Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভূতের বাচ্চা সোলায়মান – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প75 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২. দবির চাচা নীতুদের বাসায়

    ২.

    দবির চাচা নীতুদের বাসায় এসেছে চব্বিশ ঘণ্টাও হয়নি। এর মাঝে নীতুর মানুষটিকে এক্কেবারে অসহ্য মনে হতে লাগল। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে নীতু শুনতে পেল গেস্ট বাথরুমের ভেতর থেকে বিকট একটা ঘরঘর শব্দ বের হচ্ছে। গরু জবাই দেয়ার সময় মনে হয় এ রকম শব্দ শোনা যায়। কোথা থেকে শব্দটা আসছে দেখার জন্যে নীতু বাথরুমে উঁকি দিতে গেল, তার অবশ্যি কোনো দরকার ছিল না, কারণ বাথরুমের দরজা হাট করে খোলা রেখে দবির চাচা বেসিনের সামনে দাঁড়িয়ে তার জিব পরিষ্কার করছিল। গলার ভেতর প্রায় পুরো হাতটা ঢুকিয়ে দবির চাচা ঘষে ঘষে তার জিব পরিষ্কার করতে করতে এই বিকট শব্দটি করছিল। প্রকাশ্যে সবাইকে দেখিয়ে যে এ রকম একটা কাজ করা যায়, নিজের চোখে না দেখলে নীতু বিশ্বাসই করতে পারত না। দবির চাচা তাকে দেখার আগেই নীতু সেখান থেকে সরে এলো।

    কিছুক্ষণ পর বাইরের ঘর থেকে টেলিভিশনের শব্দ শোনা যেতে থাকে, তাদের বাসায় এত সকালে কেউ কখনো টেলিভিশন দেখে না। নীতু বুঝে গেল নিশ্চয়ই দবির চাচা টেলিভিশন দেখছে। যদি বসে বসে খবর শুনত তাহলেও একটা কথা ছিল। নীতু তার ঘরে বসে হিন্দি গানের শব্দ শুনতে পায়। গানের ধরন দেখেই বুঝতে পারে এগুলো নিশ্চয়ই হিন্দি সিনেমার নাচের দৃশ্য! বিষয়টা নিশ্চিত করার জন্যে সে একবার বসার ঘরে গিয়ে উঁকি দিল, যা সন্দেহ করেছিল তাই, দবির চাচা মুখ হাঁ করে টেলিভিশনে হিন্দি সিনেমার নাচ দেখছেন। চোখ দিয়ে যদি কোনো কিছু গিলে খাওয়া সম্ভব হতো তাহলে দবির চাচা নিশ্চয়ই নাচতে থাকা মেয়েগুলোকে গিলে খেয়ে ফেলত।

    একটু পর আম্মু সবাইকে নাশতা খেতে ডাকলেন। দবির চাচাও তাদের সঙ্গে নাশতা খেতে এলো। দবির চাচা তার চেয়ারে পা তুলে বসল, নীতু সেটা মাফ করে দিতে রাজি ছিল কিন্তু যখন চামুচ থাকার পরও খাবলা দিয়ে সবজির বাটি থেকে সবজি নিতে লাগল, সেটা কিছুতেই মাফ করতে পারল না। পরোটা খেতে খেতে হঠাৎ দবির চাচা মুখের ভেতর আঙুল ঢুকিয়ে মাড়ির ফাঁকে আটকে থাকা খাবার বের করে সেটা চেটে চেটে খেতে লাগল তখন নীতুর মনে হলো সে বমি করে দেবে।

    খাওয়া শেষে দবির চাচা শব্দ করে চুমুক দিয়ে চা খেতে খেতে রাজনীতির আলোচনা শুরু করে দিল। দবির চাচার রাজনীতির আলোচনা খুব সোজা, একজন একজন করে দেশের সব মানুষকে গালাগাল করা। কিছুক্ষণের মাঝেই নীতু ক্লান্ত হয়ে পড়ল, সে তখন ডাইনিং টেবিল থেকে উঠে নিজের রুমে ঢুকে গেল। কিছুক্ষণ পর সে আবার টেলিভিশনে হিন্দি গান শুনতে পায়, যার অর্থ দবির চাচা আবার হিন্দি সিনেমার নাচ দেখতে শুরু করেছে।

    কিছুক্ষণ পর নীতু বাইরের ঘরে গেছে সেলফ থেকে একটা বই আনতে, তখন দেখল দবির চাচা সোফায় দুই পা তুলে বসে বসে টেলিভিশনে নাচ দেখতে দেখতে গভীর মনোযোগ দিয়ে তার নাকের নোম ছিঁড়ছে। খুব সাবধানে একটা লোম ধরে হ্যাঁচকা টান দিয়ে সেটা ছিঁড়ে এনে চোখের সামনে সেটাকে ধরে রেখে লোমটাকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখে ।

    টেলিভিশনে নাচ শেষ হয়ে যখন কথাবার্তা শুরু হয়ে গেল তখন দবির চাচা সোফাতে বসেই ঘুমিয়ে গেল। মুখ হাঁ করে ঘুমাচ্ছে, বিচিত্র শব্দ করে নাক ডাকছে, মনে হচ্ছে ঘরের ভেতর বুঝি একটা জেট ইঞ্জিন চলছে। শুধু তা-ই নয়, হঠাৎ করে নাক ডাকা বন্ধ হয়ে একটা ঘরঘর শব্দ হতে থাকে, মনে হয় কেউ বুঝি দবির চাচার গলা চেপে ধরেছে। বেশ কিছুক্ষণ দম বন্ধ করে বসে থেকে হঠাৎ করে দবির চাচা ধড়ফড় করে জেগে ওঠে তারপর আবার মুখ হাঁ করে ঘুমিয়ে যায়, দুই মিনিট পর আবার জেট ইঞ্জিনের মতো নাক ডাকতে থাকে।

    নীতু কিছুক্ষণ দবির চাচার দিকে তাকিয়ে রইল, তার কাছে একেবারে অসহ্য মনে হয়। এই মানুষটা তাদের বাসায় থাকতে থাকতে আর প্রতি মুহূর্তে তাকে দেখতে হবে চিন্তা করেই নীতুর দম বন্ধ হয়ে আসতে চায়। কী করবে বুঝতে না পেরে সে ভেতরে গেল, কারো সঙ্গে বিষয়টা নিয়ে কথা বলতে না পারলে মনে হয় সে শান্তি পাবে না। আব্বু-আম্মুর বেডরুমে মাথার কাছে রাখা টেলিফোনটা নিয়ে সে তার চাচাতো বোন মিতির কাছে ফোন করল। মিতি বড় চাচার মেয়ে, দুজনে প্রায় সমবয়সী। কিছু একটা হলেই একজন আরেকজনকে জানায়। দবির চাচার কথাটা মিতিকে না জানানো পর্যন্ত সে শান্তি পাবে না।

    ফোনে কয়েকবার রিং হওয়ার পর অন্য পাশে মিতিই টেলিফোনটা ধরে। নীতু বলল, এই মিতি তুই কী করছিস?

    মিতি বলল, কিছু করছি না। তুই কী করছিস?”

    আমি নাকের ডাক শুনছি। কার নাকের ডাক শুনছিস?

    দবির চাচার।

    দবির চাচা? সেটা আবার কে?

    নীতু বলল, আমি বলে বোঝাতে পারব না। যদি দবির চাচা কে জানতে চাস তাহলে সেটা তোর নিজের চোখে দেখতে হবে।

    মিতি জানতে চাইল, কেন? কী করে দবির চাচা?

    অনেক কিছু করে। এই যেমন ধর একটু আগে দেখলাম সোফায় পা তুলে বসে টান দিয়ে পটাং করে একটা নাকের নোম ছিঁড়ে ফেলল। তারপর সেই লোমটা এমনভাবে পরীক্ষা করল যেন নাকের নোম না সিংহের কেশর ছিঁড়ে এনেছে, সেটা দেখে মনে হয় গর্বে তার বুক একশ হাত ফুলে উঠেছে!

    নীতুর কথা শুনে মিতি হিহি করে হাসতে থাকে। নীতু বলল, তুই হাসছিস? এটা হাসির কথা হলো? দিন-রাত চব্বিশ ঘণ্টা বসে বসে এই মানুষটাকে দেখতে হবে তুই সেটা চিন্তা করতে পারিস?

    মিতু বলল, দেখবি। সমস্যা কোথায়? মনে কর সার্কাস দেখছিস।

    সার্কাস দেখার সময় তো কথা শুনতে হয় না। খালি লাফ-ঝাঁপ দেখতে হয়। এই লোকের কথাও শুনতে হয়। কী বলে জানিস?

    কী বলে?

    নীতু বলল, বলে মেয়েদের লেখাপড়া হচ্ছে সময় নষ্ট। মেয়েদের কাজ হচ্ছে হাজব্যান্ডের জন্যে ভাত রান্না করা আর শ্বশুর-শাশুড়ির পা টিপে দেয়া।

    মিতি এবারে গরম হয়ে গেল, বলল, এটা বলে? এত বড় সাহস?

    শুধু এটা বলে না, আরো অনেক কিছু বলে। আরো খারাপ খারাপ কথা বলে। তুই এসে একবার শুনে যা, দেখবি তোরও ব্লাড প্রেশার উঠে যাবে। দিন-রাত বসে বসে হিন্দি সিনেমা দেখে। এত বয়স হয়েছে তারপরও ড্যাব ড্যাব করে হিন্দি সিনেমার মেয়েদের নাচ দেখতে থাকে। দেখে মনে হয় চোখ দিয়ে মেয়েগুলোকে গিলে খাবে। ছিঃ! এসে দেখে যা।

    মিতি বলল, এইরকম একটা মানুষকে দেখার আমার কোনো শখ নাই।

    নীতু বলল, ঠিক আছে তোর দেখতে হবে না। তুই এসে বেড়িয়ে যা।

    মিতি বলল, ঠিক আছে আসব দুপুর বেলা । অনেকদিন তোর সঙ্গে দেখা হয় নাই।

    নীতু বলল, আসলে সজল আর সজীবকেও নিয়ে আসিস।

    ঠিক আছে নিয়ে আসব।

    নীতু টেলিফোনটা রেখে নিজের ঘরে গেল। অন্যদিন হলে বাইরের ঘরের সোফায় বসে পত্রিকা পড়ত, দুই-একটা ম্যাগাজিন উল্টে-পাল্টে দেখতে ইচ্ছে হলে পাঁচ-দশ মিনিট টেলিভিশন দেখত, কিন্তু আজকে বসার ঘরে যাওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। তাই সে টেবিল থেকে একটা বই নিয়ে বিছানায় বসে তার পাতা ওল্টাতে থাকে। বইটার নাম ভৌতিক রহস্য। গতকাল স্কুল থেকে আসার সময় রাস্তার পাশে পুরনো বইয়ের দোকান থেকে কিনে এনেছে।

    নীতু বইটা পড়তে পড়তে চমৎকৃত হয়ে যায়। ভূত বিষয়টা কী সেটা খুবই যত্ন করে লেখা আছে। কয় রকমের ভূত আছে এবং কোন ভূতের চরিত্র কেমন সেটাও খুব ভালো করে বলা আছে। ভূত নামানোর নানারকম উপায় আছে, কোনো কোনোটা বেশ ভয়ঙ্কর- অমাবস্যার রাতে একটা কালো বিড়াল আছাড় দিয়ে মারতে হয়, বাদুড়ের রক্ত আর শকুনের চোখ দরকার হয়। কোনো কোনোটা খুবই সহজ, হাত ধরে বসে একমনে মন্ত্র পড়লেই হয়। ভূত নামানো এত সহজ হলে কেন মানুষ ভূত নামিয়ে বোতলে ভরে রেখে দেয় না কে জানে?

    ভূতের বইটা পড়তে পড়তে নীতু ঘুমিয়েই পড়েছিল, আম্মু তাকে ডেকে ওঠালেন খাওয়ার জন্যে। দবির চাচার সঙ্গে এক টেবিলে বসে খেতে হবে চিন্তা করেই তার শরীরে জ্বর এসে যাচ্ছিল। কিন্তু আম্মু বললেন দবির চাচা এখন খাবেন না, সকালে বেশি খেয়ে ফেলার কারণে তার পেট ভুটভাট করছে। সেটা শুনে নীতু আর দেরি করল না। তাড়াতাড়ি খেতে বসে গেল।

    খাওয়া শেষ হতে হতেই কলিংবেল বেজে উঠল, নীতু লাফ দিয়ে উঠে দরজা খুলে দেয়। মিতি আর সজল, সজীব এসেছে। নীতু এমনভাবে মিতিকে জড়িয়ে ধরে লাফালাফি শুরু করে দিল যে দেখে মনে হলো দুজনের বুঝি বছরের পর বছর দেখা হয়নি।

    সজল বলল, নীতু আপু শুধু আপু আসে নাই আমরা দুজনও এসেছি। আমাদেরকে দেখেছ? এই যে আমরা।

    নীতু হেসে ফেলল, তারপর সজল আর সজীবকে জড়িয়ে ধরে বলল, তোরা এত ছোট যে তোদেরকে চোখেই পড়ে না।

    সজল বলল, নীতু আপু গত মাসে আমার বারো বছর হয়েছে। নীতু বলল, আরো এক বছর অপেক্ষা কর, তারপর টিনএজার হয়ে যাবি। তখন তোকে না দেখে উপায় থাকবে না।

    সজীব সবচেয়ে ছোট ভাই, বয়স দশ, সে জিজ্ঞেস করল, নীতু আপু তখন না দেখে উপায় থাকবে না কেন?

    ওমা! জানিস না? টিনএজ হচ্ছে সবচেয়ে ডেঞ্জারাস। যখন ছেলেমেয়েরা টিনএজার হয় তখন তাদের বাবা-মায়ের সব চুল দুশ্চিন্তায় পেকে যায়।

    কেন দুশ্চিন্তায় সব চুল পেকে যায়?

    নীতু বলল, আর তিন বছর অপেক্ষা কর তখন নিজেই টের পাবি।

    আম্মু কাছেই দাঁড়িয়ে ছিলেন, বললেন, অনেক হয়েছে। আর জ্ঞান দিতে হবে না। তোরা আয়, খেতে বসে যা।

    মিতি বলল, আমরা খেয়ে এসেছি চাচী।

    দুপুর বেলা আসবি, খেয়ে আসবি মানে? আবার একটু খানি খা নীতুর সাথে ।

    না চাচী আর খেতে পারব না।

    দরজার কাছে দাঁড়িয়ে যখন এসব কথাবার্তা হচ্ছে, তখন দবির চাচা চোখ পাকিয়ে তাদের দিকে তাকিয়ে আছে। আম্মু তখন দবির চাচার সাথে সবার পরিচয় করিয়ে দিলেন, বললেন, দবির ভাই, এরা হচ্ছে নীতুর বড় চাচার ছেলে-মেয়ে।

    শফিকের ছেলে-মেয়ে?

    হ্যাঁ, শফিক ভাইয়ের ছেলে-মেয়ে। তারপর মিতিকে দেখিয়ে বললেন, এ হচ্ছে মিতি–

    দবির চাচা কেমন যেন আঁতকে উঠল, মিতি? মিতি আবার কী রকম নাম?

    নীতু মিতির দিকে তাকাল, চোখ নাচিয়ে বুঝিয়ে দিল দবির চাচা মানুষটা কী রকম। মুখে বলল, মিতি খুব সুন্দর নাম। খুবই সুইট নাম।

    সুইট নাম? নাম আবার সুইট হয় কেমন করে? নাম কী চেটে চেটে খায় যে সুইট হবে? মিতি ফিতি নামের মাঝে কোনো বরকত নাই। এই রকম নাম রাখা ঠিক না।

    নীতু মুখ শক্ত করে জিজ্ঞেস করল, তাহলে কী রকম নাম রাখতে হবে?”

    গুলবদন, মেহেরজান, বরকাতুন্নেসা এইগুলো হচ্ছে সলিড নাম।

    আম্মু নাম নিয়ে আলোচনায় যোগ দিলেন না, সজল আর সজীবকে দেখিয়ে বললেন, এরা দুইজন হচ্ছে সজল আর সজীব।

    দবির চাচা চোখ কপালে তুলে বলল, হায় হায়! এদের নামে দেখি আরো সমস্যা।

    নীতু বলল, কোনো সমস্যা নাই। কী সুন্দর বাংলা নাম। দবির চাচা স্থির দৃষ্টিতে নীতুর দিকে তাকিয়ে আম্মুকে জিজ্ঞেস করল, শফিক এখন কী করে?

    আম্মু বললেন, ইউনিভার্সিটির প্রফেসর।

    দবির চাচা চোখ কপালে তুলে বলল, ইউনিভার্সিটির প্রফেসর! এমনভাবে বলল যে শুনে মনে হলো ইউনিভার্সিটির প্রফেসর কথাটা মাস্তান কিংবা সন্ত্রাসীর মতো খারাপ একটা শব্দ।

    আম্মু বললেন, হ্যাঁ। ইংলিশের প্রফেসর।

    তার মানে মাস্টার? শফিক নাকি লেখাপড়ায় ভালো ছিল। এত লেখাপড়া করে শেষে মাস্টার হলো? পুলিশে না হলে কাস্টমসে চাকরি পেল না?

    নীতু বলল, আপনি কী বলছেন চাচা? ইউনিভার্সিটি প্রফেসরের চাকরি ভালো না?

    ইউনিভার্সিটির মাস্টারদের কয় পয়সা বেতন আমি জানি না মনে করছ? এ তো রীতিমতো না খেয়ে থাকার অবস্থা।

    মিতি বলল, আমরা ঠিক না খেয়ে নেই। আম্মুও চাকরি করেন তাই বেশ ভালোই চলে যায়।

    দবির চাচা আবার চমকে উঠল, বলল, শফিকের বউও চাকরি করে? কী সর্বনাশ! দবির চাচা হতাশ ভঙ্গিতে মাথা নাড়তে নাড়তে বলল, মেয়ে লোকের চাকরি করা ঠিক না। মেয়ে লোক থাকবে ঘরে। রান্নাবান্না করবে। সংসার দেখবে।

    মিতি কিছু একটা বলতে চাইছিল, নীতু তখন মিতির হাত ধরে টেনে নিয়ে যেতে যেতে বলল, আয় আমরা যাই। এইখানে বসে এই রকম কথা শুনলে ব্লাড প্রেশার হাই হয়ে যাবে।

    সবাই মিলে নীতুর ঘরে ঢোকার পর নীতু দরজা বন্ধ করে বলল, এই মানুষটা এসেছে মিডল ইস্ট থেকে। কতদিন যে এইখানে থাকবে!

    মিতি বলল, আব্বু শুনেই বলেছে তোদের কপালে অনেক দুঃখ আছে।

    সজীব জানতে চাইল, কেন আপু? দুঃখ আছে কেন?

    নীতু বলল, দেখছিস না কেন দুঃখ আছে? কথাবার্তার ঢংটা দেখিস না?

    মিতি বলল, শুধু কথাবার্তার ঢং না নীতু, আব্বু বলেছে এই মানুষটা নাকি ক্রিমিন্যাল। কী একটা দুই নম্বরী কাজ করে ঝামেলায় পড়েছিল। অ্যারেস্ট হওয়ার ভয়ে মিডল ইস্টে পালিয়ে গিয়েছিল।

    নীতু বলল, এখন নিশ্চয়ই মিডল ইস্টে কোনো একটা দুই নম্বরী কাজ করে অ্যারেস্ট হওয়ার ভয়ে সেখান থেকে পালিয়ে এসেছে!

    মিতি বলল, খুব সাবধান থাকবি।

    বাসার ভেতরে আস্ত একটা মানুষ বসে একটা একটা করে নাকের লোম ছিঁড়ছে তার মাঝে সাবধানটা থাকব কেমন করে?

    সবাই তখন মাথা নাড়ল, মানুষটা যদি বাসার ভেতরে থাকে তখন সাবধান থাকার বিশেষ কোনো উপায় নাই।

    .

    চারজন তখন নীতুর বিছানায় বসে গল্পগুজব করে। তাদের আব্বু-আম্মুরা কীভাবে তাদের জ্বালাতন করে সেটা নিয়ে আলোচনা করে। স্কুলে কী হচ্ছে সেগুলো নিয়ে কথা বলে। স্কুলের কোন ছেলে-মেয়ে কী কী দুষ্টুমি করছে সেটা নিয়ে হাসাহাসি করে। সব ভাই-বোনেরা মিলে কক্সবাজার বেড়াতে যাওয়া যে কত দরকার সেটা মনে কওে লম্বা লম্বা দীর্ঘশ্বার্স ফেলে।

    একসময় সবচেয়ে ছোটজন সজীব বলল, চল আমরা পিকশনারি খেলি।

    নীতু বলল, পিকশনারি? সেটা আবার কী রকম খেলা?

    সজীব উৎসাহ নিয়ে বোঝাতে শুরু করে, প্রথমে দুইটা টিম বানাতে হবে। মনে করো একটা টিম হচ্ছে আমি আর নীতু আপু। আরেকটা টিম হচ্ছে আপু আর ভাইয়া। আমাদের টিম তখন অন্য টিমের একজনকে একটা জিনিসের নাম বলতে বলবে। এমনভাবে বলবে যেন অন্যজন শুনতে না পারে। তখন সে ছবি এঁকে অন্যজনকে জানানোর চেষ্টা করবে জিনিসটা কী।

    নীতু বলল, কিন্তু আমি যে ছবি আঁকতে পারি না?

    সজীব বলল, ভালো আঁকতে না পারলেও ক্ষতি নাই নীতু আপু। শুধু একটু বোঝা গেলেই হলো।

    নীতু বলল, আমি যদি কলা আঁকি সেটা দেখাবে জাহাজের মতো। আর যদি জাহাজ আঁকি সেটা দেখাবে লাউয়ের মতো।

    মিতি বলল, আর যদি লাউ আঁকিস?

    সেটা দেখাবে কলার মতো।

    তাহলে তো হয়েই গেল, কলা আঁকতে শুরু করে আবার কলা হয়ে গেল!

    সবাই তখন কিছুক্ষণ হি হি করে হেসে খেলা শুরু করল। সজীব খুব ভালো করে ছবি আঁকতে পারে, তাই যতবার তার ছবি এঁকে কিছু বোঝাতে হয়েছে সে সঙ্গে সঙ্গে বুঝিয়ে দিতে পেরেছে। কিন্তু যতবার নীতুর ছবি আঁকতে হচ্ছে, তখন যেটাই আঁকে সেটা কাকের ঠ্যাং বকের ঠ্যাং হয়ে যায়! কেউ আর বুঝতে পারে না সেটা নিয়ে হাসাহাসি হয়, আসল খেলার থেকে সেই হাসাহাসিটাই বেশি মজার ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়।

    একবার নীতুর ভাগে পড়ল রাজাকার। সে রাজাকার আঁকার চেষ্টা করল আর সেটা দেখে সজীব বলল, ভূত!

    তখন হঠাৎ করে নীতুর ভৌতিক রহস্য বইটার কথা মনে পড়ে গেল। নীতু খেলা থামিয়ে চোখ বড় বড় করে বলল, আয় অন্য একটা খেলা খেলি।

    মিতি জিজ্ঞেস করল, কী খেলা?

    ভূত আনার খেলা।

    সেটা আবার কী রকম?

    এই দেখ–বলে সে টেবিল থেকে ভৌতিক রহস্য বইটা নিয়ে দেখাল, বলল, এই বইটা আমি রাস্তা থেকে কিনে এনেছি। একেবারে ফাটাফাটি বই। কেমন করে ভূত আনতে হয় সেটা এখানে লেখা আছে।

    সজীব ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করল, ভূত? মানে সত্যিকারের ভূত?

    হ্যাঁ।

    সজীব মাথা নাড়ল, বলল, না বাবা। আমার ভয় করে!

    সজল বলল, ধুর গাধা ভয় কিসের? পরিষ্কার দিনের বেলা, চারিদিকে ফকফকা আলো আমরা এতজন মানুষ!

    মিতি বলল, ভূত আনা এত সোজা? আমরা ডাকব আর সুড়সুড় করে ভূত আসতে থাকবে? ভূতের আর খেয়ে-দেয়ে কাজ নাই?

    সজীব বলল, যদি সত্যি সত্যি এসে যায়?

    নীতু বলল, সত্যি সত্যি এসে গেলে আমরা একটা বয়মের ভেতর ভরে আটকে রাখব। স্কুলে নিয়ে যাব, সবাইকে দেখাব।

    সজীব বলল, নীতু আপু তুমি খালি ঠাট্টা করো!

    মিতি বলল, ঠাট্টা করবে না তো কী করবে? কখনো শুনেছিস যে কেউ ভূত ডেকেছে আর ভূত চলে এসেছে?

    সজল বলল, বইটা দাও। দেখি ভূত কেমন করে আনতে হয়! সবাই তখন বইটার ওপর ঝুঁকে পড়ল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৬ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article ভূত সমগ্র – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }