Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভৌ – বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প245 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ফেরার পথ নাই

    চেনা রাস্তায় মানুষ যখন হারিয়ে যায়, চেনা লোকজনের ভিতর মানুষের যখন নিজেকে একা লাগে, সে কী করে? অনিরুদ্ধ জানে না। শিয়ালদা ফ্লাইওভার টপকে এই রাস্তায় নামামাত্র অজস্র বাস-ট্রাম-গাড়ি-ট্যাক্সির মধ্যে দিয়ে গলে ও একটা কোথাও পৌঁছোতে চাইছে। সেই জায়গাটা কোথায়? কে সেখানে অপেক্ষা করছে ওর জন্য? সেই লোক কি ওর চেনা না অচেনা?

    তোমাকে অসহ্য লাগে, অসহ্য! তোমায় দেখলেই আমার মনে পড়ে যায় তোমার জন্য আমার কী ক্ষতি হয়েছে জীবনে, কী সর্বনাশ হয়েছে আমার তোমাকে বিয়ে করে, ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরিয়ে অন্তরা বলছিল।

    অনিরুদ্ধ ওর থেকে একটু সরে গিয়ে একটা সিগারেট ধরিয়ে বলল, সর্বনাশ মানেই কিন্তু ধ্বংস নয়, জানো!

    মানে? অন্তরা মুখ ঝামটা দিল।

    ‘কলকাতায় দক্ষিণ ভারতীয়রা’ বলে আমি ধারাবাহিক একটা লেখা লিখেছিলাম। তোমার মনে আছে? সেসময় এক কন্নড় ভদ্রলোক আমায় বলেছিলেন, ইংরেজি থেকে রবীন্দ্রনাথ অনুবাদ করতে গিয়ে ওঁর বড় ভুল হয়েছিল। ‘তোমার চোখে দেখেছিলাম আমার সর্বনাশ’ এই লাইনটায় সর্বনাশ ব্যাপারটার মধ্যেও একটা রোম্যান্স আছে, চার্ম আছে। কিন্তু ইংরেজিতে ‘ডেসট্রাকশন’ বললেই একটা ধ্বংসস্তূপের ছবি ভেসে ওঠে মাথায়।

    তোমার এইসব রাবিশ গাঁজাখুরি বন্ধ করবে? অন্তরা খেঁকিয়ে উঠল।

    খারাপ লাগল অনিরুদ্ধর। ও খুব আশা করেছিল, গল্পটা চলাকালীনই অন্তরা বলে উঠবে, ‘সেই এস কে মুথাপ্পা তো?’ আর ওদের খচাখচি পলকে অ্যাবাউট টার্ন নিয়ে একটা খোশগল্পের চেহারা নেবে। এভাবেই হয়ে এসেছে এতকাল। এভাবেই টিকে গেছে ওরা। কিন্তু আর বোধহয় নয়…

    ঠিক সময়ে ঠিক চিকিৎসা না হলে সব প্রবলেমই ক্রিটিক্যাল হয়ে ওঠে। তবে আমার মনে হয় এক্ষেত্রে একটা অপারেশন করালে প্রবলেম অনেকটাই সল্‌ভ হয়ে যাবে, ডাক্তার সামন্ত অন্তরাকে প্রাথমিকভাবে দেখে বললেন।

    অপারেশন করাতেই হবে? ওষুধপত্র দিয়ে কাজ চালানো যাবে না?

    ডাক্তার সামন্ত একটু বিরক্তির গলায় বললেন, এই আপনাদের একটা অদ্ভুত মাইন্ডসেট জানেন তো। ওষুধে যদি কাজ হত আমি অপারেশনের কথা বলতাম?

     

     

    অন্তরা এই সময় বলল, আপনি ওর কথা বাদ দিন তো ডাক্তারবাবু, আপনি যা বলবেন তাই হবে।

    অনিরুদ্ধ অন্তরার দিকে একটিবারও না তাকিয়ে বলল, হ্যাঁ নিশ্চয়ই তাই হবে। কিন্তু কী হবে সেটা তো আমাকে বুঝতে হবে।

    ডাক্তার সামন্ত বললেন, বোঝাব, তবে এখন নয় পরে। আগে মিসেসের আলট্রাসোনোগ্রাফিটা করে আনুন।

    বাইরে বেরিয়েই বার্স্ট করল অন্তরা। কিন্তু কী এমন খারাপ কথা বলেছে ও? আর তা ছাড়া অপারেশন ড. সামন্তই করুন আর যেই করুন, অপারেশন করবে কিনা সেই সিদ্ধান্তটা তো ওকে আর অন্তরাকেই নিতে হবে। অতই সোজা? বাসবদার ভাইঝি মরে গেল না ছোট্ট একটা অপারেশন করাতে গিয়ে? কী হয়েছিল? না, অ্যানাসথেসিয়ার ডোজ একটু বেশি পড়ে গিয়েছিল। সামান্য একটু বেশি। যার জন্য রুগি আর কোনওদিন জাগলই না। অন্তরার যদি সেরকম হয়… আতঙ্কে শিউরে উঠে অন্তরার হাতটা ধরল অনিরুদ্ধ। একটা ঝটকা দিয়ে হাতটা ছাড়িয়ে নিল অন্তরা। আবারও খারাপ লাগল অনিরুদ্ধর এবং আবারও ও কিছু বলল না।

     

     

    কী বলবে? সেই হানিমুনে পুরীতে গিয়ে অন্তরা ওকে বলেছিল, সমুদ্রের ঢেউ আর সি-বিচের বালির সারারাত কী এত ঝগড়া বলো তো? নিজেরাও ঘুমোবে না, অন্যদেরও ঘুমোতে দেবে না?

    অনিরুদ্ধ ওর বউকে জাপটে ধরে বলেছিল, শুধু ঝগড়াটাই দেখলে, ভালবাসা দেখলে না?

    আজ মনে হয়, ঝগড়াই। আর যখন ঝগড়াই, তখন আওয়াজ না করেই করা উচিত। অন্যদের ঘুমোতে দেওয়া উচিত। দু’জন দু’পাশ ফিরে শুয়ে থাকাটা একরকম অভ্যেস হয়ে গিয়েছিল অনিরুদ্ধর। কিন্তু চেন্নাই চলে যাওয়ার আগে একদিন সংস্থিতা এল ওদের ফ্ল্যাটে আর ঘুমের তলা থেকে কে যেন কুড়িয়ে নিয়ে এল জাগরণ, ছাইভস্মের ভিতর থেকে ঝলমলিয়ে উঠল বহুবর্ণ পাথর। সেই দিনগুলো, যখন অনিরুদ্ধ সংস্থিতাদের কলেজের বাইরে অপেক্ষা করত আর অন্তরা ওর প্রিয়তম বান্ধবীর সঙ্গে হেঁটে বেরিয়ে যেতে যেতে ইশারায় ওকে পিছু নিতে বলত, ফিরে এল। বিস্মৃতির কুয়োর ভিতর থেকে দড়ি-বালতি ছাড়া, উঠে এল যেন। ওদের ঘরের খাটটার এক কোণে বসল। অন্তরার দেওয়া চা খেল। সংস্থিতার আনা মিষ্টি খেল। আর চলে যাওয়ার আগে সংস্থিতার মুখ দিয়ে বলল, একটা দুর্ঘটনার কাছে জীবনটাকে বন্ধক রাখিস না অন্তরা। ছাড়িয়ে আন। আবার আগের মতো করে বাঁচ।

     

     

    অন্তরা বলল, আমাকে বলছিস কেন, ওকে বল।

    সংস্থিতা বলল, তোদের দু’জনকেই বলছি, আর-একবার চেষ্টা কর।

    অন্তরা বলল, চেষ্টা করিনি নাকি? সন্ধে হলেই ওর মদের নেশায় কুকুরের মতো লোকের পিছন পিছন ঘুরে বেড়ানো বন্ধ করার জন্য পায়ে মাথা কুটতে বাকি রেখেছি শুধু।

    সংস্থিতা বিরক্ত গলায় বলল, কেন খাও অনিরুদ্ধদা? কল্লোলকে না হয় কল্লোলের দিদি প্যারিসে নিয়ে গেছে, তোমার লিভার পচলে তোমাকে কে কোথায় নিয়ে যাবে?

    ওর বন্ধুরা নিয়ে যাবে, পটলডাঙায়, অন্তরা বলল।

    অনিরুদ্ধ যেন শুনতে পায়নি এভাবে বলল, কল্লোল প্যারিসে গেছে?

    সংস্থিতা গলা নামিয়ে বলল, ওর দিদি কলকাতায় এসে আমাকে ফোন, করেছিল। বলল যে খুব খারাপ অবস্থা কল্লোলের। ওদের পক্ষে এখানে বেশিদিন থাকা সম্ভব নয়, তাই ভাইকেও নিয়ে যাচ্ছে।

     

     

    তোকে যেতে বলল সঙ্গে? অন্তরা বলল।

    একবারও নয়। ওর দিদি জানে আমাদের ব্রেক-আপের কথা, সংস্থিতা বলল।

    তা হলে ফোন করল? অন্তরা জিজ্ঞেস করল।

    সেটা সৌজন্য অন্তরা। আমার সঙ্গে কল্লোলের একটা সম্পর্ক ছিল, ওর দিদি আগে আগে ইন্ডিয়ায় এলে আমরা আড্ডা দিয়েছি বহুবার, সেই জায়গা থেকেই কথা বলার জন্য ফোন করেছিল।

    অন্তরা আমার সঙ্গে ঠিক করে কথাও বলে না জানিস তো, অনিরুদ্ধ যেন কথাটা এক্ষুনি সবাইকে জানিয়ে দেওয়া দরকার, এভাবে বলল।

    অন্তরা একটা ঘেন্নার দৃষ্টিতে ওর দিকে তাকিয়ে বলল, নিজের সন্তানের খুনির সামনে দাঁড়িয়ে হাত কচলাতে যার বাধে না, তার সঙ্গে কথা বলতে আমার রুচিতে বাধে।

     

     

    সংস্থিতা দেখল অনিরুদ্ধর মুখটা কালো হয়ে গেল। ও অন্তরার হাতটা চেপে ধরে বলল, বাদ দে না অন্তরা, ওই প্রসঙ্গটা। অনেকদিন তো হয়ে গেল।

    তুই নিজে কখনও প্রেগন্যান্ট হলে বুঝতি, একশো বছরেও বাদ দেওয়া যায় না, অন্তরার মুখটা বেঁকে গিল কান্নায়।

    সংস্থিতা ওকে জড়িয়ে ধরল, আই আন্ডারস্ট্যান্ড। কিন্তু জীবনে কিছু কিছু জিনিসকে একটু ফাস্ট ফরোয়ার্ড করে দেখতে হয়। তোরা তো নতুন করে ফ্যামিলি প্ল্যানিং করতেই পারিস।

    কে করবে প্ল্যান? আমার অনেক প্রবলেম শুরু হয়েছে আর অনিরুদ্ধ মদ খেয়ে ফিরে এসে কুকুরের ডাক ডাকে, অন্তরা ঝাঁঝিয়ে উঠল।

    অনিরুদ্ধদা রাতে বাড়ি ফিরে কুকুরের ডাক ডাকে? সংস্থিতা হতভম্ব।

    আরে না না, ব্যাপারটা সেরকম কিছু নয়, অনিরুদ্ধ ধামাচাপা দেওয়ার একটা ব্যর্থ চেষ্টা করল।

     

     

    অন্তরা বলল, ও ভয় পাচ্ছে। ওর মাস্টারপ্ল্যান যদি তুই কোথাও ফাঁস করে দিস।

    অনিরুদ্ধ নেহাতই লজ্জা পেয়ে বলল, বাজে বোকো না অন্তরা। সংস্থিতা কীরকম মেয়ে আমি জানি। আর তা ছাড়া ‘ভৌ’ যখন চালু হবে তখন তার থিম সং পিয়ালই গাইবে।

    সংস্থিতা নড়েচড়ে বসল, আমি কিছু বুঝতে পারছি না অনিরুদ্ধদা।

    অন্তরা বলল, আরে ওরা একটা রেডিয়ো স্টেশন খোলার তাল করছে, সেখানে মানুষ ফোন ধরে ‘ভৌ’ ‘ভৌ’ করবে।

    মানে? সংস্থিতা চোখ কপালে তুলল।

    সংস্থিতা ব্যাপারটায় অত ঘাবড়ানোর কিছু নেই, বলে অনিরুদ্ধ সংক্ষেপে ওকে ওদের খসড়াটা শোনাল।

    সংস্থিতা শুনতে শুনতে গম্ভীর হয়ে গেল, হেসে উঠল খিলখিল করে। তারপর দুম করে জিজ্ঞেস করল, পিয়াল থিম সং গাইবে ওই কথাটা আমাকে শোনালে কেন অনিরুদ্ধদা?

     

     

    অন্তরা বলল, তোকে শোনাল কারণ ও ভাবল ওই কথাটা শুনলে তোর লেজ নড়ে উঠবে।

    অনিরুদ্ধ হঠাৎ রেগে গেল, সব কিছুকেই হেয় কোরো না অন্তরা। পিয়াল আজও সংস্থিতাকে ভালবাসে।

    কিন্তু আমি কি বাসি অনিরুদ্ধদা?

    অনিরুদ্ধ বলল, ভালবাসার ব্যাপারটা আমরা কেউই ঠিক জানি না। কিন্তু একটু ভেবে দেখো তো ব্যাপারটা এরকমই কিনা?

    সংস্থিতা বলল, বেশ, সময় নিয়ে ভেবে তোমায় জানাব। কিন্তু তুমি অন্তরাকে নিয়ে তাড়াতাড়ি একটা জায়গায় যাবে।

    কোথায় বলো তো?

    আমি একজন ডাক্তারের ঠিকানা, ফোন নম্বর দিচ্ছি, তার কাছে।

     

     

    কীসের ডাক্তার?

    কীসের ডাক্তার তুমি বুঝতে পারছ না? তোমাদের কি আমি এখন ইএনটি স্পেশ্যালিস্টের কাছে পাঠাব? সংস্থিতা রাগী গলায় বলল। তারপর হেসে ফেলল। আর সেই হাসি সংক্রামিত রোগের মতো ছড়িয়ে গেল গোটা ঘরে। অনিরুদ্ধ, অন্তরাও যোগ দিল তাতে।

    কিন্তু হাসির উলটোপিঠেই কান্না। অন্তরা যে-মুহূর্তে বুঝল যে অনিরুদ্ধ ওকে সংস্থিতার বলে যাওয়া ডাক্তারের কাছে আনেনি, ও বিগড়ে গেল। অনিরুদ্ধ ওকে বোঝানোর অনেক চেষ্টা করল যে আটশো টাকা ভিজিট দিয়ে সংস্থিতার রেফার করা ডাক্তারকে পরে দেখালেও চলবে, এই মুহূর্তে মোটামুটি ভাল একজন ডাক্তারকে কনসাল্ট করে দেখাই যাক না কী হয়! কিন্তু অন্তরার ওই এক গোঁ, টাকাটা তো আমিই দিতাম।

    অনিরুদ্ধ ধৈর্য হারিয়ে বলল, আমি দিতাম, আমি দিতাম করছ কেন? তুমি রোজগার করো, আমি জানি।

    আর তুমি যে করো না, সারা দুনিয়া জানে।

     

     

    তুমিই জানিয়েছ।

    বেশ করেছি। আচ্ছা, কত টাকা বাঁচল এই ডাক্তারকে দেখিয়ে? কত মদ হবে সেই টাকায়?

    আমি মদ খাব বলে টাকাটা বাঁচাচ্ছিলাম না অন্তরা। এই তোমার মাথায় হাত রেখে বলছি, তুমি বিশ্বাস করো, অনিরুদ্ধর গলা বসে গেল।

    তোমাকে আর বিশ্বাস করতে পারি না। তবু বলল, অন্তরা বলল।

    আমি অনেকের কাছ থেকে ডাক্তার সামন্তর কথা শুনেছি, উনি ভাল ডাক্তার।

    কিন্তু গৌরব বক্সি তো এই ফিল্ডে বেস্ট, তাই না?

    কে বেস্ট সেটা কে ঠিক করে বলো তো? মানলাম নামজাদা প্রজনন বিশেষজ্ঞ, কিন্তু তৃতীয় বিশ্বের একটা দেশে একজন ডাক্তারের আটশো টাকা ভিজিট কেন হবে, অন্তরা?

     

     

    হাজার-হাজার লোক তো দেখাচ্ছে…

    মানুষ হয়তো নিরুপায়, অনিরুদ্ধ বলল।

    কীসের নিরুপায়? অন্য ডাক্তার নেই? তবু কেন আসছে লোকে? ওই যে হেল্‌থ ম্যাগাজিনটা পড়ছিলাম, পাতায় পাতায় সব নাম-ঠিকানা সমেত উপকৃত রুগিদের ছবি! তারা সবাই বলছে ডাক্তারবাবু ভগবান, অন্তরা বলল।

    অনিরুদ্ধ হাসতে হাসতে বলল, মানুষই ভগবান হয়। কিন্তু আগে ভগবান হয়ে মানুষ ফুল-বেলপাতা, নকুলদানা, ভক্তি-শ্রদ্ধা এসব চাইত। এখন মানুষ ভগবান হয়ে আটশো টাকা ভিজিট চায় শুধু। মানুষ ডাক্তার হলে কত আর ভিজিট পেত বলো?

    ইয়ারকি মেরো না, ভাল লাগছে না।

    আমি ইয়ারকি মারছি না। আমি শুধু বলছি মানুষের সঙ্গে ভগবানের ফারাক কত কমে এসেছে। মাত্র চার-পাঁচশো টাকার ফারাক।

     

     

    এক ধরনের মানুষের সঙ্গে কুকুরের ফারাক বোধহয় আরও কমে এসেছে। দু’দলকেই যখন ইচ্ছে লাথি মেরে বের করে দেওয়া যায়, তাই না?

    ঠিক বলেছ অন্তরা, একদম ঠিক। আমি নিজেই তো তাদের দলে পড়ি, বলে হো-হো করে হেসে উঠল অনিরুদ্ধ।

    আজ কলেজ স্ট্রিটের সেই নির্দিষ্ট বইয়ের দোকানটায় বাসবদাকে না পেয়ে উদ্‌ভ্রান্তের মতো এ-ফুটপাথে, ও-ফুটপাথে ঘুরে বেড়াতে বেড়াতে অনিরুদ্ধর মনে হচ্ছিল ও কেন হাসল গতকাল? কেন ও অন্তরাকে চুলের মুঠি ধরে টানতে টানতে নিয়ে গেল না সেইসব রাস্তায়, সেইসব অন্ধকারে, যেখানে ওরা পরস্পরের জন্য অপেক্ষা করত, পরস্পরকে ছেড়ে যেতে চাইত না? ও কেন বলতে পারল না যে অন্তরার টাকায় অন্তরা ওই গৌরব বক্সিকে ভিজিট দেবে, সেটা ও মানতে পারেনি বলেই দু’দিন আগে সায়ন্তনের কাছে টাকা চাইতে গিয়েছিল। কিন্তু তিনতলায় ওঠার মুখে যে-চিৎকারটা কানে আসছিল, ওদের বন্ধ দরজার সামনে গিয়ে দেখল সেটাই প্রলয়।

    তোমার প্যারানোইয়া হয়ে গেছে, রূপমতীর গলা পেল অনিরুদ্ধ।

    ওকে তাই হয়েছে আমার। কিন্তু তোমার কী হয়েছে? সায়ন্তনের গলা উঁচু তারে বাঁধা।

    আমার আবার কী হবে? নাথিং।

    দেন হোয়াই আর ইউ ফ্লার্টিং ওপেনলি উইথ দ্যাট গাই রূপু?

    ওদের কলিং বেলে হাত রেখে কিন্তু না বাজিয়ে অনিরুদ্ধ আন্দাজ করার চেষ্টা করছিল ঠিক কী হয়েছে ওদের মধ্যে।

    হি ইজ মাই ফ্রেন্ড সানি। ও লন্ডনে প্রোগ্রাম করতে গিয়ে যদি কোনও গিফট আনে আমার জন্য, হাউ ক্যান আই সে নো? রূপমতী বলল।

    গিফট? বই, জুয়েলারি, হ্যান্ডব্যাগ অন্য কোনও গিফট ওর চোখে পড়ল না? ও ব্রা নিয়ে এল তোমার জন্য? সায়ন্তন উত্তেজিত।

    এটা একটা ফরাসি ডিজাইনারের কালেকশন। জাস্ট একটা ব্রা নয়, রূপমতী আদুরে গলায় বলল।

    আমি ওরকম হাজারটা এনে দেব তোমাকে। বাট রূপু, ওই স্কাউন্ড্রেলটাকে তুমি এড়িয়ে চলবে, প্রমিস মি, ইউ আর ওনলি মাইন। শুধু আমার তুমি, না না, আমাকে রেজিস্ট কোরো না।

    ও সানি, নট নাও, আমি মুলতানি মাটি মুখে লাগিয়েছি…

    ওটা মাটি নয়, চন্দন, আমার মুখেও লেগে যাক রূপু…

    তারপর শুধুই শব্দ। হ্রস্ব, দীর্ঘ। আর শব্দের ভিতরে শব্দচিহ্নিত কোনও ক্রিয়া। আদিম, চিরনতুন।

    বেল না বাজিয়েই চলে এল অনিরুদ্ধ। ‘মাটি নয় চন্দন’, সায়ন্তনের ওই কথাটা কানে বাজছিল ওর। ভালবাসাই তো পারে মাটিকে চন্দন করে তুলতে, তা হলে ভালবাসা অন্তরা আর ওর সম্পর্কটাকেও নিশ্চয়ই ঝিনুকের মতো জাগিয়ে তুলতে পারবে বালির ভিতর থেকে।

    কিন্তু গতকালের পর থেকে ওর শুধু মনে হচ্ছে বাঁধন আলগা হয়ে গেলে শুধু সম্পর্ক কেন, কিছুই টেকে না।

    বাসবদা আজ ওর সঙ্গে দেখা করবে বলেছিল। অদ্ভুত জ্ঞানী মানুষ এই বাসবদা। তার সঙ্গে প্রখর রসবোধ। কিন্তু সংবাদপত্রে পুলিশ আর আইন-আদালত রিপোর্ট করে গেলেন সারাজীবন। ওঁর লেখার শিরোনামগুলো এখনও চোখে ভাসে অনিরুদ্ধর। ‘গোলাপি সায়া পরা টাটকা যুবতীর লাশ’!

    মরে যাওয়া যুবতী টাটকা হয় কী করে?

    অনিরুদ্ধ একবার জিজ্ঞেস করেছিল বাসবদাকে। তখন বাসবদাদের কাগজ বন্ধ হব-হব করছে। বাসবদা তবু নির্বিকারচিত্তে জবাব দিয়েছিল, মাংসের গন্ধ না পেলে কি শকুনের ডানায় বাতাস লাগে রে বাচ্চু! ক্রাইমের গায়ে একটু সেক্স না দিলে লোকে পয়সা খরচ করে কিনে পড়বে কেন?

    গল্পটা শুনে সায়ন্তন ওকে বাসবদার খোঁজ করতে বলেছিল। ‘ভৌ’-তে নাকি এরকম লোকের দরকার। কিন্তু কোথায় বাসবদা? মাইনে ছাড়া, পিএফ ছাড়া সারভাইভ করছে? ভাবতে ভাবতে কলেজ স্ট্রিটের দোকানটার কথা মনে পড়ল। বাসবদার কোনও ফোন নম্বর ওরা দিতে পারল না, তবে মঙ্গলবার আসতে বলল। আজ মঙ্গলবার, বাসবদা এল না কেন?

    মদ নিয়ে সবার অত খোঁটা, অনিরুদ্ধ ভেবেছিল আজ থেকেই ছাড়বে মদ। কিন্তু বাসবদার অসাক্ষাৎ ওর ভিতরে এমন একটা তোলপাড় শুরু করল যে ওই সোনালি তরল ওকে প্রাণপণে টানতে শুরু করল। কোথায় যাবে ও এখন? মধ্য কলকাতার সেই গোলমেলে পানশালায়?

    গলির মুখের মোবাইলের দোকানের বাচ্চা ছেলেটা ওকে দেখে হাসল। সায়ন্তনের চোট লাগা দামি মোবাইলটা এখান থেকে তিনশো টাকায় সারিয়ে সাতশো টাকার বিল করিয়েছিল ও, মালিককে কিছু দিতে হয়নি, ওই ছেলেটাকে কুড়ি টাকা দিয়েছিল। তাই হাসল হয়তো।

    আপ মুঝসে পুলওভার খরিদে থে, ইয়াদ হ্যায়? লম্বা লোকটা ওর উলটোদিকের চেয়ারে এসে বসল।

    পুলওভার, শীত ঘুম, সাপ, সার্কাস সব দুলতে লাগল অনিরুদ্ধর মাথার ভিতর। লোকটা বলল, যিতনা দিল করে পিয়ো। বিল কা ফিকর মত করো।

    অনিরুদ্ধ বলতে চাইল, কিঁউ? কিন্তু বলল, শুক্রিয়া।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমন্ত্র – বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article হুমায়ূন আহমেদের শেষ দিনগুলো – বিশ্বজিত সাহা

    Related Articles

    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়

    মন্ত্র – বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }