Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভারতে ইসলাম ভারতীয় মুসলিম – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প1287 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.৫.০৪ মোহম্মদ ঘুরি (শাসনকাল : ১১৭৩ সাল থেকে ১২০২ সাল)

    ঘুরি রাজবংশের সন্তান মোহাম্মদ ঘুরি জন্মেছিলেন আফগানিস্তানে। পুরো নাম মুইজুদ্দিন মোহম্মদ ঘুরি। বড় ভাই গিয়াসুদ্দিন মোহম্মদ ঘুরির নির্দেশে তিনি গজনি অধিকার করেন। কিন্তু মুইজুদ্দিন মোহম্মদ ঘুরি শুধুমাত্র গজনি নিয়ে খুশি থাকতে পারেনি। ফলে পূর্ব সীমান্তে ভারতের অভিমুখে তিনি তাঁর রাজ্য বিস্তারের চেষ্টা করেন। সুলতান মামুদ ভারত থেকে যে বিরাট ধনরত্ন লুঠ করে নিয়ে যান সেই কিংবদন্তী আফগানিস্তান ও মধ্য এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছিল। সুতরাং মোহম্মদ ঘুরিও ভারতের ধনসম্পদের জন্য প্রলুব্ধ হন। তবে সুলতান মামুদের মতো শুধুমাত্র ধনসম্পদ লুঠ করে তাঁর আশ মেটেনি, ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল অধিকার করে নিজ সাম্রাজ্যভুক্ত করেন। তিনি লাহোরের যুদ্ধে মোহম্মদ খসরু শাহকে পরাস্ত করে লাহোর দুর্গ অধিকার করেন। শিয়ালকোট সহ সমগ্র পশ্চিম পাঞ্জাব অধিকার করেন। পূর্ব পাঞ্জাব তখন ছিল আজমির ও দিল্লির অধিপতি চৌহান বংশীয় তৃতীয় পৃথ্বীরাজ।

    বর্তমান ভারতের উত্তরপ্রদেশের কনৌজের রাজা ছিলেন রাজপুত বংশোদ্ভুত জয়চন্দ্র। রাজা জয়চন্দ্রের কন্যা সংযুক্তাকে পছন্দ করতেন রাজপুত রাজা বীর পৃথ্বীরাজ চৌহান। পৃথ্বীরাজ সংযুক্তাকে বিয়ে করতে চাইলেন। কিন্তু রাজা জয়চন্দ্র এই প্রস্তাব মেনে নিলেন না। ফলে পৃথ্বীরাজ সংযুক্তাকে অপহরণ করে নিয়ে যান। কথিত আছে, তাঁদের ভিতরে পত্রযোগে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। নিজের মেয়ে অপহরণের পর রাজা জয়চন্দ্র প্রায় এক বছর কূটনৈতিকভাবে প্রচেষ্টা চালালেন মেয়েকে নিজের কাছে ফিরিয়ে আনতে। কিন্তু কোনোভাবেই সফল হলেন না। পৃথ্বীরাজের উপর প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য ক্ষুব্ধ রাজা জয়চন্দ্র মোহম্মদ ঘুরিকে আমন্ত্রণ জানালেন ভারত আক্রমণ করতে। যেসব শাসকের এক চোখ সবসময় হিন্দুস্তানের উপরে তীক্ষ্ম দৃষ্টিতে চেয়ে থাকত, সেইসব শাসক হিন্দুস্তানের এই অভ্যন্তরীণ গোলযোগের সুযোগ নেবেন না কেন? আর তাই রাজা জয়চন্দ্রের আমন্ত্রণ পেয়ে ১১৯১ সালে শিহাবুদ্দিন মোহম্মদ ঘুরি আর দেরি না-করে হিন্দুস্তানের দিকে রওনা দেন। খাইবার গিরিপথের মাঝখান দিয়ে দ্রুতগতিতে তিনি পাঞ্জাবে এসে পৌঁছোন। পাঞ্জাবের বাতিন্ডায় পৃথ্বীরাজের একটি দুর্গ ছিল। মোহম্মদ ঘুরি বাতিন্ডার এই দুর্গটি দখল করে নেন। এ সংবাদ পৃথ্বীরাজ চৌহানের কানে মোহম্মদ ঘুরির হিন্দুস্তান অভিমুখী অগ্রযাত্রার সংবাদ পৌঁছোতে খুব বেশি সময় লাগল না। মোহম্মদ ঘুরির আগমনের সংবাদ পেয়ে তিনি রাজা জয়চন্দ্রের কাছেই সাহায্য চান। জয়চন্দ্র সম্পর্কে পৃথ্বীরাজের শ্বশুর। কিন্তু মেয়ের অপহরণকারীকে রাজা জয়চন্দ্র সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন না। সেটাই স্বাভাবিক। উপায়ান্তর না-পেয়ে পৃথ্বীরাজ তাঁর ভাইপো গোবিন্দ তাইকে নিয়ে মোহম্মদ ঘুরির উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করলেন। তাঁর সঙ্গে ছিল ২০,০০০ অশ্বারোহী এবং প্রায় ৫০,০০০ বিশাল এক সেনাবাহিনী। মোহম্মদ ঘুরির সঙ্গে পৃথ্বীরাজ চৌহানের সাক্ষাৎ হয়ে গেল হরিয়ানার থানেশ্বরের তরাইন গ্রামে। মোহম্মদ ঘুরির কাছে অশ্বারোহী আর পদাতিক মিলে প্রায় ৩৫ হাজার সৈন্য আছে। যুদ্ধ হল শুরু। মোহম্মদ ঘুরি যুদ্ধ শুরুর আগেই পরাজিত হয়ে বসেছিলেন। কারণ তিনি তাঁর বাহিনীকে রাজপুতদের সঙ্গে সামনাসামনি লড়াই করার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন। বাহিনীর সাজিয়েছিলেন সেইভাবেই। অপরদিকে পৃথ্বীরাজের সেনাবাহিনী ছিল যুদ্ধের নিয়মনীতি মেনেই। মোহম্মদ ঘুরির বাহিনীর বেশিরভাগ যোদ্ধাই ছিলেন তুর্কি। এসব যোদ্ধারা সম্মুখ লড়াইয়ের পরিবর্তে তুর্কিদের বিশেষ কৌশলে যুদ্ধ করতেই অভ্যস্ত ছিলেন। প্রতিপক্ষের তীব্র আক্রমণের সময় তুর্কি যোদ্ধারা বিচ্ছিন্ন হয়ে পালিয়ে যাওয়ার ভান ধরতেন। প্রতিপক্ষ পলায়নরত যোদ্ধাদের তাড়া করতেন। ঠিক এই সময়টির জন্য তুর্কি যোদ্ধারা অপেক্ষা করতেন। তাঁরা পলায়নরত ঘোড়ার পিঠ থেকে উল্টো হয়ে প্রতিপক্ষের দিকে তীর ছুঁড়তেন। এমন যুদ্ধরীতিতে তুর্কিরা সবসময়ই জয়ী হতেন। কিন্তু মোহাম্মদ ঘুরি তুর্কি সৈন্যদের সম্মুখ যুদ্ধে তাঁদের লড়াই করতে পাঠান। ফলে অনভ্যস্ত রীতিতে ঘুরির তুর্কি যোদ্ধারা খুব সহজেই শক্তি হারান। মোহম্মদ ঘুরি যুদ্ধক্ষেত্রে আহত হন। রাজপুতদের তীব্র তীরবৃষ্টি আর সম্মুখ আক্রমণে মোহম্মদ ঘুরির বেশিরভাগ সৈন্যই নিহত হন। যাঁরা জীবিত ছিলেন তাঁদের অবস্থাও কাহিল। যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে কোনোমতে তাঁরা আফগানিস্তান ফিরে যান। এদিকে পৃথ্বীরাজও একটা ভুল করে বসলেন। তিনি মহানুভবতা দেখিয়ে পরাজিত এবং আহত প্রতিপক্ষ সেনাপতি মোহম্মদ ঘুরিকে হত্যা না-করে মুক্ত করে দেন।

    পরাজিত হয়ে ঘুরি এতটাই অপমানিত বোধ করছিলেন যে, তিনি নাকি খাবার-দাবার প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন। এমনকি নিজের পরিবারের সঙ্গেও দেখা করতেন না। টানা এক বছর তিনি তাঁর সেনাবাহিনী পুনর্গঠন আর যুদ্ধ পরিকল্পনা করতে ব্যয় করতেন। ১১৯২ খ্রিস্টাব্দ, মোহম্মদ ঘুরি প্রভূত শক্তি সঞ্চয় করে এক বছর বাদে পুনরায় ভারত আক্রমণ করেন। তরাইনের প্রথম যুদ্ধে যেসব সেনা ও সেনাপতি দুর্বলতা দেখায় তিনি তাদের কঠোর শাস্তি দেন। তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে মোহম্মদ ঘুরির সঙ্গে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজারের বিশাল এক সেনাবাহিনী ছিল। এই বিশাল বাহিনীতে অশ্বারোহী সেনা ছিল প্রায় ৫২ হাজার এবং তিনজন বিশ্বস্ত সেনাপতির (কুতুবউদ্দিন আইবক, নাসিরউদ্দিন কুবাচা ও তাজউদ্দিন ইলদুজ) সাহায্য নিয়ে পৃথ্বীরাজকে আক্রমণ করেন। পৃথ্বীরাজ নিজের শক্তি বৃদ্ধির জন্য তিনি অন্যান্য রাজপুত রাজা আর অভিজাত হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে সাহায্য চান। পৃথ্বীরাজের সহায়তায় প্রায় ১৫০ জন রাজপুত রাজা এগিয়ে আসেন। হিন্দুরাজাদের এহেন ঐক্য মধ্যযুগের একটি বিরল ঘটনা। আশেপাশের রাজ্যের সাহায্য পেয়ে পৃথ্বীরাজ বিশাল এক সেনাবাহিনী গঠন করতে সক্ষম হন। ঐতিহাসিক ফারিস্তার বর্ণনায় জানা যায়, পৃথ্বীরাজের বাহিনীতে হাতি ছিল প্রায় ৩,০০০-এর বেশি। আর অশ্বারোহীসহ সেনাবাহিনীর সংখ্যা দাঁড়ায় ৩ লাখে। মোহম্মদ ঘুরি তাঁর বাহিনীকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করেন— অগ্রবর্তী বাহিনী, মধ্য বাহিনী, ডান বাহু, বাম বাহু আর পশ্চাৎ বাহিনী। প্রতিটি অংশে সৈন্যসংখ্যা ছিল ১০ হাজার করে। মোহম্মদ ঘুরি তাঁর নিজের কমান্ডে প্রায় ১২ হাজার সৈন্য রিজার্ভ হিসাবে রাখেন। অন্যদিকে রাজপুত সেনাবাহিনী প্রচলিত ভারতীয় ঐতিহ্য অনুযায়ী নিজেদের মতো করে সেনাবিন্যাস করে।

    মোহম্মদ ঘুরি ভোরের দিকে রাজপুত শিবিরে আক্রমণ চালালেন। রাজপুত সেনারা তখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিল। তাঁদের ঘুম ভাঙে মোহম্মদ ঘুরির সেনাবাহিনীর আক্রমণে। চারপাশ থেকে রাজপুত সেনাবাহিনীদের ঘিরে তীর বৃষ্টি হচ্ছিল। রাজপুত সেনারা দ্রুত নিজেদের সামলে নিয়ে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। রাজপুতরা ছিলেন সহজাত যোদ্ধা জাতি। যুদ্ধক্ষেত্রে পিঠ দেখানোর কথা তাঁদের খুব কমই শোনা যেত। দ্রুতই রাজপুত সেনাবাহিনী মোহম্মদ ঘুরির সেনাবাহিনী তীব্র বাঁধা প্রদান করেন। কিন্তু মোহম্মদ ঘুরির তীরন্দাজ ও অশ্বারোহী বাহিনীর আক্রমণে পৃথ্বীরাজের বাহিনী ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পৃথ্বীরাজ চৌহানের সবচেয়ে অভিজ্ঞ সেনাপতি খান্ডে রাও নিহত হন, যা রাজপুত বাহিনীর চূড়ান্ত পতন তরান্বিত করে। রাজপুত সেনারা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ব্যাপকহারে পালিয়ে যেতে বাধ্য হলেন। এই যুদ্ধের রাজপুত বীর রাজা পৃথ্বীরাজ চৌহান মৃত্যুবরণ করেন। ১৫০ রাজ্যের ১৫০ রাজার সম্মিলিত সেনাবাহিনী একা মোহম্মদ ঘুরির সেনাবাহিনীর সঙ্গে যুঝতে পারননি, এটা একেবারেই বিশ্বাসযোগ্য নয়। যদি ১৫০ রাজা তাঁদের সেনাবাহিনী নিয়ে রণক্ষেত্রে সত্যিই ঘুরির সেনাবাহিনীর সঙ্গে সর্বশক্তি ব্যবহার করে লড়াই দিতেন, মোহম্মদ ঘুরি ফুঙ্কারেই উড়ে যেত। মনে রাখতে হবে সে সময় ভারতীয় উপমহাদেশে প্রতিবেশী বন্ধু রাজা পাওয়া খুবই দুর্লভ ছিল।

    যাই হোক, পৃথ্বীরাজ চৌহানই ছিলেন হিন্দুস্তানের শেষ স্বাধীন রাজা যিনি বিক্রমাদিত্য হিমুর আগে দিল্লির সিংহাসন দখলে রাখতে পেরেছিলেন। ভারতের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা আজও পৃথ্বীরাজ চৌহানকে বীরের মর্যাদা দেন, যিনি একটি স্বাধীন হিন্দু রাজ্যের জন্য নিজের জীবন দান করেছিলেন। এদিকে মোহম্মদ ঘুরির ইচ্ছা তো আর ‘ঘরশত্রু’ রাজা জয়চন্দ্র জানতেন না। মোহম্মদ ঘুরি তো আসলেই ভারতে মুসলিমদের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চাইছিলেন। এদিকে নিজের স্বপ্নপূরণের উদ্দেশ্যে রাজা জয়চন্দ্র মোহম্মদ ঘুরির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করলেন। ফলে মোহাম্মদ ঘুরি পুনরায় ভারতের দিকে অগ্রসর হন। বর্তমান ফিরোজাবাদের চন্দ্রবারে মোহম্মদ ঘুরি আর রাজা জয়চন্দ্র পরস্পরের মুখোমুখি হন। যুদ্ধে রাজা জয়চন্দ্র চোখে তীরবিদ্ধ হয়ে হাতির পিঠ থেকে পড়ে যান এবং হাতির পায়ের নীচে চাপা পড়ে মারা যান।

    হাসান নিজামির মতে, মোহম্মদ ঘুরি পৃথ্বীরাজকে তাঁর সামন্ত রাজা হিসাবে আজমিরে রাজত্ব করতে অনুমতি দেন। কিন্তু পৃথ্বীরাজ মোহম্মদ ঘুরির বিরোধিতা করলে তাঁকে হত্যা করা হয়। তবে কঙ্কর সিংহ তাঁর ‘ইসলামের ভারত অভিযান’ গ্রন্থে লিখেছেন– “পৃথ্বীরাজের ঔদার্যের প্রতিদানে তিনি সেবার পরাজিত পৃথ্বীরাজকে হত্যা করেন। … যুদ্ধে পরাজিত হওয়ার পূর্বেই পৃথ্বীরাজকে তিনি সুযোগ দিয়েছিলেন, রাজাকে আহ্বান জানিয়েছিলেন ইসলাম কবুল করতে। হতভাগ্য পৃথ্বীরাজ আল্লাহর সত্য ধর্মের মহিমা বুঝতে পারেননি, আল্লাহ তো বলেই দিয়েছেন মুসলমানদের, যেখানে পাবে সত্যধর্ম প্রত্যাখানকারী কাফেরদের বধ করতে।” মুসলিম ঐতিহাসিক পারস্যের হাসান নিজামি তাঁর ‘তাজ-উল-মাসির’ গ্রন্থে বলেছেন –“এক লক্ষ হীন ও বিপর্যয়গ্রস্ত হিন্দু দ্রুত নরকের আগুনে নিষ্ক্রান্ত হল।… যুদ্ধক্ষেত্রে রক্তের বন্যা বয়ে গেল।” নিজামি লিখেছেন– “তলোয়ারের ডগায় তাঁরা (হিন্দুরা) নরকের আগুনে নিপতিত হল।… তাঁদের ছিন্ন মস্তকে গড়া তিনটি বুরুজ যেন আকাশ সমান হয়ে গেল এবং তাঁদের শবদেহ শিকারি পাখির খাদ্যে পরিণত হল। অঞ্চলটিকে মূর্তি ও মূর্তিপূজা মুক্ত করা হয় ও অবিশ্বাসের ভিত্তি ধ্বংস করা হয়। … যা ছিল হিন্দু রাজ্যের কেন্দ্রস্থল সেখানে তাঁরা ধ্বংস করে প্রায় এক হাজার মন্দির। সেগুলির ভিতের উপর মসজিদ স্থাপন করা হয়।” কুতুবউদ্দিন আইবকের গুজরাটের রাজধানী নাহরওয়ালা অভিযান প্রসঙ্গ নিজামি লিখেছেন –“তরবারির দ্বারা পঞ্চাশ হাজার অবিশ্বাসীকে নরকে প্রেরণ করেন এবং মৃতদেহের স্কুপে পাহাড় ও সমতল ভূমি সমান হয়ে যায়।” কুতুবউদ্দিনের কালিনজর অভিযানের সাফল্যের বর্ণনায় নিজামির কলম বলছে –“ মন্দিরগুলিকে মসজিদে রূপান্তরিত করা হয় এবং নামাজে আহ্বানের আওয়াজ আকাশের উচ্চমার্গে পৌঁছে যায় ও পৌত্তলিকতার নাম সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত করা হয়।… পঞ্চাশ হাজার মানুষ ক্রীতদাসত্বের অধীনে আসে এবং হিন্দুদের রক্তে সমতলভূমি পিচের মতো কালো বর্ণ ধারণ করে।”

    মোহম্মদ ঘুরি ১২০২ সালে শেষবারের মতো ভারতে আসেন। তখন তিনি খোঙ্কর উপজাতিকে দমনের জন্য কাংড়া ও কাশ্মীর সীমান্তে অবস্থান করেন। ঠিক এই সময়েই এক অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি তথা গুপ্তঘাতক তাঁকে হত্যা করে। ভারতের ইতিহাসে সুলতান মামুদ লুণ্ঠনকারীরূপে চিহ্নিত হয়ে থাকলেও মোহম্মদ ঘুরী কিন্তু রাজ্য স্থাপয়িতার সম্মান পেয়েছেন। ভারত-ইতিহাসে মোহম্মদ ঘুরি নিঃসন্দেহে স্থায়ী কীর্তিলাভ করেছেন। তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই যুদ্ধে হিন্দুস্তানে পরবর্তী মুসলিম আক্রমণের সাফল্যকে সুনিশ্চিত করে। যদিও মোহম্মদ ঘুরি দিল্লিকে তাঁর নিজ রাজধানী হিসাবে গণ্য করেননি। তাঁর নিজ পৈত্রিক নগর ঘুর ও অর্জিত নগর গজনিকে কেন্দ্র করে তিনি তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন। তথাপি তিনি তাঁর শাসনকর্তা কুতুবউদ্দিন আইবককে দিল্লিতে তাঁর প্রাদেশিক শাসনকেন্দ্র গঠনের অনুমতি দেন। এভাবেই মধ্যযুগের দিল্লির ‘গৌরবের ভিত্তি স্থাপিত হয়। এমনকি দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলিম শাসনের ভিত্তি তিনি স্থাপন করেছেন। মোহম্মদ ঘুরি ভারতের শাসনের ক্ষেত্রে একটি বাস্তবসম্মত নীতি গ্রহণ করেছিলেন। রাজপুত রাজারা বশ্যতা স্বীকার করলে তিনি তাঁদের স্বায়ত্বশাসনের অধিকার দেন। সে সময় গ্রাম ও শহরগুলি স্থানীয় রায়াত বা রাণারা শাসন করতেন। এইসব রাজপুতদের বশ্যতা স্বীকার করিয়ে সামন্তরাজায় পরিণত করেছিলেন তিনি। মোহম্মদ ঘুরি ঘুর রাজ্যে বসেই ভারতের দিকে সর্বদা নজর রাখতেন এবং শাসন পরিচালনা করতেন। মোহম্মদ ঘুরি যে কেবল হিন্দুরাজ্যগুলিই আক্রমণ দখল করেছিলেন, তা নয়। তিনি মুসলিম পরিচালিত রাজ্যেও সমান আক্রমণ চালান। তাঁর শাসনাধীন অঞ্চলসমূহের মধ্যে ছিল বর্তমান আফগানিস্তান, ইরান, তুর্কমেনিস্তান, তাজিকিস্তান এবং অবশ্যই ভারত উপমহাদেশের একটা অংশ। তিনি ভারতের ঘুণে ধরা বিপর্যস্ত রাজনৈতিক অবস্থার পূর্ণ সুযোগ গ্রহণ করেছিলেন। সীমাবদ্ধ শক্তি নিয়ে তিনি আফগানিস্তান থেকে বঙ্গদেশ পর্যন্ত এক বৃহৎ সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত করে গিয়েছিলেন।

    ভারত উপমহাদেশে প্রবেশের সময় গুজরাটে তখন অল্পবয়স্ক শাসক দ্বিতীয় ভীমদেব সোলাঙ্কি শাসন করছিলেন। রাজার মা নাইকিদেবী সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব দেন। মরুভূমির মধ্য দিয়ে যাত্রার সময় মোহম্মদ ঘুরির সেনাবাহিনী ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নাইকিদেবী কায়াদারা গ্রামের কাছে মুইজউদ্দিনকে পরাজিত করতে সক্ষম হন। মোহম্মদ ঘুরি ও তাঁর সেনাদল মরুভূমির মধ্য দিয়ে মুলতান ফিরে আসেন। ঘুরি এরপর ঘুর ফিরে আসেন। বামিয়ান ও সিস্তানের শাসকদের সঙ্গে তিনি সুলতান শাহের বিরুদ্ধে তাঁর ভাই গিয়াসউদ্দিনকে সহায়তা করেন। ১৯৭৩ সালে মুইজউদ্দিন গজনি শহর দখল করে নেন। তিনি উত্তর ভারতে অভিযানের জন্য এই শহরকে সূচনাস্থল হিসাবে ব্যবহার করেন। এ সময়ে পশ্চিম এশিয়ায় বৃহত্তর খোরাসানের আধিপত্য নিয়ে খোয়ারিজমীয় সাম্রাজ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় তিনি তাঁর ভাই গিয়াসউদ্দিনকে সহায়তা করেন। ১৯৭৩ সালে তাঁরা গজনি আক্রমণ করে অগুজ তুর্কিদের বিতাড়িত করেন। এটি ছিল তাঁর সর্বশেষ পারস্যায়িত প্রতিপক্ষ। ইতিপূর্বে অগুজ তুর্কিরা গজনভিদের কাছ থেকে শহরটি দখল করে নিয়েছিল। মুইজউদ্দিনকে গজনির শাসক নিযুক্ত করা হয়। ১৯৭৫ সালে দুই ভাই হেরাতের সেলজুক গভর্নর বাহাউদ্দিন তুগরিলের কাছ থেকে হেরাত জয় করেন। ১৯৭৫ সালে হামিদ লুদি রাজবংশের কাছ থেকে মুইজউদ্দিন মুলতান জয় করেন। হামিদ লুদিরা পশতু ছিল তবে ইসমাইলি শিয়াদের সঙ্গে তাদের সংযোগের কারণে অনৈসলামিক বলে অভিযোগ ছিল। মুলতানের ইসমাইলি শাসকদের বিরুদ্ধে মুইজউদ্দিনের অভিযান সফল হয়। তিনি দক্ষিণ দিকে অগ্রসর হন এবং তাঁর সেনাবাহিনীকে মুলতান থেকে উচের দিকে নিয়ে আসেন। ১৯৭৫ সালে তিনি উচ অধিকার করেন। সিস্তান থেকে মোহম্মদ ঘুরি অভিযান শেষে ফিরে এলে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য কান্দাহারের শাসনভার লাভ করেন। এছাড়া পুশান জয় করেন। সিস্তানের শাসক তাজউদ্দিন হারব ইবনে মোহম্মদ এবং কিরমানের অন্যান্য অঘুজ তুর্কিরা ঘুরিদের সার্বভৌমত্ব মেনে নেয়। একই সময়ে খোয়ারিজমীয় সুলতান শাহ তাঁর ভাই আলাউদ্দিন তেকিশ কর্তৃক বহিষ্কৃত হন। তিনি ঘুরে আশ্রয় নেন এবং গিয়াসউদ্দিনের কাছে সামরিক সহায়তা চান। তবে গিয়াসউদ্দিন এই আহ্বানে সাড়া দেননি। সুলতান শাহ কারা-খিতান খানাতের কাছ থেকে সহায়তা অর্জন করতে সক্ষম হন এবং উত্তরের ঘুরি অঞ্চলে হামলা চালান। ১৯৯০ সালে মার্ভে সুলতান শাহকে পরাজিত করেন। এরপর তিনি সুলতান শাহের অধীনস্থ বৃহত্তর খোরাসানের অধিকাংশ অঞ্চল নিজ রাজ্যে যুক্ত করেন।

    ১২০২ সালে গিয়াসউদ্দিনের মৃত্যুর পর মোহম্মদ ঘুরি সাম্রাজ্যের শাসক এবং ১২০৬ সালে নিহত হওয়ার আগে পর্যন্ত শাসন করেন। গজনি ফেরার সময় তাঁর কাফেলা শোহাওয়ার কাছে দামিয়াকে বিশ্রামের জন্য থামেন। এটি বর্তমানে পাকিস্তানের পাঞ্জাবের অন্তর্গত। ১২০৬ সালের ১৫ মার্চ মাগরিবের নামাজ পড়ার সময় তিনি নিহত হন। তাঁর হত্যাকারীর প্রকৃত পরিচয় নিয়ে বিতর্ক আছে। কারও কারও মতে এই হত্যাকাণ্ড স্থানীয় গাখারদের দ্বারা সংঘটিত হয়েছিল। আবার কারও মতে তিনি খোখার বা ইসমাইলিদের হাতে নিহত হয়েছিলেন। হাসান নিজামি ও ফিরিশতার বর্ণনা অনুযায়ী মোহম্মদ ঘুরি গাখারদের হাতে নিহত হন।

    হাসান নিজামি তাঁর ‘তাজ-উল-মাসির’ গ্রন্থে যাই-ই বলুক এ. কে. এম. শাহনাওয়াজ তাঁর ‘বিশ্বসভ্যতা (মধ্যযুগ) গ্রন্থে লিখেছেন— মোহম্মদ ঘুরি ভারতের উপর চূড়ান্ত রকমের আধিপত্য কায়েম করেও হিন্দুদের প্রতি উদারনীতি গ্রহণ করেছিলেন। পূর্বের মতোই অনেক হিন্দুরাজা তাঁদের নিজস্ব রাজ্য পরিচালনা করতে থাকেন। প্রশাসনের উঁচু পদে হিন্দুদের স্থান দেওয়া হয়। ভারতের অধিবাসীদের নিজ নিজ ধর্ম পালনে কোনো প্রকার বাঁধা দেওয়া হত না। এমনকি মোহম্মদ ঘুরির ভারত বিজয়ের পূর্বে হিন্দুদেবী লক্ষ্মীর প্রতিকৃতি সহ যে মুদ্রা প্রচলিত ছিল, সেগুলোরও কোনো পরিবর্তন করা হয়নি। সেই শাসনের তরঙ্গ পরবর্তী ৫০০ বছর কম/বেশি জারি ছিল। ভারতে ইসলামের রক্ষকরূপে কোরানের শাসন প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার নিয়ে ভারতে ‘সুলতানাত’ প্রতিষ্ঠা হয়। মুসলমানরা সেসময় থেকে শাসক হয়ে ভারতে স্থায়ীভাবে বাস করতে থাকেন এবং ভারতকে নিজের দেশ বলেই ভাবতে শুরু করেন।

    এ সময় ঘুরি নেতৃবৃন্দের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা দেয়। ১২১৫ সালের দিকে খোয়ারিজমীয়রা ঘুরি সুলতানাতের উপর জয়ী হয়। ঘুরি সাম্রাজ্য ভেঙে পড়লেও তৈমুরীয়দের আগমনের আগে পর্যন্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কিছু ঘুরি রাজ্য টিকে ছিল। মোহম্মদ ঘুরির কোনো সন্তান ছিল না। তিনি তাঁর তুর্কি দাসদের সঙ্গে সন্তানের মতো আচরণ করতেন। তাঁরা সৈনিক ও প্রশাসক, উভয় হিসাবে প্রশিক্ষণ লাভ করেছিল এবং তাঁদের উৎকৃষ্ট মানের শিক্ষা দেওয়া হয়। তাঁর সেনাবাহিনী ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে অনেক দাস অধিষ্ঠিত ছিল। মোহম্মদ ঘুরির মৃত্যুর পর তাঁর সাম্রাজ্য দাসদের মধ্যে বিভক্ত হয়। এদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হলেন –(১) কুতুবউদ্দিন আইবক ১২০৬ সালে দিল্লির শাসক হন এবং দিল্লি সুলতানাত প্রতিষ্ঠা করেন। এর মাধ্যমে ভারতে মামলুক রাজবংশের সূচনা হয়। (২) নাসিরউদ্দিন কাবাচা ১২১০ সালে মুলতানের শাসক হন। (৩) তাজউদ্দিন ইলদিজ গজনির শাসক হন। (৪) ইখতিয়ার উদ্দিন মোহম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি বাংলার শাসক হন। (তথ্যসূত্র : roar.media)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহায়রোগ্লিফের দেশে – অনির্বাণ ঘোষ
    Next Article গণিকা-দর্শন – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }