Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মধুরেণ – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    ইন্দ্রনীল সান্যাল এক পাতা গল্প249 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মধুরেণ – ১৩

    ১৩

    সকাল সাতটার সময়ে মনোহরের চিৎকারে ঘুম ভাল মধুরার। “ওরে মধু, দরজা খোল। সব্বনাশ হয়ে গেছে!”

    কী হল রে বাবা! ঘুম থেকে উঠে চোখ কচলাতে কচলাতে মোবাইল হাতে নেয় মধুরা। মোবাইলের পরদা বলছে ‘ফিফটি মিস্‌ড কল্‌স!’

    পঞ্চাশটা মিস্‌ড কল? এক লাফে বিছানা ছাড়ে মধুরা। দরজা খুলে জানতে চায়, “কী হয়েছে?”

    দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে মনোহর কাঁদছে। তার পিছনে দাঁড়িয়ে রয়েছে অশোক। তার কাঁধ ঝোঁকানো। দৃষ্টি মেঝের দিকে। মধুরা জিজ্ঞাসা করল, “কী হয়েছে?”

    “গতকাল রাতে কর্পোরেশানের লোক এসে পে লোডার দিয়ে শীল ম্যানশন গুঁড়িয়ে দিয়েছে! পান্‌চ আর নেই।” চোখ মুছে বলল মনোহর।

    মধুরার মাথা ঘুরছে। নাকি, সে স্থির দাঁড়িয়ে রয়েছে আর পৃথিবী ঘুরছে? মনোহর ঘুরছে, অশোক ঘুরছে, ঘর ঘুরছে। সিঁড়ি উঠে আসছে ওপর দিকে! মধুরা দরজা ধরতে যায়, দরজা দূরে চলে যায়। মধুরা মনোহরকে ধরতে যায়, মনোহর দূরে চলে যায়। তার বদলে মেঝে চলে আসে কাছে, সিঁড়ি চলে আসে কাছে, চৌকাঠ চলে আসে কাছে। মধুরা মেঝেতে মাথা ঠুকে পড়ে যায়।

    মাথা ফেটে ফিনকি দিয়ে রক্ত বেরোচ্ছে। অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার আগের মুহূর্তে মধুরা বলল, “আমি যা-আ-আ-ব!”

    *

    অশোক আর কৃশানু মিলে মধুরাকে উত্তরপাড়ার নার্সিং হোমে ভরতি করেছিল। ডাক্তার আশিস সরকার আর কৃশানু উত্তরপাড়া গভর্নমেন্ট স্কুলে এক ক্লাসে পড়ত। অসুখবিসুখে সে-ই ভরসা।

    অজ্ঞান অবস্থাতেই মধুরার মাথার সিটি স্ক্যান এবং এক্স-রে হয়। রিপোর্ট দেখে আশিস বলেছে মাথায় কিছু হয়নি।

    মধুরার জ্ঞান ফিরল সকাল সাড়ে আটটায়। তখনই অক্সিজেনের মাস্ক খুলে, আইভি চ্যানেলের সুচ বার করে তুলকালাম বাঁধাল। বাধ্য হয়ে আশিস ঘুমের ইনজেকশান দিয়ে বলল, “সাত-আট ঘন্টা এফেক্ট থাকবে। তারপর কী হবে জানি না। মধু খুব স্ট্রেসে রয়েছে।”

    দুপুর আড়াইটেয় ঘুম ভাঙার পরে মধুরাকে আটকানো যায়নি। নিজেই রিস্ক বন্ডে সই করে নার্সিং হোম থেকে ছুটি নিয়েছে। একটাই কথা বিড়বিড় করছে, “আমি যাব… আমি যাব…”

    মনোহর বাধ্য হয়ে বলল, “চল। আমিও তোর সঙ্গে যাব।”

    অশোক ড্রাইভারের আসনে বসল। পিছনের সিটে বাপ-বেটি। জিটি রোড ধরে হাওড়া, ডালহৌসি আর ধর্মতলার জ্যাম পেরিয়ে লং স্ট্রিটে আসতে সময় লাগল পাক্কা দেড়ঘন্টা। সেলুন, জুতোর দোকান, লেমনগ্রাস রেস্তোরাঁ পেরিয়ে গাড়ি দাঁড়াল সিক্সটি নাইন লং স্ট্রিটের সামনে। ঘড়িতে বিকেল চারটে। গাড়ি থেকে নামে মধুরা।

    লং স্ট্রিটের ধারে সারি দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে ডাম্পার। পে-লোডার দিয়ে রাবিশ তুলে ডাম্পারে ফেলা হচ্ছে। ডাম্পারের লাইন টপকে মধুরা দৌড়োল শীল ম্যানশনের পাঁচিলের দিকে।

    ছ’ফুট উঁচু পাঁচিল গায়েব। পাঁচিলের গায়ে গজিয়ে ওঠা পুঁচকে খাবারের দোকানগুলো আর নেই। মধুরার সামনে ফাঁকা মাঠ। এই মাঠেই কি শীল ম্যানশন ছিল? গত রাত পর্যন্ত এখানেই কি ছিল ‘পান্‌চ’ নামের একটা ফিউশান ফুড রেস্তোরাঁ?

    শ’খানেক লেবার মিলে হাতুড়ি পিটিয়ে শীল ম্যানশনের যে ক’টা থাম্বা অবশিষ্ট আছে, তাদের ধুলোয় মিশিয়ে দিচ্ছে। ধুলো-বালি, সিমেন্ট-রাবিশ, চুন-সুরকির গুঁড়োয় বাতাসে মিহি আস্তরণ তৈরি হয়েছে। মায়াবী সেই পরদার আড়ালে, মাঠের ওপরে, হুইলচেয়ারে বসে রয়েছে ডুঙ্গার। নাকে অক্সিজেনের মাস্ক। তার পাশে, মাঠে বসে রয়েছে মিস জোনাকি। মধুরা ধীর পায়ে তাদের দিকে এগোয়।

    “তোকে অনেকবার ফোন করেছিলাম রে!” মাঠ থেকে উঠে শাড়ির ধুলো ঝাড়ছে মিস জোনাকি।

    “জানি,” থাম্বাগুলোর দিকে তাকিয়ে মধুরা আন্দাজ করার চেষ্টা করছে, গাড়িবারান্দা কোথায় ছিল। কোথায় ছিল একতলার হলঘর, যেটাকে সে অনেক খরচ করে অফিসে বদলে দিয়েছিল।

    “স্টাফেরা তোর খোঁজ করছিল। যখন জানল তুই অসুস্থ হয়ে নার্সিং হোমে ভরতি হয়েছিস, তখন সবাই বাড়ি চলে গেল। ওরা আর ফিরবে না।”

    “জানি।” মাঠের দিকে তাকিয়ে মধুরা খুঁজছে কোথায় ছিল ডুঙ্গারের বেডরুম, কোথায় ছিল সিঁড়ি। কোথায় ছিল কার পার্কিং।

    “আমাদের আর কোনও থাকার জায়গা নেই মধু,” মিস জোনাকি কেঁদে ফেলেছে। ডুঙ্গারকে জড়িয়ে ধরে বলছে, “কত্তাবাবু আজ পথের ভিখিরি। খাট-আলমারি, চেয়ার-টেবিল, বিছানা-বালিশ, বাসন-কোসন রাস্তায় পড়ে আছে রে! তুই কেন ফোন ধরলি না? তুই কেন পার্ক স্ট্রিট থানায় ফোন করলি না? তা হলে গুরুপদবাবু এই অত্যাচার বন্ধ করতে পারতেন। আমি আর কত্তাবাবু মিলে কত ঝগড়া করব? ওদের সঙ্গে মিনিমাম কুড়িটা মুশকো বাউন্সার ছিল। আমাদের চ্যাংদোলা করে বাইরে বার করে দিল। সব জিনিসপত্র ওপর থেকে ছুড়ে ছুড়ে নীচে ফেলল। পূজা বেধড়ক মার খেয়েছে। আমিও খেয়েছি। এই দ্যাখ!” আঁচল সরিয়ে পিঠ দেখাচ্ছে মিস জোনাকি। সেখানে লাঠির দাগড়া দাগড়া ছাপ।

    ফাঁকা মাঠ থেকে মধুরা তুলে নিয়েছে একটা নুনদানি। গেরুয়া আর ফুশিয়া রঙে রাঙানো নুনদানি দেখতে দেখতে সে বলল, “বিনয় কোথায়? ওর গত রাতে ডিউটি ছিল।”

    “বিনয়?” ডুঙ্গারের দিকে তাকিয়ে বলে মিস জোনাকি, “ওকে রাতে আর দেখিনি তো!”

    দীর্ঘশ্বাস ফেলে মধুরা বলে, “তোমরা আমার গাড়িতে ওঠো। আপাতত ভৌমিক ভবনে চলো। তারপর দেখছি, কী করা যায়।”

    “আমি যাব না।” অক্সিজেন মাস্কের আড়াল থেকে ঘড়ঘড়ে গলায় ডুঙ্গার বলল, “আমি আমার বাড়ি ছেড়ে কোত্থাও যাব না।”

    “বাড়ি আর নেই কত্তাবাবু,” মিস জোনাকি বোঝানোর চেষ্টা করে।

    “জমিটা তো আছে। এই জমি আমার নামে। এখান থেকে কেউ আমাকে উৎখাত করতে পারবে না!”

    মধুরা ডুঙ্গারের হুইলচেয়ার ঠেলে গাড়ি পর্যন্ত নিয়ে এল। অশোক ডুঙ্গারকে ধরে গাড়ির পিছনের সিটে বসাল। নিজে ড্রাইভারের সিটে বসে বলল, “মধু, তোমার বাবা এখানে রয়ে গেলেন। আমি একটা লরির ব্যবস্থা করেছি। লরিতে সব মাল তুলে দিয়ে, লরিতেই ফিরবেন।” মিস জোনাকি বসল পিছনের সিটে। মধুরা অশোকের পাশে।

    গাড়ি চলছে। সব কাচ তোলা। এসি চলছে। ডুঙ্গারের হাঁপের টান বাড়ছে। অক্সিজেনের নল মুখে ঢুকিয়ে সে শোঁ শোঁ করে শ্বাস নিচ্ছে। মিস জোনাকি ডুকরে কেঁদে ওঠে। “আমাদের কী হবে মধুরা?”

    মধুরা চুপ। উত্তরটা সেও জানে না।

    *

    ভৌমিক ভবনের একতলায় মিস জোনাকি আর ডুঙ্গার থাকছে, সে প্রায় পনেরো দিন হয়ে গেল। ডুঙ্গার অবশ্য এক সপ্তাহ পরে এসেছে। শ্বাসকষ্টের জন্যে তাকে নার্সিং হোমে ভরতি করতে হয়েছিল।

    অ্যাজমার পেশেন্ট একটানা কয়েক ঘন্টা খোলা আকাশের নীচে, চাপ চাপ ধুলো আর রাবিশের মধ্যে বসেছিল। বাড়াবাড়ি তো হবেই! বুকে কফ বসে, ইনফেকশান হয়ে, প্রবল শ্বাসকষ্ট। ধীরে ধীরে নেতিয়ে পড়ছিল ডুঙ্গার। আশিসের চিকিৎসায় সাতদিনের মাথায় খাড়া হল। এখন অসম্ভব দুর্বল। দিনরাত ঝিমোচ্ছে। কাউকে চিনতে পারছে না।

    ডুঙ্গারের ছুটির দিন মধুরা গিয়েছিল। ক্যাশ কাউন্টারে পেমেন্ট করতে গিয়ে দেখল, বিল হয়েছে বারো হাজার টাকা।

    আশিসকে ধন্যবাদ জানানোর জন্য চেম্বারে ছুটেছিল মধুরা। আশিসের সপাট জবাব, “এলাকার সেলেব্রিটির জন্য এটুকু করতেই হয়। আমার নার্সিং হোমের পাঁচ বছর পূর্তি উপলক্ষে তোকে ডাকব। বিনে পয়সায় অ্যাপিয়ারেন্স দিয়ে যাবি। পারলে নিজের কনট্যাক্ট ইউজ করে দু’-একটা সেলেব্রিটি ধরে আনবি। তখন যদি ভাও খাস, তা হলে দেখবি মজা।”

    মধুরার খুব কান্না পাচ্ছিল। দুনিয়ায় এখনও কিছু ভাল মানুষ রয়ে গেছে তা হলে! সবাই নেহার মতো হয়ে যায়নি!

    ডুঙ্গার বাড়িতে আসার পরে সবাই চুপচাপ। মনোহর বা যূথিকা মুখ খুলছে না। কৃশানু আর দিয়াও নয়। সবিতা অবশ্য বলেছে, “কুটুম আর মাছ তিনদিনের বেশি বাড়িতে থাকলে পচা গন্ধ বেরোয়।”

    এই প্রবাদটা মধুরা জানে। কিন্তু এই দিশেহারা অবস্থায় সে কী করতে পারে?

    মিস জোনাকি রোজ বাড়ি থেকে বেরোচ্ছে। সৌমেনের সঙ্গে হাইকোর্টে দৌড়োদৌড়ি করে শীল ম্যানশন সংক্রান্ত আইনি জটিলতা কাটানোর চেষ্টা করছে। তবে প্রগ্রেস খুব হতাশাজনক। শীল ম্যানশনের মালিকানা সংক্রান্ত কাগজপত্রে এত মারপ্যাঁচ আছে যে সেসব এড়িয়ে ওখানে একটা ইট গাঁথাও সম্ভব নয়।

    ভৌমিক ভবনে আসার পরে ডুঙ্গার যূথিকার হাতে একটা চেক ধরিয়ে বলেছে, “মাথার ওপরের ছাদ হারিয়ে আপনার বাড়িতে ঢুকেছি মানে এই নয় যে আমি ভিখিরি। ভগবানের কৃপায় আমার টাকাপয়সার অভাব কোনও দিনও ছিল না। এখনও নেই। এটা আপনি গ্রহণ করলে যে ক’দিন আপনার আতিথ্যে থাকব, অপরাধবোধহীন হয়ে থাকব।”

    যূথিকা চেকে চোখ বুলিয়ে দেখে, টাকার পরিমাণ এক লক্ষ। পান চিবিয়ে সে বলে, “দুই বুড়োবুড়ির খাইখরচা এত হয় না। আর আমার বাড়িটা হোটেল নয় যে এখানে ফুডিং-লজিং-এর টাকা নেওয়া হয়। আপনাকে সম্মান করার জন্যে কাগজের টুকরোটা নিলাম। যে দিন নতুন বাসায় যাবেন, ফেরত দিয়ে দেব।”

    “ধন্যবাদ।” হাত জোড় করে ডুঙ্গার। মধুরা ঘরে ঢোকামাত্র তাকে অনুরোধ করে ভাড়া বাড়ি খুঁজে দেওয়ার জন্য।

    ইন্টারনেটের সূত্রে ভাড়ার জন্যে বাড়ি খোঁজার কাজ সোজা হয়ে গেছে। নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে লোকেশান হিসেবে রাজচন্দ্রপুর এবং তার আশেপাশের এরিয়া সিলেক্ট করতে পাঁচজন বাড়িওয়ালার খবর এল। সঙ্গে ফ্ল্যাটের ছবি। মোবাইল ক্যামেরায় তোলা, কিন্তু প্রাথমিক আন্দাজ পাওয়া যায়। পাশে বাড়িওয়ালার মোবাইল নম্বর দেওয়া রয়েছে।

    পাঁচটার মধ্যে তিনটে বাদ হয়ে গেল, কেননা সেগুলো তিন বা চারতলায়। এবং ফ্ল্যাটে লিফ্‌ট নেই। বাকি দুটোর মধ্যে একটায় ফোন করতে জানা গেল যে অলরেডি ভাড়া দেওয়া হয়ে গেছে। যেটা পড়ে আছে, সেটা দেখতে মধুরা আর অশোক বেরিয়েছে।

    ডানকুনি যে এতটা শহর হয়ে গেছে, মধুরার ধারণা ছিল না। একের পর এক ফ্ল্যাট, ঝাঁ চকচকে দোকান আর শোরুমে রাস্তার দু’দিক থিকথিক করছে। বাস, শেয়ারের ট্যাক্সি, অটো, টোটো, ম্যাজিক ট্যাক্সিতে এলাকা সরগরম। তারই মধ্যে লম্বা আর রোগা পাঁচতলা বাড়ির একতলায় ওয়ান বেডরুম ফ্ল্যাট। একপলক দেখে পছন্দ হল মধুরার। এসি এবং ইনভার্টার বসানো আছে। ফার্নিচার নিয়ে আসতে হবে। এগারো মাসের এগ্রিমেন্ট।

    ফেরার পথে অশোক গাড়ি চালাচ্ছে। মধুরা পাশে বসে ভুরু কুঁচকে ভাবছে। অশোক বলল, “কী হল?”

    “আচ্ছা, আমরা কি প্রেম করছি?” মধুরার ভুরু এখনও কুঁচকে রয়েছে।

    “প্রেম করা মানে, অ্যাজ ইন, টু মেক লাভ?”

    “না… আমি ভালবাসার কথা বলছি। মানে, তোমার কি আমাকে না দেখলে মন খারাপ লাগে? মনে হয়, কখন আবার দেখা হবে?”

    “হয় তো। রোজ হয়!”

    “আমার কিন্তু হয় না। কোনও দরকার পড়লে তোমার কথা মনে পড়ে। অন্য সময় আমি পান্‌চ নিয়ে ভাবি, মনে মনে নতুন ডিশ কনসিভ করি, মনে মনে নেহার মুখে ঝামা ঘষে দিই… আই মিন, আগে আমি তোমাকে দেখে খুব এক্সাইটেড হতাম। দিনরাত খারাপ খারাপ চিন্তা আসত। এখন কিছু মনে হয় না। আচ্ছা, আমি ফ্রিজিড নই তো?”

    ন্যাশনাল হাইওয়ের একপাশে গাড়ি দাঁড় করিয়ে অশোক বলল, “দাঁড়াও। দেখি, তোমার সমস্যাটা কোন জায়গায়!”

    মধুরা বলল, “একটু চুমুফুমু খাও তো! বুকে হাতফাত দাও। দেখি কেমন লাগে। ভাল না লাগলে সন্নিসি হয়ে হরিদ্বার চলে যাব! উম্‌ম্‌!”

    মধুরার কথা শেষ হল না। অশোকের চাষাড়ে হাত তার কুর্তির ভিতরে ঢুকে গেছে। অশোকের ঠোঁট মধুরার গালে ঘুরপাক খাচ্ছে। গরম শ্বাস পড়ছে গালে, কানে, ঘাড়ে। মধুরা হাঁকপাক করে অশোকের টি শার্ট তুলে রোমশ বুকে মুখ ঘষতে লাগল।

    মিনিট দুয়েক পরে অশোক বলল, “বাস থেকে লোকজন আমাদের দেখছে।”

    অশোক গাড়িতে স্টার্ট দিয়ে বলল, “চলো, তোমার ছাদের ঘরের দরজা বন্ধ করে আড্ডা মারি।”

    “বিয়ের আগে বাবামা বাড়িতে সেক্স অ্যালাও করবে না।”

    “উফ! আমি আড্ডার কথা বলেছি। মেক আউটের কথা বলিনি।”

    ভৌমিক ভবন চলে এসেছে। মধুরা চুল আঁচড়ে, ভব্যিযুক্ত হয়ে গাড়ি থেকে নেমে বলল, “গাড়ি তুলে ভেতরে এসো। দুপুরে খেয়ে যাবে।”

    অশোক গ্যারাজে গাড়ি ঢোকাচ্ছে। মধুরা ডুঙ্গারের ঘরে ঢুকতে গিয়ে মহিলা কন্ঠ শুনতে পেল। “তুমি পারেখ খানদানকে রেকগনাইজ না করলেও আমি তোমাকে দাদু বলে মানি। আমি তোমার কাছে এসেছি, নট অ্যাজ আ পোটেনশিয়াল বায়ার, বাট অ্যাজ ইয়োর গ্র্যান্ডডটার! লং স্ট্রিটের জমিটা তুমি আমাকে বেচে দাও দাদু! আই উইল পে অ্যাকর্ডিং টু দ্য মার্কেট প্রাইস।”

    নেহা পারেখ! সেদিন বলেছিল, “ইট মে বি হসপিটালিটি বিজনেস, বাট ইট্‌স বেসিক্যালি ওয়ার। দেয়ার উইল বি লট্‌স অফ কেচাপ অন দ্য রোড।” আজ সেই কথা সত্যি প্রমাণ করে ছাড়ল। রেস্তোরাঁ ধুলোয় মিশিয়ে শান্তি হয়নি, এখন ইমোশনাল ব্ল্যাকমেল করে জমি কেড়ে নেওয়ার ধান্দা করছে। মধুরা নিশঃব্দে দাঁড়াল। সে শুনতে চায়, নাতনির কথায় ডুঙ্গার কী বলে!

    ডুঙ্গার বলল, “আপনি ওই জমির মার্কেট প্রাইস জানেন?”

    “তুমি আমাকে ‘তুমি’ বলো। আমি তোমার পোতি!” মিষ্টি গলায় বলে নেহা, “আমি মার্কেট প্রাইস জানি দাদু। কিন্তু মুখের কথায় এত বড় ডিল হয় না। তোমার ল ইয়ারের সঙ্গে আমার ল ইয়ার কথা বলবে। বাড়ির ট্যাক্স কত ছিল জানতে হবে। অরিজিনাল পেপার্স দেখতে হবে। কোনও ডিসপিউট আছে কি না স্টাডি করতে হবে। ইট্‌স আ লং প্রসেস।”

    মধুরা আর পারল না। ঘরে ঢুকে নেহাকে বলল, “তুই কাকে বলে আমাদের বাড়ি ঢুকেছিস?”

    মধুরাকে পাত্তা না দিয়ে নেহা বলল, “দাদু, এইরকম শ্যাবি বাড়িতে কেন থাকছ? তুমি তোমার নিজের বাড়ি চলো।”

    “আমার বাড়ি নিয়ে কোনও আজেবাজে কথা শুনতে আমি রাজি নই,” চিৎকার করে মধুরা।

    নেহা আর মধুরার মধ্যে অদৃশ্য এক যুদ্ধক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। সেখানকার বাতাসে বারুদের গন্ধ! সেখানে ঝিকিয়ে উঠছে বিদ্যুৎ। সেখানকার আকাশে কড়কড় করে মেঘ ডাকছে।

    নেহা বলল, “তোর বাবা তো ময়রা! মিষ্টির দোকান চালায়। ডিজিটাল ইন্ডিয়া থেকে তোর চাকরি গিয়েছে। পাঁচফোড়নে তুই আমার কাছে গোহারান হেরেছিস। তোর লাভার তোর বেস্ট ফ্রেন্ডকে বিয়ে করেছে। লন্ডনে তোর কুকারি শোয়ের কেরিয়ার শেষ। তুই জম্ম লুজার! তোকে নিয়ে আমি বদার্ড নই। কিন্তু তুই কেন আমার দাদুর বাড়িতে ব্রথেল খুলেছিস?”

    “ওখানে ব্রথেল খোলার চেষ্টা আমি করিনি। করেছিলি তুই। বাবুলালকে স্পাই হিসেবে ওখানে তুই ঢুকিয়েছিলি। কর্পোরেশানের লোকজনকে হাত করে শীল ম্যানশন ভাঙলি তুই। এখন ডুঙ্গারকে ইমোশনালি ব্ল্যাকমেল করে জমি হাতানোর চেষ্টা করছিস। কিন্তু ডুঙ্গার তোর সঙ্গে যাবে না। আমার বাড়িতেই থাকবে।”

    মধুরার কথা হাত দিয়ে উড়িয়ে নেহা বলল, “দাদু, প্লিজ কাম উইথ মি। আই উইল গিভ ইয়ু প্রপার মেডিকেশান অ্যান্ড গুড নার্সিং কেয়ার।”

    ডুঙ্গার চোখ পিটপিট করে নেহাকে মাপল। বলল, “নেহা, এক্সকিউজ মি, আমি আপনার সঙ্গে যেতে পারি। কিন্তু আমার সঙ্গে থাকবে আমার লিভ ইন পার্টনার মিস জোনাকি। আমরা দু’জনেই মাছ-মাংস খাই, ড্রিঙ্ক করি। ইজ দ্যাট ওকে উইথ ইয়ু?”

    “আপ বঙ্গালি কে তরাহ মিট-মচ্ছি খাতে হ্যায়?” নাক সিঁটকোয় নেহা, “ঘিন নহি লগতা?”

    “আপনি লেমনগ্রাসে ফিশ অ্যান্ড মিট সার্ভ করেন না?” হাঁফাতে হাঁফাতে বলে ডুঙ্গার।

    “দ্যাটস বিজনেস দাদু! ইয়ু ক্যান সেল ড্রাগস, বাট ইয়ু ক্যান্‌ট ডু ইট।”

    ডুঙ্গার কথাটা শুনে ঘাড় নেড়ে বলল, “সরি নেহা, আমি আপনার সঙ্গে একমত হতে পারলাম না। আমি আপনার বাড়িতে মরে গেলেও যেতাম না। জাস্ট দেখছিলাম, আপনি কতটা আনকুথ হতে পারেন। আপনি এখন আসুন। আমার কাজ আছে।”

    প্রবল হাসিতে ফেটে পড়ে নেহা বলে, “কোথা থেকে আমাকে তাড়িয়ে দিচ্ছ? এই বাড়িটা তোমার নয়!”

    মিস জোনাকি এবার মুখ খুলেছে। “যার বাড়িই হোক না কেন, তুমি এখান থেকে যাও।”

    “আয়্যাম নট টেকিং অর্ডার ফ্রম অ্যান ওল্ড হোর!” মিস জোনাকিকে হাতের ইশারায় উড়িয়ে দেয় নেহা, “বাই দ্য ওয়ে দাদু, হোরহাউস বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরে তোমার কোনও কাজ নেই। রেগুলার রামনাম জপ করছ তো?”

    মধুরা আর পারল না। ডুঙ্গারকে জড়িয়ে ধরে বলল, “ডুঙ্গারের অনেক কাজ আছে। আমরা আবার রেস্তোরাঁ খুলছি।”

    এখনও হাসছে নেহা। তর্জনী তুলে বলছে, “হোরহাউস খোল, মিষ্টির দোকান দে, তেলেভাজা বিক্রি কর… আই কেয়ার আ ড্যাম! শুধু একটা কথা! কলকাতা শহরের ত্রিসীমানায় যেন না দেখি!”

    “মানে?” চিৎকার করে ওঠে মধুরা।

    “চ্যাঁচাবি না!” চাপা গলায় বলে নেহা, “দাদুর প্রপার্টি আমি নেবই। বাই হুক ওর বাই ক্রুক! বঙ্গালিরা কলকাতার জমিবাড়ি বেচে দিয়ে হাওড়া, হুগলি, মেদিনীপুরে পালিয়ে গেছে। এবার সেখান থেকেও উৎখাত করব। কেউ কিস্‌সু করতে পারবে না।”

    যূথিকা আর মনোহর নীচে নেমে এসেছে। গাড়ি গ্যারাজে ঢুকিয়ে চলে এসেছে অশোক। সে দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে রয়েছে। নেহার সাহস দেখে অবাক হয়ে যায় মধুরা। একটা থাপ্পড় কষালেই তো উলটে পড়বে।

    রাস্তার দিকে চোখ গেল মধুরার। নেহার এসইউভির পাশে একটা জিপ। জিপ ভরতি গুন্ডা টাইপের ছেলে। এত দূর থেকেও বোঝা যাচ্ছে, ওরা গান ক্যারি করছে।

    নেহা মধুরার থুতনি নেড়ে বলল, “কলকত্তা আর বঙ্গালিদের নেই। কথাটা ভুলিস না। যদি মনে করি, তা হলে তোর বাড়িটা কিনে নিয়ে এখানেই লেমনগ্রাসের ব্রাঞ্চ খুলব। শুধু চাকরবাকরদের আমরা কলকাতায় অ্যালাও করছি। ডোন্ট ট্রাই টু বি মোর দ্যান আ সারভ্যান্ট। জিপের দিকে তাকা। তোর চেনা দু’জনকে দেখতে পাবি।”

    মধুরা রাস্তার দিকে তাকায়। জিপে অনেকের সঙ্গে বসে রয়েছে বাবুলাল আর বিনয়। মধুরাকে দেখে দু’জনে মুখ নামিয়ে নিল।

    “অবাক হোস না,” শয়তানি হাসি হাসে নেহা, “বঙ্গালিরা একটা কাজ খুব ভাল পারে। দালালি করতে। বিনয় আর বাবুলালকে হোরহাউসে প্লান্ট করেছিলাম স্পায়িং করতে। দে আর সাকসেসফুল। ওরা এখন লেমনগ্রাসে চাকরি করে। তুই চাইলে তোকেও লেমনগ্রাসের চাকরের কাজ দিতে পারি। করবি?”

    মধুরার চোখে জল। অপমানে মাথা ঝাঁঝাঁ করছে। অপমানের জ্বালা বুকে লঙ্কাবাটা ঘষে দিচ্ছে। হেরো মধুরা, লুজার মধুরা, ব্যাবসা করতে ব্যর্থ মধুরা, কলকাতা থেকে বিতাড়িত মধুরা কোনওরকমে বলল, “গেট লস্ট!”

    নেহা বেরিয়ে যাওয়ার আগে যূথিকাকে বলল, “আন্টি নমস্কার। ভাল আছেন?”

    যূথিকা নেহাকে আপাদমস্তক মেপে বলল, “তুমি কে বাছা? এক গাড়ি ব্যাটাছেলে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছ!”

    “ওরা আমার চাকরবাকর। সঙ্গে থাকে। আপনি চাইলে আপনার মেয়েকেও নিতে পারি। বাই।” তিনধাপ সিঁড়ি টপকে নেমে রাস্তায় নেমে এসইউভিতে উঠে বসল নেহা। এসইউভি আর জিপ রাজচন্দ্রপুরের রাস্তায় ধুলো উড়িয়ে চলে গেল।

    যূথিকা খোঁড়াতে খোঁড়াতে ঘরে ঢুকে ডুঙ্গারকে বলল, “আপনি কেমন ব্যাটাছেলে? নাতনির কানের গোড়ায় থাবড়া কষাতে পারলেন না?”

    ডুঙ্গার মাথা নিচু করে বলল, “বয়স থাকলে মারতাম। এখন রামনাম জপ করার সময়। এখন যাওয়ার সময়। নাতনি এসে শিখিয়ে গেল।”

    মিস জোনাকি বলল, “মেয়েটা আমাদের রেস্তোরাঁ ভেঙে দিয়েছে। আমাদের বাড়ি ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছে। এখন আপনার বাড়িতে এসে আপনার মেয়েকে হুমকি দিচ্ছে। সে কিছু বলার সাহস পাচ্ছে না। আমরা কোন ছার!”

    “তুই দু’ঘা দিলি না কেন?” মধুরার হাত চেপে ধরেছে যূথিকা।

    মধুরা বিরক্ত হয়ে বলল, “মা, নেহা এক গাড়ি গুন্ডা নিয়ে এসেছিল। গুলিফুলি চালিয়ে দিলে কী হত?”

    “আমার পাড়ার লোক নেই? থানাপুলিশ নেই? গুলি চালানো অতই সোজা?”

    “তোমার পাড়া আর আগের মতো নেই মা। তোমার বাংলাও আর আগের মতো নেই। শুনলে তো, বলে গেল যে এই বাড়িটাও কিনে নেবে,” যূথিকার কাঁধে হাত দিয়ে মধুরা বলে, “ডানকুনিতে এক কামরার ফ্ল্যাট দেখে এসেছি। ওখানে ডুঙ্গার আর মিস জোনাকিকে শিফ্‌ট করে দিচ্ছি। তারপর আমি কোনও একটা চাকরিতে জয়েন করে যাব। রোজ এই টেনশান আর অপমান আমি জাস্ট নিতে পারছি না।”

    যূথিকা কেঁদে ফেলেছে। আঁচলে চোখ মুছে ডুঙ্গারকে বলল, “আমাকে কেউ অপমান করলে সাতদিন ঘুম হয় না। আর আমার মেয়েটাকে ঘরে বাইরে রোজ হাজার অপমান সহ্য করতে হচ্ছে। কেন? না সে লোককে খাওয়াতে ভালবাসে। সে একটা রেস্তোরাঁ খুলতে চায়। দেখি কে ওকে আটকায়!”

    অশোক এতক্ষণ কোনও কথা বলেনি। সে এবার বলল, “কাকিমা, রেস্তোরাঁ খোলা অত সহজ নয়। জায়গা লাগে, ক্যাপিটাল লাগে, ম্যানপাওয়ার লাগে।”

    যূথিকা বলল, “জায়গা আমি দেব। বাবা মারা যাওয়ার পরে কোলাঘাটের ভাইভাই রেস্তোরাঁর অর্ধেক শেয়ার আমার নামে। আমার অংশ আমি মধুরাকে লিখে দেব। তুমি উকিল ডাকো।”

    মনোহর অবাক হয়ে বলল, “মধু কোলাঘাটে রেস্তোরাঁ খুলবে? তুমি কি পাগল হলে?”

    যূথিকা চিৎকার করে বলল, “ওই মেয়েটা যখন শাসিয়ে গেল যে কলকাতায় ঢুকলে ঠ্যাং খোঁড়া করে দেবে তখন রা কাড়োনি। এখন একটাও কথা বলবে না। এখন থেকে আমি যা বলব, তাই হবে। ডুঙ্গারবাবু আমাকে একলাখ টাকার যে চেকটা দিয়েছে, ওটা আমি ফেরত দিচ্ছি। ওই টাকায় তোরা ভাইভাই ধাবাকে বড় কর।”

    “মা, তুমি কি পাগল হয়ে গেলে?” যূথিকাকে ধমক দেয় মধুরা।

    যূথিকা ঠান্ডা গলায় বলে, “সারা জীবন তোর পাগলামি মাথা পেতে নিয়েছি। এবার আমার পাগলামি সহ্য করার দিন এসেছে। আমি অর্জুনকে ফোন করে দিচ্ছি। তোরা আগামীকাল রওনা হয়ে যা। উকিলের কাগজ পরে পৌঁছবে।”

    মধুরা বলল, “তুমি আমাকে বাড়ি থেকে বার করে দিচ্ছ?”

    “হ্যাঁ। দিচ্ছি। পরের ধনে পোদ্দারি অনেক হল। বাবার হোটেলে খেয়ে অনেক ন্যাকামি করা যায়। চাকরি ধরা যায়, চাকরি ছাড়া যায়, বিদেশ যাওয়া যায়, বিদেশ থেকে ফিরে আবার বাবার হোটেলে ওঠা যায়। কিন্তু আজ থেকে বাবার হোটেল বন্ধ। নিজে রোজগার করো। নিজে খাও। পাশাপাশি আমাদের মাসে মাসে টাকা পাঠাও। ঠিক আছে?”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্পাই মেয়ে – মার্থা ম্যাককেনা
    Next Article শেষ নাহি যে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    Related Articles

    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    অপারেশন ওয়ারিস্তান – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    শেষ নাহি যে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }