Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভ্রমণের নবনীতা – নবনীতা দেবসেন

    নবনীতা দেবসেন এক পাতা গল্প170 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আই হ্যাভ আ ড্রিম…

    ‘আটলান্টা যাচ্ছ?’ শুনেই তুলি বলল, ‘কেন? মার্টিন লুথার কিংয়ের বাড়ি দেখতে?’ তুলির বর ঝিমা বলে, ‘মার্টিন লুথার কিংয়ের খুব সুন্দর একটা মিউজিয়ামও আছে ওখানে?’

    -’তোরা দেখেছিস?

    মাথা নাড়ে দুজনেই। দেখেনি। জানে। তা আটলান্টায় আর চট করে কে যাচ্ছে। হ্যাঁ সে গিয়েছিল বটে মানুষজন আটলান্টায় সে-বছর, যে-বছর অলিম্পিকের খেলাধুলো হয়েছিল আটলান্টার স্টেডিয়ামে। দাদাভাই তখন কলকাতা থেকে গিয়েছিল, বেঙ্গল অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের কেউকেটা তো দাদা! দাদা বলে দিয়েছে, ‘অলিম্পিকের স্টেডিয়ামটা দেখে আসবি, অলিম্পিক পার্কটাও দেখে আসবি, যেখানে বোমা ফেটেছিল।’ আমার ননদ বায়োকেমিস্ট, বুড়ুমা বলল, ‘আটলান্টায় অসামান্য ডিজিজ কন্ট্রোল সেন্টার আছে শুনেছি, আমেরিকার বৃহত্তম, পারলে দেখে এসো।’

    এমোরি ইউনিভার্সিটিতে আমার এক বন্ধু একদা পড়াতেন। অনেকবার যেতে আমন্ত্ৰণ জানিয়েছেন। কম্প্যারেটিভ লিটারেচারের এবং ইংরিজির অধ্যাপিকা ছিলেন তিনি, জাপানে আমরা একসঙ্গে বেড়িয়েছিলাম একবার—আমার চেয়ে বছর পনেরোর বড় তিনি—গায়ত্ৰী স্পিভাকেরও খুব বন্ধু ছিলেন। কিন্তু আমার এমোরি ইউনিভার্সিটি দেখতে যাবার আগেই তিনি ক্যান্সারের ডাকে সাড়া দিয়ে আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন।

    আমার আটলান্টা বিষয়ে উৎসাহের অন্য একটা কারণ ছিল।

    যে বছর আমি ম্যাকডাওয়েল আর্টিস্টস কলোনিতে নিমন্ত্রিত হয়েছিলাম, সেই বছর ওখানে একটি পিয়ানিস্টের সঙ্গে আমার খুব ভাব হয়েছিল, অ্যালভিন সিংগলটন। অ্যালভিন আটলান্টার ছেলে। কালো ছেলে। অসাধারণ বাজায়, গাইতেও পারে ভালো, যদিও গাইতে চায় না। অ্যালভিনের ঠিকানাতে দুটো ‘পীচট্টি’ ছিল। পীচ-ট্রি ড্রাইভ, পীচ-ট্রি অ্যাভেনিউ।

    —তোমাদের ওখানে বুঝি খুব পীচফল হয়? আর পীচমঞ্জরী তো অপূর্ব—-আটলান্টা নিশ্চয় আমাকে যেতেই হবে—পীচ খেতে আমি ভীষণ ভালোবাসি।’

    অ্যালভিন সঙ্গে সঙ্গে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। ‘পীচ সর্বত্রই খেতে পারবে—গাছ থেকে পেড়ে খাওয়ার দিন চলে গেছে—পীচফল খেতে আটলান্টা যাওয়া অনর্থক, তবে জর্জিয়া তো সাউথ? আটলান্টাকে সেন্টার করে ঘুরে ঘুরে সাউথটা বেড়িয়ে আসতে পার। এই যে দেখছ ইস্ট কোস্ট, এই নিউইয়র্ক, বস্টন, ওয়াশিংটন—এদের থেকে অনেক আলাদা। আবার, ওয়েস্ট কোস্টের থেকেও। তোমার লস এঞ্জেলেস, সানফ্রান্সিসকো, চেনা জায়গা তো? দেখবে সাউথ কত আলাদা। তবে বড় শহর তো সর্বত্রই এক। আটলান্টা বিরাট না হলেও বড় শহরই—শহরটা কিছু ইন্টারেস্টিং নয়—তবে হ্যাঁ, মার্টিন লুথার কিংয়ের শহর তো?’ বলেই হাসি-হাসি মুখে অ্যালভিন গেয়ে উঠেছিল, ‘উই শ্যাল ওভারকাম সাম ডে! ও ডিপ ইন মাই হার্ট আই ডু বিলিভ—’।

    তখন থেকেই খুব ইচ্ছে অ্যালভিনের শহরে, মার্টিন লুথার কিংয়ের শহরে একবার যেতেই হবে। দাদাভাই বললে, ‘জানিস তো, ওই অলিম্পিক্সের পরে আটলান্টার এয়ারপোর্ট এখন বিশ্বের ব্যস্ততম এয়ারপোর্ট? সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে বিশাল, সবচেয়ে কমপ্লিকেটেড এয়ারপোর্ট?

    —’যাঃ। কেনেডি, ল্যাক্স, নারিতা, হিথরো, ফ্রাঙ্কফুর্ট—‘

    —হ্যাঁ, সবগুলোই বিশাল, এবং সবগুলোই কমপ্লিকেটেড, আটলান্টা আরও বেশি।

    —’বাপ্ রে। তবে আর গিয়ে কাজ নেই।

    —’তা কেন? সুন্দর ডিরেকশন দেওয়া আছে। তুই কি মুখ্যু? আর তোর তো বন্ধুই তোকে নেমন্তন্ন করেছে—এয়ারপোর্টে নিতে আসবে নিশ্চয়ই।’

    .

    দেখি। যাই কিনা। বস্টনে বিশ্ববঙ্গ সম্মেলনে একটা লিটেরারি সেমিনার হচ্ছে। (হ্যাঁ, সাহিত্যসভা বলছে না তাকে কেউ। বলা হচ্ছে ‘লিটেরারি সেমিনার’) তিনজন বক্তা, কেতকী কুশারী ডাইসন, উইলিয়াম রাদিচে, এবং আমি। প্রথমদিনে, যেদিন সম্মেলনের উদ্বোধন সেদিন মূল মঞ্চে আমরা তিনজন স্বরচিত কবিতা পাঠ করব। আর দ্বিতীয়দিনে আমাদের আলোচনাসভা বসবে। বিষয়বস্তু স্থির করে দেওয়া হয়েছে,–’বিদেশে বঙ্গ সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রচার, বিশেষত দ্বিতীয় প্রজন্মের বঙ্গ সন্তানদের মধ্যে।’

    বঙ্গ সম্মেলন এক বিপুল হট্টমেলা। গান হচ্ছে, নাচ হচ্ছে, নাটক হচ্ছে, এগুলোই ‘সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান’, মূল আকর্ষণ হয়তো দোকানপাট। শাড়ি। গয়না। খাবারদাবার। সামান্য দুটি ক্যাসেটের দোকান, চমৎকার সম্ভার নিয়ে এবং দুটি মাত্র বইয়ের দোকান অল্পস্বল্প বই নিয়ে মিনমিন করছে। আমাদের সেমিনারের ঘরে অবশ্য শ্রোতা আঁটছিল না, দরজার বাইরেও মানুষ দাঁড়িয়েছিলেন। বিষয়বস্তুর তুলনায় আলোচনার হলঘরটি ছোট ছিল।

    এবারের বিশ্ববঙ্গ সম্মেলনে আটলান্টা থেকে প্রচুর বাঙালি এসেছেন, কেননা তাঁরা আটঘাট বেঁধে কাজে নামতে চান, সামনের বছর তো আটলান্টাতে হচ্ছে এই বিশ্ববঙ্গ সম্মেলন। তাদের মধ্যে আমার প্রাক্তন ছাত্রী, তার স্বামীও আছে। ওরা এসে প্রণাম করল, এবং বলল, আমাকে টিকিট পাঠিয়েছে শিবানী আর উজ্জয়ন্ত। শিবানী, যার ডাকনাম মালা, যাদবপুরে আমাদের সহকর্মী ছিল উইমেন্স স্টাডিজে; কিন্তু সম্পর্কটা প্রায় ছাত্রীর মতোই। বয়েসটাও তেমনই।

    আমি বস্টনে আসছি সেই খবর সে হঠাৎই পেয়েছে ইন্টারনেটে। পেয়েই আমাকে ই-মেইলে নিমন্ত্রণ—’আমার কাছে আসতেই হবে!’ আমি বলছি, ‘দেখি, দেখি।’ মালা বলছে, ‘দেখি-টেখি নয়। আমি টিকিট পাঠাচ্ছি। মেলা শেষ হলেই আটলান্টায় চলে আসবে।’

    ই-মেইলে কুলল না, শেষে অস্থির হয়ে ফোন।—আসছ তো? আমাদের এক বন্ধুর হাতে টিকিট দিচ্ছি। ওরা ৯ই ভোরবেলার ফ্লাইটে বস্টন থেকে আটলান্টা আসছে। তোমাকেও ওই ফ্লাইটে বুক করে দিচ্ছি, ওদের সঙ্গে চলে আসবে, নো প্রবলেম। আমরা তো থাকবই।’

    বঙ্গ সম্মেলন শেষ হয়ে গেল। ব্যাপারটা ঘটছে লোওয়েল বলে ছোট একটা মফস্বল শহরে। কাছাকাছি বড় শহর বস্টন। সেখান থেকে নিত্য যাতায়াত সহজ নয়, আমরা নিমন্ত্রিতরা সকলে লোওয়েল-এ দু-তিনটি হোটেলে আছি। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, শ্রমণা চক্রবর্তী, মোহন সিং আমরা আছি স্টে-ব্রিজ হোটেলে। ঊষা উন্মুপ, শর্মিলা ঠাকুর ইত্যাদি ম্যারিয়টে। আমাদের বন্ধুবান্ধবরা, মণিদা-করবী ইত্যাদি অনেকেই ডাল-ট্রি-তে। আমার ছাত্রী ইন্দ্রাণীও সেখানে। যেদিন মেলা ভাঙছে, শেষ মুহূর্তে ছুটতে ছুটতে কেউ এসে একটা খাম আমাকে পৌঁছে দিয়ে গেলেন–তাতে আমার টিকিট আছে এই খবরসমেত। মালার বন্ধুদের সঙ্গে দেখাই হল না ঠিকমতো—ভিড়ের মধ্যে আলাপ হয়েছে কিনা মনেই করতে পারলাম না–হয়নি নিশ্চয়ই, তাহলে তো তখনই খামটা দিতেন। পরদিন ভোর ৬টায় প্লেন।

    তুলি বলল ‘টিকিটটা দেখে নাও একবার। ঠিক কটায় প্লেন, ফ্লাইট নম্বর কত?’ তুলিই কিনা পৌঁছে দেওয়ার ভার নিয়েছে। ঝিমা গাড়ি চালায় না।

    তুলিকে দেখলে মনে হবে ক্লাস টুয়েলভের বাচ্চা মেয়ে। কিন্তু তিনি ডক্টরেট সেরে টাফ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টারি করেন। পুজোর সময় থেকে তো চলে আসছেন এম আই টিতে অধ্যাপনা করতে। বরের সঙ্গে। ইংরিজি ও তুলনামূলক সাহিত্যের ছাত্রী তুলি, তার স্বামী অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় এম আই টিতে অর্থনীতির ডাকসাইটে, বিশ্ববিখ্যাত অধ্যাপক। দুজনেই চল্লিশের নীচে। ঝিমা আমাদের বন্ধুপুত্র। দুজনেই সন্তানতুল্য। দুজনকে নিয়েই আমার বুকে ভয়ে-ধুকপুক-অহংকার। আমাদের এক নাতিও আছে, ‘সাশা’ তাঁর নাম। টিকিট দেখতে গিয়ে আমি তো হতবাক। এটা কার টিকিট?

    এ তো মালবিকা বোসের আটলান্টার রিটার্ন টিকিট। এতে তো আমাকে প্লেনে চড়তে দেবে না? আজকাল প্লেনের টিকিটটাই শুধু দেখে না। ইন্টারনাল ফ্লাইটেও আইডেন্টিটি দেখাতে হয়, ছবিসমেত, যার সঙ্গে বুকিং ক্লার্ক তোমার শ্রীমুখচ্ছবিখানি মিলিয়ে নেবেন। পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, স্কুল-কলেজের আই ডি, একটা কিছু চাই। এ টিকিটটা এখানে এল কোত্থেকে? এ তো আচ্ছা ঝামেলা হল? এই মালবিকা বোসটা কে? মালার বান্ধবী, যিনি আমাকে টিকিটটা পাঠিয়েছেন লোক মারফত, তাঁর নাম নীতাদি। আমার যাত্রাসঙ্গী হবেন তিনিই। নীতাদিকে যোগাযোগ করার পন্থা জানি না। তিনি কোন হোটেলে তাও শুনিনি। হয়তো আটলান্টা থেকে আগত আমার ছাত্রী ইন্দ্রাণী আর তিনি একই হোটেলে। অতএব ডাবল-ট্রিতে ফোন করি, রাত দশটার সময়ে। ইন্দ্রাণীরা নেই। তারা ফেরেনি।

    হঠাৎ মাথায় এল, মালবিকা বোস?

    —মালবিকা বোস নামে কেউ আছেন?’ উত্তর হল,–’আছেন, কিন্তু তিনিও ঘরে নেই। ধড়ে প্রাণ এল আমার।

    —এই ফোন নম্বরটা রাখুন। যতরাত্রিই হোক, মালবিকা বোস যেন এখানে ফোন করেন। ওঁদের একটা ইমার্জেন্সি আছে। বলবেন।’ এবার একটা বিহিত হবে।

    .

    মালবিকা বোসের ফোন এল। বহু রাত্রে।

    —’আপনারা ফোন করতে বলেছেন? এই নম্বরে?’ গলায় কিঞ্চিৎ বিরক্তি?

    —‘আজ্ঞে, আপনি নীতাদিকে চেনেন কি? তিনি আটলান্টা থেকে এসেছেন।’

    -’আমিই নীতা বোস। ‘

    –’বাঃ’, আমি তো ফোনেই নেচে উঠেছি

    —তাহলে তো খুবই আহ্লাদের কথা! নীতাদি আপনার কাছে কি আমার আটলান্টা যাত্রার টিকিটটা আছে?’

    —সেটা আপনাকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। যতদূর জানি আপনি তা পেয়েও গেছেন। পাননি?’

    —’পেয়েছি যেটা, সেটা তো ভুল টিকিট। ওটা আমার টিকিট নয়।’

    -’আমি খুব দুঃখিত। অই ওয়াজ ওনলি দি ক্যারিয়ার—আমি দূতমাত্র। কেবল বয়ে এনে আপনাকে পৌঁছে দেওয়াটুকুই আমার কাজ ছিল। ভুল টিকিট হলে সে দায়িত্ব আমার নয়। ‘

    –’কিন্তু আপনি যাবেন কেমন করে?

    –’তার মানে?’

    —’আপনার টিকিট তো আমার কাছে। আপনার নামই তো মালবিকা বোস?’

    —‘মানে?’

    -’মানে আপনি আপনার টিকিটটাই আমাকে প্রেরণ করেছেন। আজকাল তো ওভাবে ট্রাভেল করা যায় না।’

    –’কান্ট বি!’

    —আপনি ব্যাগ খুলে দেখুন, হয়তো আমার টিকিটটা আপনার কাছে আছে। এখনই রাত বারোটা—আপনারা ৪টের সময় লোওয়েল থেকে রওনা হবেন। ৬টায় প্লেন। টিকিটটা এয়ারপোর্টেই অদলবদল করে নিতে হবে। যদি আমারটা থেকে থাকে আপনার কাছে। নইলে এ বাড়ি থেকে আপনার টিকিটটা তুলে নিয়ে যেতে হবে আপনাকে। লাস্ট মোমেন্টে ওটা পাঠালেন তো, তাই এছাড়া উপায় নেই।

    মহিলা চেক করে দেখলেন, হ্যাঁ ওঁর ব্যাগে আমারই টিকিট রয়েছে। যাক! বাঁচা গেল। তুলির সঙ্গে ওঁদের কথা হয়ে গেল, এয়ারপোর্টে, একেবারে চেকিং কাউন্টারে দেখা হবে, সেখানে একসঙ্গে যাত্রা। মহিলা এখন খুব লজ্জিত।

    —কিন্তু এটা কী করে হয়? আমারটা পাঠিয়ে দিলাম? আপনারটা রইল? ছি ছি!’

    –’হয়, হয়। আমার বেলায় হয়। আমার বেলায় সদা সর্বদা কিছু না কিছু গড়বড় হবেই।’ অত সহজেই যদি জীবনযাত্রা সম্ভব হত, তবে তো আমি অন্য জীবনে বাঁচতুম। ঝিমা-তুলি তো হেসেই গড়াগড়ি। নবনীতা মাসি যেখানে যায় গল্প তৈরি হয়ে যায়। যাই হোক সমস্যার তো সমাধান হয়েছে। কাল রাত থাকতে তুলি আমাকে নিয়ে লোগান এয়ারপোর্টে রওনা হবে। খুব যত্ন করেই মালবিকা ও সুজয় বোস আটলান্টা অবধি নিয়ে গেলেন। আমার চেয়েও ভুলো মানুষ পেয়ে আমি তো মহা আনন্দিত। যাক! আমি তবে একা নই? এয়ারপোর্টে মালা, উজ্জয়ন্ত এবং জিৎ (ওদের বাচ্চা ছেলে) এসেছিল। মেয়ে, মিমি, ইস্কুলে। প্লেন থেকে নেমেই সোজা দরজার সামনে দেখা—তাদের সঙ্গে প্রথমে একটা ট্রেনে চড়তে হল। সেই ট্রেনে করে যেতে হবে ব্যাগেজ ক্লেইমের জায়গায়। ট্রেনে কী ভিড়! এরকম ট্রেনের ব্যবস্থা ফ্রাঙ্কফুর্টেও আছে, এক টার্মিনাল থেকে অন্য টার্মিনালে যেতে হয়। এটা তা নয়। আমার সবচেয়ে ভালো লাগে স্কিপসহোল্ড—আমস্টারডাম এয়ারপোর্ট, সব টার্মিনালগুলো একই ছাদের তলায়! লস অ্যাঞ্জেলেস, টোকিও, নিউইয়র্ক, লন্ডন, সবই বিশাল, বিভিন্ন এয়ারলাইনের জন্য বিভিন্ন টার্মিনালে দৌড়াদৌড়ি করতে হয়। আটলান্টার ব্যাপারটা অত গুছিয়ে বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়নি, ‘বিশ্বের ব্যস্ততম’ এয়ারপোর্টটুকু শুনেই তো হাঁ, কেন রে বাবা? এত ব্যস্ততা কীসের? এখানে কী হয়? মোটেই এমন কিছু আহামরি শহর নয় যে এত লোকজন আসবে-যাবে। তবে? আমার এসব মাথায় ঢোকে না, ‘ঢোকাতে চেষ্টাও করলুম না। মালা, উজ্জয়ন্ত, জিৎকে দেখে মহানন্দে ভাসতে ভাসতে চললুম ওদের সুন্দর মফস্বলে, সাবার্ব। শহর নয়, গ্রামও নয়। বনাঞ্চলের প্রান্তে, অপূর্ব, সত্যি সত্যি ছবির মতো জায়গাতে ওদের বাড়ি। বাড়িটা সাজিয়েছেও ছবির মতো রং মিলিয়ে। উঠোন থেকে অরণ্যের শুরু। শান্ত, নির্জন। পাতা ঝরার শব্দ শোনা যায়।

    .

    প্রথমেই তো যেতে চাই মার্টিন লুথার কিংয়ের বাড়ি। আর মিউজিয়াম। আটলান্টার অধিবাসীরা অতটা উৎসাহী নয়, যেমন কলকাতাবাসীরা কজনে আর যাচ্ছে রবীন্দ্রনাথের জন্মমৃত্যুর বাড়িটা চোখে দেখতে? অনেক বেশি লোকে শান্তিনিকেতন দেখে এসেছে, জোড়াসাঁকো দেখেছে হাতে গোনা কজন।

    দাদাভাইয়ের বলে দেওয়া ‘মিলেনিয়াম ডোম’, ‘অলিম্পিক পার্ক’ সেই সবও দেখতে হবে, এবং এমোরি ইউনিভার্সিটিও। উজ্জয়ন্ত সেখানেই অর্থনীতি পড়াচ্ছেন। তাছাড়া ডিজিজ কন্ট্রোল রিসার্চ ইনস্টিটিউটটাও দেখে যাওয়ার ইচ্ছে। জগৎ জুড়ে যত রোগবালাই সবকিছু নিয়েই তাদের কাজ। গুটিবসন্ত, কলেরা, ম্যালেরিয়া থেকে ক্যান্সার, এইডস পর্যন্ত সবকিছুরই আধুনিকতম গবেষণাগার এখানে। অতি সাবধানে কাজ করতে হয়। কে কোন্ রোগজীবাণু চুরি করে নিয়ে কোন দুষ্কর্মে সেটা ব্যবহার করবে কে জানে! পৃথিবীতে এখন তো দুর্নীতিগ্রস্ত বিপথযাত্রী মানুষের অভাব নেই।

    আমি ষাটের দশকের ছাত্রী। এই যুক্তরাষ্ট্রে তখন প্রবল উথালপাথাল। একদিকে কোল্ড ওয়ার, অন্যদিকে ফ্লাওয়ার চিলড্রেনদের শান্তির ডাক, একদিকে উত্তাল ভিয়েতনাম, আর দেশের ভেতরে মার্কিন সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের মুভমেন্ট চলছে। ছাত্রছাত্রীরা দলবদ্ধ হচ্ছে অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে, অসাম্যের বিরুদ্ধে। সামাজিক, সরকারি, আইনি অসাম্য যে মার্কিন জাতীয় আদর্শের বিরোধী, স্বদেশকে সেটা খেয়াল করিয়ে দিচ্ছেন অসামান্য উদাত্ত, নির্ভীক বাগ্মিতায় এক যুবক–এক কৃষ্ণাঙ্গ পাদ্রী, মার্টিন লুথার কিং। সারা আমেরিকা জুড়ে সাড়া পড়ে গেছে।

    —’মিলেনিয়াম ডোম দেখতে যাবে? দেখবার মতো’-

    —’ওই সঙ্গেই অলিম্পিক পার্কও—কাছেই…’

    —’দারুণ মেক্সিকান রেস্তোরাঁ আছে ওখানে…’

    —’একটা শিল্পীদের পাড়া আছে—’

    কিন্তু আমি তো সবার আগে যেতে চাই আমার তীর্থভ্রমণে। মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের বাড়ি। কিন্তু উপায় কী আছে? কটাই বা দিন হাতে? আটলান্টাতে যে এত বাঙালি কে ভেবেছিল? প্রতিদিনই এখানে-ওখানে নিমন্ত্রণ। যত্ন-আত্তি। আর আটলান্টাতে সবকিছুই একঘণ্টার রাস্তা।

    আমি যেখানে আছি সেখান থেকে অনেকখানি দূর মার্টিন লুথার কিংয়ের বাড়ি—মালারা চেনে না, জয় চেনে। জয়কে তুলে নিতে হবে এমোরি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তার সময়মতো যেতে যেতেই অনেক দেরি হয়ে গেল। শুরুতেই লাঞ্চ টাইম।

    সেই শিল্পীদের পাড়ায় গিয়ে মেক্সিকান ফ্যান্সি রেস্তোরাঁয় লাঞ্চ।

    পাড়াটি দ্রষ্টব্য, সত্যিই। আমেরিকার এই রক্ষণশীল দক্ষিণ-অঞ্চলে এমন বিচিত্রদর্শন ‘শিল্পী’ মানুষেরা চলাফেরা করছেন, এটা দেখবার জিনিস। নিউইয়র্কে, কিংবা সানফ্রান্সিসকোয় কেউ এঁদের দিকে ফিরেও তাকাত না। সেখানে এঁদের ছড়াছড়ি। আমার কেবল অস্থির লাগছে, আসল জায়গায় যেতে দেরি হয়ে যাচ্ছে। এই সবই ভালো, লাঞ্চটা তো অসামান্য—পরিবেশটিও সামান্য নয়—কিন্তু আমাদের গন্তব্য তো আলাদা। অন্তত আমার।

    খেয়েদেয়ে দিবানিদ্রা নিতে পারলেই ভালো হত, আমরা চললুম ম্যাপ দেখে দেখে মার্টিন লুথার কিংকে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে। এটুকুই। আর তো কিছুই না।

    বার দুয়েক সামনে দিয়ে ঘুরে যেতে হল, রাস্তার এমনই কায়দা। অবশেষে পার্কিং লটটি পাওয়া গেল, যেখানে গাড়ি রেখে মার্টিন লুথার কিংকে প্রণাম করতে যাবে লোকে। গাড়ি রাখার পরেও দীর্ঘ পদযাত্রা। তা, তীর্থ করতে একটু একটু কৃচ্ছ্রসাধন লাগে। সেই সময় লক্ষ করলুম, অন্য অন্য যাঁরা যাচ্ছেন, গাড়ি রেখে, তাঁরা সকলেই কালো মানুষ। আজ ছুটির দিন নয়, সপ্তাহের মাঝখানে বেশি ভিড় হবে না, হয়তো ট্যুরিস্টরাই শুধু আসবে, এমনই ভেবেছিলুম। তা, এঁরা যদি ট্যুরিস্ট হন এঁরা সকলেই কৃষ্ণাঙ্গ মার্কিনি ট্যুরিস্ট। তাঁরা সংখ্যায় একমুঠো!

    –’না না, সব এখানকারই লোক হবে, বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে এসেছে দেখছ না?’

    —’স্কুল ছুটি তো, ছোটদের নিয়ে আফটার লাঞ্চ বেরিয়ে পড়েছে—’

    –’আমাদের মতো।’

    আমরা অবশ্য ছোটদের আনিনি, জিৎ আর মিমি বাড়িতে আছে। ওরা বেড়াতে ভালোবাসে না, বাড়িতে থাকতে পছন্দ করে। অত্যন্ত মিষ্টি স্বভাব দুজনেরই। খুব লক্ষ্মী ছেলেমেয়ে দুটি, মালা-উজ্জয়ন্তর। তবে এলে ভালো হত, দেখত। একটা বিশেষ ঐতিহাসিক মুহূর্তের সঙ্গে চেনা পরিচয় হত। জিৎ খুব ছোট্ট, ও বুঝবে না, কিন্তু মিমি বুঝবে।

    -’পরে ওদের নিয়ে এস। আমেরিকাতে বড় হচ্ছে তো, মার্টিন লুথার কিংয়ের সঙ্গে চেনা হলে, আমেরিকাকে চিনবে। আমেরিকার সামাজিক ইতিহাস বদলে দিয়েছেন ঊনচল্লিশ বছরের নিহত এই যুবকটি। স্বামী বিবেকানন্দরও ঊনচল্লিশ বছরই আয়ু ছিল।

    .

    পৌঁছলাম যেখানে সেটি মার্টিন লুথার কিংয়ের বাড়ি নয়। যাদুঘর।

    এই আটলান্টাতেই তাঁর জন্ম-কর্ম, মৃত্যু যদিও মেমফিসে। সমাধির স্মৃতিসৌধও এই আটলান্টায়। আমি তো সব কিছুই দেখব বলে ব্যাকুল। মেমফিসে তাঁকে হত্যা করা হয়, 8 এপ্রিল, ১৯৬৮-কিন্তু আটলান্টায় এনে কবর দেওয়া হয় একবছর পরে, এপ্রিল ১৯৬৯-এ। দেখতে হবে সব।

    —কিন্তু আমার কপালে ছিল না।

    আমাদের ওই যাদুঘর দেখতেই মুগ্ধতায় এতটা সময় বেরিয়ে গেল যে না হল তাঁর জন্মগৃহটি দেখতে যাওয়া, না তাঁর কবরে গিয়ে একটু ফুল দিয়ে আসা। যেহেতু আজই সন্ধ্যাবেলায় বঙ্গ সম্মিলনের মানুষদের সঙ্গে মিলিত হবার কথা ইন্দ্রাণীদের বাড়িতে—তাঁরা আমার সঙ্গে আলাপ করতে আসছেন—ওসব জায়গায় যেতে গেলে আরও দেরি হয়ে যাবে। এমনিতেই পৌঁছনোর কথা সাতটা সাড়ে সাতটায়, আমরা নটার আগে গিয়ে পৌঁছতে পারব না। যেতেই দেড় দুঘণ্টা। অতএব নো জোড়াসাঁকো। নো নিমতলা-অর্থাৎ কিংয়ের জন্মগৃহ ও দেখা হল না, তাঁর সমাধিসৌধও দেখা হল না, শুধু শুকনো মিউজিয়াম দেখেই তুষ্ট হয়ে ফিরতে হল। মন কি ভরে?

    .

    মিউজিয়ামের প্রবেশপথেই দাঁড়িয়ে আছেন কিংয়ের গুরুদেব, যাঁর কাছে তিনি রাজনীতিক্ষেত্রে অহিংসা প্রয়োগের বাণী পেয়েছিলেন। হাতে লাঠি, গায়ে চাদর, পায়ে চটি, ডাণ্ডি মার্চের খাটোধুতি পরা অতি দীর্ঘ সেই মানুষটি।

    যিশুখ্রিস্টের পরেই মার্টিন লুথার কিংয়ের গুরু ছিলেন গান্ধিজি। আহা—তিনি রোদ্দুর মাথায় করে খাড়া, অথচ তাঁর দিকে কেউ তাকাচ্ছেও না। একমাত্র আমরাই তাঁর কাছে গিয়ে দাঁড়ালুম, মুখের দিকে চেয়ে দেখলুম। এদেশে তাঁর মূর্তির যত্ন-আত্তি হয় ঢের বেশি। পাখিদের আদরের চিহ্ন লেগে নেই অঙ্গে।

    মিউজিয়াম তো বাড়ি নয়। বাড়িতে যেতে পারলে যে রোমাঞ্চটা হত, ফুল হাতে করে সমাধিস্থলে গিয়ে প্রণাম করতে পারলে যে তৃপ্তিটুকু হত, মিউজিয়ামে তা হয় না। কিন্তু আমি তো ষাটের দশকের মার্কিন মুলুকের ছাত্ররাজনীতির অন্ধিসন্ধি জানি, একবার মিউজিয়ামে ঢুকে পড়বার পরে, আমার অবস্থা হল পুরনোদিনের স্মৃতিচারণের মুগ্ধতায় আচ্ছন্ন

    এই তো সেই ছবি—সেই বিখ্যাত মার্চ অন ওয়াশিংটন–লিঙ্কন সেন্টারে ২,০০,000 মানুষ জড়ো হয়েছিল যে দীর্ঘ পদযাত্রার অন্তে—যেখানে তিনি তাঁর বিখ্যাত ভাষণ দিয়েছিলেন—’আই হ্যাভ আ ড্রিম!’

    ‘কাজ’ ও ‘স্বাধীনতা’র দাবিতে সেই সভা। আমার সঙ্গে যাঁরা ছিলেন তাঁরা তো সকলেই অনেক অল্পবয়সী। মার্টিন লুথার কিং তাঁদের কাছে স্মৃতি নন, ইতিহাস মাত্র। অনেকগুলি নামের মধ্যে একটি।

    আমার ক্ষেত্রে ব্যাপারটা আলাদা। ওই নামটির সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমার ছাত্রজীবনের অনেকখানি, আমার গড়ে ওঠা। গান্ধিজির প্রতি তেমন কিছু ভালোবাসা ছিল না স্বদেশে থাকতে। পরে ঘৃণার, হিংসার চেহারা আরও স্পষ্ট হবার পরে তাঁর মূল্য বুঝেছি। কিংয়ের গান্ধিভক্তি আমাকে প্রথমে অবাক, তারপরে মুগ্ধ করেছিল। একলব্যের মতোই তিনি নিজে নিজে গান্ধির বাণীতে নিজের দিকনির্দেশ খুঁজে নিয়েছিলেন সুদূর মার্কিন মুলুকে বসে। শুধু বইপত্তরে তৃপ্ত হননি, সস্ত্রীক ছুটে এসেছিলেন ভারতবর্ষে, নেহরুর সঙ্গে দেখা করেছিলেন, নেহরুর সাহায্যে আলাপ-পরিচয় করেছিলেন কয়েকজন গান্ধিবাদী মানুষের সঙ্গে, আলোচনা করেছিলেন প্রাণভরে। অহিংসার নীতিতে দৃঢ়তর বিশ্বাস নিয়ে ফিরে গিয়েছিলেন ষাটের দশকের যুদ্ধবাজ আমেরিকায়। শুধু বর্ণবৈষম্যই নয়, সবরকমের অসাম্যের বিরুদ্ধে, যুদ্ধের বিরুদ্ধে, হিংসার বিরুদ্ধে তাঁর জেহাদ ছিল।

    .

    আমি তখন ছাত্রী ওই দেশে, বার্কলিতে ফ্রি স্পিচ মুভমেন্টে সামিল হয়েছি। ইংল্যান্ডে সি এন ডি (কমিটি ফর নিউক্লিয়ার ডিজআর্মামেন্ট) যার চালনায় বার্ট্রান্ড রাসেল, তাঁর সঙ্গেও লন্ডন থেকে দীর্ঘপথ অলডারমাস্টন মার্চে শান্তির পদযাত্রায় অংশ নিয়েছি। যুদ্ধ বিরোধিতার অন্যতম স্লোগান ছিল, ‘উই শ্যল ওভারকাম সাম ডে’–যে গান মার্টিন লুথার কিংয়েরও, আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের গান।

    .

    ছাত্রাবস্থায় আমার অন্যতম আদর্শ মানুষ ছিলেন মার্টিন লুথার কিং। তাঁর যাবতীয় কীর্তির সময়ে আমি সেই দেশে উপস্থিত ছিলাম, দেখেছি নোবেল শান্তি পুরস্কারের উত্তেজনা। ছিলাম তাঁর মৃত্যুর সময়ে টেলিভিশনের দৃশ্য-সাক্ষী। ওয়াশিংটনে ২,০০,০০০ মানুষের সেই পদযাত্রায় মার্কিন দেশের সব কটি সিভিল লিবার্টিজ সমিতি যোগ দিয়েছিল। সমস্ত অঞ্চল থেকে মানুষ এসেছিলেন, কালো এবং সাদা, যাঁরাই সাম্য এবং ব্যক্তিস্বাধীনতায় বিশ্বাসী। মার্টিন লুথার কিং তাঁর বিশ্ববিখ্যাত ভাষণ ‘আই হ্যাভ আ ড্রিম’ সেই সভাতেই দিয়েছিলেন। এখানে তাঁর সেই ভাষণও শোনানো হচ্ছে।

    মার্টিন লুথার, এক প্রাতঃস্মরণীয় মানুষের নামে তাঁর নামকরণ—১৬ শতকের জার্মানিতে লুথার তাঁর গির্জার বন্ধ তোরণে ১৫টি ঘোষণা লিখে এঁটে দিয়েছিলেন—ক্যাথলিক চার্চের রীতি দুর্নীতি বিষয়ে তাঁর আপত্তি ও সমালোচনা—শত শত মানুষ সেদিন মেলায় বেড়াতে চার্চে এসে ওই ১৫টি ঘোষণা পড়ে ভাবতে ভাবতে বাড়ি ফিরেছিল। ইউরোপের ভাগ্য বদলে গিয়েছিল তারপরে। শুরু হয়েছিল ক্রিশ্চানিটির নবীন শাখা, প্রতিবাদী শাখা, প্রোটেস্টান্টিজম। প্রশস্ত করে দিয়েছিল রেনেসাঁসের পথ, নাড়িয়ে দিয়েছিল মানুষের অন্ধবিশ্বাসের শেকল, যুক্তির রাজ্যে পা রাখতে ভয় পায়নি ইউরোপের সাধারণ মানুষ।

    মার্টিন লুথারের নামের মানরক্ষা করেছেন বটে মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র।

    মার্কিন দেশের মানুষদের মধ্যে নতুন করে জাগ্রত করেছেন যুক্তি, বিবেক, সাহস। প্রতিবাদের শক্তি, উচিত অনুচিতের ধারণা, মানবতাবোধের এই গোড়ার কথাগুলি নতুন করে শুনিয়েছেন।

    মাত্র ২৬ বছর বয়েসে মন্টগোমারি শহরে কালো মানুষদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বাস-বয়কটের বিদ্রোহী কাজে। তখনও বাসের সামনের দিকের সিটে কালো মানুষদের বসবার অধিকার ছিল না, তাদের উঠতে হত পিছনের দরজা দিয়ে। বসতে হত পিছনের আসনে। শ্রীমতী রোজা পার্কস, এক কৃষ্ণাঙ্গী, প্রথম এতে আপত্তি জানান। এরই স্মৃতিতে পিট সিগারের সেই প্রসিদ্ধ গান : ইফ ইউ মিস মি, অ্যাট দ্য ব্যাক অব দ্য বাস/ইফ ইউ ক্যান ফাইন্ড মি নো হোয়্যার/লুক ফর মি অ্যাট দ্য ফ্রন্ট অব দ্য বাস/আই উইল বি সিটিং রাইট দেয়ার’—এই বাস-বয়কটের সময়কারই কৃষ্ণাঙ্গ প্রতিবাদ-গীতি। ওই সময়েই জাতীয় নেতার পর্যায়ে উঠে পড়েন ডঃ মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র, এবং আমৃত্যু, অর্থাৎ ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত সেই আসন থেকে তিনি সরেননি।

    ১৯৬৪তে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন। কেননা শুধু বর্ণবিদ্বেষই নয়, তাঁর লড়াই ছিল আরও বিস্তৃত, ধনী-দুঃখীর লড়াই, যুদ্ধ ও শান্তির লড়াই। সকল প্রকার অসাম্য তাঁকে কষ্ট দিত। যিশুর শিষ্য হয়ে তিনি তা সহ্য করতে রাজি ছিলেন না। এবং প্রকাশ্যেই সেকথা বলতেন। সবরকমের অসাম্যের বিরুদ্ধে একসঙ্গে লড়তে হবে, শুধুই সাদা-কালো নয়, ধনী-দরিদ্রের এই ফারাক না কমালে ব্যক্তির স্বাধীনতা আসবে না।

    কিন্তু কিং সরকারকে খেপিয়ে দিলেন। ভিয়েতনাম বিরোধী কথাবার্তা বলছিলেন তো বটেই, এবারে মুখ খুললেন ধনী দরিদ্রের অসাম্যের বিষয়ে। তাঁকে কমিউনিস্ট দরদী বলে গ্রেপ্তার করার কথা ভাবা হল। ইতিমধ্যে তো FBI-এর সভাপতি হুভার তাঁর ঘরের ফোন ট্যাপ করানোর বন্দোবস্ত রেখেছেন। এবং তাঁকে ‘বিশাল মিথ্যুক’ বলে গাল পেড়েছেন, যেহেতু মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র বলেছেন যে FBI অসহায়কে যথেষ্ট সহায়তা দেয় না। নিরাপত্তা দেয় না। তাঁর কথা যে মিথ্যা ছিল না, কতদূর সত্য ছিল, তারই প্রমাণ মিলল যেদিন মেমফিসের মোটেলের বারান্দায় বেড়ানোর সময়ে একজন সাদার্ন বন্দুকবাজ মৌলবাদী তাঁকে হত্যা করল। ঠিক তার আগের রাতেই, মেমফিসে বিশাল মিটিং হয়েছিল, বেতারে ‘ঝড়ঝঞ্ঝার সম্ভাবনা’ ঘোষিত থাকা সত্ত্বেও প্রচণ্ড ভিড় হয়েছিল তাঁর ভাষণ শুনতে।

    সেখানে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি পর্বত শিখরে আরোহণ করেছি—আমি সামনেই আমাদের পবিত্র প্রার্থিত ভূমি দেখতে পাচ্ছি—আর দেরি নেই। আমার মনে সংশয় নেই, ভয় নেই। হয়তো আমি আপনাদের সঙ্গে একসঙ্গে সেই মুক্তাঞ্চলে পৌঁছুতে পারব না, কিন্তু পৌঁছে একদিন আমরা যাবই। আমার মনে কোনও মানুষকে আর ভয় নেই—কেননা ঈশ্বরের মুখ আমি দেখেছি’—প্রায় দৈববাণীর মতো সেই শেষ ভাষণ। পরদিনই ঘাতকের গুলিতে তাঁর মৃত্যু হয়।

    .

    মার্টিন লুথার কিং বারবার নিঃসঙ্কোচে স্বীকার করেছেন তাঁর অহিংসার নীতি, সত্যাগ্রহের নীতি, নির্ভীক, নিরস্ত্র মানুষের অহংকৃত প্রতিবাদের নীতি গান্ধিজির কাছে শেখা। মৃত্যুও হল তাঁরই মতো, ঘাতকের হাতে। গান্ধির মৃত্যুর সময়ে কিংয়ের বয়স ছিল উনিশ।

    ১৯৫১ সালে যখন তিনি ত্রিশ বছরের যুবক, কিং এসেছিলেন ভারতবর্ষে। গান্ধির ভারতবর্ষে। তাঁর গভীর খ্রিস্ট বিশ্বাসের সঙ্গে সহজেই মিশে গিয়েছিল গান্ধির শান্তির দর্শন।

    কিংয়ের একটি বইয়ের মলাটে একবার দেখেছিলাম, বক্তৃতারত কিং, দেওয়ালে গান্ধিজির হাসিমুখের মস্ত বড় ছবি। দেখে মনে হয়েছিল এই তো, আমাদেরই নিজের লোক।

    এরকম মনে হয়েছিল আরেকবারও—সেদিন কিন্তু খুব অবাক হয়েছিলাম কেননা খবরটা আগে থেকে জানা ছিল না। নবজাত ইজরায়েলের সর্বজনপ্রিয় নেতা, গুরুই বলা যায় তাকে—বেন গুরিয়ন-এর বসতবাড়ি দেখতে গিয়ে এমনই অবাক হয়েছিলাম। তাঁর শোবার ঘরে, খাটের পাশে দেওয়ালে কেবল একটাই ছবি আছে। গান্ধিজির মুখ।

    স্বদেশে যখন আমরা গান্ধিজির সমালোচনা করি, তখন জানতেও পারি না, বিদেশের আদর্শবাদী নেতাদের ওপর তাঁর নীতির প্রভাব কতটা।

    মার্টিন লুথার কিং যাদুঘরটিতে প্রধানত আছে তাঁর জীবনের ইতিহাস এবং দক্ষিণাঞ্চলের কালো মানুষদের অত্যাচার ও মুক্তির কাহিনী।

    এই তো, এই তো মেমফিসের পদযাত্রা। একজন নেতা গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে যাওয়ার পরেও যে-যাত্রা স্তব্ধ হয়নি, গন্তব্যে পৌঁছেছিল।

    ওই তো ওখানে বাস-বয়কটের ছবি, ওই যে ওইখানে বাস-ডিপোতে গিয়ে কিংয়ের দলবদ্ধ প্রতিবাদ, বক্তৃতা!

    কালো মানুষদের প্রতিবাদের একটা জরুরি ভাষাই হল গান। সেই ক্রীতদাসত্বের দিন থেকে চলে আসছে গানের মধ্য দিয়ে কথা বলার অভ্যাস। এই মিউজিয়মেও বিভিন্ন অংশে প্রতিবাদী গান বাজছে, বিশেষত যেখানে সাদা এবং কালো মানুষদের একসঙ্গে পদযাত্রা দেখানো হয়েছে কয়েক সারি প্রমাণ সাইজের মূর্তি বানিয়ে—যেখানে প্রতিবন্ধী মানুষরাও সামিল হয়েছেন সেই দীর্ঘ যাত্রায়—সেখানে বাজছে হাততালি দিয়ে দিয়ে সেই গান : উই শ্যাল ওভারকাম! আমার স্বভাব অনুযায়ী আমিও তালি বাজিয়ে দাঁড়িয়ে পড়লাম সেই স্থির শোভাযাত্রার সঙ্গে, মনে মনে সামিল তো ছিলামই সেই ওয়াশিংটন পদযাত্রার। আজ যেন পা মেলাতে পারলুম। আজ এখানে দাঁড়িয়ে আমার অনুতে অনুতে গভীর শিহরণ লাগল, গলা মেলালুম, আপনিই ছন্দে ছন্দে হাতে তালি বেজে উঠল—‘উই শ্যাল ওভারকাম’।

    জয় আর উজ্জয়ন্তকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা মিউজিয়ামের গোলকধাঁধায় ঘুরছি, ওরা ঢোকেনি সব ঘরে। বোরড হয়ে গেলেন কোথায় দুই অধ্যাপক মশাই? কাছাকাছি কোনও কাফেটেরিয়া আছে? কফি? বিয়ার? নেই। তবে?

    ওদের খুঁজে পাওয়া গেল কাছেই। মিউজিয়ামের ছোট অডিটোরিয়ামে স্ট্যাচু হয়ে বসে আছে। একের পর এক ডকুমেন্টরি দেখছে। শুনছে বিভিন্ন জনসভায় কিংয়ের ব্যাকুল, হৃদয়-কাড়া আবেদন, মনুষ্যত্বের কাছে,—সাহসের জন্য, বিশ্বাসের জন্য, প্রেমের জন্য, সাম্যের জন্য। যিশুর এবং গান্ধীর আদর্শে অনুপ্রেরিত সেই আবেদনে সাড়া দেবে কি তাদের একদা নকশাল-অনুপ্রেরিত চিত্ত?

    এবার গাড়িতে উঠতেই হচ্ছে।

    নাঃ, হবে না সমাধিস্থলে পুষ্পাঞ্জলি প্রদান। হবে না জন্মস্থানে প্রণাম রাখা। এসব কৃত্য মনে মনেই সেরে নিতে হবে। বাড়ির পথে নয়, ইন্দ্রাণীদের পার্টির পথে যাত্রা এখন। জয় পথে নেমে যাবে। মনপ্রাণ ভরে আছে।

    আটলান্টাতে আজই শেষ দিন।

    কাল ফেরত রওনা হচ্ছি নিউইয়র্ক।

    —পথেই দেখিয়ে দেব মিলেনিয়াম ডোম, আর অলিম্পিক পার্ক—’ উজ্জয়ন্ত অভয় দিল গাড়ি চালাতে চালাতে। তারপর স্বর পাল্টে গেল। ‘নবনীতাদি, থ্যাংক ইউ! আজ যা দেখলাম না, মনে থাকবে। সত্যি, আশ্চর্য মানুষ ছিলেন কিং। আমরা তো অন্য জেনারেশন। উনি যা নিয়ে ফাইট করেছিলেন, তাঁর অনেকটাই জেতা হয়ে গিয়েছে এখন এদেশে—বর্ণবৈষম্যের চেহারা এখন অমন প্রকট নেই—খুব তলায় তলায় স্রোত বইছে অবশ্য এখনও—কিন্তু কী অসাধারণ সব স্পিচ! কী অসামান্য স্পিরিট! আমাদের দিনকাল পাল্টে গেছে, এমন স্পিরিটই আর দেখা যায় না। আদর্শবাদই নেই! শুনেছিলে, কী বলল একটা স্পিচে?—’উই মাস্ট লার্ন টু বি ডেনজারাসলি আনসেলফিশ’–কী অসাধারণ বাক্য-ভাবতে পার? টু বি ডেনজারাসলি আনসেলফিশ’-এত চমৎকার করে বলা—’

    যাক। আমি খুশি। আমার দলে আরেকজনকে পাওয়া গেছে। কিং ভক্তদের দলে লোক বাড়ল। দুজন। মালা, উজ্জয়ন্ত। এরা তো কিংয়েরই আপন দেশের লোক, আটলান্টা শহরেরই বাসিন্দে।

    —’বাচ্চাদের একদিন নিয়ে যেও, সেদিন ওদের বাড়িটা, সমাধিটাও দেখিও।’

    –’আবার তুমি এস, তখন আমরা সবাই মিলে এসে বাকিটা দেখে যাব—‘ বলল মালা। এই তো ফিরেছি আটলান্টা থেকে। মাস খানেক? তারপরেই এগারোই সেপ্টেম্বর। হিম হয়ে টেলিভিশনে দেখছি নিউইয়র্কের টুইন টাওয়ারের উড়ে যাওয়ার দুঃস্বপ্ন। এই সেদিনই তো নিউ জার্সি থেকে ‘পাথ’ রেলওয়েতে করে এসে নামলুম ওদেরই গর্ভস্থ স্টেশনে! কিছু ধর্মোম্মাদ, নির্বিবেকী মানুষের হিংসা কীভাবে ধ্বংস করে মানব সভ্যতাকে—কত সহস্র নিরীহ প্রাণ অযথা বিনষ্ট করল নির্দ্বিধায়।

    কিন্তু আরও ভয় পেলুম যখন শুনলুম সুস্থ মস্তিষ্ক মার্কিন প্রশাসন কীভাবে যুদ্ধের দামামা বাজিয়ে চললেন, আর সমগ্র বিশ্ব তাতে সাড়া দিয়ে অবিকল শুনডি-হুনডির মতো ‘যুদ্ধ-যুদ্ধ’ বলে নেচে উঠল। এর ফল কী?

    আজ মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র যদি বেঁচে থাকতেন, তাঁর বয়স হত মাত্র বাহাত্তর, তাঁর কণ্ঠস্বর নিশ্চয় ধ্বনিত হত আমেরিকার আকাশ বাতাসে। তাঁর অতি অল্প বয়সে, মাত্র আঠাশ বছর বয়সে মন্টগোমারির চার্চে (১৯৫৭) দেওয়া একটি ভাষণ আমার মনে পড়ছে।

    —’কেন আমরা আমাদের শত্রুদের ভালোবাসব।’

    —’যিশুর ভাবনার কেন্দ্রে রয়েছে এই শিক্ষাই—যে ঘৃণার বদলে ঘৃণা দিলে, পৃথিবীতে শুধু ঘৃণার পরিমাণটাই বেড়ে চলে, শুধু হিংসার পরিমাণই বেড়ে যায়। তুমি আমাকে মারলে, আমি তোমাকে মারলুম, আবার তুমি আমাকে মারলে, আবার আমি তোমাকে মারলুম। …এমনই করে তো অনন্তকাল চলতে থাকবে, তাতে হানাহানি থামতে পারে না। কোথাও কারুর যদি এতটুকু বোধবুদ্ধি থাকে, এবং তিনিই বলবান, শুধু বলবান ব্যক্তিই এই হানাহানির শেকল ছিঁড়ে, ঘৃণার শেকল ছিঁড়ে বেরিয়ে আসতে পারেন। ঘৃণার স্বভাবই এই যে হিংসার বাঁধন সে কাটতে পারে না, নিজেই বন্দী হয়ে পড়ে আর জগতে কেবলই অশুভের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।

    হ্যাঁ আজ তীব্রভাবে প্রয়োজন হয়েছে আরও একবার কথাগুলি স্মরণ করবার। ‘পর্বতশীর্ষে উঠে’ তিনি কি সত্যিই দর্শন পেয়েছিলেন সেই স্বপ্নের, সেই ‘প্রতিশ্রুত ভূমি’-র? কবে আসবে তাঁর সেই প্রতীক্ষিত শান্তির, প্রেমের অহিংসার শুভমুহূর্তটি?

    আমরা দিন গুনব।

    উই শ্যাল ওভারকাম, সাম ডে!

    প্রকাশ : ‘ভ্রমণ’ অক্টোবর ২০০১

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভ্রমণ সমগ্র ১ – নবনীতা দেবসেন
    Next Article হে পূর্ণ, তব চরণের কাছে – নবনীতা দেবসেন

    Related Articles

    নবনীতা দেবসেন

    মায়া রয়ে গেল – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    নবনীতা দেবসেনের গল্প

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    করুণা তোমার কোন পথ দিয়ে – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    হে পূর্ণ, তব চরণের কাছে – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    ভ্রমণ সমগ্র ১ – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    ট্রাকবাহনে ম্যাকমাহনে – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }