Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভৌ – বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প245 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সেই চেয়ার

    শুধুমাত্র কেয়া মৈত্রর বাড়িতে এলেই এই চা-টা খেতে পাওয়া যায়। উনি বলেন, উনি নাকি কলকাতারই কোনও দোকান থেকে কেনেন, কিন্তু কোন দোকান ভুলেও তার নাম বলেন না। বলে দিলে যদি সংস্থিতা আর ওঁর বাড়িতে না আসে! সংস্থিতা ওঁকে বোঝাতে পারে না শুধু চায়ের ফ্লেভারের টানে মানুষ মানুষের কাছে আসে না, মানুষ আসে মানুষের টানে। কিংবা কে জানে, কেয়া মৈত্র হয়তো সবটাই বোঝেন। বুঝেও একটু মজা মেশানো গোঁয়ারতুমি করেন।

    তুমি চাইলে তোমার জন্য আমি কিছুটা চা প্যাক করিয়ে দিচ্ছি। ঘরে নিয়ে যাও, যখন ইচ্ছে করবে খাবে, কেয়া মৈত্র আজও বললেন।

    ম্যাম, আপনি এরকম করলে আমি পরদিন থেকে আর এই চা-টা খাব না, সংস্থিতা বলল।

    বেশ চায়ের কথা থাক। তোমার কথা বলো।

    আমার নতুন কোনও কথা নেই ম্যাম।

    ও মা, সে কী! কেয়া মৈত্র একটু অবাক হলেন।

    জলভরা কলসির দিকে যেভাবে পাথর ছুড়ে মারে বাচ্চারা, ওঁর বিস্ময়ের দিকে সেভাবে একটা কিছু ছুড়বে বলে সংস্থিতা বলল, শিকল লোহারই হোক বা সোনার, মানুষকে বেঁধেই রাখে।

    কেয়া মৈত্র বললেন, বাঁধন নিয়েই আমরা হাঁটি-চলি-দৌড়োই।

    সংস্থিতা ওঁকে থামিয়ে বলল, বাঁচি, মরি। কিন্তু চায়ের দোকানের নামটা কাউকে বলি না।

    কেয়া মৈত্র হো-হো করে হেসে উঠলেন। সেই হাসিটার হাত ধরে সংস্থিতা সাত-আট বছর ঘুরে এল।

    তুমি করবে, তুমি? পিডি, মানে প্রলয় দত্ত অনুরাধাকে জিজ্ঞেস করলেন।

    অনুরাধা দোনোমনা করছিল। এমন সময় কেয়াদি সংস্থিতার দিকে আঙুল তুলে পিডিকে বললেন, এই মেয়েটাকে দিয়ে করাও না, ও ভাল পারবে।

     

     

    কী পারবে, কেন পারবে, কীভাবে পারবে কিছুই সে-মুহূর্তে জানত না সংস্থিতা। শুধু এগিয়ে গিয়েছিল কেয়াদির ব্যক্তিত্বের অমোঘ আকর্ষণে। সেই আকর্ষণ থেকে সান্নিধ্য, সান্নিধ্য থেকে সম্পর্ক। যদিও কোনও এক অজানা কারণে কেয়াদিকে ও বরাবরের মতো আজও ম্যাম বলে। কেয়াদি সরাসরি ওর অধ্যাপিকা ছিলেন না বলেই হয়তো একটা দূরত্ব, একটা সম্ভ্রমের জায়গা ওর আর কেয়াদির নৈকট্যের ভিতরে হালকা কোনও শেডের মতো উজ্জ্বল হয়ে আছে।

    বিজন সেতু পেরিয়ে আর একটুখানি গেলেই কেয়াদির বাড়ি। ফ্ল্যাট নয়, বাড়ি। ছিমছাম দোতলা। সামনে খুব সুন্দর একফালি বাগান আছে। আগে বাড়িটার দোতলার বারান্দায় বসলে অনেকখানি দেখতে পাওয়া যেত। ইদানীং বড় বড় মাল্টিস্টোরিড উঠে ভিউটা আটকে দিয়েছে কিন্তু বাড়িয়ে দিয়ে গেছে শব্দ। দক্ষিণ কলকাতার কেন্দ্র থেকে বাইপাসে ঢুকে পড়ার শব্দ। ওই অতঅত গাড়ির অত রকম শব্দ মিলেমিশে একটা ভজকট আওয়াজ তৈরি হয় আর সেই আওয়াজটাকে সংস্থিতার অন্য একটা আওয়াজের সমান্তরাল বলে মনে হয়। ছোটবেলায় গ্রামে দাদুর বাড়িতে গেলে বিকেলের সমস্ত হুটোপাটির মধ্যে ও কিছুটা আতঙ্কের সঙ্গে অপেক্ষা করত একটা শব্দের জন্য। সূর্যাস্তের আগে-পরে বাগাল ছেলের তীক্ষ্ণ শিসের সঙ্গে তাল মিলিয়ে গোরুর গলায় বেজে ওঠা ঘন্টির টাংটুং শব্দ। সেই শব্দটা যেমন কিছু না বলেও বলে দিত, সময় শেষ, খেলার সময় শেষ, ওই বাস-অটো-ট্রামের কর্কশ আর্তনাদও যেন একজোট হয়ে বলতে চায়, প্রেমের সময় শেষ, সম্পর্কের সময় শেষ। আর কীভাবে কে জানে কল্লোলের গলায় সেই শেষ পাতের এঁটোকাঁটা উঠে আসে। ও একটা সিগারেট ধরিয়ে অবলীলায় বলে, তোমার না পোষালে তুমি রিলেশনশিপটা শেষ করে দাও।

     

     

    স্তম্ভিত হয়ে ওর দিকে তাকায় সংস্থিতা, তার মানে? এটা কি রিকশার ভাড়া নাকি যে পোষালে যাব, না পোষালে নয়?

    আমি তত্ত্বকথায় যেতে চাই না সংস্থিতা। আমি টায়ার্ড হয়ে ফিরে আসার পর একটু স্বস্তি চাই। আমোদ চাই একটু, কল্লোল বলল।

    টায়ার্ড? তুমি টায়ার্ড হও কীভাবে? তুমি তো কাজেই যাও না! পড়ে পড়ে ঘুমোও, নয়তো মদ খেতে শুরু করো দুপুর থেকে…

    করি তো বেশ করি। তোমার কী?

    একটা ঠাস করে চড় মারতে ইচ্ছে করে জানো তো তোমাকে! তোমার লাইফ তুমি ধ্বংস করলে আমার ব্যাং! কিন্তু আমি তো তোমার লাইফের সঙ্গে জড়িয়ে গেছি, তাই না? কপালের ঘাম মুছল সংস্থিতা।

    হো-হো করে হেসে উঠল কল্লোল, তাই বলল, তুমি তোমার নিজের জন্য চিন্তিত! বেসিক্যালি আমরা সবাই কী ভীষণ স্বার্থপর, তাই না?

     

     

    সংস্থিতা উত্তর দেয় না। বাইরে একটা হাওয়ার আভাস দেখা দিয়েই মিলিয়ে যায়। সংস্থিতা উঠে গিয়ে দরজাটা আরও হাট করে খুলতে গিয়ে দেখে গত বর্ষায় বেড়ে গেছে বলে দরজাটা ঠিকঠাক খুলছে না। ওর মনে হতে থাকে ও নিজেও মানসিকতায় অনেকটা বেড়ে গেছে কল্লোলের থেকে। ইংরেজিতে যাকে বলে ‘আউটগ্রো’ করা, সেই আউটগ্রো করেছে। ওর মুকুলিত হওয়ার সঙ্গে তাল মেলাতে পারেনি কল্লোল আর সংস্থিতা ওকে অতিক্রম করে যে-জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে সেখান থেকে কল্লোলকে ছুঁতে গেলে ওকে পিছনদিকে নিজেকে বাঁকাতে হয়। ঘাড়ে ব্যথা করে, কোমরে ব্যথা করে।

    আমাদের কত দিনের প্রেম কল্লোল? সংস্থিতা জিজ্ঞেস করল।

    আমাদের তো লাভ-হেট রিলেশনশিপ। আমার লাভ আর তোমার হেট। কল্লোল সোফায় আধকাত হয়েই সিগারেটের শেষ টুকরোটা ছুড়ে দিল ট্র্যাশক্যানের দিকে। সামান্য দূর গিয়েই ওটা মুখ থুবড়ে পড়ল।

    সংস্থিতা মাটি থেকে টুকরোটা তুলে নিয়ে ফেলে দিয়ে বলল, তোমার যখন পক্স হয়েছিল তুমি মশারির ভিতর বসে কাতরাতে সারাদিন আর আমি এই মেঝেতে বসেই পরীক্ষার পড়াগুলো তোমায় পড়ে পড়ে শোনাতাম, একবার নয় বারবার পড়ে শোনাতাম। সেটাও কি ঘৃণা ছিল কল্লোল?

     

     

    কারও জন্য কিছু করে অতবার করে শোনাতে নেই। অবশ্য সেই কাজটা করার জন্য তোমার মনে এখন যদি অনুতাপ জাগ্রত হয়ে থাকে, তা হলে অন্য কথা।

    অনুতাপ সেই কাজটার জন্য হয়নি, অনুতাপ হচ্ছে সেই কাজটার পরিণতি দেখে। প্লিজ কল্লোল বেরিয়ে এসো। কাম আউট।

    কোত্থেকে বেরিয়ে আসব? কাম আউট অফ হোয়াট?

    যে-গর্তটায় তুমি নিজেকে নিয়ে গিয়ে ফেলেছ, সেখান থেকে।

    আমি কোনও গর্তে নিজেকে নিয়ে গিয়ে ফেলিনি, তুমি ভুল করছ। আমার বসটা একটা খেঁকুটে লোক, আমি তার সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে কাজ করতে পারছিলাম না, তাই আমি ওই চাকরির মুখে একটা লাথি মেরে বেরিয়ে এসেছি।

    তুমি তো আগের চাকরিটার মুখেও ঘুসি মেরে বেরিয়ে গিয়েছিলে, সংস্থিতা গলা নামিয়ে বলল।

     

     

    হ্যাঁ, গিয়েছিলাম। কারণ, সেখানেও নিশ্চয়ই আমার কোনও না কোনও প্রবলেম হচ্ছিল। তুমি মুখে বলো যে আমাকে ভালবাসো, কিন্তু আমার সমস্যাগুলো বুঝতে চাও না।

    এগুলোকে সমস্যা বলে না কল্লোল। এগুলো প্রত্যেকটা বাতিক।

    বাতিক? আমার প্রবলেমগুলো বাতিক?

    ডেফিনিটলি। তুমি আসলে এই সমস্যাগুলো ভেবে ভেবে তৈরি করো, চাকরি ছেড়ে দেওয়ার অজুহাত হিসেবে।

    কেন?

    কেন আবার কী! তুমি কোনও কাজ করতেই চাও না। তুমি চাও সারাদিন বসে বসে মদ খেতে, ডিভিডিতে সিনেমা দেখতে কিংবা কম্পিউটারে চ্যাট করতে, নয়তো ঘুমোতে।

    তোমার স্পনসরশিপে সংস্থিতা?

     

     

    না, আমার স্পনসরশিপে নয়। টাকাটা তোমার বাবা দিচ্ছেন নাকি মহারানি ভিক্টোরিয়া দিচ্ছেন তাতে আমার কিছু এসে যায় না কল্লোল। টাকাটা তোমায় একটা ভেড়া বানিয়ে দিচ্ছে।

    বেশ তো আমি ভেড়া। তুমি তোমার পছন্দমতো একটা গাধা, ঘোড়া কিংবা সিংহ খুঁজে নাও না! আমি তো আটকে রাখিনি তোমায়, কল্লোল হাই তুলল।

    রাগে আগুন হয়ে দরজার কাছ থেকে সরে এসে ওর শার্টটা খিমচে ধরল সংস্থিতা, কেন আটকাচ্ছ না কল্লোল? কেন? আর যদি আটকাবেইনা, তা হলে এতদিন আটকে রাখলে কেন? আমি তো ছ’-সাত বছর ইয়ারকি মারছিলাম না তোমার সঙ্গে। সারাজীবনের জন্য নিজেকে ইনভেস্ট করেছিলাম তোমার কাছে, তোমার ভরসায়।

    কল্লোল হাত দুটো আকাশে তুলে দিয়ে বলল, আই অ্যাম সরি সংস্থিতা। আমি কোনও ডিভিডেন্ড দিতে পারব না তোমায়। আমার সব কিছু ক্র্যাশ করে গিয়েছে।

    কিচ্ছু ক্র্যাশ করেনি, কল্লোল। এসো আমরা আর একবার চেষ্টা করি একসঙ্গে।

     

     

    কোনও লাভ নেই। গুলতির থেকে ঢিলটা ছিটকে বেরিয়ে গেছে। আমার প্রতিটা মুহূর্ত, প্রতিটা দিন অসাড় লাগে এখন। তুমি ঠিকই বলেছ, হয়তো সব কিছুই আমার বাতিক! কিন্তু কী ব্যাপার জানো, ওই বাতিকই আমার বস। আমি আর অন্য কোনও বসকে সহ্য করতে পারি না। তাই ছাড়ার জন্যই চাকরি ধরি। আর সেই ছাড়ার সুখটা এত অসহ্য যে আবার ধরতে ইচ্ছে করে।

    একবার কোনও সাইকায়াট্রিস্টের কাছে চলো না? আমি নিয়ে যাব।

    কী বলবে সাইকায়াট্রিস্ট? সেই তো ওষুধ দিয়ে ঘুম পাড়াবে। তার চেয়ে আমি এমনিই ঘুমোই।

    সংস্থিতা দরজাটা খুলে বারান্দায় গিয়ে দাঁড়াল। বড় রাস্তার একটা হাতের মতো ঢুকে যাওয়া এই গলিটা প্রশস্ত এবং নির্জন। এই বাড়িটার তিনতলা আর চারতলায় কল্লোলদের দুটো ফ্ল্যাট। কত বছর ধরে এখানে আসছে সংস্থিতা। তবে কল্লোলের বাবা স্ত্রী-বিয়োগের পরে আর ওপরের ফ্ল্যাটটায় থাকেন না। কল্লোলের দিদি-জামাইবাবুর কাছে চলে গেছেন প্যারিসে। তাই কল্লোল একা এবং মাঝেমধ্যে ওর সাঙ্গোপাঙ্গদের নিয়ে আয়েশ করে দুটো ফ্ল্যাট জুড়ে। বারান্দার উলটোদিকের ফুটপাথে স্ট্রিটলাইটের নীচে একটা বাচ্চা খাতার ওপর কম্পাস দিয়ে একটা বৃত্ত আঁকার চেষ্টা করছিল। সংস্থিতা ওই মাথাগরম অবস্থাতেও অনেকক্ষণ ধরে দেখল দৃশ্যটা। ওর মনে হতে থাকল ওই বৃত্তটাই বোধহয় স্বপ্ন। সমস্ত কাজ আর বিশ্রাম দিয়ে ওকেই ছোঁওয়ার চেষ্টা করে মানুষ। অস্তিত্ব আর অনস্তিত্বের মধ্যে ওই বিন্দুটা, যেখানে কম্পাসের একটা কাঁটা রেখে বাচ্চাটা ‘গোল’ আঁকার চেষ্টা করছিল, সংস্থিতাকে দুলিয়ে দিয়ে গেল। ওই গোলটাই তা হলে সেই পৃথিবী যার ভিতরে থাকার জন্য অহর্নিশ পরিশ্রম করতে হয়!

     

     

    সংস্থিতা কল্লোলকে বলার চেষ্টা করল, ওই বাচ্চাটা যেমন কম্পাসের একটা কাঁটা স্থির রেখেছে একটা কোনও বিন্দুর ওপরে, তুমি আমার হৃদয়ে তোমার একটা সত্তাকে স্থির রাখো। বাকিটুকুকে ছড়িয়ে দাও। তারা পৃথিবী তৈরি করুক আবার সেই পৃথিবীকে প্রদক্ষিণও করুক একইসঙ্গে। সংস্থিতা বলতে চাইল, কিন্তু ওর গলা দিয়ে একটা শব্দও বেরোল না। কল্লোল যেমন ঝিম মেরে বসে ছিল, তেমনই ঝিম মেরে বসে রইল। সংস্থিতা ওর দিকে তাকিয়ে ফুটপাথে বসে থাকা বাচ্চাটার দিকে তাকাল আবার। কোনও যোগসূত্র পেল না দুটো দৃশ্যের মধ্যে। ভয় পেল খুব। আর ভয় পেয়ে বরাবরের মতো বীজমন্ত্র জপ করতে শুরু করল মনে মনে।

    তুমি কবে দীক্ষা নিয়েছ? কেয়া মৈত্র জিজ্ঞেস করলেন।

    অনেকদিন, আমার তখন তেরো-চোদ্দো বছর বয়স, সংস্থিতা একবার চোখ বন্ধ করল।

    তারপর থেকে নিয়মিত জপ-ধ্যান করো? কেয়া একটু যেন অবাক গলাতেই জিজ্ঞেস করলেন।

    ধ্যান করে উঠতে পারি না। তবে জপ করি প্রতিদিন।

     

     

    সেই একশো আট বার না কতবার করে করার নিয়ম আছে, না?

    ওটা মিনিমাম। বাড়ালে ভাল, আরও ভাল নির্দিষ্ট সময়ের বাইরেও, মানে ধরুন, যখনই মনের মধ্যে টানাপড়েন চলে, তখনই জপ করতে শুরু করা।

    একটা কথা বলছি সংস্থিতা, কিছু মনে কোরো না। জপের মন্ত্র তো সাধারণত একাক্ষর, দু’অক্ষর বা ওইরকম হয়। এবার আমি যদি একটা কোনও গানের বা কবিতার লাইন, ধরো, ‘আকাশ ভরা সূর্য তারা বিশ্ব ভরা প্রাণ’ এটাই বারবার বলতে থাকি আমার মানসিক অস্থিরতার সময় এবং বলে যদি স্বস্তি পাই, তা হলে রবিঠাকুরের ওই লাইনটাকে কি আমি আমার মন্ত্র বলে মনে করতে পারি না?

    নিশ্চয়ই পারেন, একশোবার পারেন। তবে এই মন্ত্রের সঙ্গে আমার মন্ত্রের একটা তফাত আছে।

    কী?

     

     

    এটা মন্ত্র আর আমারটা সিদ্ধমন্ত্র।

    মানে?

    মানে ধরুন, আপনি প্রচণ্ড খিদের সময় কিছু খেতে চাইলেন আর আমি আপনাকে চাল, ডাল, তেল, নুন, ঘি, কাঁচালঙ্কা সব দিলাম। এখন এই জিনিসগুলো সবই খাদ্যবস্তু, কিন্তু এগুলোকে খাওয়ার জন্য আপনাকে উনুন ধরাতে হবে কিংবা গ্যাস জ্বালাতে হবে। এটা হল মন্ত্র। আর সিদ্ধমন্ত্র হল, আপনি খেতে চাইলেন, আমি সঙ্গে সঙ্গে আপনাকে গরম এক থালা ভাত, ডাল, তরকারি এনে দিলাম। ব্যস, আপনি খাওয়া শুরু করে দিন।

    শুরু তো করব, কিন্তু তুমি মাছও দিয়ে একপিস! আমার স্বামী যদিও মারা গেছেন, আমি মাছ-টাছ খাই, কেয়া হাসতে হাসতে বললেন।

    সংস্থিতা বিব্রত হয়ে বলল, এমা, আমি তা মিন করিনি। আমি জাস্ট উদাহরণ হিসেবে…।

     

     

    কেয়া ওকে থামিয়ে দিয়ে বললেন, দুর পাগলি! আমি মজা করছিলাম। কিন্তু সিরিয়াস যে-প্রশ্নটা আমার মনের মধ্যে ঘুরছে-ফিরছে তা হল মন্ত্র, সিদ্ধমন্ত্র হয় কীভাবে?

    সংস্থিতা খুব প্রত্যয়ের সঙ্গে বলল, কার্তুজ যেভাবে গুলি হয়ে ওঠে। আমি হাতে নিয়ে নাড়াচাড়া করছি, নাড়াচাড়া করতে করতে আপনার দিকে ছুড়ে দিলাম, আমার ছোড়া বুলেটে কি আপনি মারা যাবেন? কিন্তু ওই একই বুলেট যদি কোনও রাইফেলের ভিতর থেকে প্রচণ্ড গতিতে ছুটে আসে…

    কেয়া ওকে থামিয়ে দিয়ে বললেন, তুমি গতির কথা বলছ। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ কি শব্দের ভিতরে প্রচণ্ড গতি, ভয়ংকর তেজ ভরে দেননি? আপাতনিরীহ কতগুলো শব্দকে মর্মভেদী কোনও পঙ্‌ক্তিতে রূপান্তরিত করেননি?

    সংস্থিতা সামান্য ফাঁপরে পড়ে বলল, নিশ্চয়ই করেছেন, কিন্তু আমি বলতে চাইছিলাম কবিতার শক্তি আর সাধনার শক্তি বোধহয় ঠিক একই রকম নয়। কবিতার পিছনে কিছুটা হলেও কবির আত্মপ্রীতি কাজ করে। তিনি নিজের মধ্যে দিয়ে সারা পৃথিবীকে বুঝতে চান, ধরতে চান…

    আর সাধকের ক্ষেত্রে?

    সাধক বা ঋষির রাস্তা ভিন্ন। তাঁকে সারা পৃথিবীর মধ্যে দিয়ে নিজেকে বুঝতে হবে বা বলা ভাল নিজেকে বিলীন করে দিতে হবে বিশ্বপৃথিবীর হিতার্থে।

    তাই? কেয়া অবিশ্বাসের গলায় জিজ্ঞেস করলেন।

    হ্যাঁ। তবে রবীন্দ্রনাথের কথা আলাদা। উনি যেখানে কালি-কলম আর কাগজ এক করেছেন সেখানেই সরস্বতী। কিন্তু তারপরও একটা ব্যাপার থাকে। আপনি ভীষণ বিপদে পড়লে তো আর রবীন্দ্রনাথের কাছে প্রার্থনা করতে পারবেন না, ঠাকুর আমায় রক্ষা করো বলে, কিংবা ইংরেজরা তো ঝামেলায় পড়লে শেক্সপিয়রের কাছে গিয়ে মাথা ঠুকতে পারে না!

    দাঁড়াও, দাঁড়াও, কার নাম করলে? কেয়ার চোখে অনেক দূরের কোনও ছবি।

    শেক্সপিয়রের, কেন? সংস্থিতা একটু ঘাবড়ে যাওয়া গলায় বলল।

    কেয়া একটু চুপ করে থেকে বললেন, তা হলে তোমাকে একটা গল্প বলি, শোনো। তুমি তো জানো, আমার ছেলে হওয়ার পরই অরুণাংশুর হার্টের অসুখ ধরা পড়ে। আমার শ্বশুরমশাই প্রতিপত্তিশালী লোক ছিলেন, বড় ছেলের জন্য কোনও চিকিৎসাই তিনি বাদ রাখেননি। সেসব চলতে চলতে একসময় ঠিক হল, ও বিলেতে গিয়ে ডাক্তার দেখাবে, সঙ্গে যাব আমি। বাবানের তখন সাড়ে তিন-চার বছর বয়স। তবু ওকে আমি শাশুড়ি-মা’র কাছে রেখে যেতে রাজি হলাম, কারণ ওইটুকু বাচ্চাকে লন্ডনে কার কাছে রেখে এ-ডাক্তার ও-ডাক্তার করে বেড়াব! আর তা ছাড়া অরুণাংশু নিজেও রাজি ছিল না। ও বলল, বাচ্চারা সব বুঝতে পারে, বাবা মরণাপন্ন, বাবা এখানে চিকিৎসা করাতে এসেছে, এই ব্যাপারটা তুমি কিছুতেই বাবানের কাছে বেশিদিন চেপে রাখতে পারবে না। আর যখনই ও ব্যাপারটার একটা অস্পষ্ট আন্দাজ করতে শিখবে মনে-মনে, ওর ওপরে একটা সাংঘাতিক নেগেটিভ চাপ পড়বে।

    বাবানকে ছাড়া এতদিন আমরা থাকব? আমি মিনমিন করে বললাম।

    বাবানকে ছেড়ে খুব তাড়াতাড়ি যাতে চলে যেতে না হয়, সেজন্যই তো যাচ্ছি! অরুণাংশু বলল।

    আমি কোনও কথা না বলে ডান হাতটা দিয়ে ওর মুখ চাপা দিলাম।

    তারপর? গেলেন লন্ডন? সংস্থিতা তর সইতে না পেরে জিজ্ঞেস করল।

    হ্যাঁ, জীবনের ওই তিন সপ্তাহের আনন্দ এখনও আমার শিরা-উপশিরায় ঘুরে বেড়ায়! এত আহ্লাদ, এত পুলক আমাদের দু’জনের মধ্যে উড়ে বেড়াত, মনে হত যেন আমরা হনিমুনে এসেছি। রোগ-বিসুখের কথা মাথায় থাকত না এক-এক সময়। অবশ্য প্রাথমিকভাবে একজন বড় ডাক্তার খুব ভরসা দিয়েছিলেন আর সেটাও আমাদের ফুর্তির একটা অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছিল বলতে পারো। সে যাই হোক, লন্ডনের এদিক-ওদিক ঘুরে বেড়িয়ে আমরা ঠিক করলাম শেক্সপিয়রের জন্মস্থান দেখতে যাব।

    কী যেন নাম জায়গাটার?

    স্ট্রাটফোর্ড আপন অ্যাভন! কেয়া একটু থেমে থেমে বললেন। তারপর সামনে তাকিয়ে আছেন কিন্তু কিছু দেখছেন না এরকম ভঙ্গিতে বললেন, অ্যাভন নদীর তীরে একটা বড় গঞ্জ-শহর বলতে পারো। অনেক রকম পসরার বিকিকিনি চলত নিত্যদিন। তবে ইংরেজরা যেহেতু একটু কেঠো, মানুষে-মানুষে মেলামেশা হলে যে-ভাইব্রেশন তৈরি হয়, তার তেমন আঁচ পেতাম না। সেই আঁচ পেলাম স্ক্র্যাটফোর্ডের শেক্সপিয়র সেন্টারে গিয়ে। তুমি আমার ক্লাস করোনি কখনও, করলে জানতে আমি ক্লাসে প্রথমেই বলতাম…

    সংস্থিতা ওকে থামিয়ে দিয়ে বলল, জানি, শেক্সপিয়র একজন ভারতীয় নাট্যকার! কথাটা আমাকেও বলেছেন দু’-একবার।

    কেয়া হেসে ফেললেন, লোকটা ওই নামেই ব্রিটিশ। কিন্তু মেজাজে পুরোপুরি উপমহাদেশীয়। ওর নায়িকারা অধিকাংশই নিষ্কলঙ্ক অপাপবিদ্ধ হয়ে বাঁচতে চায় আর নায়কগুলোকে দেখলে মনে হবে, লখনউ কিংবা পুরনো দিল্লির কোনও মহল বা বাজার থেকে বেরিয়ে এল এইমাত্র। আসলে শেক্সপিয়রের চরিত্রদের মধ্যে ভীষণ উত্তাপ। যে-উত্তাপ গড়পড়তা ইংরেজের মধ্যে একেবারেই নেই। সে না থাক, কিন্তু ওই স্ট্র্যাটফোর্ডে একটা চেয়ার সংরক্ষিত আছে। বলা হয়, শেক্সপিয়র ওই চেয়ারটায় বসে লিখতেন। ওখানে ঘুরতে আসা টুরিস্টদের বিশ্বাস যে, ওই চেয়ারে বসে যদি কিছু মন থেকে চাওয়া যায়, তা হলে শেক্সপিয়র সেই মনোবাসনা পূর্ণ করেন।

    আপনি চেয়েছিলেন?

    হ্যাঁ, চেয়েছিলাম। কিন্তু অরুণাংশুর হার্টের যে-ভালভটা খারাপ সেটা ঠিক হয়ে যাক, ও অনেকদিন বাঁচুক, এরকম কিছু চাইনি। আমি বিড়বিড় করে বলেছিলাম, শেক্সপিয়র আমি যেন সারাজীবন তোমার সৃষ্টির মধ্যে ডুবে থাকতে পারি। আমি যেন সেই সমুদ্রটাকে ধারণ করতে পারি নিজের মধ্যে, যাতে শুধু তুমিই ঢেউ। শেক্সপিয়র আমার কথা রেখেছেন সংস্থিতা। আমি ভোরবেলা ঘুম ভাঙলে অনুভব করেছি কেউ যেন আমার সামনে একটা রবারের বল ছুড়ে দিচ্ছে। সেই বলটাই হ্যামলেট, সেই বলটাই পোরশিয়া। আমি পোষা কুকুরের মতো ছুটে গিয়ে সেই বলটা মুখে করে তুলে এনেছি, তার ভিতরের সমস্ত স্পন্দন উজাড় করে দিয়েছি আমার ছাত্রছাত্রীদের কাছে, কিন্তু স্পন্দন ফুরোয়নি। তাই আমি আবার ছুটে গেছি সেই রবারের বলটার দিকে। বাস্তব ছেড়ে ছুটে গেছি আমার নিয়তির দিকে। অরুণাংশু ঘুরে আসার পর এক বছরও পুরো বাঁচেনি। কিন্তু সেই প্রার্থনাটা বেঁচে আছে। অরুণাংশু স্মৃতি ফিকে হয়ে গেছে, কিন্তু স্ক্র্যাটফোর্ড আপন অ্যাভনের সেই আর্ট গ্যালারি, সেই থিয়েটার হল, সেই লাইব্রেরি আর সর্বোপরি সেই চেয়ার, যে-চেয়ারে আমি মাত্র পঁয়তাল্লিশ সেকেন্ডের জন্য হলেও একটাই মাত্র প্রার্থনা করার শর্তে বসেছিলাম, আমার মাথার মধ্যে অনবরত পাক খায়।

    সংস্থিতা কেঁদে ফেলল। ওকে কাঁদতে দেখে কেয়াদিও কাঁদলেন একটু। তারপর চোখ মুছে জিজ্ঞেস করলেন, আচ্ছা তোমার কি মনে হয় আমি যদি সেদিন অরুণাংশুর প্রাণভিক্ষা চাইতাম, তা হলে ও বেঁচে যেত?

    সংস্থিতা কী উত্তর দেবে ভেবে না পেয়ে বলল, ওখানে কি শুধু একটাই প্রার্থনা করা যায়?

    তুমি দশটা করলেই বা কে জানছে! কিন্তু তিরিশ থেকে পঁয়তাল্লিশ সেকেন্ড সময় তো! আর তা ছাড়া জনশ্রুতি যে, শেক্সপিয়র একটিই মাত্র প্রার্থনা মঞ্জুর করেন তাই… আচ্ছা তুমি কি জপ করে ওঠার পরে অনেক কিছু চাও?

    সংস্থিতা আবারও চুপ করে গেল। জপের শেষে সংস্থিতাও কোমায় চলে যাওয়া ওর আর কল্লোলের সম্পর্কের পুনরুজ্জীবন চাইতে পারেনি। কারণ চাওয়া যায় না। কিন্তু ঠিক কী চেয়েছিল, সেটাও ওর মনে পড়ছে না এই মুহূর্তে। সংস্থিতা মুখ তুলে তাকাল কেয়াদির উৎসুক মুখের দিকে। বলল, অনেক কিছু চাইব ভাবি, কিন্তু শেষে ওই একটা জিনিসই চাই।

    কী বলো তো? কেয়ার গলায় আগ্রহ।

    আপনার বাড়ির ওই স্পেশাল চা, সংস্থিতা হেসে ফেলল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমন্ত্র – বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article হুমায়ূন আহমেদের শেষ দিনগুলো – বিশ্বজিত সাহা

    Related Articles

    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়

    মন্ত্র – বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }