Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভূতের বাচ্চা সোলায়মান – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প75 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৫. বাথরুমের কমোড ফ্লাশ হচ্ছে

    ৫.

    নীতু হঠাৎ ঘুম থেকে ধড়মড় করে জেগে উঠল। সঙ্গে সঙ্গে প্রায় লাফ দিয়ে বিছানায় উঠে বসে সে এদিক-সেদিক তাকাল। ভূতের বাচ্চা সোলায়মান কোথাও নেই। নীতু তাড়াতাড়ি বিছানা থেকে নামতে নামতে আব্বুর গলার স্বর শুনতে পেল, আব্বু অবাক হয়ে বলছেন, বাথরুমের কমোড নিজে নিজে ফ্লাশ হচ্ছে, ব্যাপারটা কী?

    আম্মু কিছু একটা বললেন, নীতু সেটা শুনতে পেল না, তখন আবার আব্বুর গলার স্বর শুনতে পেল, না, না, এটা মিস্ত্রি ডাকার ব্যাপার না! শুধু কমোড ফ্লাশ না, ট্যাপটাও হঠাৎ করে খুলে যাচ্ছে, বন্ধ হয়ে যাচ্ছে!

    নীতুর আর বুঝতে বাকি থাকল না কী হচ্ছে, নিশ্চয়ই ভূতের বাচ্চা সোলায়মান বাথরুমে গিয়ে এই ঘটনাগুলো ঘটাচ্ছে। সে তড়াক করে প্রায় ফাঁক দিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে আব্বুদের বাথরুমে গেল। আব্বু শেভ করছেন এবং খুব কাছে দাঁড়িয়ে সোলায়মান সেটা খুব মনোযোগ দিয়ে দেখছে। নীতু এখন কীভাবে সোলায়মানকে বের করবে সেটা ভেবে পেল না। বিস্ফারিত চোখে দেখল বাথরুমে বেসিনের ওপর রাখা টুথপেস্টটা নিয়ে তার মুখটা খুলে সে টেপাটেপি করছে এবং হঠাৎ করে অনেকখানি টুথপেস্ট বের হয়ে এলো। সোলায়মান সঙ্গে সঙ্গে সেটা বেসিনের ওপর রেখে দেয়, আব্বু তখন চমকে উঠে বললেন, আরে! আরে! টুথপেস্ট বের করেছে কে?

    নীতু এবারে বাথরুমে ঢোকার একটা সুযোগ পেল, বলল, কোথায় আব্বু? কোথায় টুথপেস্ট?

    সে ভেতরে ঢুকে খপ করে সোলায়মানকে ধরল। সোলায়মান নিজেকে ছাড়ানোর চেষ্টা করছে, নীতু তাকে ধরে রাখার চেষ্টা করছে। আব্বু যেহেতু ভূতের বাচ্চা সোলায়মানকে দেখছেন না, শুধু নীতুকে দেখছেন তার কাছে বিষয়টা খুবই অদ্ভুত মনে হলো, অবাক হয়ে বললেন, আরে! নীতু তুই এ রকম করছিস কেন? কী হয়েছে তোর?

    কিছু হয়নি আব্বু! সে শান্ত হয়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা করল আর এই সুযোগে সোলায়মান নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে বাথরুম থেকে বের হয়ে গেল।

    নীতুও তার পিছু পিছু গেল, সোলায়মান তখন রান্নাঘরে ঢুকে গেছে। আম্মু ডিম ভাজার জন্যে ডিম ভেঙে বাটিতে রাখছেন, সোলায়মানও আম্মুকে সাহায্য করার জন্যে একটা ডিম নিয়ে ভাঙার চেষ্টা করল। আম্মু সোলায়মানকে দেখছেন না তাই হঠাৎ খুব অবাক হয়ে দেখলেন কথা নেই বার্তা নেই একটা ডিম সশব্দে ফেটে গিয়ে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ল। আম্মু অবাক হয়ে বললেন, আরে! ডিমটা নিজে নিজে ফেটে গেল কেমন করে? কী আশ্চর্য!

    নীতু রান্নাঘরের দরজার কাছে দাঁড়িয়ে চোখের ইশারায় সোলায়মানকে ডাকল, সোলায়মান সেটা না দেখার ভান করে নীতুর হাত গলিয়ে রান্নাঘর থেকে বের হয়ে বাইরের ঘরে হাজির হলো। দবির চাচা সেখানে সোফায় আধশোয়া হয়ে টেলিভিশনে হিন্দি সিনেমায় নাচ দেখছে। সোলায়মান দবির চাচার ঠিক সামনে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ নাচ দেখল কিন্তু কিছুক্ষণের মাঝে নাচ দেখার উৎসাহ চলে গেল এবং বসার ঘরে ঘুরে বেড়াতে লাগল।

    এ রকম সময় নাচটা শেষ হয়ে গেল। তখন দবির চাচা রিমোটটা হাতে নিয়ে চ্যানেল পাল্টাতে থাকে এবং একটা চ্যানেলে কুস্তির একটা প্রোগ্রাম পেয়ে যায়। দবির চাচা খুবই উৎসাহ নিয়ে দুজন মোটা মোটা মানুষের কুস্তি দেখতে থাকে এবং যখনই একজন আরেকজনকে নিচে ফেলে পেটাতে থাকে তখন আনন্দে আত্মহারা হয়ে নিজের উরুতে থাবা দিতে থাকে।

    .

    সোলায়মান রিমোট দিয়ে চ্যানেল পাল্টানোর বিষয়টা লক্ষ্য করল, তখন সে দবির চাচার কাছে গিয়ে টেবিল থেকে রিমোট কন্ট্রোলটা হাতে নিয়ে চ্যানেল বদলাতে থাকে। দবির চাচা অবাক হয়ে দেখল হঠাৎ করে নিজে নিজে টেলিভিশনের চ্যানেল পাল্টাতে শুরু করেছে, সে খুবই অবাক হয়ে সেদিকে তাকিয়ে রইল। তারপর রিমোট কন্ট্রোলটা খুঁজতে থাকে কিন্তু সোলায়মান সেটা নিজের হাতে নিয়েছে তাই সে কোথাও এটাকে খুঁজে পেল না।

    সোলায়মান চ্যানেল পাল্টাতে পাল্টাতে হঠাৎ করে একটা কার্টুনের চ্যানেল পেয়ে গেল। তার মুখে হাসি ফুটে ওঠে। সে রিমোটটা টেবিলে রেখে দবির চাচার পাশে বসে কার্টুন দেখতে থাকে।

    দবির চাচা হঠাৎ করে টেবিলের ওপর রিমোটটা দেখতে পেয়ে খুব অবাক হয়ে যায়, সেটা হাতে নিয়ে চ্যানেল পাল্টে আবার কুস্তির চ্যানেলে দিয়ে গেল।

    সোলায়মান খুবই বিরক্ত হলো। সে দবির চাচার হাত থেকে রিমোটটা প্রায় ছিনিয়ে নিয়ে চ্যানেল পাল্টে আবার কার্টুনের চ্যানেলে ফিরে গেল।

    দবির চাচা অবাক হয়ে এদিক-সেদিক তাকায় সে বুঝতে পারে না তার হাত থেকে হঠাৎ করে রিমোট কন্ট্রোলটা কেমন করে অদৃশ্য হয়ে গেল। সোলায়মান রিমোটটা টেবিলে রাখার পর হঠাৎ করে সেটা খুঁজে পেল। দবির চাচা খুবই অবাক হয়ে মাথা চুলকান, তার মনে হতে থাকে বুঝি তার মাথার মাঝে গোলমাল হয়ে যাচ্ছে। কখনো দেখছে কখনো দেখছে না। ব্যাপারটা কী?

    দবির চাচা আবার রিমোটটা হাতে নিয়ে আবার তার কুস্তির চ্যানেলে ফিরে গেল। সোলায়মান খুবই বিরক্ত হয়ে আবার রিমোটটি নেয়ার চেষ্টা করল কিন্তু দবির চাচা এবারে সেটা শক্ত করে ধরে রেখেছে বলে নিতে পারল না, দুজনে টানাটানি করতে থাকে। দবির চাচা প্রায় আর্তনাদের মতো করে বলল। আরে । আরে। এই রিমোট কন্ট্রোলটা নিজ থেকে ছুটে যাচ্ছে কেন? কী আশ্চর্য! এটা কোন কোম্পানির রিমোট?

    নীতু এতক্ষণ পুরো ব্যাপারটা লক্ষ্য করছিল, এখন বুঝতে পারল তার ভূতের বাচ্চা সোলায়মানকে থামানো দরকার, তা না হলে কিছু একটা ঝামেলা হয়ে যেতে পারে। সে গিয়ে সোলায়মানকে ধরে তাকে টেনে সরিয়ে নিল। দবির চাচা সোলায়মানকে দেখছে না তাই তার কাছে নীতুর ভঙ্গিটাকে খুবই বিচিত্র মনে হলো, অবাক হয়ে বলল, আরে! তুমি কী কর?

    নীতু বলল, এক্সারসাইজ করি। এভাবে এক্সারসাইজ করলে শরীর ভালো থাকে। বলে সে এক হাতে সোলায়মানকে ধরে রেখে অন্য হাতে এবং শরীর দুলিয়ে বিচিত্র ভঙ্গিতে ব্যায়াম করার ভঙ্গি করল। তারপর রীতিমতো হিড়হিড় করে সোলায়মানকে টেনে নিজের ঘরে নিয়ে গেল।

    ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে সোলায়মানকে ফিসফিস করে বলল, কী করছ তুমি?

    কিছু করছি না।

    টেলিভিশনের রিমোট নিয়ে টানাটানি করছ।

    ওই মানুষটা পচা। আমাকে কার্টুন দেখতে দেয় না। নীতু মাথা নাড়ল, বলল, হ্যাঁ ওই মানুষটা আসলেই সুবিধার । কিন্তু তাই বলে তার রিমোট নিয়ে টানাটানি করবে? যদি তোমার কথা জেনে যায় সর্বনাশ হয়ে যাবে।

    কী সর্বনাশ?

    তোমাকে তাহলে তোমার আম্মুর কাছে ফিরিয়ে দিতে পারব?

    নীতুর কথা শুনে সোলায়মান ভয় পেয়ে গেল, বলল, ঠিক আছে আর রিমোট নিয়ে টানাটানি করব না।

    হ্যাঁ। এই ঘরে চুপচাপ বসে থাকো। ঘর থেকে বের হবে না। কী করব ঘরের ভেতর বসে থেকে?

    নীতু এদিক-সেদিক তাকাল তারপর কয়েকটা রঙিন ছবির বই বের করে দিয়ে বলল, এই যে বসে বসে এই বইগুলোর ছবি দেখ।

    তারপর একটা খাতা আর কয়েকটা রং পেন্সিল আর ক্রেয়ন। দিয়ে ফিসফিস করে বলল, এগুলো দিয়ে ছবি আঁকো। আমি তোমার জন্যে খাবার নিয়ে আসি।

    সোলায়মান বলল, আমার জন্যে খাবার আনতে হবে না।

    কেন? তোমার খিদে পায় না?

    পায়।

    তখন কী খাও।

    জোছনার আলো খাই।

    সর্বনাশ! ঢাকা শহরে আমি জোছনার আলো কোথায় পাব?

    সোলায়মান বলল, জোছনার আলো না থাকলে দরকার হলে টিউব লাইটের আলোও খেতে পারি।

    নীতু মাথা নাড়ল, বলল, ঠিক আছে, এটার ব্যবস্থা করে দিতে পারব।

    ঠিক তখন আম্মু ডাকলেন, এই নীতু, খেতে আয়।

    নীতু বলল, আসছি আম্মু।

    .

    সে সোলায়মানকে বসিয়ে রেখে ঘর থেকে বের হয়ে গেল।

    ডাইনিং টেবিলে সবাই খেতে বসেছে, আম্মু সবার প্লেটে খাবার তুলে দিচ্ছেন। দবির চাচা তার অভ্যাসমতো চেয়ারে পা তুলে বসেছে এবং বিচিত্র একটা শব্দ করে খাচ্ছে। খেতে খেতে দবির চাচা কুৎসিৎ একটা ভঙ্গিতে ঢেকুর তুললেন এবং সেই ঢেকুরের শব্দ শুনে নীতুর গা ঘিন ঘিন করে উঠল।

    নীতু খেতে খেতে আব্বুকে জিজ্ঞেস করল, আচ্ছা আব্বু তোমাকে একটা জিনিস জিজ্ঞেস করি?

    আব্বু বললেন, কী জিনিস?

    মনে করো একটা ভূত তোমার কাছে চলে এসেছে।

    আব্বু হাসি হাসি মুখে জিজ্ঞেস করলেন, ভূত?

    হ্যাঁ ভূত। কিংবা ভূতের বাচ্চা।

    ভূতের বাচ্চা?

    নীতু মাথা নাড়ল, হ্যাঁ ভূতের বাচ্চা। মনে করো সে তোমার কাছে সাহায্য চাইছে।

    আমার কাছে সাহায্য চাইছে?”

    হ্যাঁ।

    কী রকম সাহায্য?

    নীতু বলল, মনে করো। সে তার দেশে ফিরে যেতে সাহায্য চাইছে।

    ঠিক আছে। বলতে থাক।

    তাহলে মনে কর, তোমার কী করা উচিত?

    আম্মু এবারে বিরক্ত হয়ে বললেন, এবারে তোর বাজে বকবকানি থামিয়ে খাবি? নীতু তুই দেখেছিস তুই যে দিন-রাত সারাক্ষণ কথা বলিস?

    নীতু অবাক হওয়ার ভান করে বলল, আমি? আমি কখন কথা বললাম?

    আর কথারও যদি কোনো মাথা মুণ্ডু থাকত তাহলেও একটা কথা ছিল। ভূতের বাচ্চা দেশে ফিরে যেতে চাইছে তাহলে কী করা উচিত! এটা কী রকম প্রশ্ন?

    নীতু বলল, আব্বু, তুমি আম্মুর কথা শুনো না। তুমি বল কী করা উচিত।

    আব্বু খেতে খেতে বললেন, সেটা নির্ভর করে ভূতের বাচ্চার বাড়ি কোথায় তার ওপর। তাদের দেশে যেতে পাসপোর্ট ভিসা লাগে কিনা সেটাও একটা ইস্যু। যদি সেখানে বাস-ট্রেন যায় তার খোঁজ নিতে হবে। তারপর টিকেট কিনে সেই বাস কিংবা ট্রেনে তুলে দিতে হবে। কিংবা কিংবা?

    কিংবা তাদের দেশে যদি পত্রিকা থাকে তাহলে সেই পত্রিকায় একটা বিজ্ঞাপন দিতে হবে, একটি ভূতের বাচ্চা পাওয়া গেছে, সেই ভূতের বয়স আট বছর, উচ্চতা চার ফুট দুই ইঞ্চি, গায়ের রং শ্যামলা, সে ভৌতিক ভাষায় কথা বলে-

    নীতু এবারে একটু রেগে গিয়ে বলল, আব্বু তুমি সবকিছু নিয়ে শুধু ঠাট্টা করো। আমি সিরিয়াসলি একটা কথা বললাম

    আব্বু বললেন, আমি কখন ঠাট্টা করলাম? তুই ভূতের মতো একটা সিরিয়াস বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করেছিস, আমিও ঠিক সেই রকম সিরিয়াসভাবে তার উত্তর দিলাম।

    নীতু কিছু একটা বলতে গিয়ে থেমে গেল কারণ সে দেখল সোলায়মান তার ঘরের দরজা খুলে বের হয়ে এসেছে। সে হেঁটে হেঁটে ডাইনিং টেবিলের কাছে এসে সেখানে গালে হাত দিয়ে দাঁড়ায়। খুবই মনোযোগ দিয়ে সবাইকে খেতে দেখে। নীতু চোখের ইশারায় নানাভাবে বাচ্চাটাকে এখানে আসতে নিষেধ করে কিন্তু কোনো লাভ হলো না। বাচ্চাটা বেশ শান্ত মুখে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সবাইকে দেখতে থাকে।

    আব্বু নীতুর দিকে তাকিয়ে বললেন, কী হলো? এতক্ষণ টানা বক বক করতে করতে হঠাৎ একেবারে চুপ করে গেলি? ব্যাপারটা কী? কী হয়েছে?

    নীতু মাথা নেড়ে বলল, না, না, কিছু হয় নাই।

    দবির চাচা বলল, ভূতের বাচ্চা দেখেছে মনে হয়।

    তারপর হা হা করে হাসতে থাকে তখন তার মুখের ভেতর থেকে খাবার ছিটকে বের হয়ে টেবিলে পড়ল। নীতুর মনে হলো সে ঘেন্নায় বমি করে দেবে।

    দবির চাচা হাসি থামিয়ে বলল, আমি তোমাকে বলি তুমি যদি একটা ভূতের বাচ্চা পাও তাহলে কী করতে হবে।

    দবির চাচা কী বলবে সেটা তার শোনার কোনো আগ্রহ নাই কিন্তু দবির চাচা সেটা নিয়ে মাথা ঘামাল না। বলল, প্রথমে খপ করে তার ঘ্যাটি ধরে ফেলবে। নীতু জিজ্ঞেস করল, ঘ্যাটি মানে কী?

    ঘ্যাটি মানে হচ্ছে ঘাড়। দবির চাচা তখন কেমন করে ঘ্যাটি কিংবা ঘাড় ধরতে হবে সেটা অভিনয় করে দেখাল। তারপর বলল, ঘ্যাটি ধরে গলার মাঝে একটা চেন দিয়ে বাঁধবে। কুত্তাকে যেভাবে বান্ধে সেইভাবে। তারপর রাস্তায় যেভাবে বান্দরের খেলা দেখায় সেইভাবে ভূতের বাচ্চার খেলা দেখাবে। সার্কাসে বিক্রি করে দিলে সবচেয়ে ভালো। তখন মানুষজন সার্কাসে ভূতের বাচ্চার খেলা দেখতে আসবে। একটা চাবুক বানিয়ে শপাং করে ভূতের বাচ্চার পেছনে মারবে আর ভূতের বাচ্চা তিড়িং করে লাফ দেবে। কী মজার খেলা!

    নীতু নিঃশ্বাস বন্ধ করে সোলায়মানের দিকে তাকিয়ে ছিল। সে দেখছে দবির চাচার কথা শুনে ভূতের বাচ্চা সোলায়মান কী রকম রেগে উঠছে। সে কটমট করে দবির চাচার দিকে তাকিয়ে আছে এখন কিছু একটা না করে ফেলে!

    নীতুর সন্দেহ সত্যি প্রমাণিত হলো, আব্বু যখন তার প্লেটে বুটের ডাল নিচ্ছেন ঠিক তখন সোলায়মান সেই ডালের বাটি থেকে এক খাবলা ডাল নিয়ে দবির চাচার মুখে ছুঁড়ে মারল।

    কেউ সোলায়মানকে দেখছে না, সবাই ভাবল আব্বু ডাল নেয়ার সময় একটু জোরে বাটিতে চামুচ ঢুকিয়েছেন আর ডাল উপচে উঠে দবির চাচার মুখে লেগেছে। আব্বু এত অপ্রস্তুত হলেন সেটা আর বলার মতো না, বললেন, সরি দবির ভাই সরি। তারপর একটা ন্যাপকিন এগিয়ে দিলেন দবির চাচা কিছু না বলে মুখ গম্ভীর করে উঠে গেলেন মুখ ধোয়ার জন্যে।

    নীতু শুধু চোখ পাকিয়ে সোলায়মানের দিকে তাকিয়ে রইল। সে তখন হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাচ্ছে যদিও আর কেউ তাকে দেখছে না, তার হাসির শব্দ শুনছে না।

    দবির চাচা যখন বাথরুম থেকে ফিরে আসছে তখন সোলায়মান দ্বিতীয় ভয়ঙ্কর ঘটনাটি ঘটাল। সবাই যখন দবির চাচার দিকে তাকিয়ে আছে সেই সুযোগে সোলায়মান ডাইনিং টেবিল থেকে পায়েশের বাটিটা নিয়ে সেখান থেকে খানিকটা তার চেয়ারে ঢেলে দিল। নীতু তাকে থামানোর জন্যে কিছুই করতে পারল না।

    নীতু নিঃশ্বাস বন্ধ করে দেখল দবির চাচা গম্ভীর মুখে এসে তার চেয়ারে পায়েশের ওপর বসল এবং সঙ্গে সঙ্গে গরম পায়েশের ঘঁক খেয়ে, আউ বলে উঠে দাঁড়াল। দবির চাচা অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে তার চেয়ারের দিকে তাকাল, তারপর সবার দিকে তাকাল।

    আব্বু বললেন, কী হয়েছে?

    দবির চাচা বলল, তোমরা যদি না চাও আমি তোমাদের বাসায় থাকি তাহলে সেটা সোজাসুজি আমাকে বলে দাও। আমি চলে যাই। এ রকম জ্বালাতন করছ কেন?

    আব্বু চোখ কপালে তুলে বললেন, কী রকম জ্বালাতন করছি?

    চেয়ারের মাঝে গরম পায়েশ ঢেলে রাখলে!

    আম্মু প্রায় আর্তনাদ করে বললেন, চেয়ারের মাঝে গরম পায়েশ ঢেলে রেখেছি? আমরা?।

    আর কে ফেলবে? আমাকে নিয়ে আর কে ইয়ারকি করবে?

    আব্বু বললেন, এটা আপনি কী বলছেন দবির ভাই? আমরা আপনার সঙ্গে ইয়ারকি করে চেয়ারে গরম পায়েশ ফেলে রাখব? নিশ্চয়ই আপনি উঠে যাওয়ার সময় হাতের সঙ্গে পায়েশের বাটির ধাক্কা লেগে পায়েশ পড়েছে।

    দবির চাচা কোনো কথা না বলে তার কাপড় বদলানোর জন্যে ঘরে গেল, পেছন পেছন সোলায়মান লাফাতে লাফাতে যেতে লাগল, বলতে লাগল, উচিত শিক্ষা হয়েছে! উচিত উচিত উচিত শিক্ষা! ভূতকে নিয়ে খারাপ খারাপ কথা বললে আরো উচিত শিক্ষা দেব! আমাকে চেনে না? আমি হচ্ছি ভূতের বাচ্চা সোলায়মান! ভূতের বাচ্চা সোলায়মান!

    নীতু বিস্ফারিত চোখে সোলায়মানের দিকে তাকিয়ে রইল। তাকে কেমন করে থামাবে সে বুঝতে পারল না। চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে তাকিয়ে দেখল ভূতের বাচ্চা সোলায়মান হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খেয়ে সারা বাসায় দাপাদাপি করছে!

    ব্রেকফাস্ট শেষ করে সবাই উঠে যাওয়ার পর নীতুও উঠল এবং সোলায়মানকে ধরে নিজের ঘরে নিয়ে এলো। চাপা গলায় বলল, সোলায়মান, তুমি এসব কী করছ?

    সোলায়মান বলল, এই পচা মানুষটা আমাকে নিয়ে এসব খারাপ খারাপ কথা বলছে কেন?

    খারাপ কথা বললেই তুমি এ রকম করবে? মুখে ডাল ছুঁড়ে দেবে? চেয়ারে পায়েশ ঢেলে রাখবে? যদি তোমাকে ধরে ফেলত?

    সোলায়মান বলল, আমাকে ধরলে আমি খ্যাচ করে তার নাক কামড়ে ধরব।

    নীতু মাথা নাড়ল, বলল, না, না। ছি! এভাবে কথা বলে না। একজনের নাক কামড়ে দেবে এটা কী রকম কথা? মানুষ এভাবে কথা বলে না।

    আমি তো মানুষ না। আমি ভূত। ভূত সবসময় এভাবে কথা বলে।

    নীতু বলল, কিন্তু তুমি এখন মানুষের সঙ্গে আছ। তোমাকে এখন মানুষের মতো ব্যবহার করতে হবে। বুঝেছ?

    সোলায়মান মাথা নাড়ল, বলল, বুঝেছি।

    নীতু গলার স্বর নরম করে বলল, তুমি যদি দুষ্টুমি কর আর যদি দবির চাচা বুঝে যায় তুমি এখানে আছ আর যদি তোমাকে ধরে ফেলে তখন কী সর্বনাশ হবে চিন্তা করতে পার?

    তখন কী হবে?

    তখন তোমার গলায় শিকল দিয়ে বেঁধে সার্কাসে বিক্রি করে দেবে। আমি তখন তোমাকে তোমার আম্মুর কাছে ফিরিয়ে দিতে পারব না।

    সোলায়মানের তখন তার আম্মুর কথা মনে পড়ে গেল আর মন খারাপ হয়ে গেল। সে তখন হঠাৎ ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে বলে, আমি আম্মুর কাছে যাব। আম্মুর কাছে যাব।

    নীতু সোলায়মানের মাথায় হাত বুলিয়ে বলল, একশবার তুমি আম্মুর কাছে যাবে। আমি তোমাকে তোমার আম্মুর কাছে পাঠাবই পাঠাব। শুধু তোমাকে শান্ত থাকতে হবে। এই বিছানায় বসে বসে তুমি বইয়ের ছবি দেখ। খাতায় ছবি আঁকো। শুধু ঘর থেকে বের হতে পারবে না। ঠিক আছে?

    সোলায়মান মাথা নাড়ল, বলল, ঠিক আছে।

    নীতু চাপা গলায় বলল, যদি কোনোভাবে দবির চাচা টের পায় তুমি এখানে আছ, তাহলে কিন্তু সর্বনাশ হয়ে যাবে।

    .

    নীতু তখনো জানত না যে ততক্ষণে সর্বনাশ হয়ে গেছে। দবির চাচার কিছু একটা সন্দেহ হয়েছে তাই নীতুর ঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে ভেতরে কী কথাবার্তা হচ্ছে শোনার চেষ্টা করেছে।

    যদিও সোলায়মানের একটি কথাও শুনতে পায়নি কিন্তু নীতুর কিছু কিছু কথা, হাত নাড়ানোর ভঙ্গি এসব দেখে বুঝে গেছে সত্যি

    সত্যি একটা ভূতের বাচ্চা এই বাসায় চলে এসেছে!

    যে ভূতের বাচ্চা রিমোট নিয়ে টানাটানি করে, মুখে ডাল ছুঁড়ে দেয়, চেয়ারে পায়েশ ঢেলে রাখে!

    দবির চাচার চোখ জ্বলজ্বল করতে থাকে, সাত রাজার ধন এখন তার হাতের কাছে, শুধু মুঠোর মাঝে নিতে হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৬ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article ভূত সমগ্র – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }