Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভৌতিক অমনিবাস – মানবেন্দ্র পাল

    মানবেন্দ্র পাল এক পাতা গল্প996 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    খুনী

    চর আলেকজান্দ্রার সোনাভাঙা গ্রামের ঘাটে এখনো নৌকার ভিড়। কত নৌকা আসছে, যাচ্ছে : বালাম, সাম্পান, কিছু সোরঙ্গ-ও। চালের মরসুম এখনো সরগরম। অথচ এদিকে চৈত্রের শেষাশেষি। গাঁয়ের পশ্চিমে নারকেল-বন পেরিয়ে দিগন্ত বিস্তৃত খোলা প্রান্তরের ধারে গিয়ে দাঁড়ালে দেখা যাবে : উদ্দাম হাওয়ায় সে-প্রান্তরময় ধুলো উড়ছে। পেছনে নারকেল-বনে অশান্ত মর্মরধ্বনি, আর সামনের জনশূন্য প্রান্তরে কেবল ধুলো উড়ছে আর উড়ছে, কখনো ঘূর্ণি হয়ে ঊর্ধ্বে উঠে, কখনো আকাশের বুক থেকে তির্যক গতিতে নিচে নেবে আসে, আবার কখনো মাটি ছুঁয়ে তীরবেগে দূরান্তে মিলিয়ে গিয়ে। আর, যে-পথটা গ্রাম থেকে বেরিয়ে কিছু এঁকেবেঁকে সোজা পশ্চিমে চলে গেছে, সে পথ স্থানে স্থানে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে সে-ধুলোর মধ্যে : যেন শূন্যে মিলিয়ে গেছে উদ্দাম হাওয়ার তীব্র মায়ায়।

    এমনি এক সময়ে এক ভরা দিনে রোদ খরখর করছে, তার মধ্যে ফজু মিঞাদের বাড়ির ও মৌলবীদের বাড়ির দু ছেলের মধ্যে কী একটা সামান্য বিষয় নিয়ে হঠাৎ খুনোখুনি হয়ে গেল; ফজু মিঞাদের ছেলের প্রাণ গেল, আর মৌলবীদের ছেলে তারপর সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল, সোনাভাঙা গ্রামের কেউ আর তার কোনো সন্ধান পেল না। চর অঞ্চলে খুনোখুনি লেগে-ই থাকে, তাই চরবাসীদের জন্যে এটা এমন নতুন কিছু নয়। এবং মাস কাটতেই তারা প্রায় ভুলে গেল সে-কথা।

    .

    উত্তরবঙ্গের কোনো এক মহকুমা শহর। আবেদ মিঞার দর্জির দোকানটা ফৌজদারি আদালতের পাশে এক বিরাট পঞ্চবটি গাছের তলে। ওধারে ট্রেজারি। কাঁটাতারের বেড়ার দু কোণে উজ্জ্বল আলো; সে-আলোর খানিকটা এসে পড়ে তার দোকানের সামনে। কেউ-বা কখনো ভুল করে, বা পথ সংক্ষিপ্ত করবার জন্যে ট্রেজারির সামনে দিয়ে যেতে-ই পাহারাদার তীক্ষ্ণ ও কর্কশ গলায় হেঁকে ওঠে, তাছাড়া এ-স্থান ভরে প্রগাঢ় অবিচ্ছেদ্য নীরবতা। সারাটা দিন ভরে এ-স্থান জনতার কোলাহলে তীব্রভাবে মুখর হয়ে থাকে বলে সন্ধ্যার পর এ-নির্জনতার নীরবতা অত্যন্ত জমাট মনে হয়, আর পাথরের মতো ভারি ঠেকে যেন। এবং পঞ্চবটির তলে ঘাসশূন্য পরিষ্কার স্থানে থেকে-থেকে যে-শুকনো ঝরা পাতা দমকা হাওয়ায় মর্মরিয়ে ওঠে, সে-মর্মরকে মনে হয় দিনের কোলাহলের আবছা, অস্পষ্ট স্মৃতির মতো।

    আবেদ দর্জি বৃদ্ধ। তার সেলাইয়ের কলটিও ঝুনো, চলতে গিয়ে সেটা আওয়াজ করে বেশি, আর কেমন থরথরিয়ে কাঁপে। অনেকক্ষণ তার ওপর হাত রেখে কাজ করলে হাতে ঝিঁঝি ধরে যায়, মনে হয় সেখানে-ও কল চলছে।

    সে-কলটা এখন নীরব। নাকে চশমা দিয়ে ওপরে টাঙানো লণ্ঠনের আলোয় আবেদ রিফু করছে। সহকারী দর্জি দু-জন সন্ধ্যার পরেই বাড়ি চলে গেছে। এক সময়ে হাতের কাজ নাবিয়ে সে বিড়ি ধরাল, তারপর চশমার ফাঁক দিয়ে ওধারে তাকিয়ে দেখলে যে সিধু ময়রার দোকান এখনো খোলা, আর তার পাশে টিউবওয়েলে পানি তোলার ঘসঘস আওয়াজ হচ্ছে। সে চোখ নাবালে। তারপর দমকা হাওয়ায় হঠাৎ সামনের পাতা মর্মরিয়ে উঠল শুনে আবার সে চোখ তুলল, তুলে সামনের পানে তাকাল। ট্রেজারির আলো : শুকনো পাতা নড়ছে : আর ওদিকে কিছু-ভাঙা টুলটা। কিন্তু সে-টুলে কে যেন বসে রয়েছে না?

    কয়েক মুহূর্ত চেয়ে-চেয়ে দেখল আবেদ, তারপর শুধাল,

    —কেডা বাহে?

    কোনো উত্তর এল না। ওদিকে চেয়ে লোকটি মূর্তির মতো নিশ্চল।

    আবেদ আবার ডাকলে, এবারো কোনো সাড়া এল না। এবং তাই একটা অদম্য কৌতূহল জাগল দর্জির মনে। সে দ্রুতভঙ্গিতে উঠে পড়ল, উঠে হুক থেকে লণ্ঠনটা নাবিয়ে খড়ম পায়ে দিলে, তারপর টুলটির কাছে গিয়ে লোকটার মুখের সামনে আলো তুলে ধরল। দেখল, অপরিচিত এক লোক, বয়স বেশি নয়। তার চুল উষ্কখুষ্ক, পরনের জামা ময়লা ও ছেঁড়া; দেহে প্রাণহীনতার স্তব্ধতা, আর চোখে শূন্যতার বীভৎসতা।

    —কেডা তুমি?

    লোকটি এবার চোখ ফিরিয়ে তাকাল তার পানে, কিন্তু তার চোখের সে-বীভৎসতা চোখে ঠেকাল বলে দর্জি চোখ সরিয়ে নিল, কিন্তু সঙ্গে-সঙ্গে দৃঢ় গলায় বললে,

    —তুমি কেমন কাগো, কথা কও না ক্যা?

    অল্পক্ষণ লোকটি নিষ্পলক দৃষ্টিতে চেয়ে রইল দর্জির পানে, এবং দেখলে এক বৃদ্ধ যার মুখে সাদা দাড়ি, মাথায় আধা ময়লা কিস্তি টুপি, আর মুখের নিচের চামড়া ঝুলে পড়েছে। এবং হাতে তার লণ্ঠন, ‘ পেছনে অন্ধকার। যেন অন্ধকার থেকে বৃদ্ধ হঠাৎ উঠে এসেছে, এবং এসেছে নির্ভরশীল নিঃসঙ্গতায়। এধারে কেউ নেই, আর তার ম্লান চোখে কৌতূহল থাকলেও তাতে সন্দেহ নেই, হিংস্রতা—ও নেই। সে কি এমনি অন্ধকারাচ্ছন্ন নির্জনতায় এমনি একটি লোককে-ই খুঁজছিল না, যার কাছে মনের বোঝা নাবিয়ে হালকা হতে পারে, তারপর বাঁচতে পারে মনের সে-দুরারোগ্য ক্ষত থেকে, যে ক্ষত তাকে দিনের পর দিন অসহ্য যন্ত্রণা দিচ্ছে, আর স্থান হতে স্থানান্তরে কেবল তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে?

    হঠাৎ লোকটি উঠে দাঁড়াল। তারপর অস্পষ্টপ্রায় কণ্ঠে দ্রুতভাবে বললে,

    —আঁর নাম রাজ্জাক। আঁই আলেকজন্ডর চরের সোনাভাঙা গেরামের মৌলবীর বাড়ির ফোলা। চৈত্ মাসে একদিন দুফর ওক্তে ফজুমিঞা’গর বাড়ির ফইন্যার মাথা ফাডাইলাম, ফাডাই জানের ডরে দেশ ছাড়ি ফলাইলাম। তারপর তুন—এই বলে হঠাৎ সে কী একটা নিদারুণ ভয়ে থেমে গেল, তার চোখ দুর্জয় ভয় ও শংকায় কেমন হয়ে উঠল; তারপর তার দেহ দুর্বল হয়ে উঠে এক সময়ে সে ঝুপ্ করে পড়ে গেল দর্জির পায়ের কাছে।

    এখানে মাটি : এখানে ভয় নেই; বরঞ্চ এখানে মিশে গেলে দেহে গলগলিয়ে শান্তি আসবে, এবং সে-দুরারোগ্য ক্ষত ভেসে যাবে তাতে। কিন্তু তবু রাজ্জাক মাথাটাকে টেনে নিয়ে বুড়োর পায়ের ওপর রাখলে, আর দু-হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরলে তার দু-পা। যাকে সে একবার ক্ষতের কথা বলেছে, তাকে আর ছাড়া যায় না। তারপর তার সারা অন্তর আকুল হয়ে উঠল কাঁদবার জন্যে, কিন্তু আশ্চর্য, কান্না এল না। সারা অন্তরে ঝড় উঠল কান্নার, কিন্তু চোখে অশ্রু ছুটল না, সে-চোখ শুষ্কই রইল : এবং সে-শুষ্কতা থেকে তার দেহ ক্রমে-ক্রমে কাঠের মতো হয়ে উঠল। তারপর কাঠ হয়ে ওঠা শক্ত দেহ হতে মন হঠাৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল, শূন্যতায় ভেসে গেল শূন্য হয়ে, যে-শূন্যতায় কোনো কথা নেই। শূন্যতার শেষে সে দেখলে সোনাভাঙা, যে-সোনাভাঙায় আর কোনো শংকা নেই; তার ঘাটে বালাম ও সাম্পান নৌকা নিরুপদ্রব শান্তিতে বাঁধা, কেবল নারকেল-বনের পেছনে সে-প্রান্তরে ধুলো উড়ছে। ধনু গাইকে-ও দেখল। গাইয়ের চোখে স্নেহ, এবং স্নেহের শান্তিতে সে বাছুরের গা চাছে।

    দর্জি স্তম্ভিত। লোকটি শুধু পায়ে মুখ গুঁজে রয় নি, জিহ্বা দিয়ে তার পা-ও চাছে। ভীত হয়ে সে তার পা দুটো ছাড়াতে চাইল, কিন্তু লোকটার বাহুবদ্ধ সে-পা ছাড়াতে পারল না। পাশে চেয়ে দেখল যে, সিধু ও তার দোকানের ছোকরা-টা পাশে এসে দাঁড়িয়েছে।

    কেডা—দর্জি মিঞা?

    দর্জি সঙ্গে-সঙ্গে উত্তর দিলে না। কিন্তু তারপর বললে,

    —মোর ছেইলা।

    সিধু ময়রা প্রথমে বিস্মিত হল, তারপর মনে পড়ল, প্রায় এক যুগ আগে দর্জির বার বছরের এক ছেলে হঠাৎ একদিন নিরুদ্দেশ হয়ে যায়, এবং তারপর থেকে তার আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায় নি।

    বুড়োর ছেলে এতকাল পরে ফিরেছে—আনন্দের কথা। সে-সম্পর্কে সিধু দুয়েক কথা বলছিল, এমন সময় লোকটি হঠাৎ উঠে বসল, উঠে তীব্র সন্দেহে তাকাল ময়রার পানে, এবং দর্জি লক্ষ করলে যে আবার তার চোখ দুর্জয় শংকায় কেমন হয়ে উঠছে। সিধু তাকে চেয়ে-চেয়ে দেখছিল, হঠাৎ শুধাল,

    —ওর নাম কী মিঞা?

    —মোমেন।

    রাজ্জাক প্রথমে কিছু বললে না, তারপর এধার-ওধার চেয়ে দেখলে, মনে হল, এখানে রাজ্জাক নামে কেউ নেই।

    .

    আবেদ দর্জির বাড়িতে রাজ্জাক আশ্রয় পেল। তবে রাজ্জাক নামে নয়, মোমেন। নামে বাড়ির লোক ছাড়া সবাই প্রথমে জানলে যে এক যুগ আগে পালিয়ে যাওয়া দর্জির ছেলেটি আবার ফিরে এসেছে। কিন্তু সত্যটা সূর্যালোকের মতো স্বচ্ছ বলে তা মিথ্যায় ঢাকা গেল না, একে-একে সবাই জেনে ফেললে : ছড়ানো কথা সত্য নয়, এ-ছেলে আসলে মোমেন নয়; তবে পরকে ঘরে ডেকে আপন ছেলে বলে প্রচার করার মিথ্যায় লোকে অন্যায় কিছু দেখলে না, বরঞ্চ দর্জির প্রতি শ্রদ্ধায় তাদের অন্তর ভরে গেল।

    কিন্তু সে যে খুনী—এ কথা দর্জি তার বিবিকে পর্যন্ত বললে না।

    দর্জির বিবি ক-দিন রাজ্জাকের সামনে পর্দা করল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখলে যে, ছেলেটি শান্ত, ধীর ও স্বল্পভাষী স্বভাবের; আর তাছাড়া, ছেলে নয় জেনে-ও যাকে আপন ছেলের নামে ঘরে ডেকে আনা হয়েছে, তার সামনে পর্দা করা চলে না বলে তারপর থেকে তাকে দেখা দিতে লাগল।

    রাজ্জাক আবেদ দর্জির কাছে সেলাই শিখতে লাগল। চর আলেকজান্দ্রা ত্যাগ করার পর থেকে যে-ভীতি তার অন্তর ক্ষত-বিক্ষত করছিল, সে-ভীতি থেকে অনেকটা মুক্তি পেয়ে শীঘ্র সুস্থ হয়ে উঠল বটে, কিন্তু তার পূর্বের চরিত্র আর ফিরে এল না : সে যেন আবার নবজীবন লাভ করল, ভিন্ন দেশে এক নতুন পরিবারের মধ্যে সে সম্পূর্ণ নতুন মানুষ হয়ে রইল, কেবল দূর আলেকজান্দ্রার স্মৃতি অতি অস্পষ্টভাবে রয়ে গেল মনের দূর প্রান্তে।

    .

    এখন চৈত্র মাস!

    রাজ্জাক মাথা নিচু করে এক মনে কাজ করছিল। ওধারে কাছারি-প্রাঙ্গণ ভরে লোক; তাদের কোলাহল কখনো মনের অস্পষ্টতায় অস্পষ্ট হয়ে ওঠে।

    একসময়ে সে হঠাৎ চোখ তুলে ওধারে তাকাল। আদালতের সামনে নদী; সে-নদীর এক অংশ নজরে পড়ে দোকান থেকে। এধারে উঁচু খাড়া পাড়, কিন্তু ওপারে বিস্তৃত বালুর চর ধু-ধু করে, চিকচিক করে সূর্যালোকে। সে চরের পানে তাকিয়ে সে দেখলে, সেখানে হাওয়ায় ধুলো উড়ছে, দেখে তার মন হঠাৎ ছুটতে শুরু করলে। যে-মন বহুদিন ধরে স্তব্ধ হয়ে ছিল, অদ্ভুতভাবে স্থবির হয়ে ছিল, সে-মন আজ হঠাৎ আবার দিশেহারা হয়ে ছুটতে লাগল, এবং ছুটতে ছুটতে এক স্থানে বালির বাঁধে আছড়ে পড়ল : এবং গভীর নীল পানির জন্যে মন তৃষ্ণায় আকুল হয়ে উঠলেও সে-বাঁধের ওধারে যেতে পারল না। শুষ্ক বালুর চরে স্নেহমমতা নেই।

    দর্জি আর তার বিবি তাকে ভালোবাসে, কিন্তু সে-ভালোবাসা তার অন্তর স্পর্শ করে নি, যদিও স্তব্ধ-স্থবির মন সে-সম্বন্ধে নিস্পৃহভাবে সজ্ঞান। কিন্তু আজ ওপারে বালুর চরে ধুলো উড়তে দেখে হঠাৎ চর আলেকজান্দ্রার কথা মনে হল, এবং সে আকস্মিকভাবে অনুভব করল যে, দূরে কোথাও স্নেহমমতার জোয়ার বইছে, কিন্তু এখানে কেবল কালো মাটি, যে-কালো মাটির বুকে বাস করছে এক নকল রাজ্জাক এবং বাস করছে সম্পূর্ণ নিঃসঙ্গ হয়ে, আর তার মন আবদ্ধ হয়ে রয়েছে অর্থহীন স্থবিরতায়।

    তারপর থেকে অদ্ভুত শূন্যতা তাকে পেয়ে বসল, এবং থেকে-থেকে কালো মাটির দুঃসহ পেষণ অনুভব করতে লাগল। এমন সময়ে হঠাৎ সামান্য এক ঘটনা ঘটল। সামান্য বটে সে-ঘটনা, কিন্তু সে-ঘটনা থেকে তার অন্তরে প্রাণের জোয়ার এল, হঠাৎ মনের সে-শূন্যতা কাটল।

    জরিনা বিবির সঙ্গে কখনো তার কথা হয় নি; তাকে ভালো করে কোনোদিন চেয়ে-ও দেখে নি। কেবল জানে যে, সে বিধবা, এবং তার স্বামী ছিল আবেদ দর্জির বড় ছেলে, যে মারা গেছে আজ দু-বছর হল। তাছাড়া, দর্জির বিবি যে তাকে অত্যন্ত স্নেহ করে, সে-কথাও কখনো-কখনো অনুভব করেছে।

    সে-দিন দোকানে যাবার আগে বাড়ির ভেতর কুয়োটার ধারে রাজ্জাক জামা কাচছে, এমন সময় দক্ষিণ ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে জরিনা তাকে ডাকলে, ডেকে বললে,

    —একটা কথা আছে—এখান হয়া যাইয়ো ভাই।

    কাপড় কাচা সাঙ্গ করে সে দক্ষিণ ঘরে গেল। ঘরের কোণে বড় জালার মুখে উবু হয়ে জরিনা কী যেন করছিল, সাড়া পেয়ে সরে এসে বিছানা থেকে একটা সাদা কাপড়ের টুকরো তুলে তার হাতে এনে দিলে। বললে,

    —ওটা দিয়ে একটা জামা বানায়া দেও।

    রাজ্জাক নীরবে কাপড়টি পরীক্ষা করে দেখলে, তারপর বললে,

    —মাপ? একটু থেমে আবার বললে, আপনার একটা জামা দেন।

    জরিনা হঠাৎ হেসে উঠল চাপা গলায়, এবং হাসির ফাঁকে-ই বললে,

    —মাপ ছাড়া জামা হয় না—এই বুঝি খইফ্যগিরি?

    কিন্তু তক্ষুনি সে গম্ভীর হয়ে উঠল, তারপর কেমন গলায় শুধাল,

    —গোস্বা করল্যা ভাই? কিন্তু আমার যে জামা নেই

    রাজ্জাক একবার চোখ তুলে তাকাল তার পানে। ওর দৃষ্টিটা যেন কেমন। কিন্তু চোখ নাবিয়ে কাপড়ের টুকরোটা ভাঁজ করে আস্তে বেরিয়ে এল ঘর থেকে।

    তৈরি জামা যে-দিন তাকে দিলে, সে-দিন সে জরিনাকে আরো ভালো করে চেয়ে দেখল। দেখল, ওর মুখটা কেমন চপলতায় টলমল, দেখে তার অন্তরে কী যেন টলমল করে উঠল।

    হঠাৎ জরিনা শংকিত হয়ে উঠল, রুদ্ধনিশ্বাসে প্রশ্ন করলে,

    —এটি বাপজান কি দেখেছে ভাই?

    হ্যাঁ, দেখেছে বৈকি। এবং এ-সম্বন্ধে আবেদ দর্জি তাকে প্রশ্নও করেছিল। সে ক্ষীণ গলায় উত্তর দিলে,

    —হ্যাঁ

    কিন্তু তার বুকের ভেতরটা অনুশোচনায় কেমন করে উঠল।

    চৈত্র শেষ হলে গেল, বৈশাখ এল, কালবোশেখি ঝড় শুরু হল। এবং রাজ্জাকের মনে যে-ঝড় শুরু হল, সে-ঝড়ের উদ্দামতা কালবোশেখির চেয়ে কম নয়। কখনো সে তাকিয়ে দেখে, তীব্র হাওয়ায় গাছের পাতা ছিন্ন হয়ে উড়ে গেল, মিলিয়ে গেল কোথায়, দেখে তারও মনে প্রবল বাসনা জাগে—কাকে ঠিক এমনিভাবে ছিন্ন করে নিয়ে আসে নিজের কাছে, তারপর ভেসে পড়ে দু-জনে। চৈত্র মাসে একদিন নদীর ওপারে বালুর চরে ধুলো উড়তে দেখে হঠাৎ তার মনে পড়েছিল চর আলেকজান্দ্রার কথা, এবং তার মন নিষ্করুণ শুষ্কতার মধ্যে জেগে উঠে দিশাহারা হয়ে ছুটতে ছুটতে বালির বাঁধে আছড়ে পড়েছিল, আর আকুল হয়ে উঠেছিল গভীর নীল পানির তৃষ্ণায়। কিন্তু আজ বালির বাঁধ যেন ভেঙে গেছে সে-নীল পানিরই বন্যায়। সে-নীল পানি বয়ে যাচ্ছে তার অন্তরের ওপর দিয়ে, অথচ এখনো তৃষ্ণা মেটে নি। সে-তৃষ্ণা মেটাতে হবে।

    অবশেষে ঠিক করলে, কাউকে দিয়ে দর্জির বিবির কাছে কথা পাড়াতে হবে, যে, সে জরিনাকে বিয়ে করতে চায়। এই তো তার বাড়ি, তার ঘর : তবু এতে তার মন ভরছে না, জীবন পূর্ণাঙ্গ ঠেকছে না

    কিন্তু কথাটি পাড়াবার আগে-ই একটা চিন্তা তাকে ভাবিয়ে তুললে। বারে বারে সে ভাবলে, তবু মীমাংসায় পৌছতে পারলে না। সে খুনী : তার কি বিয়ে করবার অধিকার আছে?

    সেদিন দোকানের ঝাঁপ যখন দিলে, তখন বেশ রাত। সহকারী দর্জিরা অন্যপথে বাড়ি চলে গেল; আবেদ ও রাজ্জাক ফিরে চলল নদীর ধার দিয়ে। আগে আবেদ, পেছনে লণ্ঠন হাতে রাজ্জাক। মফস্বল শহর এর মধ্যে একেবারে নিস্তব্ধ হয়ে গেছে, এবং সে-নিস্তব্ধতার মধ্যে রাজ্জাকের সারা অন্তর একটি বেদনার্ত প্রশ্নে দোলায়িত। আজ সে স্পষ্টভাবে জানতে চাইছে : খোদা তার গুনা কখনো মাপ করবেন কি না। নিজের অন্তরে এ-প্রশ্নের উত্তর যখন মিলল না, তখন একবার ভাবলে বৃদ্ধ দর্জির কাছে জিজ্ঞেস করবে, কিন্তু দর্জির নীরবতায় এমন কাঠিন্য যে আওয়াজ করতে সাহস হল না।

    নদীর পাড়টি খাড়া; বর্ষায় সেটি ভাঙে। একস্থানে নিচে ক-টা নৌকা বাঁধা, এবং তারই একটির মধ্যে থেকে একতারার আওয়াজ ভেসে আসছে। কিছু স্বপ্নের মতো কিছু রহস্যের মতো সে-আওয়াজ ঠেকল রাজ্জাকের কানে, এবং তারই মধ্যে হঠাৎ মনটা দূরে আবছা হয়ে গেল বলে একসময়ে সে কাশল, তারপর আস্তে বললে,

    —বাপজান, একটি কথা।

    দর্জি কোনো কথা কইল না, কেবল মুখটা একটু ফেরাল।

    কিন্তু রাজ্জাক বলে-ও বলতে পারলে না কথাটা। এবং বলতে পারল না এই ভয়ে যে : যদি উত্তর আসে, তার গুনার কখনো মাপ হবে না।

    আস্তে সে বললে,

    —না, কিছু না বাপজান। খালি মনটা থাকি-থাকি কেমন করে।

    আবেদ দর্জি কিছু কইল না।

    তারা বাড়ির প্রাঙ্গণে পা দিতেই মনে হল ঘরের মধ্যে একটা গোলমাল যেন চলছে। কে সরু গলায় কাঁদছে, আর কে যেন মোটা গলায় কথা কইছে। দর্জি থমকে দাঁড়িয়ে রাজ্জাকের পানে তাকিয়ে কতক্ষণ শুধু স্তম্ভিত হয়ে রইল, তারপর দ্রুতভাবে ভেতরে প্রবেশ করল। পেছনে-পেছনে রাজ্জাক-ও গেল। ভেতরে গিয়ে দেখলে, বাইরে রোয়াকে একটা কুপি; অল্প দূরে থাম ধরে দাঁড়িয়ে-থাকা জরিনার হাতে একটা লণ্ঠন। আর এদিকে পিঠ দিয়ে মাদুরে বসে একটি অপরিচিত লোক ভারি গলায় কথা কইছে, এবং পাশে বসে দর্জির বিবি কাঁদছে।

    একটু পরে বৃদ্ধ দর্জি এক বিস্ময়কর গলায় চেঁচিয়ে উঠল,

    —কে?

    শুনে দর্জির বিবির গলা একটু চড়ল, আর সে-অপরিচিত লোকটি নির্বাক হয়ে উঠে দাঁড়িয়ে মাথা নত করে রইল। একটু দূরে দর্জির ভাইস্তা মকেম যে উবু হয়ে বসে ছিল, সে কেবল অনুচ্চ গলায় বললে,

    —মোমেন ভাই গো চাচা।

    রাজ্জাক শুনলে। তবে ঐ লোকটা মোমেন, যে-মোমেনের মিথ্যা অভিনয় সে করছে এখানে। এবং এবার তার অভিনয়ের পালা শেষ হল। তারপর অকস্মাৎ রাত্রির কালো আকাশে বিদ্যুৎ ঝলকের মতো তার অন্তরময় ঝলকে উঠল তীক্ষ্ণ বেদনা : এবং সে-বেদনা হঠাৎ-ঘটিত সব-শূন্যতার বেদনা। গাইয়ের বাছুর মরলে গাইয়ের দুধের জন্যে সে-মরা বাছুরের খোলে খড় ভরে একটি প্রাণশূন্য মূর্তি তৈরি করা হয় : এবং এ-বাড়িতে যেন সে-খড়-ভরা বাছুরের মতো ছিল সে। এবং এ-জ্ঞান থেকে সে যেন সে-প্রশ্নের সঠিক উত্তর পেল, যে-প্রশ্ন আজ সারাটি সন্ধ্যা তাকে ভাবিয়েছে। না, খোদা তাকে ক্ষমা করেন নি, এবং এ-জীবনে কখনো করবেন না। নীল পানি সে শুধু কল্পনাই করতে পারবে, বাস্তবে তার সন্ধান পাবে না।

    সকলের অলক্ষ্যে সে আস্তে বেরিয়ে এল। ঘুরতে-ঘুরতে নদীর ধারে এসে তার শূন্য তীরে সে শূন্য হয়ে বসে রইল। হঠাৎ মনের প্রান্তরে ধুলো উড়তে শুরু করেছিল, নীল পানির বন্যা বইতে শুরু করেছিল, কিন্তু এখন সেখানে শূন্যতা। তবু একটা মেঘলা দিনের কথা মনে পড়ে। তখন সন্ধ্যা। ঘাট ছেড়ে একটি বালাম নৌকা চলে গেল পুব অভিমুখে : কোথায় সে জানে না। সে-কথা মনে পড়ল, আর শূন্য অন্তর কেঁদে উঠল। কেঁদে উঠল কার জন্যে? কেঁদে উঠল তার-ই জন্যে, যার কথা এক মুহূর্তের জন্যেও মনের কোণে সে স্থান দেয় না, যার কথা স্মরণ হলে-ই তার সারা দেহ মুষড়ে ওঠে ভীত হতাশায়। সেই ফজু মিঞাদের বাড়ির ফইন্যার জন্যে আজ তার অন্তর কাঁদল, এবং আশ্চর্য, রাত্রির অন্ধকারে চোখ দিয়ে অশ্রু ছুটল। অপরাধী সে, কিন্তু অপরাধীর কি অন্তর থাকে না? খোদা তাকে কখনো মাপ করবেন না-এ -কথা সে জেনেছে, তবু ওর জন্যে তার হৃদয় ব্যথায় গুমরে গুমরে উঠবে না কেন? ফইন্যাকে কি সে ভালোবাসত না? বাসত, কিন্তু মানুষের শরীরে যে ক্রোধের আগুন রয়েছে : সে আগুন একবার দাউ-দাউ করে জ্বলে উঠলে তখন সবকিছুই সম্ভব, প্রিয়তম কারো আস্ত হৃদয় যদি কেউ এনে দেয় তবে সে-হৃদয়ও তখন মানুষ কেটে টুকরো-টুকরো করে ফেলতে পারে। এবং কারো কারো দেহে সে-ক্রোধের আগুন একটু বেশি মাত্রায় থাকে বৈকি।

    শেষে একটি কথা ভেবে শান্তিতে তার কান্না শান্ত হল। যে-লোক খুন হয়, সে বেহেশতে যায়। ফইন্যা বেহেশতে যাবে। খোদা কখনো তাকে ক্ষমা না করুন, কিন্তু ফইন্যার বেহেশত-লাভের কথা তাকে চিরদিন শান্তি দেবে।

    .

    সকালবেলায় মোমেনের সঙ্গে রাজ্জাকের দেখা হল। উজ্জ্বল সূর্যালোক, তার মধ্যে চেয়ে দেখলে : সবল ও দীর্ঘ তার দেহ; বড় চোখ বড় চেহারা, আর বাঁকা গোঁফ। গায়ে শৌখিন পোশাক : দেহের ভঙ্গিতে কিছু ঔদ্ধত্য। তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে সে রাজ্জাককে আপাদমস্তক চেয়ে দেখলে, তারপর বললে,

    —তুমি বুঝি মোমেন সেজেছ?

    তার প্রথম কথাই ভালো লাগল না, তাই কোনো উত্তর দিলে না। মোমেন আবার প্রশ্ন করল,

    —নাম কী?

    —রাজ্জাক। বলে থামতেই কী একটি উত্তেজনায় তার ঠোঁট কেঁপে উঠল, কয়েক মুহূৰ্ত চুপ থেকে অদ্ভুত কঠিন গলায় বললে,

    —আমার নাম আবদুর রাজ্জাক। আলেকজন্ডর চরের সোনাভাঙা গেরামের ফজুমিঞাদের বাড়ির ফইন্যারে আমি খুন করছি—গত চৈত্ মাসে।

    মোমেন কয়েক মুহূর্ত বিস্ফারিত চোখে তাকিয়ে থেকে দ্রুত পায়ে চলে গেল, গিয়ে অল্পক্ষণের মধ্যে হইচই বাধিয়ে তুলল চিৎকার করে।

    কিন্তু তার আগে-ই রাজ্জাক বাইরে চলে এল—এবং এল চিরদিনের জন্যে। বেরোবার আগে একবার সে দক্ষিণ দিকের ঘরের পানে তাকাল, দেখলে, দরজার কাছে পা মেলে জরিনা কাঁথা সেলাই করতে-করতে হঠাৎ মোমেনের চেঁচামেচি শুনে বিস্ময়ে তাকিয়ে আছে তার পানে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভৌতিক অমনিবাস ২ – মানবেন্দ্র পাল
    Next Article অশরীরী আতঙ্ক – মানবেন্দ্র পাল

    Related Articles

    মানবেন্দ্র পাল

    অশরীরী আতঙ্ক – মানবেন্দ্র পাল

    November 13, 2025
    মানবেন্দ্র পাল

    ভৌতিক অমনিবাস ২ – মানবেন্দ্র পাল

    November 13, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }