Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভ্রমণের নবনীতা – নবনীতা দেবসেন

    নবনীতা দেবসেন এক পাতা গল্প170 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ইজরায়েলের ডায়েরি – বোকের তোভ, ইজরায়েল

    পুরিম উৎসব

    আমি এঘর থেকেই গান-বাজনা শুনতে পাচ্ছি, হাসিখুশি গলার স্বরগুলো অন্ধকারে ভেসে আসছে, রাতের ঠান্ডা বাতাসকে উষ্ণ করে তুলছে। ওরা সবাই পুরিম পার্টি করছে। পুরিম উৎসব ইজরায়েলে খুব জরুরি, বসন্ত উৎসবের মতো। আজ ১৫ মার্চ ১৯৯৫, এই সময়টা বসন্ত উৎসবের ঋতু সারা বিশ্বজুড়ে—আমার দেশেও এখন হোলি হ্যায়। পুরিম উৎসবকে এরা কার্নিভ্যালের রূপ দিতে চেষ্টা করে। করলে কী হবে, ইজরায়েল তো ব্রাজিল নয়। এখানকার মানুষ অতিরিক্ত সিরিয়াস প্রকৃতির। অমন হালকা পলকা ফাজলামি এদের ধাতে নেই। নাচতে ভালোবাসে এরা (হাভা না গিলা, হাভা না গিলা)-নাচতে ভালোবাসলেও এরা ঠিক ছন্দের হাতে নিজেদের ছেড়ে দিতে পারে না, এলিয়ে দিতে পারে না। ইজরায়েলিরা স্বভাবতই অধিজ্য জাতি, বড্ড টেন্‌স্‌ মানুষ এরা। পুরিম পার্টির জন্য যতই আজগুবি সাজপোশাক করুক, মাথায় শিং পরুক, আর রং মেখে সং সাজুক, এদের পুরিম উৎসবের নাচগানের মধ্যে কোথাও ব্রাজিলের গা ছেড়ে দেওয়া আহ্লাদ নেই, বাঁধন ছাড়া উন্মাদনা নেই। লাতিন আমেরিকার আমুদেপনা, অমন ফুর্তিবাজি জুড়াইয়াতে আশাই করা যায় না। জাতটা নিজেদের চিরকাল পরিস্থিতির শিকার হিসাবে দেখে এসেছে। গোটা জাতটা যুগযুগান্তের যন্ত্রণার স্মৃতিকে জড়িয়ে ধরে, আঁকড়ে রেখে, নিজেদের বংশ-পরিচয় গড়ে নিয়েছে। প্রাপুরাণিক স্তর থেকেই এই জাতি দুঃখ-যন্ত্রণা-ব্যথা-বঞ্চনার মধ্য দিয়ে স্থিতি খুঁজে খুঁজে বেড়িয়েছে। কাফকা একবার মিলেনাকে চিঠি লিখতে গিয়ে বলেছিলেন, ‘মিলেনা, তুমি জানো না, ইহুদিরা কিছুই ছেড়ে দিতে পারে না, হাতের কাছে যা কিছু পায় আঁকড়ে ধরতে চায়, সেটা হয়তো একটা পাউরুটির টুকরোও হতে পারে।’ইহুদিরা কখনও ভুলে যায় না যে তারা বঞ্চিত হয়েছে, বিতাড়িত হয়েছে, অত্যাচারিত হয়েছে। তাদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যেও তীব্রভাবে রয়েছে এই মনে করিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব।

    পুরিম উৎসবের দিনটি কীসের স্মরণে? ওইদিনে ঈশ্বর ইহুদিদের বলেছিলেন, চরম দুর্দিনেও তারা ঈশ্বরের আশীর্বাদ থেকে বঞ্চিত হবে না, ঈশ্বর সদা সর্বদা তাদের রক্ষা করবেন।

    পুরিম উৎসব কিসের স্মারক? পুরিম ইহুদি-বিরোধী দুষ্টু মানুষদের বিরুদ্ধে ঈশ্বরের নির্বাচিত জাতি ইহুদিদের বিজয় উৎসব।

    উলপান আকিভা

    দোলপূর্ণিমার পূর্ণশশী আর মাত্র দু-রাত দূরে। আমি বসে রয়েছি ত্রয়োদশীর চাঁদ মাথার ওপরে নিয়ে, নেতানিয়া গ্রামে, ইজরায়েলের মাটিতে। ভূমধ্য সমুদ্রের ঢেউ আছড়াচ্ছে ঠিক পাঁচিলটার ওপারেই। এখানে সবচেয়ে বড় পাওয়া বোধহয় এই যে এরা কেউ আমাকে চেনে না। আমিও তাদের জানি না। সবই নতুন করে শুরু হবার অপেক্ষায়।

    প্রথমত, এসেছি জেরুসালেমে ‘মিশকেট শা আনানিম’-এর আয়োজিত আন্তর্জাতিক কবিতা উৎসবে। সে এক অপার আনন্দময় দশটি দিন। সেখান থেকে এসেছি ‘উলপান আকিভা’-তে, হিব্রুভাষা ও সংস্কৃতি শিখতে। বড়দের হিব্রু শিক্ষার স্কুলগুলিকে বলে উলপান। একটা ফেলোশিপ পেয়েছি এক টার্মের জন্য। তার বেশি থাকতেও পারব না এযাত্রায়, দেশে কাজ আছে।

    প্রথম পাঠ শেষ। কিছু কিছু হিব্রু শিখেছি। অক্ষরগুলি, কিছু শব্দ, কিছু ধাতুরূপ। কিছু কিছু শব্দ আমি এর মধ্যে লিখতে পড়তে বলতে পারছি। এরা আশ্চর্য আমার তৎপরতা দেখে। আমি বুঝতে পারছি না এতে এত আশ্চর্য হবার কী আছে। সারা জীবন ধরে একাধিক ভাষা শিখতে চেষ্টা করেছি বলেই হয়তো একটা কাজ চালানোর কায়দা রপ্ত করতে পেরে যাই। অন্য অন্য যাঁরা আমার সঙ্গে পড়েন, তাঁরা দুই জাতের। সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ছাত্রছাত্রী রুশ উদ্বাস্তু। তাঁরা শিক্ষার আলো দেখেননি—তাঁরাই সবচেয়ে বেশি কষ্ট পান বিদেশি ভাষা শিখতে। আর কিছু শখের বাস্তুছাড়া-নব-বসতি পাততে এসেছেন মার্কিন দেশ থেকে স্বামী-স্ত্রী মিলে—রিটায়ার করার পরে। ছেলে-মেয়ে নাতি-নাতনিদের দেশে রেখে। বয়স্ক হলেও তাঁরা অনেক বেশি মনোযোগী, দ্রুত শিখছেন। একটি জাপানি ছাত্র, দুটি আরব ছাত্র, একজন সুইস ডিপ্লোম্যাট, এক সুইস বৃদ্ধা—এই। আরব ছাত্ররা এই প্রথম এসেছে। এদের নিয়ে শ্রীমতী শুলামিথ কাৰ্টজ নেলসন, এই উলপানের প্রাণলক্ষ্মী, ছিয়াশি বছর বয়স্কা প্রতিষ্ঠাত্রী অধ্যক্ষা, যারপরনাই গর্বিত। ১৯৪৮-এর ইজরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মুহূর্ত থেকেই শুলামিথ এখানে এসেছেন সুইজারল্যান্ড থেকে। আরব-ইহুদি মৈত্রী তাঁর জীবনের মূলমন্ত্র।

    আমার শিক্ষয়িত্রী তরুণী নাটাশা নিজে একজন রুশ উদ্বাস্তু, নীল চোখ, সোনালি চুল, যাদের ইজরায়েলে বলে আশকেনাজি, আর আমাদের গানের শিক্ষক আপারেম ইয়েমেনের ইহুদি-কালো চুল, বাদামী চামড়া, সাফারডিক ইহুদি যাদের বলা হয়। ইজরায়েলে বর্ণবৈষম্য নেই বলা যায় না, রীতিমতোই আছে। আশকেনাজিরাই শক্তিমান। উন্নতি হয় তাদেরই—নীল চোখ, সোনালি চুলেদের। বাদামী চামড়ার ইহুদিরা দ্বিতীয় শ্রেণীর। অনুচ্চারিত হিসেব আছে। এখানে ইথিওপিয়ান ইহুদিরাও আছে। কালো রং, আর অত্যন্ত শ্রীমন্ত তাদের রূপ। তাদের পোশাক-আশাকও আলাদা, তাদের সাংস্কৃতিক জগৎও ভিন্ন। তাদেরও ইজরায়েল ঠিক দুহাত মেলে গ্রহণ করেনি। যেমন করেনি ভারতীয় ইহুদিদেরও। ‘বেন ইজরায়েল’ জাতি যখন পশ্চিম ভারতের উপকূল থেকে ইজরায়েলে উপস্থিত হয়েছিল, তাদের ইহুদি বলে স্বীকারই করা হয়নি অনেক বছর। ইজরায়েল নতুন দেশ বটে, কিন্তু পুরনো সংস্কৃতি, আর সনাতন ধর্ম নিয়ে চলে যারা, তারা অচেনাদের সন্দেহ করে, নতুনদের চট করে ঠাই করে দিতে চায় না। ইজরায়েলও চায়নি। অথচ ‘বেন ইস্রায়েল’-এর শব্দার্থ—ইস্রায়েল-এর সন্তান’।

    আমাকে এরা ফেলোশিপ দিয়েছে, যাতে হিব্রু ভাষা শিখে আমি হিব্রু কবিতা পড়তে পারি। আমি হিব্রু কবিতা পড়লে ইজরায়েলের বিদেশ মন্ত্রকের কী লাভ হবে কে জানে? আমি ইজরায়েলের সংস্কৃতি বিষয়ে জানতে উৎসুক। আমার আগ্রহের কারণ বাইবেল থেকে শুরু করে আউশভিৎস পর্যন্ত পাশ্চাত্য সভ্যতার ইতিহাস। এই সেই পবিত্র ভূমি, সেই দুধ আর মধুর দেশ, যার জন্য এত অশ্রুজল, এত রক্তপাত,এত সহস্র বৎসর যাবৎ চলে আসছে। এই সেই জাতি যারা নাকি ঈশ্বরের স্বনির্বাচিত জাতি। যাদের ঈশ্বর প্রচণ্ড জ্বালা, যন্ত্রণা, ব্যথা, বঞ্চনা অনিশ্চয়তা, অস্থিরতার মধ্য দিয়ে নিয়ে গেছেন, কেবল নিজের কাছাকাছি রাখবেন বলে, কোলের মাঝখানটিতে টেনে নেবেন বলে। তাই এত স্থিতিহীন, বেদনাতাড়িত জীবনেও তারাই শত শত বছর ধরে পশ্চিম পৃথিবীর মস্তিষ্কটাকে নিজেদের মুঠোয় রেখেছে। বুদ্ধিজীবী মহলটা প্রায় ইহুদিদেরই নিজস্ব এলাকা এবং সঙ্গীত জগতেরও অনেকটা।

    দুধ মধুর দেশ

    নিশি রাত, ভরা চাঁদ। বাতাসে নুনের গন্ধ। নোনা হাওয়ার সঙ্গে জলের সঙ্গে বেলাভূমির অনাদ্যন্ত প্রণয়লীলার মৃদুগম্ভীর শব্দ। একটু চেষ্টা করলেই এই গ্রিন বিচ হোটেলের পাঁচিলের ওপাশে সবুজ, নীল, কালো স্তরে স্তরে রং পাল্টানো সমুদ্রে শাদা ফেনার বুটিদার অনন্ত ডুরে শাড়ির লুটিয়ে পড়ে থাকা দেখা যায়। হিব্রুর মতো প্রাচীন ভাষা শেখার পক্ষে আদর্শ ঠাঁই, যেখানে জল আর আকাশ এত কাছাকাছি, ‘মাইম’ আর ‘শামাইম’। মরুময় ভূমির দেশ। চরাচরব্যাপী বালুকার দেশ, উটের, আর তৃষ্ণার, আর বেদুইনের আর ইহুদির, প্যালেস্টিনিয়ান আর ইজরায়েলি—দুই যুধ্যমান ভাইয়ের দেশ। এবং কিছু ধর্মমুগ্ধ খ্রিস্টানের। এখানে তুমি কী করছ নবনীতা? কী কথা তাহার সাথে, তার সাথে? গঙ্গা-যমুনার পলিমাটি দিয়ে তৈরি মেয়ে তুমি। তোমার ‘পবিত্র ভূমি’ সেখানে। তুমি এখানে কেন? এ তো তোমার শিকড় সন্ধানের যাত্ৰা নয়?

    তা নয়, কিন্তু এ আমার স্বপ্ন-সন্ধানের যাত্রা তো বটে। যিশুর দেশে আসা! যেখানে পথে-ঘাটে কিংবদন্তীরা সত্য হয়ে আছে। গ্যালিলিও সাগর, মাউন্ট কারমেল, বেথলেহেম, জেরুসালেম, জর্ডন নদী, নাজারেথ—এইসব নাম যেখানে ভূগোলের মানচিত্রে জীবন্ত হয়ে পার্থিব মানুষে ভরে আছে। সেখানে হাটবাজার বসছে, স্কুল-কলেজে যাচ্ছে ছেলেমেয়েরা, সিনেমা হলে ছবি চলছে। পুজোপাঠ হচ্ছে সিনাগগে, গির্জেতে, অফিসে যাচ্ছে মানুষ, হাইওয়ে দিয়ে গাড়ি ছুটছে শোঁ শোঁ। প্রাত্যহিক ব্যস্ততায় বাস্তব হয়ে উঠেছে প্রাক-ইতিহাস। ম্যাপে দাগ দিয়ে শ্বাস নিচ্ছে প্রত্যেকটা প্রবাদপ্রতিম শহর, গ্রাম, নদী, পাহাড়, হ্রদ। বাইবেলের মানুষদের নামে রাস্তাঘাট যেখানে–কিংবদন্তী যে দেশে জীবন্ত। এক্সটিক? হ্যাঁ, আমার পক্ষে তাই। অতি-দুর্লভ, অতি-অভিনব অভিজ্ঞতা। যেন অন্য কারও স্বপ্নের মধ্যে পদচারণা করছি। যেন অন্য কারও স্বপ্নে ভাগ বসাচ্ছি। ইজরায়েলের রাষ্ট্রনায়ক হেরৎসেল বলেছিলেন—‘বাসনা যদি গভীর হয়, তাহলে কিংবদন্তী আর কিংবদন্তী থাকে না।’ বাসনা গভীর ছিল, তাই স্বপ্নের দেশ ইজরায়েল জন্ম নিয়েছিল ১৯৪৮-এ। স্বপ্ন সত্য হয়েছিল ইহুদি মানুষের। পুরনো একটি ভাষাকে আধুনিক মানুষের প্রত্যহের ভাষা করে তুলেছে সেই স্বপ্ন।

    সংস্কৃত ভাষার ঝকঝকে বিজ্ঞানসম্মত পটভূমি থেকে এসে কিন্তু যাই বলো হিব্রু ভাষাটাকে যেন অসংস্কৃত, অবৈজ্ঞানিক, আদিম বলে মনে হয়। যে ভাষা ব্যাকরণ নয়, ব্যবহার নির্ভর। ভাষাটা মুখে মুখে জানা থাকলে, তবেই হিব্রুর লিখিত ভাষায় অধিকার সহজ হয়, অর্থবোধ সহজ হয়। হিব্রু শেখার পক্ষে কল্পনা এবং পূর্ব পরিচয়—দুটোই জরুরি। ইংরিজির মতো অবৈজ্ঞানিক ভাষাকেও হিব্রুর চেয়ে পরিশীলিত মনে হয়। ইংরিজির তো কোনও মাথামুণ্ডু নেই, P-U-T পুট, B-U-T বাট, SO, SEW, SOW সবই সো, DRAFT / DRAUGHT দুটোই ড্রাফট—যথেষ্ট গোলমেলে বানান। আমাদের ণত্ব-যত্ব তার চেয়ে ভালো। তার একটা নিয়ম আছে, প্রণালী আছে। তবু ইংরিজিতে পাঁচটা ভাওয়েল আছে, অন্তত কিছু স্বরবর্ণ তো আছে! হিব্রুতে নেই। স্বরবর্ণগুলো সব কল্পনা করে নিতে হবে। একই বর্ণ, অবস্থাবিশেষে স্বরবর্ণও হতে পারে। ব্যঞ্জনবর্ণও হতে পারে। বিভিন্ন অবস্থানে তার বিভিন্ন ব্যবহার। কিন্তু শব্দরূপ, ধাতুরূপ বেশ স্পষ্ট। প্রণালীবদ্ধ। যে আরবের সঙ্গে ইহুদির এত অবন্ধুতা, সেই আরবি ভাষাতেও শুনেছি স্বরবর্ণ নিয়ে একই সমস্যা আছে।

    সমুদ্র, সমুদ্র

    অনেককাল পরে আমি আবার হোস্টেলে আছি। ছোট ঘর, অ্যাটাচড বাথ। জানলা নেই। সেজন্যই বোধহয় কেমন একটা জেলখানা-জেলখানা ভাব। সরু খাট। একটি চেয়ার। দেওয়াল আলমারি। আশ্রমের যেমন কঠোর জীবনযাত্রা হওয়া উচিত। একটা পড়ার টেবিল পর্যন্ত নেই, গালচেবিহীন, ঠান্ডা পাথরের মেঝেটা রাতে বরফ হয়ে থাকে। বাইরে বাগানে টেবিল চেয়ার আছে। সেখান বসে পড়াশোনা করতে পারি। রঙিন ফুলে ঘেরা, সুগন্ধে ভারী বাতাসে, দিনের বেলায় পড়াশোনা করতে দিব্যি ভালোই লাগে। কিন্তু সুয্যি ডুবে গেলে, গাঁয়ের মানুষের মতো লেখাপড়া বন্ধ। পশ্চিমের বারান্দায় দাঁড়ালে সমুদ্র দেখা যায়। সূর্য ডুবলে সমুদ্রও ডুবে যায়। কিন্তু সমুদ্র একমুহূর্তও আমাদের ভুলে থাকে না, পরিত্যাগ করে না আমাকে—শ্রবণে তার নিত্য অধিষ্ঠান।

    সমুদ্রের সঙ্গে প্রথম দেখা ইজরায়েলে পা দিয়েই। তেল আভিভের উপকণ্ঠে ছোট্ট শহর হেলিয়া পিটুয়াক। তার সমুদ্রতীরে বেড়াতে বেড়াতে হঠাৎ চোখে পড়ল পাহাড়ের গায়ে একটা এবড়ো-খেবড়ো বাড়ি। অবিকল মৌচাকের মতো বাড়িটা। মৌচাকের মতো একটা একটা করে যেন তার কোটরগুলো বৃদ্ধি পেয়েছে। শরীরে যেমন করে কোষ বৃদ্ধি পায়। আশ্চর্য স্থাপত্য এই বাড়িটার। সমুদ্রতীরের সরকারি পাহাড় আর বালিতে জবরদখল করে একটু একটু করে একটা বাসস্থান গড়ে নিয়েছে পাগল যুবকটি, গুহা কিংবা বাসা, কেন্না কিংবা প্রাসাদ বলা যায় তাকে। তার মধ্যে নানারকমের পাখপাখালি, জন্তু-জানোয়ার নিয়ে সে মানুষটি থাকে। তার একটি মানুষী সঙ্গিনীও আছে। ভোরবেলা ছটার সময় সে কাচা কাপড় মেলে দিচ্ছে পাথরে। একটা দরজা খোলা খাঁচাতে অনেক পাখির কলকাকলি। এখানে সেখানে নানা রকমের কুকুর, ছানাপোনা নিয়ে বেড়ালগিন্নি। প্রাসাদ? না মন্দির? গুহা? না বাসা? কেল্লা? না লাইটহাউস? না মৌচাক? হনলুলুর বিচের কোনও ফ্যান্সি রেস্তোরাঁও হতে পারত। সরকার তাকে তুলে দেননি। যত রাজ্যের ফেলে দেওয়া জিনিস কুড়িয়ে এনে, রাজ্যের অপ্রয়োজনীয় আবর্জনা যত্ন করে তুলে এনে এই সুন্দর বাসস্থলটি গড়েছে পাগল শিল্পী ছেলেটি। প্রধানত ব্যবহার করেছে প্রকৃতিকেই। দুটি একটি দোর-জানলা শুধু মানুষী সভ্যতার প্রমাণ দিচ্ছে। যা দিয়ে মানুষ প্রকৃতি থেকে নিজেকে দখল প্রতিষ্ঠা করে, সেই জিনিস হল দোর-জানলা। ওদের কি ইলেক্ট্রিসিটি আছে? ওদের দরজায় কি খিল আছে? ছিটকিনি? তালাচাবি? ওই বাড়িতে শঙ্খ ঝিনুকের ছড়াছড়ি। ইংরিজিতে গেঁড়ি ও গুগলি, শঙ্খ, ঝিনুক সবকিছুরই একটা নাম : শেলস, খোলস! নামটা ভালো নয়। আমরা কি সুন্দর প্রত্যেককে আলাদা আলাদা নামে ডেকে আপনার জন করে নিই! ওই সমুদ্রতীর থেকে আমি সুন্দর সুন্দর ঝিনুক আর শঙ্খ কুড়িয়ে এনেছি। আমার ঘরটাকে সাজিয়েছি। একটি সাদা রঙের কচুরিপানার ফুলগাছও আছে আমার ঘরে। লীলাখের দেওয়া। সাদা রঙের হায়াসি—কেমন সোনার পাথরবাটির মতো! হায়াসিথ্ তো একটা রঙের নাম। কচুরিপানা ফুলের রং। সুদূর ইজরায়েলে এসে টবের মধ্যে কচুরিপানাকে পোষমানা ফুলগাছ হিসাবে দেখতে পেলাম। এভাবে ওকে কখনও দেখব ভাবিনি। সুশ্রী টবের মধ্যে, দুটি সুন্দর পাতার মাঝখানে একটি শুভ্র কলিকা হয়ে কোনওদিন আমার ঘর আলো করে থাকবে কচুরিপানা, কে ভেবেছিল? মৃদু সুগন্ধও আছে। সাদা ফুলের যেমন থাকা উচিত। সাদা ফুলের নাম হায়াসিন্‌থ্

    বোকের তোভ, ইজরায়েল

    ইজরায়েলি প্রাতরাশের টেবিল কাঁচা সব্জিতে, ফলেতে ঝলমল করে। এ এক নতুন রকমের অভিজ্ঞতা। ব্রেকফাস্টে স্যালাড খায় এরা। অন্য কোথাও এটা দেখেছি বলে মনে পড়ে না।

    নানারকমের চিজ, দশ-বারো ধরনের শাকসব্জি, বিনস বরবটির স্যালাড, তিন-চার রকমের ফলের রস, দুধ, কফি, চা। কালো রুটি, ব্রাউন রুটি। ইজরায়েলের রুটিটা খুব ভালো। ডিমসেদ্ধ থাকে। কোলড কাটসও কিছু থাকে মাংসের, হ্যাম জাতীয়। কিন্তু এরা প্রধানত শাকাহারী, যা দেখছি। ডিনারেও স্যালাড খাওয়ারই চল বেশি। প্রধান খাওয়াটা হচ্ছে মধ্যাহ্নভোজন। ওটাই বড় করে খাওয়া হয়। সেদিন হের্ৎসলিয়া পিটুয়াক-এর সমুদ্রতীরে একটা ছোট রেস্তোরাঁয় ঢুকে প্রাতরাশ করেছিলাম। সেই ছোট রেস্তোরাঁতেও প্রাতরাশের বিপুল সম্ভার দেখে আমি তো অবাক! বাইরে বসে কফি খাচ্ছি, হঠাৎ দেখি জলের কিনারা বেয়ে ভিজে বালির ওপরে ঘোড়া ছুটিয়ে চলে যাচ্ছে একটি মানুষ। তার পিছনে পিছনে ছুটে যাচ্ছে দুটি সাদা ঘোড়া। ওদের পিঠে কোনও সওয়ারি নেই। যেন স্বপ্নের মতো মনে হল। যতদূর দৃষ্টি গেল ঘোড়াগুলি ছুটছে। সমুদ্রতীরে জল ঘেঁসে শেষপর্যন্ত বিন্দু হয়ে আকাশে মিশে গেল। দৃশ্যটা আমাকে অনেক কিছু মনে পড়িয়ে ছিল। ‘রাইডার্স টু দ্য সী’–সিঞ্জের নাটক মনে পড়ল। শিল্পী চিরিকোর ছবি মনে পড়ল। আর মনে পড়ল ১৯৭১-এ দেখা দক্ষিণ ফ্রান্সের সমুদ্রতীরে কামার্গের বুনো সাদা ঘোড়ার দল। জল ছিটিয়ে তাদের আধা-সমুদ্রে আধা-বালিতে ছুটে যাওয়ার দৃশ্য। ঠিক স্বপ্নের মতো। কে ছিল ওই ঘোড়সওয়ার? দূরে সমুদ্রের মাঝখানে একটিমাত্র জাহাজ স্থির হয়ে নোঙর করা জাহাজ, সে শুধুই ভাসছিল, দুলছিল, ভেসে যাচ্ছিল না কোথাও। ইজরায়েলে পা দিয়ে আমার প্রথম সূর্যোদয় এই হের্ৎসলিয়া পিটুয়াক-এর সমুদ্রতীরেই। ভোর চারটেয় প্লেন নেমেছে। লীলাখ প্রথমেই নিয়ে এসেছিল সমুদ্রে। ইজরায়েলে সূর্যোদয় দেখাতে। গুড মর্নিং ইজরায়েল! বোকের তোভ, ইজরায়েল! এই সবে যাত্রা শুরু!

    প্রকাশ : ‘ভ্রমণ’ সেপ্টেম্বর ১৯৯৮

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভ্রমণ সমগ্র ১ – নবনীতা দেবসেন
    Next Article হে পূর্ণ, তব চরণের কাছে – নবনীতা দেবসেন

    Related Articles

    নবনীতা দেবসেন

    মায়া রয়ে গেল – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    নবনীতা দেবসেনের গল্প

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    করুণা তোমার কোন পথ দিয়ে – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    হে পূর্ণ, তব চরণের কাছে – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    ভ্রমণ সমগ্র ১ – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    ট্রাকবাহনে ম্যাকমাহনে – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }