Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মতি নন্দীর গল্পসংগ্রহ

    মতি নন্দী এক পাতা গল্প470 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বৃষ্টির মতো

    বৃষ্টির মতো

    বৃহস্পতিবার মাঝরাতে জোলো হাওয়ার ঝাপটায় নন্দার ঘুম ভেঙে গেল। জানলা দিয়ে দেখল আকাশের রং মেটেলাল। দূরে রাস্তার আলোয় বৃষ্টির ধারা দেখে বুঝল সারারাতই ঝরবে। সাত মাসের ছেলে পাশেই ঘুমোচ্ছে। তার গায়ের চাদরটা টেনেটুনে দিয়ে সে উঠে বসল। দোতলায় জানলার পাল্লা মোট আঠারোটা। বন্ধ করে না দিলে দালান ঘর ভেসে যাবে। খাট থেকে নামার সময় সে জানলা বন্ধ করার শব্দ পেল।

    কে বলাইয়ের মা নাকি?

    হ্যাঁ।

    ছোটাখাটো শীর্ণ চেহারা, বয়স পঞ্চান্ন থেকে ষাটের মধ্যে। অর্ধেক চুলই পাকা। সিঁথিতে মোটা করে সিঁদুর। মাথায় সবসময়ই ঘোমটা। বলাইয়ের মা স্বল্পবাক, ধীর প্রকৃতির। ওর স্বামী ভূপতিও বেঁটে গড়নের। স্ত্রীর থেকে চুল বরং একটু কালোই, ষাট-পঁয়ষট্টির মধ্যে বয়স। মাঝে মাঝে হাঁপানির টান ওঠে। ওর একটা চোখের মণি ঘোলাটে। একদমই দেখতে পায় না। দুজনে থাকে গ্যারেজের লাগোয়া একটা ছোট্ট ঘরে।

    জানলা বন্ধ করে বলাইয়ের মা নীচে নেমে যাচ্ছে। নন্দা বলল, গ্যারেজের শাটারের তলা দিয়ে জল ঢুকছে কি না একটু দেখতে বলো তো ভূপতিকে।

    সকালে ঘুম থেকে উঠে নন্দা দেখল অঝোরে বৃষ্টি হচ্ছে। মেঘলা আকাশ। ঘরের মধ্যে আবছা আবছা আলো। জানলা দিয়ে বাড়ির সামনের রাস্তাটা দেখে তার চক্ষুস্থির! ছুটে নেমে এসে দেখল বলাইয়ের মা বাসন মাজছে।

    ভূপতি দুধ এনেছে কি? রাস্তায় যা জল জমেছে দুধের ভ্যান হয়তো নাও আসতে পারে!

    এখনও ফেরেনি।

    মিনিট দশেক পর ভূপতি ফিরে এসে জানাল, বাড়ির সামনের রাস্তায় পায়ের গোছ ডোবা জল কিন্তু বড়ো রাস্তায় হাঁটুর কাছাকাছি। একটা দোকানও ভোলা নেই। দুধের গাড়িও আসেনি। পাঁচিল-ঘেরা বাড়ির ফটক দিয়ে রাস্তার জল ঢুকে ইঞ্চি চারেক গভীর হ্রদের মাঝে বাড়িটাকে দ্বীপ বানিয়ে ফেলেছে।

    কী গেরো বলোতো, বৃষ্টি থামলেই বাঁচি। বাজার তো বসবে না, একটাও কি দোকান খোলা নেই?

    ভূপতি মাথা নাড়ল।

    চালে ডালে খিচুড়ি বসাও, আর কী করা যাবে।

    ভিজে জবজবে খবরের কাগজ দিয়ে গেছে। ওড়িশায় বারিপদার কাছে নিম্নচাপ কেন্দ্রীভূত হয়েছে। এর প্রভাবে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। এ ছাড়া আর কিছু বলা নেই। বলবেই-বা কী করে, মাঝরাতে বৃষ্টি শুরু হলে পরদিন কাগজে সে-খবর দেওয়া সম্ভব নয়। নন্দা গ্র্যাজুয়েট, বুদ্ধিমতী, বিবেচক। তার স্বামী রঞ্জন কাঠের ব্যবসায়ী। চার দিন আগে সে অসম গেছে। প্রায়ই তাকে বাইরে যেতে হয়।

    বৃহস্পতিবার সারাদিন বৃষ্টি পড়ল। তার সঙ্গে দমকা বাতাস। নন্দা মাঝে মাঝে বারান্দায় গিয়ে ঝুঁকে রাস্তার অবস্থা দেখল। গাছপালা আর বাড়ির ফাঁক দিয়ে বহু দূরের রাস্তায় চলন্ত বাসের চালটুকু দেখা যায়। সে একটাও বাস দেখতে পেল না। গ্যারেজের শাটারের নীচে এক হাত জল। যদি জল ঢুকে থাকে তা হলে গাড়িটার এঞ্জিনের তলার দিকটা এতক্ষণে ডুবে গেছে। কী আর করা যাবে।

    সন্ধ্যাতেও বৃষ্টি বন্ধ হল না। নন্দা টিভি-র খবর থেকে শুনল, বারিপদার থেকে নিম্নচাপ উত্তর থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে কলাইকুন্ডার কাছে অবস্থান করছে। বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত গত চব্বিশ ঘণ্টায় ১৭২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। পূর্বাভাসে বলা হয়েছে শুক্রবারও সারাদিন জোর বৃষ্টি ও দমকা বাতাস চলবে তবে সন্ধ্যা থেকে বৃষ্টি ধীরে ধীরে কমতে পারে।

    শুক্রবার বৃষ্টি কমার বদলে আরও বেড়েই গেল। খবরের কাগজওয়ালা পর্যন্ত আসতে পারেনি যখন, নন্দা বুঝল রাস্তায় অন্তত কোমরের উপর জল উঠেছে। বৃষ্টির শব্দ শুনতে শুনতে সে বিরক্ত হয়ে পড়ল। সাত মাসের ছেলের সঙ্গে কতক্ষণ আর কথা বলা, খেলা করা যায়! সময় কাটাতে সে ফোন করল তার বাপের বাড়িতে। এত বৃষ্টিতেও ফোন কাজ করছে। দেখে সে অবাকই হল। ভাই জানাল, একতলা থেকে জিনিসপত্র দোতলায় তুলে আনা হচ্ছে, তারা এখন খুব ব্যস্ত।

    ফোন রেখে নন্দা কী ভেবে নীচে এল। ডাইনিং টেবিলের ধারে মেঝেয় বুড়োবুড়ি দেয়ালে ঠেস দিয়ে বসে। তাকে দেখেই উঠে দাঁড়াল।

    তোমাদের ঘরে কি জল ঢুকেছে?

    দুজনেই মাথা নাড়ল।

    জিনিসপত্র এখানেই নিয়ে এসো।

    টিভিতে সন্ধ্যার খবরে সে শুনল আজ আলিপুর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সারাদিনে ২৫৯ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে কলকাতায়। শনিবারও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ কয়েক পশলা জোর বৃষ্টি হতে পারে।

    রাত্রে একতলায় ডাইনিং টেবিলে বসে খেতে খেতে নন্দা দেখল ঘরের কোনায় একটা টিনের সুটকেস আর ভিজে কাপড়। পোঢ় কার্ড আকারের একটা বাঁধানো ছবি উপুড় করে শুকোতে দেওয়া হয়েছে। ছবির পিছনের হলদে রঙের কাগজের বোর্ডটা ভিজে ফুলে উঠেছে। সে ধরে নিল ছবিটা মা কালীর অথবা শ্রীকৃষ্ণের।

    শনিবার সকালেই বৃষ্টি ঝিরঝিরে হয়ে এল। দুপুরে প্রায় বন্ধই। তা হলেও আকাশ থমথমে, ঘন মেঘে ছেয়ে আছে। রাস্তায় লোক চলছে না, গাড়ি তো নয়ই। দুটো কাক সামনের বাড়ির কার্নিশে বসে। তা ছাড়া সে আর কোনো জনপ্রাণীও দেখতে পেল না।

    টেলিফোন বেজে উঠল।

    হ্যালো, কে দিদি? কী অবস্থা যে…

    নন্দা বড়ো বিপদ, শিগগিরি তুই সতুদের…আমার দেওর সতুদের বাড়িতে একটা খবর দেবার ব্যবস্থা কর, যেভাবেই হোক। ওর ছেলে মাস্তু পাঁচ দিন হল আমাদের বাড়িতে রয়েছে। আজ সকালে চুপিচুপি কখন যে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেছে কেউ লক্ষ করিনি। আট বছরের ছেলে। রাস্তাঘাট জলে থইথই। সকাল থেকেই খোঁজাখুঁজি করছি আমরা। এইমাত্র পাশের বাড়ির একজন খবর দিল, রাস্তার পাশে ড্রেনের মধ্যে একটা ছেলের বডি পাওয়া গেছে। জলে ডোবা। বয়সও বেশি নয়। হাসপাতালে নিয়ে গেছে। শুনেই সবাই আর জি কর এ রওনা হয়ে গেছে। তুই এক বার ওদের বাড়িতে খবর দেবার ব্যবস্থা কর। পরের ছেলে বাড়িতে এনে একী বিপদে পড়লাম।

    নন্দা কান্নার শব্দ পেল। খবরটা শুনে সেও স্তম্ভিত। মাকে সে দেখেছে। ওরা কাছাকাছি থাকে। হেঁটে মিনিট পনেরো-কুড়ির পথ। মাস দুয়েক আগেই ওরা নন্দার ছেলেকে দেখতে সন্ধ্যে বেলায় এসেছিল। সঙ্গে মান্তুও ছিল। ছটফটে চঞ্চল প্রকৃতির ছেলে। একদন্ডও বসে থাকতে পারে না।

    নন্দা, যদি সম্ভব হত তা হলে আমি এখুনি বেলগাছিয়া থেকে দৌড়ে যেতুম। রাস্তায় বুক সমান জল, একটা গাড়ি নেই। ওদের এখুনি খবর না দিলে সারাজীবন অপরাধী হয়ে থাকব। তুই একটা ব্যবস্থা কর। আমার প্রেশার বাড়ছে। আর কথা বলতে পারছি না হাত-পা কাঁপছে, বুকের মধ্যে কী যে হচ্ছে! তোর বাড়ি থেকে তো আর বেশি দূর নয়।

    আচ্ছা আমি দেখছি। তুমি ব্যস্ত হোয়য়া না।

    ফোন রেখে নন্দা নীচে নেমে এল। বুড়োবুড়ি দুজনে পাশাপাশি বসে সদর দরজায়। সিঁড়ির প্রথম ধাপটা জলের নীচে। ওরা জলের দিকে তাকিয়ে। নন্দাকে দেখে উঠে দাঁড়াল।

    ভূপতি, ভীষণ বিপদে পড়েছে আমার দিদি। তোমাকে এখুনি একটা কাজ করতে হবে।

    ভূপতি তার ভালো চোখটা দিয়ে স্তিমিত চাহনিতে তাকিয়ে। শীর্ণ গলার কণ্ঠটা কয়েক বার ওঠা নামা করল। বৃষ্টিতে ভিজে জ্বর হয়েছে। সকাল থেকে খায়নি।

    নন্দা ঝড়ের বেগে কথাটা বলে গেল। ওরা দুজন তার মুখের দিকে চেয়ে আছে। এক বার শুধু নিজেদের মধ্যে দৃষ্টি বিনিময় করল যখন নন্দা বলল, শেষ দেখাটা অন্তত তা হলে ওরা দেখতে পাবে। যাবে তুমি?

    ভূপতি বউয়ের মুখের দিকে তাকাল।

    যাব। বলাইয়ের মা শান্ত মৃদুস্বরে বলল।

    একটা চিঠি লিখে দিচ্ছি তাহলে, মুখে আর কিছু তোমাকে বলতে হবে না। বাড়ির ঠিকানা তোমাকে বলে কোনো লাভ নেই, মনে থাকবে না। তবু লিখে দিচ্ছি। কোনো লোককে দেখালে বাড়ি বলে দেবে। আমি তোমাকে বরং জায়গাটা বুঝিয়ে দিচ্ছি, সেইমতো চলে যাও। খুব শক্ত হবে না খুঁজে বার করতে।

    মিনিট দশেক পর গেট খুলে ভূপতি রাস্তার দু-দিকে তাকাল। বৃষ্টি আপাতত ধরে গেছে। দূরে একটি লোককে সে দেখল রাস্তা ধরে আসছে টলতে টলতে। তার কোমর থেকে দেহ জলের নীচে। বলাইয়ের মা গেট পর্যন্ত সঙ্গে এসেছে, নন্দাও।

    ভূপতির হাতে ছাতা, জামার বুকপকেটে চিঠি। সে পা ঘষড়ে এগিয়ে পাথরের কিনারে পোঁছে, সন্তর্পণে ইঞ্চি ছয়েক নীচে রাস্তায় নামল। জলে স্রোত রয়েছে। কাছেই একটা বড়ো পুকুর আছে, জলের টান সেই দিকে। কয়েক পা টানের বিরুদ্ধে গিয়ে সে দাঁড়িয়ে পড়ল। পিছন ফিরে বউয়ের দিকে তাকিয়ে হাসার চেষ্টা করল।

    বলাইয়ের মা উৎকণ্ঠা নিয়ে তাকিয়েছিল। স্বামীর চাহনি থেকে কী বুঝে নিয়ে সেও জলে নামল। মুখ ফিরিয়ে নন্দাকে শুধু বলল, আমি সঙ্গে যাচ্ছি। ওর শরীরটা ভালো নয়।

    নামার সঙ্গে সঙ্গে জল তার কোমর ছাড়িয়ে গেল, ভূপতির কাছে এসে সে হাত বাড়াল। ভূপতি হাতটা ধরল। তারপর পায়ে পায়ে দুজনে এগোতে লাগল জলের টান ঠেলে।

    পা ঘষে ঘষে হেঁটো না তাহলে ঊরুতে ব্যথা করবে। তুলে তুলে হাঁটো। বলাইয়ের মা বলল। ওরা মোড় ঘুরে না যাওয়া পর্যন্ত না তাকিয়ে রইল। বড়ো রাস্তার মুখে এসে চলা থামিয়ে দুজনে রাস্তা বরাবর তাকাল। চওড়া একটা নদীর মতো দেখাচ্ছে। দু-ধারে ফুটপাথে বড়ো বড়ো গাছের গুঁড়ি জলের নীচে। তাদের ডালপালাগুলো বড়ো ছাতার মতো লাগছে। কয়েক জন লোক জল ঠেলে চলেছে। পার্কের রেলিঙের সঙ্গে শেকলবাঁধা একটা ঠেলাগাড়ি জলে ওঠা-নামা করছে নৌকোর মততা, রোল বিক্রির একটা কাঠের গাড়ি হেলে রয়েছে বাড়ির গায়ে। ভাঙা পাইপ দিয়ে ছড়ছড়িয়ে জল ছাদ থেকে পড়ছে। নতুন বাড়ি তৈরি হচ্ছে। তার বাঁশের ভারা থেকে একটা বাঁশ ঝুলছে। যেকোনো সময় নীচে পড়বে। ফুটপাথে রাখা দুটো মোটর গাড়ি, জলে তার অর্ধেক ডোবা। জলে ভেসে যাচ্ছে কাঠের টুকরো, গাছের ডাল, পাতা, ন্যাকড়া, রবারের চটি, কৌটো, মরা পায়রা।

    আঃ!

    ভূপতি হুমড়ি খেয়ে পড়ছিল। বউয়ের হাত ধরে সামলে নিতে গিয়ে বলাইয়ের মাকে নিয়ে জলে পড়ে গেল। মাথা ভিজিয়ে দুজনে উঠে দাঁড়াল। ছাতাটা হাত থেকে পড়ে জলে ভাসছে বলাইয়ের মা খপ করে ধরে নিল।

    গর্ত রয়েছে। ভূপতি সাবধান করে দিল।

    চিঠিটা ভিজেছে কি না দ্যাখো! ব্যস্ত স্বরে বলল বলাইয়ের মা।

    ভূপতি পকেট থেকে চিঠির খামটা বার করল। খামের কাগজ চুপসে গেছে। ঠিকানা লেখা অক্ষরগুলো ধ্যাবড়ানো। ভীত চোখে বউয়ের দিকে সে তাকাল।

    আমায় দাও।

    বলাইয়ের মা ভিজে খাম ধরা হাতটা উঁচু করে তুলে আবার এগোতে শুরু করল।

    প্রায় দশ মিনিট হাঁটার পর ভূপতি দাঁড়িয়ে পড়ল। হাঁফাচ্ছে। ব্যথায় ঊরু দুটো তুলতে পারছে না। কোমরে ব্যথা করছে। চোখে শ্রান্তি। বলাইয়ের মা ওর বাহু ধরে দাঁড়িয়ে রইল। এক বার স্বামীর কপালে হাত দিয়ে তাপ বুঝে নিল। মাথায় ঝাঁকুনি দিয়ে ভূপতি আবার চলতে শুরু করতেই বলাইয়ের মা হাত টেনে ধরল।

    আর একটু জিরোও।

    কয়েক মিনিট অপেক্ষা করে দুজনে চলতে শুরু করল। কিছু লোক রাস্তায় নেমেছে। একজন ওদের জিজ্ঞাসা করল, সিগারেটের দোকান খোলা দেখেছে কি না। ওরা মাথা নাড়ল। দুটো বড়ো মোড় পেরিয়ে গিয়ে আর একটা মোড় যার মাঝখানে পাঁচিলঘেরা জমি। সেই জমিতে একটা টুপিপরা লোকের দাঁড়ানো মূর্তি। এই পর্যন্ত তারা এসেছে। এবার আরও সোজা এগিয়ে ডান দিকে প্রথম রাস্তাটায়।

    ওরা ডান দিকের প্রথম রাস্তা ধরে চলল। জল এখানে হাঁটুর কাছাকাছি। অল্পবয়সি কয়েকটা ছেলে গামছা দিয়ে রাস্তায় মাছ ধরছে। সামনে আলোর থামের পাশে লাল অক্ষরে লেখা সাইনবোর্ড দেখে ওরা দাঁড়াল। এবার এই বাড়ির গা দিয়ে যে কাঁচা রাস্তাটা গেছে তাই ধরে যেতে হবে। কিন্তু জলডোবা রাস্তাটা কাঁচা না পাকা বোঝা যাচ্ছে না।

    দুজনে সেই রাস্তাটাই ধরল। বাড়িগুলো সবই ডান দিকে। বাঁ-দিকে থইথই জল। ডান দিকেও বাড়ির কিনার পর্যন্ত সাত-আট হাত জল। বোঝা যাচ্ছে না রাস্তাটা কতটা চওড়া। বোঝা যাচ্ছে না জলের নীচে ডাঙা না পুকুর না রাস্তার নালা কী রয়েছে!

    ওরা থমকে দাঁড়াল, ঝিরঝির বৃষ্টি নেমেছে। দমকা হাওয়াও চলছে। ভূপতি ছাতা খুলতেই হাওয়ার ঝাপটায় হাত থেকে উড়ে যাবার উপক্রম হল। সে ছাতাটা বন্ধ করার চেষ্টা করেও পারছে না। বলাইয়ের মা হাত বাড়িয়ে দু-হাতে ছাতার বাঁট চেপে ধরল আর তখন খামটা হাত থেকে জলে পড়ল। তাড়াতাড়ি জল থেকে তুলে নিয়ে সেটা শেমিজের মধ্যে রেখে সে ছাতাটাকে আঁকড়ে ধরে বন্ধ করল। ভূপতির লাজুক চাহনিটা দেখেও দেখল না!

    আবার ওরা এগোচ্ছে। পা টিপে, পা ঘষড়ে হুশিয়ার হয়ে। বাঁ-দিকে বাজার বসে কিন্তু এখন জায়গাটা দিঘির মতো। সেটার পর তিন-তলা বাড়ি। তারপর টালির চালের ঘর। কয়লার দোকান, কেরোসিনের উনুন সারাইয়ের দোকান, মুড়ির দোকান। সব বন্ধ। তারপর মুদির দোকান। একটা পাল্লা খুলে মুখ বার করে আছে একটা লোক, তারপরই এক-তলা বাড়িটা। বাইরের দালান লোহার সাদা জাল দিয়ে ঘেরা।

    দালানে একজন মহিলা দড়িতে কাপড় মেলছে। ওরা দুজন দাঁড়িয়ে পড়ল। এই বাড়িটাই? ওরা মুখ চাওয়াচাওয়ি করল। বৃষ্টি এখন টিপ টিপ পড়ছে। বলাইয়ের মা এগিয়ে গেল জালের দিকে। মহিলাটি এইসময় মুখ ফিরিয়ে ওকে দেখে ভ্রূ কুঁচকে তাকিয়ে রইলেন। যেন চেনা চেনা লাগছে তাঁর। জালের কাছে এগিয়ে এলেন।

    তুমি কি নন্দার বাড়িতে কাজ কর?

    বলাইয়ের মা-র মুখে স্বস্তির ছাপ পড়ল।

    হ্যাঁ। এই চিঠিটা।

    কে পাঠিয়েছে, না?

    বলাইয়ের মা মাথা কাত করল।

    শেমিজের মধ্য থেকে ভেজা খামটা বার করে ভাঁজ করে জালের ফাঁক দিয়ে গলিয়ে দিল। মুখ ফিরিয়ে ভূপতির দিকে তাকিয়ে মাথাটা হেলাল।

    এ তো একেবারে ভিজে কালি লেপটে একশা হয়ে গেছে, একটা লাইনও তো পড়া যাচ্ছে না। তুমি জলে দাঁড়িয়ে কেন, ভেতরে এসো।

    মহিলা দরজা খুলে দিলেন। বলাইয়ের মা ইতস্তত করে এক বার মুখ ফিরিয়ে ভূপতির দিকে তাকাল। ভূপতি ইশারা করল তাকে ভিতরে যাবার জন্য।

    তোমার সঙ্গে এসেছে? ওকেও আসতে বলো, জলের মধ্যে কি দাঁড়িয়ে থাকা যায়?

    জ্বর হয়েছে। বলাইয়ের মা কৃতজ্ঞ চাহনি দিয়ে দোষ স্বীকার করার মতো গলায় বলল। তারপর হাতছানি দিয়ে ভূপতিকে ডাকল।

    চিঠিটা ভিজিয়ে ফেলেছ। কী লেখা আছে তা তো বুঝতে পারছি না। এই দুর্যোগে এতটা পথ ভেঙে পাঠিয়েছে যখন নিশ্চয় খুব দরকারিই কোনো ব্যাপার হবে!

    ওরা দুজনে মুখ ফেরাল পরস্পরের দিকে। চিঠিতে যা বলা হয়েছে সেটা তারা জানে। কিন্তু সেটা কি তারা মুখে বলবে? দুজনে দুজনের কাছে প্রশ্নটা রাখল।

    তোমরা কি বলতে পারবে নন্দা কী লিখেছে?

    ভূপতির দিকে তাকিয়ে বলাইয়ের মা-র চোখে অনুনয় ফুটে উঠল। ভূপতি ধীরে ধীরে মুখটা ফিরিয়ে রাস্তার দিকে তাকাল।

    আপনার ছেলে জেঠির বাড়িতে গেছে।

    হ্যাঁ, বেলগাছিয়ায়।

    বলাইয়ের মা আবার ভূপতির মুখের দিকে তাকাল। আবার সে মুখ ফিরিয়ে নিল। আঙুল দিয়ে সে জাল আঁকড়ে ধরেছে, চোয়ালটা শক্ত হয়ে উঠল।

    আজ সকালে সে চুপি চুপি বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়ে এখনও ফেরেনি।

    অ্যাঁ! সেকী কথা? গেল কোথায় তাহলে? সকাল থেকে বাড়ি নেই? নন্দাকে খবরটা দিল কে?

    ফোন করে জানিয়েছেন বউদির দিদি।

    ঠিক কী বলেছে? আঃ চিঠিটাও এমন ভিজিয়েছ যে কিছু পড়া যায় না। এমন সাংঘাতিক একটা ব্যাপার, সাবধানে চিঠিটা রাখবে তো।

    এই সময় ভিতর থেকে খালিগায়ে পাজামাপরা একটা লোক বেরিয়ে এল। মান্তুর বাবা, মহিলার স্বামী সতু। তাকে দেখেই মহিলা ব্যাকুল হয়ে বললেন, এরা কী বলছে শোনো। নন্দা পাঠিয়েছে এই চিঠি দিয়ে। কিছু পড়া যাচ্ছে না এমনই ভিজিয়েছে। বলছে মান্তু সকাল বেলা বাড়ি থেকে বেরিয়ে এখনও ফেরেনি। দিদি ফোন করে নন্দাকে বলেছেন, তাই সে খবরটা চিঠি লিখে এদের হাত দিয়ে পাঠিয়েছে। কিন্তু এরা এমনই গাধা যে… এখন কী হবে?

    তোমরা ঠিক জান? ঠিক বলছ? সতু উৎকণ্ঠিত হয়ে জানতে চাইল।

    বউদি তো এই কথাই বললেন।

    আর কী বললেন?

    বলাইয়ের মা পাশের দিকে মুখ ফিরিয়ে ভূপতির চোখ দেখার চেষ্টা করল। দেখতে পেল না। সে ইতস্তত করল। সতু তখন অধৈর্য হয়ে চেঁচিয়ে উঠল, আর কী বললেন সেটা বলো।

    হ্যাঁ, বলেছেন…

    ওরা তিন জনই ভূপতির দিকে তাকাল।

    একটা ছেলে জ্বলে ডুবেছে। তার লাশ পাওয়া গেছে।

    কযেক সেকেণ্ডের জন্য প্রাণঘাতী নীরবতা বিরাজ করল। তারপরই মান্তু রে বলে মহিলা চিৎকার করে উঠলেন।

    বলাইয়ের মা বিষণ্ণ চোখে ভূপতির দিকে তাকাল, তার চাহনিতে ভৎসনা, কেন কথাটা বলতে গেলে?

    ছেলেটা কে? মান্তুই কি? সতু স্তম্ভিত অবস্থা থেকে শান্ত গলায় বলল।

    আর কিছু বলেননি।

    হ্যাঁ, বলেছেন বাড়ির সবাই হাসপাতালে গেছেন। বলাইয়ের মা কথাটা বলার সঙ্গে সঙ্গে ঘোমটা তুলে দিল।

    সেটা এতক্ষণ বলনি কেন? কোন হাসপাতালে? নাম কী হাসপাতালের?

    সতুর ব্যগ্র অ্যাকুল স্বরে কুঁকড়ে গেল দুজনেই। পরস্পরের মুখের দিকে অসহায় ভঙ্গিতে তাকিয়ে থেকে আবার তারা সতুর দিকে তাকিয়ে একইসঙ্গে মাথা নাড়ল। মহিলাটি চিৎকার করে যাচ্ছেন উবু হয়ে বসে। চিঠিটা চোখের সামনে ধরে উন্মাদের মতো চোখে সতু পড়ার চেষ্টা করে হতাশায় ছুড়ে ফেলে দিল।

    কথা বলছ না কেন, তোমরা কি বোবা? সতু ফেটে পড়ল, এমন একটা ভয়ংকর খবর, অথচ বলতে পারছ না কোন হাসপাতালে গেছে। ইডিয়ট, উল্লুক কোথাকার! ইচ্ছে করছে জুতোপেটা করি। এখন নন্দার বাড়ি গিয়ে জানতে হবে. ওহহ, মানসবাবুর বাড়ি থেকে তো ফোনই করা যায়। আমি ফোন করতে যাচ্ছি, বুঝলে?

    সতু দ্রুত বাড়ি থেকে বেরোতে গিয়ে থমকে দাঁড়িয়ে, তোমরা এবার এসো। আর কখনো তোমাদের যেন… বলতে বলতে ছুটে বেরিয়ে গেল।

    দুজনে ব্যথিত চোখে মেঝেয় গড়াগড়ি দেওয়া মহিলাটির দিকে তাকিয়ে রইল। বলাইয়ের মা এগিয়ে এসে ঝুঁকে মহিলার বাহুতে হাত রেখে বিড়বিড় করে কী যেন বলতে লাগল।

    আয়, চলে আয়। ভূপতি একটু তীক্ষ্ণ কণ্ঠে কথাটা বলেই দরজার দিকে এগোল। সামনের বাড়ির দুজন মহিলা ছুটে আসার সময় তাকে ধাক্কা দিয়েই ভিতরে ঢুকল।

    বলাইয়ের মা ধীর পায়ে বেরিয়ে এল। দুজনে আবার জল ঠেলে ঠেলে ফিরছে। বৃষ্টি এখন বন্ধ। মেঘের জন্য চারিদিক স্যাঁতসেঁতে আলোয় নির্জীব, বিষগ্ন। তাদের জলভাঙার শব্দ ছাড়া আর কোনো শব্দ নেই। মুখ নামিয়ে তিন-চার হাত ব্যবধান রেখে ওরা এগোচ্ছে।

    হঠাৎ ভূপতি দেখল বলাইয়ের মা হেলে পড়ছে। দু-হাত তুলে বাতাস আঁকড়ে ধরার জন্য তালু আর আঙুলগুলো মুঠো হল, তারপর জলের নীচে চলে গেল, আবার একটুর জন্য ভেসে উঠল মুখ আর দুটো হাত।

    ডুবে যাচ্ছে। ভূপতি ছাতাটা বাড়িয়ে দিয়ে বলল, ধর, ধর।

    তৃতীয় বার ভেসে উঠে ডুবে যাবার সময় বলাইয়ের মা ছাতার প্রান্তটা মুঠোর মধ্যে পেয়ে গেল। ভূপতি ওকে টেনে আনল ছাতার সঙ্গে। বলাইয়ের মা-র চোখে ভয়। মৃত্যুর সঙ্গে দেখা হওয়ার বিস্ময় ছড়িয়ে রয়েছে মণিতে। ঠোঁট দুটো থরথর করছে। ভয়টা এবার কুয়াশা সরে যাবার মতো আবছা হতে হতে একেবারেই সরে গেল। একটা রাগ এবার সেই জায়গায় উঠছে।

    তুমি বলাইকে তাহলে কেন ধরনি?

    নৌকোটা উলটোতেই বাঁশের খোঁচাটা চোখে তখন যদি…বলেছি তো তোকে কত বার। দু-হাত ঝাঁকিয়ে ভূপতি চেঁচিয়ে উঠল। আমি তো নাম ধরে তারপর চেঁচিয়েছি, চোখে দেখতে পাচ্ছিলুম না অন্ধ হয়ে গেছলুম, সাঁতার দিতে দিতে কত বার চেঁচিয়েছি, ডুবে ডুবে নদীর তল পর্যন্তও গেছি।

    সে হাঁফাতে লাগল। বলাইয়ের মা কাছে এসে ওর বুকে কপালে হাত রাখল। সেই সময় উদভ্রান্ত সতু তাদের পাশ দিয়ে চলে গেল সামনে ঝুঁকে, দৌড়োবার চেষ্টায় শরীরটা পড়ো পড়ো, দু-হাত ভারসাম্য রাখার জন্য পাখির ডানার মতো ঝাপটাচ্ছে। সতু ওদের দেখেও দেখল না। কিছুটা পিছনে সেই মহিলা, মান্তুর মা। লেপটানো শাড়িতে জড়িয়ে-যাওয়া পা ফেলতে গিয়ে বার বার জলে আছাড় খাচ্ছে। কয়েক হাত হামা দিয়ে আবার উঠে দাঁড়িয়ে চলতে গিয়ে আবার পড়ছে। মুখ থেকে একটা উ উঁ শব্দ একটানা বেরিয়ে আসছে। মান্তুর মাও ওদের পাশ দিয়ে এগিয়ে গেল।

    ওরা দাঁড়িয়ে দেখল। দু-তিন বার মাথা নাড়াল।

    যদি মান্তু না হয় তো ওরা বেঁচে যাবে।

    ভূপতি যেন নিজেকেই প্রবোধ দিয়ে শোনাল।

    অন্য কোনো বাপ-মায়ের ছেলে তো! তাদের কী অবস্থা হবে?

    দুজনে ধীরে ধীরে সতর্ক পায়ে হাঁটতে শুরু করল। যত এগোচ্ছে জল ক্রমশ বাড়ছে। কাঁচা পথটুকুই শুধু যা ভয়ের।

    হাঁপির টান কি বোধ করছ? ফিরে গিয়ে মালিশ করে দেব। আজ কিছু খেয়ো না, উপোস দাও। একটু গরম দুধ যদি…।

    ওরা কাঁচা রাস্তা পার হয়ে একসময় বড়ো রাস্তায় পৌঁছোল। ধু-ধু নদীর মতো রাস্তাটাকে আবার ওরা অবাক হয়ে দেখল।

    না বললেই হত। ফুটপাথ থেকে পা টিপে টিপে রাস্তায় নেমে বলাইয়ের মা-র দিকে হাত বাড়িয়ে ভূপতি বলল। কথাটার উত্তর সে পেল না।

    আমার মুখ দিয়ে কেন যে বেরিয়ে এল!

    বিস্ময় নিয়ে ভূপতি স্ত্রীর হাত চেপে ধরে জল ঠেলতে ঠেলতে বাড়ি ফিরে এল। গেটের থেকেই তারা দেখল বারান্দায় নন্দা দাঁড়িয়ে। তাদের দেখতে পেয়ে সে অস্বাভাবিক উত্তেজিত গলায় চেঁচিয়ে উঠল, বলাইয়ের মা, ভূপতি..মাস্তু নয়, বডিটা মান্তুর নয়। ওরা হাসপাতাল থেকে একটু আগে ফিরে এসেছে। ভেতরে এসো বলেছি।

    ওরা এক-তলার দরজা দিয়ে ঢোকার আগেই নন্দা নেমে এসেছে।

    উঃ, কী ভয় যে পাইয়ে দিয়েছিল! ওটা অন্য ছেলে। এই মান্তুর দিদি আবার ফোন করেছিল, পাঁচ মিনিটও হয়নি। মিছিমিছি চিঠি দিয়ে তোমাদের পাঠালাম। পড়ে কী হল ওদের?

    দুজনে মুখ চাওয়াচাওয়ি করল। হঠাৎ দপ করে বলাইয়ের মা-র চোখ জ্বলে উঠল, হাত মুঠো হল কয়েক সেকেণ্ডের জন্য। তারপর ধীরে ধীরে স্তিমিত হয়ে এল চোখের চাহনি।

    চিঠিটা জলে পড়ে ভিজে গেছে। পড়া গেল না।

    বাঁচা গেছে, বাব্বা! পড়লে কী যে ওদের অবস্থা হত!

    ফোন করেননি? ভূপতি জিজ্ঞাসা করল।

    না তো? বোধ হয় ওদের লাইন খারাপ। তোমরা আর ভিজে কাপড়ে থেকো না। চা করো…না না আমিই করে দিচ্ছি।

    মাঝরাতে ভূপতির ঘুম ভেঙে গেল, টানা বৃষ্টির মতো কান্নার শব্দে। সে শুধু একটা হাত বলাইয়ের মা-র পিঠে রাখল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমতি নন্দী কিশোর সাহিত্য সমগ্র ১ম খণ্ড
    Next Article কলাবতী সমগ্র – মতি নন্দী

    Related Articles

    মতি নন্দী

    অপরাজিত আনন্দ – মতি নন্দী

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    কলাবতী সমগ্র – মতি নন্দী

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    মতি নন্দী কিশোর সাহিত্য সমগ্র ১ম খণ্ড

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    ক্রিকেটের রাজাধিরাজ ডন ব্র্যাডম্যান – মতি নন্দী

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    মতি নন্দী উপন্যাস সমগ্র ১ম খণ্ড

    November 12, 2025
    মতি নন্দী

    মতি নন্দী উপন্যাস সমগ্র ২য় খণ্ড

    November 12, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }