Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভূতের বাচ্চা সোলায়মান – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প75 Mins Read0
    ⤷

    ১. ছুটির ঘন্টা পড়ল

    ভূতের বাচ্চা সোলায়মান – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    প্রথম প্রকাশ: অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৭, জাগৃতি প্রকাশনী

    .

    ভূমিকা

    মাঝে মাঝেই আমি টেলিভিশন কিংবা মঞ্চের জন্যে নাটক লিখেছি! কিছু কিছু নাটকের গল্পটা আমার নিজের কাছেই ভালো লেগে যায়, তখন আমার সেটাকে একটা বই হিসেবে লেখার ইচ্ছে করে, ভূতের বাচ্চা সোলায়মান সে রকম একটা নাটক।

    যাদের বসে বসে ইউটিউবে নাটক দেখার ধৈর্য নেই তাদের জন্যে এই বই।

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    ১৬.০১.২০১৭

    .

    ১.

    শেষ পর্যন্ত ঢং ঢং করে ছুটির ঘন্টা পড়ল। নীতুর মনে হচ্ছিল ক্লাসটা বুঝি আর শেষ হবে না কিন্তু শেষ পর্যন্ত শেষ হলো। ক্লাসটা পড়ান রাজ্জাক স্যার, রাজ্জাক স্যারের চেহারাটা এমন যে তাকে দেখলেই হাই উঠে যায়। আর স্যার যখন ঢুলু ঢুলু চোখে নাকে টেনে টেনে আস্তে আস্তে কথা বলেন তখন আর কোনোভাবে চোখ খুলে রাখা যায় না। অনেক কষ্ট করে নীতু তার চোখ খুলে রেখেছিল- একটু পরে পরে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখছিল ক্লাসটা শেষ হয় কীনা। শেষ পর্যন্ত ক্লাস শেষ হলো আর ঢং ঢং করে ছুটির ঘণ্টা বেজে উঠল তখন নীতুর মনে হলো তার কানে বুঝি কেউ মধু ঢেলে দিচ্ছে। সে বইগুলো বেগে ভরে তড়াক করে লাফ দিয়ে উঠে দাঁড়াল।

    রাজ্জাক স্যারের মনে হয় কিছুক্ষণ সময় লাগল বুঝতে যে ছুটির ঘন্টা পড়ে গেছে। যখন বুঝলেন তখন খুবই ধীরে ধীরে তার বই খাতা, চক-ডাস্টার হাতে নিলেন, তারপর ছোট ছোট পা ফেলে শামুকের মতো আস্তে আস্তে হেঁটে হেঁটে ক্লাসরুমের দরজার দিকে যেতে লাগলেন। ক্লাসের সব মেয়ের সঙ্গে নীতু ধৈর্য ধরে স্যারের ক্লাসরুম থেকে বের হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করল, তারপর সবাই মিলে একটা গগনবিদারী চিৎকার দিয়ে ক্লাস থেকে বের হওয়ার জন্যে ছুটতে শুরু করল। তাদের দেখলে মনে হবে কেউ বুঝি ক্লাসের ভেতর একটা বোমা ফেলে দিয়েছে, বোমাটা এক্ষুনি ফাটবে আর সেটা ফাটার আগে যেভাবে হোক ক্লাসরুম থেকে বের হয়ে যেতে হবে।

    নীতু ধাক্কাধাক্কি করে ক্লাসরুম থেকে বের হয়ে এলো এবং তখন একটু শান্ত হলো। বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলতে বলতে তারা স্কুল গেটের দিকে এগোতে থাকে। তাদের স্কুলের দারোয়ান গেটটা খুলে

    কুচকে মেয়েদের দিকে তাকিয়ে আছে, দারোয়ানদের মনে হয় সবার দিকে সন্দেহের চোখে তাকাতে হয়, সবাইকে সন্দেহ করতে করতে তাদের ঐ মনে হয় পাকাপাকিভাবে কুঁচকে গেছে।

    যাদের বাসা দূরে কিংবা যাদের বাসা খুব বেশি দূরে না কিন্তু হেঁটে অভ্যাস নেই তাদের গাড়ি এসে অপেক্ষা করছে। মেয়েরা তাদের গাড়িতে উঠছে, আর হুশ করে গাড়ি বের হয়ে যাচ্ছে। নীতু তাদের পাশ কাটিয়ে এগিয়ে গেল। তার বাসা স্কুল থেকে খুব বেশি দূরে না, অনেক মেয়েই এই দূরত্ব হেঁটে যেতে চায় না কিন্তু নীতু প্রতিদিন হেঁটে হেঁটে বাসায় যায় । চারপাশে দেখে হেঁটে যেতে তার খুব ভালো লাগে। খুব ছোট ছোট জিনিস যেটা কেউ লক্ষ্য করে না নীতু সেটাও খুব ভালো করে লক্ষ্য করে। যেমন মোড়ে একজন মুচি বসে জুতো সেলাই করে, তার সামনে দিয়ে কেউ হেঁটে গেলে সে চোখ তুলে তার জুতাটা দেখে কি কখনোই মুখ তুলে মানুষটার চেহারাটা দেকে না। কিংবা সখিনা রেস্টুরেন্টের বাইরে যে মানুষটা ডেকে ডেকে খদ্দেরদের ভেতরে নেয়ার চেষ্টা করে, সে সবাইকে ডাকাডাকি করে না, বেছে বেছে কিছু মানুষকে ডাকে, যাদের দেখে মনে হয় তারা সখিনা রেস্টুরেন্টে বসে মোগলাই পরোটা খাবে। নীতুর সবচেয়ে মজা লাগে ওভারব্রিজের পর বসে থাকা বুড়ো ভিখিরিটাকে দেখতে, আশেপাশে কেউ না থাকলে তাকে দেখে মনে হয় খুবই হাসিখুশি সুখী একজন মানুষ। কিন্তু কেউ কাছে এলেই সে মুহূর্তের মাঝে মুখটাকে দুঃখী করে ফেলে দেখে মনে হয় নিঃশ্বাস আটকে সে এক্ষুনি বুঝি মারা পড়বে।

    নীতু ওভারব্রিজ পার হয়ে রাস্তার অন্য পাশে গিয়ে ফুটপাতে পুরনো বইয়ের দোকানের সামনে গিয়ে দাঁড়াল । পেছনে অনেকগুলো বই সাজিয়ে রাখা হয়েছে। সামনে একটা নীল প্লাস্টিক বিছালো, তার ওপর অনেকগুলো বই এলোমেলো করে ছড়িয়ে রাখা হয়েছে। বাসায় যাওয়ার সময় নীতু প্রত্যেকদিন এখানে থেমে বইলো খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখে। মাঝে মাঝে সে মজার বই পেয়ে যায়। একবার শামসুর রাহমানের একটা কবিতার বই পেয়েছিল, যেখানে কবি শামসুর রাহমান নিজে অটোগ্রাফ দিয়ে বইটি একজনকে উপহার দিয়েছেন!

    নীতু বইগুলো খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখল, তখন হঠাৎ করে একটা বই তার চোখে পড়ল । বইটির নাম “প্রেতসাধনা” । প্রেতকে নিয়ে কীভাবে সাধনা করা যায় দেখার জন্যে সে বইটি হাতে নেয়, অনেক পুরনো বই, পৃগুলো হলুদ হয়ে গেছে। বইয়ের ভাঁজে ভাঁজে অনেক জায়গায় কোনো একজন মানুষের হাতে লেখা কথাবার্তা। এ রকম বই নীতুর খুব মজা লাগে, মনে হয় শুধু বইটি নয় বইয়ের সঙ্গে সঙ্গে সে বুঝি একটা মানুষের কাহিনীও পড়ে ফেলছে। নীতু বইটা হাতে নিয়ে দোকানের মানুষটাকে জিজ্ঞেস করল, “মামা, এটা কত?”

    নীতু মাঝে মাঝেই মানুষটার কাছ থেকে বই কেনে তাই মানুষটা তাকে চেনে, সে হাসি হাসি মুখ করে বলল, “বিশ টাকা।”

    “এই বই বিশ টাকা? বইটার অবস্থা দেখেছেন?”

    মানুষটা দাঁত বের করে হাসল, বলল, “বই যত পুরানা হয় তার দাম তত বেশি!

    নীতুও দাঁত বের করে হাসল, বলল, “বইটাও সে রকম একটা বই হতে হয়। এটা সে রকম বই না।”

    মানুষটা জিজ্ঞেস করল, “কত দেবেন?”

    “দশ টাকা।”

    “পনেরো।”

    নীতু মাথা নাড়ল, বলল, “না । দশ টাকা ।”

    মানুষটা তখন হতাশার মতো ভঙ্গি করে বলল, “ঠিক আছে। দেও।”

    নীতু তার ব্যাগ থেকে দশ টাকা বের করে মানুষটার হাতে দিয়ে বইটা দেখতে দেখতে বাসার দিকে এগোতে থাকে। দেখে মনে হতে পারে একটা বই দেখতে দেখতে ফুটপাথ ধরে মানুষের ভিড় ঠেলে হেঁটে যাওয়া বুঝি খুব কঠিন। আসলে এটা মোটেই কঠিন নয়, চোখের কোনা দিয়ে সামনে এবং পাশে দেখতে দেখতে খুব সহজেই হেঁটে যাওয়া যায় ।

    .

    নীতু বইটা পড়তে পড়তে হেঁটে যেতে থাকে, বইটা খুব মজার একটা বই। কোন মন্ত্র কেমন করে পড়ে কোন ভূত আনা সম্ভব এই বইটিতে তার সবকিছু লেখা আছে। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে কোনো কোনো মন্ত্রের পাশে কেউ একজন কলম দিয়ে লিখে রেখেছে, “কার্যকর”, কোনো কোনোটার পাশে লেখা, “প্রাণঘাতী” কিংবা “সমূহ বিপদ” ইত্যাদি ইত্যাদি। বইটা দেখে মনে হচ্ছে কোনো একজন এই বইয়ের মন্ত্রগুলো ব্যবহার করে দেখেছে। কোনো কোনোটা কাজ করে কোনো কোনোটা বিপজ্জনক। কী আশ্চর্য!

    বাসায় আসার আগে নীতু বইটা তার ব্যাগের ভেতর ঢুকিয়ে ফেলল। সে বই পড়তে পড়তে রাস্তায় হেঁটে হেঁটে বাসায় এসেছে দেখতে পেলে আৰু ৰাসাটা মাথায় তুলে ফেলবেন!

    বাইরের দরজাটা খোলা, নীতু দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকে দেখল আব্বু অপরিচিত একজন মানুষের সঙ্গে সোফায় বসে আছেন। নীতুকে দেখে ডাকলেন, বললেন, “নীতু মা, স্কুল শেষ হলো? এসেছিস।”

    নীতু বলল, “হ্যাঁ আব্বু।”

    আব্বু বললেন, “আয়, এদিকে আয়, তোকে তোদের দবির চাচার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিই।”

    নীতু একটু এগিয়ে গেল, দবির চাচা নামক মানুষটার চেহারা এবারে ভালো করে দেখতে পেল । আধবুড়ো একজন মানুষ চেহারার মাঝে কেমন যেন একটা চালবাজ ভাব, ঠিক কোথা থেকে এই চালবাজ ভাবটা এসেছে নীতু ধরতে পারল না। আব্লু বললেন, “দবির ভাই, এই যে আমার মেয়ে নীতু।”

    মানুষটার মুখে মনে হলো একটা বিরক্তির ছাপ পড়ল । মনে হলো খুবই অনিচ্ছার সঙ্গে মাথা ঘুরিয়ে নীতুর দিকে তাকাল, চোখের দৃষ্টি দেখে মনে হলো সে যেন নীতুর দিকে তাকাচ্ছে না একটা বড় তেলাপোকা কিংবা টিকটিকির দিকে তাকাচ্ছে। মুখটা কুঁচকে বলল, “অ। মেয়েটা তো দেখি বড় হয়েছে। আগে এই টুকুন ছোট ছিল।”

    মানুষটা হাত দিয়ে যেটুকু ছোট দেখাল একজন মানুষের বাচ্চার পক্ষে এত ছোট হওয়া সম্ভব না। আলু বললেন, “হ্যাঁ। বাচ্চারা দেখতে দেখতে বড় হয়ে যায়।”

    মানুষটা বলল, “একটু বড় হলে ভালো। চড়-থাপ্পড় দিয়ে কন্ট্রোলে রাখা যায়!”

    আব্বু বললেন, কী বলছেন দবির ভাই! কন্ট্রোল করতে চড়-থ প্পিড় দিতে হবে কেন?”

    দবির চাচা নামের মানুষটা আব্বুর প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে বিরক্তির ভঙ্গিতে মাথা নেড়ে বলল, ছোট বাচ্চা মানেই যন্ত্রণা। ছোট বাচ্চা মানেই ইবলিস। সাক্ষাৎ ইলিশ!”

    দবির চাচার কথা শুনে নীতু এত অবাক হলো যে, সেটি বলার মতো নয়! উত্তরে সে কিছু একটা বলতে চাইছিল কি শেষ পর্যন্ত আর কিছু বলল না, হাঁ করে এই বিচিত্র চালবাজ ধরনের মানুষটির দিকে তাকিয়ে রইল।

    দবির চাচা আবার নীতুর দিকে তাকাল, মুখের এক কোনা ওপরে তুলে বলল, “স্কুল থেকে আসছ? কোন ক্লাসে পড়।”

    নীতু বলল, “ক্লাস এইট ।”

    দবির চাচা আবার আব্বুর দিকে তাকাল, বলল, “আমার কী মনে হয় জানো? মেয়েলোকের লেখাপড়াটা আসলে দেশের ক্ষতি। ন্যাশনাল লস। তুমি পয়সাপাতি-টাকা খরচ করে মেয়েকে পড়াবে আর সে কী করবে? শ্বশুরবাড়ি গিয়ে হাজব্যান্ডের জন্যে রান্না করবে। শ্বশুর-শাশুড়ির জন্যে রান্না করবে। আরে বাবা ভাত রান্না করার জন্যে কী আর পড়ালেখা করতে হয়?”

    মানুষটার কথা শুনে নীতুর প্রায় হার্টফেল করার অবস্থা হলো। বলে কী মানুষটা? তার ইচ্ছে করল স্কুলের ব্যাগটা দিয়ে মানুষটার মাথায় দড়াম করে মেরে বসে, অনেক চেষ্টা করে নিজেকে শান্ত রাখল।

    দবির চাচার কথা শুনে আকুণ্ড খুব অপ্রস্তুত হয়ে গেলেন, বললেন, “আরে না, না! আপনি এসব কী বলছেন? এখন কী আর সেই আগের যুগ আছে নাকি যে মেয়েরা ঘরে বসে রান্না করবে। মেয়েরা এখন সব কিছু করে। তাছাড়া আমাদের নীতু লেখাপড়ায় খুব ভালো। বড় হয়ে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার-সায়েন্টিস্ট কিছু একটা হয়ে যাবে।”

    আর এত বড় লেকচারেও কোনো কাজ হলো না। মানুষটা আরো জোর গলায় হাত নেড়ে বলল, “আরে ধুর! মেয়েলোকের আসল জায়গা হচ্ছে তার স্বামীর ঘর। স্বামীর সেবা করবে। বাচ্চা মানুষ করবে। শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা করবে। বুড়ো হলে পা টিপে দেবে, তেল মালিশ করে দেবে ।

    নীতু অনেকক্ষণ সহ্য করেছে, আর পারল না। দাঁত-মুখ খিঁচিয়ে বলল, “আমার আর খেয়ে-দেয়ে কাজ নাই? আমি বসে শ্বশুর শাশুড়ির পায়ে তেল মালিশ করে দেব?”

    দবির চাচা নীতুর এই খিচুনির জন্যে প্রস্তুত ছিল না, চমকে উঠে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে বলল, “আঁ?”।

    নীতু বলল, “আমার শ্বশুর-শাশুড়ি যদি বলে তাদের পায়ে তেল মালিশ করে দিতে তাহলে তাদের খবর আছে। সেই পা নিয়ে আর হাঁটতে হবে না!”

    দবির চাচা আঁতকে উঠলেন, বললেন, “কী? কী বললে?”

    “ইভা তখন ঘুষি মেরে সেই মানুষটার সামনের দুইটা দাঁত ফেলে দিয়েছিল। এখন দাঁতের ফাঁক দিয়ে পিচিক করে থুতু ফেলতে খুব সুবিধা কিন্তু অন্য সব কাজে অসুবিধা!”

    আবু ধমক দিয়ে বললেন, “কী শুরু করেছিস নীতু? ভেতরে যা, হাত-মুখ ধুয়ে মানুষ হ।”

    নীতু তখন গটগট করে হেঁটে বাসায় ভিতরে ঢুকে গেল।

    .

    দবির চাচা আব্বুর দিকে তাকিয়ে বললেন, “কী বলে তোমার মেয়ে? আদব-লেহাজ নাই? বড়-ছোট মান্য নাই। একজন মেয়ে থাকবে মুখ বন্ধ করে। তাকে দেখা যাবে কিন্তু শোনা যাবে না–”

    আলু বললেন, “আপনি তো দেশের বাইরে ছিলেন, খবর রাখেন না। মেয়েরা আর আগের মেয়ে না, কোনো কথা পছন্দ না হলে উল্টো কথা বলে ফেলে।”

    দবির চাচা বললেন, “না, না, না। তুমি তোমার মেয়েকে ঠিক করে মানুষ কর নাই! বলে কী তোমার মেয়ে? ঘুষি মেরে মানুষের দাঁত ফেলে দেয়? কী সর্বনাশ!”

    আব্বু কী বলবেন বুঝতে না পেরে হাসি হাসি মুখ করে দবির চাচার দিকে তাকিয়ে মাথা নাড়তে থাকেন।

    .

    নীতু রেগেমেগে রান্নাঘরে গিয়ে আম্মুকে খুঁজে বের করল, থমথমে গলায় জিজ্ঞেস করল, “আম্মু এই খারাপ মানুষটা কে?”

    নীতু কার কথা বলছে বুঝতে আম্মুর কোনো সমস্যা হলো না, একটু হাসার চেষ্টা করে বললেন, “ও! দবির ভাই? তোর একজন দূর সম্পর্কের চাচা। কেন? কী হয়েছে?”

    নীতু বলল, “দূর সম্পর্কের চাচা দূরে থাকলেই পারে! কা” আসতে কে বলেছে? আমাদের বাসায় এসেছে কেন?”

    আম্মু বললেন, “মিডল ইস্টে থাকে। দেশে বেড়াতে এসেছে।”

    নীতু আঁতকে উঠে বলল, “সর্বনাশ! কত দিন থাকবে?”

    আম্মু বলল, “সেটা কী করে বলি? একজন এলে তাকে কি জিজ্ঞেস করা যায় কতদিন থাকবে?”

    “তোমাদের লজ্জা লাগলে বল, আমি গিয়ে জিঞ্জেস করে আসি কতদিন থাকবে।”

    “ধুর বোকা মেয়ে। ফাজলেমি করবি না।”

    নীতু মুখ শক্ত করে বলল, “আম্মু, আমি মোটেও ফাজলেমি করছি না। এই খারাপ মানুষটা কী বলে জানো? বলে ছোট বাচ্চারা নাকি ইবলিস । আর কী বলে জানো? বলে মেয়েদের লেখাপড়া করানো নাকি ন্যাশনাল লস! আর কী বলে জানো?”

    আব্বু বললেন, “জানি। তোকে আর বলতে হবে না। যা হাত মুখ ধুয়ে আয়, কিছু একটা খা।”

    নীতু বলল, “না আম্মু। তোমাকে শুনতে হবে এই মানুষটা আর কী কী বলেছে।”

    “আমার আর শুনতে হবে না। আমি জানি । মানুষটা একটু পাগল ধরনের, একটু পুরানা মডেলের। একটু—”

    “না আম্মু। মানুষটা খালি পাগল আর পুরানা মডেলের না, মানুষটা হচ্ছে খারাপ একটা মানুষ । খারাপ আর পচা। পচা পচা পচা!”

    নীতু এমনভাবে মুখ বিকৃত করল যে, দেখে আম্মু হেসে ফেললেন।

    ###

    [অসম্পূর্ণ। বাকি অংশ বইটি সংগ্রহ করার পরে দেয়া হবে।]

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৬ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article ভূত সমগ্র – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }