Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মধুরেণ – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    ইন্দ্রনীল সান্যাল এক পাতা গল্প249 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মধুরেণ – ৩

    ৩

    দুপুরের খাওয়াদাওয়ার পরে খাবার টেবিলে মিটিং বসেছে। মিটিং-এ উপস্থিত মনোহর, যূথিকা, কৃশানু, দিয়া এবং মধুরা। উপস্থিত দুই পুঁচকে এবং সবিতা।

    মধুরা ঘোষণা করল, ‘‘আমি পাকাপাকি ভাবে চলে এসেছি।”

    কৃশানু বলল, “আমি আন্দাজ করেছিলাম। ফেরার টিকিট কাটা নিয়ে তুই যে রকম নাটক করলি…”

    “নাটক মানে?” ফ্যাঁশ করে ওঠে মধুরা। তাকে থামিয়ে যূথিকা বলে, “চলে এলি কেন?”

    “শুটিং শেষ হয়ে গেল বলে চলে এলাম। সিম্পল।”

    “শুটিং তো আবার হবে। হাই চ্যানেলে অ্যাড দিচ্ছে।” বিড়ির ধোঁয়া ছেড়ে বলে মনোহর।

    মধুরা অবাক হয়ে বলে, “মেল্টিং পট, সিজ্‌ন টু-এর অ্যাড দেওয়া শুরু হয়ে গেছে? কবে থেকে?”

    “কাল থেকে। তোর শোয়ের মাঝখানে দেখাল,” বলে মনোহর, “তোকে অবশ্য দেখায়নি। পুরনো দিল্লির পরোটা গলি আর মুম্বইয়ের কোন একটা জায়গা দেখাল। সেখানে শুধু কাবাব রান্না হচ্ছে।”

    “খাবারের কথা বন্ধ করো।” ব্যাজার মুখে বলে যূথিকা, “হ্যাঁরে মধু, তুই চাকরিটা ছেড়ে দিলি কেন?”

    “চাকরি আমি ছাড়িনি মা। আমাকে ছাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। সিজ্‌ন টু-এর জন্য রিচা চাড্‌ঢা নামের একটি মেয়ে সিলেক্টেড হয়েছে।”

    “রিচা না ওঁছা, আমার জেনে কাজ নেই। ওই পোগ্রাম আমি আগেও দেখতাম না, এখনও দেখব না। কিন্তু তোর তো আমও গেল, ছালাও গেল।”

    “মা, কথাটা পোগ্রাম নয়, প্রোগ্রাম,” শুভ্র-র বিয়ের কার্ড জোরে জোরে পড়ে মধুরা।

    “সবিনয় নিবেদন,

    শ্রীমতি মুক্তি ও স্বর্গত বীরেশ্বর দত্ত-র পৌত্র

    ও

    শ্রীমতি মঞ্জুলিকা ও শ্রীগুরুপদ দত্ত-র পুত্র

    শ্রীমান শুভ্র

    এবং

    স্বর্গত ভিক্টর ডি কুনহা ও শ্রীমতি মেরি ডি কুনহা-র কন্যা

    অ্যানির

    শুভ পরিণয় অনুষ্ঠিত হবে।

    এই অনুষ্ঠানে আপনাদের সাদর আমন্ত্রণ জানাই।

    বিবাহ

    ২৭ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার।

    বিবাহবাসর

    প্যারিস হল, কলকাতা।”

    “কার্ডটা সুন্দর করেছে।” বলে দিয়া।

    মধুরা বলে, “খামের ওপরে লেখা রয়েছে, শ্রীমনোহর ভৌমিক ও তাঁর পরিবার। তার মানে কি আমাদের সবাইকে নেমন্তন্ন করেছে? অনেকদিন বাঙালি বিয়ের নেমন্তন্ন খাইনি…”

    “আচ্ছা, তোর খারাপ লাগছে না?” মধুরার পিঠে হাত বুলিয়ে প্রশ্ন করে মনোহর, “ছেলেটা হুট করে অন্য একটা মেয়েকে বিয়ে করছে। তোর সঙ্গে ঝগড়া হয়েছিল?”

    মধুরা সোজা কথাটা সোজা করে বলল, “গত দু’মাস শুভ্র-র সঙ্গে যোগাযোগ ছিল না। তার আগেও যে ছিল, এমনটা নয়।”

    যূথিকা বলে, “আমরা কেউই ওই বিয়েতে যাচ্ছি না।”

    “তোমরা না যেতে পারো, আমি শুভ্র-র বিয়েতে যাবই। কতদিন মাসিমা-মেসোমশাইয়ের সঙ্গে দেখা হয়নি।”

    সবিতা একটা বাচ্চাকে কোলে নিয়ে ঘুম পাড়াচ্ছিল। সে বলল, “তুমি পেগলে গেলে? লাভারের বিয়েতে কেউ যায়?”

    “আহ! সবিতা!” ধমক দেয় যূথিকা, “ওইসব বস্তির ভাষা ভদ্রলোকের বাড়িতে চলবে না।” মধুরাকে বলে, “এখন কী করবি ভেবেছিস?”

    ‘“এখন’ মানে যদি হয় ‘এক্ষুনি’, তবে তার উত্তর হল ঘুমোব। ‘এখন’ মানে যদি হয় ‘আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে’, তা হলে একটা গাড়ি কিনব আর শুভ্র-র বিয়ের নেমন্তন্ন খেতে যাব। আর ‘এখন’ মানে যদি হয় ‘ইন নিয়ার ফিউচার’, তা হলে উত্তর হল, ‘জানি না।’”

    সবিতা গজরগজর করতে লাগল, “বিলেতে এক বছর থেকে আরও বিগড়ে গেছে। আগে শুধু ‘ঘর জ্বালানি’ ছিল। এখন হয়েছে ‘ঘর জ্বালানি, পর ভোলানি’।”

    আলোচনার পরিবেশ বদলাতে মনোহর বলল, “পুঁচকিগুলোর সঙ্গে আলাপ হয়েছে?”

    খাবলা মেরে সবিতার কোল থেকে বাচ্চা নিয়ে নিজের ট্যাঁকে গুঁজে মধুরা বলে, “এটার কী নাম?”

    কৃশানু বলে, “এর নাম অজন্তা।”

    দিয়া অন্য বাচ্চাটাকে দুধ খাওয়াচ্ছে। সে বলে, “অজন্তা আমার কোলে। ইলোরা মধুর কোলে। তুমি নিজের বাচ্চাদের চেনো না?”

    মধুরার হাত থেকে বাচ্চা নিজের কোলে নিয়ে মনোহর বলল, “অত শক্ত নাম রাখলে কেউ মনে রাখতে পারবে না। আমি ওদের যে নাম দিয়েছি, সেগুলো মনে রাখলে বাচ্চা চিনতে অসুবিধে হবে না।”

    যূথিকা প্রতিবাদ করে, “আজকালকার দিনে ওইসব নাম চলে না। ইসকুলের বন্ধুরা প্যাঁক দেবে।”

    যূথিকার কথায় পাত্তা না দিয়ে মনোহর বলে, “এই দ্যাখ। এই মেয়েটার নাকটা দেখে তোর কীসের কথা মনে হচ্ছে?”

    মধুরাকে ভাবতে হল না। শ্যামলা মেয়ের গোল নাক দেখে একটা জিনিসের কথাই মনে হয়। মধুরা বলল, “পান্তুয়া।”

    “গুড! পরীক্ষায় পাশ।” পান্তুয়াকে কৃশানুর কোলে চালান করে দিয়ার কোল থেকে বাচ্চা নিয়ে মধুরাকে দেখায় মনোহর, “একে দেখে কীসের কথা মনে হচ্ছে?”

    রসগোল্লার মতো সাদা আর গোলগাল বাচ্চাটা দেখে মধুরা বলল, “বাবার নোমেনক্লেচার অনেক বেশি সায়েন্টিফিক। আমি এখন থেকে এদের রসগোল্লা আর পান্তয়া বলে ডাকব।”

    “কী আমার বাপসোহাগি মেয়ে হয়েছে,” হাঁটুতে ব্যথার তেল মালিশ করতে করতে বলে যূথিকা, “বাড়ির মেয়ে বাড়ি এসেছ। এক হপ্তা জিরিয়ে নাও। তার পরে তোমার জন্যে পাত্র খুঁজতে বেরুব। এই আমি বলে দিলুম!”

    *

    রাত্তিরে তিনতলায় নিজের ঘরে শুয়ে, ‘শুভবিবাহ’ লেখা কার্ড হাতে নিয়ে অঝোরে কাঁদল মধুরা। শুভ্র তাকে আর ভালবাসে না? শুভ্র বিয়ের খবর জানানোর প্রয়োজনও বোধ করল না? আর, বিয়ে করছে কাকে? মধুরার প্রাক্তন কোলিগ, তার বেস্ট ফ্রেন্ড অ্যানি ডিকুনহাকে। যার মা মেরি ডিকুনহাকে মধুরা মেরিমাসি বলে ডাকে। যার কাছে একসময় সে রান্না শিখত।

    সারারাত কেঁদে ক্লান্ত হয়ে ভোরবেলা ঘুমিয়ে পড়ল মধুরা। বেলা আটটা নাগাদ ঘুম থেকে উঠে মেরিকে ফোন করল।

    অ্যানি আর মেরি ডিকুনহা থাকে এলিয়ট রোডের রোজ অ্যাপার্টমেন্টে। মেরি ‘ডিপ ফোকাস’ নামে একটা ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট এজেন্সি চালায়।

    মেরি ফোন ধরে বলল, “তুই আমার ওপরে খুব রেগে আছিস?”

    “তোমার ওপরে রেগে থাকলে তোমাকে ফোন করতাম না মেরিমাসি।”

    “কার ওপরে রেগে আছিস? শুভ্র না অ্যানি?”

    “শুভ্র, অ্যানি, শুভ্রর বাবা মা— তুমি ছাড়া সব্বার ওপরে।”

    “কেন মধু?”

    “ওরা শুভ্রকে বোঝাতে পারল না যে একজনের সঙ্গে দীর্ঘকাল ঘোরাঘুরির পরে তাকে ডিচ করা অপরাধ?”

    মেরি চুপ।

    “দেখো মেরিমাসি, আমি জানি যে অ্যানি তোমার মেয়ে। শুভ্র তোমার জামাই হতে চলেছে। এই জাতীয় কথা তোমাকে বলা উচিত নয়। কী করব বলো, তোমার কাছেই আমি এগুলো বলতে কমফর্টেব্‌ল ফিল করছি।”

    মেরি চুপ।

    “কী গো? কিছু বলো?”

    মেরি ঠান্ডা গলায় বলল, “যা বলব, তা তোর পছন্দ হবে না।”

    “রিয়্যালি? শুনি, তুমি কী বলতে চাও!” মধুরার গলায় সারকাজ্‌ম।

    “আমি একটা পুরনো কথা বলব। অভিযোগের তর্জনী একজনের দিকে তাক করলে হাতের বাকি আঙুলগুলো অভিযোগকারীর দিকেই তাক করা থাকে।”

    “তার মানে তুমি বলতে চাইছ যে সব দোষ আমার?”

    “আমি বলছি, তুই একটু ইনট্রোস্পেক্ট কর। ঠান্ডা মাথায় ভাব। শুভ্রর সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যাওয়ার ফলে তোর কি খুব কষ্ট হচ্ছে? বুক ভেঙে যাচ্ছে? মনে হচ্ছে যে মরে যাব?”

    “ধ্যাত! তাই আবার কারও হয় নাকি?”

    “পাঁচফোড়ন-এর ফাইনাল রাউন্ডে হেরে যাবার পরে কীরকম লেগেছিল?”

    “খুব কষ্ট হয়েছিল। ডিপ্রেশানে চলে গিয়েছিলাম।”

    “তা হলে তোরও কষ্ট হয়। তবে প্রেমে ঝাড় খেয়ে নয়। প্যাশনের জায়গায় ঝাড় খেয়ে।”

    “তুমি কী বলতে চাইছ?”

    মেরি মৃদু হাসল। বলল, “আমি বাইবেল যেমন পড়েছি, তেমন গীতাও পড়েছি। শ্রীকৃষ্ণের উপদেশ মনে রাখ। যা হয়েছে ভালর জন্যে হয়েছে। যা হবে, তা ভালর জন্যই হবে। কেমন?”

    ‘কেমন’ শব্দটির মধ্যে ফোনালাপ শেষ করার ইঙ্গিত ছিল। মধুরা বাধ্য হয়ে বলল, “শুভ্র আমাকে বিয়ের কার্ড পাঠিয়েছে। আমি যাব। প্যারিস হলে তোমার সঙ্গে দেখা হবে। রাখছি।”

    *

    ভৌমিক মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের গায়ে এখন দুটো গ্যারাজ। ডানদিকেরটায় থাকে কৃশানু-দিয়ার হ্যাচব্যাক। বাঁদিকেরটায়, মধুরার এসইউভি। বাড়ি ফেরার পরদিনই শলপের অটোমোবাইলের শোরুমে গিয়ে তুঁতে রঙের গাড়িটা কিনেছে মধুরা।

    মধুরা গাড়ি কিনেছে নগদ টাকা দিয়ে। কৃশানু আপত্তি করে বলেছিল কার লোন নিলে ইনকাম ট্যাক্সে ছাড় পাওয়া যায়। মধুরা শোনেনি।

    মধুরা ফিরেছে ৮ ফেব্রুয়ারি। শনিবার। আজ ২৭ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার। ব্যাঙ্ক, পোস্ট অফিস, গাড়ির শোরুম, মোটর ভেহিক্‌লের দফতর হাজার জায়গায় ছোটাছুটি করে কয়েক সপ্তাহ চলে গেল। আজ সন্ধেটা মধুরা আলাদা ভাবে প্ল্যান করে রেখেছে। আজ সে একাই গাড়ি নিয়ে বেরোবে। আজ শুভ্রর বিয়ে।

    গির্জা সংলগ্ন এলাকাকে ‘প্যারিস’ বলা হয়। সেন্ট পল্‌স ক্যাথিড্রাল সংলগ্ন প্যারিস হল নানা অনুষ্ঠানে ভাড়া দেওয়া হয়। শুভ্র আর মেরির বিয়ের রিসেপশান এখানেই হচ্ছে। প্যারিস হলের সামনেটা গাড়িতে থিকথিক করছে। ভিতরের পার্কিং ফুল হয়ে গেছে।

    প্যারিস হলের বাইরে গাড়ি পার্ক করে আয়নায় নিজেকে দেখে নিল মধুরা। গেটের কাছে এসে দেখল গুরুপদ, মঞ্জুলিকা আর মেরি পাশাপাশি দাঁড়িয়ে। মধুরাকে দেখে গুরুপদর ভুরু কুঁচকে গেছে।

    গুরুপদ আর মঞ্জুলিকাকে প্রণাম করে, মেরির সঙ্গে হ্যান্ডশেক করে মধুরা বলল, “আমি কিন্তু পাত্রপক্ষ। অ্যানি আমায় নেমন্তন্ন করেনি।”

    গুরুপদর মুখে হাসি ফুটল। সে দু’হাত বাড়িয়ে বলল, “আয়!” মধুরা গুরুপদকে জড়িয়ে ধরে ভাবল, এই লোকটা তার শ্বশুর হতে পারত! মধুরার কাঁধে হাত রেখে প্যারিস হলের বাগান দিয়ে হাঁটতে হাটতে গুরুপদ বলল, “জানিস তো, আমি এখন ট্রান্সফার হয়ে পার্ক স্ট্রিট থানায় চলে এসেছি।”

    “তাই?” অন্যমনস্ক গলায় বলে মধুরা। অ্যানির জন্যে কেনা গিফ্‌ট গুরুপদর হাতে তুলে দেয়।

    গুরুপদ জিজ্ঞাসা করল “কী আছে?”

    “রুপোর চামচ। শুভ্র আর অ্যানির বাচ্চার জন্যে।”

    “আমি শুভ্রকে বলেছিলাম তোকে নেমন্তন্ন না করতে। ও শুনল না। আমি অবশ্য ভাবিনি যে তুই আসবি।”

    ওয়েটারের হাত থেকে আমপান্নার গেলাস নিয়ে মধুরা বলল, “তোমার কথা শুনে মনে হচ্ছে, আমি শুভ্রর সঙ্গে কোনও অন্যায় করেছি। নেমন্তন্নর কার্ড পাঠিয়ে ও আমার ওপরে প্রতিশোধ নিচ্ছে। অথচ প্রতিশোধ নেওয়ার কথা আমার!”

    “মেরির সঙ্গে তোর কী কথাবার্তা হয়েছে আমি জানি। আমার ভাবতে খুব অবাক লাগছে যে তুই তোর প্রবলেমটা বুঝতে পারছিস না।”

    “আমার আবার কী প্রবলেম?”

    “গত এক বছর তুই শুভ্রর সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলি?”

    “প্রথম দু’মাস ছিল। তারপর কমে গিয়েছিল। আসলে কাজের এত চাপ!”

    “যোগাযোগ রাখতে গিয়ে লন্ডনে তোর যে সমস্যা হচ্ছিল, সেটা ভারতে বসে আমরা কী করে জানব? শুভ্র ফোন করলে তুই ফোন ধরছিস না, শুভ্র এসএমএস করলে তুই রিপ্লাই করছিস না, শুভ্র মেল করলে তুই উত্তর দিচ্ছিস না, ফেসবুকে নিজের স্ট্যাটাস আপডেট করে জানান দিচ্ছিস যে তুই এখন টোটেনহ্যাম কোর্ট রোডে শুটিং করছিস অথচ সেই স্ট্যাটাসে শুভ্র যখন লিখছে, ‘প্লিজ আমার ফোন ধরো’, তুই দেখেও দেখছিস না… কত উদাহরণ দেব মধু? শুধু শুভ্র কেন, আমি আর শুভ্রর মা-ও তোকে ফোন করেছি। তুই ফোন ধরিসনি। আমরা এর থেকে কী সিদ্ধান্ত নেব?”

    “ওফ! তোমরা পাগল নাকি? আমি তখন কাজে ব্যস্ত ছিলাম। আমি কী ট্রিমেন্ডাস প্রেশারের মধ্যে কাজ করতাম এই নিয়ে তোমার কোনও ধারণা আছে? দিনে আঠেরো ঘন্টা শুটিং, শনি রোববারেও ছুটি নেই। সকালে ভাইননিয়ার্ড, দুপুরে রেস্তোরাঁর ফিতে কাটা, সন্ধেবেলা ওয়াইন সমেলিয়ার হওয়া…”

    “জীবন শুধু তোকে দিয়ে তৈরি নয় মধু। পৃথিবী তোর চারিদিকে ঘোরে না। এখানে আমরাও আছি। আমরা কী ভাবছি, কী করছি, কীভাবে রিঅ্যাক্ট করছি এটাও গুরুত্বপূর্ণ। তুই টিভি দর্শকের কাছে সেলেব্রিটি হতে পারিস, কিন্তু কাছের লোকের সঙ্গে স্বাভাবিক ব্যবহার করবি না? শুভ্রকেও ঘ্যাম দ্যাখাবি?”

    মধুরার মাথায় হঠাৎ আকাশ ভেঙে পড়ে। সে বুঝতে পারে, মেরিমাসি ঠিক বলেছিল। এখন শুভ্রর বাবাও ঠিক বলছে। সাফল্য পেয়ে সে ধরাকে সরা জ্ঞান করেছিল। ভেবেছিল তার ব্যস্ততার মানে সবাই বুঝতে পারবে। সে সেলিব্রিটি, সে স্টার হোস্ট। তার শিডিউলের সঙ্গে বাকিরা অ্যাডজাস্ট করে নেবে। শুভ্রকে ‘ঘর কা মুরগি ডাল বরাবর’ ধরে নেওয়া তার জীবনের মস্ত ভুল।

    প্রকৃতি শূন্যতা সহ্য করে না। শুভ্রর জীবনের ফাঁকা জায়গায় এনট্রি নিয়েছে অ্যানি। যূথিকা ঠিকই বলেছিল। মধুরার আমও গেল, ছালাও গেল। মেল্টিং পট সিজ্‌ন টু-তে কাজ না পেয়ে সে পেশাগত ভাবে লুজার হয়েছিল। এবার ব্যক্তিজীবনে লুজার হল।

    আমপান্নার গেলাস রাখার অজুহাতে গুরুপদর কাছ থেকে পালায় মধুরা। শুভ্রর সঙ্গে দেখা করে এখান থেকে কেটে পড়তে হবে।

    ভাবতে না ভাবতেই সামনে শুভ্র। মেরুন-সাদা ইন্দো-ওয়েস্টার্ন পোশাকে ফিল্মি বরের মতো লাগছে। মধুরাকে দেখে নমস্কার করে বলল, “স্বাগতম।”

    মধুরা বলল, “আমপান্নাটা খুব টেস্টি। আসল আম দিয়ে তৈরি। এসেন্স দিয়ে নয়।”

    “তুমি বদলালে না মধুরা। রান্নাবান্না ছাড়া তোমার জীবনে আর কিছুর অস্তিত্ব নেই।”

    লজ্জা পেয়ে মধুরা বলল, “আয়্যাম সরি। কনগ্র্যাচুলেশানস। উইশিং ইয়ু অ্যান্ড অ্যানি আ হ্যাপি ম্যারেড লাইফ।”

    “থ্যাঙ্কস মধুরা।”

    ওয়েটারের ট্রে থেকে একটুকরো রেশমি কাবাব নিয়ে টিস্যু পেপারে মুড়ে মধুরা বলল, “বিয়ে কবে হল?”

    “আজ।”

    “আজ বিয়ে, আজই বউভাত?”

    “হ্যাঁ। একটাই অনুষ্ঠান করা হয়েছে। সকালে দত্ত ম্যানশনে হিন্দু মতে বিয়ে হল। রেজিস্ট্রিও হল। তারপর চার্চের পাদরির উপস্থিতিতে খ্রিস্টান মতে। এখন রিসেপশন।”

    “একবার খাইয়ে খরচ কমাচ্ছ?” রেশমি কাবাবে কামড় দিয়েছে মধুরা। “কাবাবটা ডিলিশাস হয়েছে! লাভলি ম্যারিনেশান!”

    “আবার খাবারের কথা?” কৃত্রিম ধমক দেয় শুভ্র।

    মধুরা হেসে ফেলে। সে আস্তে আস্তে সহজ হচ্ছে। মেনে নিচ্ছে নিজের ভবিতব্য।

    “একটাই অনুষ্ঠান করা হচ্ছে কারণ হল, আমাদের সামনে এখন অনেক খরচ। মেরির সারভাইকাল ক্যানসার হয়েছে।”

    “যাঃ!”

    “যাঃ নয়, হ্যাঁ। মেরি রোজ অ্যাপার্টমেন্টের ফ্ল্যাট বিক্রি করে দিয়েছে। ডিপ ফোকাস বিক্রি করে দিয়েছে কর্মচারীদের। ও এখন দত্ত ম্যানশনে আমাদের সঙ্গে থাকে। হার ডে-জ আর নাম্বার্ড।”

    “আই অ্যাম সরি!” ফিসফিস করে বলে মধুরা। সে না জেনে মেরির সঙ্গে টেলিফোনে কী দুর্ব্যবহারটাই না করেছে!

    “সরি বোলো না। মেরিমাসি রেগে যাবে। শি ইজ ভেরি হ্যাপি রাইট নাও। আজ এই আলোচনা থাক। চলো, তোমাকে স্যান্ডির সঙ্গে দেখা করাই।”

    স্যান্ডি মানে সন্দীপ পারেখ। ডিজিটাল ইন্ডিয়ায় মধুরার বস। এই লোকটার জন্যে ডিজিটাল ইন্ডিয়ায় তার চাকরি গেছে। এই লোকটার জন্যে সে পাঁচফোড়নে হেরে গেছে। এই লোকটার জন্যে তার রান্নার জগতের ফ্রেন্ড, ফিলজফার এবং গাইড সুলতান সিং জেলে গেছে। স্যান্ডি তার নেমেসিস!

    চিরশত্রুর সঙ্গে দেখা করার ব্যাপারে মধুরার আগ্রহ নেই। সে বলল, “ডিজিটাল ইন্ডিয়ায় স্যান্ডি নানা ইললিগাল কাজ করেছিল। তুমি সেইসব কুকীর্তির কথা জানিয়ে মুম্বইয়ের হেড অফিসে মেল করেছিলে। এরপরে স্যান্ডির তো তোমার ওপরে খচে থাকার কথা!”

    “স্যান্ডি ওই কারণেই অন্য ডিভিশানে ট্রান্সফার্ড হয়েছে। আর আমি প্রোমোটেড হয়েছি স্যান্ডির পোস্টে। রেগুলার লিয়াসঁ মিটিং করতে হয়। নেমন্তন্ন না করে উপায় আছে?”

    “শত্রু এখন বন্ধু?” বাঁকা হাসি হাসে মধুরা।

    “জগতে কিছুই পার্মানেন্ট নয় মধুরা। প্রেম নয়, বন্ধুত্ব নয়, শত্রুতাও নয়। তুমি স্যান্ডির সঙ্গে কথা বলো। ভাল লাগবে। ওই তো! স্যান্ডি এই দিকেই আসছে!”

    এই প্রথম মধুরা প্রাক্তন প্রেমিকের বিয়েতে আসার জন্য রিগ্রেট করল। মধুরা ভেবেছিল শুভ্রকে দেখিয়ে দেবে, তাকে বিয়ে না করার ফলে শুভ্র কত কী হারাল। মধুরা ভেবেছিল অ্যানিকে দেখিয়ে দেবে সে কতটা সুপিরিয়র। মধুরা ভেবেছিল মঞ্জুলিকা আর গুরুপদকে দেখিয়ে দেবে, ‘হম কিসিসে কম নেহি’! মধুরা ভেবেছিল মেরিকে দেখিয়ে দেবে শুভ্রকে বিয়ে করতে না পেরে তার কিছু আসে যায় না।

    মধুরা ভাবেনি যে তার নেমেসিস সন্দীপ পারেখের সঙ্গে দেখা হয়ে যাবে।

    “হ্যালো মধুরা! কেমন আছ? যে বিয়েতে তোমার বউ হওয়ার কথা ছিল, সেই বিয়ের নেমন্তন্ন খেতে কেমন লাগছে?” দুই হাত জোড় করে জানতে চাইছে স্যান্ডি। সে পরে আছে গিলে করা পাঞ্জাবি আর চুনট করা ধাক্কা পাড়ের ধুতি। কোঁচাটি নিখুঁত ভাবে ধরা। পায়ে বিদ্যেসাগরি চটি। গা দিয়ে ভুরভুর করে গোলাপজলের গন্ধ আসছে। জেল দিয়ে ব্যাকব্রাশ করা চুল চকচক করছে। বাঙালি পোশাক পরে শয়তানের প্রতিমূর্তি স্যান্ডি মধুরার দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসছে।

    “তোমাকে এই পোশাকে বেশ মানিয়েছে।” সংক্ষিপ্ত উত্তর মধুরার।

    “থ্যাঙ্কস ফর দ্য কমপ্লিমেন্ট। তা, তুমি এখন কী করছ? মেল্টিং পট, সিজ্‌ন টু থেকে তো আউট। ওরা রিচা চাড্‌ঢাকে নিয়েছে। হাই চ্যানেলেই আছ, না ইন্ডিয়ায় ব্যাক করেছ?”

    “কলকাতায় ব্যাক করেছি।”

    “দ্যাটস ভেরি গুড!” হাতে হাত ঘষে স্যান্ডি। “তোমার মতো একজন স্টার শেফ আর স্টার কুকারি শো হোস্টের কলকাতায় আসা খুব জরুরি। হসপিটালিটি ইন্ডাসট্রিতে ক্যালকাটা ইজ স্টিল ব্যাক অব বেয়ন্ড।”

    “থ্যাঙ্কস ফর দ্য কমপ্লিমেন্ট।” স্যান্ডির ধন্যবাদা তাকেই ফেরত দেয় মধুরা।

    “আমাদের রেস্তোরাঁ লেমনগ্রাসে জয়েন করবে? নেহা লং স্ট্রিটে নতুন একটা ব্রাঞ্চ খুলেছে। কলকাতায় ভাল চাইনিজ শেফের খুব অভাব! আর, আমাদের পে প্যাকেট কিন্তু বেস্ট ইন দ্য মার্কেট!”

    অপমানে মধুরার কান ঝাঁঝাঁ করছে। স্যান্ডি আবার তার পুরনো ট্রিক ব্যবহার করছে। অপমান করার ট্রিক। মধুরা পাঁচফোড়নের ফাইনাল রাউন্ডে হেরে যাবার পরে বলেছিল ভৌমিক মিষ্টান্ন ভাণ্ডারে মিষ্টি বিক্রি করতে। আজ বলছে ওদের রেস্তোরাঁয় রান্না করতে। কী সাহস!

    “তোমার হাবি সুলতান সিং-এর কী খবর?” মুচকি হেসে বলে স্যান্ডি, “যে বুড়োটার সঙ্গে তোমার অ্যাফেয়ার ছিল? ফুটপাথের ধাবাওয়ালা সুলতান থেকে আইটি সেক্টরের ম্যানেজার শুভ্র— তুমি সবাইকে দিলে। শুধু আমি কিছু পেলাম না!”

    “নেহাত এটা বিয়েবাড়ি! তাই পাছায় একটা লাথি কষালাম না!” হিশহিশ করে বলে মধুরা, “ফারদার লুজ টক করলে তোর বল্‌স দিয়ে তোর মুখ বন্ধ করে দেব! বাই!”

    রাগে গনগন করতে করতে মধুরা গেটের দিকে এগোচ্ছে। তাকে দেখে মেরি জিজ্ঞাসা করল, “চোখমুখ লাল কেন? কাঁদছিলি?”

    “না মেরিমাসি!” মেরিকে জড়িয়ে ধরে সত্যি সত্যি কেঁদে ফেলে মধুরা। মেরি কী বুঝেছে কে জানে! সে মধুরার মাথায় হাত বুলিয়ে বলল, “যা হয়, তা ভালর জন্যেই হয়! দুঃখ করিস না।”

    চোখ মোছে মধুরা। গাড়িতে উঠে ইঞ্জিনে স্টার্ট দেয়। পিছনে পড়ে থাকে সেন্ট পল্‌স ক্যাথিড্রাল, পিছনে পড়ে থাকে প্যারিস হল, পিছনে পড়ে থাকে শুভ্র। মধুরা গাঁগাঁ করে গাড়ি চালিয়ে বাড়ির দিকে এগোয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্পাই মেয়ে – মার্থা ম্যাককেনা
    Next Article শেষ নাহি যে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    Related Articles

    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    অপারেশন ওয়ারিস্তান – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    শেষ নাহি যে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }