Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভূত ৭৩ – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প565 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    এথেন্সের শেকল বাঁধা ভূত

    সে অনেক দিন আগের কথা। তখনও যিশু খ্রিস্টের জন্ম হয়নি। আড়াই কি তিন হাজার বছর হবে। প্রাচীন গ্রিসে এথেন্স বলে একটা জায়গা ছিল। এথেন্স কিছু অপরিচিত নাম নয়, সবাই এর নাম শুনেছে। সেই এথেন্সেরই একটা পাহাড় ঘেরা ছোট্ট গ্রামে এক জঙ্গলের মধ্যে পুরনো একটা বাড়ি ছিল। বাড়িটা অবশ্য অনেক দিন ধরেই খালি পড়েছিল। একে তো নির্জন পাহাড়ি অঞ্চল। তার ওপর ঘন জঙ্গল দিয়ে ঘেরা পরিবেশ। তায় পরিত্যক্ত। লোকজন না থাকলেও বাড়িটা কিন্তু খুব একটা ভাঙাচোরা অবস্থায় ছিল না। অর্থাৎ ইচ্ছে করলে পরিষ্কার করে বা সামান্য সাজিয়ে-গুছিয়ে নিলে লোকে অনায়াসেই সেখানে বসবাস করতে পারত। আসলে সবাই কি আর লোকজনে ঠাসা ভিড় হই-হট্টগোলের মধ্যে বাস করতে পছন্দ করে? অনেকেই নির্জন শান্ত পরিবেশে নিজের মতো করে থাকতে ভালোবাসে।

    কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার ওই বাড়ির যে মালিক সে কিন্তু হাজার চেষ্টা করেও অনেকদিন পর্যন্ত কাউকে ওই কুঠিটা ভাড়া দিতে পারেনি। আসলে পাহাড়ের উপর নির্জন জঙ্গলের মধ্যে অবস্থিত কুঠিটার বেশ বদনাম হয়ে গিয়েছিল। একবার এক শান্তিপ্রিয় ভদ্রলোক কুঠিটা দেখে লোভ সামলাতে পারেননি। তিনি ছুটির অবকাশ কাটাবার জন্য ওই নির্জন কুঠিটাকে বেছে নিয়েছিলেন কয়েকদিন শান্তিতে কাটাবেন বলে। কিন্তু পরদিন সকালে দেখা গেল লোকটির মৃতদেহ পড়ে আছে কুঠির দালানে। প্রথম প্রথম ব্যাপারটা নিয়ে তেমন কেউ মাথা ঘামায়নি। তবে যারা তাঁর মৃতদেহ দেখেছিল তাদের মধ্যে কিছু সন্দেহ দানা পাকিয়েছিল। কারণ মৃত্যুর পরেও লোকটির চোখে-মুখে একটা অস্বাভাবিক ভয় লেগে ছিল। আর চোখ দুটো ঠেলে বেরিয়ে এসেছিল। কিন্তু, পরে, মানে বেশ কিছুদিন পর আর-একজন সৈনিক ধরনের লোক সেই বাড়িতে এসেছিল রাত কাটাতে। লোকটি ছিল অসম্ভব সাহসী। সেই লোকটি প্রাণে মরেনি ঠিকই, কিন্তু তার মুখ থেকে রাত্রির অভিজ্ঞতা যা শোনা গিয়েছিল তা ছিল রীতিমতো ভয়াবহ। খাওয়া-দাওয়া সেরে রাত্রে সবে সে শুতে গিয়েছিল এমন সময় সে হঠাৎ দেখতে পেল ছাই রঙের দাড়িওয়ালা ইয়া চেহারার বিশাল এক বুড়ো হাতে-পায়ে শেকল লাগানো অবস্থায় ঘুমন্ত সৈনিকের সামনে এসে দাঁড়িয়েছিল। তার মুখ থেকে কেমন এক ধরনের গোঁ গোঁ আওয়াজ বেরুচ্ছিল। সৈনিক পুরুষটি মারা যায়নি। কিন্তু অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিল। পরদিন জ্ঞান ফিরে আসার সঙ্গে সঙ্গে সে সেই কুঠি ছেড়ে পালিয়ে এসেছিল। সৈনিকটির মুখে সব কথা শোনার পর সারা গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল। এমনকি দিনের বেলাতেও আর কোনো সাহসী লোক ওই কুঠির ত্রিসীমানায় পা বাড়াত না। কুঠির মালিক যে ছিল সে লোকটি কুঠিটা ভাড়া দিয়ে নিজের সংসার চালাত। কিন্তু যে মুহূর্তে ওই ধরনের একটা ভূতুড়ে প্রবাদ ছড়িয়ে পড়ল তারপর থেকে আর কেউই কুঠিটা ভাড়া নিয়ে কয়েকদিন থাকার কথা ভাবতেও পারত না। ফলে হল কী কুঠিটা সবার কাছে ‘ভূতকুঠি’ নামে পরিচিত হয়ে গেল। কেই-বা সাধ করে নিজের প্রাণ বিসর্জন দিতে যাবে? শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়েই জলের দরে কুঠিটা বিক্রি করে দিতে চাইল কুঠির মালিক। কিন্তু কিনবে কে? শখ করে ভূতের হাতে প্রাণ খোয়াতে কেউ রাজি নয়।

    তবু একজন রাজি হল। কুঠির মালিক একজন খদ্দের পেলেন। লোকটি ছিলেন তখনকার দিনে একজন নামকরা দার্শনিক। দার্শনিক মানুষেরা সাধারণত নির্জন জায়গায় থাকতেই ভালোবাসেন। লোকমুখে কুঠিটার অপবাদের কথা তাঁরও কানে এসেছিল। কিন্তু দার্শনিক ভদ্রলোক মনে-প্রাণে কোনো অলৌকিক ব্যাপার বিশ্বাস করতে চাইতেন না। তিনি ভাবলেন বাড়িটায় গিয়ে তিনি উঠবেন। মানুষের মধ্যে ভূতের ভয়ে অযৌক্তিক সংস্কারকে উড়িয়ে দিতে চাইলেন। কুঠির মালিকের কাছে গিয়ে তিনি কুঠিটি কেনার বাসনা জানালেন। মালিক তো হাতে স্বর্গ পেলেন। তিনি ধরেই নিয়েছিলেন এমন ভূতুড়ে বাড়ি কোনোদিনও ভাড়া বা বিক্রি হবে না। তাই দার্শনিক ভদ্রলোকের প্রস্তাব শুনে মালিক আকাশ থেকে পড়লেন। বলে কী এই বুড়ো, ভাড়া নয় একেবারে কিনতে চাইছেন? অত্যন্ত কম দামে তিনি সঙ্গে সঙ্গে কুঠিটি বিক্রি করে হাঁফ ছাড়লেন।

    আগেই বলেছি যুক্তি ছাড়া দার্শনিক চলেন না। যা চোখে দেখা যায় না, হাত দিয়ে যাকে ছোঁয়া যায় না অথবা অন্তর দিয়ে যাকে উপলব্ধি করা যায় না তেমন কিছুতে তাঁর বিশ্বাস আসবে কেন?

    নিজের সব জিনিসপত্তর নিয়ে গিয়ে উঠলেন সদ্য কেনা সেই বাড়িটায়। সারাদিন ধরে নিজের হাতে সব কিছু সাজালেন। নিজের হাতেই তাঁকে সব কিছু করতে হয়েছিল, তার কারণ বাড়িটার ভূতুড়ে কাণ্ডকারখানা নিয়ে এমন সব গল্পগুজব তৈরি হয়েছিল যে তিনি অনেক বেশি পয়সার লোভ দেখিয়েও কোনো চাকর-বাকর পাননি।

    যাই হোক, সারাদিন পরিশ্রমের পর দার্শনিক ভদ্রলোক বেশ ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন। খুব একটা খাওয়া-দাওয়ার ইচ্ছেও ছিল না। সামান্য রুটি-মাংস আর কফি দিয়ে রাতের আহার শেষ করলেন। তারপর গিয়ে শুলেন তাঁর ছোট্ট বিছানায়। মাথার কাছে বিশাল সেকেলে ধরনের একটা জানালা ছিল। সেটাও খুলে রাখলেন। গরমের দিন। সন্ধেরাতের ফুরফুরে হাওয়া বইছিল। দেহেও ছিল অত্যন্ত ক্লান্তি। বাতি নিবিয়ে শোবার সঙ্গে সঙ্গে দু-চোখের পাতায় নেমে এল রাজ্যের ঘুম।

    কতক্ষণ ঘুমিয়ে ছিলেন কে জানে! হঠাৎ একটা অদ্ভুত আওয়াজ আর অস্বস্তির মধ্যে তাঁর ঘুমটা গেল ভেঙে। গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন মানুষের হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলে সামান্য সময় লাগে প্রকৃতিস্থ হতে। দার্শনিক ভদ্রলোকেরও সামান্য সময় লাগল তিনি কোথায় আছেন, কেমনভাবে আছেন এটুকু বুঝতে। তারপর তাঁর সব কিছু একে একে মনে পড়ে গেল। তাঁর মনে পড়ল তিনি এসেছেন এক নতুন বাড়িতে। আর এই নতুন বাড়িতেই তাঁর প্রথম রাত্রিবাস। কান খাড়া করে অদ্ভুত আওয়াজ আর অস্বস্তিটা তিনি বোঝার চেষ্টা করতে চাইলেন। মিনিট দুই-তিন মড়ার মতো বিছানায় শুয়ে থেকে তিনি বুঝলেন আওয়াজটা অনেকটা শেকলের ঝনঝন আওয়াজের মতো। কিন্তু খুব স্পষ্ট নয়। কে যেন অনেক দূর থেকে শেকল টেনে টেনে আসছে। ধীরে ধীরে চোখ মেলে তাকালেন। জমাট অন্ধকার সারা ঘরে ছড়িয়ে আছে। মাথার কাছে জানালা দিয়ে কেবল আকাশটুকু দেখা যায়। অবশ্য সেই সময় আকাশটাকে আলাদা করে চেনা যাচ্ছিল না। আকাশের রং আর ঘরের রং এক হয়ে গিয়েছিল। দার্শনিক ভদ্রলোক কিন্তু চট করে বিছানা ছেড়ে উঠে বসলেন না। তিনি লক্ষ করতে চাইলেন ব্যাপারটা কী? আরও একটা জিনিস তিনি অনুভব করলেন। সমস্ত ঘরের বাতাস যেন স্তব্ধ হয়ে আছে। একটা দম বন্ধ করা গুমোট পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

    অনেকটা সময় যখন এইভাবে কেটে গেল, আর জমাট বাঁধা অন্ধকারটা যখন ধীরে ধীরে সয়ে এল, হঠাৎই তিনি আবিষ্কার করলেন হাতে-পায়ে শেকল বাঁধা একটা অশরীরীর হালকা ছায়ামূর্তি আস্তে আস্তে ভেসে উঠছে! হাত নেড়ে সেই ছায়ামূর্তিটা কী যেন বলতে চাইছে। মূর্তিটার দুটো চোখ আর মুখের হাঁ থেকে জ্বলন্ত আগুনের আভা ঠিকরে বেরুচ্ছে।

    দার্শনিক ভদ্রলোক ছিলেন প্রচণ্ড সাহসী। ভৌতিক কিছুতে তাঁর তেমন বিশ্বাস বা সংস্কার কিছুই ছিল না। তবু, ভয় না পেলেও, একটা অদ্ভুত বিস্ময় তাঁকে কিছুক্ষণের জন্য আচ্ছন্ন করে রাখল।

    তিনি বুঝতে চাইলেন, এটা কী? কোনো ভয়ংকর দানব নাকি কোনো অসৎ মানুষ ওইভাবে সাজগোজ করে তাঁকে ভয় দেখাতে চাইছে?

    শুয়ে শুয়ে এইসব নানান যুক্তি-তর্ক যখন তাঁর মনে ঝড় তুলেছে তখনই তিনি দেখলেন সেই হাতে-পায়ে শেকল পরা ছায়া ছায়া মূর্তিটা ধীরে ধীরে তাঁরই দিকে এগিয়ে আসছে। শেষ পর্যন্ত মূর্তিটা তাঁর একেবারে খাটের কাছে এসে থমকে দাঁড়াল। দু-চোখ আর মুখের গহ্বর থেকে তখনও সেই লাল আগুনের আভাটা ঠিকরে পড়ছিল। সে যেন মুখ হাঁ করে হাত-পা নেড়ে কিছু একটা বলতে চাইছিল। আর তার হাত নাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শেকলের ঝনঝন আওয়াজটাও ক্রমাগত শব্দ তুলে যাচ্ছিল। অন্য কেউ হলে এতক্ষণে নিশ্চয় অজ্ঞান হয়ে যেত অথবা দুর্বল হৃদয়ের কোনো রোগী হলে নির্ঘাৎ তার মৃত্যু হত। কিন্তু অত্যন্ত সাহসী সেই দার্শনিক ভদ্রলোকটির কিছুই হল না। বরং তিনি যেমন ছিলেন সেইভাবেই তাকিয়ে রইলেন ছায়ামূর্তিটার দিকে। আসলে তিনি দেখতে চাইছিলেন অশরীরী মূর্তিটি এরপর কী করে?

    একমুখ দাড়ি-গোঁফের জঙ্গল, আর একমাথা রুক্ষ চুলে মূর্তিটিকে তখন বেশ বীভৎস এবং ভয়াবহ বলে মনে হচ্ছিল। তার উপর তার হাতের নখগুলো ছিল বেশ বড়ো বড়ো। হাতের তীক্ষ্ম আর বড়ো বড়ো নখ দেখে দার্শনিকের মনে একটা অন্য ধরনের ভয় এল। ভূত তিনি বিশ্বাস করতেন না। কিন্তু জ্যান্ত দেহের কোনো চোর-ডাকাতকে তাঁর ভয় না করার কোনো কারণ ছিল না। মৃত্যুর পর প্রেতাত্মা মানুষের কতটা ক্ষতি করতে পারে সে সম্বন্ধে তাঁর কোনো ধারণাই ছিল না। অদেখা এমন কিছু পৃথিবীতে আছে বলেও তাঁর বিশ্বাস ছিল না। কিন্তু জ্যান্ত চোর-ডাকাত মানুষের অনেক ক্ষতি করতে পারে। তাছাড়া তাঁর কাছে আত্মরক্ষার মতো তেমন কোনো অস্ত্রই ছিল না। মনে মনে যখন তিনি ভাবছিলেন সত্যিই যদি লোকটি কোনো চোর-ডাকাত হয় তাহলে তাঁর করার কিছু থাকবে না। তার উপর লোকটাকে দেখে মনে হয় তার গায়ে বেশ জোরও আছে। তাই তিনি যখন সম্ভাব্য বিপদের হাত থেকে বাঁচার জন্য কী করা যায় তাই ভাবছিলেন, ঠিক সেই মুহূর্তে আশ্চর্য হয়ে লক্ষ করলেন মূর্তিটি আর এক পা-ও না এগিয়ে এসে ক্রমাগত পিছু হটতে শুরু করল। পিছতে পিছতে সে একসময় ঘর পরিত্যাগ করল।

    অশরীরী মূর্তিটিকে পিছিয়ে যেতে দেখে দার্শনিক ভদ্রলোকটি ক্ষণিকের অবশ অবস্থা ত্যাগ করে তড়াক করে বিছানা ছেড়ে উঠে পড়লেন। তারপর নিজেও ছুটে ঘর ছেড়ে বাইরে এসে দাঁড়ালেন।

    অশরীরী মূর্তিটি ভূত বা অদ্ভুত যাই হোক না কেন দার্শনিক পরম বিস্ময়ে লক্ষ করলেন বারান্দা পার হয়ে মূর্তিটি ধীরে ধীরে নীচে নেমে গেল। তারপর লম্বা উঠোনের ঠিক মাঝ বরাবর গিয়ে হঠাৎই যেন কর্পূরের মতো উধাও হয়ে গেল। দার্শনিক ঠিক তখনই একবার চিৎকার করে উঠলেন ‘কে কে’ বলে। কিন্তু উত্তরে কেবল অনেক দূর থেকে ভেসে আসা অস্পষ্ট গোঙানি ছাড়া আর কিছুই শুনতে পেলেন না।

    উঠোনের ঠিক যে জায়গায় মূর্তিটি অদৃশ্য হয়ে গিয়েছিল সেইখানে দাঁড়িয়ে অনেকক্ষণ গুম হয়ে কী যেন ভাবলেন। আরও দু-একবার ডাকাডাকি করেও কারো উত্তর কিছু পেলেন না। বিফল মনোরথে তিনি ঘরে ফিরে শুয়ে পড়লেন। বাকি রাতটা এই অদ্ভুত ব্যাপারটি নিয়ে চিন্তা করতে করতে কাটিয়ে দিলেন।

    ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে গত রাত্রে ঠিক যে জায়গা থেকে মূর্তিটা অদৃশ্য হয়ে গিয়েছিল সেখানে এসে অনেক কিছু পর্যবেক্ষণের দৃষ্টিতে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে লক্ষ করতে থাকলেন। কিন্তু দিনের আলোয় কোনো কিছুই তাঁর অস্বাভাবিক বলে মনে হল না।

    পাহাড়ের টিলায় এই বাড়িটি ছিল লোকালয় থেকে বেশ কিছু দূরে। লোকজন কেউ তেমন থাকত না। হয়তো সেটা কুঠিবাড়িকে কেন্দ্র করে যে সব গল্প এবং গুজব আছে তারই ভয়ে কোনো সাহসী পুরুষ এ বাড়ির ত্রিসীমানায় আসত না।

    নির্বান্ধব এবং নির্জন বাড়িটায় দার্শনিক আবার তন্ময় হয়ে গেলেন তাঁর নিজের কাজে। নিজের চিন্তায়। নিজের পড়াশুনায়। প্রায় সারাদিনই তিনি বই-এর জগতে ডুবে রইলেন। ফলে রাতের সেই অশরীরী এবং অদ্ভুত ঘটনার কথা তিনি প্রায় ভুলেই গিয়েছিলেন। রাতের খাওয়া-দাওয়া সেরে যখন তিনি বিছানায় শুতে গেলেন তখনই একবার গত রাতের কথা মনে হল। কিন্তু ঘটনাটিকে তিনি তেমন আমল দিলেন না। ভাবলেন অত্যধিক চিন্তাগ্রস্ত থাকার জন্য আধা ঘুম আধা জাগরণে কী দেখতে কী দেখেছিলেন। বিছানায় শোবার সঙ্গে সঙ্গে ঘুম না এলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়লেন।

    ভয়ডর না থাকার জন্যে সমস্ত কিছুকে অলীক বলে উড়িয়ে দিলেও পরের রাতে কিন্তু সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল। তার পরের রাতেও সেই একই ব্যাপার। পর পর তিন রাত্রি একইভাবে অশরীরী মূর্তির আবির্ভাব এবং একই ভাবে হাত নেড়ে কিছু বলতে চাওয়ার চেষ্টা এবং একই ভাবে উঠোনের ঠিক একই জায়গায় এসে মিলিয়ে যাওয়া, তাঁকে বেশ ভাবিয়ে তুলল। তিনি কিছুতেই কোনো ব্যাখ্যা দিয়েই বুঝতে পারছিলেন না—এটা কেমন করে হয়? কীভাবে হয়? তবে কি এটা নতুন ধরনের জাদুবিদ্যা? অবশেষে চতুর্থ দিন সকালে দার্শনিক কিন্তু আর নিছকই কল্পনা বলে সব কিছু উড়িয়ে দিতে পারলেন না। আবার ভয় পেয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়েও গেলেন না। তিনি মনে মনে ভাবলেন নিশ্চয় এর মধ্যে কিছু অনুসন্ধানের আছে। নিছক মায়া বা জাদুবিদ্যা নয়। আর সত্যিই যদি অশরীরী কোনো প্রেত হয়ে থাকে তাহলে নিশ্চয় সে কিছু বলতে চাইছে। আর সব থেকে দার্শনিককে বেশি আকৃষ্ট করল উঠোনের সেই নির্দিষ্ট স্থানটি। কেনই বা প্রতি রাতে অদ্ভুত এবং বীভৎস আকৃতির সেই মূর্তি ওই বিশেষ একটি জায়গায় এসে হারিয়ে যাচ্ছে। তাহলে কি ওই জায়গাটিতেই বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ কিছু লুকিয়ে আছে? এর একটা বিশেষ তদন্ত হওয়ার প্রয়োজন।

    চতুর্থ দিন সকালে আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে দার্শনিক আর বাড়িতে বসে রইলেন না। চলে গেলেন শহরে। প্রথমেই তিনি যোগাযোগ করলেন স্থানীয় ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে। সব কথা তাঁকে খুলে বললেন। অন্য কেউ হলে হয়তো পাগলের খেয়াল ভেবে ম্যাজিস্ট্রেটসাহেব উড়িয়ে দিতেন। কিন্তু এই দার্শনিক ছিলেন বেশ নামী লোক। জ্ঞানী এবং বুদ্ধিমান হিসেবে তিনি প্রায় সকলেরই পরিচিত। ম্যাজিস্ট্রেটসাহেবের মতো একজন গণ্যমান্য লোকের সঙ্গে যে তিনি মশকরা করবেন না এটা ম্যাজিস্ট্রেটসাহেব নিজেও জানতেন। কালবিলম্ব না করে তিনি বেশ কিছু মজুর নিয়ে ফিরে এলেন দার্শনিকের কেনা নতুন বাড়িতে। উঠোনের ঠিক যে জায়গায় এসে অশরীরী মূর্তিটি গত তিন রাত্রে অদৃশ্য হয়ে যেত সেই জায়গায় মাটি খোঁড়া শুরু হল। অবশ্য বেশি দূর খুঁড়তে হল না। সামান্য কয়েক হাত জমির নীচেই পাওয়া গেল একটি সম্পূর্ণ কঙ্কাল। কঙ্কালটির হাত-পা শিকল দিয়ে বাঁধা। শিকলে মরচে ধরেছে বেশ পুরু হয়ে।

    প্রেত বা ভূতে কোনোদিনও বিশ্বাস ছিল না দার্শনিক ভদ্রলোকটির। কিন্তু গত তিন রাত ধরে শৃঙ্খলাবদ্ধ একটি মূর্তির সঙ্গে শৃঙ্খলাবদ্ধ কঙ্কালটির কোথায় যেন কী সাদৃশ্য রয়েছে। এটা অনুমান করতে তাঁর কোনো অসুবিধা হল না। সহজ এবং যুক্তিগ্রাহ্য বুদ্ধি দিয়ে দার্শনিক এর কোনো অর্থই করতে পারলেন না।

    ম্যাজিস্ট্রেটসাহেবের পরামর্শে নিয়মকানুন মেনে তাঁরা কঙ্কালটি যথাযথভাবে কবর দিলেন। আর সব থেকে অদ্ভুত ব্যাপার যা, তা হল কঙ্কালটি ভালোভাবে কবরস্থ হবার পর আর কিন্তু কোনোদিনও কোনো রাতেই দার্শনিকের ঘরে সেই অশরীরী মূর্তির আবির্ভাব ঘটেনি।

    এরপর দার্শনিক বহুদিন সেই বাড়িতে বাস করেছিলেন। বহুদিন ধরে তিনি কবরস্থ কঙ্কালটির সম্বন্ধে খোঁজখবরও করেছিলেন। কিন্তু সঠিকভাবে কেউ বলতে পারেনি ওই বাড়িতে কাউকে কোনোদিনও কবর দেওয়া হয়েছিল কি না। তবে ওই গ্রামের এক অতি বৃদ্ধের মুখে শোনা যেত, অনেক-অনেক দিন আগে এক বৃদ্ধ ক্রীতদাসকে সামান্য অপরাধের জন্য ওইভাবে হাতে-পায়ে শেকল বেঁধে জীবন্ত কবর দেওয়া হয়েছিল। এ ঘটনা সত্য কি মিথ্যা তা জানার উপায় নেই। তবে দার্শনিক এটুকু বুঝেছিলেন মৃত্যুর পর আত্মার আসা-যাওয়া থাকে। আর সে আত্মা যদি অতৃপ্ত হয় তাহলে অশরীরী রূপ নিয়ে মানুষকে দেখা দিতে চায়। হয়তো বা তার অতৃপ্ত আত্মার তৃপ্তির পথ খোঁজে।

    ___

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয় সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article কলকাতার রাত্রি রহস্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }