Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভারতে ইসলাম ভারতীয় মুসলিম – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প1287 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.৫.০২ সুলতান মামুদ (শাসনকাল : ৯৯৭ সাল থেকে ১০৩০ সাল)

    সুলতান মামুদ (শাসনকাল : ৯৯৭ সাল থেকে ১০৩০ সাল)

    সুলতান মামুদের প্রসঙ্গে এলেই আমাদের সবার আগে মনে পড়ে যায় স্কুল-কলেজের পাঠ্যবইয়ে পড়া সতেরোবার ভারত আক্রমণের ইতিহাসের কথা। আর মনে পড়ে সোমনাথ মন্দির ধ্বংসের কথা। সুলতান মামুদের বিরুদ্ধে ইসলাম ধর্ম প্রচারক, মূর্তিভঙ্গকারী, অর্থলোলুপ, নরহন্তা, লুণ্ঠনকারী নানাবিধ অপবাদে ভূষিত করা হয়েছে। আমরা দেখব প্রকৃত ঘটনাটা কী। তার আগে বলি উগ্র হিন্দুবাদীরা সবসময়ই বলে থাকেন, মুসলমানরা সব আরব থেকে। এসে ভারত আক্রমণ ও শাসন করেছে। বাস্তবিক আরব থেকে যে গুটিকয়েক মুসলমান এসেছেন, তা হাতে গোনা। বেশির ভাগই এসেছেন অন্য দেশ থেকে, কখনোই আরব নয়। সুলতান মামুদ, তৈমুর লঙ, চেঙ্গিস খান, বাবর, হুমায়ুন, আকবর, নাদির শাহ, জাহাঙ্গির, আওরঙ্গজেব, শাহজাহান ইত্যাদি এরা কেউই আরব থেকে আসেনি। এদের মধ্যে চেঙ্গিস খান মুসলমানই নন। ব্রিটিশ শাসনকালে ভারতকে ব্রিটিশ-ভারত বলা হত। অর্থাৎ সম্প্রসারিত ব্রিটেন। ব্রিটেনের পতাকা উড়ত ভারতে। সব নির্দেশ ব্রিটেন থেকে আসত। লাট, লর্ড, গভর্নর সব ব্রিটেন থেকে আসত। কোনো ভারতীয় এসব পদ পেতেন না। লর্ড মাউন্টব্যাটেন ব্রিটেন থেকে এসেই ভারত ভেঙে দিয়ে গেল। মুসলিম শাসনে কখনো বলা হত না আরব-ভারত। ভারতের বুকে আরবের পতাকাও কোনো মুসলিম শাসক ওড়াতো না। প্রত্যেক শাসকদের নিজস্ব পতাকা ছিল। যেমন বিভিন্ন পৃথক সাম্রাজ্যের হিন্দুরাজাদের পৃথক পতাকা ছিল। এই উপমহাদেশে এ সময় অসংখ্য সাম্রাজ্যের অসংখ্য রাষ্ট্রীয় পতাকা উড়ত।

    যাই হোক, এবার আসি গজনির মামুদের কথায়। ইতিহাস লেখক শ্রীবিনয় ঘোষ লিখেছেন— “মন্দিরের ভিতর কত যে মণিমুক্তা ও সোনার জিনিস ছিল তাহার হিসাব নাই। রাজপুত রাজার প্রাণ অপেক্ষাও প্রিয় ছিল এই মন্দির। তাঁহারা সকলে মিলিত হইয়া মন্দির রক্ষা করিবার চেষ্টা করেন। গুজরাটের রাজা ভীমদেব প্রতিরোধ সংগ্রামে অগ্রণী হন। প্রায় ৫০০০ হিন্দু যোদ্ধা এই মন্দির রক্ষার জন্য প্রাণ বিসর্জন দেন। কিন্তু মন্দির রক্ষা হয় নাই। মাহমুদ মন্দিরের ভিতর প্রবেশ করিয়া সব ধ্বংস করিবার আদেশ দেন। ব্রাহ্মণরা প্রচুর ধনসম্পদের বিনিময়ে মন্দিরটি ভিক্ষা চান। কিন্তু মাহমুদ তাহার উত্তরে বলেন যে তিনি হিন্দু দেবমূর্তি বিক্রেতা হইতে চান না, দেবমূর্তি বিনাশী হইতে চান।”

    খুবই করুণ দৃশ্য রচনা করেছেন শ্রীবিনয়। এই দৃশ্য ‘দর্শন করে মনে হয় এই পৃথিবীটাকে মুসলমানশূন্য করে দিই! না, তার আগে সুলতান মামুদকে একটু চেনার চেষ্টা করা যাক পর্যায়ক্রমে। সুলতান মামুদ হলেন গজনির সুলতান সবুক্তগিনের পুত্র। মামুদ উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং শ্রেষ্ঠ সৈন্যাধ্যক্ষের অন্যতম। শ্রীবিনয় ঘোষ লিখেছেন, “১০০০ ১০২৬ সালের মধ্যে অর্থাৎ ২৬ ধরিয়া ক্রমান্বয়ে সুলতান মাহমুদ ১৭ বার ভারত অভিযান করেন।” কিন্তু প্রকৃত ইতিহাস মামুদ ৯৯৭ থেকে ১০৩০ সাল পর্যন্ত এই ৩৩ বছর ছিল মামুদের রাজত্বকালের সময়সীমা।

    কেন ভারত আক্রমণ করার প্রয়োজন বোধ করল মামুদ? অধ্যাপক হাবিব এবং এস এম জাফরের মতে, সুলতান মামুদের ভারত অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল অর্থনৈতিক, ধর্মীয় নয়। তাঁর বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন ছিল বলেই সম্ভবত তিনি প্রাচুর্যে পরিপূর্ণ ভারতের বিপুল ধনসম্পদের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলেন। তিনি এক-একবার অভিযান করে দেশে ফেরার সময় প্রচুর অর্থসম্পদ সঙ্গে নিয়ে গিয়েছেন। মধ্য-এশিয়ার শত্রু দমন এবং গজনিকে কেন্দ্র করে একটি বিরাট সাম্রাজ্য গড়ে তোলার জন্য তাঁর এই অর্থসম্পদের প্রয়োজন ছিল। সুতরাং এ পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় যে, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়েই সুলতান মামুদ ভারত অভিযান করেছিলেন। মধ্য-এশিয়ার অন্যান্য শাসকের মতো সুলতান মামুদ স্থায়ীভাবে ভারতে বসবাস করতে চাননি। তাই দেশ জয় করে এবং শত্রুদের ক্ষমতা খর্ব করেই তিনি স্বদেশে ফিরে যেতেন। কাজেই তিনি ভারতীয় ঐতিহাসিকদের কাছে বিজেতা অপেক্ষা আক্রমণকারী হিসাবেই অধিক পরিচিত। মামুদের ভারত ও অন্যান্য রাজ্যবিজয় স্থায়ী কোনো ফলদান না করলেও, তিনি যে একজন বিজেতা ছিলেন এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই। রাজনৈতিক ক্ষমতা লাভের জন্য অর্থের প্রয়োজন তিনি অনুভব করেছিলেন এবং ভারত সে সুযোগ দান করলে তিনি তা গ্রহণ করেন। ভারত থেকে সংগৃহীত অর্থ তিনি স্বীয় রাজধানী গজনির উন্নতির জন্য ব্যয় করেছিলেন।

    তবে ঐতিহাসিক গোলাম আহমাদ মোস্তাফার ভাষ্য মতে, গজনির আমির আলপতিগিনের মৃত্যুর ১৪ বছর তাঁর জামাতা সুবুক্তিগিন সুলতান হন। তিনি প্রভাবশালী শাসক ছিলেন। এ সময় ভারতের পাঞ্জাব শাহি রাজা জয়পালের চিন্তা হল কাবুল থেকে যদি তিনি ভারত আক্রমণ করেন, তাহলে তাঁকে প্রতিরোধ করা অসম্ভব একার পক্ষে। অতএব রাজা জয়পাল উত্তর ভারতের প্রায় প্রত্যেক হিন্দু রাজাদের সংগঠিত করেন সুবুক্তিগিনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন বলে। সেই সম্মিলিত শক্তি নিয়ে সুবুক্তিগিনের সঙ্গে যুদ্ধে অবতীর্ণ হন। যুদ্ধটি সংঘটিত হয় গজনি ও লাঘমানের মধ্যবর্তী ঘুজুক নামে এক অঞ্চলে। এতকিছু করেও এই যুদ্ধে জয়পাল সাংঘাতিকভাবে পরাজিত হন। জয়পাল প্রাণ নিয়ে কোনোমতে স্বদেশে ফিরে আসেন। তবে বিজয়ী মুসলমান রাজার সঙ্গে কয়েকটা সন্ধিতে সই করে ফেরেন। স্বদেশে ফিরেই জয়পাল সেই সন্ধিচুক্তি ভঙ্গ করে বসেন। এর ফলে সুবুক্তিগিন খুবই ক্ষুব্ধ হন জয়পালের উপর। প্রতিশোধস্পৃহা জেগে ওঠে তাঁর। সুরজিৎ দাশগুপ্ত তাঁর ‘ভারতবর্ষ ও ইসলাম’ গ্রন্থে লিখেছেন– “কোনোমতে প্রাণ বাঁচিয়ে দলবলসহ স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের অল্পকাল পরেই জয়পাল স্বীকৃত সন্ধি ভঙ্গ করেন। জয়পালের আগ্রাসী মনোভাব ও বিশ্বাসঘাতকতা সুলতান সুবুক্তিগিনের মনে স্বভাবতই উন্মুক্ত উষ্ম জাগাল। কিন্তু শঠ জয়পালকে শাস্তি দিয়ে যাওয়ার সুযোগ তিনি পেলেন না। সে দায়িত্ব একাধারে জ্ঞানী ও যোদ্ধা পুত্র মামুদের উপর অর্পণ করে ৯৯৭ সালে তিনি মারা গেলেন।”

    মামুদের ভারতের অভিযানের কারণ যাইই হোক না-কেন, তাঁর বিরুদ্ধে সবচেয়ে অভিযোগ বা অপবাদ হল তিনি সোমনাথ মন্দির ভেঙেছেন, সম্পদ লুঠ করেছেন এবং বিগ্রহ ভেঙেছেন। তাই সেই সূত্রেই সুলতান মামুদ ধর্মীয় কারণেই ভারত আক্রমণ এবং মন্দির ধ্বংস করেন বলা হয়। বস্তুত মামুদ যদি ধর্মীয় কারণেই ভারত আক্রমণ করতেন, তাহলে সতেরোবার করেও ষোলোতম আক্রমণের সময় সোমনাথ ধরতেন না। সতেরোবারই ভারত অভিযান করে ভারতকে মন্দিরহীন করে ফেলতে পারতেন। তাঁর লোকবল, অস্ত্রবল ও মনোবল তো কিছু কম ছিল না।

    সতেরোবার ভারতে ঢুকে সশস্ত্র মামুদ কী করল? সঙ্গত প্রশ্ন। উত্তর কি হিন্দুদের জোর করে মুসলিম বানিয়েছিল? হিন্দুদের ধরে ধরে কচুকাটা করেছিল? বস্তুত উনি কোনোদিন ভারতের সুলতান ছিলেন না, ছিলেন গজনির সুলতান। গজনি আফগানিস্তান ভূখণ্ডে অবস্থিত। সুলতান মামুদ প্রথমবার ভারত আক্রমণ করেন ১০০০ সালে। লামঘান (জালালাবাদ) ও পেশোয়ারের মধ্যবর্তী অঞ্চল খাইবার গিরিপথে অবস্থিত ভারতের কিছু সীমান্তবর্তী দুর্গ ও শহর দখল করে নিজের সীমান্ত সুরক্ষিত করেন। দ্বিতীয় অভিযান ১০০১ সালে। জয়পালের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ গ্রহণ। জয় পাল পুত্র-পৌত্রসহ বন্দিত্ব বরণ করলেন। তবে আড়াই লক্ষ দিনার, ১৫০টি হাতি এবং কিছু অঞ্চলের বিনিময়ে পরিবার-পরিজনসহ জয়পালকে মুক্তি দেন। কিন্তু জয়পাল আত্মগ্লানি থেকে মুক্তি পেতে আগুনে ঝাঁপ দিয়ে মৃত্যুবরণ করেন। জয়পালের মৃত্যুর পর পুত্র আনন্দপাল সিংহাসনে বসেন। এরপর প্রায় চার বছর (১০০১ থেকে ১০০৪) মামুদ আর ভারতের দিকে আসেনি। ১০০৫ সালে মামুদের তৃতীয় ভারত অভিযান। এই অভিযানে ঝিলাম নদীর তীরবর্তী ভীরা রাজ্যের রাজার বিরুদ্ধে। ভীরা রাজ্যের রাজা বিজয় রায়ে বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগে মামুদ তিনদিন টানা যুদ্ধ করার পর চতুর্থ দিনে বিজয় রায় যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সুযোগ বুঝে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে মামুদ পিছু নেন। দাসত্ব ও নির্যাতনের ভয়ে নিজের ছুরির আঘাতে আত্মহত্যা করেন। অবশেষে ভীরাও মামুদের দখলে চলে আসে। ১০০৬ সাল ছিল মামুদের চতুর্থ ভারত অভিযান। মামুদের এই অভিযান কোনো হিন্দু বা বৌদ্ধ রাজার বিরুদ্ধে নয়। এ অভিযান ছিল মুলতানের শাসনকর্তা শেখ আবদুল হামিদ। লোদির পৌত্র ফতেহ দাউদের বিরুদ্ধে। এদিকে জয় পালের পুত্র আনন্দপালের সঙ্গে জোট বেঁধে ফতেহ দাউদ মামুদের বিরুদ্ধে মিত্ৰতা স্থাপন করলেন। এই সংবাদ শুনে মামুদ মুলতানের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। আনন্দপালই ফতেহ দাউদের পক্ষে দাঁড়িয়ে মামুদের অভিযান প্রতিরোধ করে। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারেননি আনন্দপাল। মামুদের সঙ্গে যুদ্ধে পরাজিত হয়ে আনন্দপাল কাশ্মীরের দিকে গা-ঢাকা দেন। এরপর টানা সাতদিন মুলতান অবরোধ করলে ফতেহ দাউদ উপায়ান্তর না-দেখে বছরে ২০,০০০ দিরহাম কর প্রদানের শর্তে মামুদের কাছে বশ্যতা স্বীকার করেন। আনন্দপালের পুত্র নওয়াজ শাহর (আনন্দপালের পুত্র সুখপালের ইসলামে আসার পর নতুন নাম।) হাতে মুলতানের শাসনভারের দায়িত্ব দিয়ে মামুদ গজনিতে ফিরে যান। ফিরে এসে গজনি আক্রমণকারী মোঙ্গল নেতা ইলাককে চরম শিক্ষা দেন। এদিকে নওয়াজ শাহ শাসনভার পাওয়ার পর ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করেন। ১০০৭ সালে মামুদের পঞ্চম অভিযানে সুখ পাল ওরফে নওয়াজ শাহের ধৃষ্টতার জবাবে তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন এবং নওয়াজ পরাজিত হন। নওয়াজের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়, সেইসঙ্গে ক্ষতিপূরণ হিসাবে ৪ লক্ষ দিনার জরিমানাও দিতে হয়। ১০০৮ সাল। আনন্দপাল মামুদের বিরুদ্ধে উজ্জয়িনী, গোয়ালিয়র, কালিঞ্জর, কনৌজ, দিল্লি ও আজমিরের রাজাদের শক্তিকে একত্রিত করছিলেন। এ সংবাদ পেয়ে সুলতান মামুদ ষষ্ঠ অভিযানে আসেন। তুমুল যুদ্ধের পর আনন্দপালের শোচনীয় পরাজয় হয়। ১০০৯ সালে সপ্তম অভিযান। এই অভিযানে কাংড়া পাহাড়ের নগরকোট দুর্গ আক্রমণ ও অধিকার করেন। সেখানকার মন্দিরের ভিতর রক্ষিত যা কিছু ধনসম্পদ সব নিজ হস্তগত করেন। জানা যায়, এই মন্দিরে প্রচুর ধনসম্পদ মজুত ছিল। ১০১০ সালে অষ্টম অভিযান। এই অভিযান পুনরায় মুলতানের আবুল ফতেহ দাউদের বিরুদ্ধে। ঘোর উপজাতিদের বশ্যতা স্বীকার করে বিশ্বাসঘাতকতার জবাব দিতেই এই অভিযান। ফতেহ বশ্যতা স্বীকার করেন। এরপর প্রায় দু-বছর অভিযান স্থগিত রেখে নবম অভিযানটি করেন ১০১৪ সালে। আনন্দপাল বারবার পরাজিত হলেও সে সময়ের নিয়ম অনুযায়ী মামুদ কখনোই তাঁকে হত্যা করেননি। বারবার শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দিয়েছেন। কথায় বলে যতক্ষণ শ্বাস ততক্ষণ আশ। অতএব আনন্দপাল হৃতরাজ্য ফিরে পেতে লবণগিরি অঞ্চলে শক্তি সঞ্চয় করতে থাকে মামুদের বিরুদ্ধে। তবে মামুদের সঙ্গে তাঁকে যুদ্ধ করতে হয়নি। অতৃপ্ত অপূর্ণ স্বপ্ন নিয়ে যুদ্ধের আগেই তাঁর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়। এরপর আনন্দপালের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র ত্রিলোচন রাজধানী স্থানান্তর করে সুসংবদ্ধ একটি সেনাবাহিনী গড়ে তুলতে সক্ষম হন। কিন্তু সেই সেনাবাহিনী মামুদের ঝড়ে উড়ে গেছে। মামুদের অতর্কিত আক্রমণে ত্রিলোচন দিশাহারা হয়ে পড়েন এবং পরাজিত হন। মৃত্যুভয়ে তিনি কাশ্মীরে পালিয়ে গিয়ে আত্মগোপন করেন। পরে শিবলি পাহাড়ে নিজের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করলে বুন্দেলখণ্ডের চান্দেলরাজের সঙ্গে জোট বাঁধেন। সেই জোট ভাঙতে মামুদ ত্রিলোচনকে পুনরায় চূড়ান্তভাবে পরাস্ত করেন। মামুদ নয়, ত্রিলোচন নিহত হলেন গুপ্তঘাতকের দ্বারা। ১০১৪ সালে দশম অভিযানে ছিল থানেশ্বর বিজয়। থানেশ্বরের হিন্দুরাজা বশ্যতা স্বীকার করলে প্রচুর ধনসম্পদ সহ মামুদের হস্তগত হয় থানেশ্বর দুর্গ। ১০১৫ ও ১০১৬ সালে মামুদ দু-বার কাশ্মীর বিজয়ের চেষ্টা করলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগ আর দুর্ভেদ্য দুর্গের কারণে অভিযান ব্যর্থ হয়। এক বছর পর, ১০১৮ সালে দ্বাদশ (হিসাবমতো এয়োদশ) অভিযানে কনৌজ বিজয়ের লক্ষ্য। কনৌজের দিকে ধেয়ে আসার পথে ঝিলাম নদী পার হয়ে বুলন্দ শহরের হরদত্ত নামে এক হিন্দু রাজা বশ্যতা স্বীকার করেন এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। এরপর মেহওয়ানের হিন্দু শাসনকর্তাকে পরাস্ত করে মথুরার দিকে চলে আসেন। মথুরা দখল নেন। দখল হল বৃন্দাবনও। লাভ করলেন প্রচুর ধনদৌলত। সাতটি দুর্গ দ্বারা পরিবেষ্টিত কনৌজে মামুদ পৌঁছোতেই ভীত-সন্ত্রস্ত প্রতিহার রাজা রাজ্যপাল নিঃশর্তে আত্মসমর্পণ করেন। বৃন্দাবনের হিন্দু নগরপাল তো মামুদ আসছে শুনেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন। কনৌজে মামুদ হস্তগত করেন তিরিশ লক্ষ দিরহাম, ৫০,০০০ দাস এবং ৩৫০ টি হাতি। ১০১৯ সালে মামুদ আক্রমণ করেন কালিঞ্জর। এটি মামুদের ত্রয়োদশ আক্রমণ। কালিঞ্জরের চান্দেলরাজ ছিলেন গোণ্ডা। প্রতিহার রাজা রাজ্যপাল মামুদের কাছে বশ্যতা স্বীকার করাতে কোণ্ডা খুবই ক্ষুব্ধ হন। ফলে চান্দেরাজ কোপ্তা গোয়লিয়রের রাজার সঙ্গে মিলিত হয়ে সৈন্যবাহিনী নিয়ে রাজ্যপালের উপর অতর্কিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। এই আক্রমণে রাজ্যপালের মৃত্যু হয়।

    নৈতিক কারণেই মামুদ গোণ্ডার হাতে রাজ্যপালের অকস্মাৎ মৃত্যু মেনে নিতে পারেননি। তাই এ সংবাদ শুনে মামুদ কালিঞ্জর আক্রমণ করেন। চান্দেলরাজ যুদ্ধক্ষেত্র থেকেই পলায়ণ করেন। ১৯২১ সালে মামুদ চতুর্দশ ভারত অভিযান করেন। এবারের লক্ষ্য গোয়ালিয়র। কারণ গোয়ালিয়রের রাজাই রাজ্যপালকে হত্যা করেছিলেন চান্দেলরাজ গোণ্ডার প্ররোচনায়। সোয়াত বাজাউর ও কাফিরিস্তানের বিদ্রোহী উপজাতিদের দমন করে গোয়ালিয়রের উদ্দেশ্যে রওনা দিলে গোয়ালিয়ের রাজা মামুদের আনুগত্য স্বীকার করে নেন। এক বছর পর ১০২৩ সালে পঞ্চদশ ভারত অভিযানে আসেন। হিন্দুরাজা নন্দার বিরুদ্ধে কালিঞ্জর আক্রমণ করেন। এমতাবস্থায় নন্দা বার্ষিক কর প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিলে মুক্তি পান। মামুদের ষোলোতম ভারত অভিযান ১০২৫ খ্রিস্টাব্দে। এবারের লক্ষ্য সৌরাষ্ট্রের সোমনাথ মন্দির। মন্দিরটি গুজরাটের কাথিওয়াড়ের সমুদ্র উপকূলে অবস্থিত। এই মন্দিরে সোমনাথ দেবই ছিল প্রধান বিগ্রহ। সোমনাথের বিগ্রহ ছাড়াও ছিল বেশকিছু দ্বাররক্ষক ও দেহরক্ষীর বিগ্রহ। মন্দিরে কয়েক হাজার পুরোহিত নিযুক্ত থাকত। এছাড়া ছিল প্রচুর দেবদাসী। সাধারণ ভক্ত ও রাজরাজড়াদের কল্যাণে এই মন্দির ছিল ধনসম্পদে পরিপূর্ণ। সোমনাথ অভিযান পথে অনহিলওয়াড়ার চালুক্যবংশীয় রাজা ভূদেব মামুদকে কোনোরকম বাধা না-দিলেও হিন্দুদের কাছ থেকে প্রথম বাধা এল অনহিলওয়াড়ার কাছে মুন্ধীর নামক এক স্থানে। প্রতিপক্ষের প্রায় ২০,০০০ সৈন্যের মোকাবিলা করে মামুদ পৌঁছে গেলেন আজমিরে। আজমির থেকে সোজা কাথিওয়াড়ে পৌঁছে তাঁর সেনাবাহিনী সোমনাথ মন্দিরের দুর্গ-প্রাচীরের চারদিক সন্নিবেশিত করলেন। এখানে রাজপুত নৃপতিরা সকলে একত্রিত হয়ে মামুদকে প্রতিরোধ করতে এলে তাঁরা সম্পূর্ণভাবে পর্যদস্ত হয়। পরাজিত হন সোলাঙ্কিরাজ ভীমদেব। এরপর মামুদের সেনাবাহিনী দুর্গপ্রাচীর অতিক্রম করেন এবং মন্দিরের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে দুই কোটি স্বর্ণমুদ্রা লুঠ করেন। যদিও মামুদের বিরুদ্ধে মন্দিরের মূর্তি ভাঙার অপবাদ সর্বজনবিদিত। কিন্তু এর কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। মামুদ নিজের হাতে মূর্তি ভেঙেছেন, এমন কোনো নথিই পাওয়া যায় না সমসাময়িক বর্ণনায়। “A Sort History of Muslim Rule in India” গ্রন্থে ঈশ্বরীপ্রসাদ লিখেছেন, পুরোহিতরা যখন ধনসম্পদের প্রতিদানে মূর্তিটিকে অক্ষত রাখার জন্য মামুদের আবেদন করছিলেন, তখন মামুদ মন্দিরের পুরোহিতদের বলেছিলেন, তিনি মূর্তি বিক্রেতা হিসাবে নয় মূর্তি ধ্বংসকারী হিসাবে পরিচিত হতে চান। তারপরই নাকি মামুদ তলোয়ার দিয়ে মূর্তিটি টুকরো টুকরো করে দিয়েছিলেন। ফলে মূর্তির ভিতর থেকে ঝরঝর করে ধনরত্ন ঝরে পড়ে। সোমনাথ মন্দিরের মূর্তি কেন, এত বছর ধরে এত দীর্ঘ পথে এতবার ভারত অভিযানে মামুদ একটি মন্দিরও স্পর্শ করেছেন বলে কোনো নথিই পাওয়া যায় না। হঠাৎ কী এমন হল, সোমনাথের মূর্তি ভাঙতে যাবেন! নির্লজ্জের মতো এহেন অপবাদ মামুদের ঘাড়ে চাপানো হয়েছে। রচিত হয়েছে কল্পকাহিনি। এ প্রসঙ্গে আমিনুল ইসলামের “ভারতবর্ষের ইতিহাস রাষ্ট্র ধর্ম ও ধর্মনিরপেক্ষতা” গ্রন্থে যে যুক্তিগুলি উপস্থাপন করেছেন, সেগুলি বিবেচনায় রাখা যেতে পারে– (১) মামুদ স্বহস্তে মুর্তি ভেঙেছেন, এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় না। তবে দুর্গ। বিজিত হলে সেনাবাহিনীরা এটা ভেঙে ফেলতে পারে। (২) আলবেরুনি বলেছেন, সোমনাথের মূর্তির একটি খণ্ড গজনির মসজিদের প্রবেশপথে রাখা হয়। ঐ খণ্ডটি যে সোমনাথ মূর্তিরই খণ্ড তা নিশ্চিত করে বলা যায় না। (৩) সোমনাথের মূর্তিটি ভাস্কর্য ছিল না, এটি ছিল নিরেট পাথরের। অতএব মূর্তির অভ্যন্তর থেকে ধনরত্ন বেরিয়ে আসার কোনো প্রশ্নই আসে না। (৪) কেউ বলেছেন মূর্তিটি লিঙ্গম, আবার কেউ বলেছেন মানবাকৃতি। কেউ বলেছেন মূর্তিটি নারীর, কেউ বলেছেন পুরুষের। এই মূর্তির অভ্যন্তরে নাকি কুড়ি মণ ওজনের জহরত ছিল। অন্য এক বিবরণ অনুসারে ২০০ মণ ওজনের একটি সোনার শিকল সোমনাথ মূর্তিটিকে যথাস্থানে সংরক্ষিত রেখেছিল। অপর এক বর্ণনায়, এটি ছিল একটি লোহার মূর্তি। উপরে স্থাপিত একটি চুম্বকের আকর্ষণে শূন্যে ত্রিশঙ্কু এই মূর্তিটির দর্শনে ভক্তবৃন্দের মনে এক ভয়মিশ্রিত শ্রদ্ধাভাব জাগিয়ে তুলত। প্রসঙ্গত এটাও জেনে রাখা ভালো– সোমনাথ মন্দির ধ্বংসকারী মামুদের যে সৈন্যবাহিনী ছিল, তার মধ্যে পঞ্চাশ শতাংশ সেনা ছিল হিন্দুসম্প্রদায়ের। ১২ জন ছিল হিন্দু সেনাধ্যক্ষ, এর দুজন ছিল ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের। তিলক রায় নামে মামুদের এক হিন্দুসেনাপতির কথা জানতে পারি, যাঁকে দিয়ে মামুদ নিজেরই মুসলিম প্রধান সেনাপতি নিয়ালতিগিনের বিদ্রোহ দমন করিয়েছিলেন। মামুদের নির্দেশে এঁরা যেমন মন্দির ভেঙেছিল, তেমনি মসজিদও ভেঙেছিল প্রচুর। মামুদ যদি মূর্তিবিরোধীই হতেন, তাহলে স্বদেশে বামিয়ানের বুদ্ধমূর্তি আস্ত রাখতেন না, আস্ত রাখতেন না ভারতের বিখ্যাত খাজুরাহো মন্দির। ১০২৭ খ্রিস্টাব্দ ছিল মামুদের সতেরোতম তথা শেষবারের মতো ভারত অভিযান। সোমনাথ বিজয়ের পর স্বদেশ গজনিতে ফেরার পথে মামুদ জাঠদের দ্বারা প্রচণ্ডভাবে নিপীড়িত হন। তারই বদলা নিতে মামুদের এই অভিযান। এই অভিযানে জাঠদের চূড়ান্ত পরাজয় হয়।

    একথা বুঝতে হবে, গজনির সুলতান মামুদ সতেরোবার ভারত আক্রমণ করেছেন, ভারত দখল ও শাসন করতে নয়, বিধর্মীদের কচুকাটা করতেও নয়, অমুসলিমদের উপর ইসলাম ধর্ম চাপিয়ে দেওয়ার জন্য নয়, মন্দির ভাঙার জন্য নয়– তিনি ভারত অভিযান করেছেন প্রচুর ধনসম্পদ লুঠ করে নিজ মুলুক গজনিতে নিয়ে নিজের বৈভব বৃদ্ধি করেছেন, সেনাবাহিনীদের প্রতিপালন করেছেন, নিজের দেশে জ্ঞানবিজ্ঞনেরও প্রচুর উন্নতি সাধন করেছেন। যুদ্ধরত প্রতিপক্ষের সৈন্য ছাড়া মামুদ কোনো সাধারণ মানুষদের হত্যা করেননি। যুদ্ধের কারণে মামুদ যেমন পঞ্চাশ হাজার অমুসলিম হত্যা করেছিলেন, তেমনি সমসংখ্যক মুসলিম হত্যা করেছেন। উপরন্তু সাধারণ প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মামুদের হিন্দুসৈন্যরাও মুসলমান সৈন্যদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করেছেন। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে অস্বীকার করায় হিন্দুদের কচুকাটা করা হয়েছে এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। কয়েকজন স্থানীয় রাজা স্বেচ্ছায় স্বধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন বটে, কিন্তু মামুদ গজনি ফিরে গেলেই তাঁরা পুনরায় স্বধর্মে ফিরে যান। বোঝাই যায় এ ধর্মান্তর ছিল সম্পূর্ণ রাজনৈতিক, জোরপূর্বক নয়। গজনির সুলতান মামুদ কখনোই ভারতকে নিজ সাম্রাজ্যভুক্ত করেননি। যেটা তিনি অনায়াসেই করতে পারতেন। মথুরা, সোমনাথ, থানেশ্বর, বৃন্দাবনের মন্দির আক্রমণ করা ছাড়া সতেরোবারের ভারত আক্রমণে একটিও মন্দিরে প্রবেশ করেননি, একটিও দেবতার মূর্তি ধ্বংস করেননি। তাও হত না, যদি-না সেইসব মন্দিরগুলোর অভ্যন্তরে প্রচুর গুপ্তধনের সন্ধান পেতেন। শুধু মন্দির নয়, ধনসম্পদের লুঠ করার জন্য তিনি প্রচুর মসজিদও ধ্বংস করেছেন। মুলতান ছিল মুসলিম বাদশাহের শাসন। মামুদ সেই বাদশাহকে পরাজিত করে মুলতানের একটা মসজিদও অক্ষত রাখেননি। কলহনের ‘রাজতরঙ্গিনী’ গ্রন্থে এসব ঘটনার উল্লেখ আছে। মামুদ যে শুধু ভারতেই অভিযান করেছেন, তা কিন্তু নয়। অন্যান্য দেশ অভিযান করেও লুণ্ঠন করে ধনসম্পদ অর্জন করেছেন। এর মধ্যে ইরান অন্যতম। মধ্য এশিয়ায় প্রায় সমস্ত অভিযান তাঁর স্বধর্মীদের বিরুদ্ধেই পরিচালিত হয়েছিল। নিজের সম্পদ বৃদ্ধির জন্যে রাজারাজড়ার হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সকলেইই এসব কর্ম করতেন। সে যুগে এটাই ছিল দস্তুর। এ ধরনের ঘটনায় বিস্মিত হওয়ার কিছু নেই। আমরা যদি ভারতের স্থানীয় অমুসলিমদের দিকে যদি দেখি, তাহলে দেখব ১৫০ খ্রিস্টপূর্বে রচিত পতঞ্জলির মহাভাষ্যে, অথবা ৪০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে পাণিনির ব্যাকরণে উল্লেখ আছে, মৌর্যরা তাঁদের কোষাগারকে সমৃদ্ধ করতে মূল্যবান ধাতব দেবদেবীর মূর্তি পর্যন্ত গলিয়ে ফেলতেন। আর মন্দির ধ্বংস? সে আলোচনা অন্য অধ্যায়ে বিস্তারিত করব।

    গজনির সুলতান মাহমুদ ৯৯৭ সাল থেকে ১০৩০ সাল পর্যন্ত মোট ৩৩ বছর শাসন ক্ষমতায় ছিলেন। এই দীর্ঘ সময়ের মাঝে তিনি ইরানের পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ ভূমি নিজের অধীনে আনতে সক্ষম হন। এছাড়া হিন্দুস্তানের উত্তর পশ্চিম অংশে তাঁর নিয়ন্ত্রণ বজায় ছিল। বর্তমান আফগানিস্তান, পাকিস্তান আর ইরানের পূর্বাঞ্চল সহ বিশাল এক ভূখণ্ড শাসন করতেন তিনি। তবে শক্তি আর যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তিনি কেন হিন্দুস্তানের ভূখণ্ডকে নিজের সরাসরি শাসনাধীনে নেননি, সেই প্রশ্নের উত্তরে কেবলই বিস্ময়। সুলতান মাহমুদ মৃত্যুবরণ করেন ১০৩০ সালে ৩০ এপ্রিল। তাঁর মৃত্যুর পর ক্ষমতার দ্বন্দ্ব নিয়ে রাজ পরিবারের মাঝেই বিরোধ লেগে যায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহায়রোগ্লিফের দেশে – অনির্বাণ ঘোষ
    Next Article গণিকা-দর্শন – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }