Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভৌতিক অমনিবাস – মানবেন্দ্র পাল

    মানবেন্দ্র পাল এক পাতা গল্প996 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভয় পেয়েছিলাম

    বহুদিন পর নানা তীর্থস্থান ঘুরে শেষে আবার কী হলো মৃগেন্দ্রনারায়ণ ফিরে এলেন নিজের দেশের জঙ্গলমহলের পরিত্যক্ত বাড়িতে।

    ফেরার ইচ্ছে ছিল না। জীবনে যে কয়েকটি নৃশংস কাজ ধীরে-সুস্থে পূর্ণজ্ঞানে করেছেন তারই প্রায়শ্চিত্তর জন্যে–আর নিশ্চয় পুলিশের ভয়েও তিনি নিজের দেশ, রাজপ্রাসাদতুল্য বাড়িঘর ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। প্রায় ত্রিশ বছর বাইরে বাইরে ঘুরে আবার কি এক অদৃশ্য টানে তিনি স্বস্থানে ফিরে এলেন। না ফিরলেই বোধ হয় ভালো হতো।

    যাই হোক এই তিরিশ বছরে তার অনেক পরিবর্তন হয়েছে। এক মুখ দাড়ি, সন্ন্যাসীর মতো জটা, মসৃণ তেল-চুকচুকে ত্বকের জায়গায় খসে চামড়া, পরনে গেরুয়া আলখাল্লা। তিনি তাঁর বিরাট মহলে ঢুকে একবার চারিদিকে তাকালেন। সব খাঁ খাঁ করছে। অবশ্য এ শূন্যতা নতুন নয়।

    বাড়ি ফিরে এসে কোমরে বাঁধা চাবি দিয়ে অনেক কষ্টে মর্চেধরা তালা খুলে নিজের ঘরে গিয়ে ঢুকলেন। জানলাগুলো বন্ধ। ভ্যাপসা গন্ধ। একটা বেড়াল ঘরে আটকা পড়ে মরে পচে গিয়েছিল। তার কিছু লোম আর শিরদাঁড়াটা পড়েছিল, মৃগেন্দ্র বাঁ হাতে করে সেটা তুলে নিয়ে চোখের কাছে এনে দেখলেন। দেখে যেন খুশি হলেন। তারপর সেটা জানলা খুলে বাইরে ফেলে দিলেন।

    ঘরের একপাশে বিরাট একটা আয়না। মৃগেন্দ্র আয়নার সামনে গিয়ে দাঁড়ালেন। নিজের চেহারা দেখে নিজেই আঁৎকে উঠলেন। বোধহয় ভাবলেন কী ছিলেন–আর কী হয়েছেন!

    তারপরেই একটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেললেন। ভাবলেন হয়েছে তা ভালোই হয়েছে। কেউ আর চট্ করে চিনতে পারবে না। যদি বা কেউ সন্দেহ করে তাহলেও তারা বুঝবে সেই নিষ্ঠুর প্রতিহিংসাপরায়ণ মৃগেন্দ্র আর নেই। তার বদলে এক সর্বত্যাগী সন্ন্যাসী ফিরে এসেছে।

    তিনি বড় একটা বাড়ি থেকে বেরোন না। সারা দিন মহলের শূন্য ঘরে ঘরে ঘুরে বেড়ান। তাঁর মনে পড়ে কত সুখের দিনের কথা–সেই সঙ্গে কত দুঃখের দিনের স্মৃতি। ভাবতে ভাবতে ভঁর দুচোখে কখনও জল ভরে ওঠে, কখনও আগুন জ্বলে ওঠে।

    এখানে ফিরে এসে এক মাসও কাটল না, মৃগেন্দ্রনারায়ণ ছটফট্‌ করতে লাগলেন। এই শূন্য বাড়িটার মধ্যে মৃত আত্মারা যেন তাকে কেবলই ধিক্কার দিয়ে বলে–এরই মধ্যে প্রতিশোধ নেওয়া হয়ে গেল? সব ভুলে আজ তুমি সাধু হয়েছ? ছিঃ!

    মৃগেন্দ্র তাঁর হাত দুটোর দিকে একবার তাকালেন। তাই তো! হাত দুটো কি ঠুটো হয়ে গেল?

    তারপর থেকেই আবার তাঁর খুনের নেশা জেগে উঠল। হিসেব করে দেখলেন পাঁচটা খুন করেছেন। এখনও অন্তত একটা বাকি। তা হলেই পুরোপুরি প্রতিশোধ নেওয়া হয়।

    কিন্তু যাকে-তাকে খুন করলে তো হবে না। সাহেব হওয়া চাই। অথচ সাহেব মেলা ভার। দেশ স্বাধীন হবার পর সাদা চামড়ার দল তল্পিতল্পা গুটিয়ে পালিয়েছে সাগরপারে।

    তবে একেবারেই কি দেশ সাহেবশূন্য হয়ে গেছে? না, তা হয়নি। দু-একটা নিশ্চয়ই আছে। খুঁজে বার করতে হবে। মৃগেন্দ্র সেই আশায় পথ চেয়ে রইলেন।

    সুযোগ একদিন মিলেও গেল।

    সেদিন মৃগেন্দ্র বেরিয়েছিলেন চাল-ডাল কিনতে। ইচ্ছে করেই দুপুরের দিকে বেরিয়েছিলেন যাতে রাস্তায় লোকজন কম থাকে। শটকাট করে জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন, দেখলেন একটি উনিশ-কুড়ি বছরের ফর্সা ধবধবে মেয়ে ছেলেদের মতো চুল কাটা, কটা চুল, পরনে ফুলপ্যান্ট, গায়ে শার্ট–একটা গাছের গুঁড়িতে ঠেসান দিয়ে বসে ছবি আঁকছে।

    এই তো একটা ক্ষুদে মেম! মৃগেন্দ্রর দু চোখ ঝিকিয়ে উঠল। তিনি খুব সন্তর্পণে মেয়েটির কাছে এসে দাঁড়ালেন। মেয়েটি তার দিকে চোখ তুলে তাকাল। মৃগেন্দ্র দেখলেন মেয়েটির কটা চোখে এতটুকু ভয় নেই। কেমন অবাক হয়ে দেখছে।

    -তুমি যোগী? মেয়েটি ভাঙা ভাঙা হিন্দিতে সশ্রদ্ধ গলায় জিজ্ঞেস করল।

    –হ্যাঁ, মেমসাহেব, আমি যোগী আছি।

    মেয়েটি তখনই উঠে দাঁড়িয়ে মৃগেন্দ্রকে অভিবাদন করল।

    –তুমি এখানে কি করছ?

    —আমি আর্টিস্ট। জঙ্গলের ছবি আঁকছি।

    কই দেখি।

    বলেই মৃগেন্দ্র ধপ করে মেয়েটির পাশে বসে পড়লেন। ভারি সুন্দর সেন্টের গন্ধ মেয়েটির গায়ে। একবার ভাবলেন, এখুনি গলাটা টিপে ধরেন। অতিকষ্টে লোভ সামলালেন। না না খুন-খারাপির কাজ এরকম খোলামেলা জায়গায় করা ঠিক হবে না। তিনি অর্ধেক-শেষ হওয়া ছবিটা হাতে তুলে নিলেন।

    বাঃ! চমৎকার হচ্ছে।

    প্রশংসা শুনে মেয়েটির দু চোখ চক্ করে উঠল।

    –আপনার একটা ছবি আঁকতে দেবেন?

    –আমার ছবি! মৃগেন্দ্ৰ হা-হা করে হেসে উঠলেন।

    –হ্যাঁ, আমার অনেক দিনের ইচ্ছে একজন ইন্ডিয়ান যোগীর ছবি আঁকি।

    –বেশ এঁকো।

    তা হলে দয়া করে বসুন। এক ঘণ্টার মধ্যে হয়ে যাবে।

    মৃগেন্দ্র বললেন–এখন পারব না। বাজার যাচ্ছি। তুমি বরঞ্চ কাল আমায় বাড়িতে এসো দুপুর দুটোর সময়ে। ঐ যে আমার বাড়ি-জঙ্গলমহল।

    মেম রাজি হলো। মৃগেন্দ্র হেসে বললেন–আসবে কিন্তু। ঠিক দুটোয়।

    নিশ্চয় যাব।

    –আমি তোমার জন্যে অপেক্ষা করে থাকব।

    .

    ঘটনাটা বলছিলেন Jungle View Hotel-এর মালিক সুন্দর শীল। বয়েস ষাট-পঁয়ষট্টি। গাঁট্টাগোট্টা চেহারা। মাথার তিন দিক ঘিরে টাক। খুব গল্প করতে পারেন।

    আমি এসেছিলাম জঙ্গলের মাপজোখ করার কাজে। শুনলাম জঙ্গল এখন আর তেমন নেই। থাকবে আর কি করে? গাছ কেটে কেটে সাফ করে দিচ্ছে।

    এখানে এসে যে এমন একটা হোটেল পাব ভাবতে পারিনি। বিরাট বাড়ি। বড়ো বড়ো ঘর। বোঝাই যায় সাবেক কালের বাড়ি। সারিয়ে-সুরিয়ে ভাড়া দেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    এত বড়ো হোটেল। কিন্তু প্রায় বেশির ভাগ ঘরই ফাঁকা। ছড়িয়ে-ছিটিয়ে চার-পাঁচ জন। আমি সরকারি কাজে এসেছি জেনে একটু বিশেষ খাতির করে যে ঘরটি দেওয়া হয়েছে সেটি একেবারে একটেরে–আলাদা। অ্যাটাচড় বাথ। দক্ষিণ খোলা। পশ্চিমের জানলা খুললেই দেখা যায় সেই বিরাট জঙ্গলটা। রাতের অন্ধকারে মনে হয় যেন কোনো অজানা রহস্য বুকে করে রুদ্ধ নিশ্বাসে কিছুর জন্যে অপেক্ষা করছে।

    ঘরটায় যে-সব আসবাবপত্র তার কোনোটাই হালফ্যাশানের নয়। দেখলেই বোঝা যায় সাহেবী আমলের–এমনকি বিরাট আয়নাটা পর্যন্ত।

    হোটেলের মালিক সুন্দরবাবু বারেবারেই খোঁজ নিচ্ছিলেন আমার কোনো অসুবিধে হচ্ছে কিনা।

    –অসুবিধে আর কি! আমি বলি, সন্ধ্যের পর থেকে একেবারে চুপচাপ একা। গল্প করার লোক নেই।

    সুন্দরবাবু বিনয়ে গলে গিয়ে বলেছিলেন–আপনাদের মতো মানুষের সঙ্গে গল্প করা কি সবার সাধ্যে কুলোয়?

    যাই হোক, সারাদিন জঙ্গলে জঙ্গলে ঘুরে বিভিন্ন গাছের নাম আর সংখ্যা ডায়েরিতে লিখে সন্ধ্যের ঢের আগেই হোটেলে ফিরে এসে নিজের ঘরটিতে কলাম। এখন হাতে কোনো কাজ নেই। তাই চুপচাপ ঘরটা দেখি। বড়ো বড় জানলা। কাচের শার্শি, নকশা কাটা মেঝে, উঁচু শিলিং। না জানি এ ঘরে কোন সাহেব বা কোন জমিদার বিলাসে ডুবে থাকত! এই যে। বিরাট আয়নাটা–এটাই কি কম পুরনো? এইসব ভাবতে ভাবতে রাত নটা বেজে যায়। হোটেলের ঠাকুরটি গরম গরম মাংস-ভাত দিয়ে গেল। সাড়ে নটার মধ্যেই খাওয়া শেষ।

    এরই মধ্যে চারিদিক থমস্থ করছে। জন-মানুষের সাড়া নেই। শুধু মাঝে মাঝে জঙ্গল থেকে ভেসে আসছে কি একটা পাখির অদ্ভুত ডাক। শুনলে গায়ের রক্ত হিম হয়ে যায়।

    দশটা বাজতেই আমি জানলা-দরজা বন্ধ করে মশারি খাঁটিয়ে শুয়ে পড়লাম। ভাবলামযা নির্জন জায়গা–মানে মানে কটা দিন কাটলে বাঁচি।

    সবে পাশ ফিরে শুয়েছি, দরজায় ঠুক চুক শব্দ।

    চমকে উঠলাম। জায়গাটা যেরকম তাতে গভীর রাতে যে কোনো ঘটনাই ঘটতে পারে। ভূতের আবির্ভাবও অসম্ভব নয়। ভাবতেই গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল।

    আবার কড়া নাড়ার শব্দ।

    কে?

    –স্যার, শুয়ে পড়েছেন নাকি?

    –না। যাই। বলে চটিতে পা গলিয়ে উঠে গিয়ে দরজা খুলে দিলাম।

    –এলাম একটু গল্প করতে।

    –আসুন ভালোই হলো।

    –আপনি তো দেখছি মশারি টাঙিয়ে

    –কি করব? মুখটি বুজে–তার ওপর যা মশা

    সুন্দরবাবু আমার বিছানায় পা তুলে বসে খোশগল্প শুরু করলেন। প্রথমে আমার ঘর-বাড়ির খোঁজখবর নিলেন–তারপর বমি করার মতো হড়হড় করে নিজের কীর্তিকলাপের একঘেয়ে ফিরিস্তি দিয়ে গেলেন; শেষে আমি যখন এই বাড়িটার কথা জানতে চাইলাম তখনই শুরু হলো আসল গল্প।

    তিনি যখন জাঁকিয়ে বসে এ বাড়ির কথা শুরু করতে যাচ্ছেন, আমি তখন তাড়াতাড়ি বললাম–ভূতের ব্যাপার-ট্যাপার নয় তো?

    উনি হা-হা করে হেসে উঠলেন।

    –আপনার বুঝি ভূতের ভয় খুব?

    আমি লজ্জিত হয়ে বললাম–তা নয়, এ জায়গাটাই এমন যে গা ছমছ করে।

    উনি অভয় দিয়ে বললেন না, মেটেই ভূতের গল্প নয়। তা ছাড়া এখানে কেউ কোনোদিন ও জিনিসটি দেখেনি।

    এই বলে উনি এ বাড়ির ইতিহাস শুরু করলেন। বাড়িটায় শেষ পর্যন্ত যিনি ছিলেন তিনি হলেন এক পাগলা জমিদার। পাগল অবশ্য হয়ে গিয়েছিলেন যেদিন একদল মাতাল ইংরেজ হঠাৎ তার বাড়ি আক্রমণ করে বাড়ির দুজনকে গুলি করে মেরে টাকাপয়সা লুঠ করে পালিয়েছিল। তারপর থেকেই শুরু হয় প্রতিহিংসা নেওয়া। একটির পর একটি করে পাঁচজন সাহেব মেরে তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়েছিলেন। বহুকাল পর সন্ন্যাসী হয়ে ফেরেন, ভেবেছিলেন মনের পরিবর্তন হয়েছে। আর রক্তপাতে রুচি নেই। কিন্তু

    .

    বেলা দুটোয় মেমটির আসবার কথা ছবি আঁকতে। মৃগেন্দ্রনারায়ণ তাঁর ঘরে অপেক্ষা করছেন। কি ভাবে খুন করবেন সে পরিকল্পনাও হয়ে গেছে। কোনো হাঙ্গামা নয়, শুধু একটুকরো কাতার দড়িতেই নিঃশব্দে কাজ শেষ হয়ে যাবে। টু শব্দটি পর্যন্ত হবে না।

    তারপর অবশ্য আর একটা কাজ থাকবে–লাশ সরানো। সেটা কিছু কঠিন ব্যাপার নয়। বাড়ির পিছনে অঢেল পোড়ো জমি। কোদালও আছে একটা। এ বয়েসেও গায়ে যথেষ্ট শক্তি। সন্ধ্যের অন্ধকারে মাটি কুপিয়ে মেয়েটাকে পুঁতে ফেলবেন। ব্যস্! কারও সাধ্য নেই ধরে।

    দেওয়ালে গির্জের মতো সাবেকি ঘড়িতে দেড়টা বাজল। মৃগেন্দ্রনারায়ণ ভেতরে ভেতরে উত্তেজিত। খুন করার জন্যে আর ধৈর্য ধরে থাকতে পারছেন না। হাতে কাতার দড়ির ফাঁস তৈরি। ঘরে ঢুকলেই–

    পৌনে দুটো। রাস্তার দিকের জানলাটা একটু ফাঁক করে দেখতে লাগলেন।

    কই? এখনও তো আসছে না? আসবে তো শেষ পর্যন্ত?

    ওঁর খুব জলতেষ্টা পেল। চৌকির নিচ থেকে কুঁজো টেনে নিয়ে ঢকঢক করে এক গেলাস জল খেয়ে নিলেন। তাঁর কাঁচা-পাকা দাড়ি বেয়ে খানিকটা জল গড়িয়ে পড়ল। উঠে দাঁড়িয়ে হাতের উল্টো পিঠ দিয়ে মুখটা মুছলেন। ঘড়িতে টং টং করে দুটো বাজল। আর ঠিক তখনই দরজায় মৃদু কড়া নাড়ার শব্দ।

    মৃগেন্দ্রনারায়ণের দু চোখ হিংস্র বাঘের চোখের মতো জ্বলজ্বল করে উঠল।

    যাক, এসেছে তা হলে। মেয়েটা তো খুব পাচুয়াল। হাজার হোক সাহেব-বাচ্চা তো!

    মৃগেন্দ্রনারায়ণ সন্তর্পণে দরজা খুলতে এগিয়ে গেলেন।

    .

    ঘটনাটা শেষ করে সুন্দর শীলমশাই জোরে কয়েকবার হুঁকোয় টান দিলেন।

    –এই হলো এ বাড়ির এক সময়ের মালিক, প্রাক্তন জমিদার–পাগল মৃগেন্দ্রনারায়ণের কাহিনী।

    অনেকক্ষণ চুপ করে আছি দেখে শীলমশাই নিস্তব্ধতা ভাঙলেন।–কিছু বলছেন না যে?

    –কি আর বলব? লোকটা ধরা পড়ল?

    –সেও একটা ব্যাপার। পুলিশ মোটেই সন্দেহ করেনি মৃগেন্দ্রনারায়ণকে। কিন্তু মেয়েটির জুতোের ছাপ দেখে বুঝেছিল যে কোনো কারণেই হোক মেয়েটি এই বাড়িতে ঢুকেছিল। পুলিশও ঢুকল। দেখল সব ঘরই বন্ধ ব্যবহার করা হয় না। শুধু একটি ঘরে বিছানা পাতা। পুলিশ তালা ভেঙে সেই ঘরে ঢুকল। হত্যার কোনো চিহ্নই নেই। হতাশ হয়ে পুলিশ ফিরে আসছিল–ইনস্পেক্টর নিশ্বাস টেনে বললেন–ভারি সুন্দর সেন্টের গন্ধ তো ঘরে! সাধুবাবা সেন্টটেন্ট মাখতেন নাকি?

    তখনই খটকা বাধল। মৃত মেয়ের মাকে এই ঘরে আনা হলো। তিনি বললেন, এই সেন্টটাই আমার মেয়ে মাখত।

    তখনই পুলিশ বুঝল, মেয়েটি এই ঘরে এসেছিল। তারপর আর সে ফিরে যায়নি। কিন্তু–সাধুবাবা কোথায়?

    তাকে আর খুঁজতে হলো না। তিনি তখন থানায় গিয়ে নিজেই ধরা দিয়েছেন।

    ধরা দিয়েছেন? আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম।

    হ্যাঁ, বড় দেরিতে মৃপেন্দ্র জানতে পেরেছিলেন মেয়েটি মোটেই ইংরেজ নয়, একেবারেই ইন্ডিয়ান। পাঞ্জাবী মেয়ে। এখানকার এক অফিসারের কন্যা। সেই অনুতাপে ধরা দিলেন মৃগেন্দ্রনারায়ণ। তারপর সব ঘটনা বলে গেলেন–যাকে বলে স্বীকারোক্তি।

    এই পর্যন্ত বলে সুন্দর শীল থামলেন। আমিও চুপ করে রইলাম।

    একটু পরে সুন্দরবাবু হেসে বললেন–ঘটনাটা বোধ হয় আপনার মনঃপূত হলো না। কি করা যাবে–সত্যি ঘটনা তো তাই রঙচঙ নেই। একটু থেমে বললেন–আর যাই হোক, এর মধ্যে ভূত-প্রেত অলৌকিকতার বালাই নেই। তাই না?

    –তা বটে। কিন্তু কিন্তু ঘটনাটা অবিশ্বাস্য।

    –কেন? সুন্দরবাবুর হৃদুটো লাফিয়ে উঠল।

    –কেননা আপনি এমন অনেক কথা বললেন যা কারও জানার কথা নয়।

    –যেমন?

    –যেমন নিজের ঘরের মধ্যে যখন মৃগেন্দ্র মেয়েটির জন্যে অপেক্ষা করছে তখন তার মনের ভাব–জল খাওয়া–জানলা দিয়ে দেখা–এসব কি কেউ স্বচক্ষে দেখেছে?

    –আরে মশাই, এসব তো মৃগেন্দ্র নিজেই পুলিশের কাছে বলেছেন। তার পর তো বুঝতেই পারছেন–লোকমুখে মুখে ছড়িয়েছে।

    আমি হেসে বললাম–ঘটনাটা যা শুনলাম সে তো বোধহয় ১৯৪৮-৪৯ সালের কথা। অর্থাৎ আজ থেকে পঁয়তাল্লিশ বছর আগের ব্যাপার। এত কাল ধরে যা জনশ্রুতি তাতে অনেক রঙ চড়েছে। কাজেই আমি বিশ্বাস করি না।

    সুন্দর শীল একটু বিরক্ত হয়ে বললেন–তা আপনি বিশ্বাস করুন আর নাই করুন তাতে কিছু এসে যায় না।

    এই বলে শীলমশাই হুঁকো হাতে উঠে পড়লেন।

    ভদ্রতা করে ওঁকে সিঁড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দিলাম। ওঁর রাগ ভাঙাবার জন্যে হেসে বললাম যাক, তবু ভূতের গল্প শোনাননি এর জন্যে ধন্যবাদ। সত্যি কথা বলছি শীলমশাই, ভূতের গল্প শুনলে এ বাড়িতে একা রাত কাটাতে পারতাম না।

    শীলমশাই উত্তর দিলেন না। চটির শব্দ করতে করতে নিচে নেমে গেলেন।

    .

    রাত গভীর। কোথাও এতটুকু শব্দ নেই। মাথার ওপর শুধু পুরনো ফ্যানটা একটা বিশ্রী শব্দ করে ঘুরছে।

    শীলবাবুর মুখে ঘটনাটা শুনে বিশ্বাস না করলেও অনেক রাত পর্যন্ত ঘুমোতে পারিনি। কেবলই সেই অচেনা না-দেখা মেয়েটির কাল্পনিক মুখ চোখের সামনে ভাসছিল। কিছুতেই মন থেকে ঘটনাটা দূর করতে পারছিলাম না।

    আচ্ছা জ্বালাতন! যত গাঁজাখুরি গল্প শুনে এ তো হলো ভালো!

    মনে মনে গজগজ করতে করতে পাশ ফিরে শুলাম আর ঠিক তখনই দরজায় শব্দ হলো খুটখুট। কেউ যেন খুব আস্তে কড়া নাড়ছে।

    ধড়মড় করে উঠে বসলাম। এত রাত্রে আবার কে এল? শীলমশাই নাকি?

    না, আর শব্দ নেই। শোনার ভুল মনে করে শুতে যাচ্ছি–আবার সেই শব্দ খুটখুটখুট

    –কে?–একটা বিশ্রী খ্যাসূখেসে স্বর গলা থেকে বেরিয়ে এল।

    নিশ্চয় শীলমশাই নয়, তাহলে সাড়া দিতেন।

    অগত্যা উঠতে হলো। দেওয়াল হাতড়ে সুইচ অন করলাম। ভোলটেজ ডাউন। কোনোরকমে একটুখানি আলো জ্বলল। এগিয়ে গেলাম দরজার দিকে। খিল খুললাম। কি একটা অজানা ভয়ে বুকের মধ্যে হৃৎপিণ্ডটা লাফাচ্ছে।

    দরজাটা খুলে দিলাম। কেউ কোথাও নেই। শুধু অন্ধকারে ঢাকা সিঁড়িটা থমথম করছে।

    আমার সর্বাঙ্গে কাটা দিয়ে উঠল। শব্দটা তো আমি নিজে কানে শুনেছি। একবার নয়, তিন তিন বার। তা হলে?

    তাড়াতাড়ি দরজাটা বন্ধ করে ঘরে এসে ঢুকলাম। আর সঙ্গে সঙ্গে চমকে উঠলাম–সেন্টের গন্ধ। সারা ঘরে সেন্টের গন্ধ ভুরভুর করছে। মনে হলো এই মুহূর্তে দরজা দিয়ে কেউ সেন্ট মেখে ঘরে ঢুকেছে। ঢুকে এই ঘরেই ঘুরে বেড়াচ্ছে।

    আমি মশারির মধ্যে দুই হাঁটুর মধ্যে মুখ গুঁজে কাঠ হয়ে বসে রইলাম।

    বসেই রইলাম সকাল হওয়া পর্যন্ত যতক্ষণ সেন্টের গন্ধটা ঘরের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছিল।

    চমক ভাঙল দরজায় কড়া নাড়ার শব্দে। উঠে দরজা খুলে দিলাম।

    দেখি হাসিমুখে শীলমশাই দাঁড়িয়ে।

    –কি ব্যাপার! এত বেলা পর্যন্ত বিছানায়! ঘুম হয়েছিল তো?

    সংক্ষিপ্ত উত্তর দিলাম হ্যাঁ।

    কিন্তু সেইদিনই আমি জঙ্গলমহল ছেড়ে ফিরে এসেছিলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভৌতিক অমনিবাস ২ – মানবেন্দ্র পাল
    Next Article অশরীরী আতঙ্ক – মানবেন্দ্র পাল

    Related Articles

    মানবেন্দ্র পাল

    অশরীরী আতঙ্ক – মানবেন্দ্র পাল

    November 13, 2025
    মানবেন্দ্র পাল

    ভৌতিক অমনিবাস ২ – মানবেন্দ্র পাল

    November 13, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }