Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভৌতিক অলৌকিক ১ – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার

    বিশ্বরূপ মজুমদার এক পাতা গল্প142 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জীবন্ত কথা – মহুয়া সমাদ্দার

    মালপত্র নিয়ে সৌমভ যখন রণদীপ মিত্রের বাড়িতে ঢুকল তখন পৌষের সূর্য শেষের আলো ছুঁইয়ে দিয়ে ফিরে গেছে নিজের ডেরায়। সৌমভ বাড়ির পাশের রাস্তায় দাঁড়িয়ে দেখল রাস্তাটায় কোনওদিন হয়তো পিচ পড়েছিল। এখন আর পিচ নেই, শুধু কোথাও কোথাও একটু কালো কালো ছোপ রয়ে গেছে বর্ষার আকাশের মেঘের মতো। রাস্তাটা কেমন যেন নির্জন। দু’-একটা আলো পোস্টের গায়ে মিটমিট করে জ্বলছে বটে, কিন্তু কী এক অজ্ঞাত কারণে লাইটের গা থেকে আলো রাস্তায় গড়িয়ে পড়ার আগেই হাওয়ার সঙ্গে মিশে যাচ্ছে যেন। তাই আলোটাও বড্ড ফ‍্যাকাশে।

    বাড়িটার সামনে একটা মজা পুকুর। আর পেছনে একটা ফাঁকা প্লট। আশেপাশে কয়েকটা বাড়ি আছে। কিন্তু অনেকটা জায়গা ছেড়ে ছেড়ে। বড় রাস্তা থেকে বেশ কিছুটা ভেতরে থাকায় গাড়ি খুব কম চলাচল করে বলেই মনে হচ্ছে সৌমভর। কারণ, এতটা সময়ে সে একটা গাড়িও যেতে দেখেনি।

    বাড়ির সামনে অনেকটা জায়গা ফাঁকা। বাড়ির একপাশে একটা স্টেশনারি দোকান, দোকানের পাশ দিয়ে সিঁড়ি উঠে গেছে ওপরে। আর একপাশে একটা ঘর সঙ্গে অ্যাটাচড টয়লেট। তিনতলা বাড়িটাকে আলো আঁধারে কেমন যেন দৈত্যের মতো দেখতে লাগছে। বাড়ির মালিক রণদীপ মিত্র লোকটাও বাড়িটার মতোই কেমন যেন অদ্ভুত ধরনের। লাল লাল চোখদুটো দিয়ে এমনভাবে তাকায় যেন দৃষ্টি বুকের গভীর‌ও দেখে নিতে পারে। খুব কম টাকায় ভাড়া পেয়েছে বলে সদ‍্য ব‍্যাঙ্কের চাকরিতে জয়েন করা সৌমভ বাড়িটাকে এক দেখাতেই পছন্দ করে নিয়েছে।

    ঘরের ভেতর মালপত্র নিয়ে ঢুকে সৌমভ ঘরটাকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখল। ঘরের ভেতরে এক দেওয়ালে কিছু লিখে কাগজ চিপকানো ছিল। সেটা টেনে তোলায় কাগজের সাদা সাদা দাগ রয়েছে। কোথাও কোথাও দেওয়াল ফাটা। ঘরের রংটাও সেরকম কিছু বোঝা যাচ্ছে না। বহুদিন ঘরটাকে রং বা মেরামত কিছুই করা হয়নি। ঘরে ঢুকতেই কেমন একটা বোঁটকা গন্ধ নাকে এসে ঝাপটা মারল। গন্ধটা ঠিক কীসের বুঝতে পারল না সৌমভ । কিন্তু গন্ধটাতে গা হাত পা কেমন যেন শিরশির করে উঠল। হয়তো অনেকদিন ঘরটা বন্ধ অবস্থায় পড়ে ছিল তাই এরকম গন্ধ। ঘরের একপাশে একটা কাচের পাল্লা রাখা রয়েছে। তাতে বড় বড় করে লেখা — পি সি ও। একটা পুরনো চৌকি, একটা প্লাস্টিকের পুরনো চেয়ার আর একটা পায়া-ভাঙা টেবিল। ঘরের মাঝখান দিয়ে একটা নোংরা দড়ি ঝুলছে। কেউ বোধহয় কখন‌ও দড়িটা ঝুলিয়েছিল।

    দিন পাঁচেক পরে সৌমভ রণদীপবাবুর দোতলার বেল বাজালে একটি বছর কুড়ির মেয়ে এসে দরজা খুলতেই সৌমভ জিজ্ঞেস করল – “রণদীপবাবু আছেন? আমি প্রথম মাসের ভাড়া দিতে এসেছি।”

     

     

    মেয়েটি উত্তর দিল – “বাবা বাথরুমে আছেন। আমি বলে দেব আপনি এসেছিলেন।” — বলেই মেয়েটি ভেতরে ঢুকে গেল।

    সাধারণত বাড়িতে কেউ এলে তাকে আমরা বসতে বলি বা দু’-একটা ভালো মন্দ কথা বলি। কিন্তু মেয়েটি সেসবের কোনওটাই করল না। বোধহয় সে কথাও গুনে গুনে খরচ করে। অন্তত সৌমভর তেমনটাই মনে হল।

    মেয়েটির তাকানোর ভাব এবং কথা বলার ভঙ্গি দেখে সৌমভর মনে একটু সন্দেহ হল। মেয়েটি কি মানসিকভাবে একটু অসুস্থ? নাকি বিধ্বস্ত কোনও কারণে? ঠিক বোঝা গেল না। তা ওদের মেয়ে সুস্থ‌ই হোক বা অসুস্থ, তা নিয়ে সৌমভর কোনও মাথাব্যথা নেই। এই মেয়েটির সুর করে কান্নাই বোধহয় দু’-তিন দিন সৌমভ শুনতে পেয়েছে! এমনিতে তিনতলা বাড়িটা বেশ শান্ত, নিঃঝুম বাড়ি। সৌমভর এরকম বাড়িই ভীষণ পছন্দ। সারাদিন ধরে চেঁচামেচি, হ‌ইচ‌ই একদম ভালো লাগে না তার।

    কিন্তু এই শান্ত বাড়িটাই মাঝে মাঝে অশান্ত হয়ে ওঠে রণদীপবাবুর স্ত্রী’র চিৎকারে। সৌমভ বুঝতে পারে মেয়েটিকে বোধহয় কোনও কারণে বকাবকি করেন ভদ্রমহিলা। কোনও কোনও সময় রণদীপবাবু হয়তো বলে ওঠেন – “আহ্ ছন্দা! ছাড়ো না! ওকে ওর মতো থাকতে দাও। সবসময় ওর পেছনে পড়ে আছো কেন?”

     

     

    মাঝে মধ্যে রণদীপবাবুর স্ত্রীকে বিলাপ করতে শোনা যায়। কিন্তু কী কারণে এদের মধ্যে এত ঝামেলা ঠিক বুঝতে পারে না সৌমভ।

    রাস্তায় বেরোলে সবাই কেমন যেন অদ্ভুত দৃষ্টিতে তার দিকে তাকায়। সেদিন রাস্তার শেষ বাড়িটার একজন বছর পঞ্চাশের ভদ্রলোক তো সরাসরি জিজ্ঞেস করেই ফেললেন – “মিত্তিরদের বাড়িতে উঠেছেন? বাব্বা! আপনার দম আছে মশাই।” কিন্তু এই প্রশ্নের তাৎপর্য হাজার জিজ্ঞাসার পরেও লোকটা বলেনি। শুধু বললেন – “ক’দিন থাকুন, আপনিও বুঝতে পারবেন।”

    বাড়িটার আগাপাশতলা পুরোটাই অদ্ভুত। অন্ধকারে কেমন যেন একটা গা ছমছমে অনুভূতি হয়। এই বাড়িতে একটা গোপন কিছু রয়েছে যেটা হয়তো বাড়িওয়ালা জানেন। কিন্তু সেটা প্রকাশ করছেন না।

    * * * * *

    সেদিন ঠিক সাড়ে সাতটায় ঘুম ভাঙ্গল সৌমভর। শীতকালে এরকম সময়েই ওঠে সে। ঘুম থেকে উঠে খবরের কাগজ না পড়লে মনটা বড্ড খচখচ করে। তাই খবরের কাগজের খোঁজে বাইরে বেরোতেই দেখল রণদীপবাবু সিঁড়ি দিয়ে নামছেন। — “গুড মর্নিং, রণদীপবাবু। এত সকালে কোথায় চললেন?” — সৌমভ বলল।

     

     

    কিন্তু মুখটা গম্ভীর করে সৌমভর পাশ দিয়ে নেমে চলে গেল রণদীপবাবু। তার মুখ-চোখের এমন ভাব যেন সে সৌমভকে দেখেনইনি কিংবা তার কথা শুনতেই পাননি। অদ্ভুত ব‍্যাপার!

    দিন সাতেক পর এক রাতে এগারোটা নাগাদ লাইট অফ করে শুয়ে পড়ল সৌমভ। মাঝরাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেল। কীসের যেন একটা আওয়াজ তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। প্রথমে ঘুমের চোখে অতটা বুঝতে পারল না সে। তারপরেই সে বুঝতে পারল একটা ফোন বিকট আওয়াজে রিং হচ্ছে। সত্যিই অদ্ভুত ব‍্যাপার! সৌমভ প্রথমে ভাবল ওর নিজের মোবাইল ফোনের রিংটোন বোধহয় কোনওভাবে চেঞ্জ হয়ে গেছে। কিন্তু ফোনে হাত দিয়ে বুঝল চার্জের অভাবে তার ফোন সুইচড অফ হয়ে পড়ে আছে। কিন্তু শোয়ার আগেই তো ফোনে সে দেখেছে সেভেন্টি ফাইভ পারসেন্ট চার্জ রয়েছে!

    একে ঘুটঘুটে অন্ধকার ঘর। তার উপরে আবার এরকমভাবে ফোন বেজে চলা। শীতের রাতে এমনিতেই শব্দের প্রাবল্য বেশি হয়। চারদিকে নিস্তব্ধতার কারণে আওয়াজ আরও বেশি ছড়িয়ে পড়ছে।

     

     

    হ‍্যাঁ, আওয়াজটা এখানেই হচ্ছে এ ব‍্যাপারে কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু এ-ঘরে ল‍্যান্ড ফোন এল কোথা থেকে? ক‌ই এই ক’দিন সারাদিনে একবারও তো কোনও ফোন দেখেনি সৌমভ! বুঝতে পেরেছে। বুঝতে পেরেছে। এখন মনে হচ্ছে গতকাল রাতেও এরকম কোনও আওয়াজ হয়েছিল। কিন্তু গভীর ঘুম ছিল বলে ধরতে পারেনি। ভেবেছিল স্বপ্ন। — ‘তবে কি পাশের ঘরে কোনও ফোন আছে? পাশে তো রণদীপবাবুদের স্টেশনারি দোকান রয়েছে। হতেও পারে।’ —মনে মনে ভাবল সৌমভ ।

    তখনই কে যেন ফোনটা রিসিভ করল। একটি মহিলা কণ্ঠস্বর ওপাশ থেকে বলল – ‘বিষ্ণু, এই বিষ্ণু। ফোনটা এতক্ষণ ধরে বাজছিল! এত দেরি করলে কেন ফোন ধরতে? আর এই ক’দিন ফোন ধরোনি কেন?’

    ౼ ‘আজ রাখো। একটু সমস্যা হয়েছে বুঝলে। ঘরে নতুন লোক এসেছে। একটু বুঝে-শুনে চলতে হবে। পরে তোমাকে জানাচ্ছি সব। রাখছি এখন।’

    ౼ ‘বিষ্ণু…!’

     

     

    ক্রেডেলে ফোন নামিয়ে রাখার স্পষ্ট আওয়াজ হল। যদিও মনে হচ্ছে আওয়াজটা এই ঘর থেকেই আসছে। কিন্তু না, নিশ্চয়ই পাশের দোকানঘরেই ফোনে কথা হচ্ছিল এই সময়টুকুতে। মাঝে শুধু একটা দেওয়াল বলে বোধহয় এরকম মনে হচ্ছে। কাল একবার রণদীপবাবুকে এই ব‍্যাপারে জিজ্ঞেস করতে হবে।

    * * * * *

    কাল রাতে ঠিকমতো ঘুমটা হয়নি সৌমভর। সকাল থেকে দু’বার বাইরে উঁকি দিয়ে দেখেছে দোকান খুলেছে কিনা। সাড়ে আটটা নাগাদ শাটার তোলার আওয়াজ এল। সঙ্গে সঙ্গেই সৌমভ বাইরে বেরিয়ে এসে রণদীপবাবুকে উদ্দেশ করে বলল – “আপনাদের দোকানে রাতে লোক থাকে বুঝি? ভেতর দিক থেকে ওপরে ওঠার ব‍্যবস্থা আছে নিশ্চয়ই?”

    রণদীপবাবু একটু অবাক হয়ে সৌমভর দিকে চেয়ে বললেন – “কেন বলুন তো?”

    ౼ “না মানে গত রাতে আপনার দোকানের ল‍্যান্ডফোনে ফোন এসেছিল। যে ছেলেটি থাকে সে ফোন রিসিভ করে কথা বলল। আমার ঘুমে অসুবিধা হবে বলে বেশি কথা বলেনি বোধহয়। ওনাকে বলে দেবেন ফোনের শব্দে আমার তেমন কোনও ডিস্টার্বেন্স হয় না।

     

     

    ౼ “কিন্তু, আমার দোকানে রাতে তো কেউ থাকে না! আর তাছাড়া, নীচে তো কোনও ফোন নেই এখন! আগে তোমার ঘরে পাবলিক টেলিফোন বুথ করেছিলাম। চলতও বেশ। কিন্তু এখন মোবাইল রয়েছে সবার কাছেই। কে আর বুথে আসবে ফোন করতে! তাই আমার দোকানটাকে একটু ছোট করে বুথের দোকান ভেঙে তোমাদের ভাড়ার ঘর বানিয়ে নিলাম।”

    আরও কীসব যেন বলে চলেছেন রণদীপবাবু। কিন্তু আর কিছুই তার কানে ঢুকছে না। — ‘আমি স্পষ্ট শুনেছি ফোন বাজতে, কথা বলতে! এটা কীভাবে সম্ভব! রণদীপবাবুর মুখ দেখে পরিষ্কার বুঝতে পারছি কিছু একটা লুকোচ্ছেন উনি। কিন্তু কী লুকাতে চাইছেন? কেন‌ই বা চাইছেন?’ — সৌমভ মনে মনে ভাবল।

    * * * * *

    সকাল থেকেই আজ ভীষণ মন খারাপ করছে মলির অর্থাৎ মল্লিকার, রণদীপ মিত্রের একমাত্র মেয়ের। নীচে একটা ছেলে ভাড়া এসেছে। তাই বিষ্ণু বিশেষ একটা কথা বলতে চাইছে না।

     

     

    “আজ একটু কথা বলতেই হবে ওর সঙ্গে। আর পারছি না সহ‍্য করতে। এই কথাটুকুই তো শুধু আছে! তাছাড়া আর কি আছে আমার জীবনে! কিচ্ছু নেই। কিচ্ছু নেই। যখন ও বেঁচে ছিল তখন রাতের পর রাত আমার এই তিনতলার ঘর থেকে একতলার দোকানের ফোন বুথের ফোনে ওর সঙ্গে কথা চালিয়েছি। যখন রাত হয়ে উঠত নিশুতি, লোকজন সব যেত ঘুমিয়ে, চাঁদ হাসত মাঝ আকাশে — তখন শুরু হত দু’জনের প্রেমালাপ। সেইসব কথা আজও যেন জীবন্ত হয়ে আছে। গভীর রাতে ওর সঙ্গে ফোনে কথা বলা আমার কাছে নেশার মতো। এই নেশা ছাড়া আমি বাঁচবই না। দু’বছর হয়ে গেল বিষ্ণু চলে গেছে আমাকে ছেড়ে। কী ভীষণ ইচ্ছে করে ওকে একটু ছুঁতে! ইচ্ছে করে দু’চোখ ভরে ওকে একটু দেখতে। কিন্তু সে’সব পারি কোথায় আর! সন্ধের পর থেকে ও আমার কাছাকাছি থাকে বুঝতে পারি। কিন্তু কেমন ধোঁয়ার মতো অস্পষ্ট ওর অস্তিত্ব। ছুঁতে গেলেই মিলিয়ে যায়। যন্ত্রণা হয়। বড্ড যন্ত্রণা হয়। মাঝেমাঝেই আমার নিজেকে পাগল পাগল মনে হয়। ওর সঙ্গে একটু কথা না বলে আর থাকতে পারি না। বাবা মা তো কেউই বুঝতে পারে না আমার যন্ত্রণা। ওরা ভাবে বিষ্ণুকে ছেড়ে আমি বোধহয় ভালোই আছি। বেশ খাচ্ছি-দাচ্ছি, ঘুমোচ্ছি! ভেতরে ভেতরে নিশ্চয়ই দাদার সঙ্গে যোগসাজশ করে আমার জন্য ছেলেও দেখছে। কিন্তু ওরা কেউ বুঝতে পারছে না যেদিন অন্য কোনও ছেলের সঙ্গে আমার বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে, সেদিনই আমি সারাটা জীবনের জন্য আমার বিষ্ণুর কাছে চলে যাব।” — বিড়বিড় করে বলছে মল্লিকা।

     

     

    * * * * *

    রাতে আজ আর বাইরে বেরোতে ইচ্ছে করেনি সৌমভর। আজ ব‍্যাঙ্কে একটা অডিট ছিল। অফিস থেকে বেরতে বেরতেই সাতটা বেজে গেছে। ঘরে ফেরার সময় একটা দোকান থেকে রুটি তড়কা নিয়ে এসেছে সে। ন’টা নাগাদ খেয়ে একটা ব‌ই পড়তে পড়তে সে কখন ঘুমিয়ে পড়ল নিজেই বুঝতে পারল না। ঘুম ভাঙল মাঝ রাত্তিরে। চোখ বুজে সে শুনতে পেল আবারও রিং হচ্ছে ফোনে। এবং তারপরেই কথাবার্তা শুরু হয়ে গেল।

    এপাশ থেকে একটি পুরুষ কণ্ঠ ‘হ‍্যালো’ — বলার সঙ্গে সঙ্গেই ওপাশ থেকে মহিলা কণ্ঠ বলে উঠল – ‘বিষ্ণু।’

    কণ্ঠে কী তীব্র আর্তি! কী ভীষণ একাকিত্বের যন্ত্রণা!

    ౼ “মলি, তুমি এরকম করছ কেন? এই তো আমি আছি। তোমার খুব কাছেই আছি।”

    ౼ “না। তুমি নেই। তুমি নেই। তুমি কোত্থাও নেই। আমার বিষ্ণু হারিয়ে গেছে!”

     

     

    ౼ “আমি আছি মলি। আমি তোমার সঙ্গেই আছি। আমার মলিকে ছেড়ে আমি যেতে পারি বলো?”

    ౼ “কিন্তু আমি যে তোমাকে বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরতে চাই। তোমার ঠোঁটে চুমু খেতে চাই। তোমাকে দু’চোখ ভরে দেখতে চাই!”

    ౼ “সে তো আমিও চাই গো। হয়তো পারতাম‌ও সারাটা জীবন। যদি না তোমার বাবা আর দাদা ওভাবে আমাকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিত।”

    ౼ “আমার বাবাকে, দাদাকে কোনওদিন‌ও আমি ক্ষমা করতে পারব না বিষ্ণু। কোনওদিন‌ও না। দাদার কথা না হয় বাদ‌ই দিলাম। ও তো চিরকাল‌ই গুন্ডামি করে জীবন কাটিয়েছে। ও তোমাকে খুন করার আগে আরও অনেক খুন করেছে। পুলিশ ওকে কখনও ধরতে পারেনি। কিন্তু আমি ভাবি আমার বাবার কথা। তুমি তো কোনও অন‍্যায় করোনি। বরং বাবার টেলিফোন বুথকে তুমি নিজের বুক দিয়ে আগলে রাখতে। তোমার মতো একটা নিষ্পাপ প্রাণকে মারতে বলার পরে বাবার একবারের জন্য‌ও খারাপ লাগেনি!”

     

     

    ౼ “আসলে আমি যে তোমার যোগ্য ছিলাম না গো! তোমার বাবার কত টাকা পয়সা!”

    ౼ “ওসব কথা বাদ দাও। বিষ্ণু। অ্যাই বিষ্ণু। আমিও তোমার কাছে চলে যাই! আর না কোরো না গো। আমি যে তোমাকে ছেড়ে আর থাকতে পারছি না!”

    ౼ “না মলি। সে সময় এখনও আসেনি। তবে আমার একটা অনুরোধ আছে তোমার কাছে।”

    ౼ “কী? কী অনুরোধ?”

    ౼ “তুমি অন্য কাউকে বিয়ে করে নিয়ো না মলি। সেটা আমি মরে গিয়েও সহ‍্য করতে পারব না।”

    ౼ “তুমি আমাকে এই চিনলে? অন্য কোনও ছেলেকে বিয়ে করব আমি? রাখলাম ফোন।”

    ౼ “না। না। আমি এমনিই বলছিলাম…”

     

     

    ফোনটা কেটে গেল। এপাশের পুরুষ কণ্ঠ রিসিভার ক্রেডেলে নামিয়ে রাখল। সৌমভ স্তম্ভিত হয়ে পড়ল বিস্ময়ে। কথাবার্তা শুরু হওয়ার পরপরই ও বেশ আতঙ্কগ্ৰস্ত হয়ে পড়েছিল কিছুক্ষণের জন‍্য। রীতিমতো রোমাঞ্চিত হয়ে উঠছিল কথোপকথন চলাকালীন। কিন্তু সবটুকু জানার পরেই মনটা আচ্ছন্ন হয়ে পড়ল সহানুভূতি আর বেদনায়। এখন বুঝতে পারছে কেন রণদীপবাবু এত কম টাকায় ঘর ভাড়া দিয়েছেন। তার মানে এ-ঘরে যা কিছু ঘটছে তার সবটাই জানেন উনি। এখন সৌমভ পরিষ্কার বুঝতে পারছে কী লুকাতে চাইছিলেন রণদীপবাবু।

    সকালে ঘুম থেকে উঠেই সারা ঘর ভালো করে দেখল সৌমভ। রণদীপবাবুদের একটা ট্রাঙ্ক রয়েছে টেবিলের নীচে। হ্যাঁ। টেলিফোনের আওয়াজটা এই দিক থেকেই আসে বলে মনে হচ্ছিল সৌমভর। ট্রাঙ্কে একটা তালা লাগানো। অনেকদিন ব‍্যবহার নেই বলে বোধহয় তাতে জং ধরে গেছে। তালাটাকে ধরে একটু টানাটানি করতেই সেটা খুলে গেল।

    ‌ধীরে ধীরে ট্রাঙ্কের ঢাকনা খুলল সৌমভ। মুখ খোলার সময়ে ক‍্যাঁচ করে একটা আওয়াজ হল। বেরিয়ে এল কিছু অব‍্যবহৃত জিনিসপত্র — যেমন কয়েকটা পেন, দুটো মোটা মোটা খাতা, একটা পুরনো ছাতা, দুই সেট ছেলেদের জামাপ‍্যান্ট। বাক্সের একদম নীচে একটা টেলিফোন রাখা। এটা বোধহয় সেই বিষ্ণুর ট্রাঙ্ক ছিল। খাতাদুটো খুলে দেখল খাতার একপাশে দিন তারিখ আর অন্য পাশে মিনিট এবং টাকার হিসেব উল্লেখ করা রয়েছে। সৌমভ মনে মনে ভাবল – ‘ছেলেটা বোধহয় ফোনের দোকানের হিসেব রাখত সব।’ একটা পাতায় কী যেন লিখে কাটা হয়েছে। সৌমভ একটু ভালো করে দেখে বুঝলো লেখা আছে ‘আই লাভ ইউ মলি’।

    রাস্তায় বেরিয়ে সৌমভ দেখল উল্টোদিকের বাড়ির একজন বৃদ্ধ রাস্তার পাশে চেয়ারে বসে রোদ্দুর পোহাচ্ছেন। সৌমভ কাছে এসে প্রথমে এটা সেটা বলার পরে আসল কথায় এল। বলল – “আচ্ছা কাকু, বিষ্ণু কে?”

    বৃদ্ধ প্রথমে ঠিক মনে করতে পারলেন না। তারপর মাথা চুলকে বললেন – “ওহ্। তুমি এই ফোনের দোকানের ছেলেটার কথা বলছ! হ‍্যাঁ বিষ্ণুই তো নাম ছিল বোধহয়! অমায়িক ছেলে ছিল। অন্য কাজের ছেলেদের মতো মালিককে ঠকাত না। খুব সৎ ছেলে ছিল।”

    ౼ “ছিল বলছেন কেন কাকু?”

    ౼ “ছিল বলছি কারণ এখন আর দেখি না তাই।”

    ౼ “ও কি কাজ ছেড়ে দিয়েছে কাকু?”

    ౼ “কাজ ছেড়েছে কিনা বলতে পারি না। তবে হঠাৎ করেই একদিন সকালে আবিষ্কার করলাম ছেলেটি দোকানে নেই। রাতেও দোকানে দেখেছিলাম। বোধহয় ভালো কাজ পেয়ে চলে গেছে।”

    ‘বিষ্ণুকে আর খুঁজে পাবেন কী করে! ওকে তো মেরে ফেলেছে রণদীপ আর ওর ছেলে মিলে।’ — সৌমভ মনে মনে ভাবল। তারপর আবার সে বৃদ্ধকে জিজ্ঞেস করল – “আর রণদীপবাবুর কয় ছেলে মেয়ে, কাকু?”

    ౼ “কেন? তুমি জানো না? এক ছেলে আর এক মেয়ে।”

    ౼ “ছেলে? কিন্তু আমি তো কোনও ছেলেকে দেখিনি!”

    ౼ “ওকে দিনের আলোতে কেউই আর দেখতে পায় না সেভাবে। মস্তানি করে বেড়ায় এখানে ওখানে!”

    ౼ “মস্তান!”

    ౼ “কেন তুমি মন্টু গুন্ডার নাম শোনোনি?”

    ౼ “ক‌ই, না তো!”

    ౼ “মন্টু গুন্ডাই তো রণদীপের ছেলে। তবে রণদীপের মেয়েটা খুব ভালো। আমরা ‘মলি’ নামেই ডাকি। ভালো নাম বোধ হয় মল্লিকা। কোনওদিন‌ই কিছু শুনিনি ওর মেয়ে আর বউয়ের নামে। তা তোমার হঠাৎ এত খোঁজের কী দরকার বাপু?”

    ౼ “না, এমনিই কৌতূহল।”

    রাতে হোটেল থেকে ফিরে দরজায় ছিটকিনি লাগিয়ে খাটে বসল। একমনে ভাবতে লাগল মলি আর বিঞ্চুর কথা।

    ‘কী করা উচিত আমার? পুলিশে জানিয়ে রণদীপবাবুদের শাস্তির ব‍্যবস্থা করা? কিন্তু পুলিশকে প্রমাণ দেওয়ার মতো কিছুই নেই আমার হাতে। তাছাড়া যারা বিষ্ণুকে সরিয়ে দিতে পেরেছে তারা কি আমায় বাঁচিয়ে রাখবে! তাছাড়া যে যাওয়ার সে তো চলেই গেছে। তাকে তো ফেরানো যাবে না!” — মনে মনে বলল সৌমভ।

    একটু বাদেই ফোনটা সজোরে বেজে উঠল। আজ সৌমভর মনে হচ্ছে এই ফোনটুকুই সত্যি। বাকি সব মিথ্যে। ফাঁকি। এই ফোনের এপাশে একটা মন আজ‌ও মৃত্যুর পরেও জেগে ওঠে ভালোবাসার টানে। জেগে ওঠে জীবন। আজ তার খুব মনে হচ্ছে আসলে শুধু জীবনই ভালোবাসাকে বাঁচিয়ে রাখে না। কখনও কখনও ভালোবাসাও জীবনকে বাঁচিয়ে রাখে। এমনকী মৃত্যুর পরেও।

    ***

    মহুয়া সমাদ্দার

    কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে স্নাতক, রবীন্দ্র ভারতী থেকে মাস্টার্স এবং চাকরি করাকালীন বি.এড ডিগ্রি লাভ। বর্তমানে কলকাতা নিবাসী একটি সরকারি মাধ্যমিক স্কুলের ইংরেজি বিষয়ের সহকারী শিক্ষিকা। সেই ছোট্ট বেলা থেকে কবিতা লিখলেও বছর দুয়েক ধরে গল্প, উপন্যাস, গান, নাটক, ফিচার সবেতেই সিদ্ধহস্ত। “এই সময় দৈনিক”, “শুকতারা”, “কৃত্তিবাস”, “কিশোর ভারতী”, “সাহিত্য এখন” সহ বহু নামী পত্র-পত্রিকায় লেখিকার লেখা নিয়মিত প্রকাশিত হয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভৌতিক অলৌকিক ২ – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার
    Next Article সন্ধিক্ষণ : প্রতিকূলতা জয়ের লক্ষ্যে যাত্রা – এ পি জে আবদুল কালাম

    Related Articles

    বিশ্বরূপ মজুমদার

    ভৌতিক অলৌকিক ২ – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার

    November 4, 2025
    বিশ্বরূপ মজুমদার

    ইতিহাস কথা বলে – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার

    November 4, 2025
    বিশ্বরূপ মজুমদার

    রহস্য রোমাঞ্চ : সম্পাদনা – বিশ্বরূপ মজুমদার

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }