া যায় না। তিনি স্বপ্নেও কোনোদিন চিন অভিযানের কথা ভাবেননি। যে অভিযান তিনি করেছিলেন, সেটা হল। চিন-ভারত সীমান্তে কারাচল ও কুর্মাচল অঞ্চলে। এই অভিযানের ফলে কারাচলের রাজা বিন তুঘলকের সান্নিধ্য স্বীকার করেন।

    (২) দেবগিরিতে রাজধানী স্থানান্তরকরণ : দিল্লি থেকে দেবগিরিতে রাজধানী স্থানান্তরের ঘটনাটি মোহম্মদ বিন তুঘলককে সবচেয়ে বেশি কলঙ্কিত করেছে। বলা হয়েছে, দিল্লির জনসাধারণদের শাস্তি দেওয়ার জন্যই সুলতানের মাথায় এহেন কুটবুদ্ধি এসেছিল। এর ফলে প্রচুর অসহায় মানুষ দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে না-পেরে মৃত্যুমুখে ঢলে পড়েছিল, অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। এ কাহিনি ভিত্তিহীন, সত্যের অপলাপ। পিতা গিয়াসুদ্দিন তুঘলকের শাসনকালে বরঙ্গল অভিযানে নিযুক্ত থাকার সময় তিনি বুঝতে পারেন এখানে কিছু জটিলতা আছে। পিতার মৃত্যুর পর সিংহাসন লাভ করে মোহম্মদ বিন তুঘলক দাক্ষিণাত্যের জটিলতাকে মুক্ত করতে দেবগিরির দৌলতাবাদে একটি রাজধানী গড়ে তোলার কথা ভেবেছিলেন। দাক্ষিণাত্যের শাসনকার্য যথাযথভাবে পরিচালনার সুবিধার্থে অপেক্ষাকৃত মধ্যবর্তী ও অধিকতর নিকটবর্তী অঞ্চল ছিল দৌলতাবাদ। দিল্লিতে বসে যেটা ছিল একেবারেই অসম্ভব। তাছাড়া দিল্লি ভারত সীমান্তের কাছাকাছি হওয়ায় মোঙ্গলদের আক্রমণের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়ে গিয়েছিল। রাজধানী স্থানান্তর প্রসঙ্গে ইবনে বতুতা তাঁর ভারতভ্রমণে লিখেছেন— দিল্লিবাসীদের তল্পিতল্পা নিয়ে ৭০০ মাইল পথ অতিক্রম করে দৌলতাবাদ যেতে বাধ্য করেছিলেন। পথে অনেক শিশুবৃদ্ধবৃদ্ধা মৃত্যুবরণ করেন। ফলে দিল্লি মরুভূমিতে পরিণত হয়। ইবনে বতুতা প্রত্যক্ষদর্শী নন। তাই আষাঢ়ে গল্প ফেঁদে রেখেছেন। সমসাময়িক লিপিতে এ ধরনের কাহিনির কোনো সমর্থন মেলে না। সুলতান কখনোই প্রজাদের দিল্লি ত্যাগ করতে বাধ্য করেননি। কেনই-বা বাধ্য করতে যাবেন অনর্থক? ব্রিটিশরাও তো রাজধানী কলকাতা থেকে সরিয়ে দিল্লি নিয়ে গিয়েছিল। কলকাতাবাসীদের কি দিল্লি যেতে বাধ্য করেছিল? ব্রিটিশের কলকাতা যেমন রাজধানীর মর্যাদা হারায়নি, ঠিক তেমনি দিল্লিও সেসময় রাজধানীর মর্যাদা হারায়নি। কারণ মোহম্মদ বিন তুঘলক রাজধানী স্থানান্তর করেছিল বলা হলেও তিনি মোটেই রাজধানী স্থানান্তর করেননি। দিল্লি যেমন রাজধানী ছিল তেমনই ছিল। দাক্ষিণাত্যে শাসনকার্যের সুবিধার জন্য দৌলতাবাদে দ্বিতীয় একটি রাজধানী স্থাপন করেছিলেন। যেমন কাশ্মীরের শীতকালীন ও গ্রীষ্মকালীন দুটি পৃথক রাজধানী আছে। সব মানুষকে যদি সত্যিই দিল্লি থেকে সরিয়ে দৌলতাবাদে যেতে বাধ্য করাত, তাহলে ১৩২৯ সালে মুলতানে যে বিদ্রোহ ঘোষিত হয়েছিল, তার মোকাবিলা সম্ভব হত না। তবে দিল্লি থেকে দিল্লিবাসীদের দৌলতাবাদে কারোকেই পাঠাননি, তা কিন্তু নয়। সে সময় দাক্ষিণাত্যের মুসলমান সম্প্রদায়ের ধর্মবিমুখ হয়ে অত্যাচারী সম্প্রদায়ে পরিণত হয়ে গিয়েছিল। তাঁদেরকে আলোর পথে ফিরিয়ে আনার জন্য দিল্লি থেকে শুধুমাত্র একদল ধর্মপ্রাণ মুসলমানদেরকেই দৌলতাবাদে পাঠান হয়েছিল। এই হল প্রকৃত ঘটনা। এখন প্রশ্ন উঠতেই পারে, ইবনে বতুতা কেন খামোকা মিথ্যাবর্ণন করতে যাবেন? অকারণে তো তিনি এই মিথ্যাচারগুলি করেননি, তার পিছনেও কাহিনি আছে। ১৩৩৩ সালে ইবনে বতুতা ভারতবর্ষে আসেন। আসার পর তিনি বিন তুঘলক দ্বারা প্রধান কাজী (Chief Justice) হিসাবে নিযুক্ত হন। এ সময়কালে তিনি এক অমার্জনীয় কাজ করে বসেন। সুলতান হিসাবে সেই বিচার মোহম্মদ বিন তুঘলককেই করতে হয়। বিচারে ইবনে বতুতা কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। সুলতানের কাছ থেকে এ ধরনের শাস্তি পেয়ে ইবনে বতুতা যারপরনাই অপমানিত হয়েছিলেন। সেই অপমানের ছাপ তাঁর লেখাতেও পড়বে, এতে আশ্চর্যের কী আছে। এখনকার দিনে ললিত মোদি, বিজয় মাল্যরা যেমন হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার মতো অপরাধ করেও বিচারব্যবস্থা ও রাষ্ট্রনায়কের হাত থেকে রেহাই পেয়ে যায়, তখনকার অপরাধ করে রেহাই পাওয়া মোটেই সহজলভ্য ছিল না। তাছাড়া ইবনে বতুতা, হিউয়েন সাঙ, ফা-হিয়েনের মতো পরিব্রাজকরা তাঁদের রচনায় অলীক ও অলৌকিক জনশ্রুতিকেই সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন। সেগুলি মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। তা সত্ত্বেও ইবনে বতুতা, হিউয়েন সাঙ, ফা-হিয়েনদের রচিত বিবরণগুলি একেবারেই ফেলে দেওয়া যায় না। এদের বিবরণ থেকে প্রচুর ঐতিহাসিক উপাদান পাওয়া যায়। শুধু প্রাজ্ঞতা দিয়ে দুধ আর জলকে আলাদা করে নিলেই হল।

    (৩) দোয়াব এলাকায় করভার স্থাপন : সুলতান মোহম্মদ বিন তুঘলকের বিরুদ্ধে মোক্ষম অভিযোগ, দোয়াব অঞ্চলে তিনি দশ থেকে কুড়ি গুণ কর বৃদ্ধি করেছিলেন। কৃষক শ্রেণির উপর নিষ্ঠুর অত্যাচার চালিয়েছিলেন। এর ফলে রায়ত শ্রেণিকে ভিক্ষাবৃত্তি পর্যন্ত করতে হয়েছিল। এটাকে অভিযোগ না-বলে অপবাদ বলাই শ্রেয়। ইতিহাস ঘেঁটে যে পৃকত সত্য বেরিয়ে আসে, তা হল –খিলজি বংশের পতনের পর অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলার কারণে দোয়াব অঞ্চল বহু বছর যাবতীয় কর অনাদায়ী হয়ে পড়েছিল। সেই বকেয়া কর আদায় করতে আলাউদ্দিন খিলজির নির্ধারিত হারের অপেক্ষা কম হারে কর একসঙ্গে আদায় করা হয়। নিয়ম অনুসারে রাষ্ট্রের কোনো করই বকেয়া থাকতে পারে না। প্রজা বা নাগরিককে সব বকেয়া করই পরিশোধ করতে হবে। এ নিয়ম কেবলমাত্র মোহম্মদ বিন তুঘলকের শাসনামলেই নয়, আধুনিক ভারতেও কর বকেয়া রাখা যায় না। সবই পরিশোধ করতে হয়। সে পৌরসভার ট্যাক্সই হোক কিংবা বিএলআরও অফিসের খাজনাই হোক। কর বা রাজস্ব অনাদায়ী হয়ে থাকলে রাষ্ট্র পরিচালনা করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। এর উপর বিন তুঘলকের শাসনামলে দোয়াবে পরপর সাত বছর অনাবৃষ্টি হওয়ার ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে, দুর্ভিক্ষ লেগে যায়। প্রায় এক যুগ ব্যাপী এই ভয়ংকর দুর্ভিক্ষ স্থায়ীত্ব লাভ করেছিল। ক্ষুধার জ্বালায় প্রজারাও বিদ্রোহী হয়ে উঠেছিল। এমতাবস্থায় তিনি উইনস্টোন চার্চিলের মতো বলেননি, “আমি ভারতীয়দের ঘেন্না করি। ওদের যেমন জানোয়ারের মতো জীবন তেমন জানোয়ারের মতো ধর্ম। খরগোশের মতো এত সন্তান উৎপাদন করলে দুর্ভিক্ষ তো হবেই।” দিল্লির সরকার যখন পরিস্থিতির গুরুত্ব সংবলিত দুর্দশার বিস্তারিত চিত্র ও মৃত্যুর পরিসংখ্যান টেলিগ্রাম করে তাঁর কাছে পাঠানো হয়। টেলিগ্রাম দেখে চার্চিলের সংক্ষিপ্ত উত্তর— “তাহলে গান্ধি এখনও মরেনি কেন?” পঞ্চাশের মন্বন্তরে (বাংলা ১৩৫০, ইংরেজি ১৯৪৩) মারা গিয়েছিল প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ। কোথাও সংখ্যাটা ৫০ লক্ষের বেশি। তবে সরকারি হিসাবে বলা হয়েছিল ১৫ লক্ষ। কোনো ধরনের যুদ্ধ কোনো বুলেট-কার্তুজ ছাড়াই ৩০ লক্ষাধিক মানুষের প্রাণ অকাতরের ঝরে যায়, সেটা শিউরে ওঠার মতোই ব্যাপার। এই মৃত্যুমিছিলের জন্য সরাসরি দায়ী ছিলেন চার্চিল। সেই বিভীষিকাময় দুর্ভিক্ষে মর্মন্তুদ প্রসঙ্গ বিস্তারিত আলোচনা করব অন্য অধ্যায়ে। প্রসঙ্গে আসা যাক। সুলতান মোহম্মদ বিন তুঘলক কিন্তু তাঁর শাসনামলে দুর্ভিক্ষের সময়ে নীরব দর্শকের ভূমিকায় ছিলেন না। তিনি দুর্ভিক্ষপীড়িত প্রজাদের খাদ্য দান, ঋণ দান, কূপ খনন, চাষের বীজ ইত্যাদির ব্যবস্থা করেছিলেন। তিনি কর অবশ্যই নিয়েছিলেন এবং সেটা নির্ধারিত হারের চেয়ে কম, যা পূর্বারোপিত করের পুনঃপ্রবর্তনমাত্র।

    (৪) তাম্রমুদ্রার প্রচলন : সুলতানের সময়ে ভারতে স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার ছিল। সুলতান স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার পরিবর্তে তাম্র বা তামার মুদ্রার প্রচলন করেছিলেন। এটাকে অবশ্যই তাঁর আমলে মুদ্রা সংস্কার। পুরোনো মুদ্রার বদলে নতুন মুদ্রার প্রচলন। আধুনিক পৃথিবীতে সেটাই ডিমানিটাইজেশন বা বিমুদ্রাকরণ। ২০১৬ সালে এমনই এক ডিমানিটাইজেশন হয়েছিল ভারতে। বাতিল হল ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট। খোলা বাজারে টাকার আকাল নেমে এল অকালে। সে এক অস্থির অবস্থা সারা ভারত জুড়ে। উদ্দেশ্য নিয়ে বিতর্কও কম হয়নি। যাই হোক, মোহম্মদ বিন তুঘলকের শাসনামলে রুপোর পরিমাণ ও সরবরাহ কমে যাওয়ায় তিনি রুপোর পরিবর্তে তামার মুদ্রার প্রচলন করতে চেয়েছিলেন। অবশ্য লোকে যাতে মুদ্রা নকল বা জাল করতে না-পারে তার জন্য কোনো ব্যবস্থা নেননি। ফলে জাল মুদ্রায় বাজার ছেয়ে গিয়েছিল। তবে তিনি দ্রুত এই সংকট কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছিলেন। কেউ কেউ বলেন তিনি পূর্বসূরীদের চেয়েও অনেক বেশি মুদ্রা বাজারে ছাড়েন। তাঁর চালুকৃত স্বর্ণমুদ্রাগুলি ওজনে অন্যান্য মুদ্রার চেয়ে অনেক ভারী ছিল আরবি হরফের ক্যালিগ্রাফি সংযুক্ত ছিল। কিন্তু চালুর সাত বছরের মধ্যে জনগণের কাছে এই মুদ্রার অগ্রহণযোগ্যতার জন্য তুলে নিতে বাধ্য হন। মোহম্মদ বিন তুঘলক কাগজে ছাপা নোটও চালু করার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু কিছু প্রভাবশালী প্রজা এবং কয়েকজন সভাসদের বিরোধিতার মুখে তিনি এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে নেন। কোনো কোনো ঐতিহাসিক লিখেছেন– সুলতানের অপরিমিত উদারতা, দুর্ভিক্ষ, রাজধানী স্থানান্তরকরণজনিত ব্যয়ভার এবং দিল্লিতে পুনর্বাসনের ব্যয়ের ফলে রাজকোশ প্রায় শূন্য হয়ে পড়লে সেই সমস্যা সমাধানের জন্যই তামার মুদ্রার প্রচলন করেন। যদি তাইই হয়, তাহলে কয়েক মাসের মধ্যেই স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার বিনিময়ে তাম্র মুদ্রা ফিরিয়ে নিতে সক্ষম হলেন কীভাবে? একজন শাসক সব পরিকল্পনাই সফল হবে, এমন তো হয় না। অসফল হতেই পারে। সেখান থেকে অতি দ্রুত সংকট কাটিয়ে ওঠাটাই বড়ো কথা। সেই কাজে বিন তুঘলক চূড়ান্তভাবে সফল। সেই কারণেই ঐতিহাসিক টমাস ‘Prince of Moneyers’ বা ‘তঙ্কা নির্মাতার রাজা’ বলে অভিহিত করেছিলেন। তিনি লিখেছিলেন –“তাঁর প্রবর্তিত মুদ্রা নতুনত্ব এবং গঠন-বৈচিত্র্যের দিক থেকে দৃষ্টান্তস্বরূপ। নমুনা এবং কার্যকারিতার দিক দিয়ে দৃষ্টান্তস্বরূপ। এই মুদ্রার শিল্পসম্মত পরিপূর্ণতা প্রশংসনীয়।”

    সুলতান মোহম্মদ বিন তুঘলককে যতই ‘পাগল-ছাগল’ বলে অভিহিত করা হোক না-কেন, তিনি ছিলেন যুগোত্তীর্ণ পণ্ডিত। তিনি একাধারে প্রতিভাশালী ও আদর্শ শাসক, উন্নত চরিত্রের মানুষ, অতুলনীয় বক্তা এবং দাতা। তর্কশাস্ত্র, গণিত, দর্শন, স্বাস্থ্যবিজ্ঞানে তাঁর অগাধ পাণ্ডিত্য ছিল। মোহম্মদ বিন তুঘলকের ধর্মনীতি ছিল উদারপন্থী। তাঁর শাসনকালে হিন্দু, মুসলিম এবং অন্যান্য ধর্মের লোকেরা নির্বিঘ্নেই বসবাস করতেন। হিন্দু ও অন্যান্য ধর্মের প্রসারে তিনি যথেষ্ট পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। ডঃ ঈশ্বরীপ্রসাদ দ্ব্যর্থহীনভাবে লিখেছেন– “Muhammad Tughlak was unquestionably the ablest man among he crowned heads of the Middle ages.” এটাই রক্ষে, মোহম্মদ বিন তুঘলকে বিরুদ্ধে হিন্দুদের কচুকাটা করা, হাজার হাজার মন্দির ধ্বংস করা, জোর করে ইসলাম ধর্মে হিন্দুদের টেনে টানার মতো ভয়ংকর অভিযোগগুলি আনা হয়নি। ঐতিহাসিকরা তাঁকে ‘পাগল’ বলেই ক্ষান্ত হয়েছেন।

    মোহম্মদ বিন তুঘলকের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিগ্রহের বিশেষ পাওয়া না-গেলেও ১৩৫১ সালে বর্তমান পাকিস্তানের সিন্ধু রাজ্যের ঠাট্টা অঞ্চলে সুমরু গোষ্ঠীর সঙ্গে যুদ্ধে মৃত্যুবরণ করেন। দক্ষ যোদ্ধা হিসাবে তাঁর কোনো পরিচয় পাওয়া যায় না। তাঁর রাজত্বকালেই দাক্ষিণাত্যের মালভূমি অঞ্চল তাঁর রাজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তৎকালীন দক্ষিণ ভারতের কিছু অংশের শাসক প্রলয়ভেমা রেডিড ও মুসুনুরি কাঁপানিডু তাঁদের নিজ নিজ শাসিত অঞ্চল দিল্লির অধীন থেকে মুক্ত রাখতে সক্ষম হয়েছিল। সুলতান মোহম্মদ বিন তুঘলকের আমলে দিল্লির সুলতানি সাম্রাজ্যের সর্বাধিক বিস্তৃতি ঘটে। পূর্বে বাংলা থেকে পশ্চিমে সিন্ধু এবং হিমালয়ের পাদদেশ থেকে দক্ষিণে পাণ্ড্য রাজ্য পর্যন্ত তাঁর সাম্রাজ্য বিস্তৃত ছিল। সুলতান মোহম্মদ বিন তুঘলক সাধারণ সুলতান ছিলেন না। শুধুমাত্র সিংহাসনে বসে রাজ্য শাসন করা তাঁর লক্ষ্য ছিল না। তিনি তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক ধ্যান-ধারণা নিয়ে রাজতন্ত্রকে গঠনের চেষ্টা করেন। মোহম্মদ তাঁর শাসনকালের গোড়ার দিকে খলিফার প্রতি আনুগত্য দেখাননি। কর্মচারী নিয়োগের প্রধান শর্ত ছিল যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্বাচন। বংশ-কৌলিন্যের পরিবর্তে তিনি বুদ্ধি-কৌলিন্য যোগ্যতাকেই গুরুত্ব দেন। ধর্মান্তরিত মুসলিম এবং হিন্দু ধর্মীয় পরিবার থেকে তিনি যোগ্য মানুষদের বাছাই করে উচ্চপদে নিযুক্ত করতেন। মোহম্মদ বিন তুঘলক ধর্মশাস্ত্রে সুপণ্ডিত ছিলেন। এজন্য মৌলানা বা উলেমার তাঁর কাছে ধর্মনীতির ব্যাখ্যা করতে ভয় পেতেন। মোহম্মদ চিরাচরিত শরিয়তি অনুজ্ঞার পরিবর্তে তাঁর যুক্তিবাদকে প্রাধান্য দিতেন। এই কারণে ধর্মীয় আইন ও প্রথাকে অগ্রাহ্য করে তিনি যুক্তির বিচারকে শ্রেষ্ঠত্ব দেন। মালিক ও উলেমারা যতই তাঁর বিরোধিতা করেন মোহম্মদ ততই কঠোর হাতে তাঁদের দমন করেন।

    মোহম্মদ তুঘলকের আমলে মুসলিম ধর্মনেতারা দুটি সম্প্রদায়ে বিভক্ত ছিলেন। যেমন– মৌলবাদী এবং গোঁড়া উলেমা সম্প্রদায়। এঁরা ইসলামের পুনরুজ্জীবনের জন্য রাজশক্তিকে ইসলামের বাহন হিসাবে ব্যবহার করতে চাইতেন। সুফি মতাবলম্বী, ভাববাদী মরমিয়া সম্প্রদায় ধর্মকে রাষ্ট্র থেকে পৃথক রাখতে চাইতেন। সুলতান মোহম্মদ এই দুই সম্প্রদায়কে সমদূরত্বে রেখে একটি মধ্যপন্থা নিয়ে চলতেন। এজন্য তিনি যুক্তিবাদের আশ্রয় নেন। বরনির মতো মৌলবাদী লেখকদের চোখে মোহম্মদ বিন তুঘলকের যুক্তিবাদ ছিল বিধর্মিতার সামিল। কিন্তু মোহম্মদ কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করেননি। তিনি ধর্মসহিষ্ণুতার আদর্শকে সামনে রেখেই শাসনকার্য চালিয়ে গেছেন। আলাউদ্দিনের মতোই তিনি বুঝেছিলেন যে, ভারতের সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু ও ধর্মান্তরিত মুসলিমদের অগ্রাহ্য করা যুক্তিযুক্ত হবে না। সেই কারণে তিনি হিন্দুদের ধর্মবিশ্বাস ও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে হস্তক্ষেপ করতেন না। হিন্দু যোগী ও জৈন সাধুরা নির্ভয়ে তাঁর রাজ্যে বসবাস করতে পারতেন। তিনি তাঁদের ধর্মীয় তত্ত্বের ব্যাখ্যাবিচার শুনতেন। দাক্ষিণাত্য যুদ্ধের কারণে হিন্দু মন্দির ধ্বংস হলে তিনি পুনর্নির্মাণ করে দেন।

    তবে মোহম্মদ বিন তুঘলক তাঁর রাজত্বের শেষদিকে এসে গোঁড়া ও প্রতিক্রিয়াশীলদের বিদ্রোহ ও চক্রান্তে হতাশ হয়ে তাঁর যুক্তিবাদী নীতির পরিবর্তে আপোস নীতি নিয়ে নেন। তিনি বিশ্বাস করতে শুরু করলেন যে, মৌলবাদীদের এবং প্রতিক্রিয়াশীলদের বিরোধিতার ফলেই তাঁকে নিত্য বিদ্রোহের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। অতএব তিনি হঠাৎ নীতি বদল করে খলিফাঁকেই তাঁর প্রভু বলে স্বীকৃতি জানান। বিনিময়ে তিনি আশা করেন, এর ফলে গোঁড়া ও মৌলবাদীরা শান্ত হবে এবং তাঁর সিংহাসনের ন্যায্যতা স্বীকার করবেন। কিন্তু তাঁর এই আশা সম্পূর্ণভবে ধূলিস্যাৎ হয়ে যায়।

    তিনি ধর্মপ্রাণ হলেও ধর্মগুরু ও উলেমাদের নির্যাতন করতেন। তিনি অসাধারণ পণ্ডিত হলেও নিষ্ঠুর ছিলেন। ইবন বতুতার মতে, তাঁর প্রাসাদ থেকে প্রতিদিন কোনো-না-কোনো ব্যক্তি পুরস্কৃত হতেন, আবার কোনো-না-কোনো ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হত। বস্তুত সুলতান মোহম্মদের ধর্ম ও রাজ্য শাসন নীতির উজ্জ্বল দিকও ছিল। তিনি নিজে নিষ্ঠাবান হলেও রাজ্যশাসনের ক্ষেত্রে উলেমাদের হস্তক্ষেপ ঘটতে দেননি। তাঁর রাজত্বকালে হিন্দুরা নিরাপদ ছিল। তিনি নগরকোট আক্রমণ করলেও জ্বালামুখীর বিখ্যাত হিন্দুমন্দির ধ্বংস করেননি। তিনি ধর্মপ্রাণ হলেও মোহম্মদ বিন কাসেম কিংবা মোহম্মদ ঘুরীদের মতো ধর্ম-সন্ত্রাসী ছিলেন না। তিনি তবলিগের সমর্থক ছিলেন এবং সংস্কৃত ভাষায় পণ্ডিতও ছিলেন। তিনিই প্রথম হিন্দুদের বর্বরোচিত প্রথা সতীদাহ নিষিদ্ধ করার কথা ভেবেছিলেন। তবে ভাবলেও শেষপর্যন্ত তাঁর সেই ভাবনাকে বাস্তবায়িত করেননি। কারণ পাছে হিন্দুধর্মে বিরোধিতা বা হস্তক্ষেপ হয়ে যায়! মোহম্মদ বিন তুঘলক তাঁর হিন্দু ও মুসলিম প্রজাবৃন্দের এক মিলন ঐক্য গড়ে তুলে মূল ইতিহাসে চির অমর ও অক্ষয় হয়ে আছেন। মোহম্মদ বিন তুঘলক ইতিহাসের পাতায় প্রথম শাসক, যিনি বিধর্মী তথা হিন্দুদের উপর হামলা করেননি। বিধর্মীদের তলোয়ার দেখিয়ে ধর্মান্তরিত করে মুসলিমের সংখ্যা বাড়াতে চাননি। মোহম্মদকে ‘খামখেয়ালি’ বা ‘উন্মাদ’ বলে যতটা-না ইতিহাস কুখ্যাত করেছে ততটা এই দিকটা নিয়ে একেবারই আলোকিত করা হয়নি। এটা খুবই দুঃখজনক।

    মোহম্মদ বিন তুঘলকের পরে সুলতান ফিরোজ শাহ তুঘলক, সুলতান গিয়াসউদ্দিন তুঘলক শাহ, সুলতান আবু বকর শাহ, সুলতান মোহাম্মদ শাহ, সুলতান আলাউদ্দিন সিকান্দার শাহ, সুলতান নাসিরুদ্দিন মোহাম্মদ শাহ তুঘলক, সুলতান নাসিরুদ্দিন নুসরাত শাহ তুঘলক প্রমুখ শাসকদের শাসন চললেও ইতিহাসে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য ঠাঁই হয়নি। কেন ঠাঁই হয়নি, সেটা অনুধাবনযোগ্য।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহায়রোগ্লিফের দেশে – অনির্বাণ ঘোষ
    Next Article গণিকা-দর্শন – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }