Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মধুরেণ – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    ইন্দ্রনীল সান্যাল এক পাতা গল্প249 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মধুরেণ – ১২

    ১২

    আইনের নিজস্ব একটা গতি আছে। তাকে কেউ আটকাতে পারে না। অশোক না থাকলে মধুরা কী করত কে জানে! অশোকের ফিল্মমেকার কাম উকিল বন্ধু সৌমেন পাল অনেক সাহায্য করল। গুরুপদ কেস ডায়রিতে বেলেব্‌ল আইপিসি দিয়ে ডুঙ্গার, মিস জোনাকি আর মধুরাকে ছেড়ে দিল।

    মধুরা থানা থেকে বেরোল রাত একটার সময়। গাড়িতে ওঠার আগে গুরুপদ ডেকে বলল, “তোর পিছনে যারা লেগেছে তারা খুব পাওয়ারফুল। ভাল পলিটিকাল কানেকশান আছে। তোকে ওরা সহজে ছাড়বে না।”

    “আমার আর কী ক্ষতি করবে বলতে পারো? পান্‌চের এক্সটিরিয়র আর ইন্টিরিয়র ভেঙে তছনছ করে দিয়েছে। ওই জায়গা নতুন করে সাজাতে আমার যা টাকা লাগবে, সেটা খরচ করার পরে আমার কাছে লিকুইড ক্যাশ কিছুই থাকবে না। সুনাম যেটুকু অর্জন করেছিলাম, সেটা জলাঞ্জলি গেল। আমি নিয়ারলি ফিনিশড।”

    “নিয়ারলি ফিনিশড মধু। পুরোপুরি নয়। পান্‌চ এখনও বেঁচে আছে। নেহা পারেখের সেটা পছন্দ নয়। আমি ভেতরের খবর বলছি। কলকাতা কর্পোরেশান থেকে শীল ম্যানশনকে অতীতে কনডেম্‌ড বিল্ডিং হিসেবে ডিক্লেয়ার করা হয়েছিল। বিল্ডিং ডেমলিশ করে নতুন মালটিস্টোরিড তোলার প্ল্যান তলায় তলায় চলছে। যেহেতু বিল্ডিংটা কনডেম্‌ড, তা এই প্রসেসটা পারফেক্টলি লিগাল। ওরা খুব ফাস্ট এগোচ্ছে।”

    মধুরা দাঁতে দাঁত চিপে বলল, “আমি এত সহজে জমি ছাড়ব না। লড়াই যখন শুরু হয়েছে তখন এর শেষ দেখব।”

    ডুঙ্গার আর মিস জোনাকিকে শীল ম্যানশনে ছেড়ে দিয়ে ভৌমিক ভবনে পৌঁছতে রাত তিনটে। মনোহর, যুথিকা, কৃশানু, দিয়া সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে। জেগে বসে রয়েছে সবিতা। মধুরাকে বাড়ি ঢুকতে দেখে বলল, “কিছু খাবে?”

    টক করে একটা ঘুমের ওষুধ গলায় ফেলে মধুরা বলে, “কাল সকালে ঘুম থেকে তুলবে না”

    সকাল দশটার সময় ঘুম থেকে উঠে দোতলায় নেমে মধুরা দেখে মনোহর আর যূথিকা টিভি দেখছে। জবরখবর চ্যানেলে মধুরার সাংবাদিককে চড় মারার ভিডিয়োটা বারবার দেখাচ্ছে। মিছিলের ভিডিয়োটাও বারবার দেখাচ্ছে। অথচ পান্‌চ ভাংচুরের কোনও ভিডিয়ো নেই। পান্‌চের দেওয়ালে লেখা অশ্লীল শব্দগুলো নেই।

    মধুরাকে দেখে টিভি অফ করে দিল মনোহর। মধুরা খবরের কাগজ হাতে নিল।

    বাংলা কাগজ দেখে মধুরার চোখ কপালে উঠল। কলকাতার পাতার প্রধান ছবিতে দেখা যাচ্ছে, মুখে ওড়না আর রুমাল চাপা দিয়ে ছেলেমেয়েরা প্রিজন ভ্যানে উঠছে। ব্যাকগ্রাউন্ডে পান্‌চের নাম জ্বলজ্বল করছে। খবরে চোখ রাখে মধুরা।

    রেস্তোরাঁয় মধুচক্র।

    নিজস্ব সংবাদদাতা: মধ্য কলকাতার একটি রেস্তোরাঁর পার্কিং লট থেকে দশজোড়া ছেলেমেয়েকে গ্রেফতার করল পার্ক স্ট্রিট থানার পুলিশ। লং স্ট্রিটের শীল ম্যানশনে মাত্র একমাস আগে ফিউশান ফুডের রেস্তোরাঁটি চালু হয়েছে। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অফিসার গুরুপদ দত্তের নেতৃত্বে পার্ক স্ট্রিট থানা পুলিশি অভিযান চালিয়ে মধুচক্রের সদস্যদের গ্রেফতার করে। রেস্তোরাঁর মালিকরা জানিয়েছেন, মধুচক্রের বিষয়ে তাঁরা কিছু জানতেন না। মালিকরা বেল পেয়ে গেলেও পুলিশ রেস্তোঁরাটি সিল করে দিয়েছে।

    ওই এলাকার অন্যতম প্রধান রেস্তোরাঁ লেমনগ্রাসের কর্ণধার নেহা পারেখ অভিযোগ করেছেন যে উদ্বোধনের দিন থেকেই ওখানে অসামাজিক কাজকর্ম চলত। রাত বাড়লে মাতাল, যৌনকর্মী ও বাইকবাহিনীর দাপটে রাস্তা দিয়ে হাঁটা যেত না। স্থানীয় মানুষের অভিযোগ পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হচ্ছে। এলাকার প্রবীণ বাসিন্দারা বলছেন, শীল ম্যানশনের মালিক এবং তাঁর সঙ্গিনী মিলে বহুদিন ধরেই বাড়িতে মধুচক্রের আসর বসাতেন। রেস্তোরাঁ খুলে তাঁরা দেহব্যাবসাকে আরও আধুনিক করতে চাইছেন। এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা কোনও মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছেন।

    মধুরা নিঃশব্দে ব্রেকফাস্ট শেষ করে গাড়ি নিয়ে বেরোল। গন্তব্য শীল ম্যানশন। অশোক আর সৌমেন আসবে।

    লং স্ট্রিটে গাড়ি রেখে সময় দেখল মধুরা। কাল রাতে ঘুমের ওষুধ খাওয়া সত্ত্বেও ভাল ঘুম হয়নি। বেশ টায়ার্ড লাগছে। গাড়ি থেকে নামার আগে সানগ্লাস গলায় মধুরা। এদিক ওদিক দেখতে সুবিধে হবে।

    রাস্তায় লোকজন নেই। দোকানপাটও বন্ধ। মাত্র কয়েকঘন্টা আগে এত বড় একটা ঘটনা ঘটে গেছে বলে মনেই হচ্ছে না।

    পান্‌চের পার্কিং লটে চেয়ার পেতে বসে পূজা, বিনয়, সার্ভিস স্টাফ আর বাউন্সাররা গজল্লা করছে। মধুরাকে দেখে সবাই একসঙ্গে উঠে দাঁড়াল। পূজা এগিয়ে এসে বলল, “ম্যাডাম, আমাদের কী হবে?”

    মধুরা এই প্রশ্নের উত্তর জানে না। অপ্রস্তুত হেসে বলল, “তোমরা বোসো। দেখছি, কী করা যায়!”

    শীল ম্যানশনের দোতলার হলঘরে অশোক, মিস জোনাকি, ডুঙ্গার আর সৌমেন বসে রয়েছে।

    মধুরাকে দেখে মিস জোনাকি বলল, “বোস। তোর জন্যে চা নিয়ে আসি।”

    “চা পরে হলেও চলবে।” চেয়ারে বসে বলে মধুরা, “আমি আগে একটা জিনিসের উত্তর চাই। পান্‌চে এত সেক্স ওয়ার্কার ঢুকল কী করে?”

    জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে ডুঙ্গার বলল, “মধু এই অভিযোগটা করবে আমি জানতাম। ও ফিনান্সার। ওর টাকা নিয়ে ব্যবসায় আমি নেমেছি।”

    “আমি আমি করছ কেন?” ডুঙ্গারকে থামায় মিস জোনাকি, “বলো আমরা। আমিও তো সমান দোষে দোষী।”

    অশোক সবাইকে থামিয়ে বলে, “সবার আগে একটা জিনিস জানতে চাই। অংশীদারি ব্যাবসা ডুবে যাওয়ার প্রধান কারণ নিজেদের মধ্যে ঝগড়া। তোমরা আগে ঠিক করো, ‘এফ অ্যান্ড বি প্রাইভেট লিমিটেড’ কোম্পানিটা রাখবে না তুলে দেবে। সেই মতো সৌমেন সিদ্ধান্ত নেবে।”

    “কোম্পানি তুলে দেওয়ার প্রশ্নই নেই। মধুরা ভৌমিক এত সহজে হারতে শেখেনি। আমি শুধু ডুঙ্গার আর মিস জোনাকিকে তাদের দায়িত্বগুলো স্মরণ করিয়ে দিলাম।” কড়া গলায় বলে মধুরা।

    ডুঙ্গার মধুরার দিকে আড়চোখে তাকাল। তার চোখে ঝিলমিল করছে হাসি। মিস জোনাকি বলল, “এই বুড়োবুড়ি দুটোকে অনেক বকেছিস। এবার চুপ কর।”

    সৌমেন বলল, “তা হলে ‘এফ অ্যান্ড বি’ কোম্পানি থাকছে। পরের অ্যাজেন্ডা, জোনাকিদি আমাদের চা খাওয়াবে।”

    মিস জোনাকি রান্নাঘরের দিকে এগোল। সৌমেন বলল, “তৃতীয় অ্যাজেন্ডা, বাবুলাল। এটা খুব ক্লিয়ারলি বুঝতে হবে যে গতকালের ঘটনার জন্যে দায়ী বাবুলাল। কিন্তু পুলিশ ওকে নিয়ে বদার্‌ড নয়। ওকে ইনভল্‌ভ করাতে হলে তোমাদের ওর এগেনস্টে মামলা করতে হবে। তোমরা কি সেটা চাও?”

    “না।” একসঙ্গে বলে মধুরা আর ডুঙ্গার।

    সৌমেন বলল, “চার নম্বর অ্যাজেন্ডা, শীল ম্যানশন। এই নিয়ে ডুঙ্গারবাবুর সঙ্গে আমার কথা আছে।”

    মিস জোনাকি ট্রেতে পাঁচকাপ চা নিয়ে এসেছে। অশোক মিস জোনাকির হাত থেকে ট্রে নিয়ে টেবিলে রাখল। সবার হাতে চায়ের কাপ তুলে দিয়ে, নিজের কাপ নিল। সৌমেন সড়াৎ করে কাপে চুমুক দিয়ে বলল, “কর্পোরেশান থেকে এই বাড়িকে অতীতে তিনবার কনডেম্‌ড ডিক্লেয়ার করে নোটিশ জারি করেছে। তাই তো ডুঙ্গারবাবু?”

    চায়ে চুমুক দিয়ে ডুঙ্গার বলল, “কর্পোরেশানের কাজ নোটিশ দেওয়া। সে নোটিশ দিয়েছে। আমার কাজ নোটিশ ছিঁড়ে ফেলা। আমি তাই করেছি।”

    ডুঙ্গারের কথা শুনে মধুরা খচে লাল। চায়ের কাপ ঠকাত করে টেবিলে রেখে বলল, “গাঁটে গাঁটে রজতজয়ন্তী হয়ে গেছে, বয়সের গাছপাথর নেই, এখনও বদমায়েশি গেল না? কোম্পানি খোলার আগে এইসব কেচ্ছার কথা আমায় বলোনি কেন?”

    “তা হলে তুই রাজি হতিস না!” ফিচেল হেসে বলে ডুঙ্গার। মধুরা পরিষ্কার বুঝতে পারে, কম বয়সে এই ‘গুডলুকিং রাস্কাল’ ইমেজ দিয়েই মেয়ে পটাত লোকটা!

    সৌমেন মন দিয়ে ঝগড়া শুনছিল। বলল, “পার্টনারদের মধ্যে ইউনিটি থাকলে আমরা আর একটু এগোতে পারি।”

    মধুরা চুপচাপ চায়ে চুমুক দিল। ডুঙ্গার সৌমেনকে বলল, “এগোও।”

    “আমার ধারণা, নেহা পারেখ খুব শিগ্‌গির ঠিকঠাক জায়গায় ফুল বেলপাতা দেবে। কনডেম্‌ড বিল্ডিং ভাঙার জন্যে চার নম্বর নোটিশটা তাড়াতাড়ি বেরোবে। চাই কী, পে লোডার নিয়ে ডেমলিশন টিমও হাজির হয়ে যেতে পারে।”

    মধুরা বলল, “যদি সিচুয়েশান এতটা গ্রেভ বলে মনে হয়, তা হলে আমরা আদালতে আবেদন করে স্টে অর্ডার বার করতে পারি।”

    “স্টে অর্ডার বার করাই যায়,” মধুরার দিকে তাকিয়ে বলে সৌমেন, “কিন্তু ইট্‌স আ লং লিগাল প্রসেস। রেস্তোরাঁটা অন্য কোথাও শিফ্‌ট করা যায় না?”

    “প্রশ্নই নেই,” সৌমেনের প্রস্তাব ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়ে মধুরা বলে, “আমি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে পান্‌চ চালু করব। যত টাকা লাগে লাগুক, যত লোক লাগে লাগুক। আমি, ডুঙ্গার আর মিস জোনাকি এই দিকটা সামলাচ্ছি। আপনি আইনি ঝামেলা সামলান।”

    “তবে তাই হোক,” চায়ে শেষ চুমুক দিয়ে চেয়ার ছেড়ে ওঠে সৌমেন। অশোককে বলে, “আমার এই সব কথা বলা সাজে না, তাও বলছি। শীল ম্যানশনের বাইরে সিকিয়োরিটি রাখলে ভাল হয়। আবার যদি এখান থেকে কয়েক জোড়া ছেলেমেয়ে ধরা পড়ে, তা হলে এই বাড়ির জন্যে আর কিছু করা যাবে না।”

    সৌমেনের কথায় যুক্তি আছে। মধুরা বলল, “এখানে পুলিশ পোস্টিং-এর জন্যে পার্ক স্ট্রিট থানায় বলতে পারি।”

    “পুলিশকে বলে কিছু হবে না। ওরা ক’দিন পাহারা দেবে?”

    “আমরা যদি নিজেরা পাহারা দিই?” মিস জোনাকি প্রস্তাব দেয়, “দিনের বেলা কোনও সমস্যা নেই। রাতের বেলা দু’জন দু’জন করে জেগে থাকলেই হল। আমাদের স্টাফেদের এখন কোনও কাজ নেই। ওরা রাজি হয়ে যাবে।”

    ডুঙ্গার ভুরু কুঁচকে বলল, “এর মধ্যে স্টাফেদের ঢোকানো কি ঠিক হবে? একজন স্টাফ তো বারোটা বাজিয়ে চলে গেল।”

    আপত্তি করে মিস জোনাকি, “ওরা না করলে কে করবে? তুমি?”

    মধুরা চেয়ার থেকে উঠে জানলা দিয়ে বাইরে তাকাল। পান্‌চের পার্কিং লটে চেয়ার পেতে বসে ছেলেমেয়েগুলো এইদিকে তাকিয়ে রয়েছে।

    রান্না করা মধুরার প্যাশন। প্যাশন পেশায় বদলে গেছে। এখন সে ব্যবসায়ী। নিজে রোজগার করার পাশাপাশি অন্য অনেকের রুটিরুজির দায়িত্ব ঘাড়ে নিয়েছে। কাস্টমারদের মুখে অন্ন তুলে দিতে গিয়ে কর্মচারীদের অন্নদাত্রী হয়ে গেছে। অন্নপূর্ণার ঝুলি কখনও শূন্য থাকে না। এদের পাতে খাবার তুলে দেওয়ার দায়িত্ব তার ঘাড়ে। ধার করে হলেও সে পান্‌চ চালু করবে। মধুরা ডুঙ্গারের হাত ধরে বলল, “চিন আপ ডার্লিং! সব ঠিক হয়ে যাবে।”

    মধুরার হাত নিজের মুঠোয় নিয়ে ডুঙ্গার বলে, “লাইফটা রূপকথা নয় ডার্লিং! ফারদার খরচ করার আগে ভেবে দেখ!”

    মধুরা কথা না বাড়িয়ে নেমে আসে। সামনে অনেক কাজ।

    *

    কোনও নতুন অ্যাড না দিয়ে, কাউকে ইনভাইট না করে, পুলিশি হানার পনেরো দিনের মাথায় পান্‌চের রিলঞ্চ হল।

    এই দু’সপ্তাহে জলের মতো টাকা খরচা করেছে মধুরা। তার সেভিংস অ্যাকাউন্টে আর মাত্র আশি হাজার টাকা আছে। যত ফিক্সড ডিপোজিট ছিল, সব ভেঙে টাকা তুলেছে। কোথাও আর তার কোনও সেভিংস নেই। প্রথম মাস থেকেই পান্‌চ লাভ না করলে, স্টাফেদের মাইনে দিতে বা ওভারহেড কস্ট মেটাতে মধুরাকে ওই আশি হাজার টাকায় হাত দিতে হবে। তার টেনশান হচ্ছে। পান্‌চ দাঁড়িয়ে যাবে তো?

    ভগবানের কৃপায় প্রথম দিনই বারোজন কাস্টমার হয়েছে। দু’সপ্তাহ আগে এখানে কী হয়েছিল, সেটা নিয়ে কলকাতার খাদ্যরসিকরা বদার্‌ড নয়। অশোক বলছিল, ‘এনি পাবলিসিটি ইজ গুড পাবলিসিটি।’ দেখা যাচ্ছে, কথাটা ঠিক।

    রাতপাহারা নিয়ে স্টাফেরা সিরিয়াস। স্পেশালি বিনয়। সে নিজেই রোস্টার বানিয়েছে। প্রত্যেক স্টাফ সপ্তাহে দু’রাত করে জাগছে। ডুঙ্গারকে রোস্টারের বাইরে রাখা হয়েছিল। কিন্তু সে জোর করে শনিবার রাতে ডিউটি নিয়েছে।

    শনিবার রাতে ডিউটি নেওয়ার কারণ, সেদিন পান্‌চে সবচেয়ে বেশি ভিড় থাকে। সারাদিন কাজ করে সবাই হেদিয়ে যায়। ডুঙ্গারকে একা রাখা যাবে না। বিনয় বলেছে, “আমি স্যারের সঙ্গে থাকব। রাত বারোটা থেকে আড়াইটে অবধি স্যার টেনে দিন। বাকিটা আমি বুঝে নেব।”

    রাতপাহারায় মধুরার ডিউটি শুক্রবার আর মঙ্গলবার। ডিউটির সময় অশোক আসে। দু’জনে গপ্‌পো করতে করতে দিব্যি রাত কেটে যায়।

    দু’সপ্তাহ পরে, শনিবার সন্ধেবেলা মধুরার টেনশান একটু কমল। রোজই কাস্টমার বাড়ছে। দুপুরের দিকে ফিশফিশ আর বিয়ারের বিক্রি মোটামুটি। সন্ধে থেকে ফ্যামিলি গ্যাদারিং শুরু হয়। কলকাতার আপমার্কেট ক্লায়েন্টের মধ্যে পান্‌চের নাম দ্রুত ছড়াচ্ছে। ফেসবুক পেজে কয়েকজন খাদ্যরসিক পান্‌চের ফুড কোয়ালিটি নিয়ে নিয়মিত আলোচনা করে।

    কাল সারারাত জাগতে হয়েছে। আজ সারাদিন হাড়ভাঙা পরিশ্রম করতে হয়েছে। মধুরা বেশ টায়ার্ড। রাত্তির সাড়ে এগারোটার সময় গাড়ি বার করে লেমনগ্রাসের দিকে তাকায় মধুরা। রেস্তোরাঁর বাইরে গাড়ির লাইন। অন্তত চল্লিশজন কাস্টমার খানাপিনায় মত্ত। এই মুহূর্তে পান্‌চে কাস্টমার আছে চারজন। কোথায় লেমনগ্রাস আর কোথায় পান্‌চ! ডেভিডের সঙ্গে গলিয়াথের পাঙ্গা বাইবেলেই সম্ভব। বাস্তবে নয়। নেহা কেন তাকে নিয়ে বদার্ড হচ্ছে?

    লেমনগ্রাস হাইলি রেসপেক্টেড ব্র্যান্ড। সারা ভারত জুড়ে উপস্থিতি। ন্যাশনাল লেভেলে যে কোম্পানি ব্যাবসা করে, তারা বাজারে মনোপলি ধরে রাখার জন্যে এত নীচে নামতে পারে?

    লেমনগ্রাসের বাইরে বিশাল এসইউভির গায়ে হেলান দিয়ে নেহা মোবাইলে কথা বলছে। নেহার পাশে এসে গাড়ি আস্তে করে মধুরা। জানলার কাচ নামিয়ে বলে, “হাই নেহা!”

    ঘাড়ের কাছে কথা বলায় নেহা ভয়ের চোটে লাফিয়ে উঠল। হাত থেকে পড়ে গেল দামি ট্যাবলেট। সেটা কুড়োতে গিয়ে দাঁতের ফাঁকে বলল, “বিচ!”

    মুহূর্তের মধ্যে মধুরার মেজাজ গরম! গাড়ি থেকে নেমে নেহার সামনে দাঁড়িয়ে বলল, “বিচ বললে কেন? ভদ্রতা জানো না?”

    “ভদ্রতা কা মতলব কেয়া হোতা হ্যায়?” সরু চোখে মধুরার দিকে তাকিয়ে রয়েছে নেহা, “আই অ্যাম রানিং আ বিজনেস। ডোন্ট এক্সপেক্ট মি টু বি ‘ভদ্র’ উইথ মাই কম্পিটিটার। ইট মে বি হসপিটালিটি বিজনেস, বাট ইট্‌স বেসিক্যালি ওয়ার। দেয়ার উইল বি লট্‌স অফ কেচাপ অন দ্য রোড।”

    মধুরা একবার ভাবল নেহার গালে ঠাস করে থাপ্পড় কষায়। কিন্তু নিজেকে সামলে নিল। উৎপলের গায়ে হাত তুলে যথেষ্ট কেলেংকারি বাঁধিয়েছে। আর বাড়াবাড়ি করা ঠিক নয়। তবে ‘বিচ’ বলার শোধ তো নিতেই হয়। নেহার চোখে চোখ রেখে, নিখাদ বাংলায়, মা-বাপ তুলে কাঁচা খিস্তি করল মধুরা। শুনে নেহা প্রথমে ভেবলে গেল। তারপরে মুখ লাল করে বলল, “হাউ ডেয়ার ইয়ু…”

    “চুপ কর কুত্তি! আর একটা কথা বললে মারব পাছায় তিন লাথ!” গর্জন করে মধুরা। নেহা ভয়ের চোটে লেমনগ্রাসের দিকে দৌড়োয়। মধুরা ফুরফুরে মেজাজে গাড়িতে ওঠে।

    ভৌমিক ভবনের সবাই খেয়েদেয়ে শুয়ে পড়েছে। মধুরা স্নান আর ডিনার সেরে শুতে যাবে, এমন সময় মোবাইলের কলকলানি। মোবাইলের স্ক্রিন চেনা নম্বর দেখাচ্ছে। হাই চ্যানেলের একজিকিউটিভ প্রোডিউসার এলিজাবেথের নম্বর। ফোন কানে দিয়ে মধুরা বলে, “হাই লিজ!”

    “হ্যালো মধু, তোমার ওখানে এখন রাত একটা। বিরক্ত করলাম না তো?”

    “না না! আমি দেরি করে শুই। বলো।”

    “মেল্টিং পট সিজ্‌ন ওয়ানের ফেয়ারওয়েল ডিনারের সময় তোমাকে বলেছিলাম সিজ্‌ন টুয়ের ক্রিয়েটিভ কনসালট্যান্ট হিসেবে থেকে যেতে। তুমি আমার কথা শুনলে না!”

    মধুরা ভুরু কুঁচকে ভাবছে। এত রাতে খেজুর করতে লিজ ফোন করেনি। জেনুইন দরকারে ফোন করেছে। দরকারটা কী মধুরা জিজ্ঞাসা করবে না। সেটা লিজকেই বলতে হবে। তালে তাল মিলিয়ে মধুরা বলে, “হ্যাঁ… সেই…”

    “আসলে ক্যামেরার সামনে একবার চলে গেলে ক্যামেরার পিছনে আসতে ইচ্ছে করে না। স্টারডম খুব অ্যাডিকটিভ।”

    “সেরকম কিছু না।”

    “কী করছ এখন? ওখানকার টিভিতে শো করছ?”

    “না।” মনো সিলেব্‌লে উত্তর দেয় মধুরা। সে নিজের থেকে কোনও কথা বলবে না। যা বলার, লিজকেই বলতে হবে।

    “কোনও হোটেলে জয়েন করেছ?”

    “না।”

    “কিছুই যখন করছ না, তখন আবার এখানে চলে এসো। আমরা নতুন একটা শো কনসিভ করেছি।”

    “কী শো?”

    “সঞ্জয় কপুরকে মনে আছে?”

    বেশি কথা না বলার শপথ ভেঙে মধুরা বলে, “ইন্ডিয়ার এক নম্বর সেলিব্রিটি শেফকে কেউ ভোলে নাকি?”

    “হাই চ্যানেলের জন্যে একটা নতুন শো কনসিভ করা হয়েছে। নাম, ‘নমস্তে ইন্ডিয়া’। সঞ্জয় ইন্ডিয়ার আঠেরোটা শহরে ঘুরবে। সেখানকার স্ট্রিট ফুড থেকে ফাইভ স্টার হোটেলের খাবার, মিড্‌ল ক্লাস হোম স্টে থেকে রয়্যাল ফ্যামিলির খাবার, সব চেখে দেখবে। তারপর প্রতি এপিসোডে একটা ইন্ডিয়ান ডিশ নিজের স্টাইলে রাঁধবে।”

    “ফ্যাব আইডিয়া! ফ্যাব! এ তোমার আইডিয়া লিজ। আমি শিয়োর, তোমার!”

    “এটা হাই-এর কনসেপ্ট। আমরা সঞ্জয়ের কো-হোস্ট হিসেবে তোমাকে ভেবেছি। ইন্ডিয়ান অরিজিন হিসেবে তোমাকে রিসার্চ টিমে রাখা যেতে পারে। তার জন্যে আলাদা সম্মানদক্ষিণা আছে।”

    মুহূর্তের জন্য মধুরার মাথা দুলে ওঠে। চুলের মধ্যে খেলা করে লন্ডনের ভিজে বাতাস। নাকে আসে টিপিক্যাল ব্রিটিশ ব্রেকফাস্টের গন্ধ। আবার সেই দিনে আঠেরো ঘন্টা কাজ! আবার সেই আর্লি মর্নিং মিটিং! আবার সেই লোকেশান হান্টিং! আবার কুড়ি-তিরিশজনের সঙ্গে একবছর ধরে কেরালা, গোয়া, পুনে, মুম্বই, দিল্লি, কলকাতা, যোধপুর, বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদ, চেন্নাই, শ্রীনগর ঘুরে বেড়ানো! আবার শুটিং! আবার রান্না! আবার রিসার্চওয়ার্ক!

    তবে এবার চেনা টার্ফ। এবার সঙ্গী হিসেবে অসম্ভব ভদ্র, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এক শেফ। এত ভাল অপরচুনিটি আর হয় না! মধুরার যে কী এক্সাইটেড লাগছে!

    কাজটা মধুরা নিতেই পারে। টিভিতে তাকে আবার নিয়মিত দেখা গেলে, পান্‌চের ওভারহেড কস্ট মেটানো যাবে। ব্যাঙ্ক ব্যালান্সে হাত পড়বে না।

    পরমুহূর্তে মনে হয়, এখন সে মাইনে পায় না, মাইনে দেয়। এখন সে মাস পয়লার দিকে তাকিয়ে থাকে না। মাস পয়লায় অন্য লোকেরা তার দিকে তাকিয়ে থাকে। এখন সে আর চাকুরিজীবী নয়। এখন সে ব্যবসায়ী। এখন তার পক্ষে আর অন্য কিছু করা সম্ভব নয়। মধুরা ঠান্ডা মাথায় কথা সাজায়। “আমি গর্বিত যে হাই আবার আমার কথা ভেবেছে। কিন্তু এই মুহূর্তে আমি অন্য একটা প্রজেক্ট নিয়ে ব্যস্ত। আমার পক্ষে সময় বার করা সম্ভব নয়।”

    লিজ চুপ। মধুরা বলল, “লিজ, তুমি আমার কথা শুনতে পেলে?”

    “শুনেছি মধু। তুমি কী নিয়ে ব্যস্ত জানতে পারি?”

    “আমি কলকাতায় একটা রেস্তোরাঁ খুলেছি। মাত্র একমাস বয়স আমার বেবির। একে ছেড়ে অন্য কিছু করা আমার পক্ষে সম্ভব নয় লিজ!”

    “থ্যাঙ্কস ফর বিয়িং অনেস্ট।” হালকা হাসে লিজ, “আমাদের কোম্পানির পলিসি হল, যদি আমাদের আমন্ত্রণ কেউ রিফিউজ করে, তা হলে ভবিষ্যতে কখনও, মাইন্ড ইট, কখনও, তাকে ডাকা হয় না। পলিসি তোমাকে জানিয়ে দিলাম। এবার ফাইনাল উত্তর দাও।”

    “ফাইনাল উত্তর আমার দেওয়া হয়ে গেছে লিজ। আমার প্রায়রিটি বদলে গেছে। আমি আর টিভির কুকারি শোয়ের হোস্ট হতে চাই না। আমি সাকসেসফুল রেস্তোরাঁ চালিয়ে মানুষকে ভালমন্দ খাওয়াতে চাই।”

    “আমি তোমার সাফল্য কামনা করি। টেক কেয়ার। বাই!” লিজ লাইন কেটে দিল। মধুরা ঘুমিয়ে পড়ার আগে মোবাইল সায়লেন্ট মোডে পাঠাল। আবার যদি রাত্তিরে কারও ফোন আসে! ভীষণ টায়ার্ড লাগছে।

    মধুরা জানেও না, সে কত বড় ভুল করল!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্পাই মেয়ে – মার্থা ম্যাককেনা
    Next Article শেষ নাহি যে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    Related Articles

    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    অপারেশন ওয়ারিস্তান – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    শেষ নাহি যে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }