Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভূতের বাচ্চা সোলায়মান – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প75 Mins Read0
    ⤶

    ৯. টেলিভিশনে হিন্দি সিনেমার নাচ

    ৯.

    টেলিভিশনে হিন্দি সিনেমার নাচ দেখতে দেখতে হঠাৎ করে দবির চাচার মনে হলো ঘরের ভেতর কিছু একটা ঘটছে। তার মনে হতে থাকে ঘরটা শীতল হয়ে আসছে। শুধু যে শীতল হয়ে আসছে তা নয়, মনে হচ্ছে অনেকে ফিসফিস করে কথা বলছে। হঠাৎ করে দবির চাচার কেমন জানি ভয় ভয় করতে থাকে। সে উঠে দাঁড়াল, তার কী মনে হলো কে জানে, সে নীতুর ঘরটা দেখতে গেল। দরজার ছিটকিনি খুলে সে দরজাটা খোলার চেষ্টা করতে গিয়ে হঠাৎ করে আবিষ্কার করল দরজাটা ভেতর থেকে বন্ধ। কী আশ্চর্য।

    দবির চাচা আবার দরজাটা ধাক্কা দিল, অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি, দরজাটা ভেতর থেকে বন্ধ। যার অর্থ নীতু নিজেকে মুক্ত করে দরজাটা বন্ধ করে দিয়েছে। কিন্তু সেটা কীভাবে সম্ভব। মানুষকে কেমন করে শক্ত করে বাঁধতে হয় সে খুব ভালো করে জানে, তার বাঁধন থেকে ছাড়া পাওয়া রীতিমতো অসম্ভব। দবির চাচা এবারে দরজায় ধাক্কা দিয়ে বলল, দরজাটা খোলো৷

    কেউ দরজা খুলল না। খুলবে সেটা দবির চাচা আশাও করেনি। দবির চাচা অবশ্যি মোটেও ঘাবড়ে গেল না, বলা যেতে পারে একটু বিরক্ত হলো। দরজা যদি না খোলো তাহলে দরজাটা ভাঙতে হবে। দরজা ভাঙা এমন কোনো কঠিন ব্যাপার না। সে আগে অনেকবার দরজা ভেঙে মানুষের বাড়িতে ঢুকেছে। একটু দূর থেকে ছুটে এসে হাত আর ঘাড়ের মাঝখানের জায়গাটা দিয়ে ধাক্কা দিতে হয়। দরজা ভাঙার আগে আরেকবার চেষ্টা করল, হুঙ্কার দিয়ে বলল, দরজা খোলো, না হলে কিন্তু খুন করে ফেলব।

    কেউ দরজা খুলল না।

    .

    ঘরের ভেতরে ঠিক সেই সময় অবশ্যি কারো দরজা খোলার মতো অবস্থা ছিল না। ঠিক তখন পুরো ঘরটা হিমশীতল হয়ে এসেছে। ঘরের ঠিক মাঝখানে কুয়াশার মতো কিছু একটা পাক খেয়ে ধীরে ধীরে মানুষের রূপ নিয়েছে। নীতু, মিতি, সজল আর সজীব অবাক হয়ে দেখল তাদের মাঝখানে ধবধবে সাদা শাড়ি পরা একটি নারী মূর্তি স্পষ্ট হয়ে উঠছে, বাতাসে তার চুল উড়ছে, মুখটি স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে না, শুধু দুটো চোখ ধক ধক করে অঙ্গারের মতো জ্বলছে। নারী মূর্তিটি এসে খাঁচার দিকে তার হাতটা বাড়িয়ে দিতেই একটা বিদ্যুৎ ঝলকের সঙ্গে সঙ্গে খাঁচার দরজাটা সশব্দে খুলে যায়। ভেতর থেকে ভূতের বাচ্চা সোলায়মান বের হয়ে এলো। সে নারী মূর্তিটির দিকে তাকিয়ে কাঁদো কাঁদো গলায় বলল, মা, তুমি কেন এত দেরি করে এসেছ? আরো আগে কেন এলে না?

    সাদা শাড়ি পরা নারী মূর্তিও ফিসফিস করে দুর্বোধ্য কণ্ঠে কিছু একটা বলে শিশুটির দিকে হাত বাড়িয়ে দিল। তার যাওয়ার সময় হয়েছে। শিশুটি একবার তার মায়ের দিকে তাকাল, তারপর নীতুর দিকে তাকাল। মায়ের সঙ্গে চলে যাওয়ার আগে সে নীতুকে একবার গভীরভাবে আলিঙ্গন করল, তার গালে চুমু দিয়ে বলল, নীতু আপু আমি যাই?

    নীতু ফিসফিস করে বলল, যাই বলতে হয় না। বলল আসি।

    সোলায়মান বলল, আমি আসি?”

    এসো সোনা।

    সোলায়মান তার মায়ের কাছে চলে যাওয়ার আগে মিতি, সজল আর সজীবের দিকে তাকাল তারপর তাদেরকেও একবার করে আলিঙ্গন করল। তারপর কেমন যেন বাতাসে ভেসে ওপরে মায়ের কোলে উঠে গেল।

    সজীব ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করল, আমরা কী চক্র এখন ভাঙব?

    নীতু বলল, না। সবাই চলে যাক তারপর ভাঙব।

    ঠিক তখন তারা শুনতে পেল দবির চাচা বাইরে থেকে চিৎকার করে বলছে, দরজা খোলো, না হয় দরজা ভেঙে ফেলব।

    ভেতর থেকে তারা কোনো কথা বলল না। নিঃশব্দে অপেক্ষা করতে লাগল। দবির চাচা তখন সত্যি সত্যি দরজা ভাঙার জন্যে দুর থেকে ছুটে এসে তার পুরো শরীর দিয়ে দরজায় ধাক্কা দিল। পুরো দরজা থরথর করে কেঁপে উঠল কিন্তু দরজাটা ভাঙল না।

    দবির চাচা তখন আবার দরজা ধাক্কা দেয়ার জন্যে দূরে সরে গেল, যখন সে দরজার দিকে ছুটে আসতে শুরু করল অশরীরী নারী মূর্তি তখন দরজাটি খুলে দিল এবং দবির চাচা প্রচণ্ড জোরে যেন এসে ঘরের ভেতর খাঁচার ওপরে আছড়ে পড়ল।

    নীতু, মিতি, সজল আর সজীব দেখল অশরীরী নারী মূর্তিটি তার হাত বাড়িয়ে দবির চাচাকে শূন্যে ঝুলিয়ে নিয়েছে, তারপর তাকে আছাড় দিয়ে নিচে ফেলেছে। দবির চাচা কাতর গলায় যন্ত্রণার মতো একটা শব্দ করল, অশরীরী নারী মূর্তি তখন আবার তাকে শূন্যে তুলে নিল, তারপর প্রচণ্ড শক্তিতে খাঁচার ভেতর ছুঁড়ে দিল। নীতু, মিতু, সজল আর সজীব অবাক হয়ে দেখল সশব্দে খাঁচার দরজাটা বন্ধ হয়ে গেছে ঘরের ভেতর বিস্ফোরণের মতো একটা শব্দ হলো এবং হঠাৎ করে তারা দেখতে পেল ঘরে কেউ নেই। শুধু দবির চাচা খাঁচার ভেতরে আটকা পড়ে যন্ত্রণার মতো শব্দ করছে।

    নীতু বলল, এখন আমরা চক্র ভেঙে দিই।

    সবাই তখন হাত সরিয়ে নিয়ে একটা নিঃশ্বাস ফেলল। নীতু গিয়ে ঘরের আলো জ্বালাল, তার ঘরটা মোটামুটি লণ্ডভণ্ড হয়ে আছে। খাঁচার ভেতরে গুটিশুটি মেরে দবির চাচা আটকা পড়ে আছে, কী অবাক লাগছে দেখতে।

    দবির চাচা চিঁ চিঁ করে বলল, নীতু মা। খাঁচার দরজাটা খুলে দেবে?

    নীতু খাঁচার কাছে গিয়ে আবিষ্কার করল সেটা খোলার কোনো উপায় নেই। সোলায়মানের মা যাওয়ার সময় দরজাটা পাকাপাকিভাবে লাগিয়ে দিয়ে গেছে। ওয়েল্ডারের কাছে নিয়ে যেতে হবে এটা কেটে খোলার জন্যে। নীতু বলল, দবির চাচা এটা খোলার কোনো উপায় নাই। আপনাকে ওয়েল্ডারের দোকানে নিতে হবে।

    নিয়ে যা মা। তাড়াতাড়ি নিয়ে যা।

    আমি কেমন করে নিব। বড় মানুষ কেউ একজন আসুক। ঠিক তখন দরজায় কলিংবেল বেজে উঠল। নীতু বলল, এই যে কেউ একজন এসেছে। নীতু হাসি হাসি মুখে বলল, দবির চাচা, মনে হয় আপনার বস লোক পাঠিয়েছে খাঁচাটাকে নিয়ে যেতে।

    খাঁচার ভেতরে আটকে থাকা দবির চাচা চি চি করে বলল, বিদায় করে দাও মা। কিছু একটা বলে বিদায় করে দাও।

    নীতু বলল, আমি কী বলে বিদায় করব? আপনি ওদের সঙ্গে কথা বলেন।

    নীতু গিয়ে দরজা খুলে দিল, দুজন মুসকো জোয়ান মানুষ দরজায় দাঁড়িয়ে আছে। তাদের সারা শরীরে মাংসপেশী কিলবিল কিলবিল করছে। একজন মেঘের মতো শব্দ করে বলল, দবির মিয়া আছে?

    জি আছে।

    বল বড় স্যার লোক পাঠিয়েছে।

    নীতু বলল, বরং আপনিই দবির চাচাকে বলেন।

    আমি?

    হ্যাঁ।

    ডাকো দবির মিয়াকে।

    নীতু মাথা নাড়ল, বলল, ডাকার উপায় নাই। আপনি বরং ভেতরে এসে কথা বলেন।

    মানুষটা নীতুর কথা শুনে অবাক হলো। তারা প্রথমে ভেতরে ঢুকতে চাচ্ছিল না। তখন একজন আরেকজনের সঙ্গে নিচু গলায় কথা বলল, তারপর দুজনে ভেতরে ঢুকল। নীতু মানুষ দুজনকে তার ঘরে নিয়ে যায়।

    মুসকো জোয়ান মানুষ দুজন নীতুর ঘরে ঢুকে চমকে ওঠে। একজন অবাক হয়ে বলল, আরে! দবির মিয়া তুমি খাঁচার ভেতরে কেন?

    আরেকজন বলল, তুমি না বলেছিলে খাঁচার ভেতরে ভূতের বাচ্চা থাকবে। তুমি কেন খাঁচায় ঢুকেছ?”

    দবির চাচা চিঁ চিঁ করে বলল, সেইটা অনেক লম্বা স্টোরি। ভাইজান আমারে একটু বের করবেন?

    মানুষ দুজন একজন আরেকজনের দিকে তাকাল, তারপর খাঁচাটা ভালো করে দেখল, তারপর নীতুর দিকে তাকাল, তারপর জিজ্ঞেস করল, ব্যাপারটা কী?

    নীতু বলল, আমরা জানি না। দবির চাচাকে জিজ্ঞেস করেন। সবচেয়ে ভালো হয় আপনারা দবির চাচাকে সঙ্গে নিয়ে যান। দবির চাচা তখন তার অনেক লম্বা স্টোরিটা আপনাদের ঠিক করে বলতে পারবে।

    মানুষ দুজন তখন একজন আরেকজনের দিকে তাকাল, একজন বলল, এই মেয়ে ঠিক কথাই বলেছে। দবির মিয়া মহা ধুরন্ধর, তার মাথায় কী মতলব কে জানে! তারে বসের কাছে নিয়া যাই।

    বস বলেছে অর্ধেক টাকা অ্যাডভান্স করেছে, টাকা নিয়ে পালিয়ে না যায়।

    নীতু বলল, মনে হয় না এখন দবির চাচা পালাতে পারবে। তাই না দবির চাচা?

    দবির চাচা কোনো কথা না বলে বেলুন থেকে বাতাস বের হওয়ার মতো এক ধরনের শব্দ করল।

    মানুষ দুজন তখন খাঁচার দুই পাশে ধরে দবির চাচাকে নিয়ে যেতে লাগল। নীতু বলল, একটা চাদর দিই। ঢেকে নিয়ে যান, মানুষজন দেখলে সন্দেহ করতে পারে।

    মানুষ দুজনের একজন বলল, সেটা ঠিকই বলেছ। দাও একটা চাদর। পরে ফিরিয়ে দিয়ে যাব।

    নীতু বলল, ফিরিয়ে দিতে হবে না। ধরে নেন এই চাদরটা দবির চাচার জন্যে গিফট। এই চাদরটা নিয়ে দবির চাচার অনেক স্মৃতি আছে। তাই না দবির চাচা?

    দবির চাচা আবার বেলুন থেকে বাতাস বের হওয়ার মতো একটা শব্দ করল।

    আব্বু আম্মুর রাত দশটার দিকে ফিরে আসার কথা ছিল কিন্তু তারা অনেক আগে ফিরে এলেন। প্রথমত দবির চাচার ওপর বিশ্বাস করে নীতুকে বাসায় একা রেখে গিয়ে তাদের খুব অশান্তি লাগছিল। মাঝখানে বাসায় ফোন করে যখন তারা দেখলেন কেউ ফোন ধরছে না তখন নীতুর আব্বু-আম্মু খুব ভয় পেয়ে গেলেন, তারা সবকিছু ছেড়ে-ছুঁড়ে বাসায় চলে এলেন।

    বাসায় এসে জানতে পারলেন তাদের সন্দেহটি খুব ভুল ছিল না, সত্যি সত্যি নীতুকে খুব বিপদের ভেতর দিয়ে যেতে হয়েছে। ভাগ্যিস মিতি, সজল আর সজীব তাকে উদ্ধার করার জন্যে চলে এসেছিল তা নাহলে কী হতো তারা চিন্তাও করতে পারেন না।

    তবে ভূতের বাচ্চা সোলায়মানের ঘটনাটা বিশ্বাস করাতে তাদের খুব কষ্ট হলো। শেষ পর্যন্ত নীতুর আব্বু-আম্মু মেনে নিয়েছেন কিন্তু পুরোপুরি বিশ্বাস করেছেন বলে মনে হলো না।

    মিতি, সজল আর সজীবকে নীতুর আম্মু সেই রাতে আর বাসায় যেতে দিলেন না। তারা নীতুর সঙ্গে থেকে গেল। নীতুর বিছানায় সজল আর সজীবের ঘুমানোর ব্যবস্থা হলো। ফ্লোরে একটা তোষক বিছিয়ে নীতু আর মিতি শোয়ার আয়োজন করে ফেলল।

    ঘুমাতে ঘুমাতে অবশ্যি তাদের অনেক রাত হয়ে গেল। ভূতের বাচ্চা সোলায়মানের গল্প কিছুতেই শেষ হয় না।

    অনেক রাতে শেষ পর্যন্ত যখন তারা ঘুমাতে গেল তখন সজীব বলল, আচ্ছা নীতু আপু। ভূতের বাচ্চা সোলায়মান কী আর কখনো আসবে?

    মিতি বলল, এখন তো আর সে আটকা পড়ে নেই। সে তো ছাড়া পেয়ে গেছে। এলেও তো আমরা দেখতে পাব না।

    নীতু হি হি করে হেসে বলল, কে জানে! সে হয়তো এখানেই বসে আমাদের গল্প শুনছে। আমরা তাকে দেখতে পাচ্ছি না!

    ঠিক তখন ভূতের বাচ্চা সোলায়মান আলমারির ওপর পা ঝুলিয়ে বসে ছিল, সে চিৎকার করে বলল, এই যে দেখো! আমি এখানে!

    নীতু, মিতি, সজল আর সজীব কেউ অবশ্যি তার কথা শুনতে পেল না!

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৬ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article ভূত সমগ্র – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }