Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভারতে ইসলাম ভারতীয় মুসলিম – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প1287 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২.০ জবাবদিহি (দ্বিতীয় খণ্ড)

    ভারতে ইসলাম ভারতীয় মুসলিম (দ্বিতীয় খণ্ড : ১৭৫৭ থেকে ১৯৪৭ পরবর্তী ) – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    উৎসর্গ

    আমার বাল্যবন্ধু শঙ্করকে

    যে আমাকে গ্রন্থাগার চিনিয়েছিল, যে আমাকে ফি রবিবার মফসসল থেকে কলকাতায় এনে অলিগলি চিনিয়েছিল

    .

    সূচিমুখ

    জবাবদিহি

    মধ্যযুগ : ভারতে মুসলিম শাসন

    • সিরাজ-উদ্-দৌল্লা
    • রাজা গণেশ
    • আলাউদ্দিন খিলজি
    • টিপু সুলতান

    প্রাচীন যুগ থেকে মধ্যযুগ : বিশ্বজুড়েই যুদ্ধাভিযান এবং রক্তধারা

    ব্রিটিশরাজ : বণিকের মানদণ্ড দেখা দিল রাজদণ্ড রূপে

    ভারতে ব্রিটিশ শাসন : হিন্দু ও মুসলিম

    খণ্ডিত ভারত : হিন্দু, মুসলিম, ব্রিটিশ, কংগ্রেস

    মুসলিম : যত দোষ নন্দ ঘোষ

    বিশ্ব তথা ভারতে মুসলিমদের অবদান

    শেষ পাতে শেষ পাতা

    .

    জবাবদিহি

    কোনটা ইতিহাস আর কোনটা গল্পগাছা আর কোনটা ঔপনিবেশিক শাসকদের প্রয়োজনে নির্মাণ করা ইতিহাস, সব গুলিয়ে দেওয়ার নিরন্তর প্রয়াস চলছে গত ২৬৩ (ব্রিটিশদের ১৯০ এবং স্বাধীন ভারতের ৭৩ বছর) বছর ধরে। স্বকল্পিত ইতিহাসকে ‘খাঁটি ইতিহাস বলে চালানোর চেষ্টা চলছে। ইতিহাস সম্পর্কে সাধারণ মানুষের জ্ঞানের ঘাটতিকে মূলধন করে শাসককুল ক্ষমতায় টিকে থাকে। আজব দেশ আমার –যাঁর যেখানে থাকার কথা তিনি সেখানে নেই, যাঁর যেখানে থাকার কথা নয় তিনি সেখানে জ্বলজ্বল করছেন। অর্থাৎ যাঁর বসার কথা রুপোর সিংহাসনে, তিনি বসে আছেন সোনার সিংহাসনে। যাঁর বসার কথা সোনার সিংহাসনে, তিনি বসে আছেন রুপোর সিংহাসনে। এ গ্রন্থখানি লিখতে লিখতে আমার সেই কথাই বারবার মনে হয়েছে।

    ইতিহাসের অনেক দিক, অনেক মুখ। যত মুখ তত মত। একই ইতিহাস কমিউনিস্টদের চোখে একরকম, গান্ধিবাদীদের চোখে অন্যরকম৷ আবার উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের চোখে একরকম, উগ্র ইসলামিদের চোখে একরকম। নির্মোহী হিন্দুদের চোখে একরকম, নির্মোহী ইসলামিদের চোখে অন্য রকম। আবার নাস্তিকদের চোখে অন্যরকম। মোটকথা, ইতিহাস লেখার সময়ে সকলই নিরপেক্ষ থাকতে পেরেছেন একথা হলফ করে বলা যায় না। প্রত্যেকই তাঁদের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ইতিহাসকে দেখেছেন এবং বর্ণনা করেছেন। কোনো কোনো লেখকের লেখা পাঠ করে মুগ্ধ হয়েছি, আবার কোনো কোনো লেখকের ইতিহাস পাঠ করে মনে হয়েছে– লেখকের কলমে এত বিষ! বিষ থাকবে না কেন? যে দেশে ব্রিটিশদের মতো কালীয়ানাগের প্রবেশ ঘটে, সে দেশ যমুনার জলের মতো বিষময় হবেই। তাই ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামী ভগিনী নিবেদিতা তাঁর ‘অ্যাগ্রেসিভ হিন্দুইজম’ গ্রন্থে মনে করিয়ে দিয়েছেন– “নতুন দৃষ্টিভঙ্গি লইয়া প্রাচীন ভারতবর্ষকে জানিতে হইবে। ইংরাজের লেখা ইতিহাস অধ্যয়ন করিলে চলিবে না।”

    কোনো কোনো লেখক ‘ঐতিহাসিক’ নাম ধারণ করে ইতিহাস চর্চা করেন। কিন্তু কোনো সন্দেহ নেই যে, আমরা প্রত্যেকেই নিজ নিজ ঐতিহাসিক। অর্থাৎ এমন মানুষ নেই যাঁর সময় সম্বন্ধে বোধ নেই। এমন মানুষ নেই যাঁর ঐতিহাসিক কার্য-কায়ণ ধারার কোনো ধারণা নেই। ঐতিহাসিক কার্য-কারণের ধারণা, চিন্তার ফল, যার মূলে থাকে অভিজ্ঞতা এবং পড়াশোনা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাষায় “বিশেষজ্ঞরা যা বলেন তাই যে বেদবাক্য আমি বলি নে। কিন্তু সুবিধা এই যে বেদবাক্যের ছন্দে তাঁরা কথা বলেন না। প্রকাশ্য সভায় তাঁরা আমাদের বুদ্ধিকে আহ্বান করে। আমাদের ধারণার সঙ্গে বিশেষজ্ঞদের মত কি সবসময়ই মিলে যেতে হবে? যদি না মেলে, তবে কেন নয়? এইসব জিজ্ঞাসার উত্তর আমাদের জানতে হবে। যেহেতু অজান্তে আমার প্রত্যেকেই ঐতিহাসিক।

    ভারতে সুলতানি যুগ ও মোগল যুগ মিলে মধ্যযুগ বলা হয়। মধ্যযুগে ইতিহাস গ্রন্থের অভাব নেই। সেজন্য। মধ্যযুগে প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান অপেক্ষা সাহিত্যিক উপাদান বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সুলতানি যুগের ঐতিহাসিক উপাদান দুই ধরনের –(১) সাহিত্যিক উপাদান (The Literary Elements) ও (২) প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান (Archaeological Evidence)

    সাহিত্যিক উপাদান আবার দুই ধরনের –(১) সমসাময়িক ইতিহাস গ্রন্থ— ঐতিহাসিক গ্রন্থের মধ্যে মিনহাজ উস-সিরাজের ‘তবাক-ই-নাসিরি’ জিয়াউদ্দিন বরানির ‘তারিখ-ই-ফিরোজশাহি’ সামসউদ্দিন সিরাজ আফিকের ‘তারিখ-ই-ফিরোজশাহি’ প্রভৃতির নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। আমির খসরু, ইসামি প্রভৃতি ঐতিহাসিকের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। সিকান্দার-বিন-ই-রসিদি’ গোলাম হুসেন সালিম রচিত “রিয়াজ-উস-সালাতিন ইত্যাদি গ্রন্থ থেকে প্রাদেশিক ইতিহাস জানা যায়। এইসব গ্রন্থ থেকে তৎকালীন সমাজ, অর্থনীতি ও ধর্মজীবন সম্পর্কে নানা তথ্য পাওয়া যায় এবং (২) বিদেশি পর্যটকদের বিবরণ— সুলতানি আমলের পর্যটকদের মধ্যে ইবন বতুতার নাম উল্লেখযোগ্য। তাঁর বিবরণ থেকে সমসাময়িক রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক জীবনের বহু তথ্য পাওয়া যায়। অন্যান্য পর্যটকদের মধ্যে মার্কো পোলো, নিকলো কন্টি, আবদুর রজ্জাক, নুনিজ পায়েজ প্রভৃতির নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

    এরপর আসে প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদান। সুলতানি আমলের ইতিহাস রচনায় প্রত্নতত্ত্বের গুরুত্ব কিছুটা কম হলেও কোনো কোনো অঞ্চলের যেমন বাংলা, বাহমনি, গুজরাটি ইত্যাদির ইতিহাস রচনায় লিপি বিশেষ ভাবে সাহায্য করে। ইলতুৎমিস, বলবন, আলাউদ্দিন খলজি এবং বিশেষভাবে মোহম্মদ বিন তুঘলকের মুদ্রা থেকেও বহু তথ্য পাওয়া যায়। স্থাপত্য, ভাস্কর্য, শিল্পকলা সুলতানি আমলে সাংস্কৃতিক উৎকর্ষতার পরিচায়ক। মোগলযুগের ঐতিহাসিক উপাদান মূলত ইতিহাস গ্রন্থ, আর এই যুগের ইতিহাস গ্রন্থগুলিকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়— (১) সরকারি আনুকুল্য ও উদ্যোগে রচিত ইতিহাস : আকবরের সভাসদ আবুল ফজল রচিত ‘আকবর নামা’ ও ‘আইন-ই-আকবরি’ এই শ্রেণিতে পড়ে। (২) নিরপেক্ষ ঐতিহাসিক রচনা : নিরপেক্ষ ঐতিহাসিকদের মধ্যে খাজা নিজামউদ্দিন আহমদ, বদাউনি, ফেরিস্তা, আবদুল, হামিদ লাহোরি, কাফি খান প্রভৃতির নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। (৩) আত্মজীবনীমূলক রচনা : জীবনীমূলক রচনায় মধ্যে বাবরের ‘তুজুক-ই-বাবরি জাহাঙ্গিরের ‘তুজুক-ই-জাহাঙ্গিরি’ ও গুলবদন বেগমের ‘হুমায়ুননামা’ উল্লেখযোগ্য। বৈদেশিক পর্যটকদের মধ্যে রালফ ফিচ, বার্নিয়ের, ট্যাভারনিয়ে, মানুচি, স্যার টমাস রো প্রভৃতির বিবরণ থেকে ইতিহাস রচনার মূল্যবান উপাদান সংগৃহিত হয়।

    গবেষক ই এইচ কার তাঁর ‘what is History?’ গ্রন্থে বলেছেন –“চূড়ান্ত ইতিহাস এই প্রজন্মে আমরা পাব না। কিন্তু প্রথাগত ইতিহাসকে বাতিল করতে পারব, আর এখন যেহেতু সব তথ্যই আয়ত্তের মধ্যে ও প্রত্যেক সমস্যারই সমাধান করা যায়, ফলে পথ থেকে পথান্তরে যাওয়ার যে পর্যায়ে আমরা পৌঁছেছি তা দেখাতে পারব।”

    চূড়ান্ত ইতিহাস রচনার প্রসঙ্গে অধ্যাপক স্যার জর্জ ক্লার্ক তাঁর ‘The New Cambridge Modern Hisory গ্রন্থে লিখেছেন –“পরবর্তী প্রজন্মের ঐতিহাসিকরা এই ধরনের কোনো সম্ভাবনার প্রত্যাশা করেন না। তাঁরা আশা করেন, তাঁদের লেখা বারবারই অতিক্রান্ত হবে, তাঁরা মনে করেন, অতীতের জ্ঞান এসে পৌঁছেছে এক বা একাধিক মানবমনের মধ্যে দিয়ে ও তাঁদের মাধ্যমে ‘সংসাধিত হয়েছে। ফলে জ্ঞান এমন কোনো মৌল ও নৈর্ব্যক্তিক পরমাণু দিয়ে গঠিত হতে পারে না, যা একেবারেই অপরিবর্তনীয়। … এই বিষয়ের সন্ধান মনে হয় অন্তহীন এবং কিছু অধীর পণ্ডিত আশ্রয় নেন সংশয়বাদের, বা অন্তত এই ধরনের মতবাদে বিশ্বাসী হয়ে পড়েন যে, যেহেতু ইতিহাসের সবরকম বিচারের সঙ্গেই ব্যক্তি ও বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি জড়িত, তার যে-কোনো একটি অপরটির মতোই সমান ভালো আর ‘বিষয়নিষ্ঠ’, ঐতিহাসিক সত্য বলে কিছু নেই।”

    খোদ অতীত বা তার সম্পর্কে ঐতিহাসিক খোদ চিন্তা, এর কোনোটাই ইতিহাসের দর্শনের বিবেচ্য নয়। বরং তার আলোচ্য হল, পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত অবস্থায় এই দুটি বিষয়। এই সুর থেকেই প্রতিফলিত হয় ‘ইতিহাস’ শব্দটির প্রচলিত দুটি অর্থ– ঐতিহাসিক যে অনুসন্ধান করেন এবং অতীতের যে বিভিন্ন ঘটনার সারি নিয়ে তিনি অনুসন্ধান করেন। ঐতিহাসিকরা যে ইতিহাসের চর্চা করেন তা মৃত নয়। তার বদলে এক অর্থে ওই অতীত এখনও আমাদের মধ্যে বেঁচে আছে। শুধু বেঁচে থাকলেই হবে না, জাগিয়ে রাখতে হবে। বহু অতীত ঘুমিয়ে আছে, বরং বলা ভালো তাকে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছে। তাঁকে জাগিয়ে তোলাটাই একজন সৎ ঐতিহাসিকের কাজ। অতীতের ক্রিয়া কিন্তু মৃত, অর্থাৎ ঐতিহাসিকের কাছে তা অর্থহীন, যতক্ষণ-না তিনি তার পিছনে যে চিন্তা করছে তাকে বুঝতে পারেন। অতএব সব ইতিহাসই চিন্তার ইতিহাস, আর ইতিহাস মানে ঐতিহাসিকের মনে সেই চিন্তার পুনঃরূপায়ণ, যে ইতিহাস তিনি চর্চা করছেন। ঐতিহাসিকের মনে অতীতের পুনর্গঠন ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য সাক্ষ্যপ্রমাণের উপর নির্ভরশীল। কিন্তু এটি স্বয়ং কোনো প্রক্রিয়া নয় এবং শুধু তথ্যের পুনরাবৃত্তি করে এটি গড়ে ওঠেনি। তার পরিবর্তে পুনর্গঠনের বা পুনর্নির্মাণের প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করে তথ্যের নির্বাচন ও ব্যাখ্যান। এর ফলেই সেগুলো পরিণত হয় ঐতিহাসিক তথ্যে। ইতিহাসের তথ্য কখনোই আমাদের কাছে ‘বিশুদ্ধ’ রূপে আসে না। কায়ণ ইতিহাসের তথ্য বিশুদ্ধ অবস্থায় থাকে না, থাকতে পারে না। তারা সবসময়েই নথিকারের মনের মধ্যে দিয়ে প্রতিসারিত হয়। অর্থাৎ, আমরা যখন কোনো ইতিহাসের বই বেছে নিই তখন তার ভিতরকার তথ্যই আমাদের প্রথম বিবেচ্য হওয়া উচিত নয়, যে ঐতিহাসিক সেটি লিখেছিলেন। তিনিই আমাদের কাছে বিবেচ্য। অধ্যাপক ওকশটের মতে– “ইতিহাস হল ঐতিহাসিকের অভিজ্ঞতা। ঐতিহাসিক ছাড়া আর কেউই তৈরি করেন না, ইতিহাস তৈরি করার একমাত্র উপায় সেটি লিখে ফেলা।”

    আমি সেই কাজটিই করেছি। লিখে ফেলেছি। কিন্তু আমি ইতিহাসবিদ নই, আবার পেটুয়াও নই। ইতিহাস লেখার জন্য কেউ আমাকে ‘বরাত’ দেননি, দেবেও না। আমার ইতিহাসচর্চা আমারই তাগিদে। ঘুমিয়ে থাকা অতীতকে ঘুম থেকে টেনে তুলেছি মাত্র। ঐতিহাসিক হিসাবে নয়, একজন সামাজিক মানুষ হিসাবে দায় ও দায়িত্ববোধ থেকে এই গ্রন্থের অবতারণা। কেউ আমাকে ইসলাম-বিদ্বেষী বলতে পারেন, কেউ আমাকে হিন্দু বিদ্বেষীও বলতে বলতে পারে, কেউ কেউ যে সেকু-মাকু বলবে না এমন গ্যারান্টিও দেওয়া যায় না। তবে আমি হিন্দুরও নই, মুসলমানদেরও নই। আমি শুধু মানুষের পক্ষে। সেকুও নই, মাকুও নই। আমার মতাদর্শেই আমি।

    কোনো বামপন্থীকে বামফ্রন্ট সরকারের ৩৪ বছরের ইতিহাস লিখতে বলা হল। তিনি লিখবেন ৩৪ বছর ভালো ভালো কাজগুলি। প্রয়োজনে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ভুল তথ্যও দেবেন৷ আবার একজন তৃণমূলি লেখক যদি ওই একই ইতিহাস লেখে তাহলে তিনি বামফ্রন্ট সরকারের ৩৪ বছরের কুকীর্তি, গণহত্যা, ধর্ষণ, দুর্নীতি, স্বজনপোষণের ইতিহাস লিখবেন, প্রচুর মিথ্যাচারও করবেন। আর আমাকে যদি বামফ্রন্টের ৩৪ বছরের ইতিহাস লিখতে বলা হয়, তাহলে আমি যেমন মরিচঝাঁপি লিখব তেমনই অপারেশন বর্গাও লিখব, বিজন সেতুতে আনন্দমার্গীদের হত্যা-প্রসঙ্গ লিখব, তেমনই হলদিয়া পেট্রোকেম নিয়েও লিখব, অনিতা ধাওয়ানের ধর্ষণ প্রসঙ্গ যখন আসবে তখন ‘নন্দন’ প্রসঙ্গ থাকবে না? বস্তুত প্রকৃত ইতিহাস লেখার লেখক পাওয়া খুব দুষ্কর। আমাদের মতো মানুষ যাঁরা কোনো গোষ্ঠীর তাবেদারি করি না, তাঁরা নির্মোহ ইতিহাস লেখার চেষ্টা করি মাত্র। ধুলো ঝেড়ে না-বলা ইতিহাসকে বের করে আনার চেষ্টা করি। কারোকে খুশি করার জন্য এ গ্রন্থ লেখা হয়নি। যদি কারোর আঁতে ঘা লাগে তাহলে অশিক্ষিত, দুমুখ বলে ক্ষমাঘৃণা করতে পারেন আমাকে। ভারতের মুসলিমদের নিয়ে ইতিহাস মুসলিম ঐতিহাসিকরা একরকম লিখেছেন, হিন্দু ঐতিহাসিকরা আর-একরকম লিখেছেন, আবার ব্রিটিশরা আর-একরকম লিখেছেন। আমি কেবল সম্পর্কের উন্নতি চেয়েছি।

    এ গ্রন্থের প্রতিটি অক্ষরই যে আমার কলম থেকে বেরিয়েছে, এ দাবি আমি করি না। খুব স্পর্শকাতর বিষয়। বিষয় মুসলমান। আমি পণ্ডিত নই, ইতিহাসের অনুসন্ধিৎসু ছাত্র মাত্র। প্রকৃত ইতিহাসকে খুঁজে বের করা খুব সহজ কাজ নয়। তবুও হাল ছাড়িনি। পরতে পরতে ধাক্কা, পরতে পরতে অনাস্বাদিত আবিষ্কার। এই গ্রন্থের বিষয় নির্বাচন করার সময় মনে হয়েছিল একটা লম্বা সময়কাল নিয়ে আলোচনা করতে হবে, যা এক খণ্ডে এক মলাটে ধরানো সম্ভব নয়। তাই দুটি খণ্ডে বইটি প্রকাশ করতে হল। প্রথম খণ্ডটি পাঠকসমাজের প্রভূত সমাদর লাভ করেছে, প্রথম খণ্ডটির মতো দ্বিতীয় খণ্ডটিও সমানভাবে সমাদর লাভ করবে, এই প্রত্যাশা রইল।

    এ লেখাটি একটি ওয়েবম্যাগে মিডিয়াতে মোট বত্রিশটি পর্বে প্রকাশিত হয়েছিল। পেয়েছি সরাসরি ফিডব্যাক। উচ্চ প্রশংসিত হয়েছে। আবার উগ্র হিন্দুবাদীরা বলেছেন মুসলমানদের দালাল’, গোঁড়া মুসলিমদের কেউ কেউ আবার মুসলিমদের বিষয়ে না-লিখে অন্য বিষয়ে লিখুন’ বলে হুমকি দিয়েছে। প্রতি পদে পদে অতন্দ্র প্রহরীর মতো জেগে ছিল ওয়েবম্যাগের পাঠকরা, পরামর্শ দিয়েছেন, শুধরে দিয়েছেন অনেক জায়গায়। প্রেরণা দিয়েছেন, বইটি ছাপার অক্ষরে প্রকাশের জন্য উপযুপরি তাগাদা দিয়েছেন। সেই তাগদার ফল এই বই, যেটি এখন আপনার হাতে। বলে রাখতে চাই, যিনি ছিদ্রান্বেষী তিনি অন্যের ছিদ্র খুঁজতে চান খুঁজুন। যাঁর যেটা কাজ! তবে অন্যের ছিদ্র খোঁজার সঙ্গে সঙ্গে নিজের ছিদ্রটাও যদি খুঁজে নেওয়া যায় তাহলে কোনো সংঘাতই থাকবে না। অপরের ছিদ্র নিয়ে লিখতে লিখতে তাই নিজের ছিদ্রও দেখে নিলাম। কারোর লজ্জা লাগলে আড়াল নেবেন। না-হলে ইতিহাস কান মুলে দেবে, নাকখত দেওয়াবে।

    ইতিহাসে যা লেখা হয় তার সবটাই যেমন সত্য নয় সবসময়, তেমনই যা ইতিহাসে পাওয়া না তা সবসময় মিথ্যা হবে এমন কথাও বলা যায় না। আমাদের দেশে অনেক সময়ে মিথ্যা ইতিহাসকে সত্যতার আবরণে প্রচার করা হয়ে থাকে। দেশের সম্মুখে আজ সবচেয়ে বড়ড়া বিপদ এই মিথ্যা ইতিহাসের প্রাবল্য। মিথ্যা ইতিহাসের সাহায্যে সমগ্র জাতিকে তথা হিন্দু মুসলমানকে কোন্ দুর্গতির মধ্যে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে তার কোনো কিনারা পাওয়া সম্ভব নয়। দেশকে ও সমাজকে পুনরায় জাগিয়ে তুলতে হলে সত্য ইতিহাসকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য সকল প্রকার প্রয়াসের প্রয়োজন। সত্যকে প্রতিষ্ঠিত না করতে পারলে যে মিথ্যা সভ্যতা ও সংস্কৃতি তৈরি হবে একদিন না একদিন তা নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে বাধ্য। তখন সমগ্র সমাজ এক বিরাট শূন্যতার গহ্বরে পড়ে হাবুডুবু খাবে। দেশকে সমাজকে সেই বিপদ থেকে উদ্ধারের জন্য এখন সর্বত্র চাই সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য অবিরাম পদক্ষেপ। একজন সাধারণ সত্যানুসন্ধানী হিসাবে সত্যপ্রতিষ্ঠার এই পদক্ষেপে আমি যদি সামান্য কিছু সাহায্য করতে পারি, তাহলে আমার এ পরিশ্রম সার্থক হবে।

    —অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহায়রোগ্লিফের দেশে – অনির্বাণ ঘোষ
    Next Article গণিকা-দর্শন – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }