Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভারতে ইসলাম ভারতীয় মুসলিম – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প1287 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২.১.৩ আলাউদ্দিন হোসেন শাহ (শাসনকাল : ১৪৯৩ সাল থেকে ১৫১৯ সাল)

    আলাউদ্দিন হোসেন শাহ ছিলেন মধ্যযুগের স্বাধীন বাংলার সুলতান। তিনি হোসেন শাহি রাজবংশের পত্তন। করেন। চতুর্থ হাবসি সুলতান শামসউদ্দিন মুজাফফর মাহ হোসেন নামে এক অজ্ঞাতকুলশীল ব্যক্তিকে তাঁর সরকারের অধীনে চাকরিতে নিযুক্ত করেন। ক্রমশ তাঁর পদোন্নতি হতে থাকে এবং অবশেষে মুজাফফর শাহের প্রধানমন্ত্রীর আপন প্রভুকে নিহত করে বাংলার সিংহাসন অধিকার করেন। তিনি বাংলার ইতিহাসে আলাউদ্দিন হোসেন শাহ শরিফ মক্কি’ নামে পরিচিত। পরে তিনি খলিফাতুল্লাহ’ উপাধিও ধারণ করেন। হোসেন শাহের রাজত্বকালে হিন্দু প্রজাদের প্রতি উদার দৃষ্টভঙ্গির জন্য পরিচিত।

    কীভাবে হোসেন ক্ষমতা লাভ করেন এবং ক্ষমতা লাভের পর তাঁর কার্যকলাপ কী ছিল সেটা সামান্য খতিয়ে দেখা যেতে পারে। হাবসি শাসক মুজাফফর শাহ হোসেনকে প্রথমত সামান্য চাকরিতে নিযুক্ত করেন। অতঃপর প্রখর বুদ্ধিবলে হোসেন তাঁর প্রভুকে প্রীত ও সন্তুষ্ট করে অবশেষে প্রধানমন্ত্রীত্বের পদ লাভ করেন। সুচতুর হোসেন বুঝতে পেরেছিলেন হাবসি শাসকরা বাংলার লোকের কাছে ছিলেন অনভিপ্রেত। অতএব আপন প্রভুকে সেনাবাহিনী, অমাত্যবর্গ ও জনসাধারণের কাছে অধিকতর অপ্রিয় করে তুলে হোসেন স্বয়ং ক্ষমতা দখলের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন। তিনি তাঁর প্রভু মুজাফফর শাহকে নানাভাবে কুপরামর্শ দিতে থাকেন।

    ঐতিহাসিক রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যয় বলেন, “সৈয়দ হোসেন শরিফ মক্কি মুজাফফর শাহের উজির ও প্রধান কর্মচারী নিযুক্ত হইয়াছিলেন। তাঁহার পরামর্শ অনুসারে মুজাফফর শাহ সৈনিকদিগের বেতন হ্রাস করিয়া অর্থ সঞ্চয়ে মনঃসংযোগ করিয়াছিলেন।” রিয়াজুস সালাতিন ও তারিখে ফেরেশতায় বলা হয়েছে যে, হোসেন উজির হওয়ার পর জনসাধারণের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করতে থাকেন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদেরকে একথাও বলতে থাকেন যে, মুজাফফর শাহ অত্যন্ত নীচ প্রকৃতির লোক এবং বাদশাহ হওয়ার সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত। হোসেন শাহের পরামর্শে মুজাফফর শাহ অবাঞ্ছিত কাজ করতেন। ফলে হোসেন তাঁকে জনসাধারণের কাছে দোষী ও হেয় প্রতিপন্ন করার সুযোগ পেতেন। এভাবে তিনি সেনাবাহিনী, আমির-ওমরাহ ও জনগণকে মুজাফফর শাহের বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত করে তোলেন। অবশেষে তাঁর নেতৃত্বে এক বিরাট বাহিনী মুজাফফর শাহের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হয়। ঐতিহাসিকরা বলেন, যুদ্ধে উভয়পক্ষের ১,২০,০০০ সৈন্য নিহত হয়। তৎকালীন সময়ে এত বড়ো রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ পৃথিবীর অন্য কোথাও হয়েছে বলে জানা যায় না। যুদ্ধে মুজাফফর শাহ নিহত হন। কেউ বলেন, হোসেন প্রাসাদরক্ষীকে হাত করার পর প্রাসাদের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে স্বহস্তে আপন প্রভুকে হত্যা করেন।

    মওলানা আকরাম খাঁ তাঁর মুসলেম বঙ্গের সামাজিক ইতিহাস’ গ্রন্থে বলেন, “সকল শ্রেণির মুসলমান সামন্ত এবং হিন্দুরাজগণ তাঁহাকেই (সৈয়দ হোসেন) রাজ সিংহাসনের উপযুক্ত পাত্র বিবেচনা করিয়া রাজপদে অভিষিক্ত করেন। তিনিও তাঁহাদের মনোরঞ্জনার্থ নির্দিষ্ট সময়মতো গৌড় রাজধানী লুণ্ঠনের আদেশ দেন। ওই সময়ে গৌড়নগরে অনেক ধনশালী হিন্দু প্রজা সর্বস্বান্ত হইয়াছিলেন”। মজার ব্যাপার এই যে, হোসেনেরই আদেশে যাঁরা লুণ্ঠন করেছিল, তাঁদেরকে আবার হোসেনের আদেশেই হত্যা করা হয়। এদের সংখ্যা ছিল বারো হাজারেরও বেশি। হোসেন তাঁর আপন হীনস্বার্থ চরিতার্থ করার জন্যে লক্ষ লক্ষ লোকের রক্তে নিজের হাত রঞ্জিত করেন। হয়তো লুণ্ঠনের আদেশ কিছু সংখ্যক মুসলমান হত্যার বাহানা মাত্র। এত গণহত্যার পর, যার মধ্যে ছিল সেনাবাহিনীর লোক, আমির-ওমরাহ, অমাত্যবর্গ, জ্ঞানীগুণী প্রভৃতি৷ হোসেনের বিরুদ্ধে টু শব্দ করার আর কেউ থাকল না। ফলে তিনি হয়ে পড়েন বঙ্গদেশের সর্বময় কর্তা।

    আলাউদ্দিন হুসেনের সময়েই মহাপ্রভু চৈতন্যদেবের উত্থান হয়। ইতিহাসবিদ যদুনাথ সরকার তাঁর “The History of Bengal’ গ্রন্থে প্রকৃতপক্ষে চৈতন্যের আবির্ভাবের উদ্দেশ্য কী ছিল, তা তাঁর নিজের কথায় আমরা সুস্পষ্টরূপে জানতে পারি। কৃষ্ণদাস কবিরাজ তাঁর ‘চৈতন্যচরিতামৃত’ (আদি লীলা) গ্রন্থে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলেন— “পাষণ্ডি সংহারিতে মোর এই অবতার।/পাষণ্ডি সংহারি ভক্তি করিমু প্রচার।”

    এ থেকে বোঝা যায় পাষণ্ডি সংহার করাই তাঁর জীবনের আসল লক্ষ্য। ইতিহাস আলোচনা করলে জানা যায়, মুসলমানরা বাংলা অধিকার করার সময় বৌদ্ধ মতবাদ দেশ থেকে বিলুপ্ত হয়েছিল। নিম্নশ্রেণির হিন্দুদের যে বিপুলসংখ্যক লোক এদেশে বাস করত, ব্রাহ্মণরা তাদেরকে সনাতন ধর্মের আশ্রয়ে আনতে অস্বীকার করেন। তার ফলে তাঁরা বৈষ্ণব সমাজে প্রবেশ করতে থাকে। তাহলে দেখা যাচ্ছে এদেশে (বাংলা) তখন হিন্দু, বৈষ্ণবসমাজ ও মুসলমান ব্যতীত সে সময়ে আর কোনো ধর্মাবলম্বীর অস্তিত্ব প্রায় ছিলই না। তাহলে ‘পাষণ্ডি’ ছিল কারা, যাঁদের সংহারের জন্যে চৈতন্যের আবির্ভাব হয়েছিল? মওলানা আকরাম খাঁ তাঁর ‘মুসলেম বঙ্গের সামাজিক ইতিহাস’ গ্রন্থে বলেন—”মনুর মতে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী অহিন্দু মাত্রই এই পর্যায়ভুক্ত (সরল বাংলা অভিধান)। আভিধানিক সুবলচন্দ্র মিত্র তাঁহার Beng-Eng Dictionary-তে পাষণ্ডি শব্দের অর্থে বলিতেছেন— “Not conforming himself to the tenets Vedas: Atheistic. Jaina or Buddha. A non-Hindu– বেদ অমান্যকারী, অন্য বর্ণের চিহ্নধারী এবং অহিন্দু— পাষণ্ডির এই তিনটি বিশ্লেষণ সর্বত্র প্রদত্ত হইয়াছে।” অতএব ‘পাষণ্ড’ বলতে যে একমাত্র মুসলমানদেরকেই বোঝায়, তাতে আর সন্দেহের অবকাশ রইল না।

    এখন প্রশ্ন হল এই যে, সত্য সত্যই কী চৈতন্য পাষণ্ড তথা মুসলমানদেরকে এদেশ থেকে উচ্ছেদ করতে পেরেছিলেন? নাকি সেই চেষ্টা বিন্দুমাত্র করেছিলেন? নাকি করেছিলেন, কিন্তু সফল হননি? খালি চোখেই দেখা যায়, চৈতন্যের সমসাময়িক সুলতান হোসেন শাহের পরেও এদেশে কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত ছিল। কিন্তু হোসেন শাহ কর্তৃক চৈতন্যের শিষ্যত্ব গ্রহণ ও বৈষ্ণবসমাজ প্রতিষ্ঠায় তাঁর সাহায্য সহযোগিতার দ্বারা মুসলমানদের আকিদাহ বিশ্বাসের মধ্যে শির্ক বিদয়াতের যে আবর্জনা জমে উঠেছিল তাই-ই পরবর্তী যুগে মুসলিম সমাজের অধঃপতনের কারণ হয়। মুসলেম বঙ্গের সামাজিক ইতিহাস গ্রন্থ প্রণেতা বলেন— “প্রকৃত কথা এই যে, বৌদ্ধ সমাজ ও বৌদ্ধ ধর্মকে তাহাদের মাতৃভূমি হইতে সমূলে উৎখাত করার পর তাঁহাদের নেকনজর পড়িয়াছিল মুসলমান সমাজের উপর। তাই যুগপৎভাবে তাঁহারা চেষ্টা করিতে লাগিলেন ‘যবন’ রাজাদিগকে রাজনৈতিক কৌটিল্যের মাধ্যমে বিধ্বস্ত ও বিপর্যস্ত করিয়া ফেলিতে। পক্ষান্তরে ধর্মের নামে একটা মোহজাল বিস্তার করিয়া মুসলমান সমাজকে আত্মবিস্মৃত ও সম্মোহিত করিয়া রাখিতে। পূর্বে বলিয়াছি, ইহাই তঙ্কালের অবতার ও তাঁহার ভক্ত ও সহকারীদের চরম ও পরম উদ্দেশ্য।”

    স্মর্তব্য, সত্যনারায়ণের পুজো-পদ্ধতির উল্লেখ হিন্দু পুরাণে আছে। হিন্দুদের প্রায় প্রতি ঘরেই এই পুজো হয়ে থাকে। কিন্তু মুসলমানকে দিয়ে এ সত্যনারায়ণের পুজো কিছুতেই সম্ভব ছিল না। তাই হিন্দু-মুসলমানের বিভেদ মিটানোর উদ্দেশ্য সুলতান হোসেন সত্যপিরের প্রতিষ্ঠা ও তাঁর পুজো-পদ্ধতির প্রবর্তন করেন। প্রকৃতপক্ষে সত্যপিরের দরগাহ প্রতিষ্ঠা, সত্যপিরের নামে মানত ও শিরনি বা সিন্নি বিতরণ, ঢাক-ঢোলের বাদ্য বাজনাসহ সত্যপিরের দরগায় অনুষ্ঠানাদি পালন প্রকৃতপক্ষে সত্যনারায়ণ পুজোরই মুসলিম সংস্করণ, যার প্রবর্তক ছিলেন হোসেন শাহ। এসব কারণেই হোসেন শাহকে ‘অবতার’ বলে মান্য করে হিন্দুসসমাজ— “নৃপতি হুসেন শাহ হয়ে মহামতি।/পঞ্চম গৌড়েতে যার পরম সুখ্যাতি।/অস্ত্রশস্ত্রে সুপণ্ডিত মহিমা অপার।/কহিকালে হবু যেন কৃষ্ণ অবতার।”

    অনেকে মনে করেন— হোসেন শাহ আদৌ মুসলমান ছিলেন না। একজন সাইয়েদ বংশীয় মুসলমান হিসাবে পরিচয় দিয়ে মুসলমানদের ভক্তি-শ্রদ্ধা আকর্ষণ করে প্রতারণার মাধ্যমে ক্রমশ উচ্চতম ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন। অথবা বাংলারই অজ্ঞাতকুলশীল হিন্দু অথবা মুসলমান কোনো নিরাশ্রয় বালককে মুর্শিদাবাদের চাঁদপাড়া গ্রামের জনৈক ব্রাহ্মণ আশ্রয় দান করে রাখালের কাজে নিযুক্ত করেন। উক্ত ব্রাহ্মণ এই বালকের মধ্যে এক বিরাট প্রতিভা দেখতে পান এবং ‘পাষণ্ড সংহার নিমিত্ত তাঁকে প্রশিক্ষণ দিয়ে মুজাফফর শাহের দরবারে পরিচয় দেওয়া হয়। মুজাফফর শাহের অনুগ্রহে তাঁর ভাগ্য দ্রুত পরিবর্তন শুরু হয়। তাঁর গোটা জীবন, তাঁর সম্পর্কে ঐতিহাসিকদের পরস্পরবিরোধী বিবরণ, তাঁর পরবর্তীকালের ধর্মবিশ্বাস, কার্যকলাপ ও আচার-আচরণ, অসংখ্য প্রতিভাবান মুসলিমদের হত্যা করে হিন্দু ও বৈষ্ণব সমাজের লোকদের দ্বারা তাঁর মন্ত্রীসভা ও রাজদরবারের শোভাবর্ধন প্রভৃতি লক্ষ করার পর তাঁর জাতিধর্ম সম্পর্কে উপরোক্ত ধারণা পোষণ করলে ভুল হয় না হয়তো। হোসেনের প্রশাসনের দুজন উচ্চ পর্যায়ের হিন্দু কর্মকর্তা ব্যক্তিগত সচিব (দবিরে খাস) রূপ গোস্বামী ও তাঁর ঘনিষ্ঠ মন্ত্রী (সগির মালিক) সনাতন গোস্বামী মহাপ্রভু চৈতন্যের অনুসারী হন।

    মোটকথা, হোসেন শাহ মুসলমানই হন, আর যাই-ই হন, অসংখ্য অগণিত মুসলমান সৈন্য, আমির ওমরাহ ও সম্ভ্রান্ত মুসলমানদের হত্যার পর শক্তিশালী হিন্দু সামন্তপ্রভুদের তুষ্টিসাধন করেছেন। তাঁর আমলে বাংলা ভাষার মাধ্যমে হিন্দু জাতির রেনেসাঁ আন্দোলন জোরদার হয়েছিল। বাংলা গ্রন্থ-প্রণেতা মালাধর বসু, বিপ্রদাস, বিজয়গুপ্ত এবং যশোরাজ খান তাঁদের সাহিত্যে হোসেন শাহের উচ্ছ্বসিত প্রশংসাসহ কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন। যেমন— মালাধর বসু ভাগবতের দশম ও একাদশ স্কন্ধ বাংলায় অনুবাদ করেন। তিনি শ্রীকৃষ্ণের প্রণয়লীলা বিষয়ক শ্রীকৃষ্ণবিজয়’ নামক একখানি বাংলা মহাকাব্য রচনা করেন। হোসেন প্রীত হয়ে তাঁকে ‘গুণরাজ খান’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তিনি বলেন—”নিগুণ অধম মুঞি নাহি কোন ধান,/গৌড়েশ্বর দিল নাম গুণরাজ খান।” বৃন্দাবন দাসের ‘চৈতন্যভাগবত’ থেকে জানা যায় হোসেন শাহ গৌড়ে গিয়ে চৈতন্যদেব সম্পর্কে নির্দেশ দিয়েছিলেন– “শ্রীচৈতন্যর নগর-সংকীর্তনের সময় যদি কেউ তাঁকে বিরক্ত করে সে কাজি হোক বা কোতোয়াল হোক, তাঁর মৃত্যুদণ্ড হবে।”

    বাংলার ইতিহাস আলোচনা করলে জানা যায় যে, সর্বপ্রথম হোসেন শাহি আমলেই মুসলমানদের আচার-আচরণ ও ধর্মবিশ্বাসে পৌত্তলিকতার অনুপ্রবেশ ঘটেছিল। শ্রীচৈতন্য ও বৈষ্ণবসমাজের বিরাট প্রভাব যে মুসলমানদের ধর্মবিশ্বাসকে প্রভাবিত করেছিল তাতে কোনো সন্দেহ নেই। হোসেন শাহ কর্তৃক লক্ষ লক্ষ সম্ভ্রান্ত মুসলমান আমির-ওমরাহ, ধার্মিক ও পির-অলি নিহত হওয়ার এবং হোসেন শাহের স্বয়ং শ্রীচৈতন্যের শিষ্যত্ব গ্রহণ করার কারণে মুসলিম সমাজে পৌত্তলিক ভাবধারার অনুপ্রবেশ সহজতর হয়েছিল। এম আর তরফদার তাঁর ‘Husain Shahi Bengal’ গ্রন্থে বলেন— “Some of the influential Muslims used to worship the snake goddess. Mannasa. Out of fear for snake bite. It is probabely the result of the Hindu influence on the Muslims. Nasrat Shah constructed a building in order to Prophet. But the preservation of the Prophet’s footprint does not find support in Orthodox Islam.”

    ডাঃ জেসম ওয়াইজ বলেন, গয়ার ব্রাহ্মণরা তীর্থযাত্রীদেরকে বিষ্ণুপদ দেখিয়ে প্রচুর রোজগার করে। তাঁদের অনুকরণে মুসলমান সমাজে কদম রসুলের পুজোর প্রচলন শুরু হয় হোসেন শাহর বাংলায়। হুসেন শাহের রাজত্বেই বিকশিত হয়েছিল বৈষ্ণব কাব্য ও মঙ্গলকাব্যের মতো মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের দুটি প্রধান ধারা। বাংলার অর্থনৈতিক অগ্রগতির সূত্রপাত ঘটেছিল সুলতান হুসেন শাহের আমলেই। হোসেন শাহের তাঁর পুত্র নাসিরউদ্দিন নুসরাত শাহ বাংলার সুলতান (শাসনকাল ১৫১৯ থেকে ১৫৩৩ সাল) হন। নুসরাত শাহের পর তাঁর পুত্র দ্বিতীয় আলাউদ্দিন ফিরোজ শাহ বাংলার সুলতান (শাসনকাল ১৫৩৩ সাল) হন। ফিরোজ শাহের অকালমৃত্যুর তাঁর পিতৃব্য গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ বাংলার সুলতান হন। তিনি ছিলেন দুর্বল, বিলাসিতাপ্রবণ ও সহজ-সরল শাসক। কূটনৈতিক দূরদর্শিতার অভাব ছিল। রাজনৈতিক সমস্যার সমাধানের জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ নিতেও তিনি ব্যর্থ ছিলেন। ইনিই বাংলার শেষতম সুলতান। ফিরোজ শাহের ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হোসেন শাহি রাজবংশও নিশ্চিহ্ন হয়। এরপর শের শাহ, সুর ও কররানি বংশ ১৫৭৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলার মসনদে অধিষ্ঠিত থাকে। অতঃপর দিল্লির মোগল সাম্রাজ্যের অধীনে নিযুক্ত গভর্নররা বাংলার শাসনকার্য পরিচালনা করতে থাকেন। তবে ১৬০৫ খ্রিস্টাব্দে বাদশাহ আকবরের মৃত্যুর পর জাহাঙ্গির কর্তৃক হিন্দু রাজপুত মানসিংহ দ্বিতীয়বারের জন্যে বাংলার গভর্নর নিযুক্ত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত শান্তির সঙ্গে বাংলায় শাসনকার্য পরিচালনা সম্ভব হয়নি। কারণ খুব স্বাভাবিকভাবেই বাংলার মোগল আধিপত্য বার বার প্রতিহত ও বিপন্ন হয়। মানসিংহের পর জাহাঙ্গির কুতুবউদ্দিন খান কোকাকে বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করেন। ১৬০৭ সালে জাহাঙ্গির কুলি খান এবং ১৬৩৯ সাল পর্যন্ত আরও নয়জন বাংলার সুবাদার গভর্নর হিসাবে শাসন পরিচালনা করেন। ১৬৩৯ সালে যুবরাজ সুজা বাংলার গভর্নর নিযুক্ত হওয়ার পর সর্বপ্রথম ইংরেজগণ ব্যবসায়ীর বেশে বাংলায় আগমন করে এবং ১৭৫৭ সালে সিরাজের পতনের মধ্য দিয়ে তাঁরা চিরতরে মুসলিম শাসনের মূলোৎপাটন করে বাংলা বিহারের হর্তাকর্তা বিধাতা হয়ে পড়ে।

    যুবরাজ মোহাম্মদ সুজার পর ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত যাঁরা বাংলার মসনদে অধিষ্ঠিত ছিলেন তাঁরা হলেন— যুবরাজ মোহাম্মদ সুজা (১৬৩৯-১৬৬০ খ্রিস্টাব্দ), মোয়াজ্জাম খান মিরজুমলা (১৬৬০-৬৩ খ্রিস্টাব্দ), দিলির খান-দাউদ খান (১৬৬৩-১৬৬৪ খ্রিস্টাব্দ), শায়েস্তা খান (মমতাজ মহলের ভ্রাতা) (১৬৬৪-১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দ), ফিদা খান আজন খান কোকা (১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দ), যুবরাজ মোহাম্মদ আজম (১৬৭৮-১৬৭৯ খ্রিস্টাব্দ), শায়েস্তা খান। (১৬৭৯-১৬৮৮ খ্রিস্টাব্দ), খানে জাহান (১৬৮৮-১৬৮৯ খ্রিস্টাব্দ), ইব্রাহিম খান (১৬৮৯-১৬৯৮ খ্রিস্টাব্দ), যুবরাজ আজিমউদ্দিন (১৬৯৮-১৭১৭ খ্রিস্টাব্দ), মুর্শিদকুলি খান (১৭১৭-১৭২৭ খ্রিস্টাব্দ), সুজাউদ্দিন মোহাম্মদ খান (১৭২৭-১৭৩৯ খ্রিস্টাব্দ), সরফরাজ খান (১৭৩৯-১৭৪০ খ্রিস্টাব্দ), আলিবর্দি খান (১৭৪০-১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দ), সিরাজদ্দৌলা (১৭৫৬-১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দ)।

    সিরাজউদ্দৌল্লার পতনের পর মির জাফর (পুরো নাম মির মোহম্মদ জাফর আলি খান বাহাদুর) ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রিত বাংলার নবাব হন। ৭৪ বছর বয়সে ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে তাঁর মৃত্যু হয়। ১৭৬৩ সাল পর্যন্ত নবাব ছিলেন। ১৭৬৩ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ব্রিটিশ মনোনীত মির কাশিম বাংলার নবাব হন। তিনি ব্রিটিশদের সঙ্গে বক্সারের যুদ্ধে পরাজিত হন। এরপর মির জাফরের দ্বিতীয় পুত্র নাজিমউদ্দিন আলি খান মাত্র ১৫ বছর বয়সে বাংলার নবাব হন। শাসনকাল ১৭৬৫ থেকে ১৭৬৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত। এরপর নাজিমউদ্দিন আলির ছোটো ভাই নাজাবুত আলি খান বাহাদুর মাত্র ১৭ বছর বয়সে বাংলার নবাব হন। তাঁর শাসনকাল ছিল ১৭৬৬ থেকে ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত। নাজাবুত আলির পর বাংলার নবাব হন মির জাফরের চতুর্থ পুত্র সৈয়দ আশরাফ আলি খান বাহাদুর। ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দের ২১ মার্চ রাজ্যাভিষেক হয় এবং একই বছরের ২৪ মার্চ গুটিবসন্তে মৃত্যু হয়। মির জাফরের শাসনামলেই ভারতে কোম্পানির শাসন (তখনও পর্যন্ত ব্রিটেন সরকার যুক্ত হয়নি) প্রতিষ্ঠার শুরু এবং উপমহাদেশে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য বিস্তারের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দ থেকেই দ্বৈত সরকার (নবাব ও কোম্পানি) প্রবর্তন করা হয়, যে আইনে নবাবরা ব্রিটিশদের অধীনে শাসন করত এবং তাঁরা ব্রিটিশদের হাতের পুতুল ছিল। ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে আইনটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে শাসন ব্রিটিশদের অধীনে চলে যায়। ১৭৯৩ খ্রিস্টাব্দে নবাবদের কাছ থেকে গভর্নরের অধিকারও প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়, তখন তাঁদের ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি থেকে শুধু সামান্য অবসরকালীন ভাতা দেওয়া হত। বাংলার শেষ পরাধীন নবাব মনসুর আলি খান ১৮৮০ খ্রিস্টাব্দের ১ নভেম্বর তাঁর জ্যেষ্ঠ পুত্রের জন্য ক্ষমতা থেকে পদত্যাগ করেন। যেহেতু ১৮৮০ খ্রিস্টাব্দ থেকে বাংলার ‘নবাব’ উপাধিটি বিলুপ্ত হয়েছিল, সেইহেতু মনসুর আলির পদত্যাগের পর মুর্শিদাবাদের নবাবরা ‘বাহাদুর’ হিসাবে পরিচিত হয়। নবাব শাসনের অবসানের পরপরই ব্রিটিশ শাসন শুরু হয়ে যেত।

    আমি এরপর ব্রিটিশ শাসন নিয়ে আলোচনা শুরু করে দিতে পারতাম। কিন্তু আর-একজন মুসলিম শাসকের কথা না-বললেই নয়। তিনি টিপু সুলতান। আমরা ছোটোবেলায় ইতিহাসে পড়েছি ইঙ্গ-মহিশূরের যুদ্ধ। অর্থাৎ টিপু সুলতানের সঙ্গে ব্রিটিশদেরকে বেশ ভালোরকম যুঝতে হয়েছিল। প্রবল প্রতিরোধের মুখে পড়তে হয়েছিল ব্রিটিশসেনাদের। ব্রিটিশরা সেদিন টিপু সুলতানের কাছে এত মার খেয়েছিল যে ব্রিটিশরা কোনোদিন সেই যন্ত্রণার কথা ভুলতে পারেনি। সেই একই যন্ত্রণা অনুভব করে আরএসএসের সদস্যরা। ব্রিটিশদের মার খাওয়াটা ওরা কোনোদিন মেনে নিতে পারেনি। একটু দেখে নিতেই হয় কেমন ছিল সেই ঘাত-প্রতিঘাত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহায়রোগ্লিফের দেশে – অনির্বাণ ঘোষ
    Next Article গণিকা-দর্শন – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }