Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মধুরেণ – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    ইন্দ্রনীল সান্যাল এক পাতা গল্প249 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মধুরেণ – ৮

    ৮

    এবারে বর্ষা এসেছে টাইমটেবিল মেনে। আবহাওয়া দফতর ঘোষণা করেছে, “মনসুন অ্যারাইভস অন ৮ জুন।” মৌসুমীদেবীও লক্ষী মেয়ের মতো একঢাল কালো চুল খুলে, কেরালা থেকে নাচতে নাচতে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে ঢুকে পড়লেন, সাত তারিখ রাত বারোটা পেরোনোর একটু পরে।

    কলকাতা শহরের রাস্তায় জল জমতে শুরু করেছে। খবরের কাগজ আর টিভিতে শুরু হয়ে গেছে সরকার আর বিরোধীপক্ষের মধ্যে জলজমা নিয়ে রাজনৈতিক খেউড়।

    এই কুচ্ছিত ওয়েদারে মধুরা রোজ সকাল ন’টার সময় বাড়ি থেকে বেরিয়ে গাড়ি চালিয়ে চলে আসে লং স্ট্রিট। সেখানে ডুঙ্গার আর মিস জোনাকির সঙ্গে একপ্রস্থ মিটিং সেরে নেয়। শীল ম্যানশনের রিনোভেশান পর্ব মনিটর করছে ডুঙ্গার। কাজের প্রগ্রেস খতিয়ে দেখে মিস জোনাকিকে নিয়ে বেরোয় মধুরা। গোটা কলকাতা চক্কর কাটে। ফিরে এসে আর একপ্রস্থ মিটিং করে।

    জুন মাসের দশ তারিখ। সন্ধে সাতটার সময়ে মধুরা, মিস জোনাকি আর ডুঙ্গার মিটিং করতে বসেছে। ভেনু, শীল ম্যানশনের হলঘর। মিস্তিরি লাগিয়ে ঘরটা সাফসুতরো করা হয়েছে। জানলার ভাঙা খড়খড়ি সারানো হয়েছে, দেওয়ালে হোয়াইট ওয়াশ পড়েছে। নোংরা কাপড়ের ঢাকনি সরিয়ে ঝাড়লন্ঠন প্রকাশ্যে এসেছে। সেটাকে পরিষ্কার করে ইলেকট্রিকাল কানেকশান দেওয়া হয়েছে। ফ্যানের ব্লেডে আর ধুলো জমে নেই। সোফায় বসা যাচ্ছে।

    মধুরা আর মিস জোনাকি সোফায় বসেছে। ডুঙ্গার হুইল চেয়ারে। পরনে হাফহাতা ফতুয়া আর ঢোলা পাজামা। নাকে অক্সিজেনের নল।

    ল্যাপটপ দেখে মধুরা বলল, “আমরা অলরেডি কোম্পানি আইন অনুযায়ী একটা কোম্পানি খুলেছি, যার নাম ‘ফুড অ্যান্ড বিভারেজ প্রাইভেট লিমিটেড’। সংক্ষেপে ‘এফ অ্যান্ড বি’। এটা একটা পার্টনারশিপ ফার্ম। মালিক, আমরা তিনজন। আমরা একটা ফিউশান ফুডের রেস্তোরাঁ খুলতে চলেছি। লং স্ট্রিটের ব্যাঙ্কে কারেন্ট অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। শীল ম্যানশনে প্রাথমিক রেনোভেশানের কাজ চলছে, যাতে অফিস হিসেবে এটা ব্যবহার করা যায়। আমি এই কাজগুলো দেখছিলাম। জোনাকিদি দেখছে লাইসেন্সের ব্যাপারটা। জোনাকিদি, আমি প্রশ্ন করি?”

    “কর।”

    “এক নম্বর ডকুমেন্ট, ট্রেড লাইসেন্স।”

    ফাইল খুলে মিস জোনাকি একটা কাগজ দেখাল, “হয়ে গেছে। দাসবাবু আমার চেনা লোক। কোনও টাকাপয়সা নেননি।”

    “কেন নেয়নি? তোমার কাস্টমার ছিল?” মুখোশ সরিয়ে জানতে চাইল ডুঙ্গার।

    মিস জোনাকি বলল, “হ্যাঁ। তোমার কোনও আপত্তি আছে?”

    “তখন আপত্তি ছিল না। এখন যোগাযোগ থাকলে আপত্তি আছে।”

    “এখনও যোগাযোগ আছে। তবে কাস্টমার হিসেবে নয়। বন্ধু হিসেবে।”

    “বন্ধু?” হ্যাহ্যা করে হাসে ডুঙ্গার, “হিরোইনরা প্রেম করলে, ইন্টারভিউতে কী একটা স্টক কোটেশান দেয় যেন?”

    মধুরা বলে, “উই আর জাস্ট গুড ফ্রেন্ডস!”

    “হ্যাঁ হ্যাঁ! মধু ঠিক বলেছে, দাসবাবু আর তুমিও কি তাই? জাস্ট গুড ফ্রেন্ডস?”

    মধুরা তাড়াতাড়ি বলে, “দু’নম্বর আইটেম, ফুড লাইসেন্স।”

    “এই যে!” আর একটা কাগজ দেখায় মিস জোনাকি। ডুঙ্গার বলে, “এটাও কি দাসবাবু বানিয়ে দিয়েছে?”

    “না!” কৃত্রিম রাগ দেখায় মিস জোনাকি, “এটা মধুরিমা ম্যাডামের জন্য পেয়েছি। তিনহাজার টাকা দিতে হয়েছে।”

    “হবেই! মেয়ে যে! জাস্ট গুড ফ্রেন্ড তো নয়!” ফুট কাটে ডুঙ্গার।

    “তিন নম্বর, ভ্যাট লাইসেন্স।” ল্যাপটপ দেখে বলে মধুরা।

    “হয়ে গেছে,” আর একটা কাগজ দেখায় মিস জোনাকি।

    “এটাও কি দাসবাবু?” রুটিন মেনে জানতে চায় ডুঙ্গার। মিস জোনাকি বলে, “এটা ঘোষদার জন্যে হল। উনিও টাকা নিলেন না।”

    “আগে ছিল দাসবাবু, এবার হল ঘোষদা। তা, ইনিও কি জাস্ট গুড ফ্রেন্ড?”

    “তোমার সব খবরে কী দরকার? তুমি মন দিয়ে অক্সিজেন নাও।”

    মধুরা বলে, “চার নম্বর, বাড়িভাড়ার রশিদ।”

    “এই যে,” আর একটা কাগজ নাড়ে মিস জোনাকি। ডুঙ্গারের দিকে তর্জনী দেখিয়ে বলে, “এটা ও দিয়েছে। বলেছে, নিয়মরক্ষার্থে ভাড়ার রশিদ দিলাম। মাসে হাজার টাকা ভাড়া। ওই টাকা আমার লাগবে না।”

    ডুঙ্গার মন দিয়ে অক্সিজেন নিচ্ছে। মধুরা বলল, “দাসবাবু, ঘোষদার পরে কত্তাবাবু? বেশ বেশ!”

    মিস জোনাকি ফচকে হেসে বলল, “উই আর জাস্ট গুড ফ্রেন্ডস!”

    “পান্‌চ লাইনটা সলিড দিয়েছ!” ডুঙ্গারের দিকে তাকিয়ে হোহো করে হাসে মধুরা, “পাঁচ নম্বর, সেন্ট্রাল এক্সাইজের রেজিস্ট্রেশান এবং ক্লিয়ারেন্স…”

    “পেয়ে গেছি!” আরও দুটো কাগজ দেখায় মিস জোনাকি।

    মধুরা লিস্টে টিক মারতে মারতে বলে, “ফায়ার লাইসেন্স।”

    “এটা আমাকে দিয়ে হবে না,” অসহায়ভাবে বলে মিস জোনাকি। “ওখানে আমার চেনা ছিলেন ঘোষালবাবু। উনি মারা গেছেন। এখন যারা আছে, তাদের কাউকে চিনি না।”

    মধুরা ডুঙ্গারের দিকে তাকিয়ে বলল, “ঘোষালবাবুকে নিয়ে তোমার কোনও বক্তব্য নেই? বেচারি মারা গেছে বলে তোমার অ্যাসিড টাং থেকে বঞ্চিত থাকবে?”

    ডুঙ্গার চোখ খুলল। অক্সিজেনের মাস্ক সরিয়ে বলল, “তুই একটু আগে কী বললি?”

    “কী বললাম?

    “আহ! কী যেন একটা বললি?” ডুঙ্গার প্রচণ্ড উত্তেজিত!

    “ঘোষালবাবু?”

    “না না! তারও আগে।”

    “তারও আগে? কী বললাম? ভাড়ার রশিদ? সেন্ট্রাল এক্সাইজ? ফায়ার লাইসেন্স?”

    “ওসব নয়।” হাত নাড়ে ডুঙ্গার, “জোনাকি যখন বলল, ‘উই আর জাস্ট গুড ফ্রেন্ডস’, তখন তুই কী বললি…”

    মিস জোনাকি বলে, “ও বলেছিল, ‘পান্‌চ লাইনটা সলিড দিয়েছ’।”

    “এক্স্যাক্টলি!” এক্সাইটমেন্টের চোটে হুইল চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়িয়েছে ডুঙ্গার, “আমরা ফিউশান ফুডের রেস্তোরাঁ খুলতে চলেছি। তার নাম কী হবে এই নিয়ে ভাবনাচিন্তা এখনও শুরু হয়নি।”

    “পান্‌চ!” ল্যাপটপের ওপরে ঘুষি মারে মধুরা, “একদম অ্যাপ্ট নেম!”

    “পান্‌চ মানে কী?” চেয়ার থেকে উঠে বইয়ের আলমারির দিকে এগোয় মিস জোনাকি।

    মধুরা বলে, “পোকায় কাটা ডিকশনারি ঘেঁটে লাভ নেই। আমার মোবাইলে ডিকশনারি আছে।” মোবাইলের ডিকশনারি খুলে মধুরা বলল, “পান্‌চ মানে ঘুষি মারা, পান্‌চ মানে শার্প অবজেক্ট দিয়ে ফুটো করা, পান্‌চ মানে কম্পিউটার বা টেলিফোনের বাট্‌ন প্রেস করা। পান্‌চ ব্যাগে বক্সাররা ঘুষি মারে, মাথায় ঘুষি খেয়ে বক্সাররা পান্‌চ ড্রাঙ্ক হয়ে যায়, পান্‌চ আপ মানে ফিজিক্যাল ফাইট…”

    “ওই নামই ফাইনাল!” হাততালি দিয়ে বলে ডুঙ্গার, “নামটা রেজিস্ট্রি করতে হবে নাকি?”

    মিস জোনাকি বলে, “সেটা আমি দেখছি। তার আগে নতুন ছেলেমেয়ে নিতে হবে। শুধু পূজাকে দিয়ে চলবে না। বাবুলাল বারুই নামে একটা লোক আর বিনয় মহাপাত্র নামে একটা ছেলে আমার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেছে।”

    “ওরা কী করে জানল যে এখানে রেস্তোরাঁ হবে?” সন্দেহমাখা গলায় প্রশ্ন করে ডুঙ্গার।

    “বিনয়কে আমি এই প্রশ্নটাই করেছিলাম। ও বলল, নতুন ফুড লাইসেন্স বা লিকার লাইসেন্স বেরোলে ওর কাছে খবর চলে যায়।”

    “পারফেক্ট যুক্তি।” ল্যাপটপে নাম এন্ট্রি করে মধুরা বলে, “এরা কোথায় কাজ করে?”

    “বাবুলাল থট ফর ফুডের ডোরম্যান ছিল। ওখান থেকে চাকরি গেছে। আমার সঙ্গে দেখা করেছে। আমি বলেছি, সকাল এগারোটা থেকে রাত এগারোটা পর্যন্ত ডিউটি। মাইনে মাসে তিন হাজার টাকা। বাবুলাল রাজি হয়ে গেছে।”

    “শুধু ডোরম্যানের কাজ করবে? না অন্য কাজও করবে?”

    “রান্না আর সার্ভ করা বাদ দিয়ে সব করবে। লোকটাকে ডিপেন্ডেব্‌ল বলে মনে হল।”

    “বিনয় ছেলেটা কে?”

    “শেফ। ওকে আজ আসতে বলেছি। কথা বলে নিস।”

    ল্যাপটপ বন্ধ করে মধুরা বলে, “এই বৃষ্টিতে আসবে কী করে?”

    “সেটা ও-র ব্যাপার।” সোফা থেকে উঠে মিস জোনাকি বলে, “সাতটায় আসতে বলেছিলাম। এখন ক’টা বাজে?”

    “আটটা।” ঠ্যাং দোলাতে দোলাতে ডুঙ্গার বলে, “ফায়ার লাইসেন্সের কী হবে?”

    মধুরা বলল, “আমার চেনা একজন ফায়ার ডিপার্টমেন্টে আছে। কাল তাকে ফোন করব।”

    এই সময় কলিং বেল বাজল। মিস জোনাকি সিঁড়ির দিকে যেতে যেতে বলল, “হয় বিনয় এল, না হয় অ্যাডনেটের অশোক কর্মকার এল।”

    “অশোক কর্মকার আবার কে?” প্রশ্ন করে মধুরা। ডুঙ্গার বলে, “আর্মেনিয়ান স্ট্রিটে অশোকের অ্যাড এজেন্সি আছে। মিডিয়াম বাজেটের ক্লায়েন্টের জন্য আইডিয়াল। তোর সঙ্গে বসে অ্যাডের প্ল্যানিং করবে বলেছে। ছেলেটা খেতেও ভালবাসে।”

    ডুঙ্গারের কথার মধ্যে মিস জোনাকি একটা ছেলেকে নিয়ে ওপরে এসেছে। ডুঙ্গার বলল, “তুমি দেখছি একদম শুকনো। বৃষ্টি কি বন্ধ হয়ে গেছে?”

    মধুরা আন্দাজ করল, এ হল বিনয়। কেননা অশোককে ডুঙ্গার চেনে। বিনয় বলল, “আমি লং স্ট্রিটে ঢোকামাত্র বৃষ্টি শুরু হল। বাধ্য হয়ে সামনের বাড়ির শেডের নীচে দাঁড়িয়েছিলাম।”

    মিস জোনাকি ভিতরে চলে গেছে। ডুঙ্গার হুইলচেয়ারে বসে ঢুলছে। মধুরা বলল, “আপনার নাম বিনয় মহাপাত্র?”

    “হ্যাঁ ম্যাডাম।” বিনয়ের অবতার হয়ে বলে বিনয়। ছোকরাকে ভাল করে মাপে মধুরা। তারই মতো বয়স। শ্যামলা গায়ের রং, ব্যাকব্রাশ করা চুল, নাকের নীচে সরু একফালি গোঁফ। পরনে সাদা শার্ট, ফেডেড নীল ডেনিম আর নীল-সাদা স্নিকার। সামনের সোফা দেখিয়ে মধুরা বলল, “বসুন।”

    “থ্যাঙ্ক ইয়ু ম্যাডাম।” সোফার একপ্রান্তে জড়োসড়ো হয়ে বসে বিনয়।

    “বাড়ি কোথায়?”

    “পিংলা।” জবাব দেয় বিনয়ের অবতার।

    “কলকাতায় কোথায় থাকা হয়?”

    “আমি এখন কাজ করছি সল্টলেকের থট ফর ফুড রেস্তোরাঁয়। ওরাই ফুডিং লজিং দেয়।”

    মধুরা প্রশ্ন করল, “‘টিএফএফ’ ছাড়তে চাইছেন কেন?”

    বিনয় মেঝের দিকে তাকিয়ে হাত কচলে বলল, “ওখানে আমার কিছু প্রবলেম হচ্ছিল ম্যাডাম…”

    “সেই প্রবলেম এখানে হবে না আপনি জানলেন কী করে?”

    “আমার প্রবলেম হল…”

    “আমি অন্য অফিসের ভেতরের কথা জানতে চাই না। আমি এটাও চাই না যে কেউ নিজের অফিসের কথা অন্য জায়গায় রাষ্ট্র করুক। ব্যাড ওয়ার্ক কালচার।”

    মধুরাকে থামিয়ে বিনয় বলল, “টিএফএফ-এর একজন স্টাফের সঙ্গে আমার অ্যাফেয়ার চলছে। আমরা বিয়ে করতে চলেছি। ওখানকার ম্যানেজমেন্ট পলিসি হল, এক অফিসে হাজব্যান্ড-ওয়াইফ কাজ করতে পারবে না। তাই আমি ছাড়ছি। এর মধ্যে কোনও ভেতরের কথা নেই ম্যাডাম।”

    ঠিকঠাক যুক্তি। কোম্পানির কোনও দোষ নেই। বিনয়েরও দোষ নেই। মদনদেব কাকে কোথায় তির মারবে কে বলতে পারে?

    বিনয় বলল, “একটা কথা ম্যাডাম। আপনি আমাকে ‘তুমি’ বলুন।”

    “ঠিক হ্যায়,” শ্রাগ করে মধুরা, “তুমি কাজ ছাড়ছ কেন? মানে, তোমার বন্ধু ছাড়ছে না কেন?”

    “ও ম্যানেজার। আমি শেফ! আমি কম মাইনে পাই।”

    “হুম!” ঘাড় নাড়ে মধুরা। বিনয় প্রবলেমে পড়ে চাকরি খুঁজছে। একে নিলে কম স্যালারি দিতে হবে। তবে তার আগে এর স্কিল জাজ করতে হবে। মিনিট পনেরো ধরে আরও নানান প্রশ্ন করে মধুরা বলল, “তুমি এবার এসো। ফোন নাম্বার তো আছেই। আমরা যোগাযোগ করে নেব।”

    সোফা থেকে উঠে বিনয় বলে, “আমার একটা কাজের খুব দরকার।”

    “আমি দেখছি কী করা যায়।” আলোচনায় ইতি টানে মধুরা। বিনয় হঠাৎ মেঝেয় বসে পড়ে, মধুরার পায়ে মাথা ঠুকে বলে, “আমার খুব প্রবলেম ম্যাডাম! আমাকে রাখুন, প্লিজ! আপনি যা দেবেন, তাতেই আমার চলে যাবে।”

    “আরে আরে! এ কী করছেন?” বিব্রত মধুরা উঠে দাঁড়ায়।

    ডুঙ্গার সব শুনেছে। সে টিপিকাল বানিয়াদের মতো বলে, “পাঁচ হাজার টাকা মাইনে। দিনে বারো ঘণ্টা ডিউটি। ছুটিছাটা নেই। রাজি থাকলে বলো।”

    মধুরা লজ্জায় চোখ বুজে ফেলে। কোনও শেফ এত কম মাইনেয় কাজ করবে না। ছেলেটা বিপদে পড়ে এসেছে বলে এইরকম ভাবে এক্সপ্লয়েট করা ঠিক না। রেস্তোরাঁয় শেফদের সারাক্ষণ আগুনের সামনে অমানুষিক পরিশ্রম করতে হয়। যে দিনগুলোয় মানুষ আনন্দ করে, যেমন পুজো বা ছুটির দিন, সেই দিনগুলোয় শেফদের কাজ বেড়ে যায়। বিনয়ের মাইনে মিনিমাম পনেরো হাজার টাকা হওয়া উচিত।

    “এত কম মাইনে স্যার…” ঘাড় চুলকোচ্ছে বিনয়।

    “না পোষালে কোরো না!” বাঁ হাত দিয়ে মাছি তাড়ানোর মতো করে বিনয়কে যেতে বলে ডুঙ্গার।

    এই সময়ে আবার কলিং বেল বাজে। ভেতরের ঘর থেকে মিস জোনাকি বলে, “অশোক এল বোধহয়। মধুরা, তুই অশোককে ভেতরে পাঠিয়ে বাড়ি চলে যা।”

    মধুরা ল্যাপটপ ব্যাগে ঢোকায়। জানলা দিয়ে দেখা যাচ্ছে, বৃষ্টির তেজ কমের দিকে। ল্যাপটপকে জলের কবল থেকে বাঁচিয়ে গাড়ি পর্যন্ত পৌঁছতে হবে।

    বিনয় ডুঙ্গারকে বলল, “আর একটু বাড়ান স্যার। টিএফএফএ আমি এর থেকে অনেক বেশি ড্র করি।”

    ডুঙ্গার বলল, “আমি তোমাকে ডাকিনি। তুমি নিজে এসেছ। এই টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশানে কাজ করলে করো, না হলে যাও। ভাত ছড়ালে কাকের অভাব হয় না। তুমি কেমন শেফ না জেনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট দিচ্ছি।”

    মাইনে নিয়ে নেগোসিয়েশান চলছে। মধুরা একতলায় এসে সদর দরজা খুলতে যাবে, এমন সময় আবার বেল বাজল। মধুরা কড়া গলায় বলল, “আসছি আসছি! এত অধৈর্য কেন?” তারপর দরজা খুলে দিল।

    “অধৈর্য হওয়ার কারণ আছে,” লম্বা একটা লোক সাঁত করে মধুরাকে টপকে ভেতরে ঢুকে ধড়াম করে দরজা বন্ধ করে দিয়ে বলল, “বাইরে একটা সাপ! ইয়া মোটা!”

    “সা-আ-প! ওরে বাবা!” আঁতকে উঠে, টেবিল উলটে দিয়ে লোকটাকে জড়িয়ে ধরে মধুরা, “আমার সাপে খুব ভয়!”

    লোকটা বিব্রত হয়ে নিজেকে মধুরার থেকে ছাড়িয়ে বলে, “সাপের হাত থেকে বাঁচতে গিয়ে আপনার নাগপাশে বন্দি হয়ে গেছি! আমায় ছাড়ুন। ওটা ঢোঁড়া সাপ।”

    টেবিল উলটে যাওয়ার ফলে কাচের ফ্লাওয়ার ভাস ভেঙে দু’টুকরো হয়ে গেছে। লজ্জায় লাল হয়ে, লোকটাকে ছেড়ে, ভাঙা কাচ বাঁচিয়ে দরজার দিকে এগোয় মধুরা। কেলেঙ্কারি কাণ্ড! সাপের ভয়ে অচেনা লোককে এইভাবে কেউ জড়িয়ে ধরে? এইভাবে টেবিল উলটে ফুলদানি ভাঙে? ছিঃ! মনে মনে নিজেকে ধিক্কার দেয় মধুরা।

    “দাঁড়ান দাঁড়ান! কোথায় যাচ্ছেন?” মধুরার পথ আটকে লোকটা বলে, “এইভাবে আমি আপনাকে একা ছাড়তে পারি না। বাইরে সাপটা এখনও আছে! আমার মোবাইলে টর্চ আছে। আসুন, আপনাকে এগিয়ে দিই।”

    মধুরা সন্তর্পণে চৌকাঠ পেরোল। তার পায়ের কাছে লকলক করছে টর্চের আলো। ভিজে ঘাস পেরিয়ে সে দৌড় দেয় প্রধান ফটকের দিকে। গাড়িতে উঠে ল্যাপটপের ব্যাগ পাশের সিটে রেখে তাড়াতাড়ি দরজা বন্ধ করে। সাপ! বাবা গো!

    লোকটা গাড়ির কাছে চলে এসেছে। জানলার কাচে আঙুল দিয়ে টকটক আওয়াজ করে কী যেন বলছে!

    জানলার কাচ সামান্য নামিয়ে মধুরা বলে, “আমাকে সাপের হাত থেকে বাঁচানোর জন্যে থ্যাঙ্ক ইয়ু। আর পরের ব্যাপারটার জন্যে সরি!”

    লোকটা বলে, “থ্যাঙ্ক ইয়ুটা নিলাম।”

    অর্থাৎ ‘সরি’টা নিল না। মানে, জড়িয়ে ধরাটা পছন্দ হয়েছে। দাবড়ানি দেবে বলে গাড়ির কাচ পুরো নামায় মধুরা। ল্যাম্পপোস্টের আলোয় দেখে বছর আঠাশের এক ছোকরা। লম্বা, ওয়েলবিল্ট, ক্লিন শেভ্‌ড, শ্যামলা গায়ের রং। একমাথা চুল বৃষ্টিতে ভিজে গেছে। বাঁ কানে হিরের স্টাড। ডান হাতের বাইসেপে আধখাওয়া আপেল ট্যাটু করা রয়েছে। পরনে কালো ডেনিম, বোতল সবুজ রঙের টি শার্ট আর গামবুট।

    লোক নয়! এ তো ছেলে!

    ছেলেটা হাসছে। ঠোঁটের কোণে মুচকি হাসি তো আছেই, চোখ দিয়েও হাসছে। এ জানে যে একে দেখে মেয়েরা ফিদা হয়।

    হঠাৎ শুভ্রর কথা মনে পড়ে যায় মধুরার। এর সঙ্গে শুভ্রর কোনও মিল নেই। তাও! শুভ্র ফরসা, এ কালো। শুভ্রর গোঁফ আছে, এ ক্লিন শেভ্‌ড। এ কানে দুল পরে, হাতে ট্যাটু করে। শুভ্রর ওসব বাতিক ছিল না।

    শুভ্রর কথা কেন মনে পড়ল? লজ্জিত মধুরা ছেলেটার দিকে তাকিয়ে বলে, “আপনার নাম অশোক কর্মকার?”

    “আজ্ঞে!” এখনও চোখ দিয়ে হাসছে অশোক।

    “ডুঙ্গার আর মিস জোনাকি আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। আপনি ভেতরে যান।” ইঞ্জিনে স্টার্ট দিয়েছে মধুরা। অশোক বলল, “জোনাকিদি সিঁড়ি থেকে সব দেখেছে। ভাঙা ফ্লাওয়ার ভাস দেখিয়ে যদি আমায় জিজ্ঞাসা করে, ‘এ কর্ম কার?— তা হলে কী বলব?”

    “এ কর্মকার!” মুখের মতো জবাব দিয়ে টিপটিপ বৃষ্টির মধ্যে গাড়ি হাঁকায় মধুরা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleস্পাই মেয়ে – মার্থা ম্যাককেনা
    Next Article শেষ নাহি যে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    Related Articles

    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    অপারেশন ওয়ারিস্তান – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    ইন্দ্রনীল সান্যাল

    শেষ নাহি যে – ইন্দ্রনীল সান্যাল

    July 10, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }