Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভ্যাঙ্কুভারের ভ্যাম্পায়ার – ডিউক জন

    ডিউক জন এক পাতা গল্প253 Mins Read0
    ⤶

    ভ্যাঙ্কুভারের ভ্যাম্পায়ার

    মিলল না কল্পনার সঙ্গে।

    বিশাল বাড়িটা। এতটাই বড় যে, নার্ভের উপর চাপ দিচ্ছে রীতিমতো।

    ভেবেছে, গতানুগতিক ধাঁচের অ্যাপার্টমেন্ট দেখবে। কিন্তু না। দুর্গ-টাইপ।

    বিষণ্ণতার প্রতিমূর্তি যেন।

    ছমছমে। দেখলে মনে হয়, না জানি কত রহস্যের নীরব স্বাক্ষর দেয়ালে-দেয়ালে।

    এই রহস্যময়তার ছিটেফোঁটাও ধারণ করতে পারেনি অবশ্য দ্য ভ্যাঙ্কুভার সান-এর ব্রড শিট।

    খবরের কাগজটা আরও একবার চোখের সামনে ধরল। লামিয়া।

    সাদামাটা বিজ্ঞাপনটা। যেমনটা হয় দৈনিক পত্রিকার বাড়ি ভাড়াবিজ্ঞপ্তিগুলো।

    লাল কালি দিয়ে মার্ক করা ঠিকানাটা পড়ল আরেক বার।

    ১৩৭০ মেরিন ড্রাইভ।

    এটাই।

    রিভেরা হাউস।

    ভাড়া কেমন, কে জানে।

    গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল ওর। নভেম্বরের শীতল বাতাসই এর জন্য দায়ী।

    পিছনে কারও উপস্থিতি আঁচ করে ঘুরল ও।

    ডাইনি!

    কালো জ্যাকেট। কালো জিনস। এক মাথা আগুনরাঙা চুল আর সকাল বেলাতেই চোখের উপর কড়া করে দেয়া বেগুনি আইশ্যাডো বাদে আর-সবই কালো। কালো লিপস্টিক। কালো নেইলপালিশ। গলায় কুকুরের বেল্টের মতো কাঁটাঅলা কালো বেল্ট। উয়োম্যান ইন ব্ল্যাক।

    গথিক লুক আপাদমস্তক। পিয়ার্সিং করা ঠোঁটের নিচে। আধুনিক ডাইনি বলা যায়। এ-ও কি বাসা খুঁজছে? বাড়ির উপযুক্ত ক্যারেক্টার, ভাবল লামিয়া। খুঁজল কলিং বেলের সুইচ বা ঘণ্টি-জাতীয় কিছু নেই।

    বার্নিশ করা কাঠের দরজার মাঝখানে বসানো ব্রাস নকারটায় শব্দ করল ও। দ্বিতীয় বার নক করতেই পায়ের আওয়াজ শোনা গেল বাড়ির ভিতরে। জোরাল হলো। থামল দরজার সামনে এসে। খুলে গেল পাল্লা।

    লম্বা। চওড়া কাধ। পেজা তুলোর মতো এলোমেলো সাদা চুল। যেন চিরুনি পড়েনি বহু কাল। গোঁফ-দাড়ি পরিষ্কার করে কামানো। গায়ে লাল ফ্লানেলের শার্ট। গ্যাভার্ডিনের প্যান্টটা ঘিয়ে রঙের।

    পরিষ্কার বিরক্তি চোখে। অসময়ে ঘুম ভাঙালে যেরকম বিষদৃষ্টিতে তাকায় লোকে, তেমনই চাউনি। অসংখ্য ভাঁজ ফেলে কুঁচকে আছে ভুরু জোড়া।

    কী চাই? গলা তো নয় মনে হলো লামিয়ার সিমেন্টের দেয়ালে সিরিশ-কাগজ ঘষল কেউ। এই লোকই বাড়িঅলা? মেরেছে!

    এক্সকিউজ মি। আপনি কি মিস্টার রিভেরা? নার্ভাসনেসের কারণে গলাটা কেঁপে গেল একটু। বুড়োটা ঘাবড়ে দিয়েছে, ওকে।

    চুয়াত্তর বছর ধরে রিভেরাই আছি আমি, থাকব মরণের পরেও। লামিয়ার হাতে ধরা পেপারটার উপরে চোখ পড়ল বুড়োর। কী জন্য এসেছ? ঘর ভাড়া নেবে?

    নিশ্চয়ই,  তাড়াতাড়ি বলল মেয়েটা। যদি পছন্দ হয়।

    হুহ! কথাটা বোধহয় পছন্দ হয়নি, তাকাল রিভেরা লামিয়ার কাঁধের উপর দিয়ে। দুজনে একসাথে?

    কার কথা বলছে?

    ওহ!

    কয়েক মুহূর্তের জন্য মেয়েটার কথা ভুলেই গিয়েছিল লামিয়া। চোখাচোখি হলো ঘুরে দাঁড়াতেই।

    ভাবছে। বুড়ো কি বন্ধু ভেবেছে ওদের? মনে হয়। তবে একসঙ্গে থাকার ব্যাপারটা ভেবে দেখার মতো। ও তো একলা মানুষ। ক্ষতি কী! সঙ্গীও পাওয়া গেল, টাকাও বাঁচল অনেকগুলো। এ সমস্যা কেবল মেয়েটার বেশভূষা নিয়ে। যাক গে, বাঘ ভালুক তো আর নয়!

    কথা হয়ে গেল চোখে চোখে।

    কোনও সমস্যা নেই নিশ্চয়ই!

    জবাব এল না কথাটার। মনে হলো লামিয়ার, পাগল ছাগলকে ঘর ভাড়া দিই না,  বলতে পারলে খুশি হতো বুড়ো।

    কী করা হয়? ওকে নয়, জিজ্ঞেস করল ডাইনিটাকে। এমন ভাবে তাকিয়ে আছে, যেন ঘিনঘিনে গুঁয়োপোকা দেখছে একটা।

    মেয়েটাও সচেতন এই তাচ্ছিল্য সম্পর্কে। নিমিষে ওর চেহারায়। ড্যাম কেয়ার ধরনের একটা বর্ম চলে এল।

    নাইটক্লাবে কাজ করি,  জবাব দিল। বার সামলাই।

    সুন্দর! ব্যঙ্গের সুর। দেখো, বাপু, বাজার বসিয়ে দিয়ে যেন আবার। নাচা-গানা, চিল্লাফাল্লা বন্ধ একদম। শান্তিপ্রিয় মানুষ আমি। কোনও রকম অশান্তি না করলে ভালো লাগবে আমার। বোঝা গেছে?

    প্রমাদ গুনল লামিয়া। যা ভাবভঙ্গি বুড়োর, মানিয়ে চলা যাবে তো! দেখল, চোয়াল শক্ত হয়ে উঠেছে মেয়েটার। তেড়ে-মেরে কিছু একটা বলার আগেই প্রসঙ্গটা ঘুরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করল ও। ঘরটা একবার দেখতে চাই, মিস্টার রিভেরা।

    কিছু নেই দেখার, মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দেয়ার মতো ঠাস করে বলে বসল বুড়ো। তবে দেখবে বইকি!

    .

    মধ্য এপ্রিল। অপরাহু।

    লাইবেরি থেকে বাসায় ফিরছে লামিয়া।

    অন্য দিনের চাইতে একটু তাড়াতাড়িই বেরিয়েছে আজ।

    সকাল থেকেই ম্যাজম্যাজ করছে গা-টা। তার উপর সারাটা দিন রেফারেন্স বই দেখে দেখে অন্ধকার হয়ে গেছে। চোখ দুটো।

    বলতে গেলে, সবে শুরু হলো কানাডার জীবন। অন্তত চার কি পাঁচ বছরের ধাক্কা। সব কিছু মনের মতো হলে কথা ছিল না। মুশকিল হয়েছে প্রফেসর রিচার্ডসনকে নিয়ে। দু চার পাতা লেখে, আর কয়েক দিন পর-পর গিয়ে অধ্যাপককে দেখায় লামিয়া। কিন্তু গ্রাহাম রিচার্ডসন মুখ-চোখ কুঁচকে একটা কথাই বলেন প্রতিবার: ইতিহাস না, পাতিহাঁস হয়েছে এটা।

    জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে হয় লামিয়ার, ইতিহাসের সঙ্গে পাতিহাঁসের সম্পর্কটা কোথায়। বলে না কিছুই। বললে বিশ্বাবদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে দরখাস্ত করে ওর গাইড পদ থেকে ইস্তফা চাইবেন ভদ্রলোক, আর ও অন্য গাইড জোগাড় করে পিএইচ.ডি. করতে করতে হাড়বুড়ি হয়ে যাবে।

    পেণ্ডার স্ট্রিট হয়ে বাসায় ফিরতে হয় ওকে। কানাডার সবচাইতে বড় চায়নাটাউনটা এখানে।

    চিনে শহরটার প্রবেশপথ মিলেনিয়াম গেটের পাশ দিয়ে অনেক বার গেলেও ভিতরে ঢোকেনি ও কোনও দিন। অজানা একটা ভয় দায়ী এর জন্য।

    সাপ-ব্যাঙ খাওয়া চৈনিকদের সম্পর্কে অদ্ভুত কিছু গল্প শুনেছে কিনা! অবশ্য সত্যি, না মিথ্যে, কে জানে।

    কিছু চিনে সম্প্রদায়ের লোকজন নাকি জ্যান্ত বানরের খুলি ফাটিয়ে মগজ খেতে পছন্দ করে। আয়ু নাকি বাড়ে এতে!

    তেরো লাখেরও বেশি চাইনিজ বাস করে কানাডায়। চীন, হং কং, ম্যাকাও থেকে এসেছে। এদেরও ভাগ রয়েছে। আবার। ক্যান্টনিজ। হাইনানিজ। হোক্কাইন। টিও চিউ। হাক্কা। আছে ভিন্ন-ভিন্ন ভাষা, সংস্কৃতি, রীতিনীতি। চিনা সহপাঠিদের কাছ থেকে জেনেছে এসব লামিয়া।

    এদিক-ওদিক ঘুরল ও কিছুক্ষণ। দোকানে-দোকানে ঘুরে ঘুরে বিক্রিবাট্টা দেখল।

    অনেক কিছুই বেচাকেনা হচ্ছে। মাছ। ফল। আনাজপাতি। শেকড়বাকড়। টোটকা ওষুধ। গিরগিটির ছাল। সাপের চামড়া।

    নিজেদের ভাষায় কথা বলছে ক্রেতা-বিক্রেতা। এক বর্ণও বুঝল না লামিয়া। কিচিরমিচির মনে হলো ওর কাছে।

    কিছু কিনল না ও।

    এসে দাঁড়াল বড় এক চাদোয়ার নিচে।

    চুড়ির মতো দেখতে কাঠের কিছু চাকতি ঝুলছে দড়ি থেকে। আকারে চুড়ি থেকে বড়। মাকড়সার মতো সুতো দিয়ে জাল বোনা হয়েছে চাকতিগুলোর মাঝখানটায়। এক একটা জালে এক-এক রকম জ্যামিতিক নকশা। আর জালের গিঁটগুলোতে বসানো হয়েছে পুঁতি। গোলকগুলোর নিচের অংশে ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে পাখির পালক। কোনও কোনওটায় পালকের বদলে ঝুলছে চামড়ার ফালি।

    জিনিসটা চিনতে পারল না লামিয়া।

    এক্সকিউজ মি,  দোকানে বসা মেয়েটাকে জিজ্ঞেস করল ও। কী জিনিস এগুলো?

    মৃদু হাসল নীল চিয়াংসাম পরা তরুণী।

    ড্রিমক্যাচার, ম্যাম,  বলল ইংরেজিতে। স্বপ্নভুক।

    তার পরও অথই জলে লামিয়া।

    ড্রিমক্যাচারটা কী জিনিস?

    দুঃস্বপ্ন তাড়ায়। ঘরের মধ্যে ঝুলিয়ে দেবেন- ব্যস, আজেবাজে স্বপ্ন দেখবেন না আর।

    আসলেই?

    প্রশান্ত হাসি ছড়িয়ে পড়ল মেয়েটার মুখে। আমরা বিশ্বাস করি, ম্যাডাম।

    ও। এসবে বিশ্বাস না করলেও প্রাচীন ধর্মবিশ্বাস, আচার-অনুষ্ঠান কিংবা মূল্যবোধের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনে কার্পণ্য করে না কখনও লামিয়া। ইতিহাসের ছাত্রী বলেই হয়তো।

    নিয়ে যান, ম্যাডাম, বলল তরুণী। চোখের নিচে কালি আপনার। নিশ্চয়ই ভালো ঘুম হয় না রাতে দুঃস্বপ্ন দেখেন কি? একটা ড্রিমক্যাচার নিয়ে যান। অনেক উপকারে আসবে।

    ফিক করে হেসে ফেলল লামিয়া। রাতে আমি মড়ার মতো ঘুমাই। সারাটা দিন এত ধকল যায় যে শরীরের উপর দিয়ে, রাত দুটো-তিনটের সময় বালিশে মাথা রাখা মাত্রই ঘুমিয়ে পড়ি। দুঃস্বপ্ন তো দূরের কথা, স্বপ্নই দেখি না কোনও। চোখের নিচে কালি পড়েছে আসলে অনেক রাত পর্যন্ত পড়াশোনা করার কারণে।

    এতটুকু বিব্রত হলো না মেয়েটা। নির্মল হাসিটাও মলিন হলো না এক বিন্দু। তার পরও নিতে পারেন, ম্যাডাম। স্বপ্নের কথা তো বলা যায় না কিছু।

    লামিয়াও ভাবছিল নেয়ার কথা। মেয়েটার সারল্য ভালো লেগেছে ওর।

    ঠিক আছে, দিন তা হলে,  বলল। এত করে বলছেন যখন।

    কোন্টা দেব, ম্যাডাম?

    আপনিই একটা পছন্দ করে দিন না!

    .

    ট্যাপটা বন্ধ করে দিল লামিয়া। ভরে এসেছে পোরসেলিনের প্রকাণ্ড বাথটাবটা।

    লিকুইড সোপের বোতল থেকে অকৃপণ ভাবে গোলাপগন্ধী সাবান ঢালল ঈষদুষ্ণ পানিতে। ক্রমাগত হাত নেড়ে পুরু আস্তর তৈরি করল ফেনার। তারপর পরনের সমস্ত কাপড় খুলে ফেলল একে একে। প্রথমে বাঁ পায়ের আঙুল। ছোঁয়াল পানিতে, তারপর নামল টাবে। গলা পর্যন্ত ডুবিয়ে দিল শরীর। তরল আদর ছড়িয়ে পড়ল ওর দেহ-মনে। আরামদায়ক উষ্ণতার মাঝে শিরশিরে অনুভূতি ছড়াতে লাগল বুদ্বুদ।

    জ্বালেনি আলোটা।

    ভেজানো ঘুলঘুলি সিলিং-এর কাছে। বড়। আয়তাকার। বিকেলের ফিকে আলো আসছে ঘষা কাঁচ ভেদ করে। ভুতুড়ে করে তুলেছে বাথরুমের ভিতরটা।

    প্রথম দিনের স্মৃতি ভেসে উঠল ওর মনের পরদায়।

    যার-পর-নাই খুশি হয়ে উঠেছিল বাথরুমটা দেখে। বিশাল সাইজে। প্রমাণ সাইজের আয়না। এত কম ভাড়ায়

    এমন একটা বাসা! এ প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস দরকার যাদের, তারাই কেবল সিট পায় ভার্সিটির হলগুলোতে। বাকিরা বাসাবাড়ি ভাড়া করে থাকে। ইউনিভার্সিটি অবশ্য অনাবাসিক ছাত্রদের ভাড়া পরিশোধ করে দেয়। তবে যে টাকা দেয়, করুণ ধরনের বাসাই পাওয়া যায় তাতে।

    লামিয়া আবার পরিবেশ ভালো না হলে মন দিতে পারে না পড়ায়। মাথা গোঁজার একটা ঠাই করে নিয়েছিল, কিন্তু পারছিল না মানিয়ে উঠতে। সেজন্য চোখ রাখছিল কাগজের হাউস রেন্টবিজ্ঞাপনগুলোতে।

    এভাবে এক দিন খোঁজ পেল রিভেরা হাউসের। ভাড়ার অঙ্কটা শুনে অবাক হয়েছিল- এত কম!

    ভয় ছিল শুরুতে। বদমেজাজি বুড়োকে নিয়ে না আবার অশান্তি হয় কোনও! কিছু দিন যেতেই বুঝেছে, ভয়টা অমূলক। ওর। বিরক্ত না করলে নিজের জগতেই থাকে রিভেরা।

    এমন কী বারটেণ্ডার মেয়েটারও দেখা পাওয়া যায় না খুব একটা।

    তামারা নাম মেয়েটার। তামারা ব্রাইস। আইরিশ।

    আজব চরিত্র একটা।

    রিভেরার সঙ্গে ঘুরে ঘুরে যখন বাসা দেখছিল; অনেক দিনের বদ্ধ ঘরের ভাপসা, সোঁদা গন্ধের সঙ্গে ঝাঁঝাল একটা কটু গন্ধও পেয়েছিল লামিয়া। পরিচিত ঠেকছিল গন্ধটা। ধরতে পারছিল না, কীসের। বুঝতে পারল জানালার তাকে রাখা রসুনগুলো দেখে। সবগুলো জানালাতেই রসুনের কোয়া ছড়ানো। জানালার কাঁচে ঘোলা দাগ দেখে সন্দেহ করল, শার্সিতেও ঘষে দেয়া হয়েছে রসুন।

    কীসের ভয়ে? ড্রাকুলা? পেল্লায় এই আধুনিক শহরে!

    তাকিয়ে দেখে, ওর দিকেই তাকিয়ে আছে তামারা। ওর চোখেও পড়েছে ব্যাপারটা। বুড়োর অলক্ষে, চোখ পাকিয়ে বোঝাল, মাথাটা গেছে রিভেরার।

    হাসতে গিয়েও হাসেনি লামিয়া। মানুষের অন্ধ বিশ্বাসের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ওর কেন জানি।

    সেদিনই রিভেরা হাউসে উঠেছিল ওরা।

    সেদিনই কাঁচের গায়ে ক্লিনার স্প্রে করে টিসু পেপার দিয়ে ঘষে ঘষে দাগ তুলেছে তামারা।

    লামিয়ার কাছে অদ্ভুত লেগেছে বিষয়টা। ওর ধারণা ছিল, গথিক চরিত্রের লোকজন বেশ ভক্তি করে অকাল্ট ব্যাপার স্যাপারগুলোয়।

    কিচেনে ঢুকেছিল ও। পানি খাওয়ার জন্য গেলাস ধরেছিল সিঙ্কের ট্যাপের নিচে। ভালব ঘোরাতেই ফোঁস করে রাগী শ্বাস ফেলল যেন কলটা।

    একটা মুহূর্ত। তারপর ওকে চমকে দিয়ে পানির বদলে রক্ত পড়তে লাগল গেলাসে!

    ছিটকে সরে এসেছিল ও বেসিন থেকে। হাত থেকে পড়ে শত টুকরো হলো গেলাস।

    খনখনে হাসির শব্দে দ্বিতীয়বার চমকে ওঠে ও। গেলাস ভাঙার শব্দে ছুটে এসেছে তামারা। মেঝেতে লাল পানি দেখে এক সেকেণ্ডে বুঝে নিয়েছে ব্যাপারখানা। হাসি থামাতে পারছে না সেজন্য।

    পানি পড়ছে কল থেকে। সাধারণ পানি। লামিয়ার কাছে পরিষ্কার হলো বিষয়টা। রিজার্ভ ট্যাঙ্ক থেকে তোলা হয়েছে পানি। কল ছাড়তেই লালচে তলানি চলে এসেছে পানির সঙ্গে। আর ও ভেবেছে রক্ত।

    পুরানো কথা মনে পড়ায় হাসল লামিয়া। বাষ্পে আচ্ছন্ন হয়ে গেছে বাথরুমের ভিতরটা। চোখ বুজল ও। আবেশে তন্দ্রা এসে গেল চোখে।

    .

    ঘুমটা ভেঙে গেল লামিয়ার। কিন্তু খুলতে ইচ্ছে করছে না চোখ দুটো এত ক্লান্তি! যেন কেউ আঠা লাগিয়ে দিয়েছে চোখের পাতায়।

    শীত লাগছে। গাঢ় আচ্ছন্নতার মাঝে চেতনার মৃদু আলো জ্বলছে টিমটিম করে। বুঝতে পারল, জ্বর এসেছে। এজন্যই গা-টা ম্যাজম্যাজ করছিল সকালে।

    কত হলো রাত?

    শব্দ হলো না একটা? নাকি ভুল শুনেছে জ্বরের ঘোরে?

    অল্প একটু ফাঁক করল চোখ দুটো।

    কামরার দরজা খুলছে কেউ। সন্তর্পণে।

    সামান্য আলো ছড়িয়ে পড়ল ঘরে।

    দরজাটার বাইরে ঝুলছে ড্রিমক্যাচার। তার নিচে দাঁড়ানো কালো অবয়বটা অতি পরিচিত লামিয়ার।

    তামারা।

    এগিয়ে এল খাটের কাছে।

    চোখ বুজে স্থির রইল লামিয়া।

    ঝুঁকে ওর মুখটা জরিপ করার চেষ্টা করল মেয়েটা।

    ঠাণ্ডা শ্বাস মুখের উপরে। শিউরে উঠল লামিয়া।

    .

    জ্বর নেই গায়ে।

    বাসি মুখে বোটকা গন্ধ।

    টুথব্রাশে পেস্ট লাগাল লামিয়া। ভেজাল পানি দিয়ে। ঠোঁট ফাঁক করতেই বেরিয়ে পড়ল লালচে দাঁত, চোখা গজদন্ত।

    বেচারি তামারা!

    সামলাতে পারলেই হয় চার পাইন্ট রক্তের ঘাটতি!

    (শেষ)

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅদেখা ভুবন – ডিউক জন
    Next Article অশুভ সংকেত – কাজী মাহবুব হোসেন

    Related Articles

    ডিউক জন

    অদেখা ভুবন – ডিউক জন

    August 19, 2025
    ডিউক জন

    আর্সেন লুপাঁ ভার্সেস হার্লক শোমস

    August 19, 2025
    ডিউক জন

    সুবৰ্ণ সমাধি – ডিউক জন

    August 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }