Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভালোবাসো? ছাই বাসো! – তসলিমা নাসরিন

    তসলিমা নাসরিন এক পাতা গল্প46 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অরণ্য, তুমি

    ১.
    চোখের সামনে দাঁড়িয়ে আছো তুমি, অরণ্য,
    আমি জগত দেখতে পাচ্ছি না।
    অন্ধকার ছুঁড়ে ছুঁড়ে ইন্দ্রিয়গুলো বুজিয়ে দিয়েছো,
    কাউকে শুনতে পাচ্ছি না, নিজের আর্তস্বরও নয়।
    কেবল তোমাকে শুনছি,
    তোমার মিথ্যে,
    তোমার ছল-কৌশল,
    তোমার ফণা, প্রতারণা।

    তুমি আমাকে গ্রাস করছো,
    গ্রহণ লেগেছে গায়ে, হৃদয়ে ঢুকে গেছে রক্তচোষা জোঁক,
    রোমে রোমে নিশ্চিহ্ন হলাম।
    আমার ভিতর বাহিরে এখন যে আছে সে আমি নই, অন্য কেউ।

    ইচ্ছে ছিল তোমাকে গড়ে পিটে সভ্য করবো,
    অথচ তোমার হাতেই দেখি বাগে আনার চাবুক,
    লাগাম এমনই টেনেছো যেন তোমার ঠোঁটজোড়া ছাড়া
    কিছুই থাকে না নাগালে,যেন খেলে তোমাকেই চুমু খাই।
    দুটো তিনটে ক্যাভেরটা সেবনে এমনই পুরুষ হয়েছো
    যেন তোমার উত্থান, এক তোমার উত্থানই মেটাতে পারে আমার রাক্ষুসে
    ক্ষিধে।

    ওভাবে দাঁড়িয়ে থেকো না অরণ্য,
    আমি জগত দেখতে পাই না।
    সবকিছু অক্ষত তোমার, সংসারের হিসেব, স্ত্রীপুত্র, সন্ধের মদ।
    সবই তো বোঝো, সোনাগাছি রূপাগাছি, নন্দন চন্দন,
    শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত গাড়িবাড়ি, অর্থকড়ি, যশখ্যাতি সব বুঝে সারা,
    শুধু ভালোবাসা বোঝো না, সে কি আর বুঝেছিলে কোনওদিন!

    ইচ্ছে ছিল প্রেমিক হও,
    সব উজাড় করে উপুড় করে
    ঢেলে দেখি আর যা কিছুই হয়েছো, কবি বা ব্যাবসায়ী, প্রেমিক হওনি।
    ও মুরোদ সবার থাকে না। যা তুমি, তাই থাকো,
    তোমাকে সভ্য হতে হবে না, মানুষ হতে হবে না, প্রেমিক হতেও না।
    শুধু চোখের সামনে থেকে সরো,
    পাশে বা পিছনে দাঁড়াও।
    আমি যেন অন্তত আমি হই।

    ২.
    আমাকে তুমি পাগল বানিয়ে ছাড়বে অরণ্য।
    আরও বিরাট হয়ে বিকট হয়ে চোখের সামনে দাঁড়িয়ে আছো,
    চোখ আমার দিন দিন ঘোলা হচ্ছে, ঘোলা হতে হতে অন্ধ।
    আমি কি কবন্ধ,
    তোমাকে পাথর ছুঁড়ে কেন সরাচ্ছি না!
    আমার জীবন-যাপনে কী জানি কী করে ঢুকে পড়ে এখন হল্লা করছো,
    যেন আমার সংসার আসলে তোমার সংসার,
    আমার ঘর−দার আসবাব তোমার,
    বাসনকোসন, ব্যাংকের যাবতীয়, বাগানের ফুল, বইপষন সব তোমার,
    সেলারের মদগুলো তোমার, রেশমি কাবাব তোমার, স্নানঘর তোমার,
    আমার বিছানা বালিশ তোমার, শরীর তোমার।
    এত দাপট দেখাচ্ছে! যেন তোমার আমি খাই পড়ি,
    যেন তোমাকে না হলে আমি মরে যাবো,
    হৃদপিণ্ড ঝুলে থাকবে, ফুসফুসে শ্যাওলা পড়বে।

    দরজা সেঁটে দাঁড়িয়ে আছো,
    কোনও আগন্তুককে আমন্ত্রণ জানাবে না,
    বেমককা গুঁতো দেবে আমন্ত্রিতর পেটে,
    কেবল তোমার অনুমোদিত অতিথিকে আসন দেবে তুমি।
    চোখ দুটোয় রক্তজবা, সে জানো?
    আমি পালাতে চাইলেই খপ করে ধরে ফেল
    যেন আমার জীবন আসলে তোমার,
    আমার হৃদয়ও তোমার তিন বা চার ইঞ্চি আধ-অকেজো শিশ্নের জোরে
    তোমার।

    তোমার বোতল থেকে দৈত্য বেরিয়ে এসেছে,
    ছিপি চেপে বেশিদিন রাখতে পারোনি।
    বোতল থেকে আসলে তুমিই বেরিয়েছো,
    ন্যাংটো গায়ে নোংরা লাগা, শিশ্নে বীর্যের আঠা
    কারও যোনি থেকে এই সবে উঠে এসে তড়িঘড়ি প্রেমিক সেজেছো।
    আধিপত্য চাও, অরণ্য?
    কাউকে সিঁদুর শাঁখা পরিয়ে বশে রাখো,
    কাউকে প্রেম দিচ্ছে! দাবি করে বশে,
    সারাদিন মনে মনে ধর্ষণ করো যেখানে যে নারীকেই দেখ।
    তুমি পুরুষ বলে তোমার ছোঁকছোঁক মাফ!

    পুরুষ বলে লাম্পট্য মাফ!
    তোমাকে আর যা কিছুই দিতে পারি, আধিপত্য পারি না অরণ্য।
    টন টন প্রেম নেবে নাও,
    নিযে যা কিছুই করো,
    গঙ্গায় ছোড়ো কী কোথাও পুঁতে রাখো সে তোমার খুশি।
    যতবার ইচ্ছে করো শুতে,
    শুতে পারো পুরোনো বীর্যের আঠা ধুয়ে বা না ধুয়ে
    মিথ্যে তোমাকে বলতেই হয় তুমি ভালোবাসো,
    মিথ্যে তোমাকে উচ্চারণ করতেই হয় তুমি এক আমাকেই।
    এই দাপট এখনও তোমার নেই যে
    ভালোবাসার কথা না বলে ঠোঁট ছোঁবে,
    বুকের এত পাটা তোমার নেই যে
    কেবল শরীরের জন্য বলবে শরীর স্পর্শ করছো।
    জানি না জানো কী জানো না যে ভালোবাসতে যেমন পারি,
    না বাসতেও ঠিক ততটুকু পারি আমি।
    তোমার ওই আধ-অকেজো শিশ্নকে কেজো করার জন্য
    এক ফোঁটা প্রেমের প্রয়োজন পড়ে না, অরণ্য।
    শোনো, শুনে রাখো, ভালো তোমাকে না বেসেই আমি চুমু খাই,
    শরীরের জন্যই স্পর্শ করি তোমার শরীর।

    আমি তো আমিই ছিলাম এতকাল,
    এখন ইচ্ছে করেই তোমার সঙ্গে তোমার মতো হই, অরণ্য।
    বোঝো?

    ৩.
    তোমার কি আর বোঝার মন আছে !
    মন যদি কোনওকালে ছিল, তাকে ছড়িয়েছো ছষিনশদিকে,
    এত টুকরো টুকরো করেছো যে মন আর মন নেই,
    তুমিও এখন আর ঠিক ঠিক চিনতে পারো না কোনওটিকে।
    ভাসিয়েছিলে তরুণীর তরে তরী, বাণিজ্য-বাঁধনে ছিলে।
    হর্ষে কর্ষেছিলে, বর্ষেছিলে,
    খুশি ছিলে,
    আহলাদে আরামে ছিলে, ভেবেছিলে ছিলে।
    এখন মন খুঁজতে গিয়ে দেখ
    তোমার আস্ত শরীরের কোনও আনাচ কানাচে নেই,
    টুকরোগুলো যষনতষন, খালে বিলে খাবি খাচ্ছে।
    মনকে একষন করো একদিন, একাগ্র করো একদিন,
    অরণ্য, সমৃদ্ধ হও,
    দেখে দেখে তোমাকে মুগ্ধ যেন হই, মুগ্ধ হতে দাও।

    যত বলি, যত যাই বলি যে ভালো না বেসে স্পর্শ করছি তোমাকে,
    বিশ্বাসও করতে চাই প্রাণপণে যে শরীরের জন্যই শরীর,
    আমাকে শরম দিয়ে, গোহারা হারিয়ে দিয়ে, অভিমানের পুরু প্রলেপ
    ভেঙে
    বেরিয়ে আসে আমার বীভৎস প্রেম।
    এ আমার সঙ্গে আমার লড়াই, তোমার ভূমিকা অতি সামান্য অরণ্য।

    মনকে একাগ্র করে সে মন যাকে ইচ্ছে তাকে দিও,
    না দিতে চাও তো রেখে দিও।
    ভিক্ষে চাইছি না, চাইনি কোনওদিন।
    পৃথিবী প্রদক্ষিণ করে যদি মানুষ না পাও দেবার,
    তবেই এদিকে ফিরে চেও, না দিয়ে না পারো যদি, তবেই দিও।

    ৪.
    কথা বলেছি ওই সুদর্শন যুবকের সাথে, তার সাথে,
    তাতে তোমার কী অরণ্য?
    তুমি কেন চিল্লিয়ে বাড়ি ফাটাচ্ছে!?
    বাপ মা তুলে গাল দিচ্ছ, গালে শক্ত শক্ত চড় দিচ্ছা
    ভালোবাসা দেখাচ্ছে!?
    ছাই ভালোবাসো, মদে চুর হয়ে দুনিয়া উল্টে ফেলবে ভাব,
    চুলের মুঠি ধরে আমাকে টানছো, ধাককা দিচ্ছ দেওয়ালে,
    কব্জির জোর দেখাচ্ছে!, অথচ কব্জি উল্টে উল্টে কিন্তু
    ঠিকই দেখে নিচ্ছ কটা বাজলো
    সময় হলেই বাড়ি যাবে,
    ওখানে তোমার নন্দিনী ভাত বেড়ে বসে আছে,
    ওখানে নন্দিনী এলোমেলো শুয়ে,
    আধো ঘুম তার ভাঙাবে আলতো ছুঁয়ে,
    চোখের পাতায় চুমু খেয়ে চোখ খোলাবে, দেখাবে তোমাকে,
    স্ত্রৈণ তোমাকে, নতমুখ নতজানু কর্তব্যপরায়ণ বিবেকি পুরুষকে।
    ওখানে আমি নেই, আমার গল্প নেই, বিন্দুবিসর্গ নেই,
    ওখানে হাসি মুখ, ওখানে ডিম দুধ, মাছ মাংস,
    ওখানে সন্তান, বংশের দীপ, ওখানে ভবিষ্যৎ,
    স্ফটিক-য়চ্ছ জলে খলসে মাছের সাঁতার।
    ওখানে স্বজন বন্ধু, প্রতিবেশি,
    ফুসফুসে শুদ্ধ হাওয়া,
    ওখানে তুমি কত্তা,
    আহ, নিটোল নিরাপত্তা।

    চার দেওয়ালে আটকে রাখতে চাইছো,
    অন্ধকারের আড়ালে,
    মুঠোর মধ্যে পুরতে চাইছো সবটা,
    আমার দখল চাইছো তুমি,
    আমার ইচ্ছে অনিচ্ছে চাইছো,
    গতরে অন্তরে স্ট্যাম্প মেরে মালিকানা চাইছো।
    চোখ যেন অন্য কোনও যুবকের দিকে না ফেরে,
    চোখ তুমি খুবলে আনতে চাইছো দশ নখে,
    দাঁতে ছিঁড়তে চাইছো আমার স্তনবৃন্ত যেন কেউ ঠোঁট ছোঁয়াতে না পারে,
    জ্বলন্ত শিক ঢুকিয়ে পুড়িয়ে দিতে চাইছো যৌনাঙ্গ,
    হৃদয় মোহর করে দিতে চাইছো।
    তুমি কি মানুষ অরণ্য?
    যে কোনও পুরুষের মতোই পুরুষ তুমি।
    দীন, হীন,
    যে কোনও পুরুষের মতোই লোভী,
    স্বার্থে অন্ধ। অনুদার, কুৎসিত।

    নন্দিনীকে শেকল পরিয়েছো, আমাকেও পরাবে পণ করেছো ।
    যারই সান্নিধ্যে যাও, যে-ই তোমাকে না-বুঝে না-দেখে ভালোবাসে
    তাকেই খামচে কামড়ে পরাতে চাও শেকল।
    সারা শরীরে তোমার ঝনঝন আওয়াজ, অরণ্য,
    মানুষ পেঁচাতে পেঁচাতে নেশাগ্রস্ত এখন মানুষ পেঁচিয়ে বাঁচো।

    দখলি-দারের লোল গড়াচ্ছে তলপেটে পেটে,
    মুহূর্মুহু মালিক হবে মাংসের।
    দূরারোগ্য দম্ভ-রোগে ভুগছো তিনকাল,
    অন্যের স্বাধীনতাই এখন দাওয়াই বটে
    তোমার-ঘোলা-জলে গুলে গুলে সারাদিন অপ্রকৃতস্থের মতো তাই খাও।
    মেগালোম্যানিয়ার কিলবিলে কীট কুরে খাচ্ছে তোমাকে,
    তোমাকে করুণা করি,
    তোমার শতচারী শরীরে শতবার থুতু দিই।

    কিছু কম ঘৃণা হলে একশ সুদর্শনের সঙ্গে রমণ করে দেখাতাম
    স্বাধীনতা কাকে বলে।
    বেশি ঘৃণা বলে তোমার তো নয়ই, তোমার জাতেরও স্পর্শ নেব না, না।
    গেট লস্ট ইডিয়ট ছাড়া আপাতত আমার মুখে
    প্রেমের অন্য কোনও বাক্য অবশিষ্ট নেই।

    ৫.
    দুহাত পেতে ভিক্ষে চাইছো ক্ষমা,
    তুমি কি জানো যোগের ঘরে শূন্য করেছো জমা !
    বিয়োগের ঘরে কম করে বলি দুকোটি,
    মনে আছে কেড়ে নিয়েছিলে সব, ছাড়ো নাই খড়কুটোটি!

    তুমি বুঝি আর ছোটখাটো বদমাশ!
    চুমু খেতে খেতে পরিয়েছো ফাঁস,
    আমারই খেয়ে আমারই পরে আমারই সর্বনাশ।
    ক্ষমার প্রশ্ন ওঠে না শুনেই অন্য আঁচলে ঝাঁপ,
    দুধ কলা দিয়ে চিরকালই আমি পুষলাম কালসাপ।

    ৬.
    তোমাকে এখন অনেক দূরের মানুষ মনে হয় অরণ্য,
    সন্ধেটা কাটাতে তুমি আসো, মামুলি কিছু কথার পুনরাবৃত্তি করো,
    চুমু না খেলে কী আবার ভেবে বসি বলে চুমুও দুতিনটে খাও।
    সঙ্গমের জন্য গায়ের কাপড়চোপড় এমন করে খোলো
    যেন সারাদিন রোদে ভিজে বাড়ি ফিরে পায়ের মোজা খুলছো,
    খুলে আমার শরীর নিয়ে যা করো তা নিতান্তই দুপুরবেলার স্নানের
    মতো,
    স্নান সেরে টেবিলের বাড়া ভাতে হাত ডোবাবার মতো, খেয়ে ঢেঁকুর
    তুলে বিছানায় ভাতঘুম দেওয়ার মতো, দিয়ে এলিয়ে কেলিয়ে বিকেলের
    বেরিয়ে যাওয়ার মতো।
    আমাকে কি বাড়ির বউ পেয়েছো অরণ্য?
    আমি কি দীর্ঘ দু যুগ ধরে সংসার করা তোমার অভ্যেসের জিনিস!

    ঘন কুয়াশার দিকে বুঝে না বুঝে দৌড়ে যাচ্ছে! তুমি
    তোমার সন্ধেবেলার মুখকে প্রতিদিনই খুব নতুন নতুন লাগে,
    তোমার মুখের মতো মুখ, অথচ ঠিক তোমার নয়।
    তোমাকে স্পর্শ করি, অথচ ঠিক তোমাকে নয়।

    ছটফট করা একটি মন বুকে না কোথায় বসে থাকতো,
    তাকে ভুলিয়ে ভালিয়ে কোথায় কোন অরণ্যে নিয়ে গেছো, অরণ্য!
    তুমি এখন অনেকটা এলেও যা না এলেও তা-এর মতো,
    অনর্গল বকো বা অন্যমন বসে থাকো, একই।
    শ্যাওলা ফেলে ফেলে চোখদুটো এমন করেছো যে আর পড়তে পারি
    না।
    তুমি কি চাইছো না পড়ি!
    একটু একটু করে মরে যাবে ভেবেছো বলেই কি তুমি মরে যাচ্ছে! !
    একটু একটু করে আমাকে মারবে বলেই কি তুমি মরছো, অরণ্য?

    ৭.
    তুমি চলে যাও, পেছন পেছন আমিও যাই
    যে আমিটি হাসি খেলি আনন্দ করি,
    সাঁতরে সাঁতরে ওইপার যাই,
    যে আমিটি হাত পা ছুঁড়ে সকালসন্ধে কাঁদি।
    একটা পাথর-মতো কিছু পড়ে থাকে ঘরে,
    কুণ্ডুলি পাকিয়ে অন্ধকার পড়ে থাকে,
    সারা গায়ে যার স্যাঁতস্যাঁতে শ্বেতি।
    একটা আমি পড়ে থাকি বোধবুদ্ধিহীন আমি,
    একটা মেয়েমানুষ পড়ে থাকে
    সাড়ে ছ হাজার বছর বয়স।

    মুঠোর ভেতর আকাশ যে নিয়ে যাও
    পেছন ফিরে কি দেখেছো কী থাকে?
    তোমার না-থাকা জুড়ে কতটা শ্বাসকষ্ট,
    ক জোড়া মৃত্যু থাকে!

    রাতে রাতে তুমি কার কাছে যাও অরণ্য!
    কে তোমাকে কী আমার চেয়ে বেশি দেয়?

    এত টইটম্বুর তুমি, এত কানায় কানায় ভরে রাখি,
    কোথাও কি নিজেকে দিতে যাও তাই!
    ঢেলে দিয়ে খালি হাতে ফিরবে বলে একদিন, উদাসীন!
    তোমার চলে যাওয়ার আস্তিন ধরে হেঁচকা
    টেনেও কখনও এক সুতো নাড়াতে পারিনি,
    তুমি নড়ো না কেন অরণ্য,
    ছলকে পড়লে যদি তোমার এক ফোঁটা কিছু আবার পেয়ে যাই আমি!

    আমাকে না দিতে চাও, না দাও,
    যাকে দাও, ভালোবেসে দাও।
    পারো তো ভালোবাসা শেখো অরণ্য,
    স্বরেঅস্বরেআ শিখে নিয়ে দ্রুত যুক্তাক্ষর ধরো।
    এইটুকু অন্তত আমার সান্ত্বনা হোক—
    যাকে ভালোবাসি, সে কোনও ইট কাঠ নয়, সে মানুষ।
    যাকে ভালোবাসি সে নিরেট কোনও স্বপ্ন নয়, সে রক্তমাংস।
    ভালোবাসতে সেও কাউকে জানে, আমাকে না হোক।
    সুনামি মাথায় করে কারও কাছে যেতে জানে,
    কাউকে সে মুঠো খুলে আকাশ দিতে জানে।
    সেও নিবিড় করে উষ্ণ হাত রাখে কারও হাতে,
    সে হাত আমার নয়, না হোক।

    অরণ্য, যাকে জীবন দিচ্ছে!, তাকে ভালোবেসেই দাও।
    এভাবেই না হয় তুমি যোগ্য হয়ে ওঠো আমার প্রেমের।

    ৮.
    একদিন আমারও ইচ্ছে করে যাই, অন্য অঙ্গে অঙ্গাঙ্গি জড়াই,
    একদিন আমিও আর পেছন না তাকাই।
    দেখে নিও অরণ্য, তোমার ওই আদিখ্যেতার
    আলিঙ্গণ থেকে হঠাৎই উঠে যাবো, শর্তে ঠাসা দুপুরগুলো দুহাতে ভেঙে
    কড়ায় গণ্ডায় বুঝে নেবো প্রণয়ের প্রতিটি প্রহর,
    দুআনার বিনিময়ে তখন দুআনাই পাবে।

    অন্যকে ফাঁকি দিয়ে একদিন আমার কাছে আসতে অরণ্য,
    আমাকে ফাঁকি দিয়ে এখন অন্যের কাছে যাও,
    তুমি কিন্তু তুমিই আছো। খেয়াঘাটে ডিঙিনৌকো ঠিকঠিক বাঁধা।
    ফাঁকি দিতে জানলে আমি ফাঁকিই দিতাম,
    জানি না বলেই দেখিয়ে দেখিয়ে অন্য কারওর হাত ধরে হেঁটে যাবো
    যতদূর খুশি, দেখিয়ে দেখিয়ে সমুদ্রে স্নান করবো, দেখিয়ে দেখিয়ে
    অনেক কিছু….
    কিছু তো কোনওদিনই আমাকে দিলে না অরণ্য,
    একটি দিনই না হয় দাও, যে দিনটি পিঠে আঙুল ছোঁয়ালেই
    ঘুমের ঘোমটা তুলে খুলবো দুচোখ, শিশিরের মতো
    ঝরতে থাকা সোনারং সকাল জুড়ে দেখবো অরণ্য নামে কেউ নেই
    ও নামে কোনওদিন কেউ ছিল না কোথাও
    বিছানা জুড়ে এলোমেলো শুয়ে আছে নতুন যুবক!

    ৯.
    যুবকেরা শয্যাশঙ্গী হবে, হোক। হৈ হৈ করে মিলনে মিথুনে
    বারো বছরের মতো দীর্ঘ এক একটি রাত্তির দেবে
    দিক, ভালোবাসা নৈব নৈব চ।

    ভালো আমি কাউকে আর বাসছি না অরণ্য।
    বাসলেই আমার রাষিনদিন ছিটকে পড়বে মহাশূন্যে
    বাসলেই আমি উন্মাদের মতো জপ করবো কেবল তার,
    মস্তিষ্কের আর মেদমাংসের আর অস্থিমজ্জার নির্যাস নিংড়ে নিয়ে
    নিজেকে নিঃশেষ করে
    কেবলই তার পাষেন আমি গড়িয়ে পড়তে থাকবো।
    বাসলেই বুকের ভেতর খাঁচা নাকি খোলা উঠোন
    সব পুড়তে থাকবে, থাকবেই
    যতক্ষণ না শেষবিন্দু রক্ত শুকিয়ে হৃদপিণ্ড অচল হয়।
    যাকে ভালোবসি, তাকে, এমনই বদঅভ্যেস, আস্ত একটা জগত করে
    ফেলি
    জগত ক্রমশ বড় হতে হতে মাটি ফুঁড়ে উলঙ্গ উঠে আসে,
    উদ্বাহু উল্লাসে হৈ রৈ করতে করতে
    আমাকেই মুঠোয় নিয়ে শেষে চটকায়, পেষে।

    ভালোবাসা মানেই আমার মরণ নিশ্চিত,
    এ আর তোমার চেয়ে বেশি কে জানে অরণ্য!

    ১০.
    দরজায় শব্দ হচ্ছে না, তবু সারাক্ষণই মনে হচ্ছে হচ্ছে,
    আসোনি, তারপরও বিশ্বাস হতে চায় না যে সত্যিই তুমি আসোনি
    অরণ্য।

    ১১.
    লোকে করছে করুক, কত আর করবে কানাকানি
    কেন ছাড়াছাড়ি, সে তুমি জানো আর আমি জানি।
    দুজনে ছিলাম জড়িয়ে ছিলাম যে কদিনই ছিলাম,
    ভ্রুক্ষেপ করিনি কিছু, কোনও দুর্নামও।
    একটি সত্য মানো—
    ভালো যা বাসার আমিই বেসেছি,
    তুমি একটুও বাসোনি।
    রইছো কোথাও রবি থেকে শনি,
    চেনো ও-পাড়ার ডজন কয়েক যোনি।
    ভালো আমিই বেসেছি অরণ্য, তুমি কোনওদিনই বাসোনি।

    ভ্রমণ তো কিছু কম করছো না,
    আমার সাথেই নেই বনিবনা।
    ঘোরো অলিগলি, এ পথেই শুধু হয়না তোমার পা ফেলা,
    যেদিকে চাও, এ তো সত্যিই, সেদিকেই নেবে কাফেললা।
    মানচিষেন তো প্রত্যেকে আছে, আমাকেই তুমি রাখোনি,
    অন্য কোথাও পেয়ে গেছ ধন, যক্ষের ধন, হিরে মানিকের খনি!

    ভালো-বাসার জন্য তো তুমি আসোনি,
    ভালো বাসোনি বাসোনি, বাসোনি!
    মিটে গেল। মিটে কি আর কিছু অত সহজেই যায়,
    বুকের বাঁপাশ যন্ত্রণা তার দাঁতে নখে ছিড়ে খায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভ্রমর কইও গিয়া – তসলিমা নাসরিন
    Next Article কিছুক্ষণ থাকো – তসলিমা নাসরিন

    Related Articles

    তসলিমা নাসরিন

    লজ্জা – তসলিমা নাসরিন

    August 21, 2025
    তসলিমা নাসরিন

    আমার মেয়েবেলা – তসলিমা নাসরিন

    August 21, 2025
    তসলিমা নাসরিন

    উতল হাওয়া – তসলিমা নাসরিন

    August 21, 2025
    তসলিমা নাসরিন

    দ্বিখণ্ডিত – তসলিমা নাসরিন

    August 21, 2025
    তসলিমা নাসরিন

    কিছুক্ষণ থাকো – তসলিমা নাসরিন

    August 21, 2025
    তসলিমা নাসরিন

    ভ্রমর কইও গিয়া – তসলিমা নাসরিন

    August 21, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }