Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভারতে ইসলাম ভারতীয় মুসলিম – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প1287 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.২ এক হাতে তলোয়ার, অন্য হাতে কোরান

    ০২. এক হাতে তলোয়ার, অন্য হাতে কোরান

    “এক হাতে শাস্ত্র অন্য হাতে শস্ত্র” কিংবা “এক হাতে তলোয়ার অন্য হাতে কোরান”– এই লবজলি গোলাম আহমেদ মুর্তাজা মানেন না। তিনি তাঁর ‘বাজেয়াপ্ত ইতিহাস’ এবং ইতিহাসের ইতিহাস’ এই দুটি গ্রন্থেই বলেছেন –“এক হাতে তলওয়ার অন্য হাতে কোরআন, হয় মুসলমান হও নতুবা মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত হও, এটা ইসলাম ধর্মে আছে বলে যাঁরা লিখেছেন এবং শেখাচ্ছেন তাঁরা সত্যবাদী নন। যদি মেনেই নেওয়া যায় ইসলাম ধর্মে তাই আছে, আর আলমগির বা আওরঙ্গজেব কোরআন বর্ণে বর্ণে মানতেন তাহলে পঞ্চাশ বছর রাজত্ব করার পর ইসলামি প্রশাসনে ভারতে একটিও হিন্দু থাকা সম্ভব কি? … বাবরের শাসনকাল থেকে আজ পর্যন্ত ভারতের ইতিহাসে কখন কোন্ বছরে মুসলমানদের অত্যাচারে হিন্দুর সংখ্যা কমে গিয়েছিল আর মুসলমানের সংখ্যা বেশি হয়েছিল? মনে রাখা উচিত, আওরঙ্গজেবের প্রধান সেনাপতি হিন্দু ছিলেন। তা ছাড়া বড়ো বড়ো সেনাপতি যাঁদের হাতের ইঙ্গিতে হাজার হাজার সৈন্য প্রাণ দেবার জন্য প্রস্তুত থাকত তাঁরা কি অমুসলমান ছিলেন না? … মন্দির ভাঙ্গা যদি ইসলামী নীতি হয় তিনি যদি ইসলামের কথা বর্ণে বর্ণে মেনে চলার লোক হন তাহলে ভারতে একটি মন্দিরেরও অস্তিত্ব থাকা কি সম্ভব ছিল?” মুর্তাজা দুটি প্রশ্ন ছুঁড়েছেন। (১) আটশো বছর রাজত্ব করার পর ইসলামি প্রশাসনে ভারতে একটিও হিন্দু থাকা সম্ভব? (২) মন্দির ভাঙা যদি ইসলামী নীতি হয় তিনি যদি ইসলামের কথা বর্ণে বর্ণে মেনে চলার লোক হন তাহলে ভারতে একটি মন্দিরেরও অস্তিত্ব থাকা কি সম্ভব? (৩) আওরঙ্গজেবের প্রধান সেনাপতি হিন্দু ছিলেন। তা ছাড়া বড়ো বড়ো সেনাপতি যাঁদের হাতের ইঙ্গিতে হাজার হাজার সৈন্য প্রাণ দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকত তাঁরা অমুসলমান ছিলেন।

    প্রথম প্রশ্নের উত্তর –ভারতীয় উপমহাদেশে এত কোটি কোটি মুসলমান এলো কোত্থেকে? আকাশ থেকে পড়েছে, নাকি আরব দেশ থেকে এসেছে? হয় হিন্দু, নয় বৌদ্ধ, নয় শিখেরা ধর্মান্তরিত হয়ে আজকের ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলমান। তবে সবাই মৃত্যুর ভয়ে অত্যাচারের ভয়ে মুসলিম ধর্মগ্রহণ করেছেন একথা বলা যায় না। তাহলে কেন ভারতের আদিবাসীরা দলে দলে ইসলাম ধর্মে চলে গেলেন সে বিষয়ে পরে বিস্তারিত আলোচনা করব।

    অনেকে বলে থাকেন ভারত ‘ইসলাম রাষ্ট্র হতে হতেও হতে পারেনি। এটা কি মুসলিমদের চরম ব্যর্থতা? হিন্দু সম্প্রদায় ও ব্রিটিশদের সাফল্য? সেই অতৃপ্ত আত্মা কি পাকিস্তান বানিয়ে খুশি থাকল? তবে বৈরিতাটা কিন্তু রয়েই গেছে। সকলেই ইসলাম ধর্মে আকৃষ্ট হয়ে নিজধর্ম ত্যাগ করে মুসলিম হয়েছেন একথা সর্বৈব বিশ্বাসযোগ্য নয়। হিন্দুধর্মের প্রতি ঘৃণা থেকেও এক শ্রেণির মানুষ ইসলামে এসেছে। যেমনভাবে বৌদ্ধধর্মে ও খ্রিস্টধর্মে এসেছে। পরের কোনো অধ্যায়ে এ ব্যাপারে বিস্তারিত লেখার ইচ্ছা রইল।

    দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর –প্রচুর মন্দির ভাঙা হয়েছে। মন্দির ভেঙে মসজিদ বা বিভিন্ন সৌধ হয়েছে। মূর্তিও ভেঙেছে প্রচুর। তবে মন্দির ভাঙার পিছনে যত-না কাফেরদের নিকেশ করা ছিল, তার চেয়ে বেশি ছিল ধনসম্পদ লুঠ করা। সে সময় ধর্নাঢ্য ব্রাহ্মণ ও হিন্দু রাজারা প্রচুর ধনসম্পদ মন্দিরগুলোতে গচ্ছিত রাখতেন নিরাপত্তার জন্য। কিন্তু লুঠেরাদের কাছে সে তথ্য গোপন থাকত না। সেই সম্পদের শেয়ার পাওয়ার জন্য এদেশে বিভীষণেরও অভাব ছিল না। সুলতান মামুদ সোমনাথ মন্দির লুঠ করেছিলেন অনেকবার। দেবতার মূর্তি ধ্বংসের জন্য নয়, ধনরত্ন লুঠ করার জন্য সোমনাথ মন্দির তছনছ করেছে মামুদ। মুসলমান মামুদকে এসব লুঠপাটে সাহায্য করেন লাহোরের হিন্দুরাজা আনন্দপাল। সুলতান মামুদের হয়ে যারা সোমনাথ মন্দির ধ্বংস করেছিল তাঁদের অর্ধেকই ছিল হিন্দু– ছিল বারোজন হিন্দু সেনাপতি, এঁদের মধ্যে আবার দুজন ছিলেন বিশুদ্ধ ব্রাহ্মণ। অর্থাৎ সোমনাথ মন্দির ধ্বংসকার্যে যে হিন্দুদেরও যথেষ্ট অবদান ছিল সে কথা ভুললে গৌরব থাকে! হিন্দু ঐতিহাসিক কলহনের ‘রাজতরঙ্গিনী’ পড়ে দেখতে পারেন। সেখানে আনন্দপালের কীর্তির কথা স্বর্ণাক্ষরে বর্ণিত আছে। আবার দেখুন– পুরীর জগন্নাথ মন্দির কোন্ ধর্মের মন্দির ছিল? হিন্দু জাগরণ নেতা স্বামী বিবেকানন্দ বলেন –ওটা ছিল একসময় প্রাচীন বৌদ্ধমন্দির। … আমরা, হিন্দুরা তা দখল করেছি।… উই শ্যাল হ্যাভ টু ডু মেনি থিঙ্কস লাইক দ্যাট ইয়েট।… হিন্দু ব্রাহ্মণ নয়, বৌদ্ধ লামারাই পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের দায়িত্বে ছিলেন।

    যতই বারবার বলুন মুসলমান শাসনকালে সব মুসলমানরা হিন্দুদের মন্দিরগুলি ধ্বংস করেছে, তাহলে তা যাচাই করা প্রয়োজন। কবে, কারা, কেন মন্দিরগুলি ভেঙেছিল সেটাও জানা প্রয়োজন। মন্দিরগুলি যে সবসময় ধর্মবৈষম্যের কারণে ভাঙা হয়েছে, তা কিন্তু নয়। বুঝতে হবে ভারতে সে সময় মন্দিরগুলি ছিল সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের ক্ষেত্র। সেসময় মন্দির ছিল রাজবিদ্রোহীদের যোগাযোগস্থল এবং আশ্রয়স্থল। সেই শক্তি ধুলোয় গুঁড়িয়ে দিতেই এই মন্দির ধ্বংসের অভিযান চলত। তা সে হিন্দু রাজাই হোক কিংবা মুসলমান সুলতান, উদ্দেশ্য একই –মন্দির আক্রমণ এবং ধ্বংস। রাজনৈতিক এবং সামরিক কারণে শিখদের অমৃতসরে অবস্থিত। স্বর্ণমন্দিরও আক্রমণ হয়েছিল, মন্দির ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। আক্রমণের কারণ এই মন্দিরে ভিন্দ্রেনওয়ালা ও সন্ত্রাসবাদী উগ্রপন্থীরা আশ্রয় নিয়েছিল, ভয়ানক সব অস্ত্রশস্ত্র মজুত ছিল। ওই আক্রমণটি না-করলে খালিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিষদাঁত ভাঙা যেত না! তখন শাসক ছিলেন হিন্দুই, শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধি– এটা ভুলে গেলে চলবে না। তবে এখনও সুযোগ পেলে মন্দির মসজিদ ভাঙা হয়। এখন ভাঙা হয় ভিন্ন কারণে, সেটি হল ধর্মীয় দাদাগিরি –সংখ্যাগুরুর শক্তি প্রদর্শন। সেই শক্তি প্রদর্শনে যেমন বাংলাদেশের সংখ্যাগুরু মুসলমানগণ মন্দির ভাঙেন, মূর্তি ভাঙেন— তেমনই ভারতেও সংখ্যাগুরু হিন্দুবাদীরাও শক্তি প্রদর্শনে নেমে বাবর-ই-মসজিদ গুঁড়িয়ে মাটিতে মিশিয়ে দেন, তাজমহলও ভাঙতে চান। ১৯৯২ সালে তখন শাসক ছিলেন হিন্দুই, দেশের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমান নরসিংহ রাও, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কল্যাণ সিং– এটা ভুলে গেলে চলবে না।

    শৈবরা সেযুগে কত যে জৈনদের, বৌদ্ধদের, বৈষ্ণবদের মন্দির ভেঙেছে তার হিসাবও অনেক। সমুদ্রগুপ্ত, চন্দ্রগুপ্ত, মহেন্দ্র বর্মা, অজাতশত্রু, সুভাত বর্মন, দ্বিতীয় পুলকেশী, কাশ্মীরের রাজা শ্রীহর্ষ, রাজেন্দ্র চোল, পুষ্যমিত্র শুঙ্গ–এইসব ইতিহাস-প্রসিদ্ধ রাজারাও যথেষ্ট মন্দির ধ্বংস করেছেন। কাশ্মীরের রাজা শ্রীহর্ষের কথাই বলা যাক– তাঁর একটা বাহিনীই ছিল মন্দির ধ্বংস করে সেখান থেকে ধনরত্ন সংগ্রহ করা। সেই বাহিনীর নাম ছিল ‘দেববাৎপাটক’। কাশীর মন্দির, অর্থাৎ বিশ্বনাথের মন্দির আওরঙ্গজেব ভেঙেছিলেন –একথা অবশ্যই সত্য। কেন ভেঙেছিলেন তারও একটা ইতিহাস আছে। বাংলা অভিমুখে যাত্রাপথে আওরঙ্গজেব যখন কাশীর কাছ দিয়ে চলে যাচ্ছিলেন। তখন তাঁর অধীনস্থ হিন্দুরাজারা অনুরোধ করেন যদি একদিনের যাত্রাবিরতি ঘটানো যায় তাহলে রাজমহিষীরা গঙ্গাস্নান করে প্রভু বিশ্বনাথকে শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন করতে পারেন। আওরঙ্গজেব সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে যান। কাশী থেকে পাঁচ মাইল দূরে আরঙ্গজেব এক সেনা-শিবির স্থাপন করেছিলেন। মহিযী, অর্থাৎ রানিরা শিবিকারোহণে যাত্রা করলেন। স্নান সেরে পুজো দিয়ে রনির সঙ্গীসাথীরা ফিরে এলেন মন্দিরের বাইরে। ফিরে এলেন না একজন –কচ্ছের মহারানি। আওরঙ্গজেব ক্রুদ্ধ হলেন, রানির খোঁজে ঊর্ধ্বতন কর্মচারীদের পাঠালেন। খুঁজতে খুঁজতে পরে দেখা গেল দেয়াল-সংলগ্ন গণেশ মূর্তিটিকে নড়ানো যায়। ভূগর্ভে যাওয়ার জন্য মূর্তিটি সরিয়ে তাঁরা একাধিক সিঁড়ি দেখতে পেলেন। ভূতল-কক্ষটি ছিল প্রভু বিশ্বনাথের বেদির ঠিক নীচেই। প্রধান মহান্ত কর্তৃক মহারানি ধর্ষিতা হয়েছেন। ক্ষুব্ধ হিন্দুরাজাদের সোচ্চার দাবি মন্দির অপবিত্র, নোংরা হয়ে গেছে, বিগ্রহ সরিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। আওরঙ্গজেবও হিন্দুদের সংগত দাবি মেনে নেন। তাঁর হুকুমমতো বিগ্রহ সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং মন্দির ভেঙে ফেলেন। অন্য এক সংগত কারণে তিনি জামা মসজিদও ভেঙে ফেলার আদেশ দেন। তখনকার রাষ্ট্রনীতিতে প্রয়োজন হলে মন্দির-মসজিদ সবই ভাঙা যেত নির্দ্বিধায়। শাস্তি পেতে হয় মহন্তকেও। আওরঙ্গজেব মন্দির ভেঙে মসজিদ বানিয়েছিলেন এটি একটি অতিরঞ্জিত কাহিনি। ইংরেজরা এক ধর্মনিষ্ঠ ধর্মনিরপেক্ষ সুযোগ্য শাসককে ইতিহাসের ‘ভিলেন’ বানিয়ে ছেড়েছেন। স্বাধীন ভারতেও প্রচুর মন্দির ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছেন হিন্দুশাসকরা, নগরায়নের জন্য।

    যে দেশে কোনো সম্প্রদায় সংখ্যালঘু হলে সংখ্যালঘুদের উপাসনাগৃহ ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে সক্ষম হবে? পাকিস্তান বা বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুরা সংখ্যাগুরু মুসলমানদের মসজিদ ভেঙে দিচ্ছে, এমন ঘটনা ঘটতে পারে? কিংবা ভারতে সংখ্যালঘু মুসলমানরা সংখ্যাগুরু হিন্দুদের মন্দির ভেঙে দিচ্ছে, এমন ঘটনা ঘটতে পারে? না, এমন ঘটতে পারে না। বরং উল্টোটাই ঘটবে এবং ঘটেছে। ১৯৯২ সালে ভারতের সংখ্যাগুরুরা বাবরি মসজিদ ভেঙেছে, উল্টোদিকে প্রতিক্রিয়া হিসাবে বাংলাদেশে ঢাকার ঢাকেশ্বরী মন্দির সহ অন্যান্য মন্দিরে হামলা চালিয়েছিল সংখ্যাগুরুরা। এমনটা প্রথম ঘটেছে তা তো নয়। একদা সংখ্যাগুরু হিন্দুরা সংখ্যালঘু বৌদ্ধদের অসংখ্য মন্দির ভেঙে গুঁড়িয়ে দিয়েছে কিংবা আত্মসাৎ করেছিল। মুসলমান শাসনামলে মুসলিমরা তো সংখ্যালঘুই ছিল। সেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায় সংখ্যাগুরু হিন্দুদের মন্দির ভেঙে ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে, এটা কতটা বাস্তবোচিত হতে পারে? সংখ্যালঘু হিন্দুদের কচুকাটা করে, উপাসনাগৃহ ভেঙে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করে কোনো সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শাসক শত শত বছর রাজত্ব চালিয়ে যেতে পারে?

    যত দোষ নন্দ ঘোষ –মন্দির ধ্বংসকারী মুসলমান। হিন্দুই, তবে তিনি একজন ধর্মান্তরিত মুসলিম, কালাপাহাড় নামে পরিচিত। ধর্ম পরিবর্তনের পূর্বে কালাপাহাড় হিন্দুই ছিলেন। কালাপাহাড়’ ছিলেন বাংলা-বিহারের শাসনকর্তা সুলায়মান খান কররানির এক দুর্ধর্ষ সেনাপতি। তাঁর আসল নাম রাজীবলোচন রায়, মতান্তরে কালাচাঁদ রায়। ডাকনাম রাজু। বাড়ি ছিল রাজশাহির বীরজাওন গ্রামে। তিনি ব্রাহ্মণ পরিবারের সন্তান ছিলেন। তাঁর পিতার নাম ছিল নয়নচাঁদ রায় (ইনি গৌড় বাদশাহের ফৌজদার ছিলেন)। তিনি বিদ্বান ও বুদ্ধিমান ছিলেন। নিয়মিত বিষ্ণু পুজো করতেন। সুলায়মান খান কররানি যখন গৌড়ের শাসক সেসময় তিনি গৌড়ের সেনানীতে যোগদান করেন এবং অতি অল্পকালের মধ্যে যুদ্ধবিদ্যায় পারদর্শিতার পরিচয় দিয়ে সুনজরে। ইতোমধ্যে সুলায়মান খান কররানির কন্যা দুলারি বিবি তাঁর প্রণয়ে পড়লে শর্তসাপেক্ষে ইসলাম ধর্ম অনুসারে সুলেমান কন্যার পাণিগ্রহণ করেন এবং সুলায়মানের প্রধান সেনাপতির পদ অলংকৃত করেন। কিন্তু ইসলাম কন্যা বিবাহের সুবাদে হিন্দুসমাজ থেকে পরিত্যক্ত হয়। অপমান বোধ করেন কালাচাঁদ এবং সেই কারণে প্রতিশোধস্পৃহায় অন্ধ হয়ে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। মোহম্মদ ফর্মুলি নাম ধারণ করে প্রবল হিন্দুবিদ্বেষী হয়ে ওঠেন। আর তখন থেকেই কালাচাঁদ ‘কালাপাহাড়’ নামে পরিচিত হলেন। ১৫৬৮ সালে তিনি পুরীর জগন্নাথ দেবের মন্দির আক্রমণ করেন এবং মন্দির ও বিগ্রহের প্রচুর ক্ষতিসাধন করেন। ১৫৬৪-৬৫ সালে আকবর বাদশাহের সঙ্গে সন্ধি স্থাপন করে ওড়িশার রাজা হরিচন্দন মুকুন্দদেব গৌড় আক্রমণ করে গঙ্গার তীরে অবস্থিত সপ্তগ্রাম বন্দর অধিকার করে নেন। পরে আকবর যখন মেবারের শিশোদীয় রাজাদের সঙ্গে দীর্ঘকাল যুদ্ধে ব্যস্ত ছিলেন সেই অবসরে সুলায়মান খান কররানি ওড়িশা আক্রমণ করেন। মুকুন্দদেব কোটসামা দুর্গে আশ্রয় গ্রহণ করলে সুলায়মান কালাপাহাড়ের অধীনে ময়ূরভঞ্জের অরণ্যসংকুল পথে ওড়িশা আক্রমণ করতে সৈন্য পাঠান। এইসময় মুকুন্দদেব তাঁরই এক বিদ্রোহী সামন্তের হাতে নিহত হন। এর ফলে ওই বিদ্রোহী সামন্ত এবং রঘুভঞ্জ ছোটরায় ওড়িশার সিংহাসন দখল করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু উভয়েই কালাপাহাড় কর্তৃক পরাজিত ও নিহত হয়েছিলেন। কোচরাজ নরনারায়ণ, সুলায়মান খান কররানির রাজত্বকালে গৌড়রাজ্য আক্রমণ করেছিলেন। কিন্তু কালাপাহাড় একাধারে রাজা নরনারায়ণের ভাই এবং সেনাপতি শুক্লধ্বজকে পরাজিত করে আসামের তেজপুর পর্যন্ত অধিকার করে নিয়েছিলেন। এইসময়ে কামাখ্যা ও হাজোর প্রাচীন মন্দিরগুলিতে কালাপাহাড় নির্বিচারে ধ্বংসকাণ্ড চালিয়েছিলেন।

    মুসলিম কন্যা বিবাহের কারণে কালাপাহাড় সমাজচ্যুত হন। মায়ের অনুরোধে কিছুদিন পর তিনি বাংলার ধর্মগুরুদের কাছে প্রায়শ্চিত্তের বিধান চাইলে তাঁরা কোনো বিধান দিতে অস্বীকৃতি জানান। পরে তিনি পুরীর জগন্নাথ দেবের মন্দিরে গিয়ে প্রায়শ্চিত্তের সংকল্প করেন। কিন্তু পুরীর ধর্মগুরুরা তাঁকে এবং তাঁর স্ত্রীকে মন্দিরে প্রবেশ করতে বাধা দেন এবং তাঁর কোনো প্রায়শ্চিত্ত হবে না বলে জানিয়ে দেন। এতে কালাপাহাড় আরও মর্মাহত হন এবং প্রচণ্ড ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাই ওড়িশা অভিযানকালে তিনি ওড়িশার ধর্মগুরু ও ধর্মস্থানের উপর প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ নেন। ১৫৬৭-৬৮ সালে মুকুন্দদেবের বিরুদ্ধে সুলাইমান কররানির পুত্র বায়েজিদ খান কাররানি ও সেনাপতি সিকান্দার উজবেকের যুদ্ধে মুকুন্দদেবের পতন হলে কালাপাহাড় ওড়িশা ও তার নিকটবর্তী অঞ্চলের হিন্দু মন্দিরগুলিতে ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ চালান। পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর করেন এবং মন্দিরের সম্পদ লুণ্ঠন করেন। জানা যায়, কালাপাহাড় জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রার কাঠের প্রতিমা উপড়ে নিয়ে হুগলির তীরে আগুনে পুড়িয়ে দেন।

    মোহম্মদ ফর্মুলি ওরফে কালাপাহাড় ওড়িশার বালেশ্বরের গোপীনাথ মন্দির, ভুবনেশ্বরের কাছে কোনারক মন্দির, মেদিনীপুর, ময়ুরভঞ্জ, কটক ও পুরীর আরও কিছু মন্দিরে ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ চালান। শোনা যায়, কালাপাহাড়ের মন্দির আক্রমণের প্রক্রিয়াটি একটু অভিনব ছিল। তিনি গোরুর চামড়ার বিশাল আকৃতির ঢোল আর পিতলের বড়ো বড়ো ঘণ্টা মন্দিরের ভিতরে ক্রমাগত বাজিয়ে তীব্র অনুরণন তৈরি করার ব্যবস্থা করেছিলেন। সেই অনুরণনের তীব্রতায় প্রতিমাদের হাতগুলি খসে পড়ত। এতে উপস্থিত লোকজন হতভম্ব হয়ে পড়লে প্রতিমা উপড়ে ফেলা হত। কালাপাহাড় মন্দির সমূলে ধ্বংস করার চেয়ে প্রতিমা ধ্বংস ও লুটপাটে বেশি আগ্রহী ছিলেন। মন্দির আক্রমণের শেষ পর্যায়ে কালাপাহাড় সম্বলপুরের মা সম্বলেশ্বরীর মন্দিরে আক্রমণ করতে সম্বলপুরের উপকণ্ঠে মহানদীর তীরে দুর্গাপালীতে উপস্থিত হন। সম্বলেশ্বরী মন্দিরের পূজারীরা মন্দির রক্ষার্থে এক দুঃসাহসী পদক্ষেপ নেন। একজন নারীকে গোয়ালিনীর ছদ্মবেশে কালাপাহাড়ের ছাউনিতে পাঠানো হয়। তিনি সৈন্যদের মধ্যে বিষমিশ্রিত দুধ, দই, ছানা, বিক্রি করেন। পরদিন সকালে খাদ্যের বিষক্রিয়ায় কালাপাহাড়ের বেশির ভাগ সৈন্য আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে তিনি অবশিষ্ট সৈন্যদের নিয়ে পালিয়ে যান। কালাপাহাড়ের মন্দির ধ্বংসের ঘটনা ওড়িশা ও মেদিনীপুরেই (অবশ্য সেসময় মেদিনীপুর ওড়িশারই অন্তর্ভুক্ত ছিল) সীমাবদ্ধ ছিল না। কাররানিদের কোচবিহার আক্রমণকালে কালাপাহাড় আসামের কামাখ্যা মন্দিরসহ আরও কিছু মন্দির ধ্বংস করেন। কালাপাহাড় কররানিদের শেষ শাসক দাউদ খান কররানির আমল পর্যন্ত কররানিদের সেনাপতি ছিলেন এবং মোগলদের বিরুদ্ধে অভিযানগুলিতে অংশগ্রহণ করেন। ১৫৭৬ সালে কররানিদের পতনের পর কালাপাহাড় সম্ভবত আফগান নেতা মাসুম কাবুলির দলে যোগ দেন এবং মোগলদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত থাকেন। সম্ভবত ১৫৮৩ সালে মোগল সেনাপতি খান-ই-আজমের বিরুদ্ধে যুদ্ধে মাসুম কাবুলি পরাস্ত হলে সেই যুদ্ধে কালাপাহাড়ও নিহত (এপ্রিল ১৫৮৩ সাল) হন। মুঘলদের সঙ্গে যুদ্ধে কালাপাহাড়ের মৃত্যুর পর তাঁকে ওড়িশার সম্বলপুরে মহানদীর তীরে সমাধিস্থ করা হয়। এরকম হাজার হাজার কালাপাহাড়ের জন্ম যে ভারতে হয়েছিল, সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    (৩) তৃতীয় প্রশ্নের উত্তর— আওরঙ্গজেবের প্রধান সেনাপতি হিন্দু ছিলেন। তা ছাড়া বড়ো বড়ো সেনাপতি যাঁদের হাতের ইঙ্গিতে হাজার হাজার সৈন্য প্রাণ দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকত তাঁরা অমুসলমান ছিলেন। আওরঙ্গজেবে সেনাবাহিনীতে হিন্দু ও অমুসলমান সেনা ছিলেন বলে মন্দির ভাঙা যাবে না, এটা কোনো শর্ত হতে পারে না। সংখ্যাগরিষ্ঠের দেশে সংখ্যাগরিষ্ঠের মানুষদের বাদ দিয়ে কখনোই রাষ্ট্রপরিচালনা সম্ভব নয়। আওরঙ্গজেব হিন্দু ও অমুসলমানদের ভালোবেসে তাঁর সরকারে নিযুক্ত করেছে, একথা বিশ্বাস করতে বলছি না। তা ছাড়া সেনাপতি, সেনাবাহিনী, সরকারি কর্মচারী, সে যে ধর্মেরই হোক না-কোনো শাসকের হুকুম পালন করাই তাঁদের কাজের অন্যতম শর্ত। যেমনভাবে ব্রিটিশ-ভারতের সরকারের প্রশাসনে একটা বড়ো অংশই ছিল ভারতীয় হিন্দু-মুসলিম শিখনির্বিশেষে। তাঁরা ব্রিটিশ বাহাদুরদের সবরকম হুকুম তালিম করতেন। ব্রিটিশ সরকার পরিচালিত সব প্রশাসনিক দপ্তরে ভারতীয়রা নিযুক্ত ছিলেন। ব্রিটিশ শাসনামলে যত দুষ্কর্ম, হত্যা, অত্যাচার, গুপ্তচরবৃত্তি ব্রিটিশরা কতটা করেছে, যতটা ভারতীয়রা করেছে? জমিদাররা তো কম অত্যাচার করেননি প্রজাদের উপর! ব্রিটিশদের পৃষ্ঠপোষকতায় ভারতীয় জমিদারেরা ভয়ানক পিশাচ ও অত্যাচারী হয়ে পড়েছিল। এক্ষেত্রেও ভারতীয়রা দুষ্কর্ম, হত্যা, অত্যাচারের সব দোষ ব্রিটিশদের ঘাড়ে চাপিয়ে নিজেরা কলুষমুক্ত থাকতে চাইলেন। যেসময় ভারতীয় (বিশেষ করে বাঙালি ও পাঞ্জাবিরা) বিপ্লবীরা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করছে দেশকে ব্রিটিশমুক্ত করতে, সেসময় প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ভারতীয় সেনারা (হিন্দু-মুসলিম-শিখনির্বিশেষে) মিত্রশক্তি তথা ব্রিটিশদের হয়ে যুদ্ধ করেছেন। এই ভারতীয় সেনারাই ভারত-ভাগের পর একটা অংশ রাতারাতি পাকিস্তানের হয়ে গেল, পাকিস্তানের হয়ে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে থাকল। আর ভারতীয় সেনারা পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে থাকল। অতএব সেনা ও সেনাপতিদের কোনো ধর্ম-পরিচয় হয় না –সেনা রাষ্ট্রের, শাসকের।

    যে ব্রিটিশ-ভারতীয় সেনারা প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটিশদের হয়ে যুদ্ধ করেছিল, সেই যুদ্ধে মৃত সেনাদের আমরা তো আজও স্মরণ করি! ইন্ডিয়া গেট প্যারিসের আর্ক দে ত্রিস্ফের আদলে ১৯৩১ সালে তৈরি হয়। স্যার এডউইন লুটিয়েন্সের নকশা করা এই ইন্ডিয়া গেটই ভারতের স্মৃতিসৌধ। পূর্বে এই সৌধের নাম ছিল অল ইন্ডিয়া ওয়ার মনুমেন্ট। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও তৃতীয় ইঙ্গ-আফগান যুদ্ধে নিহত ৯০,০০০ ব্রিটিশ-ভারতীয় সেনা জওয়ানদের স্মৃতিরক্ষার্থেই এই সৌধ। এই সেনারা কখনোই ভারতের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করে শহিদ হননি। শহিদ হয়েছেন ব্রিটিশদের স্বার্থরক্ষার্থেই। ভারতের স্বাধীনতার পর এই অজ্ঞাতনামা সেনাদের সমাধি হিসাবে পরিচিত ‘অমর জওয়ান জ্যোতি’ স্থাপিত হয়েছে। এই স্মৃতিসৌধের ছাউনির নীচেই ছিল পঞ্চম জর্জের একটি মূর্তি। পাছে স্বাধীন ভারতে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হয়, সেই কারণেই মূর্তিটি করোনেশন পার্কে সরিয়ে দেওয়া হয়। ব্রিটিশদের হয়ে লড়াই করা সেনাদের কেন আমরা স্মরণ করি, তার ব্যাখ্যা পাই না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহায়রোগ্লিফের দেশে – অনির্বাণ ঘোষ
    Next Article গণিকা-দর্শন – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }