Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভৌতিক অলৌকিক ১ – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার

    বিশ্বরূপ মজুমদার এক পাতা গল্প142 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অন্ধকারের জীব – রিয়া ভট্টাচার্য

    অন্ধকারের জীব – রিয়া ভট্টাচার্য

    (১)

    বিষণ্ণ কবিতার মতো শেষ হতে চলেছে পাতাঝরার মরসুম। আর কিছুদিন পরেই, ন্যাড়া গাছের ডালে এসে বসবে মরশুমি পাখিদের দল। ছোট্ট এই শহরটায় তেমন জনবাহুল্য নেই, তাই এখনও এখানে সবুজ টিকে আছে। কংক্রিটের ধূসর আস্তাবলে হারিয়ে যায়নি মজা পুকুরের মদিরতা।

    রোজ বিকেলে পশ্চিমের বারান্দায় সূর্যাস্ত দেখতে আসে চৈতি৷ খড়খড়ির চাদর তুলে চেয়ে থাকে বিষণ্ণ আকাশের দিকে। সিঁদুরে আবিরে রেঙে যখন একটু একটু করে হারিয়ে যায় নিটোল থালার মতো সূর্যখানা, পাখিদের ডানায় চেপে ধীরে ধীরে এগিয়ে আসে কালো অন্ধকার… চৈতি ফিরে আসে নিজের একলা ঘরে।

    থাকার বলতে এক কামরার এই ঘরখানাই। এছাড়া অনন্তর স্মৃতি বলতে আর কিছুই অবশিষ্ট নেই চৈতির কাছে৷ কোনও এক ধূসর বিকেলে ঠাঁইছাড়া হয়ে সে এসে জুটেছিল এই আঙিনায়, আর ফিরে যায়নি৷ যাওয়ার তেমন উপায়ও ছিল না অবশ্য৷

    অনন্তকে ছাড়বার সিদ্ধান্তটা ছিল চৈতিরই। যেভাবেই হোক তাকে এক গলাবন্ধ সম্পর্ক থেকে মুক্তি দিতে চেয়েছিল সে।

    সন্তানহীনতা একজন নারীর সামাজিক জীবনে যে কত বড় প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দিতে পারে হয়তো নিজের জীবন দিয়ে অনুভব না করলে বুঝত না চৈতি। প্রথমে পরিবার, তারপরে আত্মীয়স্বজন… সবশেষে অনন্ত, অপরাধবোধের এক অন্তহীন খাদে নিত্য তলিয়ে যাচ্ছিল চৈতি। না, কোনও রকম শারীরিক সমস্যা নেই তার, কিন্তু সন্তানসুখ থেকে চিরবঞ্চিত সে। নিজের ভালোবাসার মানুষের চোখে নিজের জন্য ঘৃণা আর তিতিক্ষা দেখতে দেখতে শেষমেশ সিদ্ধান্তটা নিয়েই ফেলেছিল চৈতি। ডিভোর্সের পরে মা-বাবার ঘরে ফেরেনি সে, ছোট্ট বেসরকারি স্কুলের চাকরিটা কোনওক্রমে মাথা উঁচু করে চলতে শিখিয়ে দিয়েছিল। এই ঘরে একাকিত্ব রয়েছে, কিন্তু শান্তির অভাব নেই।

    এই ঘরটা অনন্তর দূরসম্পর্কের বিধবা পিসির। তিনি মারা যাওয়ার পরে ধুলোবালি মেখে বন্ধই পড়ে ছিল ঘরখানা। ডিভোর্সের সময়ে অনন্তর কাছে একপ্রকার জোর করেই ঘরটা চেয়ে নিয়েছিল চৈতি। নিভৃতবাসের জন্য এমন ঘর আদর্শ।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা অডিওবুক
    বুক শেল্ফ
    উপন্যাস সংগ্রহ
    অনলাইনে বই
    বাংলা বই
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বই পড়ুন
    গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ

     

    পাড়ার সকলে বলে ঘরখানা ভূতে পাওয়া। যখন বন্ধ অবস্থায় পড়ে ছিল, নিত্য শোনা যেত নানারকম শব্দ। কখনও কখনও সন্ধ্যার অন্ধকারে জানলার ধার ঘেঁষে চট করে সরে যেত কোনও কালো ছায়া। পাড়ার লোকে বেশ এড়িয়েই চলে এক কামরার ছোট্ট বাড়িটাকে। পশ্চিম দিক ঘেঁষা বিশাল বাঁওড়, সেইসঙ্গে উত্তরে ফাঁকা মাঠ বাড়িটাকে যেন আরও আলাদা করে ফেলেছে সকলের থেকে। সীমানা-প্রাচীর কোনও কালেই ছিল না বাড়িটার, চৈতি আসার পরে লোক ডেকে কিছু কাঁটাতার বসিয়েছে উত্তরদিক বরাবর, এছাড়া আর কিছু করার অর্থনৈতিক সামর্থ্য নেই তার।

    বারান্দার এক কোণেই পর্দাঘেরা চৈতির একটুকরো রান্নাঘর। পর্দা বলতে পুরনো শাড়ি সেলাই করে বানানো আবরণ মাত্র, তার রং ও জৌলুস উধাও হয়েছে কবে। গ্যাসস্টোভটা পুরানো হয়ে গিয়েছে, আজকাল জ্বালাতে গেলে কেমন অদ্ভুত শব্দ হয়। ঠিক যেন বাতাসের কান্নার মতো, অথবা মুমূর্ষু রোগীর বাতাসের জন্য হাহাকার!

    বারান্দার খড়খড়ি এখন নামানো, সূর্য ওঠার আগে আর তাদের খোলার সম্ভাবনা নেই। সন্ধ্যার পরে উত্তরদিকের মাঠের দিকে চাইতে বড্ড গা ছমছম করে চৈতির। ভূতের ভয় তার ছিল না কোনও কালে, কিন্তু মানুষ যে ভূতের চেয়ে ভয়ঙ্কর!

     

    আরও দেখুন
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    লেখকের বই
    ডিজিটাল বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    স্বাস্থ্য টিপস
    নতুন বই

     

    স্টোভে চায়ের জল বসিয়ে ছোট্ট সেলফ হাতড়ায় চৈতি। গুঁড়ো দুধ শেষ হয়ে গিয়েছে গতকালই, আজ আনব আনব করেও আনতে পারেনি সে। অগত্যা লাল চা-ই সম্বল। দীর্ঘশ্বাস ফেলে সে। মাঝেমধ্যে বড্ড একঘেয়ে লাগে এই একলা জীবন। স্মৃতিযাপনের জন্যও একখানা মুখ অন্তত থাকা জরুরি।

    চায়ে চুমুক দিয়ে বিছানায় বসে বই খোলে চৈতি, পরের দিনে ক্লাসে পড়ানোর বিষয়গুলি ঝালিয়ে নেয়। আকাশটা কেমন যেন গুম মেরে রয়েছে আজ সন্ধ্যা থেকেই। মাঝে মাঝে বইছে জোলো বাতাস। মাটির সোঁদা গন্ধে মনটা কেমন যেন ফুরফুরে হয়ে উঠছে চৈতির। ইচ্ছে করছে উঁচুগলায় গান গাইতে৷ ঘরে একমাত্র আলো দানকারী একশো ওয়াটের বাল্বটা এইমাত্র কেঁপে কেঁপে নিভে গেল। চারিদিকে নিচ্ছিদ্র অন্ধকার।

    শোঁ শোঁ শব্দে ঝড় শুরু হয়েছে বাইরে, খড়খড়ির চাদর সশব্দে কেঁপে উঠছে বারবার। দেওয়ালে ভর দিয়ে মোমবাতি খুঁজছে চৈতি। কাছেই কোথাও জোরালো শব্দে আছড়ে পড়ল বাজ। চৈতির হাতের তালুতে শক্ত করে ধরা পেন্সিল টর্চখানা কাঁপছে। দূর থেকে ভেসে আসছে কোনও শিশুর কান্নার শব্দ। একটু একটু করে তা এগিয়ে আসছে এই এক কামরার ঘরখানার দিকে। পশ্চিমের বাঁওড়ের ধার ঘেঁষেই এগিয়ে আসছে শব্দটা। নাকি বাঁওড় থেকেই উঠে আসছে কেউ!

     

    আরও দেখুন
    বই
    স্বাস্থ্য টিপস
    Books
    অনলাইনে বই
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    PDF
    পিডিএফ
    PDF বই
    ই-বই পড়ুন

     

    (২)

    খট খট শব্দ হয় পুরনো কাঠের দরজায়।

    “পোস্টম্যান!” শব্দে খরখরে গলায় হাঁক পাড়ে লোকটা।

    কাঠের দরজা অল্প ফাঁক করে মুখ বাড়ায় চৈতি। তার এলোমেলো চুল ও রক্তজবার মতো লাল চোখদুটো অমন দশাসই লোকটার অন্তরাত্মাও কাঁপিয়ে দেয়।

    “একটা মানি অর্ডার আছে আপনার নামে। সই করে নিয়ে নিন৷”

    কোনওক্রমে নিজের কণ্ঠস্বর স্বাভাবিক করে বলে লোকটা।

    “প্রয়োজন নেই। যার টাকা তাকেই ফিরিয়ে দাও গে। আমাদের মায়ে পোয়ে চলে যাচ্ছে ঠিকই, কারও দয়ার প্রয়োজন নেই৷”

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য
    গল্প, কবিতা
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    লেখকের বই
    রেসিপি বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    গ্রন্থাগার

     

    কড়া গলায় কথাগুলো বলে মুখের ওপরে দরজা বন্ধ করে দেয় চৈতি।

    হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে লোকটা। গতমাসেও মানি অর্ডার নিয়ে এসেছিল সে। চৈতির বাবা প্রতিমাসেই কিছু টাকা পাঠান তাকে, প্রতিবারই বিনা বাক্যব্যয়ে সই করে টাকা নিয়ে নেয় সে। এবার হলটা কী!

    ভাবতে ভাবতে বাড়ি থেকে রাস্তায় নেমে আসে লোকটা। চৈতি দিদিমণিকে সে ভালো করেই চেনে। একটু কড়া ধাঁচের হলেও তার মতো শান্ত মানুষ পাওয়া শক্ত। চিরকালই বড্ড কম কথা বলে, পাড়ার কারও সঙ্গেই তার বাকবিতণ্ডা নেই। সেই চৈতি দিদিমণির আজকের রূপ কেমন যেন হতভম্ব করে দেয় তাকে৷ কেমন কর্কশ গলায় বললেন কথাগুলো! আর চোখ-মুখের অমন অবস্থাই বা হল কীভাবে! যেন মনে হয় কতকাল ঘুমোননি!

    অন্যমনস্কভাবে চলতে চলতে পাড়ার পানবিড়ির দোকানের সামনে দাঁড়ায় লোকটা। দোকানি শিবুকে একটা সিগারেট দিতে বলে নিচুগলায় শুধোয়, “ভূতবাড়ির দিদিমণির হল কী! বাচ্চাটাচ্চা দত্তক নিলেন নাকি! গলার স্বরই বদলে গেছে!”

     

    আরও দেখুন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    রেসিপি বই
    বাংলা কৌতুক বই
    গল্প, কবিতা
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    পিডিএফ

     

    দোকানদার শিবু ঠোঁট ওলটায়, “জানিনে বাপু, তিনদিন ধরে তেনাকে তো স্কুলে যেতেও দেখছিনে। সারাদিন ঘরের ভেতর আটক থেকে কী যে করেন জানিনে। তবে বাঁজা মহিলাকে বাচ্চা দেবে কেডা! কী যে বলো!”

    দোকানি অন্য খদ্দেরকে জিনিস দিতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। দোকান থেকে পায়ে পায়ে বেরিয়ে আসে লোকটা। পেছন ফিরে একবার একতলা বাড়িটাকে দেখে নেয় ভালো করে। এই বাড়ি সম্পর্কে কারও মুখেই ভালো কথা শোনা যায় না। সে শুনেছে, আগে যে বুড়ি এই বাড়িতে থাকত সেও মারা গিয়েছে ভূতের হাতেই। মরার সময় কী বীভৎস অবস্থা হয়েছিল বেচারির চোখ-মুখের! ভাবলেও এখনও গায়ে কাঁটা দেয় লোকটার। এই দিদিমণির বড্ড সাহস! সকলে বারণ করার পরেও থেকে গিয়েছিলেন। খারাপ কিছু হল না তো!

    ভাবতে ভাবতে পথ হাঁটে লোকটা। চৈত্রের খরখরে রোদ চোখে লেগে চোখ জ্বালা করে তার। বাঁওড় থেকে একটা অদ্ভুত পচা গন্ধ উঠে আসছে। ধীরে ধীরে তা ছড়িয়ে পড়ছে চারপাশে। একতলা ছোট্ট বাড়িটা যেন ধূসর কুয়াশায় ঢেকে হারিয়ে যাচ্ছে লোকটার সামনে থেকে। বাড়িটা থেকে ভেসে আসছে একটি বাচ্চার তীক্ষ্ণ চিৎকার। হাড় হিম করা সেই চিৎকার ভরদুপুরেও স্নায়ু বেয়ে হিমজলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    লাইব্রেরি
    PDF বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বই
    Books
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    গল্প, কবিতা

     

    (৩)

    “জেদ করিসনে বাবা! একটু খেয়ে নে! আমার সোনা মানিক… মায়ের কথা শুনতে হয় বাছা!”

    অন্ধকার ঘরে কারও উদ্দেশে কাকুতি মিনতি করছে চৈতি। বারবার হাতজোড় করে তাকে বলছে শান্ত হতে। কিন্তু তার থামার কোনও লক্ষণ নেই। অন্ধকারের ভেতরে গুমরে ওঠা নরকের আঁচে যেন ফুটে চলেছে সে, তার মর্মন্তুদ আর্তনাদ কাঁপিয়ে দিচ্ছে প্রতিটা পুরনো ইঁট। চৈতির কানের ভেতরটা ঝিনঝিন করছে, যেন রক্ত বেরিয়ে আসতে চাইছে প্রাণপণে। প্রায় তিনদিন হল কিচ্ছু খায়নি চৈতি, পেটের ভেতরটা যেন অসাড় হয়ে রয়েছে তার। তেতো স্বাদ উঠে আসছে গলা বেয়ে।

    “অমন করিসনে বাবা! মাকে ক্ষমা করে দে এবারের মতো! আর কখনও কেউ আসবে না এ বাড়িতে। আমি সব্বাইকে মানা করে দেব। তুই শুধু রেগে যাসনে বাছা। মায়ের কথা শোন, একটু খেয়ে নে!”

    হাতে মাখানো ভাতের দলা নিয়ে অন্ধকারের উদ্দেশ্যে অনুরোধ জানায় চৈতি। মেঝেতে সশব্দে মাথা ঠোকে। অন্ধকার ঘরের কোণে অদ্ভুত আলোড়ন বোঝা যায়। কী যেন একটা হামাগুড়ি দিয়ে ক্ষিপ্রগতিতে এগিয়ে আসে। চৈতি মাথা তোলার আগেই ‘ওফফ’ শব্দে কাতরে ওঠে সে। ভাতের দলামাখানো তার আঙুলগুলো ভাতের সঙ্গেই চালান হয়েছে অন্ধকারের গর্ভে, ক্ষতস্থান বেয়ে দরদরিয়ে ঝরছে রক্ত! লম্বা জিভ দিয়ে মেঝেতে পড়া রক্ত চেটে খায় অন্ধকারের জীব, তারপর ধারালো দাঁত বের করে খিলখিলিয়ে হাসে। কোনও অবোধ শিশুর মতোই স্নিগ্ধ সেই হাসি। মুখে আঁচল চাপা দিয়ে যন্ত্রণার আর্তনাদ রোধ করতে করতে সেই হাসির দিকে তাকিয়ে তৃপ্তির শব্দ করে চৈতি। ঘোলাটে অন্ধকারে তার রক্তাক্ত হাত থরথর করে কাঁপে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    অনলাইন বুকস্টোর
    Books
    বইয়ের তালিকা
    বই
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বই পড়ুন
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা অডিওবুক

     

    তিনদিন আগের সেই ঝড়ের সন্ধ্যায় শিশুর কান্নার শব্দ শুনে দরজা খুলে দিয়েছিল সে৷ বাঁওড়ের পচা কাদা মেখে উঠে আসা ছোট্ট বিকলাঙ্গ শরীরটা লালচে গভীর চোখ মেলে তাকিয়েছিল তার দিকে, আধোস্বরে ডেকেছিল ‘মা’! তারপরে আর কিচ্ছু মনে নেই চৈতির।

    তার চোখের সামনে থেকে মুছে গিয়েছে তার অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যৎ, স্বজনবর্গের কারও মুখ আর তার মনে নেই। তার শুধু মনে আছে একটা ছোট্ট জীব ঘাঁটি গেড়ে বসে রয়েছে তার ঘরে। ধীরে ধীরে শুষে নিচ্ছে তার জীবনীশক্তি। আস্তে আস্তে পুষ্ট হচ্ছে সে, হামাগুড়ি দিয়ে চলে বেড়াচ্ছে ঘরময়। খিলখিল শব্দে হাসছে, কখনও বা তীক্ষ্ণস্বরে কেঁদে উঠছে। মানুষ পছন্দ করে না সে, ক্ষিপ্ত হয়, ছুটে গিয়ে ছিঁড়ে নিতে চায় তাদের গলার নলি। অতিকষ্টে তখন তাকে নিরস্ত করে চৈতি। তার শরীরের এখানে ওখানে মাংস কামড়ে তুলে নিয়েছে সে, তবুও চৈতি অপত্যস্নেহে হাত বুলোয় তার কেশহীন মাথায়। রক্তজবার মতো লাল চোখে উথলে ওঠে স্নেহ। শত হলেও শিশু তো! ‘মা’ বলে যখন ডাকে তখন যে প্রাণটা ভরে ওঠে তার! ছিন্ন আঙুলের ডগাটা আরেকটু চিপে রক্ত বের করে বলে,

    “খা বাবা! খেয়ে তাড়াতাড়ি সুস্থ হ দিকি!”

     

    আরও দেখুন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    PDF
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    স্বাস্থ্য টিপস
    পিডিএফ
    Books

     

    (৪)

    “বাঁওড়ের ভূত ফিরে আইছে খুড়ো! ওই ভূতের বাড়িতে এখন রয়েছে সে! কাল রাতের বেলা বড় বাইরে পাওয়ায় একাই উঠে বাইরে আসি। তখনই বাড়িটার ছাদে দেখতে পাই। ওই মহিলা… ওই দিদিমণি ওরে ফিরায়ে আনছে খুড়ো! পাড়ার লোকেদের আর ছাড়বে নে সে!”

    সকালবেলা গনশার চায়ের দোকানে আড্ডারত প্রবীণদের কাছে হাউমাউ করে কেঁদে পড়ে শিবু পানওয়ালা।

    “বলিস কী শিবু! বাঁওড়ের ভূত তো সেই কবেকার কথা! তার পরিবার পাড়া ছেড়ে চলে যাওয়ার পরে আর তো দেখা যায়নি তাকে!”

    হাতে ধরা খবরের কাগজ দিয়ে বাতাস খেতে খেতে বললেন এক বৃদ্ধ।

    “খুড়ো বিশ্বাস করেন, মিছে কতা কইছিনে। সত্যই কাল রাতে দেখেছি তাকে, ওই দিদিমণির কোলে। মোর চোখ এতো খারাপ নয় যে ভুল দেখব!”

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য
    Books
    ডিকশনারি
    বইয়ের
    বাংলা বই
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    লেখকের বই
    বই
    বাংলা কৌতুক বই

     

    হাঁফাতে হাঁফাতে বলে শিবু।

    “আচ্ছা বেশ, চল দিদিমণির বাড়ি। সবাই মিলে যাই। যতদূর জানি, বাঁওড়ের ভূত যাকে ধরে তার আচার আচরণে বড়রকমের পরিবর্তন হয়। সেরকম হলে সনাতন ওঝাকে একটা খবর দিতে হবে।”

    চায়ের দোকান ছেড়ে উঠে আসেন প্রবীণদের দল, সকলে মিলে এগিয়ে যান ছোট্ট একতলা বাড়িটার দিকে। কিছুটা এগোতেই অদ্ভুত পচা গন্ধে দমবন্ধ হয়ে আসে তাঁদের।

    “বলেছিলাম খুড়ো! শিবু পানওয়ালা মিছে কথা কয়নে। দিদিমণি আজকাল স্কুলে যান না, বাজার করতেও বেরোন না। হলটা কী তবে!”

    প্রবীণদের দলটা পায়ে পায়ে বাড়িটির দিকে এগোয়। বেশিদূর এগোতে হয় না, চৈতির তীব্র আর্তনাদ সকলকে অবশ করে ফেলে বাইরেই। দরজার কড়া নাড়তে ভুলে যান তাঁরা। শুনতে পান চৈতির করুণ কণ্ঠস্বর, “কাউকে কিছু করিসনে বাবা… ওনারা চলে যাবেন… মায়ের কথা শোন… জেদ করিসনে…”

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা অডিওবুক
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    নতুন বই
    PDF বই
    বই
    লেখকের বই

     

    কথা শেষ হওয়ার আগেই আবার তীক্ষ্ণস্বরে চেঁচিয়ে ওঠে চৈতি। প্রবীণদের দলটা তড়িঘড়ি বাড়ির সামনে থেকে সরে আসে। মুখ কালো হয়ে গিয়েছে সকলের। মনে পড়ে যাচ্ছে কুড়ি বছর আগের সেই ঝড়বৃষ্টির রাত।

    নিজের চারবছরের বিকলাঙ্গ পুত্রসন্তানকে বাঁওড়ের জলে চুবিয়ে মেরেছিলেন তার মা, নিত্য সাংসারিক অশান্তি ও অনুযোগের বহর পাগল করে দিয়েছিল তাঁকে। ভোরের দিকে বাঁওড়ের জলে ভেসে উঠেছিল বাচ্চাটির নিথর দেহ। পুলিশ তার মাকে ধরে নিয়ে যায় এবং কিছুদিন পরে তার পরিবারও পাড়া ছেড়ে চলে যায়। যতদিন তার পরিবার পাড়া ছেড়ে যায়নি সেই রাতগুলির কথা মনে করলে এখনও ভয়ে কেঁপে ওঠেন প্রবীণ মানুষগুলো।

    প্রতিরাতে শিশুর কান্না ও রাস্তাজুড়ে তার ঘষে ঘষে এগিয়ে যাওয়ার শব্দে তটস্থ হয়ে থাকতেন সকলে। পাড়ার মুখরা বাগদী বউ বেঘোরে প্রাণ দিল তার কবলে পড়ে। সনাতন ওঝা অনেক কষ্টে মন্ত্র পড়ে বাঁওড়ের জলেই বেঁধে দিয়েছিল তাকে। শান্তস্বরে বলে গিয়েছিল, “সাবধান বাবুরা, এবারের মতো বেঁধে দি গেলাম, পরেরবার কিন্তু পারব না। বাঁওড়ের জলে ভুলেও নামবেন না কেউ।”

     

    আরও দেখুন
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    গল্প, কবিতা
    Library
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    লেখকের বই
    বই পড়ুন
    নতুন বই
    স্বাস্থ্য টিপস
    Books
    অনলাইন বুকস্টোর

     

    তবে কি কেউ নেমেছিল বাঁওড়ে!

    উত্তর পাওয়া গেল সেদিন সন্ধ্যাবেলায়। পাড়ার ছেলের দল খেলতে খেলতে বল ফেলে দেয় বাঁওড়ে। পাড়ার অকুতোভয় ছোঁড়া গোপাল সেই বল আনতে নেমেছিল জলে। দিন সাতেক আগের কথা এটি।

    “সনাতনকে ডেকে বাড়ির চারধার বন্ধন করে দিই বুঝলে! এমনিতেই ওই ভূতের বাড়িতে কেউ যায় না। বন্ধন করে বাইরে থেকে তালা দিয়ে দিলে আর সমস্যায় পড়তে হবে না কাউকে৷”

    নিচু স্বরে বলেন এক প্রবীণ ব্যক্তি।

    “কিন্তু দিদিমণি! উনি তো এখনও সেই ভূতের সঙ্গে আছেন, ওনাকে বাঁচাবার ব্যবস্থা করবেন নে খুড়ো!”

    হতবাক হয়ে জানতে চায় পানওয়ালা শিবু।

    “ও কি আর বেঁচে আছে নাকি! বাগদী বউকে ওই বাঁওড়ের ভূত কী করে খেয়েছিল মনে নেই! একেও হয়ত সেভাবেই সাবাড় করে ফেলেছে। ঘরছাড়া বাঁজা মেয়েমানুষ, কেউ খুঁজতে আসবে না ওকে। পাড়ার সকলকে বাঁচানোটা বেশি জরুরি এখন।”

    প্রবীণদের কথায় সায় দেয় সকলে। দু’জন লোক তখনই সাইকেল নিয়ে রওনা হয়ে যায় সনাতন ওঝার খোঁজে।

    (৫)

    মধ্যরাতের ঘোর কাটিয়ে তখনও জেগে ওঠেনি ছায়াশরীরের দল, ঝাপসা কুয়াশার আস্তরণে ঢেকে রয়েছে মফস্বলের উদাসীন আকাশ।

    তীব্র চিৎকারে ধড়ফড় করে উঠে বসে চৈতি। ঘরের ভেতরটা ভরে গিয়েছে ধোঁয়ায়, বাইরে কেউ ধুনি জ্বালিয়েছে হয়তো। ঘরের অন্ধকারতম কোণ থেকে তীক্ষ্ণস্বরে ভেসে আসছে অমানুষিক চিৎকার, কিছু বুঝে ওঠার আগেই চৈতি অনুভব করে তার সারা শরীর জ্বলছে৷

    শরীরের এদিকে ওদিকে কামড়ের ক্ষত… কিছু পুরানো, কিছু টাটকা, যেন কেউ সদ্যই কামড় দিয়ে ছিঁড়ে নিয়েছে দেহতন্তু। রক্তক্ষরণে দুর্বল শরীর নিয়ে চৈতি চ্যাঁচায়।

    “তোমরা চলে যাও, আমাদের মেরো না… আমরা বেঁচে আছি…”

    প্রতিটা শব্দ বড় কষ্ট করে উচ্চারণ করে সে, ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে আসে তার।

    বাইরের মানুষগুলো তার কথা শুনতে পেয়েছে কি পায়নি ঠিক বোঝা যায় না। ঘরের চারকোণে চারটি কাঁচা লোহার খিল পুঁতে দেয় সনাতন ওঝা, নাকিসুরে মন্ত্র পড়তে পড়তে কালচে গুঁড়ো ছড়িয়ে দেয় মাটিতে। চৈতির মনে হয় যেন কেউ আগুন লাগিয়েছে তার শরীরে, এক বেপরোয়া বাতাস যেন বন্ধ ঘরের ভেতরে ঢুকে তাকে আছড়ে ফেলে মেঝেতে। কোনওক্রমে শরীর ঘষতে ঘষতে দরজার দিকে এগোয় সে, প্রাণপণে ধাক্কা দেয় নিথর দরজায়, “দরজা খোলো… আমায় বেরোতে দাও… আমি বেঁচে আছি…”

    ঘরের বাইরের লোকগুলো ধীরে ধীরে চলে যায়, চৈতির গলার স্বর নিস্তব্ধ অন্ধকারে মাথা খুঁড়ে মরে, কেউ সাড়া দেয় না।

    একমাস পরে…

    “ম্যাডাম পোস্টম্যান! আপনার মানি অর্ডার এসেছে!”

    কালো সুতো দিয়ে আগাপাশতলা বন্ধন করা দরজার বাইরে থেকে হাঁক পাড়ে লোকটা। তাকে সকলে বলেছিল বাড়িতে কেউ নেই, কিন্তু এইতো সে শুনতে পাচ্ছে চৈতির গলার স্বর, সুর করে গাইছে সে…

    “সোনা ঘুমাল, পাড়া জুড়াল বর্গি এল দেশে… বুলবুলিতে ধান খেয়েছে খাজনা দেব কীসে!”

    ক্ষিপ্রহাতে দরজার কড়ায় আটকে রাখা কালো সুতোগুলো ছেঁড়ে লোকটা। এই পাড়ার মানুষগুলো অন্ধবিশ্বাসী, অনেক আগে থেকেই ভূতের বাড়ি বলে ডেকে দিয়েছিল বাড়িটাকে।

    সুতো ছেঁড়ার সঙ্গে সঙ্গেই থেমে যায় গান। কিছু একটা যেন ঘষতে ঘষতে এগিয়ে আসে দরজার সামনে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই এক শীর্ণকায় শিশুর কালো হাত অল্প খোলা দরজার ফাঁক দিয়ে হাত বাড়ায়।

    ভেতরে চৈতি খিলখিলিয়ে হাসে।

    ***

    রিয়া ভট্টাচার্য

    জন্ম পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়গপুর শহরে। প্রথম ছাপার অক্ষরে আত্মপ্রকাশ সিসৃক্ষা প্রকাশনীর ‘প্রিজম’ গল্প সংকলনে। একক বইয়ের সংখ্যা আপাতত ছয়টি। রয়েছে গল্পগ্রন্থ – ‘স্মৃতিমেদুর গল্পগুলো’, ‘অশনি সংকেত’, ‘প্রেতছায়া’, ‘অরিহন্ত্রী’ এবং কাব্যগ্রন্থ ‘বিরহিয়া বারিষনামা’ ও ‘অনুভবের সালতামামি’। এছাড়াও ‘আরবান লেজেন্ডস’ (পলান্ন প্রকাশনী), ‘ভয়ঙ্কর বিশ’ (পালক পাবলিশার্স), ‘কাব্যফেরী’ (অক্ষরসংলাপ প্রকাশন), ‘শ্রমণা কাব্যসংকলন’ (রা প্রকাশন) ইত্যাদি সংকলনে কাজ করেছেন তিনি। লিখেছেন “নবকল্লোল”, “ভবিষ্যৎ ম্যাগাজিন”, “আজকের অনন্যা”, “যুগসাগ্নিক”, “ভিস” ইত্যাদি পত্র-পত্রিকায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভৌতিক অলৌকিক ২ – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার
    Next Article সন্ধিক্ষণ : প্রতিকূলতা জয়ের লক্ষ্যে যাত্রা – এ পি জে আবদুল কালাম

    Related Articles

    বিশ্বরূপ মজুমদার

    ভৌতিক অলৌকিক ২ – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার

    November 4, 2025
    বিশ্বরূপ মজুমদার

    ইতিহাস কথা বলে – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার

    November 4, 2025
    বিশ্বরূপ মজুমদার

    রহস্য রোমাঞ্চ : সম্পাদনা – বিশ্বরূপ মজুমদার

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }