Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভ্রান্তিবিলাস – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এক পাতা গল্প95 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ভ্রান্তিবিলাস – ২

    দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

    কিঙ্করকে পতি অন্বেষণে প্রেরণ করিয়া, চন্দ্রপ্রভা স্বীয় সহোদরাকে সম্ভাষণ করিয়া কহিতে লাগিলেন, বিলাসিনি! দেখ, প্রায় চারি দণ্ড হইল, কিঙ্করকে তাঁহার অনুসন্ধানে পাঠাইয়াছি; না এ পর্যন্ত তিনিই আসিলেন, না কিঙ্করই ফিরিয়া আসিল; ইহার কারণ কি, কিছুই বুঝিতে পারিতেছি না। বিলাসিনি কহিলেন, আমার বোধ হইতেছে, কোনও স্থানে নিমন্ত্রণ হইয়াছিল, অনুরোধ এড়াইতে না পারিয়া, তথায় আহার করিয়াছেন। অতএব, আর তাঁহার প্রতীক্ষায় থাকিবার প্রয়োজন নাই; চল, আমরা আহার করি। বেলা অতিরিক্ত হইয়াছে, আর বিলম্ব করা উচিত নয়। আর, তোমায় একটি কথা বলি, তাঁহার আসিতে বিলম্ব হইলে, তুমি এত বিষন্ন হও কেন এবং কি জন্যেই বা এত আক্ষেপ কর। পুরুষেরা সকল বিষয়ে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্রেচ্ছ, স্ত্রীজাতিকে তাহাদের অনুবর্ত্তিনী হইয়া চলিতে হয়। পুরুষজাতির রোষ বা অসন্তোষ ভয়ে স্ত্রীজাতিকে যত সঙ্কুচিত ও সাবধান হইয়া সংসারধর্ম্ম করিতে হয়; পুরুষজাতিকে যদি সেরূপে চলিতে হইত, তাহা হইলে স্ত্রীজাতির সৌভাগ্যের সীমা থাকিত না। স্ত্রীজাতি নিতান্ত পরাধীন, সুতরাং তাহাদিগকে অনেক সহ্য করিয়া কালহরণ করিতে হয়। তাহাদের অভিমান করা বৃথা।  শুনিয়া, সাতিশয় রোষবশী হইয়া, চন্দ্রপ্রভা কহিলেন, স্ত্রীজাতি অপেক্ষা পুরুষজাতির স্বাতন্ত্র্য অধিক হইবেক কেন, আমি তাহা বুঝিতে পারি না, বিবেচনা করিয়া দেখিলে, স্ত্রী পুরুষ উভয় জাতিরই সমান স্বাতন্ত্র্য আছে; সে বিষয়ে ইতরবিশেষ হইবার কোনও কারণ নাই। তিনি আপন ইচ্ছামতে চলিবেন, আমি আপন ইচ্ছামতে চলিতে পারিব না, কেন। বিলাসিনী কহিলেন, কারণ, তাহার ইচ্ছা তোমার ইচ্ছার বন্ধনশৃঙ্খলাস্বরূপ। চন্দ্র প্রভা কহিলেন, গো গর্দভ ব্যতিরিক্ত কে ওরূপ শৃঙ্খলাবন্ধন সহ করিবেক। বিলাসিনী কহিলেন, দিদি! তুমি না বুঝিয়। এরূপ উদ্ধত ভাবে কথা কহিতেছ। স্ত্রীজাতির অসদৃশ স্বাতন্ত্র্য অবলম্বন পরিণামে নিরতিশয় ক্লেশের কারণ হইয়া উঠে। জলে, স্থলে, নভোমণ্ডলে, যেখানে দৃষ্টিপাত কর, স্ত্রী জাতির স্বাতন্ত্র্য দেখিতে পাইবে না; কি জলচর, কি স্থলচর, কি নভশ্চর, জীবমাত্রেই এই নিয়ম অনুসরণ করিয়া চলিয়া থাকে।

    এই সকল কথা শুনিয়া, চন্দ্রপ্রভা কিয়ৎ ক্ষণ মৌনাবলম্বন করিয়। রহিলেন; অনন্তর, সম্মিত বদনে পরিহাসবচনে কহিলেন, এই পরাধীনতার ভয়েই বুঝি তুমি বিবাহ করিতে চাও ন॥ বিলাসিনীও হাস্যমুখে উত্তর দিলেন, হা, ও এক কারণ বটে; তদ্ভিন্ন, বিবাহিত অবস্থায় অন্যবিধ নানা অসুবিধা আছে। চন্দ্র প্রভ কহিলেন, আমার বোধ হয়, তুমি, বিবাহিত হইলে, পুরুষের আধিপত্য ও অত্যাচার অনায়াসে সহ করিতে পারিবে। বিলাসিনী কহিলেন, পুরুষের অভিপ্রায় বুঝিয়া চলা  বিলক্ষণ রূপে অভ্যাস না করিয়া, আমি বিবাহ করিব না। চন্দ্রপ্রভা শুনিয়া হাস্যমুখে কহিলেন, ভগিনি। যত অভ্যাস কর না কেন, কখনই অবিরক্ত চিত্তে সংসারধর্ম্ম নির্ব্বাহ করিতে পারবে না। পুরুষের পদে পদে অত্যাচার; কত সহ্য করিবে, বল। তুমি পুরুষের আচরণের বিষয় সবিশেষ জান না, এজন্য ওরূপ কহিতেছ; যখন ঠেকিবে, তখন শিখিবে; এখন মুখে ওরূপ বলিলে কি হইবে। বিশেষতঃ, পরের বেলায় আমরা উপদেশ দিতে বিলক্ষণ পটু, আপনার বেলায় বুদ্ধিভ্রংশ ঘটে; তখন বিবেচনাও থাকে না, সহিষ্ণুতাও থাকে না। তুমি এখন আমায় ধৈর্য্য অবলম্বন করিতে বলিতেছ; কিন্তু যদি কখনও বিবাহ কর, আমার মত অবস্থায় কত ধৈর্য্য অবলম্বন করিয়া চল, দেখিব।

    উভয়ের এইরূপ কথোপকথন হইতেছে, এমন সময়ে কিঙ্কর, বিষন্ন বদনে তাঁহাদের সম্মুখবর্তী হইল। চন্দ্রপ্রভা জিজ্ঞাসা করিলেন, কিঙ্কর! তুমি যে একাকী আসিলে; তোমার প্রভু কোথায়; তাহার দেখা পাইয়াছ কি না; কত ক্ষণে গৃহে আসিবেন, বলিলেন। কিঙ্কর কহিল, মা ঠাকুরাণি! আমার বলিতে শঙ্কা হইতেছে; কিন্তু না বলিলে নয়, এজন্য বলিতেছি। আমি তাহাকে যেরূপ দেখিলাম, তাহাতে আমার স্পষ্ট বোধ হইল, তাঁহার বুদ্ধিভ্রংশ ঘটিয়াছে, তাঁহাতে উন্মাদের সম্পূর্ণ লক্ষণ লক্ষিত হইতেছে। আমি কহিলাম, কর্ত্রী ঠাকুরাণীর আদেশে, আমি আপনাকে ডাকিতে আসিয়াছি, ত্বরায় গৃহে চলুন, আহারের সময় বহিয়া যাইতেছে। তিনি আমার দেখিয়া, বিরক্তি প্রকাশ করিয়া, জিজ্ঞাসা করিলেন, আমার স্বর্ণমুদ্রা কোথায় রাখিয়া আসিলে। পরে, আমি যত গৃহে আসিতে বলি, তিনি ততই বিরক্ত হইতে লাগিলেন এবং আমার স্বর্ণমুদ্রা কোথায়, বারংবার কেবল এই কথা বলিতে লাগিলেন। আমি কহিলাম, আপনি এ পর্য্যন্ত গৃহে না যাওয়াতে, কর্ত্রী ঠাকুরাণী অত্যন্ত উৎকণ্ঠিত হইয়াছেন। তিনি সাতিশয় কুপিত হইয়। কহিলেন, তুই কর্ত্রী ঠাকুরাণী কোথায় পাইলি; আমি তোর কর্ত্রী ঠাকুরাণীকে চিনি না; আমার স্বর্ণমুদ্রা কোথায় রাখিলি, বল।

    এই কথা শুনিয়া, চকিত হইয়া, বিলাসিনী জিজ্ঞাসিলেন, কিঙ্কর। এ কথা কে বলিল। কিঙ্কর কহিল, কেন, আমার প্রভু বলিলেন; তিনি কহিলেন, আমার বাটী কোথায়, আমার স্ত্রী কোথায়, আমি কবে কাহাকে বিবাহ করিয়াছি যে কথায় কথায় আমার স্ত্রীর উল্লেখ করিতেছিস্। অবশেষে, কি কারণে বলিতে পারি না, ক্রোধে অন্ধ হইয়া, আমায় প্রহার করিলেন। এই বলিয়া, সে স্বীয় কর্ণমূলে মুষ্টিপ্রহারের চিহ্ন দেখাইতে লাগিল। চন্দ্র প্রভা কহিলেন, তুমি পুনরায় যাও, এবং যেরূপে পার, তাঁহারে অবিলম্বে গৃহে লইয়া আইস। সে কহিল, আমি পুনরায় যাইব এবং পুনরায় মার খাইয়া গৃহে আসিব। বলিতে কি, আমি আর মার খাইতে পারিব না; আপনি আর কাহাকেও পাঠাইয় দেন। শুনিয়া, সাতিশয় কুপিত হইয়া, চন্দ্র প্রভা কহিলেন, যদি তুমি না যাও, আমি তোমায় বিলক্ষণ শিক্ষা দিব; যদি ভাল চাও, এখনই চলিয়া যাও। কিঙ্কর কহিল, আপনি প্রহার করিয়া এখান হইতে তাড়াইবেন, তিনি প্রহার করিয়া সেখান হইতে তাড়াইবেন; আমার উভয় সঙ্কট, কোনও দিকেই নিস্তার নাই।

    এই বলিয়া সে চলিয়া গেলে পর, চন্দ্রপ্রভা ঈর্য্যাকষায়িত লোচনে সরোষ বচনে কহিতে লাগিলেন, বিলাসিনি! তোমার ভগিনীপতির কথা শুনিলে। এত ক্ষণ আমায় কত বুঝাইতেছিলে, এখন কি বল। শুনিলে ত, তাঁহার বাটী নাই, তাঁহার স্ত্রী নাই, তিনি বিবাহ করেন নাই। আমি কিঙ্করকে পাঠাইয়াছিলাম, অকারণে তাহাকে প্রহার করা আমার উপর অবজ্ঞা প্রদর্শন মাত্র। আমি ইদানীং তাহার চক্ষের শূল হইয়াছি। আমরা তাঁহার প্রতীক্ষায় এত বেলা পর্য্যন্ত অনাহারে রহিয়াছি, তিনি অন্যত্র আমোদ আহ্বাদে কাল কাটাইতেছেন। তুমি যা বল, এখন তাঁর উপর আমার বিলক্ষণ সন্দেহ হয়। আমি তার নিকট কি অপরাধে অপরাধিনী হইয়াছি, বলিতে পারি না। আমি কিছু তত রূপহীন বা গুণহীন নই যে, তিনি আমায় এত ঘৃণা করিতে পারেন। অথবা কার দোষ দিব, সকলই আমার অদৃষ্ট্রের দোষ।

    ভগিনীর ভাব দর্শন করিয়া, বিলাসিনী কহিলেন, দিদি! ঈর্ষ্যা স্ত্রীলোকের অতি বিষম শত্রু; ঈর্ষ্যার বশবর্ত্তিনী হইলে, স্ত্রীজাতিকে যাবজ্জীবন দুঃখভাগিনী হইতে হয়; অতএব এরূপ শক্রকে অন্তঃকরণ হইতে একবারে অপসারিত কর। এই কথা শুনিয়া, যার পর নাই বিরক্ত হইয়া, চন্দ্র প্রভা কহিলেন, বিলাসিনি! ক্ষমা কর, আর তোমার আমায় বুঝাইতে হইবেক না; এত অত্যাচার সহ করা আমার কর্ম্ম নয়। আমি তত নিরভিমান হইতে পারিব না যে, তাহার এরূপ আচরণ দেখিয়াও, আমার মনে অসুখ জন্মিবেক ন। ভাল, বল দেখি; যদি আমার প্রতি পূর্ব্বের মত অনুরাগ থাকিত, তিনি কি এত ক্ষণ গৃহে আসিতেন না; না, অকারণে কিঙ্করকে প্রহার করিয়া বিদায় করিতেন। তুমি ত জান, আজ কত দিন হইল, আমায় এক ছড়া হার গড়াইয়া দিবেন, বলিয়াছিলেন; সেই অবধি আর কখনও তাঁহার মুখে হারের কথা শুনিয়াছ। বলিতে কি, এত হতাদর হইয়া বাঁচা অপেক্ষা মরা ভাল। যেরূপ হইয়াছে, এবং উত্তরোত্তর যেরূপ হইবেক, তাহাতে আমার অদৃষ্টে কত কষ্টভোগ আছে, বলিতে পারি না।

    হেমকুটের চিরঞ্জীব, আকুল হৃদয়ে পান্থনিবাসে উপস্থিত হইয়া, তথাকার অধ্যক্ষকে কিঙ্করের কথা জিজ্ঞাসা করিলেন, তিনি কহিলেন, প্রায় চরি দণ্ড হইল, সে এখানে আসিয়াছে। এবং আপনি তাহার হস্তে যে স্বর্ণমুদ্রা দিয়াছিলেন, তাহা সিন্ধুকে বন্ধ করিয়া রাখিয়াছে। পরে, অনেক ক্ষণ প্রতীক্ষা করিয়া, বিলম্ব দেখিয়া, সে এইমাত্র আপনকার অন্বেষণে গেল। এই কথা শুনিয়া, সংশয়ারূঢ় হইয়া, চিরঞ্জীব মনে মনে কহিতে লাগিলেন, অধ্যক্ষ যেরূপ বলিলেন, তাহাতে আমি স্বর্ণমুদ্রা সহিত কিঙ্করকে আপণ হইতে বিদায় করিলে পর, তাহার সহিত আমার আর সাক্ষাৎ বা কথোপকথন হওয়া সম্ভব নহে। কিন্তু আমি তাহার সহিত কথোপকথন করিয়াছি, এবং অবশেষে প্রহার পর্য্যন্ত করিয়া তাড়াইয়া দিয়াছি। অধ্যক্ষ বলিতেছেন, সে এইমাত্র পান্থনিবাস হইতে নির্গত হইয়াছে; এ কিরূপ হইল, কিছুই বুঝিতে পারিতেছি ন। মনোমধ্যে এই আন্দোলন করিতেছেন, এমন সময়ে হেমকুটের কিঙ্কর তাঁহার সন্নিহিত হইল।

    তাহাকে দেখিতে পাইবামাত্র, চিরঞ্জীব জিজ্ঞাসা করিলেন, কেমন কিঙ্কর! তোমার পরিহাসপ্রবৃত্তি নিবৃত্তি পাইয়াছে, অথবা সেইরূপই রহিয়াছে। তুমি মার খাইতে বড় ভাল বাস, অতএব আমার ইচ্ছা, তুমি আর খানিক আমার সঙ্গে পরিহাস কর। কেমন, আজ আমি তোমার হস্তে স্বর্ণমুদ্রা দি নাই, তোমার কর্ত্রী ঠাকুরাণী আমায় লইয়া যাইবার জন্য পাঠাইয়াছেন, জয়স্থলে আমার বাস। তোমার বুদ্ধিভ্রংশ ঘটিয়াছে; নতুবা, পাগলের মত আমার জিজ্ঞাসার উত্তর দিতে না। কিঙ্কর শুনিয়া চকিত হইয়া কহিল, সে কি মহাশয়! আমি কখন আপনকার নিকট ও সকল কথা বলিলাম। চিরঞ্জীব কহিলেন, কিছু পূর্ব্বে, বোধ হয় এখনও আধ ঘণ্টা হয় নাই। কিঙ্কর বিস্ময়াবিষ্ট হইয়া কহিল, আপনি স্বর্ণমুদ্রার থলী আমার হস্তে দিয়া এখানে পাঠাইলে পর, কই আপনকার সঙ্গে ত আর আমার দেখা হয় নাই। চিরঞ্জীব অত্যন্ত কুপিত হইয়া কহিলেন,দুরাত্মন‌! আর আমার সঙ্গে দেখা হয় নাই, বটে; তুমি বারংবার বলিতে লাগিলে, আপনি আমার হস্তে স্বর্ণমুদ্রা দেন নাই, কর্ত্রী ঠাকুরাণী আপনাকে লইয়া যাইতে পাঠাইয়াছেন, তিনি ও তাহার ভগিনী আপনকার অপেক্ষায় আহার করিতে পারিতেছেন না। পরিশেষে, সাতিশয় রোষাক্রান্ত হইয়া আমি তোমায় প্রহার করিলাম।

    এই সমস্ত কথা শুনিয়া, হতবুদ্ধি হইয়া, কিঙ্কর কিয়ং ক্ষণ স্তব্ধ হইয়া রহিল; অবশেষে, চিরঞ্জীব কৌতুক করিতেছেন বিবেচনা করিয়া কহিল, মহাশয়! এত দিনের পর, আপনকার যে পরিহাসে প্রবৃত্তি হইয়াছে, ইহাতে আমি অত্যন্ত আহ্লাদিত হইলাম; কিন্তু, এ সময়ে এরূপ পরিহাস করিতেছেন কেন, তাহার মর্ম্ম বুঝিতে পারিতেছি না; অনুগ্রহ করিয়া তাহার কারণ বলিলে, আমার সন্দেহ দূর হয়। চিরঞ্জীব কহিলেন, আমি পরিহাস করিতেছি, না তুমি পরিহাস করিতেছ; আজ তোমার দুর্ম্মতি ঘটিয়াছে; তখন যৎপরোনাস্তি বিরক্ত করিয়াছ, এখন আবার বলিতেছ, আমি পরিহাস করিতেছি। এই তোমার দুর্ম্মতির ফল ভোগ কর। এই বলিয়া, তিনি তাহাকে ক্রোধভরে বিলক্ষণ প্রহার করিলেন।

    এইরূপে প্রহার প্রাপ্ত হইয়া, কিঙ্কর কহিল, আমি কি অপরাধ করিয়াছি যে আপনি আমায় এত প্রহার করিলেন। চিরঞ্জীব কহিলেন, তোমার কোনও অপরাধ নাই; সকল অপরাধ আমার। ভূত্যের সহিত প্রভুর যেরূপ ব্যবহার করা উচিত, তাহা না করিয়া, আমি যে তোমার সঙ্গে সৌহৃদ্যভাবে কথা কই, এবং সময়ে সময়ে তোমার পরিহাস শুনিতে ভাল বাসি, তাহাতেই তোমার এত আস্পর্দ্ধা বাড়িয়াছে। তোমার সময় অসময় বিবেচনা নাই। যদি আমার নিকট পরিহাস করিবার ইচ্ছা থাকে, আমি কখন কি ভাবে থাকি, তাহা জান ও তদনুসারে চলিতে আরম্ভ কর, নতুবা প্রহার দ্বারা তোমার পরিহাসরোগের শান্তি করিব। কিঙ্কর কহিল, আপনি প্রভু, প্রহার করিলেন, করুন; আমি দাস, অনায়াসে সহ করিলাম; কিন্তু কি কারণে প্রহার করিলেন, তাহা না বলিলে, কিছুতেই ছাড়িব নাই। চিরঞ্জীব, এই সময়ে, দুটি ভদ্র স্ত্রীলোককে তাঁহার দিকে আসিতে দেখিয়া, কহিলেন, আরে নির্ব্বোধ! স্থির হও, এখন আর ও সকল কথা কহিও না; দুটি ভদ্রবংশের স্ত্রীলোক, বোধ হয়, আমার নিকটেই আসিতেছেন।

    জয়স্থলের কিঙ্কর সত্বর প্রতিগমন না করাতে, চন্দ্রপ্রভা, নিতান্ত অধৈর্য্য হইয়া, ভগিনীকে সমভিব্যাহারে লইয়া, স্বীয় পতি চিরঞ্জীবের অন্বেষণে নির্গত হইয়াছিলেন। ইতস্ততঃ অনেক অনুসন্ধান করিয়া, পরিশেষে পান্থনিবাসে উপস্থিত হইয়া, তিনি হেমকুটের চিরঞ্জীব ও কিঙ্করকে দেখিতে পাইলেন, এবং তাহাদিগকে জয়স্থলের চিরঞ্জীব ও কিঙ্কর স্থির করিয়া, নিকটবর্ত্তিনী হইলেন। হেমকুটের চিরঞ্জীব, ইতিপূর্ব্বেই, স্বীয় ভূত্য কিঙ্করের উপর অত্যন্ত কোপান্বিত হইয়াছিলেন; এক্ষণে বিলক্ষণ যত্ন পাইলেন, তথাপি তদীয় উগ্রভাবের একবারে তিরোভাব হইল না। চন্দ্রপ্রভা, তাঁহার মুখের দিকে দৃষ্টি সঞ্চারণ করিয়া, অভিমানভরে কহিতে লাগিলেন, নাথ! আমায় দেখিলেই তোমার ভাবান্তর উপস্থিত হয়; তোমার বদনে রোষ ও অসন্তোষ বিলক্ষণ প্রকাশ পাইতেছে। যাহারে দেখিলে সুখোদয় হয়, তাহার নিকটে কিছু এ ভাব অবলম্বন কর না। আমি এখন আর সে চন্দ্রপ্রভা নই; তোমার পরিণীতা বনিতাও নই। পূর্ব্বে, আমি কথা কহিলে, তোমার কর্ণে অমৃতবর্ষণ হইত; আমি দৃষ্টিপাত করিলে, তোমার নয়নযুগল প্রীতিরসে পরিপূর্ণ হইত; আমি স্পর্শ করিলে, তোমার সর্ব্ব শরীর পুলকিত হইত; আমি হস্তে করিয়া না দিলে, উপাদেয় আহারসামগ্রীও তোমার সুস্বাদ বোধ হইত না। তখন আমা বই আর জানিতে না। আমি ক্ষণ কাল নয়নের অন্তরাল হইলে, দশ দিক শূন্য দেখিতে। এখন সে সব দিন গত হইয়াছে। কি কারণে এই বিসদৃশ ভাবান্তর উপস্থিত হইল, বল। আমার নিতান্ত তোমাগত প্রাণ; তুমি বই এ সংসারে আমার আর কে আছে। তুমি এত নিদয় হইলে, আমি কেমন করিয়া প্রাণ ধারণ করিব। বিলাসিনীকে জিজ্ঞাসা কর, ইদানীং আমি কেমন মনের সুখে আছি। দুর্ভাবনায় শরীর শীর্ণ হইয়া যাইতেছে। আমি স্পষ্ট দেখিতেছি, আমার উপর তোমার আর সে অনুরাগ নাই। যাহার ভাগ্য ভাল, এখন সে তোমার অনুরাগভাজন হইয়াছে। আমি দেখিয়া শুনিয়া জীবন্মৃত হইয়া আছি। দেখ, আর নিদয় হইও না, আমায় মর্ম্মান্তিক যাতনা দিও না। বিবেচনা কর, কেবল আমিই যে যন্ত্রণা ভোগ করিব, এরূপ নহে; এ সকল কথা ব্যক্ত হইলে, তুমিও ভদ্রসমাজে হেয় হইবে।  চন্দ্রপ্রভার আক্ষেপ ও অনুযোগ শ্রবণ করিয়া, হেমকুট বাসী চিরঞ্জীব হতবুদ্ধি হইলেন, এবং কি কারণে অপরিচিত ব্যক্তিকে পতি সম্ভাষণ, ও পতিকৃত অনুচিত আচরণের আরোপণ পূর্ব্বক ভৎসন, করিতেছে, কিছুই নির্ণয় করিতে না পারিয়া, স্তব্ধ হইয়া রহিলেন। কিয়ৎ ক্ষণ পরে, কিছু বলা আবশ্বক, নিতান্ত মৌনাবলম্বন করিয়া থাকা বিধেয় নহে, এই বিবেচনা করিয়া, তিনি বিস্ময়াকুল লোচনে মৃদু বচনে কহিলেন, অয়ি বরবর্ণিনি! আমি বৈদেশিক ব্যক্তি, জয়স্থলে আমার বাস নয়; এই সর্ব্বপ্রথম এ স্থানে আসিয়াছি, তাহাও চারি পাঁচ দণ্ডের অধিক নহে। ইহার পূর্ব্বে, আমি আর কখনও তোমায় দেখি নাই। তুমি আমায় লক্ষ্য করিয়া যে সকল কথা বলিলে, তাহার এক বর্ণও বুঝিতে পারিলাম না। বিলাসিনী শুনিয়া, আশ্চর্য্য জ্ঞান করিয়া, কহিলেন, ও কি হে, তুমি যে আমায় একবারে অবাক করিয়া দিলে; হঠাৎ তোমার মনের ভাব এত, বিপরীত হইল কেন। যা হউক ভাই! ইতিপূর্ব্বে, আর কখনও দিদির উপর তোমার এ ভাব দেখি নাই। দিদির অপরাধ কি, আহারের সময় বহিয়া যায়, এজন্য কিঙ্করকে তোমায় ডাকিতে পাঠাইয়াছিলেন।

    এই কথা বলিবামাত্র, চিরঞ্জীব কহিলেন, কিঙ্করকে! কিঙ্করও চকিত হইয়া কহিল, কি আমাকে! তখন চন্দ্রপ্রভা কোপাবিষ্ট হইয়া কহিলেন, হাঁ তোমাকে। তুমি উহার নিকট হইতে ফিরিয়া গিয়া বলিলে, তিনি প্রহার করিলেন; বলিলেন, আমার বাটী নাই, আমার স্ত্রী নাই। এখন আবার, যেন কিছুই জান না, এইরূপ ভান করিতেছ। চিরঞ্জীব শুনিয়া, ঈষৎ কুপিত হইয়া, কিঙ্করকে জিজ্ঞাসিলেন, তুমি কি এই স্ত্রীলোকের সহিত কথোপকথন করিয়াছিলে। সে কহিল, না মহাশয়! আমি উহার সঙ্গে কখন কথা কহিলাম; কথা কহা দূরে থাকুক, ইহার পূর্ব্বে আমি উহারে কখনও দেখি নাই। চিরঞ্জীব কহিলেন, দুরাত্মন্‌! তুমি মিথ্যা বলিতেছ; উনি যে সকল কথা বলিতেছেন, তুমি আপণে গিয়া আমার নিকট অবিকল ঐ কথাগুলি বলিয়াছিলে। সে কহিল, না মহাশয়। আমি কখনও বলি নাই; জন্মাবচ্ছিন্নে আমি উঁহার সহিত কথা কই নাই। চিরঞ্জীব কহিলেন, তোমার সঙ্গে যদি দেখা ও কথা না হইবে, উনি কেমন করিয়া আমাদের নাম জানিলেন।

    হেমকূটবাসী চিরঞ্জীবের ও কিঙ্করের কথোপকথন শুনিয়া, চন্দ্রপ্রভা যৎপরোনাস্তি ক্ষুব্ধ হইলেন, এবং চিরঞ্জীবকে, স্বীয় পতি জয়স্থলবাসী চিরঞ্জীব জ্ঞানে সম্ভাষণ করিয়া, আক্ষেপ বচনে কহিতে লাগিলেন, নাথ! যদিই আমার উপর বিরাগ জন্মিয়া থাকে, চাকরের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করিয়া, এরূপে অপমান করা উচিত নহে। আমি কি অপরাধ করিয়াছি যে এরূপ ছল করিয়া আমার এত লাঞ্ছনা করিতেছ। তুমি কখনই আমায় পরিত্যাগ করিতে পারিবে না। তুমি যা ভাব না কেন, আমি তোম। বই আর জানি না; যাবৎ এ দেহে প্রাণ থাকিবেক, তাবৎ আমি তোমার বই আর কারও নই। আমি জীবিত থাকিতে, তুমি কখনও অন্যের হইতে পারিবে না। তুমি দিবাকর, আমি কমলিনী; তুমি শশধর, আমি কুমুদিনী; তুমি জলধর, আমি সৌদামিনী। তুমি পরিত্যাগ করিতে চাহিলেও, আমি তোমায় ছাড়িব না। অতএব, আর কেন, গৃহে চল; কেন অনর্থক লোক হাসাইবে, বল।

    এই সকল কথা শুনিয়া, চিরঞ্জীব মনে মনে কহিতে লাগিলেন, এ কি দায় উপস্থিত! কেহ কখনও এমন বিপদে পড়ে না। এ ত পতিজ্ঞানে আমায় সম্ভাষণ করিতেছে। যেরূপ ভাবভঙ্গী দেখিতেছি, তাহাতে বৈদেশিক লোক পাইয়। পরিহাস করিতেছে, সেরূপও প্রতীতি হইতেছে না। আকার প্রকার দেখিয়া স্পষ্ট বোধ হইতেছে, এ সম্ভ্রান্ত লোকের কন্যা, সামান্যা কামিনী নহে। আমি নিতান্ত অপরিচিত বৈদেশিক ব্যক্তি, আমাকে পতিজ্ঞানে সম্ভাষণ করে কেন। আমি কি নিদ্রিত অবস্থায় স্বপ্ন দেখিতেছি; অথবা, ভূতাবেশ বশতঃ আমার বুদ্ধিভ্রংশ ঘটিয়াছে, তাহাতেই এরূপ দেখিতেছি ও শুনিতেছি। যাহা হউক, কোনও অনির্ণীত হেতু বশতঃ, আমার দর্শনশক্তির ও শ্রবণশক্তির সম্পূর্ণ বৈলক্ষণ্য ঘটিয়াছে, তাহার কিছুমাত্র সংশয় নাই। এখন কি উপায়ে এ দায় হইতে নিষ্কৃতি পাই।

    এই সময়ে বিলাসিনী কিঙ্করকে কহিলেন, তুমি সত্বর বাটীতে গিয়া ভূত্যদিগকে সমস্ত প্রস্তুত করিতে বল, আমরা যাইবামাত্র আহার করিতে বসিব। তখন কিঙ্কর, চিরঞ্জীবের দিকে দৃষ্টিপাত করিয়া, অস্থির লোচনে আকুল বচনে কহিতে লাগিল, মহাশয়। আপনি সবিশেষ না জানিয়া কোথায় আসিয়াছেন। এ বড় সহজ স্থান নহে। এখানকার সকলই মায়া, সকলই ইন্দ্রজাল। আমরা সহজে নিষ্কৃতি পাইব, বোধ হয় না। যে রঙ্গ দেখিতেছি, প্রাণ বাচাইয়া দেশে যাইব, আমার আর সে আশা নাই। এই মানবরূপিণী ঠাকুরাণীরা যেরূপ মায়াবিনী, তাহাতে ইহাদের হস্ত হইতে সহজে নিস্তার পাইব, মনে করিবেন না। কি অশুভ ক্ষণেই এ দেশে পদাপর্ণ করিয়াছিলেন। যেরূপ দেখিতেছি, ইঁহাদের মতের অনুবর্ত্তী হইয়া না চলিলে, নিঃসংশয় প্রাণসংশয় ঘটিবেক। অতএব যাহা কর্ত্তব্য হয়, বিবেচনা করুন। কিঙ্করের এই সকল কথা শুনিয়া, অত্যন্ত বিরক্ত হইয়া, বিলাসিনী কহিলেন, অহে কিঙ্কর! তোমায় পরিহাসের অনেক কৌশল আইসে, তা আমরা বহু দিন অবধি জানি; আর তোমার সে বিষয়ে নৈপুণ্য দেখাইতে হইবেক না; আমরা বড় আপ্যাষিত হইয়াছি। এক্ষণে ক্ষান্ত হও; যা বলি, তা শুন। শুনিয়া সাতিশয় শঙ্কিত হইয়া, কিঙ্কর চিরঞ্জীবকে কহিল, মহাশয়। আমার বুদ্ধিলোপ হইরাছে, এখন কি করিবেন, করুন। চিরঞ্জীব কহিলেন, কেবল তোমার নয়, আমিও দেখিয়া শুনিয়া, তোমার মত, হতবুদ্ধি হইয়াছি। তখন চন্দ্রপ্রভা, চিরঞ্জীবের হস্তে ধরিয়া, আর কেন, গৃহে চল; চাকর মনিবে মন্ত্রণা করিয়া, আজ আমার যথেষ্ট লাঞ্ছনা করিলে। সময় অতীত হইয়া গিয়াছে, আর বিলম্বে কাজ নাই। তিনি তাঁহাকে এই বলিয়া বলপূর্ব্বক গৃহে লইয়া চলিলেন। চিরঞ্জীব, অয়স্কান্তে আকৃষ্ট লৌহের ন্যায়, নিতান্ত অনায়ত্ত হইয়া, আপত্তি বা অনিচ্ছাপ্রদর্শন করিতে পারিলেন না। কিয়ৎ ক্ষণ পরে, বাটীতে উপস্থিত হইয়া, চন্দ্রপ্রভা কিরুকে কহিলেন, দ্বার রুদ্ধ করিয়া রাখ, যদি কেহ তোমার প্রভুর অনুসন্ধান করে, বলিবে, আজ তাহার সঙ্গে সাক্ষাৎ হইবে না; এবং যে কেন হউক না, কাহাকেও কোনও কারণে বাটীতে প্রবেশ করিতে দিবে না। অনন্তর, চিরঞ্জীবকে কহিলেন, নাথ! আজ আমি তোমায় আর বাড়ীর বাহির হইতে দিব না; তোমার সঙ্গে অনেক কথা আছে। চিরঞ্জীব, দেখিয়া শুনিয়া হতবুদ্ধি হইয়া, মনে মনে কহিতে লাগিলেন, আজ আমার অদৃষ্টে এ কি ঘটিল। আমি পৃথিবীতে আছি, কি স্বর্গে রহিয়াছি; নিদ্রিত আছি, কি জাগরিত রহিয়াছি; প্রকৃতিস্থ আছি, কি উন্মাদগ্রস্ত হইয়াছি; কিছুই বুঝিতে পারিতেছি না। এক্ষণে কি করি; অথবা ইহাদের অভিপ্রায়ের অনুবর্ত্তী হইয়া চলি, ভাগ্য যাহা আছে, তাহাই ঘটিবেক। তাহাকে বাটীর অভ্যন্তরে যাইতে দেখিয়া, কিঙ্কর কহিল, মহাশয়! আমি কি দ্বারদেশে বসিয়া থাকিব। চিরঞ্জীব কোনও উত্তর দিলেন না। চন্দ্রপ্রভা কহিলেন, দেখিও যেন কেহ বাটীতে প্রবেশ করিতে না পায়। ইহার অন্যথা হইলে, আমি তোমার যৎপরোনাস্তি শাস্তি করিব। এই বলিয়া, চিরঞ্জীবকে লইয়া তিনি অভ্যন্তরে প্রবেশ করিলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঅদ্বৈতপ্রকাশ – ঈশান নাগর
    Next Article আখ্যানমঞ্জরী – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সঙ্কলিত

    Related Articles

    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

    বেতালপঞ্চবিংশতি – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

    July 12, 2025
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

    বিদ্যাসাগর চরিত – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

    July 12, 2025
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

    কথামালা – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

    July 12, 2025
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

    বহুবিবাহ রহিত হওয়া উচিত কি না এতদ্বিষয়ক বিচার – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

    July 12, 2025
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

    বোধোদয় – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

    July 12, 2025
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

    শকুন্তলা – ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

    July 12, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }