Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভৌ – বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প245 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জাল সই

    বাঁচতে কে চায় না? সবাই চায়। আর বেঁচে থাকতে গেলে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান চাই। সঙ্গে চাই একটু-আধটু যৌনতা। কিন্তু সবচেয়ে বেশি চাই মদ। অনিরুদ্ধ অন্তত সেরকমই ভাবে। না ভেবে ওর উপায়ও নেই এখন। দুপুর গড়াতে শুরু করলেই ওর ভিতরে একটা অস্থিরতা শুরু হয়। বিকেলের দিকে সেটা ছটফটানিতে গিয়ে পৌঁছোয়। তখনই অনিরুদ্ধর শিরা-উপশিরা বেয়ে বয়ে চলা রক্তের স্রোতে জন্ম হয় এক-একটা অক্ষরের। অক্ষরগুলো নিজেরাই নিজেদের জুড়ে জুড়ে তৈরি করে এক-একটা নাম। সেই নামগুলো ধাক্কা মারে ওর মাথায়। মাঝির বৈঠার ধাক্কায় যেমন দু’ভাগ হয়ে যায় জল, ওই নামগুলোর ধাক্কায় দু’ভাগ হয়ে যায় অনিরুদ্ধর সন্ধ্যার আগের জীবন এবং সন্ধ্যার পরের জীবন। ও খুঁজে বেড়াতে শুরু করে নামের পেছনে ঘাপটি মেরে থাকা লোকগুলোকে। খুঁজে পেলে ঠাহর করার চেষ্টা করে, কার মাথায় কাঁঠাল ভেঙে মদ খাওয়া যাবে।

    আজ যেমন ও খুঁজে পেয়েছে স্নিগ্ধদেবকে। ইচ্ছেমতো মাখামাখি করতে পারবে এমন মেয়ে যদি কেউ স্নিগ্ধদেবকে দেয়, তার জন্য স্নিগ্ধদেব জান লড়িয়ে দেবে। তখন তাকে বিরিয়ানি খাওয়াতে, মদ গেলাতে একটিবারের জন্যও আটকাবে না ওর। অনিরুদ্ধ তাই প্রথমেই ওর অফিসে গিয়ে পিয়নের হাত দিয়ে একটা চিরকুট পাঠাল। চিরকুটে একটা কথাই লেখা—সুরমিতা দাস কলকাতায় এসেছে। চিরকুটটা ওপরে যাওয়ার মিনিট পাঁচেকের ভিতরই হন্তদন্ত হয়ে নীচে নেমে এল স্নিগ্ধদেব, অনিরুদ্ধর চোখে চোখ পড়তেই জিজ্ঞেস করল, কোথায় উঠেছে সুরমিতা?

    অনিরুদ্ধ ভুরু নাচিয়ে বলল, হোটেল মুনলাইটে। তিনশো সাত নম্বর ঘরে। চলে যাও।

    স্নিগ্ধদেব হতাশ গলায় বলল, একা চলে যদি যেতে পারতাম, তা হলে কি তুমি হোটেলের নামটা আমায় বলতে? চলো, সঙ্গে চলো!

    অনিরুদ্ধ জিভটা বাইরে বের করে একটু আওয়াজ করল। তারপর হঠাৎ জিজ্ঞেস করল, আচ্ছা স্নিগ্ধ, ওই যে ইয়ং ছেলেটাকে দিয়ে চিরকুটটা পাঠালাম ওর মাইনে এখন কত?

    স্নিগ্ধদেব একটু অবাক গলায় বলল, কে রবি? ও তো বছর তিনেক হল ঢুকেছে। আট হাজার মতো পেত হয়তো।

    নতুন পে কমিশনের রিপোর্ট লাগু হবার পর কত পায়? অনিরুদ্ধ স্নিগ্ধদেবের চোখে চোখ রেখে জিজ্ঞেস করল।

    তেরো-সাড়ে তেরো পায়, স্নিগ্ধদেব হাই তুলল।

     

     

    তিন বছর আগে চাকরিতে ঢোকা ফোর্থ ক্লাস স্টাফের মাইনে সাড়ে তেরো হাজার টাকা। সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট কী করল বলো তো?

    আমি কি তোমার সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারি বেতন কাঠামো নিয়ে আলোচনা করার জন্য নীচে নামলাম অনিরুদ্ধ? স্নিগ্ধদেব বিরক্ত গলায় বলল।

    তা নয়, তবে আমি ভাবছিলাম গ্রুপ ডি স্টাফের মাইনে যদি মাসে পাঁচ হাজার বেড়ে থাকে, তোমার মতো ক্লাস ওয়ান অফিসারের কত বেড়েছে।

    আমি ক্লাস ওয়ান অফিসার নই অনিরুদ্ধ।

    ওয়ান, টু, থ্রি যা-ই হও, মাসে পনেরো হাজার তো বেড়েছে।

    সত্যিই এতটা বাড়েনি।

     

     

    অতটা না হলেও কাছাকাছি। আমাকে দু’হাজার দেবে আজ?

    কেন দেব বলো তো? সুরমিতা দাস কি আমার সঙ্গে শোবে?

    সেটা তোমরা ঠিক করবে, আমি আলাপটা জমিয়ে দিয়ে চার পেগ খেয়ে চলে আসব।

    স্নিগ্ধদেব ওর গালের চাপদাড়ি চুলকোতে চুলকোতে বলল, মাল খাওয়ালে মেজাজ নরম হবে বলছ?

    শুধু মেজাজ নয়, সবকিছুই নরম হয়ে যাবে আরও। তুমি এত বড় খেলোয়াড় তারপরও তুলতে পারবে না?

    খুব শক্ত পিচ, আমি জানি না কিছু করতে পারব কিনা।

    ডিপ্রেসিং কথাবার্তা বোলো না তো। সেই যে বোকারোয় তুমি নখরা করেছিলে তাতে কি কিছু হয়নি? হয়েছে বলেই আজ দেখা করতে রাজি হয়েছে। আজও আবার মাটি কোপাতে হবে। জল আজ নয় কাল উঠবেই।

     

     

    স্নিগ্ধদেব আবারও দাড়ি চুলকে বলল, বুঝলাম। কিন্তু বোকারোয় আমি কী যেন করেছিলাম?

    অনিরুদ্ধ রুমালে নাক ঝেড়ে বলল, ন্যাকা চৈতন্য!

    বোকারোয় কী কী হয়েছিল মনে মনে ভাবার চেষ্টা করছিল অনিরুদ্ধ। কিন্তু একচুমুক করে হুইস্কি ওর ভিতরে ঢুকছিল আর মাথাটা গুলিয়ে যাচ্ছিল একটু করে। সুরমিতার সঙ্গে, এই ঘরেরই অন্যদিকে কথা বলছে স্নিগ্ধদেব। অনিরুদ্ধ অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে আধকাত হয়ে শুয়ে আছে। হ্যাঁ, কীভাবে যেন আলাপ স্নিগ্ধদেব আর সুরমিতার? মনে পড়ছে না। ঘটনাটা কিংশুককে বলেছিল অনিরুদ্ধ। হাসতে হাসতে প্রায় উলটে পড়েছিল কিংশুক। বলেছিল, সত্যি পিয়ালের কাঁধে বন্দুক রেখে হেভি বাজি মারলে তোমরা। কিন্তু পিয়ালের কাঁধে বন্দুক থাকবে কেন? পিয়ালের কাঁধে তো গিটার থাকার কথা। ও অবশ্য গিটার বাজায় না। তবু গান তো গায়!

    দু’জন মিলে এতক্ষণে কী বদামি শুরু করেছে কে জানে। করুক গে! অনিরুদ্ধ টানটান হয়ে শুয়ে পড়ল মেঝেতে।

    বড় লাইটটা নিভিয়ে দেব অনি?

     

     

    স্নিগ্ধদেবের গলা কানে এল।

    থাক না, লাইট থাক না। মৃদু অনুযোগের একটি মহিলা কণ্ঠ।

    আপনি বুঝতে পারছেন না ওর চোখে কষ্ট হচ্ছে। কাউকে কষ্ট দেওয়া কি আমাদের উচিত? স্নিগ্ধদেবের গলা নরম হয়ে গলে যেতে লাগল।

    ঘরের লাইটটা নিভে গেল একটু পরেই। একটা ডিম আলো শুধু জ্বলতে থাকল কোথাও। অনিরুদ্ধ দেখতে পাচ্ছিল একটা পলকা প্লাইউডের দরজা ওর সামনে। দরজাটা ঠেলে ভিতরে ঢুকলেই অনেক অনেক ঘুম। ও সেই ঘুমের ভিতর ঢুকবে বলে পা বাড়াচ্ছে, তখনই একটা ঝাপটাঝাপটি কানে এল। অনিরুদ্ধ পাত্তা দিল না। হাতের এক ধাক্কায় প্লাইউডের দরজাটা ঠেলে ওই ঘুমের সাম্রাজ্যে গিয়ে ঢুকল। আর ঢুকতেই ওর সঙ্গে দেখা হয়ে গেল পিয়ালের।

    কী খবর অনিরুদ্ধদা? অনেক অনেকদিন তোমার কোনও খোঁজ নেই? আমি এর মধ্যে মোবাইলে ফোন করেছিলাম একবার কিন্তু… পিয়াল থেমে গেল।

     

     

    পাসনি তো? কী করে পাবি! সে-সময়টা আমার মোবাইলে ভ্যালিডিটি ছিল না। আচ্ছা ভ্যালিডিটি মানে কী রে পিয়াল? বৈধতা? নাকি বহাল থাকা, বলবৎ থাকা?

    যাই হোক না কেন, তাতে তোমার কী? তোমার চাকরিটা বহাল আছে তো?

    না, নেই। কেন নেই বল তো পিয়াল? আমি কী এমন দোষ করেছিলাম যে প্রমিত ব্যানার্জি সিঙ্গাপুর থেকে একটা ফোন করে আমার চাকরিটা খেয়ে নিল?

    প্রমিত ব্যানার্জি? তুমি তো তার একনম্বর অ্যাসিস্ট্যান্ট ছিলে অনিরুদ্ধদা।

    চামচা বল, পিয়াল, চামচা বল।

    কিন্তু লোকটা তো নির্ভর করত তোমার ওপর।

    আমি ওর অ্যাটাচিটা বয়ে নিয়ে যেতাম, যখন ও অফিস থেকে বেরোত। সেটাকে কি নির্ভরতা বলে? ক্ষমতা যার আছে, তার ওপরেই লোকে নির্ভর করে।

     

     

    ব্যাপারটা কী হয়েছিল?

    আমি সই জাল করেছিলাম।

    কার?

    প্রমিত ব্যানার্জির। মানে উনি তাই বলেন।

    বলেন মানে, তুমি সত্যি সত্যি জাল করোনি?

    কে জানে, আমার ঠিক মনে পড়ে না। আমার শুধু মনে পড়ে যে নিজেকে প্রমিত ব্যানার্জির ছায়া ভেবে ওর হয়ে একটা কথা দিয়েছিলাম।

    কাদের?

     

     

    কোনও একটা সংস্থাকে, কয়েকটা লোককে। ওরা একটা অনুষ্ঠান চালাতে চাইছিল আমাদের চ্যানেলে। কমিশনড প্রোগ্রাম। আমি কথা দিয়েছিলাম যে প্রোগ্রামটা আমাদের চ্যানেলে টেলিকাস্ট হবে।

    সিরিয়াল?

    না রে, সিরিয়াল নয়, ওই যে ফ্যাক্ট বেসড প্রোগ্রামগুলো হয় না, অনেকটা সেইরকম। সমাজের কোথায় কী জাল-জোছুরি হচ্ছে তাই নিয়ে আধঘণ্টার এক-একটা এপিসোড। আমি একটা ডেমো দেখেছিলাম। খারাপ না, ভালই। কিন্তু আমার ওদের কথা দিয়ে দেওয়াটা প্রমিত ব্যানার্জি নিতে পারল না বুঝলি। মানে ছায়াটা শরীরের চেয়ে বড় হয়ে যাচ্ছে এই ব্যাপারটা নিতে পারল না।

    কিন্তু তুমি ওর হয়ে সইটা করতে গেলে কোন আক্কেলে?

    সইটা যতদূর মনে পড়ে, করিনি। কিন্তু ওরা কীসব কাগজপত্র দেখাল, তাতে আমার সইয়ের মতোই একটা কালির দাগ ওপর থেকে নীচে নামতে নামতে বাঁদিকে বেঁকে গেছে। আমি সেই বাঁকটার সামনে দাঁড়িয়ে চুপ করে গেলাম জানিস।

     

     

    কেন অনিরুদ্ধদা?

    আসলে ওরা আমাকে কুড়ি হাজার টাকা দিয়েছিল।

    তুমি টাকা নিয়েছিলে?

    হ্যাঁ, তিন মাস মাইনে পাইনি। প্লাস অন্তরার ডাক্তার, ওষুধপত্রের পিছনে অত খরচ, আমি টাকা নিয়েছিলাম। আসলে ওই পার্টিটাও এত মরিয়া ছিল যে আমাকেই হনুমান ঠাওরেছিল। রামচন্দ্র অযোধ্যায় ফিরে এলেই সব ঘ্যাচাং হয়ে যাবে বুঝতে পারেনি। যখন বুঝল, আমাকে ডুবিয়ে নিজেরা বাঁচতে চাইল।

    যাই বলল অনিরুদ্ধদা, কাজটা করা তোমার ঠিক হয়নি। তুমি ওদের একটু ঝুলিয়ে রাখতে পারতে…

    বললাম তো, আমি নির্ভরতার ওপর ভরসা করে আমার ভ্যালিডিটি পেরিয়ে গেছিলাম। আমি ওই অবৈধ কাজটি করামাত্র আমার ভ্যালিডিটি শেষ হয়ে গেল। আউট অফ সার্ভিস হয়ে গেলাম। আমার আগের সমস্ত রেকর্ড স্লেটের গায়ে ভিজে ন্যাতা বুলিয়ে তুলে দেওয়া হল। আমি কী কী করেছি প্রমিত ব্যানার্জির জন্য তার একটা চিহ্ন রইল না কোথাও! মরুভূমির গায়ে ক্যাকটাসের মতো শুধু সেই সই কিংবা জাল সই জেগে রইল।

     

     

    তুমি আর কাউকে ধরলে না? যে তোমার হয়ে একটু বলতে পারত।

    কাকে ধরব? চ্যানেলে সেকেন্ড ইন কম্যান্ড ছিল মৈনাক পাল। তাকে রেজিগনেশন দেওয়ানোর সমস্ত প্ল্যান তো ছকেছিলাম আমি। ছকেছিলাম প্রমিত ব্যানার্জির কথায়। ওই লোকটা থাকলে হয়তো…

    প্রমিত ব্যানার্জি কী বলল, যখন তুমি চলে আসছ?

    আমাকে তো ও ডাকেনি। আমিই চাকরি যাওয়া সত্ত্বেও গেট ক্র্যাশ করে ঢুকেছিলাম ওর চেম্বারে। ভেবেছিলাম আমাকে দেখলে ওর মন হয়তো একটু গলবে। কিন্তু গলল না। আমি বললাম, শুনুন, একবার আমার কথা একটু শুনুন, কিন্তু বাঁ হাতটা ওপরে তুলে থামিয়ে দিল আমায়। বলল, তুই কথা বলিস না অনিরুদ্ধ, তোর কথা শুনলে আমার জলাতঙ্ক হয়।

    জলাতঙ্ক হয় বলল?

     

     

    হ্যাঁ রে পিয়াল, বলল। আমার তখন বলা উচিত ছিল আমি ওকে কতবার মেয়ে সাপ্লাই দিয়েছি, আমাকে কতভাবে কত জায়গায় প্রক্সি দিতে বাধ্য করেছে ওই লোকটা। কত খবর চেপে দিয়েছে, কত প্রোগ্রামের অ্যাঙ্গল বদলে দিয়েছে, কত কিছুকে ফালতু জাহির করে দেখিয়েছে আর বিনিময়ে লাখ-লাখ টাকা কামিয়ে নিয়েছে, তার অনেকগুলোর তোলাবাজের ভূমিকায় আমি ছিলাম। বিনিময়ে পাঁচশো, হাজার টাকা হয়তো আমিও পেয়েছি, কিন্তু সে তো ফাইভ কোর্স ডিনারের পর মুখশুদ্ধির মৌরি। কিন্তু এসব কথা আমি বলতে পারিনি। বেরিয়ে এসে আমি ঠাকুরকে ডাকছি, ঠাকুর আমায় রক্ষা করো, অন্তরাকে ডাকছি…

    অন্তরাকে ডাকছ কেন? অন্তরা কি ঠাকুর? পিয়াল অনিরুদ্ধকে থামিয়ে দিয়ে জিজ্ঞেস করল।

    ঠাকুরই তো৷ অন্তরাকে আমি দেবীজ্ঞানে ভক্তি করি, কন্যাজ্ঞানে স্নেহ করি, হৃৎপিণ্ড জ্ঞানে ভালবাসি। আমি অন্তরাকে ডাকছি আর বলছি, অন্তরা আমি পৃথিবীতে তোমা বিনে অন্য কোনও মেয়েকে স্পষ্ট দেখতে পাই না, তুমি আমায় সংহত করো, জাগ্রত করো আমায়। আমি একদম রাস্তায় এসে দাঁড়িয়েছি, আমাকে কাউকে না কাউকে ঘরে ফেরার পথ জিজ্ঞেস করতে হবে, তুমি বলে দাও কী ভাষায় জিজ্ঞেস করব। আমাকে ঠাকুর দয়া করলেন নাকি অন্তরা দয়া করল আমি ঠিক জানি না রে পিয়াল, কিন্তু আমার গলা দিয়ে ভক করে একটা শব্দ বেরিয়ে এল তিরবেগে, ভৌ।

     

     

    ভৌ?

    হ্যাঁ, ভৌ। অপমান আর যন্ত্রণাই আমার ভিতরটা মন্থন করে এই কনসেপ্টটা নিয়ে এল। আমি তো কুকুরের মতোই প্রতিদিন প্রভুর নির্দেশের জন্য অপেক্ষা করতাম। এবার আমার প্রভুই যখন বলছেন যে, আমার গলা দিয়ে বেরোনো আওয়াজে জলাতঙ্ক হয়, তখন আমি কী গাব, কী শুনাব! উর্ধ্বতন-অধস্তনের মধ্যে, উত্তমর্ণ-অধমর্ণের মধ্যে যে-কোনও সম্পর্কই কি প্রভু আর কুকুরের সম্পর্ক? আমার মাথার মধ্যে বুদবুদের মতো বার্স্ট করল আইডিয়াটা। তখনই একদিন সায়ন্তনের সঙ্গে দেখা। ‘না’ বলবে ধরে নিয়েই ওকে বললাম, একটু মদ খাওয়াবেন? আপনাকে একটা কনসেপ্ট দিতে পারি।

    সায়ন্তন বলল, চলুন, এমনিই খাওয়াচ্ছি।

    চার পেগ মতো খাওয়ার পরে আমি আমার মাথার ভিতরের সবকিছু উজাড় করে দিলাম ওর সামনে।

    সায়ন্তন আমার হাত দুটো জড়িয়ে ধরে বসে রইল কিছুক্ষণ। তারপর চাপা গলায় বলল, আমি আবার একটা সুনামির সামনে গিয়ে দাঁড়িয়েছি।

    আমাকে কিছু টাকাও অ্যাডভান্স করার কথা বলেছিল। কিন্তু আমি নিইনি। আমার তো এই টুকটাক উঞ্ছবৃত্তি করে এখন চলে যাচ্ছে। রেডিয়ো স্টেশনটা নামুক বাজারে, একটা বিস্ফোরণ ঘটুক, লোকে নড়ে-চড়ে বসুক, তখন টাকা নেওয়া যাবে।

    কিন্তু কনসেপ্ট তোমার, সেটার একটা স্বীকৃতি থাকবে না?

    স্বীকৃতি মানে? ওমুক হিট বিজ্ঞাপনটা এই লোকটার তৈরি, এরকম বলা যায় নাকি?

    বেশ, না-ই বা গেল। কিন্তু রয়্যালটি?

    না রে, নিজের সন্তান বেচে পয়সা নেওয়া যায় না। কিন্তু বাদ দে, সন্তানের কথা থাক।

    কেন থাকবে কেন অনিরুদ্ধদা? তুমি বলছিলে অন্তরার ওষুধপত্র, ডাক্তার—কী হয়েছে অন্তরার? নতুন কোনও খবর আছে?

    নতুন খবর? হ্যাঁ, নতুন, আবার নতুন নয়। অন্তরার শরীরের মধ্যে একটা ছায়া এসেছিল জানিস। কোনও একটা গ্যালাক্সির, কোনও একটা নক্ষত্রের ছায়া। তো সেই ছায়াটা নষ্ট হয়ে গেছে।

    ছায়া কীভাবে নষ্ট হবে অনিরুদ্ধদা? ছায়া তো পচনশীল নয়।

    তুই ঠিক বলেছিস পিয়াল। কিন্তু তবুও কীভাবে কে জানে ছায়াটা নষ্ট হয়ে গেছে। আরও মুশকিল হচ্ছে যে নষ্ট হয়ে গিয়েও ছায়াটা দৃশ্যমান।

    তুমি কী বলছ, আমি কিছু বুঝতে পারছি না অনিরুদ্ধদা।

    আমিও তোকে বোঝাতে পারছি না রে। তুই অন্তরার কাছে ডিটেলে বুঝে নিস পিয়াল।

    অন্তরার কাছে?

    হ্যাঁ, অন্তরা তো তোর ক্লাসমেট। একদিন যাস ওর কাছে। ও তোর গান বড় ভালবাসে, ওকে গান শোনাস কয়েকটা, একটু বসিস ওর কাছে। ছায়াটার কথা জিজ্ঞেস করিস…

    ঘুম ভেঙে গেল অনিরুদ্ধর। ও ধড়ফড় করে উঠে বসে দেখল, ঘরে তখনও নীল আলোটা জ্বলছে। দু’বার চোখে হাত বুলিয়ে চোখটা সইয়ে নিয়ে অনিরুদ্ধ দেখল, হাঁটুর ওপর মুখটা গুঁজে চুপ করে বসে রয়েছে সুরমিতা। স্নিগ্ধদেবকে দেখা যাচ্ছে না। দু’বার গলা খাঁকারি দিয়ে অনিরুদ্ধ বলল, আলোটা জ্বালবেন?

    সুরমিতা কোনও কথা না বলে আলোটা জ্বেলে দিল। একটা নীলরঙের চাদরে নিজেকে ঢেকে বসে আছে সুরমিতা। এতক্ষণ কী হয়েছে না হয়েছে ওর আন্দাজ করতে ইচ্ছে হল না। জিজ্ঞেস করল, স্নিগ্ধদেব কোথায়?

    চলে গেছে, সুরমিতা নিচু গলায় বলল।

    চলে গেছে? আমার টাকা না দিয়ে চলে গেল?

    কীসের টাকা? সুরমিতা সরল গলায় বলল।

    অনিরুদ্ধ তাড়াতাড়ি নিজেকে সামলে নিয়ে বলল, ওই একটা লেখার জন্য কিছু সম্মানদক্ষিণা পাওয়ার ছিল। বলেই উঠে দাঁড়িয়ে একটু টাল খেতে খেতে ঘর সংলগ্ন বাথরুমে গিয়ে ঢুকল। চোখে মুখে জলের ঝাপটা দিয়ে যখন বেরোল, দেখল সুরমিতা খুব সহজ নিশ্চিন্ততায় ব্লাউজের ভিতর হাত দু’টো গলাচ্ছে। অনিরুদ্ধ নির্বিষ কৌতূহলে ওর সম্পদের দিকে একবার তাকাল। তাকাতেই মনে হল, ওকে টাকা না দিক স্নিগ্ধদেব সুরমিতার অঙ্গে নিশ্চয়ই নিজের সই দিয়ে গেছে। আসল সই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমন্ত্র – বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article হুমায়ূন আহমেদের শেষ দিনগুলো – বিশ্বজিত সাহা

    Related Articles

    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়

    মন্ত্র – বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }