Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভৌ – বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প245 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঔষধে মন মানে না

    মৃত্তিকার ছোটবেলা কেটেছে লাভপুরে। বাবা সেচ দফতরে কাজ করতেন। বাবার অফিস ছিল বোলপুরে। কিন্তু বাসা ভাড়া নেওয়ার সময় নিয়েছিলেন লাভপুরে। পরে ওখানেই জমি কিনে ওদের বাড়ি হয়। ছোটবেলায় বুঝত না, কিন্তু একটু বড় হতেই ও অনেকবার মাকে জিজ্ঞেস করেছে, কেন বোলপুরে ওদের বাড়ি হল না! মা বলত যে মা জানে না, কিন্তু একটু চাপাচাপি করলেই বেরিয়ে আসত আসল তথ্যটা। মৃত্তিকার বাবা মনে করতেন যে, বোলপুর বা শান্তিনিকেতনে থাকলে ছেলে-মেয়েরা মানুষ হয় না, বখে যায়।

    বোলপুরে থাকলে ছেলে-মেয়েরা বখে যায়? কিংশুক হতভম্ব হয়ে ওকে জিজ্ঞেস করত ওর বাবার ধারণা শুনে।

    হ্যাঁ, বাবা মনে করে রবীন্দ্রনাথের গান গাইলে, কবিতা আবৃত্তি করলে মেয়েদের মন উড়ুউড়ু হয়ে যায়, তারা বিয়ে-থা করে ঠিকঠাক সংসার করতে পারে না, মৃত্তিকা মাথা একটু নিচু করে বলত।

    আর ছেলেদের কী হয়?

    ছেলেরা মেয়েলি হয়। নাচের দলে ভিড়ে ‘ওরে গৃহবাসী খোল দ্বার খোল’ করে, মৃত্তিকা নাচের ভঙ্গি করে দেখাত।

    হেসে গড়িয়ে পড়ত কিংশুক। হাসতে হাসতেই বলত, তোমার বাবাকে দেখলে আমি কী বলতাম জানো? আপনাকে তো কালটিভেট করতে হচ্ছে মশাই!

    হ্যাঁ, বাবা তোমাকে উলটে আলুখেতে পেড়ে ফেলে বলদ চালিয়ে দিত তোমার ওপর দিয়ে।

    কিংশুক চুপ করে যেত। মৃত্তিকা আস্তে আস্তে আরও কাছে সরে এসে ওর কাঁধে মাথাটা রাখত। কিংশুকের মনে হত যেন সব ভার নেমে যাচ্ছে। এবার ও একটা ঘুড়ির মতো উড়ে যেতে পারবে যেখানে খুশি। চোখ বন্ধ করে ফেলত মৃত্তিকা। জিজ্ঞেস করত, তুমি চণ্ডীমঙ্গল পড়েছ?

    কেন বলো তো?

    না, ওই যে ফুল্লরা, কালকেতু…

    যেন হঠাৎ কিছু মনে পড়ে গেছে এভাবে কিংশুক বলত, হ্যাঁ হ্যাঁ, ওই কালকেতু লোকটা শিকার করত তো?

     

    আরও দেখুন
    গল্প, কবিতা
    বই ডাউনলোড
    অনলাইন বুকস্টোর
    ডিকশনারি
    বই
    রেসিপি বই
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    Library

     

    সেই ফুল্লরার নামে একটা বড় মন্দির আছে আমাদের ওখানে। কত লোকে মানতের সুতো বেঁধে আসে।

    তোমারও যাওয়ার ইচ্ছে?

    ইচ্ছে তো। কিন্তু পঞ্চমুণ্ডির আসনের পাশেই যে-বটগাছ, সেটাতে বাঁধতে হয় অমাবস্যার রাতে।

    তাতে কী হল?

    আমার ভয় করে না বুঝি? ওই প্রায় গ্রাম এরিয়া, ঘুরঘুট্টি অন্ধকার, শেয়াল ডাকছে দূরে…

    মৃত্তিকাকে থামিয়ে দিয়ে কিংশুক বলে, তো? তোমার বাবা তো পুলিশ।

    মৃত্তিকা কিছু না বলে অন্যদিকে মুখ ঘুরিয়ে নেয়। ওর সেই ঘুরিয়ে নেওয়া মুখের দিকে তাকিয়ে কিংশুক দেখে দু’ফোঁটা জল টলটল করছে চোখে। সেই অশ্রুবিন্দু ওর গাল বেয়ে নামতে শুরু করলেই কিংশুক ঠোঁট দিয়ে তা তুলে নেয়!

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বুক শেল্ফ
    উপন্যাস সংগ্রহ
    PDF
    অনলাইন বুকস্টোর
    রেসিপি বই
    স্বাস্থ্য টিপস
    ডিকশনারি
    বই
    বই ডাউনলোড

     

    পার্কে বসে পরস্পরকে আদর করতে থাকা প্রেমিক-প্রেমিকারা অন্যদের খেয়াল করে না। স্বল্প সময়ের জন্য সবাই নিজেদের ঘিরে একটা নিরুদ্দেশ তৈরি করে নেয়। সেই নিরুদ্দেশের ভিতরেও একটা পঞ্চমুণ্ডির আসন আছে, অমাবস্যা আছে। মৃত্তিকাকে আদর করতে করতে কিংশুকের মনে হত ওর জিভ শুধু যে মৃত্তিকার জিভের সঙ্গেই জড়িয়ে যাচ্ছে তা নয়, জড়িয়ে যাচ্ছে মৃত্তিকার ভিতরের কোনও অমাবস্যার সঙ্গে যার হদিশ ও আগে পায়নি।

    কিংশুকের যত্ন করে আদর করার ধরন ভাল লাগত মৃত্তিকার। দুটো পাহাড়ের মধ্যে উপত্যকার মতো দুটো চুম্বনের মাঝখানে ‘স্পেস’ তৈরি করতে জানত ও। সেই পরস্পরকে ছুঁয়েও আলগা থাকার মুহূর্তগুলোয় কিংশুকের গভীর দুটো চোখ ওর ভিতরের জটিলতাগুলো পড়ে নিতে চাইত। বুঝতে চাইত উদ্দাম একটা মেয়ের গোপন রূপান্তরের কারণ। মৃত্তিকা নির্লিপ্ত চোখে তাকাত সেই দৃষ্টিতে লুকোনো জিজ্ঞাসার দিকে…

    মেসে কিংবা হস্টেলে থাকাকে মৃত্তিকার বাবা সন্দেহের চোখে দেখতেন বলে ইছাপুরে ওর পিসির বাড়িতে থাকত মৃত্তিকা। তাতে সুবিধেই হয়েছিল ওর। হস্টেল বা মেসে থাকতে হলে যেরকম কড়াকড়ির মধ্যে থাকতে হয়, এখানকার নিয়মকানুন তার তুলনায় অনেক নমনীয় ছিল। মৃত্তিকা যদি কোনওদিন ওর কোনও বন্ধুর বাড়িতে কিংবা হস্টেলে থেকে যাবে মনে করত, পিসিকে একটা ফোন করে দিলেই চলত। পিসির দুই মেয়েই বাইরে। একজনের বিলাসপুরে বিয়ে হয়েছে, আর একজন প্রেম করে কাছেই বিয়ে করেছিল, কিন্তু তার বর এয়ারফোর্সের ইঞ্জিনিয়ার, এখন রাজস্থানের কোনও প্রত্যন্তে এরোপ্লেনের ডানা সারাচ্ছে। পিসেমশাই রিটায়ার করে সারাদিন ঘরে লোক ডেকে এনে হাঁক পাড়েন, ‘মায়া, চা দিয়ে যা।’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা কৌতুক বই
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    গল্প, কবিতা
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা গানের লিরিক্স বই

     

    মায়া এ-বাড়ির বহুদিনের কাজের লোক। একটু চেঁচিয়ে কথা বললেও মানুষটা ভাল। বলতে গেলে এই বাড়িতে মায়ারই হুকুম চলে। মৃত্তিকা হাসিমুখে আগ বাড়িয়ে সেই অধীনতা মেনে নিয়েছে বলে মায়ার সঙ্গে ওর নেহাতই সুসম্পর্ক। মাঝেমধ্যে পিসির মেয়েরা বেড়াতে এলে একটু-আধটু গোয়েন্দাগিরি করে, তা নইলে ইছাপুর সত্যিই মৃত্তিকার ইচ্ছাপুর। ওর কোনও কাজে কেউ নাক গলাতে আসে না।

    মৃত্তিকা সেই স্বাধীনতার কোনও সুযোগ নেয়নি। এমনকী কিংশুকের সঙ্গে আলাপের পরপরও নয়। মিথ্যে করে বলেছে যে, ওর বাবা পুলিশে বড় চাকরি করেন। এমন একটা ভাব দেখিয়েছে যেন কোনও শক্তিশালী টেলিস্কোপ ওকে পর্যবেক্ষণে রাখছে, একটু কক্ষচ্যুত হলেই ধুন্ধুমার বেধে যাবে। কিন্তু সেই বলার ভিতর দিয়ে ‘না’-এর চাইতে বড় হয়ে বেরিয়ে এসেছে একটা ‘হ্যাঁ’। একটা যুদ্ধ, যেটা খোলাখুলি লড়ার সামর্থ্য ওর এই মুহূর্তে নেই।

    কীসের যুদ্ধ? কার বিরুদ্ধে? মৃত্তিকার বাবা? নাকি কৃষ্ণগোপাল, যার সঙ্গে ওর বিয়ে ঠিক হয়ে আছে আজ চার বছরের ওপর?

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা ই-বুক রিডার
    অনলাইন বুকস্টোর
    PDF
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    নতুন বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    লাইব্রেরি

     

    কলকাতার কলেজে ভরতি হওয়ার পর প্রথম মৃত্তিকা বাড়ি গিয়েছিল পুজোর ছুটিতে। তখনই ওর সঙ্গে দেখা হয় কৃষ্ণগোপালের, মানে দেখা করানো হয়। বাবার এক সময়ের সহকর্মীর ছেলে কৃষ্ণগোপাল তখন এমএসসি ফাইনাল দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। পড়াশোনায় দুর্দান্ত, কিন্তু পড়াশোনা ছাড়া অন্যান্য বিষয়ে নেহাতই গাড়ল। তো সেই কৃষ্ণগোপালের সঙ্গে মৃত্তিকার বাবা নিজের বড় মেয়ের সম্বন্ধ করলেন। কৃষ্ণগোপালের বাবা সুধাংশুবাবুর মৃত্তিকাকে দেখে ভারী পছন্দ হয়ে গেল এবং উনি একটা সোনার চেন মৃত্তিকার গলায় পরিয়ে দিয়ে তখনই ব্যবস্থা পাকা করার উদ্দেশ্যে পা বাড়িয়ে রাখলেন।

    মৃত্তিকা কিছু বুঝতেই পারছিল না। এত তাড়াহুড়ো, এত পাকাপাকি সব কী জন্য, ওর মাথাতেই আসছিল না। বিহ্বলতা ঝেড়ে ফেলে যখন ও ঘাড় বেঁকিয়ে বসল, তখনই রুদ্রমূর্তি দেখা গেল ওর বাবার। মৃত্তিকা বুঝতে পারল, এই বিয়েতে সম্মতি না দিলে আর কলকাতায় যেতে দেওয়া হবে না ওকে, চাই কী পড়াশোনা বন্ধ করিয়ে ঘরে বসিয়ে দেওয়া হবে! সেসময় বলা ওর বাবার একটা কথা এখনও চাবুক মারে ওর সর্বাঙ্গে। ও বলেছিল, আমার কীই বা বয়স। আমি এখনই এত বড় অঙ্গীকার করতে যাব কেন? যদি এর চেয়েও ভাল ছেলে আসে আমার জীবনে?

     

    আরও দেখুন
    বুক শেল্ফ
    বাংলা কৌতুক বই
    পিডিএফ
    বইয়ের
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা বই
    PDF
    লেখকের বই
    রেসিপি বই
    স্বাস্থ্য টিপস

     

    মৃত্তিকার বাবা উত্তরে বললেন, ভাল ছেলেরা নিজেদের থেকে মেয়েদের কাছে যায় না। যারা যায়, তারা ভাল ছেলে নয়। অবশ্য তারা সেসব মেয়েদের কাছেই যায়, যারা অন্ধকারে গলিতে দাঁড়ায়। তুমি কি গলিতে দাঁড়াবে?

    এত ঘেন্না হয়েছিল ওর যে ঠিক করেছিল, গলিতে গিয়ে দাঁড়াব তবু এই বাড়িতে আর নয়! কিন্তু কৃষ্ণগোপালের বাবার সঙ্গে কথা বলতে বলতে সেই গনগনে রাগের ওপরে একটা স্নিগ্ধতার প্রলেপ পড়েছিল। সেই স্নিগ্ধতায় স্নাত মৃত্তিকা একসময় সুধাংশুবাবুকে জিজ্ঞেস করে ফেলল, আপনার ছেলের নাম কৃষ্ণগোপাল কেন?

    সুধাংশুবাবু গম্ভীর হয়ে বললেন, আসলে ওর আগে আমাদের আর একটি পুত্রসন্তান হয়েছিল, সে বাঁচেনি। ও হওয়ার আগে আমাদের ওখানকার কৃষ্ণগোপাল মন্দিরে আমার মা মানত করেছিল, ছেলে যদি সুস্থভাবে জন্মায়, তা হলে ঠাকুরের নামে নাম রাখবে। তাই…

    মৃত্তিকার বাবা ওদের কথার মধ্যে ঝাঁপিয়ে পড়ে বলল, ওইরকম নামই তো ভাল। আমার মেয়ের অত ফ্যাশনেবল নাম আমি রাখতাম নাকি? আমার গিন্নির ছোটভাই কাব্যচর্চা-টর্চা করে, সেই ওরকম আঁতেলমার্কা একটা নাম রাখল, বুঝলেন?

     

    আরও দেখুন
    বুক শেল্ফ
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    উপন্যাস সংগ্রহ
    অনলাইনে বই
    লাইব্রেরি
    স্বাস্থ্য টিপস
    লেখকের বই
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বইয়ের

     

    সুধাংশুবাবু হেসে বললেন, মৃত্তিকা তো মাটি। মৃত্তিকা তো ফ্যাশনেবল নয়।

    তারপর মৃত্তিকার দিকে তাকিয়ে বললেন, তুমি সদ্য-সদ্য কলেজে ঢুকেছ, আমি বুঝতে পারছি, তোমার মনের ভিতর কী চলছে। তুমি এসব কিছু মাথার ভিতরে ঢুকিয়ো না। পড়াশোনা করো, কৃষ্ণও ফাইনাল দিয়ে রিসার্চ করুক, আমরা তিন-চার বছর পরের একটা ঘটনার সূত্রপাত করে রাখলাম মাত্র।

    মৃত্তিকা শুনল, আবার শুনল না। ওর মাথায় তখন অন্য অনেক জিনিস শুরু হয়ে গেছে। ও ভাবছে, এই যে তিন-চার বছর সময় পাবে এর মধ্যেই ওকে অন্য একটা পৃথিবীর ব্যবস্থা করে নিতে হবে নিজের জন্য। শিবাজি যেমন ফলের বাক্সর ভিতরে চেপে পালিয়ে গিয়েছিলেন, ওকেও তেমনি ওই তিন-চার বছর সময়ের মধ্যে দিয়ে পালিয়ে যেতে হবে। ওই সময়টাই ওর অস্ত্র। নিজের পছন্দসই একটা জীবনের কাছে লুকিয়ে পৌঁছে যাওয়ার বাক্স।

    কিন্তু হাসি-ঠাট্টা-আড্ডা-পরীক্ষা-পুজো-ফ্যাশন সবকিছুর মধ্যে পাক খেতে খেতে ওর অন্য কোনও জীবনের কাছে পৌঁছোনোর স্বপ্নে জং ধরে গিয়েছিল। সেই উত্তরণ যেন নেহাতই একটা স্টেশন, যেখানে না নামলে পরের স্টেশনে নেমে যাওয়াই যাবে, এরকম একটা গয়ংগচ্ছ ভাবের শিকার হয়ে মৃত্তিকা কুর্তি আর জিন্‌সে যতটা মন দিল, অন্য কোনও সম্পর্ক তৈরি করায় ততটা নয়। কৃষ্ণগোপাল দিল্লিতে গেল রিসার্চ করতে। যাওয়ার আগে তিনদিন-চারদিন বেরোল ওরা। কেনাকাটি ঘোরাফেরা করতে করতে মৃত্তিকার মনে হল, এমন কিছু অসহ্য নয়! কৃষ্ণগোপাল অনেক গল্প করল ওর সঙ্গে। আরামবাগ থেকে বিষ্ণুপুর যাওয়ার পথে ওদের গ্রাম ধবলপুর, সেখানকার সব মন্দির কিংবা আটচালার টেরাকোটার কাজ কীরকম অননুকরণীয়, তাই নিয়েই বকে গেল ঝাড়া পনেরো মিনিট। মৃত্তিকা শুনতে শুনতে বলল, তাজমহলের ডিজাইন কি ওখান থেকেই চুরি করা হয়েছিল?

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    ডিজিটাল বই
    বাংলা বই
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    ই-বই পড়ুন
    বইয়ের
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    লেখকের বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন

     

    কৃষ্ণগোপাল কিছুক্ষণ মাথা চুলকে বলল, মানে?

    ব্যবহারিক জীবনের একটা মলম আছে। প্রাত্যহিক কাটা-ছেঁড়াকে সে নিজের মতো করে সামলে নেয়। মৃত্তিকার মনে হল যে, ও কৃষ্ণগোপালকে সামলে নিতে পারবে। লোকটা কেমিক্যাল বায়োলজির এত কিছু জানে, ওষুধ বানায়, যে-ওষুধ হয়তো কত কত মানুষের প্রাণ বাঁচাবে, শুধু জানে না কথা বলতে। সেটা কী এমন ঘাটতি?

    কিছুই না। কিংশুককে যখন ওর ভাল লাগতে শুরু করেছে একটু একটু, তখনও কিছুই নয় বলেই মনে হত মৃত্তিকার। ও গোপন রাখতে চাইত ওদের দেখাসাক্ষাৎ, কারণ ও বিশ্বাস করত শেষমেশ কৃষ্ণগোপালই ওর গন্তব্য, ওর পরিণতি।

    তা হলে তুমি কী করতে এসেছিলে আমার সঙ্গে? মস্তি? কিংশুক জিজ্ঞেস করল।

    কিংশুককে সমস্ত কিছু জানানোর অভিঘাতে মৃত্তিকা ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছিল। কান্না থামিয়ে বলল, আমি বুঝতে পারিনি, বিশ্বাস করো। আমার তোমায় খুব ভাল লেগেছিল।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    গল্প, কবিতা
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    Library
    ডিজিটাল বই
    বইয়ের
    বই ডাউনলোড

     

    তাই আমাকে এই শাস্তি দিলে?

    আমি তোমায় শাস্তি দেব বলে কিছু করিনি, শাস্তি কি আমি নিজেও পাচ্ছি না?

    তোমার আবার কীসের শাস্তি! বড় সায়েন্টিস্ট তোমার বর, তুলোর বিছানায় রাখবে তোমাকে।

    তুলোর বিছানা আর লোহার বিছানাতে কোনও ফারাক নেই। ফারাক তখনই হয়, যখন আমি লোকটাকে ভালবাসি। ভালবাসা ব্যাপারটাই এমন যে, মনে হয় তুলো দিয়ে মুড়ে রেখেছে, মৃত্তিকা বলল।

    পাকা পেঁপের ভিতরে কাঁচা আমড়া? কিংশুক জিজ্ঞেস করল।

    কী উলটোপালটা বকছ? মৃত্তিকা জিজ্ঞেস করল।

    কিংশুক বিড়বিড় করে বলল, এ ছাড়া আর কীভাবে ভাবা যায় তোমার আর কৃষ্ণগোপালের সম্পর্কটাকে? গলা তুলে বলল, আমি তো উলটোপালটাই বকি।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বইয়ের তালিকা
    অনলাইনে বই
    বাংলা কৌতুক বই
    উপন্যাস সংগ্রহ

     

    চুপ করে গেল মৃত্তিকা। আলাপের কদিন পরে ফোন করে ও যখন কিংশুককে জিজ্ঞেস করেছিল, আমার সঙ্গে পরিচয় হয়ে কেমন লাগল জানালেন না তো, কিংশুক চুপ করে ছিল।

    ওকে চুপ করে থাকতে দেখে মৃত্তিকা একই প্রশ্ন আবারও করল।

    কিংশুক গম্ভীর গলায় বলল, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অগ্নিবলয়।

    কী বললেন? মৃত্তিকা হতভম্ব।

    পৃথিবীতে যতগুলো সক্রিয় আগ্নেয়গিরি রয়েছে, তাদের সত্তর-পঁচাত্তরভাগ গলার মালা কিংবা কোমরের মেখলার মতো প্রশান্ত মহাসাগরকে ঘিরে রয়েছে। আমেরিকার উপকূল থেকে জাপান হয়ে নিউজিল্যান্ড পর্যন্ত। এটাকেই বলে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অগ্নিবলয়, কিংশুক থেমে থেমে বলল।

    আমি আপনার কাছে ভূগোলের ক্লাস করব বলে ফোন করিনি, মৃত্তিকা বিরক্ত গলায় বলল।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    কৌতুক সংগ্রহ
    গল্প, কবিতা
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম

     

    আমিও আপনাকে ভূগোল পড়াচ্ছিলাম না। শুধু জানাচ্ছিলাম যে নামে প্রশান্ত হলেও ওই মহাসাগরের ভিতরে যেমন অনেক আগুন, নামে মৃত্তিকা হলেও আপনার ভেতরটা পুরো মার্বেল, কিংশুক বেশ জোরের সঙ্গে বলল।

    জলের ভিতর পা ডুবিয়ে রাখলে কুমির যদি পা কেটে নিয়ে যায়, মানুষ নাকি কয়েক মুহূর্ত বুঝতে পারে না। মৃত্তিকাও বুঝতে পারল না, একটা অসহ্য ভাললাগায় কখন ওর ভিতরে ফিনকি দিয়ে রক্তপাত শুরু হল। যখন বুঝল, তখন সেই রক্তপাত থামানোর জন্য কিংশুককে আঁকড়ে ধরা ছাড়া ওর সামনে আর কোনও উপায় নেই। আঁকড়ে না ধরতে পারলে ও রক্তশূন্য, সাদা হয়ে মরে যেত এতক্ষণে। না মরে গিয়ে বেঁচে থাকার চেষ্টাকেই কি ‘মস্তি’ বলে?

    ভাবছিল মৃত্তিকা। সন্ধের অন্ধকার যত ঘনই হোক না কেন, পাখিরা ঠিক বাসায় ফেরার রাস্তা পাবেই। কিন্তু ও কোথায় ফিরবে? কার কাছে?

    তোমার হবু বর কী ওষুধ বানায়? কিংশুক খুব স্বাভাবিক গলায় জিজ্ঞেস করল।

    জানি না, মৃত্তিকা বলল।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    কৌতুক সংগ্রহ
    বুক শেল্ফ
    ই-বই পড়ুন
    লেখকের বই
    বইয়ের
    বইয়ের তালিকা
    স্বাস্থ্য টিপস
    গল্প, কবিতা
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ

     

    আহা বলোই না! কিংশুকের গলায় দুষ্টুমি।

    মৃত্তিকা মনে মনে বলল, ও তোমার মতো কথা দিয়ে ওষুধ তৈরি করতে পারে না কিংশুক। যে-কাঁপনে হিম ধরে না, যে-দৃষ্টিহীনতায় ঝাপসা লাগে না চারপাশ, সেই কাঁপন, সেই অন্ধত্বের কোনও ওষুধ ওর কাছে নেই। মুখে বলল, আমি অন্য কোথাও, অন্য কারও কাছে চলে যাব। তোমার ভাল লাগবে?

    একেবারেই লাগবে না। ভাল কি লাগে?

    তা হলে তুমি এত শান্ত আছ কী করে?

    কারণ এই পরিস্থিতিতে আমি একমাত্র শান্ত থাকতেই পারি!

    আমি পারছি না কিছুতেই। বলতে-বলতে মৃত্তিকা কিংশুকের ডান হাতটা টেনে নিয়ে ওর বুকের বাঁ দিকে রাখল। কিংশুকের মনে হল আগুন প্রশান্ত মহাসাগরের ভিতর থেকে বাইরে আসতে চাইছে।

    মৃত্তিকা বলল, আমাদের বাড়ির পোষা মুরগিগুলো জংলি কুকুর ঝোপঝাড় থেকে ধেয়ে এলে লুকিয়ে পড়ত এধার ওধার। কিন্তু বাবা যখন হাতে করে গমের দানা নিয়ে এগিয়ে যেত, ওরা ছুটে আসত, উৎসাহে, আনন্দে। বুঝতেও পারত না খাওয়াতে খাওয়াতেই মটাত করে ঘাড়টা ভেঙে দেবে বাবা।

    কী হয়েছে তোমার? কিংশুক নরম গলায় বলল।

    ওইরকমভাবে গমের দানা হাতে নিয়ে ভালবাসা এল, জানো তো! যদি জংলি কুকুর হয়ে আসত, আমি লুকিয়ে পড়তাম ঠিক, কিন্তু… মৃত্তিকা কাঁদতে শুরু করল আবার।

    কিংশুক ঝট করে উঠে দাঁড়িয়ে হাত ধরে টেনে তুলল মৃত্তিকাকে।

    চলো তোমার পিসির বাড়িতে যাব আজ।

    মৃত্তিকা অবাক হয়ে বলল, কৃষ্ণর আজ আসার কথা। আমি কী রেফারেন্স দেব তোমার?

    তোমার স্যার, তোমার সিনিয়র, যা খুশি। চলো, চলো।

    মৃত্তিকা একটু দমে গিয়ে বলল, তুমি কি আজই কৃষ্ণগোপালকে সব বলে দেবে?

    হ্যাঁ বলব, আমি ব্যাধ কালকেতু আর ইনিই আমার স্ত্রী ফুল্লরা।

    ইয়ারকি মেরো না। বলো না কী বলবে? মৃত্তিকা পায়ের পাতার ওপর দাঁড়িয়ে চুমু খেল কিংশুকের গালে।

    বড় বড় ঘাস আর ঝোপঝাড়ে ভরতি পার্কে সান্ধ্য-গার্ডরা বেরিয়ে পড়েছিল জোড়ায় জোড়ায় বসে থাকাদের বিদেয় করতে। কিংশুক ওদের হুইসলের শব্দ শুনতে পেয়ে নিবিড় করে জড়িয়ে ধরল মৃত্তিকাকে। বলল, আমার বিশ্বাস বেশি কিছু বলতে হবে না। উনি আমাদের একসঙ্গে দেখলেই বুঝবেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমন্ত্র – বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article হুমায়ূন আহমেদের শেষ দিনগুলো – বিশ্বজিত সাহা

    Related Articles

    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়

    মন্ত্র – বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }