Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভারতে ইসলাম ভারতীয় মুসলিম – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প1287 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.৫.১৭ জাহাঙ্গির (শাসনকাল : ১৬০৫ সাল থেকে ১৬২৭ সাল)

    জাহাঙ্গির (শাসনকাল : ১৬০৫ সাল থেকে ১৬২৭ সাল)

    আকবরের মৃত্যুর পর কে হবেন দিল্লির পরবর্তী শাসক? উত্তরাধিকারের প্রশ্নচিহ্ন দীর্ঘতর হয়। স্বভাবতই। খসরু শাহ, খসরু শাহ ছিলেন নুরুদ্দিন মোহম্মদ সেলিমের (জাহাঙ্গির) রাজপুত স্ত্রীর গর্ভজাত পুত্র এবং মানসিংহের ভাগিনেয়। খসরু ছিলেন সুদর্শন, আকবরের প্রিয় পাত্র, উদারপন্থী এবং আকবরের মতোই পরধর্মসহিষ্ণু। অতএব যোগ্যতার বিচারে সেলিমের তুলনায় অনেক গুণ এগিয়ে খসরু। আকবরেরও পছন্দ। কিন্তু আকবরের পছন্দ হলেই তো হবে না! দরবারের অভিজাতরা খসরুর দাবি সমর্থন করেনি। ফলে মানসিংহের দল সংখ্যালঘু হয়ে পড়ে। অবশেষে ১৬০৫ সালের ২১ অক্টোবর (হিজরি ১০১৪) আকবর তাঁর রাজকীয় পাগড়ি সেলিমের মাথায় পড়িয়ে দেন। আকবরের মৃত্যুর পর সেলিম ওরফে জাহাঙ্গির দিল্লির সিংহাসন অলংকৃত করেন। জাহাঙ্গিরের বয়স তখন ৩৮। জাহাঙ্গিরের স্ত্রীর সংখ্যা মন্দ নয়। স্ত্রীরা হলেন– নুরজাহান, শাহিব-ই-জামাল, তাজ বিবি মিলকিস, মাকানি সহ আরও ১৭ জন। সন্তানসন্ততি– খসরু, পারভেজ, শাহজাহান ও অন্যান্য। জাহাঙ্গিরের জন্ম ভারতের ফতেপুর সিক্রি, মৃত্যু ভারতের কাশ্মীরে। অর্থাৎ জাহাঙ্গির জন্মসূত্রেও ভারতীয়, মৃত্যুসূত্রেও ভারতীয়। আকবরের মতো জাহাঙ্গিরকে কখনোই বিদেশি শাসক বলা চলে না।

    ব্রিটিশদের রচিত ইতিহাস’ নয়, জাহাঙ্গিরকে জানতে হলে জাহাঙ্গিরের লেখা জীবনী পড়তে হবে। এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে ‘তারিখ-ই-সেলিম-শাহি’, তারিখ-ই-জাহাঙ্গিরনামা-সেলিমী’, ‘জাহাঙ্গিরনামা’, ‘তুজাক-ই-জাহাঙ্গিরী’, ‘দোয়াজিদা-সালা-জাহাঙ্গিরী’, ‘ওয়াকিয়াত-ই-জাহাঙ্গিরী’, ‘ইকবালনামা’ ইত্যাদি গ্রন্থগুলি জাহাঙ্গিরের আত্মজীবনী বলে চালানো হলেও, এগুলোর প্রামাণিকতা নিয়ে প্রচুর মতভেদ ও বিতর্কের অবকাশ আছে। যতদূর জানা গেছে, সম্রাট জাহাঙ্গির নিজেই তাঁর আত্মজীবনী কিছুকাল পর্যন্ত লিখেছিলেন। পরে অবশ্য মৌখিক নির্দেশ দিয়ে অন্য কারোর সাহায্যে সেই লেখা শেষ করার জন্য বলেছিলেন। তাঁর রাজত্বকালের ১২ বছরের বিবরণ সংবলিত আত্মকথা ‘দোয়াজদা-সালা-জাহাঙ্গিরী’ নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হওয়ার পর সম্রাটেরই মাধ্যমেই বিতরণ করা হয়। গ্রন্থখানি মূল ফারসি পাণ্ডুলিপি থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করেন ব্রিটিশ অনুবাদক মেজর ডেভিড প্রাইস। ওরিয়েন্টাল ট্রানস্লেশন কমিটি ১৮২৯ সালে লন্ডন থেকে প্রথম প্রকাশ করে।

    জাহাঙ্গির নিজেই লিখেছেন– “জাহাঙ্গির বাদশাহের অর্থ ‘পৃথিবী পদানতকারী সম্রাট’, আর জাহাঙ্গির শাহের অর্থ ‘পৃথিবী পদানতকারী রাজা’। শাহানশাহ আকবরের পুত্র, বিশ্বাসের প্রতীক জাহাঙ্গির, বিশ্বের প্রতিরক্ষক খসরু কর্তৃক আগ্রায় তৈরি’ –এই কথাগুলো সাম্রাজ্যের মুদ্রায় উত্তীর্ণ করার জন্য আমি ফরমান জারি করলাম।” আরও অনেক কিছু কোনো লুকোছাপা না করে অকপটে লিখেছেন তিনি। এমনকি তিনি যে তাঁর পিতা সম্রাট আকবরের সিংহাসনটি বহু অর্থব্যয়ে নতুনভাবে সাজিয়েছেন, সে কথাও তিনি উল্লেখ করতে ভোলেননি। সিংহাসন নতুন করে সাজাতে কত খরচ তিনি করেছিলেন, সেটা বলেছেন এইভাবে –“সিংহাসনের জালি মণিমাণিক্য দিয়ে তৈরি করতে ব্যয় হয়েছে দশ কোটি আশরফির মতো।এক একটি আশরাফি পাঁচ মিসকাল ওজনের। এক কোটি হল একশো লক্ষে, এক লক্ষ হল একশো হাজারে। তা বাদেও নকশা ও কারুকার্যে হিন্দুস্তানী ও জনমতে তিনশো মন সোনা লেগেছে। হিন্দুস্তানে এক মণ ইরাকে দশ মণের সমান। স্থান থেকে স্থানান্তরে নিয়ে চলাফেরার সুবিধার জন্য সিংহাসনটি এমনভাবে বানানো হয়েছে যে ইচ্ছামতো খণ্ড খণ্ড করে খুলে নিয়ে ঘুরে বেড়ানো যায় এবং পরে জোড়া লাগানো যায়। সিংহাসনের পায়া ও পিঠের মধ্যে পঞ্চাশ মণ মৃগনাভি ভরে দেওয়া হয়েছে। তার দরুন যে-কোনো জায়গার দরবারে সুগন্ধের দরকার পড়ে না।” শুধু সিংহাসনই নয়, তিনি অকপটে লিখেছেন তাঁর মুকুটের বিবরণও। লিখছেন –“এভাবে আমার প্রত্যাশিত ও কাঙ্ক্ষিত সিংহাসনে বসে রাজকীয় মুকুট আনার হুকুম দিলাম। আমার পিতা মুকুটটি ইরানের মহান নৃপতিদের মুকুটের অনুকরণে বানিয়েছিলেন। তারপর সমবেত আমিরদের সামনে মুকুটটি আমি আমার ভ্রুর উপর পুরো এক ঘণ্টার জন্য স্থাপন করলাম। এর মানে হচ্ছে আমার রাজত্বকালের স্থায়ী সমৃদ্ধির লক্ষণ। মুকুটে বারোটি কোণ, প্রতিটি কোণে একটি করে রত্ন বসানো, তার দাম এক লক্ষ আশরফি, আর এই আশরফি পাঁচ মিসকাল পরিমাণের। পুরো মুকুটটিই আমার পিতা তাঁর সময়ে সরকারি সঞ্চয় থেকে কিনেছিলেন। পূর্ববর্তীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত অর্থ থেকে নয়। মুকুটটির চূড়ার কেন্দ্রে একটি চার মিসকালের মুক্তো বসানো, তার দাম এক লক্ষ আশরফি, আর নানা জায়গায় বসানো দুশো রুবি, প্রতি রুবি এক মিসকাল পরিমাণের, প্রতিটির দাম দু-হাজার টাকা।”

    ১৬০৬ সাল। জাহাঙ্গিরের সিংহাসন লাভের বিরুদ্ধে খসরুকে বসানোর জন্য আকবরের মৃত্যুর কিছু আগে দরবারে মানসিংহ, মির্জা আজিজ কোকারা এক জোট গড়েন। তবে সেই পরিকল্পনা বিফল হয়। জাহাঙ্গির সিংহাসনে বসার পর পুত্র খসরুকে ক্ষমা প্রদর্শন করেন। কিন্তু খসরুকে আগ্রা দুর্গে নজরবন্দি অবস্থায় রাখেন। সেখান থেকে খসরু পালিয়ে গিয়ে মথুরার শাসনকর্তা হুসেন বেগের সঙ্গে যোগ দেন। লাহোর যাত্রার সময় সরকারি অর্থ লুঠ করার অপরাধে লাহোর দুর্গের শাসনকর্তা দিলওয়ার খাঁ খসরুকে বাধা দেয়। ফলে খসরু দুর্গ অবরোধ করে। এই খবর শুনে জাহাঙ্গির তাঁর সেনাদল নিয়ে লাহোর ছুটে আসেন। খসরু-বাহিনী বিধ্বস্ত হয়। সেলিম-পুত্র খসরু শাহ মোগল সেনাদের হাতে বন্দি হন এবং কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। খসরুর সহচরদের হত্যা করা হয়। ১৬০৭ সালে জাহাঙ্গিরকে হত্যা করার চক্রান্তে সম্রাটের নির্দেশে মহাবৎ খাঁ খসরুর দুই চোখ শরীর থেকে খুবলে নেয়। অবশ্য খসরুর প্রতি এ ধরনের নিষ্ঠুরতা জাহাঙ্গিরের চরিত্র কালিমালিপ্ত হয়। বস্তুত পিতামহ আকবরের ভাবধারা ও গুণাবলির প্রকৃত উত্তরাধিকারী ছিলেন খসরু শাহ। সেই কারণে খসরুর জনপ্রিয়তাও কিছু কম ছিল না। কিন্তু জাহাঙ্গিরের ক্রোধের সামনে দাঁড়ানোর ক্ষমতা কারোর ছিল না।

    লাহোর যাত্রার পথে শিখগুরু অর্জুন খসরুকে সহানুভূতি জানান এবং অর্থ সাহায্য করেন। এ খবরে সম্রাট জাহাঙ্গির ক্রুদ্ধ হয় এবং শিখগুরুর কাছে আড়াই লক্ষ টাকা জরিমানা করেন। শিখগুরু অর্জুন সম্রাটকে জানান, তাঁর কাছে একটি পয়সাও নেই। যা আছে সেসব শিখপন্থের সম্পত্তি। সম্রাটের হুকুমে শিখগুরুকে কারারুদ্ধ করা হল এবং কারারক্ষীরদের অত্যাচারে গুরু অর্জুনের মৃত্যু হয়। ডাঃ ঈশ্বরীপ্রসাদের মতে, সম্রাট জাহাঙ্গির ক্রোধবশত ভুলে যান যে, সে সময় পাঞ্জাবে শিখধর্ম নব প্রেরণায় উদীয়মান হয়েছিল। ফলে তিনি এই ধর্ম এবং ধর্মের গুরুকে শ্রদ্ধা না-দেখিয়ে নির্যাতন করে শিখ সম্প্রদায়ের সঙ্গে মোগল-বিরোধের বীজ পুঁতে দেন। শিখগুরু হরগোবিন্দকেও গোয়ালিয়র দুর্গে ১২ বছর বন্দি করে করেছিলেন পিতা অর্জুনের প্রদেয় জরিমানা দিতে অসমর্থ হওয়ায়। জাহাঙ্গিরের শাসনকালে পাঞ্জাবের শিরহিন্দে শেখ আহমেদ শিরহিন্দের প্রভাবে এক গোঁড়া সুন্নি মৌলবাদী আন্দোলনের উদ্ভব হয়। ঈশ্বরীপ্রসাদ যাই-ই বলুন, মনে রাখতে হবে খসরু রাজদ্রোহী ছিলেন। রাজদ্রোহীকে যে বা যাঁরা আশ্রয় দেয় সেও রাজদ্রোহিতার সামিল। রাজদ্রোহিতার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। যেখানে পিতা হয়ে পুত্র খসরুকে শাস্তিপ্রদান করে রাজ্য থেকে বিতাড়ন করেছেন, সেই শিখগুরুদের কি উচিত হয়েছিল রাজদ্রোহী খসরুকে সঙ্গ দেওয়া?

    জাহাঙ্গির সিংহাসনে বসার পর তাঁর পিতার মতোই রাজ্যবিস্তার নীতি ও সাম্রাজ্যে সংহতি রক্ষা নীতি মেনে চলেন! জাহাঙ্গিরের রাজত্বকালে পাঞ্জাবের উত্তর-পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত কাংড়া বিজয় ছিল এক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। কাংড়ার দুর্গ ছিল দুর্ভেদ্য ও পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত। এর কাছেই ছিল দেবীতীর্থ জ্বালামুখীর মন্দির। হাজার হাজার হিন্দু তীর্থযাত্রী এই মন্দিরে পুজো দিত। আকবরের আমলে কাংড়া দুর্গ জয়ের একবার ব্যর্থ চেষ্টা হয়েছিল। জাহাঙ্গির এই দুর্গ অধিকারের জন্য যুবরাজ খুররম ও রাজা বিক্রমজিৎকে নিয়োগ করেন। ১৪ বছর (চার মাস?) দুর্গ অবরোধ করার পর দুর্গটি মোগলদের কাছে আত্মসমর্পণ করে। এছাড়া রাজা টোডরমলের পুত্র কল্যাণমল খদ্দার রাজা পুরুষোত্তমকে পরাস্ত করে ওড়িশা জয় করেন। এমনকি পুরুষোত্তমের কন্যাকে জাহাঙ্গির বিয়েও করেন। ‘ইন্তিখাব-ই জাহাঙ্গির শাহি’ থেকে জানা যায়, জাহাঙ্গির গুজরাটের একটি অপূর্ব সুন্দর নয়নাভিরাম জৈন মন্দির ধ্বংস করে জৈনদের দেশ থেকে উৎখাত করার নির্দেশ দেন এবং মন্দিরের মূর্তিগুলিকে মসজিদের প্রবেশপথে এমনভাবে রাখতে নির্দেশ দেন যাতে মুসলমান নামাজিরা মসজিদে প্রবেশ এবং বাইরে আসতে সেগুলিকে পদদলিত করতে পারে। জাহাঙ্গিরের পরিষদের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সৈয়দ খান চাগতাই একাই ১২০০ খোঁজাকৃত ক্রীতদাসের মালিক ছিলেন। স্মর্তব্য, সেসময় বাংলায় রাজস্ব পরিশোধে অপারগ পিতামাতারা আপন সন্তানদের খোঁজা করে গভর্নরকে দিত রাজস্বের পরিবর্তে। একথা জাহাঙ্গিরের স্মৃতিকথায় পাওয়া যায়। কে. এস. লাল দলিল দস্তাবেজ পর্যালোচনা করে লিখেছেন– জাহাঙ্গির শুধুমাত্র ১৬১৯ থেকে ১৯২০ সালেই ২,০০,০০০ বন্দিকৃত ভারতীয় ক্রীতদাসকে বিক্রির জন্য ইরানে পাঠিয়েছিলেন। ধর্মের ব্যাপারে তিনি ছিলেন এক অদ্ভুত রহস্যস্বরূপ। প্রকৃতপক্ষে তিনি কোন্ ধর্ম পালন করতেন সেই বিষয়ে বিভিন্ন মত আছে। তিনি একাধারে পরধর্মসহিষ্ণুতা এবং ধর্মোন্মত্ততার এক রহস্যময় সংমিশ্রণ। কোনো কোনো সময়ে পরধর্মের প্রতি চরম উদারতা প্রদর্শন, কখনো-বা অসহিষ্ণুতবশত চরমতম নিষ্ঠুর ছিল তাঁর চরিত্র। তাঁর দয়া ও মমত্ববোধের সীমা ছিল না, উলটোদিকে ক্রোধের বশবর্তী হলে নৃশংসতার চূড়ান্ত করতেও কুণ্ঠিত হতেন না। তবে জাহাঙ্গির তাঁর পিতার মতো কঠোর সুন্নি মুসলমান ছিলেন না। তিনি সর্বজনীন বিতর্কে বিভিন্ন ধর্মের মানুষদের অংশগ্রহণ করতে দিতেন। জাহাঙ্গির তার লোকদের কাউকে জোড়পূর্বক ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে বারণ করতেন। তিনি সকল প্রকার ধর্মের লোকেদের থেকে সমান খাজনা নিতেন। থমাস রো, এডওয়ার্ড টেরি সহ অনেকেই তাঁর এইপ্রকার আচরণের প্রশংসা করেন। থমাস বোর। মতে জাহাঙ্গির নাস্তিকতায় বিশ্বাসী ছিলেন।

    সম্রাট জাহাঙ্গিরের শাসনব্যবস্থা কেমন ছিল? জাহাঙ্গিরের জীবনীতে স্পষ্ট করে লিখেছেন তাঁর শাসনব্যবস্থার হালহদিস। জীবনীর বয়ান অনুসারে জানা যায়, তিনি সাম্রাজ্য সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ১২টি বিশেষ বিধি জারি করেছিলেন। সেই বিধিবিধান সাম্রাজ্যের বিভিন্ন কর্মচারীরা আচরণবিধি হিসাবে পালন করবেন। এর অন্যথা হতেই পারবে না। বারোটি বিশেষ বিধিগুলি হল –(১) আমি আমার প্রজাদের তিনপ্রকার কর থেকে অব্যাহতি দিলাম। সেই করগুলি হল– জাকাত, সাবমোহরি ও তমগা। আমার পিতার কোশাগারে ওই করগুলি থেকে মোলোশো মণ হিন্দুস্তানি ওজনের সোনা আসত। সেই সোনা ইরাকের ষোলো হাজার মণের সমান। (২) আমি আদেশ জারি করলাম যে, আমার শাসনভুক্ত অঞ্চলের কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি যদি কেড়ে নেওয়া হয়, সে ডাকাতি কিংবা যে কোনো ব্যক্তির হিংসাত্মক কাজের মাধ্যমে হোক না, ওই জেলার অধিবাসীদের হয় সম্পত্তি ফেরত দিতে বাধ্য করা হবে, নয়তো লুণ্ঠনকারীকে হাজির করতে হবে। আমি নির্দেশ দিলাম যে, যদি কোনো জেলা পতিত কিংবা জনবসতি বিরল হয়ে উঠে, তাহলে সেখানে শহর তৈরি করতে হবে, জনসাধারণকে তালিকাভুক্ত করতে হবে এবং সমস্ত রকম পন্থা অবলম্বন করতে হবে, যাতে করে প্রজাদের নিরাপত্তা নিশ্চিদ্র হতে পারে। আমি জায়গিরদারদের আদেশ দিলাম তাঁরা যেন এইরূপ জনবিরল অঞ্চলে মসজিদ নির্মাণ করে এবং যাত্রীদের থাকার জন্য সরাইখানা তৈরি করে। এভাবেই জেলাটি পুনর্বার জনবসতিতে পূর্ণ হয়ে উঠবে এবং ভ্রমণকারীরা শঙ্কাহীন চিত্তে আনাগোনা করতে পারবে। এই উদ্দেশ্যে যেসব জেলা শাহি এক্তিয়ারভুক্ত, সেখানকার কর্মচারী ক্রোড়ীকে শাহি তহবিল থেকে এইসব কাজ করার জন্য আমি আদেশ প্রদান করলাম। (৩) দেশের ভিতর যেসব বণিক ঘুরে বেড়াচ্ছে, তাঁদের সম্মতি ছাড়া তাঁদের বাক্সপেটরা কিংবা বস্তা যেন না খোলা হয়। কিন্তু যেক্ষেত্রে তাঁরা পণ্য বিক্রি করতে উৎসুক, সেক্ষেত্রে খরিদ্দাররা কোনো জোরজবরদস্তি না-করে তাঁদের সঙ্গে দরাদরি করতে পারবে। (৪) সরকারি কর্মচারী নয় এমন কোনো ব্যক্তি যদি সন্তানসন্ততি রেখে মারা যায়, সেক্ষেত্রে কারোকেই তাঁর সম্পত্তিতে হস্তক্ষেপ কিংবা তাঁর সন্তানসন্ততিদের উপর জবরদস্তি করতে দেওয়া হবে না। কিন্তু যদি সন্তানসন্ততি কিংবা কোনো ওয়ারিশ না থাকে, সেক্ষেত্রে সেই সম্পত্তি মসজিদ ও পুকুরের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য উৎসর্গ করে দেওয়া হবে, যাতে করে মৃত ব্যক্তির আত্মার চিরস্থায়ী সদগতির ব্যবস্থা হয়। (৫) কোনো ব্যক্তিকে মদ অথবা মাদকদ্রব্য তৈরি কিংবা বিক্রির অনুমতি দেওয়া হবে না। আমি নিজেই এই আদেশ জারি করলাম, যদিও ষোলো বছর বয়স থেকেই আমি অত্যধিক মদ্যাসক্ত। সত্যি কথা বলতে, তরুণ পার্শ্বচরদের সহচারিতা ও নমনীয় পরিবেশে দিনযাপন –বৃহৎ ও সুসজ্জিত কামরা, চিত্র ও ভাস্কর্যে সুশোভিত, মেঝেয় বিছানো সিল্ক ও সোনার মূল্যবান কার্পেট– সেই পরিবেশ থেকে চিত্ত উৎফুল্লকারী পানীয় প্রত্যাখ্যান করা বোকামির লক্ষণ হত না কি? আর দ্রাক্ষারসের মতো পানীয় আর কীই-বা হতে পারে? পানীয় বা আফিমের যেন আসক্তি না দেখা যায়। অমন হলে আল্লাহ না করুন, মানুষ তাঁর স্বভাবদত্ত ক্ষমতা হারিয়ে বসে। আর এ কথা স্বীকার করতেই হয়, অমন পানাসক্তি ও অত্যধিক আফিম-প্রীতি মানুষকে দুর্বল করে ফেলে, তাঁর প্রকৃতিকে শৌর্যবীর্য নাজুক করে দেয় ও বিকৃতি কামনা উন্মীলিত করে। উত্তেজক দ্রব্যের তালিকাভুক্ত সবকিছুর গুণাবলি ওই ধরনের। সেইসঙ্গে একথাও মনে না রেখে পারি না যে, কেলুরিকা হচ্ছে। থিরাবুকের ভাইপো। নিজের কথা বলতে গেলে এ স্বীকার করতেই হয় যে, আমার আসক্তির পরিমাণ এত বাড়িয়ে দিয়েছিলাম যে, প্রতিদিন বিশ পেয়ালা, কখনো-বা বিশ পেয়ালারও বেশি পান করতাম। প্রতি পেয়ালায় ধরত আধ সের করে। আর আট পেয়ালা হল ইরাকের এক মণের সমান। ক্ষতির মাত্রা এতদূর গড়িয়েছিল যে, এক ঘণ্টা মদ ছাড়া থাকলে হাত কাঁপতে শুরু করত। (৬) আমার তাম্রাজ্যের কোনো প্রজার বাসভবনে কোনো ব্যক্তির জোর করে প্রবেশ করা চলবে না। সেনাবাহিনীর লোকেরা যদি কোনো শহরে আগমন করে এবং জোরজবরদস্তি ছাড়া ভাড়া দিয়ে কোনো থাকার জায়গা পায়, তাহলে তা প্রশংসার যোগ্য। তা নাহলে তাঁদের তাঁবু খাঁটিয়ে থাকার ব্যবস্থা করে নিতে হবে। প্রজার পক্ষে এই অভিযোগের চেয়ে বিরক্তিকর আর কিছুই নেই, যখন সে দেখে অজানা একজন লোক জোর করে তাঁর বাড়িতে ঢুকে সবচেয়ে ভালো জায়গাটির দখলি নিয়ে নেয়, তাঁর সন্তানসন্ততি পরিবার পরিজনদের তখন মাথা গোঁজার ঠাঁই পর্যন্ত থাকে না। (৭) যে অপরাধই হোক না কেন কোনো ব্যক্তির নাক কিংবা কান কাটা চলবে না। যদি চুরি করা অপরাধ হয়, তাহলে দোষীকে কাঁটায় ক্ষতবিক্ষত করতে হবে, নয়তো কোরান হাতে শপথ করতে হবে ভবিষ্যতে সে যেন আর চুরি না করে। (৮) প্রজাদের জমি জোর দখল না করার জন্য ক্রোড়ী ও জায়গিরদারদের নিষেধ করে দেওয়া হয়েছে, তাঁরা ওইসব জমি নিজেদের ক্ষমতায় সীমা লঙ্ঘন করতে পারবে না। অন্য জেলাভুক্ত মানুষ অথবা পশুপ্রাণীকে জোর করে নিজের জেলাভুক্ত করতে পারবে না। বরং যে জেলার ভার তাঁর উপর সেই জেলার চাষাবাদের উন্নতির দিকেই তাঁর সমগ্র শক্তি নিয়োজিত করতে হবে। (৯) গ্রন্থটিতে এই ধারাটি বেশ দুর্বোধ্য। তবে মনে হয় ধারাটিতে প্রতিষেধক কিংবা আফিমের অবৈধ প্রয়োগের উপর বিধিনিষেধ আরোপের কথা উল্লেখ আছে। অথবা খুব সম্ভব ওই বিধিনিষেধ কীভাবে প্রয়োগ করা হবে, তার নিদান আছে। (১০) বড়ো শহরগুলির সমস্ত গভর্নরদের নির্দেশ দেওয়া হল যে তাঁরা যেন পীড়িতদের চিকিৎসার সুবন্দোবস্তের জন্য হাসপাতাল কিংবা আরোগ্যালয় প্রতিষ্ঠিত করেন। অসুখ হলে তাঁদের এখানে স্থানান্তরিত করতে হবে। রোগী সুস্থ না-হওয়া পর্যন্ত সব খরচপত্র সরকারি খাজাঞ্চীখানা থেকে দেওয়া হবে। সুস্থ হয়ে উঠলে সংকটকালের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ দিয়ে তাঁকে বিদায় দিতে হবে। (১১) আমার জন্মমাস রবিউল আউয়ালে গ্রামে নগরে গোশত খাদ্য হিসাবে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ করে দেওয়া হল এবং বছরের সমতা রেখে একদিন নির্ধারিত হল। সেইদিন পশু জবেহ একেবারে নিষিদ্ধ হল। সপ্তাহে বৃহস্পতিবার, সেদিন আমি সিংহাসনে আরোহণ করেছিলাম বলে গোশত গ্রহণ নিষিদ্ধ করে দেওয়া হল। আর রবিবার পৃথিবী সৃষ্টির সম্মানিত দিন বলে পশুজবেহ সংগত নয়। এগারো বছরেরও বেশি আমার পিতা আহারে এই সংযম পালন করে এসেছিলেন। ওই সময়ে রবিবারে তিনি কোনোমতেই গোশত গ্রহণে রাজি হতেন না। এই কারণেই ওইদিন আমার রাজ্যজুড়ে অমন খাদ্যগ্রহণ নিষেধ করে দেওয়া আমি সংগত মনে করেছিলাম। (১২) আমার পিতার শাসনকালে যেসব আমির ওমরাহ সম্মান ও শিরোপা পেতেন, সেসব আমি অব্যাহত রাখার জন্য নির্দেশ জারি করলাম এবং যেসব ক্ষেত্রে যোগ্যতা পরিলক্ষিত হল সে সব ক্ষেত্রে বিভিন্ন পর্যায়ে পদোন্নতির আদেশ দিলাম। দশ ঘোড়ার মালিককে পনেরো ঘোড়ার মালিকানা দিলাম এবং এভাবে সমতা বজায় রেখে সাম্রাজ্যের উচ্চতম আমিরদের সম্মানে ভূষিত করলাম।

    কারোকে জানতে হলে তাঁর নিজের লেখা জীবনীটা পাঠ করতে হয়। তবে অন্যের লেখা জীবনীতে কিছু অতিরঞ্জিত থাকেই। জাহাঙ্গিরের জীবনী কোথাও একটি লাইন পেলাম না, যেখান থেকে সনাক্ত করা যায় যে, তিনি একজন হিন্দু বা বিধর্মী-বিদ্বেষী। একটি লাইন পেলাম না, যেখান থেকে সনাক্ত করা যায় যে, তিনি হিন্দুদের ধরে ধরে ইসলামের ছায়াতলে আনার নির্দেশ দিয়েছেন। একটি লাইন পেলাম না, যেখান থেকে সনাক্ত করা যায় যে, তিনি হিন্দুদের মন্দির গুঁড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। একটি লাইন পেলাম না, যেখান থেকে সনাক্ত করা যায় যে, তিনি হিন্দুদের অত্যাচার ও নির্যাতন করার নির্দেশ দিয়েছেন। তাঁকে ঠিক আদর্শ শাসক বলা না-গেলেও অত্যাচারী ও ধর্মান্ধ শাসক কোনোভাবেই বলা যায় না। শুধু জাহাঙ্গিরের জীবনেই নয়, জাহাঙ্গির বিষয়ক যত দেশি-বিদেশি বই পড়েছি, কোথাও তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাইনি। এক-আধজন অত্যাচারী শাসককে সামনে রেখে সমগ্র শাসকদের অত্যাচারীর তকমা লাগানো গর্হিত অন্যায়। শাসকের কোনো ধর্ম-পরিচয় হয় না। শাসকের কোনো জেন্ডার হয় না। শাসক শাসকই হয়। সম্পূর্ণ ভালো শাসক যেমন হয় না, তেমনি সম্পূর্ণ মন্দ শাসকও হয় না।

    অনেক ভালো গুণ থাকা সত্ত্বেও, মদ্যপান ও নারী এই দুই আসক্তির জন্য জাহাঙ্গির সমালোচিত হন। কোনো এক শাসকের শুধুমাত্র খারাপ দিকই থাকে না, ভালোর দিকও থাকে –সে যে ধর্মাবলম্বীর শাসকই হোক না-কেন। কেন-না শাসকের কোনো ধর্ম-পরিচয় হয় না। শাসকের পরিচয় শাসক। বস্তুত জাহাঙ্গির ছিলেন ক্রিয়েটিভ শাসক। শাসন ও বিচারবব্যস্থা নিয়ে তিনি গঠনমূলক চিন্তাভাবনা করতেন। ভাবতেন তাঁর শাসনের সুফল নিয়ে কীভাবে প্রজাদের কাছাকাছি যাওয়া যায়। সেই কারণে তিনি বিচারের ব্যাপারে ব্যক্তি ও ব্যক্তির পরিচয়ের মধ্যে কোনো তফাত রাখতেন না। ধনী, দরিদ্র সকলেই যাতে তাঁর কাছে সরাসরি বিচারপ্রার্থী হতে পারে সেজন্য তিনি ষাটটি ঘণ্টাযুক্ত একটি সোনার শিকল প্রস্তুত করে সেটা আগ্রার প্রাসাদ থেকে যমুনা নদীর তির পর্যন্ত ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন। এই শিকল টানলেই বিচারপ্রার্থীর আবেদন সম্রাটের কাছে পৌঁছে যেত। জাহাঙ্গিরই সর্বপ্রথম লিখিত বারোটি আইন প্রণয়ন করেছিলেন।

    জাহাঙ্গির শিল্প, বিজ্ঞান এবং স্থাপত্য সেইসঙ্গে মুগ্ধ হয়ে তরুণ বয়স থেকেই চিত্রকলার প্রতি ঝোঁক দেখিয়েছেন এবং তাঁর নিজের একটি কর্মশালাও ছিল। মোগল চিত্রকলা, শিল্প জাহাঙ্গিরের শাসনামলে মহান উচ্চতায় পৌঁছেছিল। তাঁর সময় উস্তাদ মনসুর জন্তু ও পাখির ছবি এঁকে বিখ্যাত হন। জাহাঙ্গিরের ছিল একটি বিশাল পক্ষিশালা ও পশুশালা। জাহাঙ্গির ইউরোপীয় এবং ফারসি শিল্পকলাকেও ভালোবাসতেন। তিনি ফারসি রানি নুরজাহান দ্বারা প্রভাবিত হয়ে তাঁর সাম্রাজ্য জুড়ে ফারসি সংস্কৃতি প্রচার করেন। তাঁর সময়েই শালিমার গার্ডেন তৈরি হয়। জাহাঙ্গিরের মৃত্যুর পর বিভিন্ন গল্প, সিনেমা ও সাহিত্যে তাঁর ও আনারকলির রহস্যে ভরা সম্পর্ক স্থান পায়। কিছু সত্য বটে, অনেকটাই বনোয়াট।

    ১৬২২ সালে জাহাঙ্গিরের পুত্র খুররম প্রথম বিদ্রোহ করেন পিতার বিরুদ্ধে। এমন বিদ্রোহ অবশ্য ইতিহাসে প্রথম নয় –স্বয়ং জাহাঙ্গিরই পিতা আকবরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন, তৈমুর বংশে পিতার বিরুদ্ধে পুত্রের বিদ্রোহের বহু নজির আছে। ১৬২৬ সালে জাহাঙ্গিরের বিশাল সেনাবাহিনীর কাছে কোণঠাসা হয়ে তিনি নিঃশর্তভাবে আত্মসমর্পণ করেন। শাহজাদা খুররমের বিদ্রোহ দমনের পর জাহাঙ্গির একে একে মহবত খান (১৬২৫), মুকাররম খান (১৬২৬) এবং ফিদাই খানকে (১৬২৭-২৮) বাংলার সুবেদার পদে নিযুক্ত করেন। তাঁদের শাসনকাল ছিল সংক্ষিপ্ত এবং ঘটনাবিহীন। ১৬২৭ সালে কাশ্মীর থেকে ফিরে আসার পথে জাহাঙ্গীরের মৃত্যু হয় এবং লাহোরের নিকটে শাহদারাতে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহায়রোগ্লিফের দেশে – অনির্বাণ ঘোষ
    Next Article গণিকা-দর্শন – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }