Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভূত ৭৩ – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমার রায় এক পাতা গল্প565 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভূত যখন বন্ধু হয়

    ভূতেরা বন্ধু হয় এমন কথা ভাবতেও অবাক লাগে। আমাদের ছোটো থেকে একটা ধারণা বদ্ধমূল হয়ে আছে যে ভূত মাত্রেই মানুষের শত্রু। আমরা অনেক গল্পে দেখেছি ভূত কেমন ভাবে তার প্রতিহিংসা গ্রহণ করে। কেমন করে তার জীবিত কালের শত্রুকে মৃত্যুর পর তাকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করে। কিন্তু এর ব্যতিক্রমও আছে। একটি গল্পে তার সামান্য দৃষ্টান্ত আছে। রণক্ষেত্রে মৃত এক সৈনিকের ভূত সেখানে সিজারকে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে নির্দেশ দিয়েছিল। এবং সেই যুদ্ধে সিজারের জয় হবেই এমন ভবিষ্যৎবাণীও করে গিয়েছিল। পরম বন্ধুর মতো ভূত সেখানে পথের সন্ধান দেখিয়েছে। আমাদের এবারের গল্প আর এক বন্ধুভূতের। ভূত এখানে পরম হিতৈষীর মতো এক নরপতিকে ইঙ্গিত দিয়েছে তার আসন্ন বিপদের। যদিও সে রাজাকে বিপদের হাত থেকে বাঁচাতে পারেনি তবুও তার উপদেশ মতো কাজ করে রাজা সাময়িক অব্যাহতি পেয়েছিলেন। কিন্তু ভবিতব্যের হাত থেকে রাজা শেষ পর্যন্ত নিষ্কৃতি পাননি। কে-ই বা পায়?

    তখন ইংল্যান্ডের রাজা প্রথম চার্লস। চার্লসের রাজত্বকাল বেশ অশান্তিতেই কেটেছিল। এর কারণ চার্লসের রাজনীতি। চার্লস মনে করতেন রাজা ঈশ্বরের প্রতিভূ। ঈশ্বরই রাজাকে প্রেরণ করেন এবং রাজাই পারেন ঈশ্বরের বিধান মতো রাজ্যশাসন করতে। চার্লস তাঁর সংস্কারে ছিলেন ভীষণ একগুঁয়ে। ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে তিনি গির্জা প্রভৃতির মধ্যেও রাজকীয় আড়ম্বর আনতে চেয়েছিলেন। গির্জা ইত্যাদি ধর্মীয় স্থানে রাজকীয় আসবাব এবং বিলাসবহুল সামগ্রীর জোগান দিতে গিয়ে বহু অর্থের প্রয়োজন হয়ে পড়ল। অর্থের সংকুলান করতে গিয়ে চার্লসকে নিত্যনতুন কর চাপাতে হল রাজকোষ ভরতি করার জন্য। করভারে পীড়িত মানুষ তখন প্রায় খেপে গেল। কমনস সভাও ছিল এর বিরোধী। তারা চিৎকার করে জানাল রাজার প্রবর্তিত এই করনীতি বে-আইনি। ফলে রাজার সঙ্গে কমনস সভার লাগল বিরোধ।

    ১৬২৯ সালে চার্লস তাঁর রাজ্যসভা ভেঙে দিলেন। তারপর রাজ্যসভা ছাড়াই এগারো বছর তিনি নিজের খুশিমতো রাজত্ব চালালেন। রাজকীয় অত্যাচারে সাধারণ মানুষের জীবন বিব্রত হয়ে উঠল। দেশের চারিদিকের মানুষ, বিশেষ করে পিউরিটান গোষ্ঠীর লোকেরা বিদ্রোহী হয়ে উঠল। কারণ রাজার ধর্মীয় সংস্কার পিউরিটান গোষ্ঠীর বিরুদ্ধেই কার্যকরী হয়েছিল। এ ছাড়াও আমদানিকৃত জিনিসের ওপর প্রচুর শুল্ক চাপানোর ফলে ব্যবসায়ী মহলও হয়েছিল ক্ষুব্ধ। বলপূর্বক ঋণদানও সাধারণ মানুষের রাগের আরও একটি বড়ো কারণ হয়ে উঠল। দেশের চারদিকে যখন বিক্ষোভ ভয়ংকর আকার ধারণ করল তখন রাজা বাধ্য হলেন আবার রাজ্যসভার অধিবেশন ডাকতে। রাজার ধর্মীয় নীতির বিরুদ্ধে এই বিদ্রোহের পুরোধায় ছিল স্কটল্যান্ডবাসীরা। বিদ্রোহ যখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছল তখন চার্লস বাধ্য হলেন রাজ্যসভার অধিবেশন ডাকতে। অবশেষে ১৬৪০ সালে যে পার্লামেন্টের অধিবেশন বসল সেই অধিবেশনে সদস্যরা একযোগে রাজাকে নমনীয় না হলে তাঁকে কোনোভাবেই সাহায্য করবে না এমন কথাও জানিয়ে দিল।

    কিন্তু চার্লস ছিলেন বরাবরই একগুঁয়ে এবং দাম্ভিক। তিনি সদস্যদের স্পর্ধা মেনে নিতে পারলেন না। এবং রাজ্যসভা সঙ্গে-সঙ্গেই ভেঙে দিলেন।

    স্কটল্যান্ডের বিদ্রোহীরাও রাজার এই স্বেচ্ছাচারিতা মেনে নিল না। তারা একযোগে বিশৃঙ্খল অবস্থা সৃষ্টি করে রাজাকে ব্যতিব্যস্ত করে তুলল। ফলে চার্লস বাধ্য হলেন আবার পার্লামেন্ট ডাকতে। এই পার্লামেন্ট অবশ্য দীর্ঘস্থায়ী হয়েছিল। ১৬৪০ থেকে ১৬৫৩ সাল পর্যন্ত। ইংল্যান্ডের ইতিহাসে এই পার্লামেন্টের গুরুত্ব অনেকখানি। এই পার্লামেন্ট অনেক প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছিল।

    যাই হোক আমাদের লক্ষ্য ইংল্যান্ডের পার্লামেন্টের বা চার্লসের ইতিহাস নয়। ঐতিহাসিক এক প্রেত কীভাবে প্রথম চার্লসকে তাঁর বিপদের আভাস দিয়েছিল, এ কাহিনির গল্প তাই নিয়েই। চার্লসের জীবনের দুরবস্থার কথা বলার কারণ তাঁর আত্মম্ভরিতা, তাঁর অবিবেচকতা এবং ধর্মান্ধতাই যে তাঁর শোচনীয় পরিণতি ঘটিয়েছে এটুকু বোঝার সুবিধে হবে বলেই এই ইতিহাস কথন।

    পার্লামেন্টের সঙ্গে রাজার বিরোধের অনেক কিছুর মীমাংসা হলেও একটা ব্যাপারে দ্বন্দ্ব প্রবল হয়ে উঠল। পার্লামেন্ট চেয়েছিল বিশপের ক্ষমতা হ্রাস করতে। আমাদের দেশে যেমন পুরোহিতদের অত্যাচারে সাধারণ মানুষ—বিশেষ করে নীচজাতীয় লোকেরা চিরকালই অত্যাচারিত হয়েছে ঠিক সেই রকমই চার্লসের আমলে বিশপদের একচেটিয়া ক্ষমতা সাধারণ মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করত। বিশপরা ছিলেন রাজার হাতের পুতুল। আর ধর্মের নামে বিশপেরা রাজার ইচ্ছাকে যেমন খুশি তেমনভাবে চালিয়ে দিতেন। তাই রাজা বিশপের ক্ষমতা হ্রাস করতে চাইলেন না কিছুতেই। অবশ্য পার্লামেন্টের অনেক সদস্যই রাজার পক্ষেও মত দিলেন। এর মধ্যে আবার অনেকে মনে করলেন রাজার ক্ষমতা সম্পূর্ণ নষ্ট করে পার্লামেন্টের ক্ষমতা বাড়ানো দেশের পক্ষে খুবই বিপজ্জনক। আবার পার্লামেন্ট বাদ দিয়ে রাজাকে একাধিপত্য দেওয়াও অত্যন্ত কুফল দায়ক। এর ফলে দু-ভাগে বিভক্ত হয়ে গেল সমস্ত সৈন্যদল। ১৬৪২ সালে রাজা তৈরি করলেন নিজস্ব সেনাবাহিনী। পার্লামেন্টও বসে ছিল না। তারা তৈরি করল নিজেদের বাহিনী। শুরু হল গৃহযুদ্ধ। এজহিলের রণাঙ্গনে মুখোমুখি হল দু-পক্ষ।

    পার্লামেন্টের বাহিনীর অধিনায়ক হলেন ওলিভার ক্রমওয়েল। তাঁর নেতৃত্বে ১৬৪৫-এ গৃহযুদ্ধ ভীষণ আকার ধারণ করল। প্রায় পাঁচ হাজার পদাতিক এবং বিপুল সংখ্যক অশ্বারোহী সৈন্য নিয়ে চার্লস নর্দাম্পটনে এসে হাজির হলেন। চারদিকে তখন যুদ্ধের বীভৎসতা ছড়িয়ে পড়েছে। যে সমস্ত সৈন্যরা একদা একই সঙ্গে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ শিখেছে—একই সঙ্গে দিনের পর দিন পাশাপাশি সুখে-দুঃখে কাটিয়েছে একই শিবিরে, এক সর্বনাশা গৃহযুদ্ধে তারা হয়ে পড়ল পরস্পরের শত্রু। সুযোগ পেলেই একে অপরকে নিধন করার যজ্ঞে মেতে উঠল।

    বোধ হয় গৃহযুদ্ধ এমনই ভয়াবহ। সেখানে ভাই বন্ধু আত্মীয়-স্বজন কখন যে পর হয়ে যায় কেউ বলতে পারে না। এক সর্বনাশা ধ্বংসের খেলায় মানুষ তখন পশুতে পরিণত হয়ে যায়।

    শিপ স্ট্রিটের সুইটসেফ হোটেলে রাজা তাঁর শিবির তৈরি করেছেন। সেখানে বসেই তিনি পরামর্শ করছেন যুদ্ধ কীভাবে চালাবেন। ক্রমওয়েলের বাহিনীকে কীভাবে পর্যদস্ত করবেন সেই নিয়ে ঘন ঘন বৈঠক বসাচ্ছেন। ভবিষ্যৎ রণনীতি কী হবে তা নিয়েও বেশ সময় অতিবাহিত হয়েছে। তারপর সভা শেষে রাজা গেলেন শুতে। মানসিক এবং দৈহিক দুই ভাবেই রাজা তখন ক্লান্ত। বিছানায় শোবার সঙ্গে-সঙ্গেই ঘুমে তাঁর চোখের দু-পাতা জুড়ে এল।

    কতক্ষণ ঘুমিয়ে ছিলেন কে জানে! হঠাৎ একটা অস্পষ্ট খসখসে আওয়াজে তাঁর ঘুম ভেঙে গেল। প্রথমটায় তিনি তেমন কিছু বুঝতে পারলেন না। আসলে তখনও তাঁর ঘুমের রেশ কাটেনি। চোখে তন্দ্রাও লেগে আছে। এরই মধ্যে প্রায় অন্ধকার ঘরে শুনতে পেলেন কে যেন ঘরের চারপাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে। যুদ্ধের সময়। গোপনে তাঁর ঘরে শত্রুপক্ষের কারও আসাও বিচিত্র নয়। বিছানার পাশে রাখা নিজের তলোয়ারটা নিমেষের মধ্যে টেনে নিলেন। তারপর মনে সাহস এনে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কে, কে তুমি? এত রাতে আমার ঘরে কী করতে এসেছ?’

    রাজা যেন হাওয়ার সঙ্গে কথা বললেন। কারণ কেউই তাঁর প্রশ্নের কোনো উত্তর দিল না। কিন্তু স্পষ্ট বোঝা গেল কেউ যেন তাঁর শয্যার চারপাশে হেঁটে বেড়াচ্ছে। আর সুযোগ দেওয়া সমীচীন নয় ভেবে রাজা তলোয়ার নিয়ে বিছানায় উঠে বসতে গেলেন। হঠাৎ তাঁর মনে হল ফিসফিস স্বরে আগন্তুক তাঁকে যেন কিছু বলতে চাইছে। আওয়াজটা কেমন যেন ফ্যাঁসফেঁসে আর হিসহিসে ধরনের।

    রাজা অধৈর্য হয়ে আবার জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কে তুমি? কী বলতে চাইছ এত রাতে, আমার ঘরে এসে?’

    আবার সেই হিসহিস শব্দ। এবারও রহস্যময় কিন্তু খানিকটা স্পষ্ট। রাজা কান পেতে শব্দটার মানে বুঝতে চাইলেন। আগন্তুক হঠাৎ তাঁর সামনে এসে দাঁড়িয়ে পড়ল। লোকটাকে চাক্ষুষ দেখা যাচ্ছিল না কিন্তু একটা অশরীরী উপস্থিতি তিনি ঠিকই টের পাচ্ছিলেন।

    আবার হিসহিস শব্দ হতেই রাজা স্পষ্ট শুনতে পেলেন, সেই ছায়া ছায়া মূর্তি বলছে, ‘আমাকে চিনতে পারছ না রাজা? আমি তোমার বন্ধু।’

    ‘বন্ধু? কিন্তু কে তুমি? কী তোমার নাম? বন্ধুই যদি হবে তাহলে আলোটা জ্বালাও। সামনে এসে দেখা দাও।’

    রাজা বোধহয় আলো জ্বালাবার জন্য উঠতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু সেই ছায়ামূর্তি বাধা দিল, ‘আলো জ্বালিয়ো না। আলো জ্বালালে আমি এখানে থাকতে পারব না।’

    ‘বেশ। আলো জ্বালাব না। কিন্তু তোমার পরিচয়টা দাও।’

    ‘আমি স্ট্রাফোর্ড।’

    ‘স্ট্রাফোর্ড? কী আশ্চর্য? সে তো অনেকদিনই মারা গেছে।’

    ‘হ্যাঁ। তোমার জন্যেই আমি মারা গিয়েছিলাম। জীবিতকালে আমি সর্বদাই তোমার বন্ধু ছিলাম। সর্বদাই তোমাকে আমি সুপরামর্শ দিতাম।’

    ‘আমি তো সে কথা অস্বীকার করিনি। চারিদিকে আমার অনেক শত্রুর মধ্যে তুমিই ছিলে আমার যথার্থ বন্ধু। রাজপরিবারের জন্য তোমার আত্মত্যাগ আমি ভুলিনি বন্ধু।’

    ‘চার্লস, তোমার নিশ্চয় মনে আছে তোমার রাজতন্ত্রের নীতি-প্রতিষ্ঠার জন্য যারা যারা আত্মত্যাগ করেছে—তাদের মধ্যে আমিই সর্বপ্রথম প্রাণ দিই।’

    ‘যতদিন বাঁচব সেকথা আমি মনে রাখব। এ যুদ্ধে জয়লাভ করলে তোমার জন্যে আমি স্মৃতিসৌধ স্থাপন করব রাজকীয় মর্যাদায়।’

    ‘কিন্তু’ বলেই হঠাৎ স্ট্রাফোর্ড চুপ করে গেল। তারপর বেশ কিছুক্ষণ আর কোনো শব্দ নেই। রাজাও অধৈর্য হয়ে পড়েছেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কিন্তু কী? তুমি চুপ করে গেলে কেন বন্ধু? বলো তুমি কী বলতে চাইছিলে?’

    আবার ধীরে ধীরে সেই ফ্যাঁসেফেঁসে আওয়াজটা ভেসে এল। ‘জীবিত অবস্থায় আমি যেমন তোমার বন্ধু ছিলাম মৃত্যুর পরও আমার প্রেতাত্মা এখনও তোমার বন্ধুই আছে। তুমি একটু আগে বলেছিলে না আমার জন্যে স্মৃতিসৌধ স্থাপন করে দেবে। রাজা, তুমি আর কোনোদিনও সে সুযোগ পাবে না।’

    রাজা যেন আর্তনাদ করে উঠলেন, ‘কী বলছ স্ট্রাফোর্ড?’

    ‘হ্যাঁ’ ঠিকই বলছি, স্থূল দেহে তোমরা যা দেখতে পাও না, সূক্ষ্মদেহে আমরা ভূত-ভবিষ্যৎ-বর্তমান, সব কিছুই দেখতে পাই। আমি বন্ধু হিসেবেই তোমাকে বারণ করতে এসেছি—এ যুদ্ধ বন্ধ করো।’

    ‘না, না, তা হয় না। আমি রাজা চার্লস। ঈশ্বরের প্রত্যক্ষ প্রতিনিধি। আমার শরীরে রাজরক্ত বইছে। সামান্য এক ক্রমওয়েলের দম্ভ আমি সহ্য করব না। তাকে আমি ধ্বংস করে ছাড়ব।’

    ‘পারবে না বন্ধু। তুমি তা পারবে না। আর কোনোদিনও তোমার পক্ষে তোমার প্রবর্তিত রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে না। মৃত্যুর পর আমি জেনেছি একনায়কতন্ত্রের দিন ফুরিয়ে আসছে। ক্রমওয়েল সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি। ওকে হারানো তোমার পক্ষে সম্ভব নয়। আমি তোমাকে এও বলে রাখছি জীবনে আর কোনোদিনও কোনো যুদ্ধে তুমি জয়লাভ করতে পারবে না। তাই বলছি বন্ধু—আপোশে সব কিছুর মীমাংসা করে নাও।’

    কথাগুলো বলেই লর্ড স্ট্রাফোর্ডের ভূত যেন হাওয়ায় মিলিয়ে গেল। এরপর রাজা শূন্য বিছানায় অনেকক্ষণ একা একা বসে রইলেন। একটু আগের সব কিছু ভালোভাবে তলিয়ে দেখলেন। তারপর হঠাৎ তাঁর মনে হল এ সবই অলীক এবং দুঃস্বপ্ন। মুখে- চোখে ঠান্ডা জল দিয়ে আবার তিনি শুয়ে পড়লেন।

    সেই রাতেই, বোধহয় ভোর রাতেই আবার স্ট্রাফোর্ডের আত্মা তাঁকে দেখা দিল। পূর্বের কথাগুলি আবারও তাঁকে জানিয়ে সাবধান করে দিল। এবার আর রাজা দুঃস্বপ্ন বলে উড়িয়ে দিতে পারলেন না। তিনি ঠিক করলেন স্ট্রাফোর্ডের আত্মার উপদেশ গ্রহণ করবেন।

    তিনি আর যুদ্ধে অগ্রসর হলেন না। ১৬৪৫-এর ১৪ই জুন জেসবিতে ক্রমওয়েলের বাহিনীর কাছে চার্লস প্রচণ্ডভাবে পরাজিত হলেন। তারপর ১৬৪৬-এর গোড়ায় তিনি ক্রমওয়েলের কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হলেন।

    স্ট্রাফোর্ডের প্রেতাত্মা বন্ধুর কাজই করেছিল। রাজাকে সসৈন্যে বিনষ্ট হওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়েছিল। কিন্তু ভবিতব্য খণ্ডন করা যায় না। তা মেনে নিতেই হবে। রাজা প্রথম চার্লসকেও তাঁর নির্দিষ্ট ভাগ্য মেনে নিতে হল।

    প্রায় তিন বছর পর পার্লামেন্টে রাজার বিচার চলল। বিচারের শেষে রাজাকে পার্লামেন্টে চুক্তিবদ্ধ হবার নির্দেশ দিল। কিন্তু রাজরক্তের দম্ভ কাটিয়ে উঠতে পারলেন না চার্লস। ভুলে গেলেন বন্ধু স্ট্রাফোর্ডের প্রেতাত্মার সাবধান বাণী। স্ট্রাফোর্ডের প্রেত রাজাকে মীমাংসায় আসতে বলেছিল। রাজা তা শুনলেন না। তিনি স্পষ্ট জানালেন, তিনি রাজা। তিনি সর্বশক্তিমান। সাধারণ মানুষের সঙ্গে কোনোরকম কোনো চুক্তিতে আসা তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। এবং গোপনে তিনি নিজের সৈন্যদলকে সাজাতে শুরু করলেন পুনর্বার যুদ্ধের জন্য।

    ক্রমওয়েল রাজাকে আর বিশ্বাস করতে পারলেন না। তাঁর শক্তি তখন অনেক বেড়ে গেছে। যাঁরা পার্লামেন্টে রাজার সপক্ষে ছিলেন তাঁদেরকে তিনি বিতাড়িত করলেন। আর ‘রাম্প’ নামে পরিচিত পার্লামেন্টের বাকি সদস্যরা রাজাকে পুনর্বিচারে বসালেন এবং শেষ পর্যন্ত রাজাকে স্বৈরাচারী ও দেশের পরমশত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করলেন। শেষ বিচারে ১৬৪৯ সালে রাজাকে গদিচ্যুত করে তাঁর মৃত্যুদণ্ডাজ্ঞা দেওয়া হল। ১৬৪৯ সালেই তাঁর শিরশ্ছেদ করা হয়।

    স্ট্রাফোর্ডের প্রেত অনিবার্য ধ্বংসের হাত থেকে রাজাকে বাঁচাতে চেয়েছিল। প্রেত বলে গিয়েছিল পার্লামেন্টের সঙ্গে একটা মীমাংসায় আসতে। কিন্তু অহংকারী রাজরক্ত পরমবান্ধবের হিতোপদেশ কানে তোলেনি। তাহলে হয়তো ইতিহাসের ধারাটাই পালটে যেত—হয়তো অন্য কিছু হত…।

    ___

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভয় সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Next Article কলকাতার রাত্রি রহস্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    Related Articles

    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    মানুষের গড়া দৈত্য – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    হেমেন্দ্রকুমারের গল্প – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 8, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রহস্য-রোমাঞ্চ সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    রবিন হুড – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    জয়তু জয়ন্ত – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    হেমেন্দ্রকুমার রায়

    ঐতিহাসিক সমগ্র – হেমেন্দ্রকুমার রায়

    January 7, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }